May 2, 2026
জব্বার হোসেন: অমনও শুনেছি, স্বামী বেচারা এ সময় অগ্নিমূল্যে ইলিশ কিনতে রাজি না হওয়াতে দাম্পত্য সম্পর্কটি শেষাবধি বিচ্ছেদে গড়িয়েছে। বৈশাখে ইলিশ চাই-ই। ইলিশ ছাড়া বৈশাখ উদযাপন অসার যুক্তি ভূতের বাড়ি। বাজার ও মিডিয়ার কী ভয়ঙ্কর প্রতাপ। ইলিশ বৈশাখের, বাণিজ্যিক কারণে বাণিজ্যিক মিডিয়া- এমন ধারণা চারদিক উৎসবের আমেজে প্রচার করছে।
বন্ধুপ্রতিম, মেধাবী মুখ খালেক মুহিউদ্দিনই প্রথম ব্যক্তি যিনি সাংবাদিক হয়ে, সাংবাদিকতার শিক্ষক হয়ে, মিডিয়ার মানুষ হয়ে- মিডিয়ার এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বলেছেন। বলছেন এখনও। মনে আছে, ইন্ডিপেডেন্ট টেলিভিশনের আগে তিনি যখন সাপ্তাহিক কাগজ সম্পাদক ছিলেন, জনপ্রিয় দৈনিক আমাদের সময়-এ একটি কলাম লিখেছিলেন। তথ্য দিয়ে, যুক্তি দিয়ে বোঝাতে চেয়েছিলেন, ইলিশ বৈশাখের নয়।
কার কথা শোনে কে?
মানুষের মধ্যে যুক্তিহীনতা, বিজ্ঞানহীনতা, প্রকৃতিবিরোধিতা, ধর্মান্ধতা ভয়ঙ্করভাবে কাজ করে। শিক্ষিত হলেই লোকের মধ্যে যুক্তিপ্রবণতা কাজ করে তা নয়, বরং লেখাপড়া জানা অনেকের মধ্যে কখনও কখনও যুক্তিহীনতার মাত্রা ভয়াবহভাবে কাজ করে। প্রচলিত শিক্ষা তাকে একটা ছকের মধ্যে থাকতে, ভাবতে, শিখতে সাহায্য করে। এই ছক থেকে সে সহজে বেরুতে পারে না। ফলে ছকের বাইরে বা বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে কেউ তাকে কোনো বিষয়ে বললে, সে তখন প্রস্তুত থাকে না, তার কথা শুনতে। তখন স্বাভাবিকভাবেই বৃত্তের বাইরের মানুষটিকে শক্র বলে ভাবে। অথচ বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এলেই, বাইরে এসে দাঁড়ালেই বরং মোহভঙ্গ ঘটে, নির্মোহভাবে দেখা যায়, ভাবা যায়, বোঝা যায় ভেতরে কি ঘটছে। ভেতরে থাকলে অনেক সময় বোঝা যায় না, বাইরে আসতে হয়।
মুখে আমরা সবাই প্রগতিশীল। বিজ্ঞানমনস্ক। প্রকৃতিপ্রেমী। প্রকৃতি ভালোবাসি, ভী-ষ-ণ ভালোবাসি বলে ফেনা তুলি মুখে। অথচ প্রকৃতি যে কী তাই বা কজনে বুঝি? কখনও কখনও চারপাশ দেখে মনে হয়, আমরা বড্ড হুজুগে, সবাই করছে তাই আমাকেও তা করতে হবে, সবাই যাচ্ছে তাই আমাকেও যেতে হবে, সবাই খাচ্ছে তাই আমাকেও খেতে হবে। কেন, কি কারণে, কি করব বা করব না- তা একটিবারের জন্যও ভাবি না, ভাববার চেষ্টাও করি না।
বৈশাখ। বর্ষবরণ। ঋতুচক্রের খেলা। এতো প্রকৃতিরই উৎসব। প্রকৃতিকে বরণ করে নেওয়ার, প্রকৃতির সঙ্গে মিলবার, নিজেকে মেলাবার উৎসব। একজন বাঙালি হিসেবে পহেলা বৈশাখকেই সবচেয়ে বড় উৎসব বলে মনে করি। এমন সার্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক উৎসব বাঙালির জীবনে আর কোথায়? কিন্তু কী ভয়ঙ্কর! প্রকৃতির এই উৎসবে, এমন দিনে, এমন প্রকৃতি বিরোধিতা!
হ্যাঁ, আমি প্রকৃতি বিরোধিতাই বলব, পহেলা বৈশাখের নামে ইলিশ নিধন, প্রকৃতি বিরোধিতা ভিন্ন কিছু নয়। ইলিশ বৈশাখের নয়। বৈশাখের সঙ্গে, ইলিশের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। বৈশাখের সঙ্গে ইলিশকে যুক্ত করে যে ইলিশ নিধন তা নেহায়েত পুঁজি, বাণিজ্য ও মুনাফা সর্বস্বতা। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন, বুঝবেন- এই ইলিশ বাণিজ্য ও বাণ্যিজিক মিডিয়ার। যদি প্রকৃতি সম্পর্কে, প্রকৃতি বিজ্ঞান সম্পর্কে ন্যূনতমও কোনো জ্ঞান থাকে তাহলেই বোঝা যায়, ইলিশের সঙ্গে বৈশাখের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃতিই নির্ধারণ করে দিয়েছে কোন সময় কোন ফুল ফুটবে, কোন ফল ধরবে, কোন মাছ পাওয়া যাবে কখন। এইসময় ইলিশের প্রজননের। এখন ইলিশমিথুন কাল। ইলিশ এখন সঙ্গম করবে, যৌনসুখে সুখ সাগরে ভাসবে, সাত আসমান ঘুরে আসবে। এমন সময় ইলিশ নিধন নিতান্ত প্রকৃতি বিরুদ্ধ। এখন ইলিশ খেলে ইলিশের বংশ বিস্তার হবে কিভাবে? আইনগতভাবেও এই সময় ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে কী আইনও ভঙ্গ করছি না আমরা? তাজা ইলিশ, টাটকা ইলিশ বলে ‘সুপারশপে’ অগ্নিমূল্যে যে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে তা কেন খাচ্ছি? এই ইলিশ তো স্বাদহীন, গন্ধহীন, বাসি। আবহাওয়া, প্রকৃতি, বিজ্ঞান- কোনো বিচারেই ইলিশ খাওয়ার সময় বৈশাখ নয়, বর্ষা।
সুযোগ হয়েছিল খ্যাতিমান পুষ্টিবিদ সিদ্দিকা কবীরের সঙ্গে কাজ করার। তিনি ছিলেন খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে দেশে-বিদেশে সম্মানিত পরিচিত নাম। তার কাছে একদিন জানতেও চেয়েছিলাম, বৈশাখ বরণের খাদ্য তালিকা। বলেছিলেন, বৈশাখে ইলিশ খাওয়া নিতান্ত মূর্খতা, বিজ্ঞানহীনতা। আবহমান কাল থেকে গ্রাম বাংলায়, বৈশাখের দিনে পান্তাভাত, যেকোনো বড় মাছের ভাজা টুকরো, ছোট মাছের ঝোল, ডাল-সবজি চচ্চরি, নানা প্রকারের ভর্তা, মুড়ি-মুরকি, খই, চিড়া, দই- এ সবই বর্ষবরণে খাবার রীতি।
পুঁজি ও বাণিজ্য তার মুনাফার জন্য কত কিছুই না করে! কত কিছুই না ধ্বংস করে আবার সৃষ্টি করে তারই স্বার্থে। ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ধর্ম কোনো কিছুই বাদ যায় না তার হাত থেকে। বর্ণবাদী পুঁজিবাদ কালো মানুষকে ফর্সা হতে বলে। স্লিম ফিগারের প্রচারণায় ‘বুলেমিয়া’র মতো রোগ ছড়িয়ে দেয়। আধুনিকতার নামে কাপড় খুলে উদোম করে মেয়েদের। লোম তুলতে ‘ব্লিচ ক্রিম’ বিক্রির হিড়িক পড়ে যায়। পুরুষদেরও ছাড়ে না পুঁজি, বাধ্য করে ‘মেন্স অ্যাকটিভ’ কিনতে। যৌনতা, যৌনাঙ্গেও হাত দেয় পুঁজি। রেহাই পায় না নারী-পুরুষ কেউই!
পুঁজির এই বাণিজ্যিক প্রচারণায় মিডিয়াও যুক্ত হয়, নিজেকে যুক্ত করে মুনাফার লাভে-লোভে। কারণ মিডিয়া, সেও তো পুঁজিরই!
লেখক : উপসম্পাদক, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি। ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সাপ্তাহিক কাগজ ও মিডিয়াওয়াচ। পরিচালক, বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন। সদস্য, ফেমিনিস্ট ডটকম, যুক্তরাষ্ট্র
ঢাকা: পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখোশ না পরার অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
সোমবার (১১ এপ্রিল) সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে নিশ্চ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় কেউ যেন মুখোশ না পরেন আয়োজকদের সে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে শোভাযাত্রা উপলক্ষে তৈরি মুখোশ হাতে রাখা যাবে।
কিছু কিছু কোম্পানি তাদের প্রচারণার জন্য চুক্তি ভিত্তিতে লোক নিয়োগ করেন একই ধরনের টি-শার্ট পরে শোভাযাত্রায় অংশ নিতে। এই সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এবছর সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখা হবে। শোভাযাত্রার ভেতরে, সামনে এবং পেছনে আমাদের বিশেষায়িত দল সোয়াট টিম নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে, বলেন তিনি।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে রমনা-শাহবাগ-টিএসসিসহ পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং টিএসসিতে তিনটি কন্ট্রোল রুম করা হবে। সেখানে থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাবে দায়িত্ব পালনকারী সদস্যরা। টিএসসি, শাহবাগ এবং রমনা পার্কে তিনটি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এসময় গত বছরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, এবছর যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। ইভটিজিং-পকেটমার প্রতিরোধ করতে সোয়াট টিমের পাশাপাশি পোশাকি পুলিশ এবং ডিবি মাঠে থাকবে।
রমনা পার্ক এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশে এবার নারী-পুরুষের আলাদা লাইন থাকবে। প্রবেশ গেটে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ মোতায়েন করা থাকবে যেন কাউকে হয়রানির শিকার না হতে হয়।
পাশাপাশি ওই এলাকার ফুটপাত এবং রাস্তা হকার মুক্ত রাখা হবে। আমাদের লস্ট ফর কল সেন্টার থাকবে। কোনো শিশু হারিয়ে গেলে সেখানে অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়াও যেকোনো প্রয়োজনে ডিএমপি’র তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যাবে, যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সন্ধ্যার পরে রাস্তায় হাঁটতে, রেস্তোরাঁয়া বসে গল্প করতে কোনো নিষেধ নেই। শুধুমাত্র উন্মুক্ত স্থানে বড় ধরনের গানের কনসার্ট বা অনুষ্ঠান করা যাবে না। সন্ধ্যার পরে বাড়ির ছাদে এবং রেস্তোরাঁয় আপনার উৎসব উদযাপন করুন, পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তা দেবে।
খুলনা থেকে: ৩ দিন বিরতির পর ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছে খুলনার পাটকল শ্রমিকরা। আজ সকাল ৬টা থেকে তারা অবরোধ শুরু করে; যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। শ্রমিক ধর্মঘটে খুলনা অঞ্চলের রাশষ্ট্রায়ত্ত ৭টি পাটকলের শ্রমিকরা অংশ নিয়েছে। অবরোধের ফলে ঢাকাগামী চিত্রা ট্রেনসহ ৫টি ট্রেন এবং অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে ভয়াবহ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বিভিন্ন রুটে চলাচলরত যাত্রীরা। রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল সিবিএ-নন সিবিএ ঐক্য পরিষদ গত ৪ এপ্রিল সোমবার ভোর ৬টা থেকে
অনির্দিষ্টকালের শ্রমিক ধর্মঘট পালন করে বিক্ষোভ মিছিল, রাজপথ-রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করে আসছিল। পাট খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, মজুরি বৃদ্ধি, বকেয়া মজুরি প্রদান, ২০ভাগ মহার্ঘভাতাসহ ৫ দফা দাবিতে ৪র্থ ধাপের ২১ দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী ৩ এপ্রিলের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা ছিল। কিন্তু তাদের আহ্বানে সাড়া না দেয়ায় তারা ৪ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করে। পরে জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল আহসান ২ সপ্তাহ মজুরির নিশ্চয়তা এবং দাবির বিষয় অলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সে আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা গত ৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিন রাজপথ-রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন। কিন্তু এই সময় পাট মন্ত্রণালয় কোন আলোচনার উদ্যোগ এবং মজুরি না দেয়ায় তারা সোমবার থেকে লাগাতার সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ফের অবরোধ কর্মসূচি শুরু করে শ্রমিকরা।
ঢাকা: কারাবন্দীদরে কাজরে ব্যবস্থা করা হবে যনে তার বনিমিয়ে উর্পাজতি র্অথে তারা পরর্বতীতে সাবলম্বী হতে পারনে বলে জানয়িছেনে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা।
রোববার সকালে ঢাকার দক্ষণি করোণীগঞ্জরে তঘেরয়িা ইউনয়িনরে রাজন্দ্রেপুরে নবনর্মিতি ঢাকা কন্দ্রেীয় কারাগার উদ্বোধনকালে এ কথা জানান তনি।
প্রধানমন্ত্রী বলনে, কারাগারে কয়দেদিরে প্রশক্ষিণরে ব্যবস্থা করে কাজরে ব্যবস্থা করা হব। যনে তারা কাজ করে মজুরি পান, যা দয়িে তারা পরবিারকে সাহায্য করতে পারনে। অথবা মুক্ত হওয়ার সময় তার জমাকৃত মজুরি দয়িে ছোট হলওে কোনো ব্যবসা-বাণজ্যি করে সাবলম্বী হতে পারনে, আর যনে অপরাধে জড়য়িে না পড়নে সইে ব্যবস্থা করা হব।
তনিি বলনে, আমরা জানি যাদরে বন্দি করা হয়, তারা অপরাধী। তবে তাদরে অপরাধ থকেে সরয়িে আনতে হব। অপরাধ প্রবণতা থকেে কভিাবে সরয়িে আনা যায় তা চন্তিা করতে হব। প্রযুক্তরি উন্নয়ন হচ্ছে তার সঙ্গে অপরাধরেও ভন্নিতা পাচ্ছ। কোনো লোক অপরাধ করলে তাকে শাস্তি দলিইে অপরাধ শষে হয়ে গলে- তা নয়। তবে অপরাধীদরে কভিাবে সংশোধন করা যায় তা দখো হব।ে তাদরে নানা ধরনরে প্রশক্ষিণ দওেয়ার চষ্টো করা হব।
শখে হাসনিা বলনে, কারাগাররে সঙ্গে আমাদরে সর্ম্পক ছোটবলো থকেইে। জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান জীবনরে অধকিাংশ সময় কাটয়িছেনে কারাগার। বাঙালি জাতরি কল্যাণে ও মানুষরে পক্ষে কথা বলতে গয়ি, অন্যায়-অত্যাচাররে প্রতবিাদ করতে গয়িে তনিি বারবার কারাগারে গছেনে। জাতরি জনক আমাদরে স্বাধীনতা এনে দয়িছেনে। স্বাধীনতা আনতে গয়িইে তনিি বারবার কারা নর্যিাততি হয়ছেনে।
তনিি বলনে, বাংলাদশেরে প্রতটিি মানুষরে মান উন্নত হব। সইে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছ।ি তার ফলে দশে উন্নত হচ্ছ।
এর আগে সকাল ১০টায় করোণীগঞ্জে নবনর্মিতি ঢাকা কন্দ্রেীয় কারাগার উদ্বোধন করছনে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা। কারাগারটি এশয়িার র্সবাধুনকি ও বৃহত্তম মডলে কারাগার। নতুন এ কারাগারটরি নাম দওেয়া হয়ছেে ‘ঢাকা কন্দ্রেীয় কারাগার, করোনীগঞ্জ’। প্রায় ৪ হাজার ৫৯০ জন বন্দীকে রাখার জন্য এ কারাগারটি নর্মিাণ করা হয়ছে।
চট্টগ্রাম : বাঁশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাতিলে সরকারকে ২৫ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে উল্টো ১৫ দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেছে স্থানীয় ‘বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’।
শনিবার বিকেলে স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পুলিশ ও সরকারের অনুরোধে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী।
এর আগে সাতকানীয়া সার্কেলের এসপি কামরুল হাসান, বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ কবির লিটনের সঙ্গে বৈঠক হয় ‘বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’র।
বৈঠক প্রসঙ্গে এসপি কামরুল হাসান বলেন, ‘প্রকল্প এলাকায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে তদন্ত করা হবে। তারা যদি বলে এই বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হবে তাহলে তা সরিয়ে নেয়া হবে। আর এই আশ্বাসের ভিত্তিতেই আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছে ‘বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’।’
এদিকে কমিটির আহ্বায়ক লিয়াকত আলী বলেন, ‘পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্বাসে আন্দোলন ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন। প্রতিবেদনে পরিবেশ ও মানুষের কোনো ক্ষতি হবে না এমন নিশ্চয়তা পেলেই জনগনের মতামতের ভিত্তিতে আন্দোলনে থেকে সরে আসা হবে, অন্যথায় আবারো আন্দোলন শুরু হবে।’
আগের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে রোববার সকাল থেকে কাফনের কাপড় পরে উপজেলা কার্যালয় ঘেরাও করার কথা ছিল।
উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল গণ্ডামারায় বিদ্যুৎকেন্দ্র বিরোধীদের সাথে পক্ষের লোকজন ও পুলিশের সংঘর্ষে কমপক্ষে চার গ্রামবাসী নিহত হন। এরপর সেই আন্দোলন আরো জোরালো হয়।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আজ শনিবার চট্টগ্রামে গিয়ে বলে এসেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ কোনো কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেবে না। তবে কর্মসূচির নামে যদি কোনো অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়, তাহলে আমাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বাত্মক প্রস্তুত থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বলা যাবে কার গুলিতে তারা মারা গেছে। কেননা, সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে, নিয়ন্ত্রণে পুলিশও কাজ করেছে। সে কারণে তদন্তের আগে এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবো না।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘যারা মিথ্যা প্ররোচনা করছে, ষড়যন্ত্র করছে, কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তবে বিদ্যুৎপ্রকল্প বন্ধে সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানতে চাইলে মন্ত্রী এ বিষয়ে মুখ খুলেননি। শুধু বলেছেন, ‘এই বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। আর যদি প্রয়োজন হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কথা বলতে পারেন।’
সম্মেলন হওয়ার ৪ বছর পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি আগামীকাল রোববার ঘোষণা করা হতে পারে। মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ দু’টি কমিটি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। একাধিক সূত্রে এ খবর জানা গেছে। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংগঠনটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সূত্র মতে, ঢাকা মহানগর উত্তরে এ কে এম রহমতউল্লাহ এমপিকে সভাপতি ও সাদেক খানকে সাধারণ সম্পাদক করা হচ্ছে। অপরদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণে আবুল হাসনাতকে সভাপতি ও শাহে আলম মুরাদকে সাধারণ সম্পাদক করা হচ্ছে।
এ কে এম রহমতউল্লাহ মহানগরের সহ-সভাপতি, সাদেক খান মোহাম্মদপুর থানার সভাপতি, আবুল হাসনাত লালবাগ থানার সভাপতি এবং শাহে আলম মুরাদ মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন।
জানা গেছে, অবিভক্ত মহানগরের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রমকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হচ্ছে। দক্ষিণের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য করা করা হচ্ছে। মায়া চৌধুরী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং হাজী সেলিম মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন।
ভোলার মনপুরা, তজুমদ্দিন ও চরফ্যাশন উপজেলার কুকরী ঢালচর এলাকায় বনবিভাগের সৃজিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল থেকে লোকালয়ে হরিণ আসতে শুরু করেছে।
শুক্রবার সকালে তজুমদ্দিন উপজেলার বাসনভাঙা চর থেকে একটি হরিণ নদী সাঁতরিয়ে লোকালয়ে চলে আসে। খবর পেয়ে বন বিভাগের লোকজন হরিণটিকে উদ্ধার করে চর উড়িলের গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করে।
তজুমদ্দিন বাজারের বাসিন্দা সেলিম রেজা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ফারুক আহাম্মেদ জানান, শুক্রবার সকালে তজুমদ্দিনের মেঘনা নদীর বাসনভাঙা চর থেকে একটি হরিণ নদীতে সাঁতার কেটে উপজেলার ৬নং ওয়ার্ডে গুলিন্দা বাজার এলাকায় চলে আসে। এ সময় স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে গুলিশ হরিণটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করে। পরে বন বিভাগ ও পুলিশের সহায়তায় বিকেলে চর উড়িলের গহীন অরন্যে হরিণটিকে অবমুক্ত করা হয়।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, সমুদ্র ও মেঘনা নদীর মোহনার পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে গেলে হরিণের জন্য মিঠা পানির সংকট প্রকট হয়ে ওঠে। বনে খাবার ও পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ভোলা ও তার পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী ও পটুয়াখালীর আটটি বনের হরিণ লোকালয়ে চলে আসে। মাঝে-মধ্যে জেলেরাও নদী থেকে হরিণ ভাসতে দেখে উদ্ধার করেছে। তবে এবছর অসময়ে কয়েক দফা বৃষ্টি হওয়ার কারণে বনে মিঠা পানির সংকট দেখা দেবে না বলেও বনবিভাগ সূত্র জানায়।
তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক সামিউল মোহসেনিন জানান, প্রতিবছর মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে মিঠা পানি ও খাবারের সন্ধানে হরিণ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে। তাই হরিণের মিঠা পানি নিশ্চিত করতে বনে ১৫ থেকে ২০ ফুট গভীরতার পুকুর খনন করতে হবে। এছাড়া অনেক সময় শিকারির ধাওয়া খেয়েও হরিণ লোকালয়ে আসে। এসব বন্ধ করতে মানুষকে সচেতন করতে হবে। প্রাণীদের জীবন ধারণের পরিবেশ না থাকলে জীববৈচিত্র বিলুপ্ত হবে বলেও তিনি জানান।
ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) রুহুল আমিন শনিবার দুপুরে জানান, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন, কুকরী মুকরী, ঢালচর, পাতিলা, মনপুরার ঢালচর, বদনার চর ও কলাতলির চরের অংশে প্রায় ১০ হাজার হরিণ রয়েছে। হরিণের মিঠা পানি নিশ্চিত করতে প্রতি বছর ১০ ফুটের বেশি গভীরতা সম্পন্ন পুকুর খনন করা হয়। এবছরও চরফ্যাশনের চর কুকুর মুকরিতে একটি পুকুর খনন চলছে। এছাড়া এবছর অসময়ে বেশ কয়েক দফা বৃষ্টি হয়েছে। তাই আমরা আশা করি ভোলার বনগুলোতে এবছর মিঠা পানির সংকট হবে না।
সূত্র : বাসস
নিউজ ডেস্ক: বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন নিয়ে রয়েছে নানা অপপ্রচার। জবাবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিতর্ক ছড়িয়ে ভিওআইপি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস চালিয়ে যেতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করতে চাইছে এ কার্যক্রম। আর বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করছেন, সারাবিশ্বে গ্রহণযোগ্য এই পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন হলে নিশ্চিত হবে নিবন্ধনকারীর নিরাপত্তা, কমবে মোবাইলে সন্ত্রাসী তৎপরতাও।
একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৪ হাজার সিম নিবন্ধনের তথ্য পাওয়ার পর, এ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে আঙুলের ছাপ বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করে বিটিআরসি। অত্যাধুনিক এই পদ্ধতি চালু হওয়ার পর পরই শুরু হয় অপপ্রচার। এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে গ্রাহকদের মধ্যেও।
গ্রাহকরা বলছে, তথ্য পাচার করতে চাইলে তো অনেকভাবেই করা যায়। শুধু বায়োমেট্রিকের কথা কেন বলবে। সেটার জন্য আলাদা সিকুরিটির ব্যবস্থা করতে হবে। আমার মনে হয় এটা ঠিক না।
আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে নিবন্ধন হলে সিম মালিকের সম্পদহানীর গুজব আসে আলোচনায়। অনেকের আশঙ্কা, ১৩ কোটি মানুষের আঙুলের ছাপ নিয়ে মোবাইল অপারেটরগুলো এসব তথ্য দেশের জনগণের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করতে পারে।
রবি অজিয়াটা লি. এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহেদ আলম বলেন, এই ফিঙ্গার প্রিন্টটা নেয়ার পরে এটাকে একটা বাইনারি মেথডে পাঠানো হয় ইলেকশন কমিশনে ম্যাচিং করার জন্য। এখানে মানুষের মধ্যে যে বিভ্রান্তিটা সৃষ্টি করা হচ্ছে। তারা মনে করে তাদের ফিঙ্গার প্রিন্ট আমরা রেখে দিচ্ছি। কিন্তু আমরা কোন ফিঙ্গার প্রিন্ট রাখছি না।
মন্ত্রণালয় বলছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে যে ডিভাইসটি ব্যবহার করা হচ্ছে তা শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রে দেয়া আঙ্গুলের ছাপের সাথে মিলিয়ে, পরিচয় পত্রটি আসল না নকল তা যাচাই করার জন্য। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, সারা বিশ্বেই এটি এমন এক নিশ্চিছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে জালিয়াতির কোন সুযোগই নেই।
সিএসই এন্ড আইটির বিভাগীয় প্রধান রায়হান উদ্দিন আহমেদ বলেন, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন করা হলে কপি¥উটারের কাছে একটা ডাটা কিন্তু থেকেই যাবে। এই ফোন নাম্বাটা আমি ব্যবহার করে যদি বেঙে ফেলেও দেই তারপরও কিন্তু তারা আমাকে ট্রাক করতে পারবে।
এ অবস্থায় জনগণের নিরাপত্তায় নেয়া এ পদ্ধতি নিয়ে অপপ্রচার না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি থেকে নেয়া
নিউজ ডেস্ক: ইউপি নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের দিন দেশের বিভিন্ন ইউপিতে যেভাবে ভোট গ্রহণের অনিয়মের অবিযোগ পাওয়া গেছে। ঠিক একই ভাবে নির্বাচন কমিশনেও চলেছে হরিলুট। নির্বাচনের দিন রাতে ইসি সচিবালয়ের ১৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এক বেলা ৮৬ হাজার টাকার ড়িম পোলাও খেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, নির্বাচনের দিন রাত পর্যন্ত আমাদের থাকতে হয়। তাই কমিশন আমাদের জন্য বরাদ্দ্ দিয়েছে কিন্তু সেই বরাদ্দের টাকা নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা হরিলুট করেছে। তারা ৮৬ হাজার টাকা খরচ দেখিয়ে আমাদের এক বেলা এক প্যাকেট করে ড়িম পোলাও এবং একটি আধা লিটার পানির বোতল দিয়েছে।
জানা গেছে, ইউপি নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বৈঠক ও ছয় ধাপে নির্বাচনের দিনের খরচসহ আলাদা প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সচিবলয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খাওয়ানোর জন্য কিন্তু সাধারণ কর্মচারীদের ঠিকঠাক কিছুই খা্ওয়ানো হচ্ছে না। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা বলছে, আমাদের কাছে আর বেশি টাকা নেই। যে কয় টাকা আছে বাঁকি দিনগুলোতে হবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডটকমকে জানান, ডিম পোলাও খেয়ে ৮৬ হাজার টাকা বিল তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের দিন সাংবাদিকদের জন্য মাত্র এক হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ টাকা দিয়ে এতো সংবাদ কর্মীদের একটা দিন চা-বিস্কিট খাওয়ানো সম্ভব? সারদিন রাত তারা সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য ইসিতে থাকে অন্য কিছু না হক অন্তত এককাপ চা তো খাওয়াতে হয়।
এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডটকমকে বলেন, আমি এ বিষযে জানি না। তবে ডিম পোলও খেয়ে কি ভাবে ৮৬ হাজার টাকা বিল হয়। আমি বিষয়টি খতিযে দেখছি কেউ দোষী থাকলে ব্যবস্থা নিব।
এদিকে নির্বাচন কর্মকর্তাদের ট্রেনিংয়ের নামে চলছে হরিলুট, লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ নিয়ে ইসি সচিবালয় থেকে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের ট্রেনিং দেওয়ার জন্য নেওয়া হচ্ছে ইচ্ছে মত মোটা অংকের বাজেট।পরিবার নিয়ে থাকছেন ভ্রমন করছেন সরকারি খরচে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, ইউপি নির্বাচনে ঢাকা থেকে সচিব উপ-সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা যাচ্ছে ট্রেনিং দিতে। ইউপি নির্বাচনে এ রকম তো আগে তেমন দেখা যায় নি। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের জেলা ও উপজেলার নির্বাচন অফিসাররা ট্রেনিং দেন আগেও এমন হত কিন্তু এবার সচিবালয় থেকে এত বড় কর্মকর্তাকে যেতে হবে কেন?
তিনি বলেন, ট্রেনিংটা মূল উদ্দেশ্যে হল ভ্রমন এবং মোটা অংকের টাকা বরাদ্দ নেওয়া।উনারা যাবেন ৪ থেকে ৫ জেলায় তাহলে দেশের অন্য জেলা গুলোতে কে ট্রেনিং দিবে।
স্পোর্টস ডেস্ক: এশিয়া কাপ চলাকালীন সময়ে পুত্র সন্তানের বাবা হন তামিম ইকবাল। সন্তান এবং স্ত্রীকে সময় দিতে এশিয়া কাপে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছিলেন তামিম। তামিম পুত্রের প্রতি মানুষের আগ্রহের কমতি ছিল না। অবশেষে তামিম ইকবাল খানের ছেলে আরহাম খানকে দেখা গেল অনুষ্ঠানে।
এ বছরেরই ২৮শে ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে আসেন আরহাম খান। আর শুক্রবারই তাকে প্রথম দেখা যায়। আরহাম খানের আকিকা অনুষ্ঠানে তাকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তামিম ইকবাল এবং আয়েশা দম্পতি।
নিজ জেলা চট্টগ্রামে একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ছেলের আকিকা সম্পন্ন করেন দেশ সেরা এই ওপেনার। অনুষ্ঠানে তামিমের আত্মীয় স্বজনসহ সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ দলের খেলা না থাকায় ছুটিতে রয়েছেন তামিম। এ ফাঁকেই সেরে নিলেন ছেলের আকিকা অনুষ্ঠানটি। জন্ম নেয়ার ৩৯ দিন পরেই আকিকা হলো আরহাম খানের।
বিশ্বকাপটা স্বপ্নের মতই কেটেছে তামিম ইকবালের। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন তামিম। এছাড়াও ছিল বিশ্বকাপে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসটি। ওমানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ সেরা ১০৩ রান করেছিলেন তামিম।