পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

মালয়েশিয়ায় আরো গণকবর

p1_lead_sb_863356337পাচার হওয়া মানুষ ছিলো খাঁচাবন্দি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মালয়েশিয়ায় আরও শতাধিক গণকবরের সন্ধান পেয়েছে স্থানীয় পুলিশ। কবরগুলি পাচার হওয়া মানুষের। মৃত্যুর আগে তাদের আটকে রাখা হতো খাঁচাবন্দি করে, যার শেষ পরিণাম মৃত্যু। প্রমাণ মিলেছে সেরকমই।
মালয়েশিয়া পুলিশের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড বর্ডার কেদা, পেরাক এবং কেলানতানে এ ধরনের ট্রানজিট ক্যাম্প ও গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দেশটির বহুল প্রচারিত দৈনিক সানের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি পার্লিস বর্ডারে এ ধরনের ক্যাম্প ও কবরের সন্ধান পাওয়ার পর এসব সত্য সামনে আসতে শুরু করে। গত সপ্তাহে এক অভিযানে এ ধরনের আরও গণকবরের সন্ধান মেলে। বুকিত গেন্টিং পেরাহ ও বুকিত ওয়াং বার্মায় ২৮টি ক্যাম্পে এ ধরনের ১৩৯টি কবরের সন্ধান পাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
সূত্র বলছে, পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরেই সব মানবপাচারের ক্যাম্প ও কবর সেখানে রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, পাচার হওয়া এসব মানুষ মায়ানমার ও বাংলাদেশের। তারা পাচার হয়েছে এক বছরেরও বেশি সময় আগে। থাইল্যান্ডের মধ্য দিয়ে ঢুকে মালয়েশিয়া সীমানায় এসব ক্যাম্পে রাখা হয় তাদের। আর পাচারকারীরা কিনে নেয় দক্ষিণ থাইল্যান্ড থেকে।
এদিকে পুলিশের ফরেনসিক বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের জন্য এ উদ্ধার কাজ ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে বলেও জানানো হচ্ছে। গত মাসে এ ধরনের একটি অভিযানে পুলিশের একজন সদস্য বৈরী আবহাওয়া ও পরিবেশে কাজ করে অসুস্থও হয়ে পড়েন। ওয়াং কেলিয়ানে এ ধরনের একটি অভিযানে পানি ছাড়া কোনো কোনো সময় আর কিছুই পাওয়া যায় না। সূত্র জানায়, এসব জঙ্গলে মশা ও বিষাক্ত জীবাণুর উপদ্রব রয়েছে। শত মিটার ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়া ঠেকাতে একজনকে আরেকজনের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখতে হয়। পুলিশ জানায়, বন্দিদের খাঁচায় রাখা হয়েছিলো, সেখান থেকেই তাদের পরিবারের সঙ্গে মুক্তিপণের বিষয়ে দরদাম করা হয়। মুক্তিপণ না পেলে মেরে ফেলা হয় নির্যাতন করে।
জানা যায়, এদের বেশিরভাগই অনাহার, রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যায়। বাকিরা মারা যায় গুলি খেয়ে অথবা ছুরির আঘাতে অথবা ভারি কিছুর আঘাতে।

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on মালয়েশিয়ায় আরো গণকবর

বিদেশি সাহায্য বাড়ছে, কমছে ঋণ পরিশোধ

US+dollar+9ঢাকা : গত অর্থবছরের মতো শেষ হতে যাওয়া অর্থবছরেও বিদেশি ঋণ-সহায়তা বৃদ্ধির ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।
এবার অর্থ ছাড়ের পাশাপাশি নিট সাহায্যের পরিমাণও বেড়েছে। তবে কমেছে আগের নেওয়া ঋণ পরিশোধের পরিমাণ। অর্থবছর শেষে বিভিন্ন ঋণদাতা দেশ ও সংস্থার অর্থ ছাড়ের পরিমাণ ৩০০ কোটি (৩ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অর্থনীতির গবেষক জায়েদ বখত বলছেন, বছরের শুরুতে টানা তিন মাসের সহিংস রাজনীতির প্রভাব দাতাদের অর্থ ছাড়ের পরিসংখ্যানে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। পাইপলাইনে থাকা সহায়তা ‘ছাড়ের’ ব্যাপারে সরকার আন্তরিক হলে এই পরিমাণ আরও বাড়ত বলে তিনি মনে করেন।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বিদেশি ঋণ-সহায়তা ছাড়ের যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, এই সময়ে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থা সব মিলিয়ে ২৩৮ কোটি ৮ লাখ (২ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন) ডলার ছাড় করেছে। এই অর্থ গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২ কোটি ডলার বেশি। এই সময়ে আগের নেওয়া ঋণের সুদ-আসল বাবদ ৯৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে সরকার। এ হিসেবে জুলাই-এপ্রিল সময়ে নিট বিদেশি সাহায্য এসেছে ১৪১ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে মোট ২৩৬ কোটি ৯৬ লাখ (২ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন) ডলার অর্থ ছাড় করেছিল ঋণদাতারা। সুদ-আসল পরিশোধে চলে গিয়েছিল ১০৮ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। অর্থাৎ, নিট সাহায্যের পরিমাণ ছিল ১২৮ কোটি ৮ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে যে ঋণ-সহায়তা এসেছে, তার মধ্যে ঋণের পরিমাণ ১৯১ কোটি ১১ লাখ ডলার; আর অনুদান ৪৬ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে দাতারা যে অর্থ ছাড় করেছিল তার মধ্যে ঋণ ছিল ১৭৪ কোটি ৩৯ লাখ ডলার; অনুদান ৬২ কোটি ৫৭ লাখ ডলার।
ইআরডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের দশ মাসে দাতারা যে ঋণ-সহায়তা দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা পূরণ হয়নি। এ সময়ে ২৫৫ কোটি ৭ লাখ ডলারের প্রতিশ্রুতি এসেছিল। গত অর্থ বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৪৫ কোটি ৮২ লাখ ডলার। চলতি অর্থ বছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত যে অর্থ ছাড়ের প্রতিশ্রুতি এসেছে তার মধ্যে ঋণের পরিমাণ ২১৮ কোটি ২৯ লাখ ডলার এবং অনুদান ৩৬ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। গত অর্থ বছরের একই সময়ে যে প্রতিশ্রুতি এসেছিল তার মধ্যে ঋণ ছিল ২৯৮ কোটি ডলার; অনুদান ৪৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলার।
২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে বাংলাদেশ সরকার বিভন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে আগের নেওয়া ঋণের সুদ-আসল বাবদ ৯৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে আসল ৮০ কোটি ৩৭ লাখ এবং সুদ ১৬ কোটি ৮ লাখ ডলার।
গত অর্থবছরের একই সময়ে সরকার ঋণের কিস্তি বাবদ ১০৮ কোটি ৮৮ লাখ ডলার পরিশোধ করেছিল। এর মধ্যে আসল ছিল ৯১ কোটি ৩১ লাখ ডলার; আর সুদ ১৭ কোটি ৫৭ লাখ ডলার।
২০১২-১৩ অর্থবছরে সুদ-আসল বাবদ সরকার পরিশোধ করা হয়েছিল ৯০ কোটি ডলার।
অর্থ ছাড়ে এগিয়ে বিশ্ব ব্যাংক
শেষ হতে যাওয়া অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ ছাড় করেছে বিশ্ব ব্যাংক। এ সংস্থার অর্থছাড়ের পরিমাণ ৭৮ কোটি ২ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণের পরিমাণ ৬৬ কোটি ৩ লাখ, আর ১২ কোটি ডলার অনুদান।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি। এ সংস্থা দশ মাসে ৫৮ কোটি ৫৭ লাখ ডলার ছাড় করেছে।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা -জাইকা ছাড় করেছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। এছাড়া ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক- আইডিবি ১১ কোটি ৮৭ লাখ ডলার ছাড় করেছে।
এবার লক্ষ্য ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা
চলতি ২০১৪-১৫ অর্থবছরের আড়াই লাখ কোটি টাকার বাজেটে মূল এডিপির আকার ধরা হয়েছিল ৮০ হাজার ৩১৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যার মধ্যে প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ধরা ছিল ২৭ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বাস্তবায়ন সন্তোষজনক না হওয়ায় এডিপির আকার কমিয়ে ৭৫ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। আর বিদেশি সাহায্য বা প্রকল্প সাহায্য কমিয়ে ধরা হয় ২৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “চলতি অর্থবছর ডোনারদের বেশি অর্থ ছাড়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বাজেটে ফরেন এইডের পরিমাণ বেশি ধরা হয়েছে। গত অর্থবছরে (২০১৩-১৪) প্রায় ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলার ফরেন এইড এসেছিল। এবার সেটা ৩১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি।” আর এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন এডিপিতে ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিদেশি সাহায্যের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে বলে জানান মুহিত। “এখানে একটি বিষয় আমি উল্লেখ করতে চাই। সবাই আশঙ্কা করেছিল পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন ‘না’ করে দেওয়ার পর আমাদের ফরেন এইড কমে যাবে। কিন্তু সেটা হয়নি। উল্টো আরও বেড়েছে।” বিশ্ব ব্যাংক ‘ভুল বুঝতে পেরে’ অন্যান্য প্রকল্পে বেশি ঋণ-সহায়তা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মুহিত জানান, আগামী ২০১৫-১৬ অর্থবছর ‘বাজেট সহায়তা’ হিসেবে বিশ্বে ব্যাংক ৫০ কোটি ডলার দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ৪ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের যে বাজেট প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী উপস্থাপন করেছেন, তাতে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৯৭ হাজার কোটি টাকা। নতুন এডিপির ৬৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বা ৬২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করা হবে। বাকি ৩৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ বা ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রকল্প সাহায্য হিসেবে আসবে বলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে বিদেশি উৎস থেকে ২৪ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা অর্থায়ন (বিদেশি সাহায্য) হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছিল। কিন্তু সংশোধিত বাজেটে তা ২১ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। “আমরা সরকারের আয় বাড়াতে বিদেশি সাহায্যের অনুপাত ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছি। কিন্তু সেই অনুপাতে আমাদের প্রকল্প ব্যয় তেমন বাড়েনি। এক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ব্যয়ের নিয়ম-কানুন সরল ও সহজ করা অত্যন্ত জরুরি।”
প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনার জন্য সচিব পর্যায়ের একটি ‘স্থায়ী’ কমিটি গঠনেরও ঘোষণা দেন মুহিত। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক জায়েদ বখত বলেন, “আশঙ্কা করা হয়েছিল তিন মাসের সহিংস রাজনীতির কারণে দাতারা এবার কম অর্থ ছাড় করবে। কিন্তু সেটা হয়নি। এটা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটা ভালো খবর।” তবে সরকার যদি পাইপলাইনে থাকা সহায়তা ছাড়ের ব্যাপারে দাতাদের সঙ্গে দরকষাকষি করত, তাহলে আরও বেশি বিদেশি সাহয্য আসত বলে মনে করেন এই গবেষক। পাইপলাইনের বিদেশি সাহায্যের বিষয়ে বাজেট বক্তৃতায় মুহিত বলেন, “বিদেশি সহায়তার যে বিশাল পাইপলাইন গড়ে তোলা হয়েছে সেখান থেকে ব্যয় বাড়াতে পারলে অভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর নির্ভরশীলতা যথেষ্ট কমানো সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস। “আর সেই প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাব- যাতে অন্তত আগামী অর্থবছরে (২০১৫-১৬) বিদেশি সহায়তা ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পায়।”

Posted in ব্যবসা-অর্থনীতি | Comments Off on বিদেশি সাহায্য বাড়ছে, কমছে ঋণ পরিশোধ

মিডিয়াকর্মীদের নিয়ে নিপুণের জন্মদিন উদযাপিত

বিনােদন ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ও বিভিন্ন চ্যানেলের সাংবাদিকদের নিয়ে চিত্রনায়িকা নিপুণ এবার তার জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করেছেন। IMG_7165 DIP_2765
গত ৯ জুন ছিল নিপুণের জন্মদিন। নিজের জন্মদিনে বিশেষত বিনোদন সাংবাদিকদের নিজের বাসায় (রাজধানীর বনানীতে) নিমন্ত্রণ করে নিপুণ দিনটিকে স্মরণীয় করে তুললেন।

নিপুণের আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিপুণকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন অনেক বিনোদন সাংবাদিক। পেশাগত কাজ শেষ করে রাজধানীর ভয়াবহ ট্র্যাফিক জ্যাম এবং প্রচণ্ড গরমকে উপেক্ষা করে নিপুণের জন্মদিনে সাংবাদিকরা নিজেদের উপস্থিত রেখেছেন।

নিপুণ বলেন, ‘বলা যায় দশ বছরেরও বেশি সময় যাবত আমি চলচ্চিত্রে কাজ করছি। কিন্তু কখনোই সাংবাদিক ভাই বোনদের নিয়ে আমার বাসায় কোন পার্টি দেবার সুযোগ হয়ে উঠেনি। বিশেষত আমার জন্মদিনে। তাই এবারের জন্মদিন আসার আগেই পরিকল্পনা ছিল যে সবাইকে নিয়ে দিনটি উদ্যাপন করবো।

সবাই আমার ডাকে সাড়া দিয়ে আমাকে দোয়া করতে এসেছিলেন, তাতে সত্যিই আমি অভিভূত, মুগ্ধ। সবার প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং সত্যি এবারের জন্মদিনটি আমার জীবনের স্মরণীয় একটি জন্মদিন হয়ে থাকবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সঙ্গীতশিল্পী কাজী সোমা বলেন, ‘সবসময়ই তারকা মেলা হয়। কিন্তু নিপুণের এবারের জন্মদিনটি ছিলো পুরোপুরি সাংবাদিক মেলা।

সত্যিই অসাধারণ একটি অনুষ্ঠান হয়েছে।’ নিপুণের জন্মদিনে যে সকল বিনোদন সাংবাদিক উপস্থিত হয়ে তাকে শুভেচ্ছা এবং দোয়া জানিয়েছেন তারা হলেন দেওয়ান হাবিব, মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, রিমন মাহফুজ,ফটো সাংবাদিক আবু সুফিয়ান, আবুল হোসেন মজুমদার, শামীম শাহেদ, সৈকত সালাহ উদ্দিন, অভি মঈনুদ্দীন, জাহাঙ্গীর বিপ্লব, জনি হক, রকিব হোসেন, আলমগীর কবির, নিথর মাহবুব, নিপু বড় য়া, মীর সামি, ফারহানা নিশো, মরিয়ম সেঁজুতি, দীপঙ্কর দীপক, এমদাদুল হক মিল্টন, দীপু খান, নূর, আলিফ হোসেন রিফাত, মাসুম জয় ও গোলাম সাব্বির। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা নারগিস আক্তার, মিসেস দেওয়ান হাবিব, মিসেস আওলাদ হোসেন, কন্ঠশিল্পী কাজী সোমা, উপস্থাপিকা ফাওজিয়া এরিনাসহ আরো বেশ ক’জন।

Posted in বিনোদন | Comments Off on মিডিয়াকর্মীদের নিয়ে নিপুণের জন্মদিন উদযাপিত

মেলবোর্নে মালয়েশীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইঞ্জিনে আগুন ধরেছে এমন সংকেত পেয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমান মেলবোর্নে জরুরি অবতরণ করেছে। মেলবোর্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

29842_1
ওই মুখপাত্র জানান, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ‘এমএইচ-১৪৮’ শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা ২ টা ১৬ মিনিটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে মেলবোর্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করে। তবে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরই বিমানটি মেলবোর্ন বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে।
বিমানটিতে ৩০০ যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। এয়ারসার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়া জানায়, বিমানটির ইঞ্জিনে আগুন ধরেছে- এয়ারক্রাফট সিস্টেম থেকে এমন সংকেত পেয়ে এটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয়। তবে অবতরণের পর বিমানটির বাইরের অংশে আগুনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার পর এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জরুরি অবতরণের পর মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের প্রকৌশলী ও বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্টরা ‘এয়ারবাস ৩৩০’ পরীক্ষা করে দেখছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে বিমানটির বাইরের অংশে আগুনের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চলছে।

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on মেলবোর্নে মালয়েশীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

ভাসছে মানুষ সাগরে, কাঁদছে মানুষ বিশ্বময়

BOATবিশ্বাবাসীর চোখ কিছুদিন আগেও আমাদের চারপাশের সাগরের দিকে তাকিয়ে ছিল। তাকিয়ে থাকতে থাকতে অনেকেরই চোখ ভিজে গেছে নোনা জলে। যারা ‘মানুষ’ তারা এসব দেখে কাঁদে। সাগর আর এই মানুষগুলোর মধ্যে কি অদ্ভুত মিল। সাগরের পানি লবণাক্ত, মানুষের চোখের জলও তাই।
আবার অনেকেই আছেন, তাঁরা অর্থের লোভে মানুষকে সাগরে ভাসিয়ে দেয়। বিপন্ন মানুষগুলোকে জিম্মি করে কেউ কেউ টাকা আদায় করে। এরাও মানুষ বা মানুষের মতো। এদের মূল্যাবোধের সংকট এতটাই তীব্র যে, এরা বোঝে না, মানুষ মরে গেলে লাশ ভিন্ন অন্য কোনো পরিচয় তার থাকে না। একইভাবে যারা বিপন্ন, তাদেরও ‘মানুষ’ ছাড়া অন্য কোনো পরিচয় খোঁজা উচিত নয়। কিন্তু সম্প্রতি দেখলাম, সাগরে ভাসছে মানুষ। অথচ মানবতা সেখানে নিরব।
কিছু মানুষ নৌকায় চেপে সাগর পাড়ি দিয়েছে উন্নত জীবনের সন্ধানে। এদের বেশির ভাগই পাশের দেশ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক। অনেকেই আমাদের বাঙালি। দুটি দেশের কেউই এই অসহায় মানুষগুলোর সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। এমন কি সরকারও। মিয়ানমার তো রোহিঙ্গাদের নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকারই করে না। ইতিহাসকে অস্বীকার করার রাজনীতি যে এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, এমন দৃষ্টান্ত নিকট অতীতে কমই দেখা গেছে। এর মধ্যে আমাদের সরকার কেন যে জাতিগত সমস্যা আর ধর্মীয় অপপ্রচারকে গুরুত্ব দিয়েছে, তা বোধগম্য নয়। বিপন্ন মানুষের ধর্মীয় পরিচয় অনুসন্ধান করতে যাওয়াটা রাজনীতি ছাড়া আর কী হতে পারে?
জাতিগত প্রশ্নে একই ভূখণ্ডের অধিবাসী হয়েও যেখানে আমরা ‘বাঙালি’ আর ‘বাংলাদেশির’ তর্কের সমাধান করতে পারিনি, সেখানে কীভাবে ভিন্ন একটি দেশের সঙ্গে আমরা এ সমস্যার সমাধান করবো। কয়েক বছর আগে জাপানে ইমিগ্র্যান্ট সমসা নিয়ে এক সভায় অংশগ্রহণ করে একটি খুব সুন্দর যুক্তি আমি খুঁজে পেয়েছি, যা কোথাও বলার সুযোগ হয়নি। জাপানের ৬৪টি জেলা কিন্তু সমানভাবে উন্নত না। সমানভাবে কর্মসংস্থানও নেই। যে কারণে এক জেলার মানুষ অন্য জেলায় যায় কাজের সন্ধানে। একইভাবে এক দেশের মানুষ যায় অন্য দেশে উন্নত জীবন ধারণের আশায়। এতে অন্যায় বা দোষের কিছু নেই।
জাপানীরা এখন এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যায় বেশি টাকা আয়ের উদ্দেশে কাজ করার জন্য। কিন্তু এক সময় তারাও নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যেত কাজের সন্ধানে। তারাও অভিবাসী হিসেবে বসবাস করেছে ভিন্ন দেশে। ভাগ্যক্রমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। এখন অনেকেই এখানে আসে কাজের সন্ধানে। শুরুতে জাপানে অভিবাসীদের ভিসা ব্যবস্থা নিয়ে এতটা কড়াকড়ি নিয়ম ছিল না। এখন যতটা কড়াকড়ি। এর জন্য অভিবাসীরাই দায়ী। তারপরও মানুষ আসছে জাপানে। জাপানে আসার জন্য দেশে মানুষ লাখ লাখ টাকা ধার-দেনাও করে। কারণ সবার ধারণা, জাপানে আসলে লাখ লাখ টাকা রোজগার করতে পারবে খুব সহজে। আর তাদের মনে স্বপ্নের জাল বুনে দেয় মানবপাচারকারী দালালচক্র।
কয়েক বছর আগে বাংলাভিশনে আমার ছোট একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলাম, আমাদের দেশের মানুষ খুব সরল প্রকৃতির। তাদের খুব সহজে বোকা বানানো যায়। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে জমিজমা বিক্রি করে তারা দেশান্তরি হয়। তাও কি না, কাঠের তৈরি নৌকায় করে সাগর পাড়ি দিয়ে। উন্নত জীবনের হাতছানি মানুষকে এতটা দুঃসাহসী করতে, এ যেন চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য। এমন চিত্রনাট্য রচনার ক্ষেত্র বন্ধ হওয়া উচিত। সেজন্য দরকার দেশের অভ্যন্তরে কাজের ক্ষেত্র বাড়ানো। তা না হলে মানুষ যে কোনো উপায়ে দেশ থেকে বের হবার পথ খুঁজতেই থাকবে। সেটা আকাশ বা সাগর, যে পথই হোক।
সাগর পথে একসময় পাশের দেশ দক্ষিণ কোরিয়া থেকেও অনেক বাঙালি জাপানে এসেছে জাহাজের ডেকে দাঁড়িয়ে বা বসে। ভাগ্য উন্নয়নের জন্য তাঁরা ঝুঁকি নিতে কার্পণ্য করেনি। এখনো যে যেভাবে পারছে, জাপানে আসছে। এখনো মানুষ মনে করে, জাপান বুঝি টাকার খনি। কিছুদিন আগেই দেখেছি, জাপানে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মিউজিক কনসার্ট আয়োজনের কথা বলে ১৭২ জনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তার কিছুদিন পরে জাপানের পত্রিকায় একটি সংবাদ চোখে পড়লো, অন্য একটি চক্র জাহাজে চাকরি দেবার কথা বলে বাংলাদেশ থেকে ২৪ জনকে জাপানে নিয়ে এসেছে মোটা টাকার বিনিময়ে। আসার পরেরদিন সবাই এক সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য ইমিগ্রেশনে তাদের কাগজপত্র জমা দিতে গেলে পুলিশ তাদের সবাইকে আটক করে ফাটকে পুরে দিয়েছে। এসব ঘটনা অহরহ এখানে ঘটছে, যা আমাদের মোটেও কাম্য না।
আর যারা জাপান আসার যোগ্যতা বা সামর্থ্য রাখে না, তারাই কেবল নৌকায় করে মালয়েশিয়া বা সিংগাপুরে পাড়ি জমায়। এরা যে কোন উপায়ে গেলে সমস্যা হবার কথা নয়। গিয়ে যদি কোন ধরনের বিপদে না পড়ে। বিপদের পরলে জাত-মান-কূল সবই যাবে। আর যদি যাবার পর যথাযথ কাজ করার সুযোগ পায়, তাহলে এরা হয়ে যায় মানবসম্পদ। এদের উপার্জনকেই সরকার গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে বিদেশি রেমিট্যান্স বলে। সুতরাং এই মানবসম্পদ যেন কোনো দেশে ভুল পথে গিয়ে কোনো ধরনের বিপদে না পড়ে এবং দেশের যাতে কোন বদনাম না হয়, সে জন্য সরকারকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আমাদের দেশের সহজ-সরল মানুষগুলো যেভাবে দালালের খপ্পরে পরে বিপদে পড়ছে, সেটা দেখে কষ্ট পাওয়া ছাড়া আমাদের মতো সাধারণ মানুষের আর কী করার আছে? শুধু বলতে পারি, মানুষের এমন ভুল ভাঙানোর জন্য আমাদের দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা রাখা জরুরি। সচেতন করতে হবে, মানুষ যেন দালালের খপ্পরে পড়ে বিদেশে পাড়ি না জমায়। কিন্তু কে শোনে কার কথা। সম্প্রতি দেশে প্রচার হয়েছ বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে লোক আনা হবে জাপান। কোনো একটি পত্রিকাতেও পড়েছি এমন একটি সংবাদ। এই সংবাদ পড়ে অনেকেই জাপান আসার সেই সুযোগ খুঁজতে শুরু করে দিয়েছে। আর এই সুযোগে এক শ্রেণির দালালও সক্রিয় হয়ে গেছে। তারা তাদের কৌশল যথারীতি প্রয়োগ করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
জাপানের বেলায় এমন ছোটখাটো ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। লোকদের কাছ থেকে দশ পনেরো লাখ টাকার বিনিময়ে লোক আনছে। এদের আনার পর কি হচ্ছে? সবাই কি আর সোনার হরিণ ধরতে পারছে?
জাপান উন্নত দেশ আর এখানকার উপার্জনও তুলনা মূলক ভাবে বেশি। তাই এই দেশে আসার জন্য দালালদের চাহিদাও বেশি। যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি আর মোটা অংকের টাকা পরিশোধের সামর্থ আছে তারাই কেবল জাপান আসার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু যাদের দ্বারা এই ডিমান্ড পরিশোধ করার সামর্থ্য নেই তারা স্বপ্ন দেখে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড কিম্বা সিংগাপুর আর ইন্দোনেশিয়া যাবার। এতে বিদেশ যেতে আগ্রহীর সংখ্যাও বেড়ে যায়। যে জন্য সহজে অনেক লোকের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে সক্ষম এই দালালেরা। কিস্তু এর কোন নির্দিষ্ট নিয়ম কানুনের বালাই নেই। নেই এসব তদারক করার সৎ লোকও। টাকার গন্ধ যেখানে আছে এবং সহজে টাকা রোজগারের পথ যেখানে খোলা, সেখানে সবই বদলে যায় ধর্ম আর আদর্শের কাছে। এই ক্ষেত্রে বলা যায়, যে যায় লংকায় সেই হয় রাবন।
সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেখলাম সাগরে ভেসে বিদেশ পাড়ি দেবার বেশ কিছু করুণ চিত্রের ছবি। ছবির মানুষ গুলো তাদের পরিশ্রমের ফলে তাদের পরিবারের অন্য সদস্যদের ভাগ্য পরিবর্তনের চিন্তা করেই অন্ধের মতন ঝাপ দিয়েছিল এই পথে বিদেশ পাড়ি দেবার জন্য। আর তাদের এই চিন্তা সফল হলে দেশ পেতো রেমিটেন্স আর দেশই হতো বেশি লাভবান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লোক গুলো বিপদে পরে গেল। অথচ তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসছে না আমাদের দেশ বা সরকার।
এখানে কে রোহিঙ্গা আর কে বাংগালি সে বড় কথা নয়। কথা হচ্ছে সাগরে ভাসমান বিপদের পরা ওরা মানুষ। ওদেরকে প্রথম মানবতার কারণেই উদ্ধার করতে হবে তারপরে না হয় জাতি ধর্ম বিচার করা। বিষয়টি অতি সম্প্রতি আলোচনায় কম আসলেও এর স্থায়ী কোন সমাধান এখন পর্যন্ত হয়নি। সাময়িকভাবে কিছু কিছু দেশ মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত দেখালেও সময় সীমা তারা বেধে দিয়ে বলেছে, তাদের ফিরিয়ে আনার কথা। যেহেতু জাহাজে বাংলাদেশিও সংখ্যায় কম ছিল না সুতরাং আমাদের দেশকেই এগিয়ে আসা উচিৎ ছিল আগে। তাহলে আমাদের বর্তমান সরকারের অনেক ভালো কাজের মধ্যে এটিও যোগ হতো মানবিক দিক থেকে।
সম্প্রতি এই ধরনের সমস্যা আমাদের বাংলাদেশিদের নয় শুধু, পুরো মানবজাতির উপরই যেন বইছে এমন কোন না কোন ঘটনার প্রতিফলন। তবে অতি সম্প্রতি যে করুণ চিত্র আমরা দেখতে পেলাম, এর সুষ্ঠু তদন্ত করে এর সাথে জড়িত মূলহোতাদের যথাযথ শাস্তি দিয়ে এর স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। দেশ থেকে যেন এই ভাবে আর কোন লোক বাইরে যেতে না পারে এবং বিদেশেও গিয়েও যেন সহজ সরল লোক গুলো কোন ধরনের বিপদে না পরে।
দেশ থেকে বাইরে যাবার এই হিরিক দেখে বাইরের দেশের মানুষ হাসতে পারে। পারে দেশের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন দুর্বলতার কথা অনুমান করতেও। সুতরাং আমাদের যত অর্জন তা যেন নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল করতে হবে অবশ্যই। তা না হলে এভাবেই যেন ভাসবে মানুষ সাগরে আর হাসবে মানুষ এসব দেখে বিশ্বময়।

Posted in আইন-আদালত, জাতীয় | Comments Off on ভাসছে মানুষ সাগরে, কাঁদছে মানুষ বিশ্বময়

পাহাড়ে নগ্ন হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত ব্রিটিশ নারী

2983565200000578-3117940-image-m-31_1433953370351
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মালয়েশিয়ায় একটি পাহাড়ের ওপর নগ্ন হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইলিনর হকিংস (২৩) নামে এক ব্রিটিশ নারী। তার 0114বিরুদ্ধে জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার কিনাবালু পর্বতটি স্থানীয়দের কাছে পবিত্র বলে বিবেচিত। গত সপ্তাহে এই পাহাড়ের চূড়ায় উঠে ইলিনর ও তার গ্রুপের সদস্যরা নগ্ন হয়। এসময় তাদের গাইড এর প্রতিবাদ করলে তাকে লক্ষ্য করে প্রসাব করা হয় এবং গালিগালাজ করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর ওই পাহাড়ে ভূমিকম্প হয়। এতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা পাহাড়ে এই ভূমিকম্পের জন্য ওই দলটির নগ্ন হওয়াকে দায়ী করেছেন।
2983A80200000578-3119996-image-m-38_1434036884774শুক্রবার কোতা কিনাবালু ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইলিনরকে হাজির করা হয়। আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন তিনি।
এর আগে ইলিনরের গ্রুপের অপর সদস্য ইউনিভার্সিটি অব সাউদাম্পটনের ছাত্র কানাডীয় সহোদর লিন্ডসে ও ড্যানিয়েল এবং এক ডাচ নাগরিককে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে প্রবেশের সময় তারা তাদের মুখ ঢেকে রেখেছিলেন।
বিবিসির সংবাদদাতা জেনিফার প্যাক জানান, ‘অনেকের বিশ্বাস মৃত্যুর পর তাদের আত্মারা কিনাবালু পর্বতে বিশ্রাম নয়। এ কারণে এটি তাদের কাছে পবিত্র বলে বিবেচিত। তাই পর্যটকদের এই কার্যক্রমে জনগণ বেশ ক্ষুব্ধ।’

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on পাহাড়ে নগ্ন হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত ব্রিটিশ নারী

সাকিবের ‘অনন্য’ সেঞ্চুরি

shakib1স্পোর্টস ডেস্ক : অসাধারণ এক সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন সাকিব আল হাসান। এই টাইগার অলরাউন্ডার ঘরের মাঠে প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি বোলার হিসেবে টেস্টে ১০০ উইকেট নেয়ার অনন্য কীর্তি গড়েন।
শুক্রবার বাংলাদেশ-ভারত টেস্টের তৃতীয় দিন দুর্দান্ত খেলতে থাকা শেখর ধাওয়ানকে আউট করে সাকিব এই মাইলফলক স্পর্শ করেন।
সাকিবের বল ডাউন দ্য ট্রাকে এসে খেলতে গিয়েছিলেন ধাওয়ান। বলের ফ্লাইট মিস করে ফ্লিক করতে গিয়ে সরাসরি বোলারের হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন তিনি। এরপর রোহিত শর্মাকেও ফেরান দেশসেরা এই ক্রিকেটার।
এই নিয়ে ঘরের মাঠে ২৮তম টেস্টে ১০১ উইকেট হয়ে গেল সাকিব আল হাসানের। ১৮ টেস্টে ৬৬ উইকেট নিয়ে সাকিবের পরেই রয়েছেন সাবেক স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। ২০ টেস্টে ৫১ উইকেট নেয়া মাশরাফি বিন মুর্তজা রয়েছেন তৃতীয় স্থানে।
টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে মোট উইকেট সংখ্যায়ও সবার ওপরে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৪৪ টেস্টে ১৪৪ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ৩৩ টেস্টে ১০০ উইকেট নেয়া রফিক রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। ৩৬ টেস্টে ৭৮ উইকেট নিয়ে মাশরাফি রয়েছেন রফিকের পরেই।
ঘরের মাঠে সাকিব আল হাসান বরাবরই সফল। দেশের মাটিতে ১০০ উইকেট নেয়ার পথে ১০ ইনিংসে ৫ বা ততোধিক উইকেটের দেখা পান তিনি। এক টেস্টে ১০ উইকেট লাভ করার কীর্তিও রয়েছেন এই বাঁ-হাতি স্পিনারের।

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on সাকিবের ‘অনন্য’ সেঞ্চুরি

ছুটির দিনে প্রকৃতি সেজেছে অন্যরূপে

beautyঢাকা: গতকালের টানা বর্ষণ শেষে আজ প্রকৃতিতে অন্যরকম সাজ। মনে হচ্ছে প্রকৃতির গায়ে হিমেল হাওয়ার পরশ বইছে। নেই রৌদ্রের প্রখরতা, নেই বৃষ্টি। সকাল থেকেই প্রকৃতিও যেন ফিরে পেয়েছে তার সবুজ তারুণ্য। ছুটির এমন দিনে ঘরে বসে না থেকে যে কেউ মুক্ত প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে প্রশান্তি পেতে পারেন। ঢাকায় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় (১০-১৫) কি. মি. গতিতে বাতাস বইছে। যার আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ।

তবে বাড়ি থেকে বের হবার আগে জেনে নিন আজ সারা দিনের আবহাওয়া সম্পর্কে।

আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ এখন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশে মোটামুটি সক্রিয় এবং বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে রংপুর, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আর গতকাল সূর্যের দেখা না মিললেও আজ আকাশে হালকা মেজাজে হাসছে সূর্য যা অস্ত যাবে ০৬ টা ৪৬ মিনিটে। আগামীকাল ঢাকায় সূর্য দেখা দেবে ০৫ টা ১০ মিনিটে। তবে আগামী ৩ দিন অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ছুটির দিনে প্রকৃতি সেজেছে অন্যরূপে

২২ বছরের দুঃখ ভুলতে চান মেসি

lionel_messi_bg_383424380স্পোর্টস ডেস্ক : শুরু হয়েছে কোপা আমেরিকার জমজমাট লড়াই। এবারের আসরে ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ ২২ বছরের কোপা আক্ষেপ ভুলতে চান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
আর্জেন্টিনা ১৯৯৩ সালে শেষবারের মতো কোপা আমেরিকার শিরোপার স্বাদ নিতে পেরেছিল। এরপর ২২ বছর কেটে গেলেও কোপা আমেরিকার শিরোপায় হাত রাখতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। তবে, ৪৪তম কোপা আমেরিকার আসরে শিরোপা ঘরে নিয়ে সে দুঃখ ভুলতে চান মেসি।
বার্সেলোনার হয়ে ট্রেবল জয়ী মেসি বলেন, আমরা অনেক দীর্ঘ সময় ধরে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিততে পারিনি। যদিও দারুণ কিছু আর্জেন্টাইন ফুটবলার চেষ্টা করেছেন কোপা শিরোপার জন্য। এবারও আমরা কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতার সে মিশনেই এসেছি।

আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে ৯৭ ম্যাচ খেলা মেসি বলেন, আমরা ব্রাজিলে গিয়েছিলাম বিশ্বকাপ জয়ের মিশন নিয়ে। সেখানে সফল হইনি। বিশ্বকাপ আমাদের এখন অতীত। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য কোপা আমেরিকা।

২৭ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন এ ফুটবল জাদুকর কোপা আমেরিকার আসর নিয়ে বলতে গিয়ে আরও যোগ করেন, আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল এ আসরে ফেভারিট হিসেবে শুরু করছে। তবে, বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার তাদের শক্তিমত্তা দেখিয়েছে। উরুগুয়ের রয়েছে বিশ্বসেরা কিছু ফুটবলার। আর আয়োজক দেশ হিসেবে স্বাগতিক চিলিকে শিরোপার মিশন থেকে দূরে রাখা যায় না। এই চারটি দল বাদেও যারা এখানে অংশ নিচ্ছে সবারই সুযোগ থাকবে শিরোপা জয়ের।

১৩ জুন (শনিবার) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে মেসি বাহিনী কোপা আমেরিকা জয়ের মিশনে মাঠে নামবে।

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on ২২ বছরের দুঃখ ভুলতে চান মেসি

নেপালে এবার ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প

Nepal_1আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  নেপালে ফের ভূমিকম্প হয়েছে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। বৃহস্পতিবার রাতে ভূমিকম্পটি হয় বলে শুক্রবার গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। নেপালের জাতীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র বলছে, বৃহস্পতিবারের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল রাজধানী কাঠমান্ডুর ৬৫ কিলোমিটার দূরে সিন্ধুপালচক জেলায়।
চলতি বছরের ২৫ এপ্রিলের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পরাঘাত হিসাবে এই ভূমিকম্পকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
৭ দশমিক ৮ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে দেশটিতে ৮,৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। ওই ভূমিকম্পের পর থেকে নেপালের মানুষেরা প্রতিদিনই তিন থেকে চারটি কম মাত্রার পরাঘাত অনুভব করছে ।

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on নেপালে এবার ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud