May 8, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাংবাদিকদের রক্তচক্ষুকে ছাত্রলীগ ভয় করেনা বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। তিনি বলেন, ‘কোন সাংবাদিকের কলমকে ভয় করেনা ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার আগে আরেকবার ভাবুন। সাপের লেজ দিয়ে কান চুলকানোর চেষ্টা করবেন না।’
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন সিদ্দিকী নাজমুল আলম।
এসময় তিনি আরো বলেন, ‘ছাত্রলীগের আসন্ন কাউন্সিলকে সামনে রেখে গণমাধ্যমের কিছু লোক ছাত্রলীগের সমালোচনায় লিপ্ত রয়েছেন। সাংবাদিকরা ওবায়দুল কাদের-বাহাউদ্দিন নাসিম সিন্ডিকেট ও বাহাদুর বেপারী-মাহমুদুল হাসান রিপন সিন্ডিকেটের যে কথা বলছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া।’ তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের একমাত্র সিন্ডিকেট শেখ হাসিনা সিন্ডিকেট। এছাড়া আর কোনো সিন্ডিকেট নেই।’
সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগে সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ে চলমান বিতর্কের জের ধরে সাংবাদিকদের প্রতি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন সিদ্দিকী নাজমুল। বলা হয় যে, সাবেক ছাত্রনেতারা তাদের নিজ পক্ষের লোকজনকে নেতা বানাতে বড় ভূমিকা রাখেন।
স্বাস্থ্য ডেস্ক॥ সেই প্রাচীনকাল হতেই নানা শারীরিক সমস্যা সমাধানে ব্যবহার হয়ে আসছে তুলসী পাতা। তুলসী পাতার ঔষধি গুণের কারণে এটি বহুকাল ধরেই সমাদৃত ঘরোয়া চিকিৎসায়।
ছোটোখাটো নানা শারীরিক সমস্যা থেকে শুরু করে মারাত্মক দৈহিক সমস্যাও দূর করতে কার্যকরী এই তুলসী পাতা। আজ জেনে নিন শুধুমাত্র তুলসী পাতার ব্যবহারে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধানের দারুণ উপায়গুলো।
১) গলাব্যথা ও সর্দি কাশি দূর করে:
ঋতু পরিবর্তনের সময় ঠাণ্ডা লেগে সর্দি কাশি হয়ে যায় এবং গলা ব্যথার সমস্যাও দেখা দেয়। এই সমস্যা দূর করবে শুধুমাত্র তুলসীপাতা। নিয়মিত তুলসী পাতার রস পান করলে ও তুলসী পাতা ফোটানো পানি দিয়ে গার্গল করলে দ্রুত সমস্যার সমাধান পাবেন।
২) মাথাব্যথা উপশম করে:
অনেক সময় মানসিক চাপ, মাইগ্রেন বা অন্যান্য অনেক কারণেই মাথাব্যথা শুরু হয়ে যায়। মাথাব্যথা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে শুকনো তুলসী পাতা পানিতে ফুটিয়ে এই পানির ভাপ নিন। খুব ভালো ফলাফল পাবেন।
৩) দাঁতের সমস্যা দূর করে:
দাঁতের জীবাণু দূর করতে তুলসী পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানের জুড়ি নেই। এছাড়াও মাড়ির ইনফেকশন জনিত সমস্যা দূর করে তুলসী পাতা। সমস্যা দূর করতে শুধুমাত্র তুলসী পাতা চিবিয়ে রস শুষে নিন।
৪) জ্বর নিরাময়ে:
১ মুঠো তুলসী পাতা ২ কাপ পানিতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করলে নানা ধরণের জ্বর যেমন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু ইত্যাদি থেকে রক্ষা পেতে পারেন। এছাড়াও সাধারণ ঠাণ্ডা জ্বর হলে তুলসী পাতার চা তা দ্রুত নিরাময়ে সহায়তা করে।
৫) কিডনির সমস্যা দূরে রাখে:
তুলসী পাতার রস দেহ থেকে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করার ক্ষমতা রাখে। নিয়মিত তুলসী পাতার রস পান করলে কিডনির সমস্যা, কিডনি ড্যামেজ এমনকি কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যায়।
৬) কানের ইনফেকশন দূর করে:
অনেক সময় কানের বিভিন্ন কারণে কানের ইনফেকশনের সমস্যা দেখা দেয়। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করতে চান তাহলে কানে কয়েক ফোঁটা তুলসী পাতার রস ফেলে দিন। তুলসী পাতার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটোরি উপাদান কানের ইনফেকশন ও প্রদাহ দূর করবে।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: ডাক্তারের লেখা উদ্ধার করা বড়ই ভার। প্রেসক্রিপশনের ডাক্তারি হস্তাক্ষর নিয়ে নাকানি চোবানি খাননি, এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া বিরল। যথার্থ অর্থ উদ্ধার না করতে পেরে ভুল পথে এগিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন অনেকেই। এবার বোধহয় সেই যন্ত্রণা অবসানের পথে।

এবার থেকে ক্যাপিটাল লেটারে লিখতে হবে প্রেসক্রিপশন। সঙ্গে থাকবে ওষুধের জেনেরিক নাম। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের ডাঃ কে কে আগরওয়াল জানিয়েছেন ”দ্রুত এই সম্পর্কিত একটি গেজেট নোটিফিকেশন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কিছু দিনের মধ্যে সারা দেশের এই নিয়ম চালু হয়ে যাবে।”
ডাক্তাররা এই নিয়মকে অভিবাদন জানিয়ে বলেছেন এই নিয়মে তাঁদের শ্রম খানিক বাড়বে বটে, তবে সুবিধা হবে রোগীদের। দিল্লি মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ডাঃ অনিল বনসল বলেছেন ”এই পদক্ষেপে রোগীদের বিস্তর সুবিধা হবে।
কিন্তু, যেখানে রোগীদের চাপ অত্যাধিক সেখানে এই নিয়ম হয়ত খানিক অতিরিক্ত সময় নিয়ে নেবে। এই নিয়মে অভ্যস্ত হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে।”
ইতিমধ্যেই কেন্দ্র ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল কাউন্সিল রেগুলেশন, ২০০২ সংশোধন করে ডাক্তারদের ওষুধের জেনেরিক নাম শুধুমাত্র ক্যাপিটাল লেটারে লেখার নির্দেশ দিয়েছে।
বিনােদন ডেস্ক: রণবীর সিং-দীপিকা পাড়ুকোন। বলিউডের জনপ্রিয় জুটি। কেবল পর্দায় নয়, বাস্তব জীবনেও এ জুটির রসায়ন নিয়ে হরহামেশাই নানা খবর বের হচ্ছে। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গোলিও কি রাসলীলা: রাম-লীলা’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে তাঁদের মধ্যে দারুণ সখ্য গড়ে ওঠে।
সময়ের সঙ্গে তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। ইতিউতি ঘুরে-বেড়াতে দেখা যায়। মুখে স্বীকার না করলেও, তাঁদের প্রেম বলিউডে প্রায় প্রতিষ্ঠিত একটি বিষয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবার এই জুটির বাগদানের খবর চাউর হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বাগদানের পর্ব সারতে যাচ্ছেন রণবীর-দীপিকা।
এ প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বাগদানের মধ্য দিয়ে নিজেদের সম্পর্ককে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে চান রণবীর ও দীপিকা। রণবীরকে দারুণ পছন্দ করেন দীপিকার অভিভাবকেরা। তাঁদের চাওয়া, রণবীর-দীপিকার সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক একটি রূপ পাক।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, ১০ জুন ছিল দীপিকার বাবা প্রকাশ পাড়ুকোনের ৬০তম জন্মদিন। সেদিন জন্মদিন উদ্যাপন অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রণবীর।
শুধু তাই নয়, অনুষ্ঠান সঞ্চালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। শুরুর দিকে রণবীরের সঙ্গে সম্পর্কের পরিণতি নিয়ে খুব বেশি নিশ্চিত ছিলেন না দীপিকা। তবে বাগদানের মতো বড় পদক্ষেপ নিতে এখন তাঁর আর কোনো আপত্তি নেই।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি; গত কয়েক দিনের টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ৩০ পরিবারের বাস্তুভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে অতিবৃষ্টি অব্যাহত থাকায় নিম্নাঞ্চলগুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ঘাঘট, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্রসহ নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুলবর্তী চরগুলো তলিয়ে যাচ্ছে। এসব চরে বসবাসকারী মানুষদের দুর্ভোগ বাড়ছে। আশ্রয়ণ কেন্দ্রসহ দুতীর দিয়ে বয়ে যাওয়া বেড়ি বাধগুলোতে আশ্রয় স্থল খুঁজছেন বন্যা কবলিত মানুষজন।
এদিকে কাপাসিয়া শ্রীপুর ইউনিয়নের পোড়ার চর নামক স্থানে নদী ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় এ পর্যন্ত ৩০ পরিবারের বাস্তভিটা ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিলীন হয়েছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ঠ ইউনিয়নদ্বয়ের সদস্য রেজাউল করিম ও আব্দুল হামিদ সরকার বলেন-গত কয়েক দিন ধরে উক্ত চরে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে খইম উদ্দিন, রফিকুল, জালাল, তাজুল, সাদা, মেহেরবানু, মফিজ উদ্দিন, সাধা ও তোফাজ্জলসহ ৩০ পরিবারের বাস্তভিটা নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় এসব পরিবার দুর্বিসহ জীবন-যাপন করছেন।
এছাড়া ভাঙ্গন কবলে পড়েছেন আরও কয়েকশ পরিবার। এদিকে ভাঙ্গন কবলিত পরিবারগুলোর মাঝে কোন ত্রাণ সামগ্রী না পৌঁছায় এসব মানুষজন শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের নিয়ে চরম বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানান তাঁরা।
ফতুল্লা থেকে: দ্বিতীয় দিন কোনো বল মাঠে না গড়ালেও ম্যাচের তৃতীয় দিন খেলা গড়ায় মাঠে। কিন্তু বারবার বৃষ্টি হতে থাকায় তৃতীয় দিনের শেষ সেশনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

দ্বিতীয় সেশনের খেলা একাধিকবার বন্ধ হয়ে যায় বৃষ্টির কারণে। কয়েকবার মাঠ পরিদর্শন করে ম্যাচের দায়িত্বে থাকা আম্পায়াররা বিকেল ৪.১০ মিনিটে তৃতীয় সেশনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। প্রথম দিন বৃষ্টি বাধায় মাঠে মাত্র ৫৬ ওভার খেলা গড়ায়। বৈরি আবহাওয়ার কারণে দ্বিতীয় দিন কোনো বলই মাঠে গড়ায় নি। আর তৃতীয় দিন মাঠে খেলা গড়ায় মাত্র ৪৭.৩ ওভার।
চতুর্থ দিন সকাল সাড়ে নয়টায় শুরু হবে ম্যাচ।
তৃতীয় দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৬২ রান। হরভজন সিং এবং রবীচন্দ্রন অশ্বিন চতুর্থ দিন ব্যাট হাতে নামবেন।
মুরালি বিজয়, শিখর ধাওয়ান আর অজিঙ্কা রাহানের ব্যাটে ভর করে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ দাঁড় করতে চলেছে সফরকারী ভারত। বিজয় ১৫০, ধাওয়ান ১৭৩ আর রাহানে ৯৮ রান করে বিদায় নেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে জ্বলে উঠেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও। ইতোমধ্যেই তিনি টাইগার বোলারদের হয়ে দেশের মাটিতে শততম টেস্ট উইকেটের মাইলফলক পার হয়েছেন।
দিনের ৬ উইকেটের চারটিই তুলে নিয়েছেন সাকিব। বাকি দুটি উইকেট পান জুবায়ের।
শুক্রবার (১২ জুন) ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টায়।
প্রথম দিনের বিনা উইকেটে ২৩৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিন (দ্বিতীয় দিনের খেলা পরিত্যক্ত) ব্যাটিংয়ে নামে সফরকারী ভারত। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট শতক তুলে নেন বিজয়।
ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে ব্যক্তিগত ১৭৩ রানে কট এন্ড বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শিখর ধাওয়ান। শিখর ধাওয়ান ও বিজয় ওপেনিং জুটিতে ২৮৩ রান করে শক্ত ভিত গড়ে দেন। ওয়ান ডাউনে নামা রোহিত শর্মা বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিবের বলেই ক্লিন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
সাকিবের পর উইকেটের খাতায় নাম লেখান জুবারের হোসেন। ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি (১৪) এই লেগ স্পিনারের বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। তিন উইকেটের পতন ঘটলেও রানের খাতা সচল রাখেন বিজয় ও রাহানে।
১১৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন বিজয় ও রাহানে। তবে, বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর তৃতীয় বলের মাথায় (ইনিংসের ৯৭.৪ ওভার) সাকিবের ঘূর্ণিতে এলবি’র ফাঁদে পড়েন বিজয়। আউট হওয়ার আগে তিনি ১৫০ রান করেন। ২৭২ বলে ১২টি চার আর একটি ছয়ে বিজয় তার ইনিংসটি সাজান।
কুষ্টিয়া: বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া মার খেয়ে পিছু হটে হঠাৎ সুর বদল করে ভারতের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেছেন বলে মন্তব্য করছেন জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ইনু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ- ভারতের যাত্রা শুরু হয়। দুই দেশের এই বন্ধুত্ব রক্ত দিয়ে শুরু হয়েছিল। সেখানে খালেদা জিয়া সন্ত্রাস লালন করেছেন, জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশয় দিয়েছেন। বাংলাদেশবিরোধী অপরাধ ঢাকতে খালেদা জিয়া বাংলাদেশ-ভারতের সর্ম্পকের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রভুদের যেভাবে তোষামোদী করে, খালেদা জিয়া সেভাবে সাম্প্রতিককালে ভারতের সঙ্গে তোষামোদীর রাজনীতি করেছেন। প্রভুর কাছে অভিযোগনামা দাখিলের রাজনীতি করেছেন।
তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ লজ্জাজনক বলে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসনের মন্তব্য সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমার দেশের নির্বাচন আছে, নির্বাচনী আইনকানুন আছে। নির্বাচনী আইন-কানুন ভঙ্গ হলে, সেটা দেখভালের দায়িত্ব আমাদেরই। বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের এ নিয়ে আনন্দ করারও কিছু নেই, হতাশ হওয়ারও কিছু নেই।
এ সময় কুষ্টিয়ার জেলা প্রসাশক সৈয়দ বেলাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম স্বপনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিনােদন ডেস্ক: বলিউডে খুব সাদামাটাভাবেই পথচলা শুরু করেন বিদ্যা বালান। ২০০৫ সালে ‘পরিণীতা’ ছবির মধ্য দিয়ে অভিষেক হয় তার। কিন্তু নিজেকে সেভাবে আলোচনায় আনতে পারেননি এ অভিনেত্রী। এরপর ২০০৮ সালে ‘ভুল ভুলাইয়া’ ছবিতেও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন বিদ্যা। চেষ্টা থেকে সরে দাঁড়াননি ৩৭ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী। পর্যায়ক্রমে ‘পা’ ও ‘ইশকিয়া’তে অভিনয় করলেও কিছুতেই যেন দর্শকের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারছিলেন না তিনি।

তারকা খ্যাতি অধরাই ছিল বিদ্যার কাছে। অবশেষে সাদামাটার খোলস থেকে বেরিয়ে নিজেকে ভিন্নরূপে বলিউডে চেনালেন তিনি। আর সেটা ২০১১ সালে ‘ডার্টি পিকচার’ ছবিতে। পর্দায় বিদ্যার রগরগে উপস্থিতি দেখে অনেকটা অবাকই হয়েছে দর্শক। সবার ধারণা পাল্টে দিয়েছেন তিনি। তারকা খ্যাতি এবার বিদ্যার কাছে ধরা না দিয়ে যাবে কোথায়। এ ছবিতে সিরিয়াল কিসার ইমরান হাশমীর সঙ্গে অনবদ্য রোমান্স তাকে আলোচনার শীর্ষে উঠতে সহায়তা করেছে। শুধু তা-ই নয়, ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান বিদ্যা।
এরপর শুধুই এগিয়ে চলা। তবে আগের মতো আর পর্দায় সাদামাটা উপস্থিতির মাধ্যমে নয়। যৌন আবেদনময় লুকে একের পর এক ছবিতে দর্শকের সামনে হাজির হয়ে ব্যাপক প্রশংসিত হন বিদ্যা। আজ মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত নতুন ছবি ‘হামারি আধুরি কাহানি’। এখানেও ইমরান হাশমীর সঙ্গে একাধিকবার ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে থাকছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী। আর এরই মধ্য দিয়ে বলিউডে একদশকে পা রাখলেন বিদ্যা।
শুরুটা ভাল না হলেও এখন ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময়ই পার করছেন তিনি। তবে এ পন্থাটা স্বাভাবিক নয়। পর্দায় যৌনতা ছড়িয়েই বলিউডে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিদ্যা। এ নিয়ে আলোচিত, সমালোচিত কম হচ্ছেন না এ অভিনেত্রী।
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপিকে বাঁচতে হলে জামায়াত-নির্ভরতা ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিকল্পধারার সভাপতি প্রফেসর একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। একইসঙ্গে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে গ্রামে গ্রামে যাওয়ার পারমর্শ দিয়েছেন তিনি।

সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের বেলকুনি হলে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য একেএম মাঈদুল ইসলাম মুকুল রচিত ‘আত্মসত্তার রাজনীতি এবং আমার ভাবনা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির উদ্দেশে দলটির এই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব বলেন, বিএনপির ২টি রাজনীতিক আমল অতিবাহিত হয়েছে।
একটি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের, আরেকটি বর্তমান চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার। বিএনপি এখন তৃতীয় স্টেজের রাজনীতি করছে। তাদের রাজনীতি এখন সম্পূর্ণ জামায়াত-নির্ভর। তাদের বাঁচতে হলে জামায়াত নির্ভরতা ছেড়ে আবারও জিয়ার আদর্শে ফিরে আসতে হবে।
তাদেরকে গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চমৎকার সেলসম্যান আখ্যায়িত করে সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, মোদির কথা, বক্তব্য ও উপস্থাপনা খুবই সুন্দর। আমরা তার বক্তব্য ও উপস্থাপনায় খুব মুগ্ধ। তিনি খুবই চমৎকার সেলসম্যান।
বি চৌধুরী আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ২২টি বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে ছিটমহল চুক্তিতে তিনি ৪৮ হাজার লোকের সমস্যা সমাধান করেছেন। কিন্তু তিস্তা পাড়ের ২ কোটি মানুষের সমস্যা সমাধানের কি হবে। এ বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত।
আর যে চুক্তিগুলো হয়েছে, সেগুলো আমরা জিতেছি না হেরেছি তা বুঝা যাবে এক বছর পর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ইনাম আহম্মেদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল্লাাহ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ঢাকা: ফ্ল্যাট বিক্রির নামে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করেছেন ইউনিটেক হোল্ডিংস অ্যান্ড টেকনোলজিস্ট লিমিটেড নামের একটি ডেভলোপার কোম্পানি। গ্রাহকের কাছ থেকে ফ্ল্যাট বিক্রির চুক্তিতে টাকা গ্রহণ করে, চুক্তিকৃত সেই ফ্ল্যাট না দিয়ে সমুদয় টাকা আত্মসাৎ করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তাই কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এসএম জাহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সালমা জাহিদ এবং পরিচালক এসএম সাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। কমিশন প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিলেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। দুদক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে। সূত্র জানায়, একজন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী তার কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে বৃদ্ধ মা-বাবার জন্য রিহ্যাব সদস্যভুক্ত ইউনিটেক হোল্ডিংস অ্যান্ড টেকনোলোজিস্ট লিমিটেডের সঙ্গে একটি ফ্ল্যাট কেনার ব্যাপারে চুক্তি করেন। সেটি ছিল রাজধানীর উত্তরা ১০ সেক্টরে ১৩ নম্বর রোডে ইউনিটেড সিডনির ১৬৬৮ বর্গফুট বিশিষ্ট নির্মাণাধীন একটি ফ্ল্যাট। ৮০ লাখ টাকা মূল্যের এই ফ্ল্যাটটি নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ সাপেক্ষে চুক্তি করেন ২০১০ সালের ৪ সেপ্টেবর। ক্রেতা অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী কোনো সমস্যা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর উপযোগী হওয়া সত্ত্বেও এবং নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও এখন পর্যন্তু ফ্লাটটি হস্তান্তর করেনি ওই কোম্পানিটি। এমনকি চুক্তি মূল্যের চাইতেও গ্রাহকের কাছ থেকে বিধি বহির্ভূতভাবে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। এ ব্যাপারে রিহ্যাবের শালিশী সিদ্ধান্তের পরও তারা গ্রাহকের কাছে ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করেনি বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়। অথচ চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা রিয়েল স্টেট অ্যাক্ট-২০১০ এর পরিপন্থি। এছাড়া রিয়েল স্টেট অ্যাক্ট অনুযায়ী ফ্ল্যাটের সমুদয় মূল্য পরিশধের অনুর্ধ্ব তিন মাস পর ডেভলোপাররা ফ্ল্যাটের দখল, রেজিস্ট্রেশন ও দলিল হস্তান্তর করেন। কিন্তু ইউনিটেক হোল্ডিংস এখনো তা করেনি। এছাড়া হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত বাড়ি ভাড়া বাবদ যে টাকা আসে সেটা ডেভলোপার কোম্পানিকে ক্রেতার কাছে পরিশোধ করতে হয়। সে অনুযায়ী কোম্পানিটির কাছে ওই গ্রাহকের সাড়ে ৪ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে কমিশনে দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আছে। দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, এসব ছাড়াও ওই ডেভলোপার কোম্পানিটির বিরুদ্ধে আরো একাধিক গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগ আছে। তবে এ ঘটনা আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়। তাই প্রতারণার বিষয়গুলো অনুসন্ধানে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মোসা. সোহানা আক্তার। কমিশন অনুমোদন দিলেই ইউনিটেক হোল্ডিংস অ্যান্ড টেকনোলোজিস্ট লিমিটেডের এমডি, পরিচালক ও এমডির স্ত্রীর (কোম্পানিটির শেয়ার মালিক) বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।