May 8, 2026
অনলাইন ডেস্ক: এখানো বর্ষাকাল শুরু হয়নি। তবে তার আগেই শুরু হয়ে গেছে ঘন ঘন ভারি বর্ষণ। এমন দিনে ঘরে বসে খেতে ও ঘুমাতে অনেকের ভীষণ পছন্দ। কিন্তু ইচ্ছে হলেও অফিস আর ক্লাসকে অবজ্ঞা করার উপায় নেই। বাইরে যেতেই হবে, আর সেজন্যেই নিতে হবে বাড়তি কিছু সতর্কতা। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে, অথচ আপনাকে যেতেই হবে বাইরে? ব্যাগে মনে করে নিয়ে নিন কয়েকটি জিনিস। তাহলে বর্ষার সমস্যার হাত থেকে কিছুটা হলেও আপনি রেহায় পাবে।
পলিথিনঃ আপনার ব্যাগ যদি ওয়াটার প্রুফ না হয়ে থাকে, তাহলে একটি ভালো মানের পলিথিন ব্যাগে নিয়ে নিন। এতে রাখুন মোবাইল, দরকারী কাগজ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেগুলোতে পানি লাগলে সমস্যা হতে পারে। পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে রাখলে এতে পানি ঢুকবে না আর সেই সাথে আপনারর জিনিসপত্র থাকবে নিরাপদ।
অতিরিক্ত এক সেট কাপড়ঃ অফিস হোক বা ক্লাস, অথবা ইন্টারভিউ, বৃষ্টিতে আপনি যদি ভিজে যান গন্তব্যে পৌঁছে শুকনো পোষাকটি পরে ভেজা পোষাকটি ব্যাগে ঢুকিয়ে নিন। বাসায় ফিরে শুকিয়ে নিন। সারাদিন থাকুন সতেজ।
ছোট্ট তোয়ালেঃ বৃষ্টিতে যত সতর্কই থাকুন না কেন, একটু না একটু তো ভিজতেই হবে। তাই ব্যাগে রাখুন ছোট্ট একটি তোয়ালে। গন্তব্যে পৌঁছনোর পর সেই তোয়ালে দিয়ে মাথা ও শরীর ভালো করে মুখে নিন।
ছাতা বা রেইনকোটঃ এই বর্ষার দিন ব্যাগে সবসময় ছাতা কিংবা রেইনকোট রাখতে ভুলবেন না। তাহলে বৃষ্টি হলে আপনাকে আর ভিজতে হবেনা। তবে প্রতিদিন ঘরে ফিরে ছাতাটি মেলে দিন, শুকিয়ে নিন ভালোমতন।
ছোট্ট একটি রুমালঃ বৃষ্টিতে রাস্তায় চলার পথে আপনার সুন্দর পোশাকে কাদার দাগ লেগে যেতে পারে। যা নিয়ে আপনি বিভ্রান্তি পড়তে পারেন। তাই ব্যাগে ছোট্ট একটি রুমাল রাখুন। গন্তব্যে পৌঁছে রুমালটি খানিকটা পানিতে ভিজিয়ে চিপে নিয়ে কাদার দাগ মুছে ফেলুন।
অনলাইন ডেস্ক: অবিশ্বাস্য হলেও ভারতের কানপুরের ইটাওয়া জেলার আধিয়াপুর গ্রামে দুধ দিতে শুরু করেছে একটি পাঁঠা। উদাল সিং নামে এক ব্যক্তি ৪ বছর বয়সী এ পাঁঠাটি প্রজনন ঘটানোর জন্য বাজার থেকে ক্রয় করেছিলেন। কেনার কিছুদিন পরই তিনি পাঁঠাটির শারীরিক গঠনের পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। শারীরিক গঠনের পরিবর্তনের পর পাঁঠাটি প্রথম দিনে ২৫০ মি.লিটার দুধ দেয়।
পাঁঠাটির মালিক উদাল সিং বলেন, তিনি প্রজনন ঘটানোর জন্য বাজার থেকে ওই পাঁঠাটি ক্রয় করেছিলেন। কিন্তু সেটি এখন নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। প্রথম বিষয়টি তার নজরে আসে মাঠে পাঁঠাটিকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে। সেখানে তিনি লক্ষ্য করেন একটি ছাগল ছানা ওই পাঁঠার দুধের বাঁট চুষছে। আর পাঁঠাটির বাঁট থেকে দুধ বের হচ্ছে।
এ বিষয়ে পশু কর্মকর্তা অমিত সচান বলেন, পাঁঠা যে দুধ দিচ্ছে এ ঘটনা সত্যিই বিরল। পাঁঠাটির হরমোন পরিবর্তনের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উদাল সিং বলেন, প্রতিদিনই নিকটবর্তী এলাকার লোকজন এ ছাগলটিকে দেখতে তার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে। অনেকে ছাগলটির সাথে ছবিও তুলেছে। কেউ কেউ আবার তাদের ছেলেমেয়েকে ছাগলটির কপালে হাত বুলাতে বলে। কেননা তাদের ধারণা এ পাঁঠা স্পর্শ করলে ভাগ্য পরিবর্তন হবে।
মিমের প্রথম ছবি ‘আমার আছে জল’। আর এবারের ঈদে আসছেন ‘পদ্ম পাতার জল’ নিয়ে। অভিনয়ের বয়স আট বছর হলেও জনপ্রিয়তার বয়স দেশের গণ্ডি পার করেছেন। অভিনয় করবেন কলকাতার ছবিতে।
বড় পর্দায় বিদ্যা সিনহা মিমের শুরুটা জল দিয়ে। ২০০৮ সাল। ছবির নাম ‘আমার আছে জল’। এরপর জল বেশি গড়ায়নি। হাতেগোনা ছবি। তারপরেও শোবিজ অঙ্গনে জল রঙে অাঁকা হয়ে গেল মিমের ছবি। সেই ছবি এখনো স্পষ্ট। ধুলা জমেনি। মলিন হয়নি এতটুকু। ঈদে আবার জল রঙ নিয়ে আসছেন বড় পর্দা রাঙাতে। ‘পদ্ম পাতার জল’। ‘তুমি হলে সেই শিকারি, যে শিকারের আগেই ঢিল মেরে উড়িয়ে দাও পাখি, তারপর ছুড়ো গুলি…’। পদ্ম বাইজির এই আক্ষেপ তার হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা প্রেমকে শাণিত করে। জমিদার নন্দন আসে তার জলসা ঘরে। নাচের মুদ্রা আর কণ্ঠের ব্যঞ্জনায় মন ভরায়। বেলা শেষে নিজের ঠিকানায় হাঁটে। এ কেমন প্রেম। পদ্মর আক্ষেপটা এখানে এসে রুদ্র রূপ ধারণ করে। একসময় উল্টোরথে হাঁটা প্রেমকে ছলনা বলে অস্বীকার করতে দ্বিধা করে না। তার কথায় নারীর ছলনা বোঝার বয়সে কখনো পৌঁছায় না পুরুষ। এত গেল পদ্ম পাতার জল ছবির পদ্মর দুঃখগাথা কথামালা।
মিম কিন্তু অল্প হাঁটা পথে বিদেশও জয় করে নিয়েছেন। কাজ করছেন কলকাতার বড় পর্দায়। রাজ চন্দের পরিচালনা। ছবির নাম ‘প্রোডাকশন নাম্বার ১২’। নায়ক সোহম। এরপর শুরু করবেন অঞ্জন দত্তের ‘মন বাকসো’ ছবিতে।
লাক্স চ্যানেল আই ২০০৭ সুপারস্টার মিমের শোবিজে পথচলার বয়স বেশি নয়। আঙ্গুলের করা গুনে মাত্র আট বছর। শিশু বয়স বলা চলে। কিন্তু হাঁটার শিশু বয়সেই কাজের যৌবন ছুঁয়েছেন তিনি। মিমের নিজের কাছেও নেই তার আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার হিসাব। তাই সাদামাটাভাবেই বলেন, সব ধরনের চরিত্রে কাজ করতে চাই। অথচ অনলাইনে তার ফলোয়ারের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী। সম্প্র্রতি কলকাতায় গিয়েছিলেন ছবির কাজে। ফাঁকে শপিংয়ে বের হওয়া। ভেবেছিলেন এখানেতো কেউ আমাকে চেনে না। বিনা উপদ্রবে মনের মতো করে কেনাকাটাটা সেরে নেই। ওমা একি, মানুষগুলো কেমন যেন চেনা চেনা চোখে তাকাচ্ছে। জোড়া জোড়া চোখ আমার ওপর দৃষ্টি ফেলছে। পরক্ষণেই সম্বিত ফিরে পাই। হবেই না বা কেন। এখনতো খোলা আকাশের যুগ। নেট সার্চ করলেই পৃথিবীটা হাতের নাগালে এসে পড়ে। হয়তো অনলাইনে ওরা আমাকে দেখেছে। এখন নেটে দেখা মানুষটাকে চোখে দেখার সঙ্গে মিলিয়ে নিচ্ছে।
তাহলে কি বলা যায়, সত্যি মিমের পরিচয় দেশের কাঁটাতার ছিঁড়েছে। মানে জল গড়িয়েছে বিদেশের মাটিতেও। ভেবে আনমনে পুলকিত হন জলের শিল্পী মিম। আর মনে মনে খিস্তি আওড়ে বলেন, জল বড় বেরসিক, সীমানা বোঝে না, বোঝার ধারও ধারে না। গড়িয়ে গড়িয়ে কোথা থেকে কোথায় চলে এলো। আহা লাজে মরি মরি!
স্টাফ রিপোর্টার : নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে চ্যালেঞ্জে পড়েছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন সিটি করপোরেশনের মেয়র। যদিও চট্টগ্রামের নির্বাচিত মেয়র আ জ ম নাছির এখনো দায়িত্ব বুঝে পাননি। তিনি আগামী মাসে দায়িত্ব নেবেন। কিন্তু এরই মধ্যে ঢাকার দুই সিটি মেয়র রাজধানীর জলাবদ্ধতা, যানজট নিরসন, বর্জ্য অপসারণ, রাস্তাঘাট সংস্কারসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ প্রয়োজনীয় অর্থ বা ক্ষমতা কোনোটিই নেই মেয়রদের হাতে। বলা যায়, এক ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই অগ্রসর হতে হচ্ছে তিন মেয়রকে। জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র সাঈদ খোকন চেষ্টা করছেন তার সিটি করপোরেশনের অর্থ সংকট দূর করতে। বর্তমানে তার অধীন সিটি করপোরেশন দেনাদার। সেখানকার রাজস্ব আদায়ের খাতগুলো অনেক দিন থেকেই বন্ধ। তাই দায়িত্ব নিয়েই সাঈদ খোকন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে রাজস্ব আদায়ের খাতগুলো চিহ্নিত করেছেন। পদক্ষেপ নিয়েছেন আয় বাড়ানোর। অন্যদিকে আর্থিক দিক থেকে দক্ষিণের তুলনায় কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আধুনিক স্বপ্নচারী মেয়র আনিসুল হক বৃহত্তর পরিসরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন। তার স্বপ্ন, সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে ঢাকাকে বদলে দেওয়া। ঢাকার উন্নয়নে জড়িত ৫৮টি দফতর-অধিদফতর কোনোটাই সিটি করপোরেশেনের আওতায় নয়। তার পরও তাদের নিয়েই কাজ করতে চান দুই সিটি মেয়র। মেয়ররা খতিয়ে দেখেছেন সড়কে থাকা রেলগেটগুলো ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ। এ জন্য রেলগেটের ওপর ছোট পরিসরে ওভারপাস তৈরি করা যায় কি না তা নিয়ে কথা বলবেন রেলমন্ত্রীর সঙ্গে। এ ব্যাপারে রেলমন্ত্রীর সহায়তা চাইবেন। রেল মন্ত্রণালয় সহায়তা না করলে ভবিষ্যতে সিটির অর্থে রেলগেটের ওপর যান চলাচলের ওভারপাস করা যায় কি না তার হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে। ঢাকার দুই সিটির জন্যই আরেকটি বড় সমস্যা বর্জ্য অপসারণ। অথচ পাশের দেশ ভারতের কলকাতা সিটি করপোরেশনে ময়লা পোড়ানোর জন্য রয়েছে আধুনিক ব্যবস্থা। পরিবেশের ক্ষতি না করে ফুটপাথের পাশেই ছোট্ট ঘরের মধ্যেই কলকাতার ময়লা-আবর্জনা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এ পদ্ধতি ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি গ্রহণ করতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।সূত্রমতে, নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করার পর ইতিমধ্যে অতিবাহিত এক মাসের কাজের মূল্যায়নও শুরু করেছেন ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন। এ এক মাসে প্রায় শতাধিক উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন দুই মেয়র। কিছু কাজও শুরু করেছেন। আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব না নিলেও বসে নেই চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির। এক মাসে মেয়রদের উপলব্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসনই হবে তাদের প্রথম অগ্রাধিকারভিত্তিক কাজ। এ ছাড়াও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে মূল্য তালিকা নির্ধারণ, রাস্তায় বাতি লাগানো, জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব ও ওয়ারিশান সনদ অনলাইনের আওতায় আনা, ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য বাসাবাড়িতে বিনামূল্যে পলিথিন ব্যাগ পৌঁছে দেওয়া অন্যতম। এক মাসের কাজের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এরই মধ্যে নগরীর দক্ষিণাংশের ৯৫ শতাংশ বাতি নতুন করে লাগানো হয়েছে। জন্মনিবন্ধন, নাগরিকত্ব ও ওয়ারিশান সনদ অনলাইনের আওতায় আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে লালবাগ ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে এর কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য বাসাবাড়িতে বিনামূল্যে পলিথিন ব্যাগ পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে মহিলা কাউন্সিলরদের সহায়তায় কমিটি কাজ করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়াসার সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। কারণ জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজব্যবস্থার উন্নতি করতেই হবে। সাঈদ খোকন জানান, রমজান মাস উপলক্ষে হোল্ডিং ট্যাক্স ১৫ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পবিত্র রমজান মাসে প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা টানিয়ে দেওয়া হবে। দোকানিদের তালিকা অনুসারেই পণ্য বিক্রি করতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বৈঠক হয়েছে পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও। গুলিস্তান থেকে শুরু করে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নিচ থেকে ফুটপাথের দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। ডিএমপির সঙ্গে বৈঠক করে যানজট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্মার্ট সিটি প্রোগ্রামের আওতায় ফ্রি ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। বিলবোর্ড সরানো হয়েছে। রাজধানীর পান্থপথ এলাকায় ভবনধস ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি এলাকার সদরঘাট, গুলিস্তান, শাহবাগ, কাপ্তানবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় আটটি মার্কেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভেজালমুক্ত খাদ্য বিক্রির জন্য ভাসমান দোকানিদের মধ্যে ৫০০ কার্ড বিতরণ করা হবে। ওয়াসার পানির পাম্প বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সাঈদ খোকন তার এলাকার হাতছাড়া ও বেদখল হয়ে থাকা খেলার মাঠগুলো নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করে দিতে তৎপর হয়েছেন। ইতিমধ্যে পুরান ঢাকার ধুপখোলা মাঠ দখলমুক্ত করা হয়েছে। মাঠগুলোকে জনগণের কাছে ছেড়ে দেওয়াই তার লক্ষ্য। তার এলাকার পার্কগুলোর সুযোগ-সুবিধা নিয়েও চিন্তা করছেন। এ সিটিতে থাকা দুই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কী ধরনের সহায়তা করতে পারেন সেগুলো নিয়েও কাজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরের মেয়র আনিসুল হক বলেন, নগরীর বর্জ্য সরানোর কাজ চলছে এবং বিভিন্ন রাস্তায় বাতি লাগানো হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কাজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। স্বল্পমেয়াদে সমস্যা সমাধান হবে না। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে। তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের মূল দায়িত্ব ওয়াসার। নগরীর পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য বড় বড় ড্রেনগুলো নির্মাণ করে ওয়াসা। আর সিটি করপোরেশন বাসাবাড়ি থেকে পানি নিষ্কাশনে ছোট ছোট ড্রেন নির্মাণ করে। গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিত বাড়ি নির্মাণ করার ফলে ওয়াসার অধিকাংশ ড্রেন বন্ধ হয়ে আছে। পানি সরছে না। এ বিষয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই।
অনলাইন ডেস্ক : এগুলোর মধ্যে হল্যান্ড, ওয়েলস ও তুরস্ক জয় পেয়েছে। তবে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে সাবেক ইউরো ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছেড়েছে।
ইতালি ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যেকার খেলার ১০ মিনিটের মাথায় অফসাইটে গোল বাতিল হয় পিরলোদের। এর মিনিট খানেক পরেই অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের তারকা মারিও মানজুকিতের গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। গোল খেয়ে অফসাইটের আবেদন করায় রেফারি বুফনকে হলুদ কার্ড দেখান। অথচ এর কয়েক মিনিট আগে পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন বুফন। এরপর খেলায় আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণের মধ্যে পেনাল্টি পায় ইতালি। খেলার বয়স তখন ৩৬ মিনিট। অ্যান্টোনিও ক্যানড্রিভা সমতা সূচক গোল করেন। এরপর আর গোল না হওয়ায় এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ইতালিকে।
এদিকে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা গ্যারেথ বেলে একমাত্র গোলে বেলজিয়ামকে হারিয়েছে তিন পয়েন্ট পেয়েছে ওয়েলস। কার্ডিফ স্টেডিয়ামে ইউরো বাছাই পর্বের এ খেলায় গোল করে নিজের ৫০ তম আন্তর্জাতিক ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখলেন বেল।
রিগায় লাটভিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট পেয়েছে হল্যান্ড। তুরস্ক ১-০ গোলে হারিয়েছে কাজাখস্তানকে। গোল ডট কম।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক : শক্তি উৎপাদনে পানির ব্যবহার অতি প্রাচীন। মেশিনের চাকা বা টারবাইন ঘুরানো এবং বিভিন্ন শিল্পের পাওয়ার হাউজ হিসেবে পানির ব্যবহার কয়েক শতকের পুরনো কৌশল।
এবার প্রকৌশলীরা পানিকেই প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করে কম্পিউটার বানানোর কৌশল উদ্ভাবন করেছেন। একটি ক্ষুদ্র চ্যানেল জালের মধ্য দিয়ে চৌম্বুকায়িত কণার নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহের মাধ্যমে এ ধরনের প্রসেসর তৈরি করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ধরনের কম্পিউটার অনেক জটিল গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেও সক্ষম।
এর কৌশলটি হলো- চৌম্বুকায়িত ন্যানোপার্টিক্যাল সমৃদ্ধ এক ফোঁটা পানিকে এক সেট লজিক্যাল গেটের মধ্যে চৌম্বকক্ষেত্র প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবাহিত করা গেলে সেটি যেকোনো লজিক্যাল অপারেশন করতে পারে।
তাত্ত্বিকভাবে এ ধরনের একটি ব্যবস্থা একটি সাধারণ কম্পিউটারের মতোই যেকোনো গণনা করতে সক্ষম। তবে এর গতি হবে অনেক ধীর।
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক মানু প্রকাশ তার দুই জন পিএইচডি গবেষণারত ছাত্রের সঙ্গে যৌথভাবে এমন একটি কৌশল উদ্ভাবন করেছেন।
উদ্ভাবকরা বলছেন, ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার যেকোনো গণনা করে ডিজিটাল লজিক্যাল গেটের মধ্য দিয়ে ইলেক্ট্রনের নিয়ন্ত্রিত প্রবাহের মধ্য দিয়ে। ঠিক একই কাজ করা হচ্ছে পানির ফোঁটার প্রসেসরে।
একটি কাচের প্লেটে লোহার পাতলা পাত দিয়ে প্রথমত এক সেট লজিক্যাল গেট তৈরি করা হয়। এরপর এতে তেল ছড়িয়ে দিয়ে উপরে আরেকটি পাতলা কাচের প্লেট এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে তরলটি স্যান্ডউইচের মতো আটকে থাকে। এবার সিরিঞ্জের মাধ্যমে চৌম্বুকায়িত ন্যানোপার্টিক্যাল সমৃদ্ধ পানির কয়েকটি ফোঁটা ওই তেলের স্তরের মধ্যে ছেড়ে দেয়া হয়।
এই ব্যবস্থাটি একটি বড় ম্যাগনেটিক কয়েলের সিরিজের মাঝখানে বসানো হয়। এই চৌম্বকক্ষেত্রটি প্রয়োজনমতো পরিবর্তন করা যায়। যার প্রভাব পড়ে ওই পানির ফোঁটাগুলোর ওপর।
কাজ করার সময় চৌম্বকক্ষেত্রটি এমনভাবে পরিবর্তন করা হয় যাতে পানির ফোঁটাগুলো নির্দিষ্ট লজিক্যাল গেট অতিক্রম করে প্রয়োজনীয় বর্তনী পূর্ণ করে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দেয়।
উদ্ভাবকদের দাবি, এই ‘প্রবাহী কম্পিউটার’ জীববিজ্ঞান, রসায়ন এবং অন্যান্য ভৌত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির লজিক্যাল বিহ্যাভিয়ার (যৌক্তিক আচরণ) যা প্রকৃতিতে দৃষ্টিগোচর তা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
প্রতিদিন একমুঠো করে বাদাম খেলে অকাল মৃত্যুর সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়। সম্প্রতি এক ডাচ গবেষণায় এমনটিই জানানো হয়েছে।
আগের গবেষণাগুলোতে বাদাম খেলে কার্ডিওভাসকুলার হেলথ ভালো থাকে এটা জানা গিয়েছিল। কিন্তু এই প্রথম কোন ধরণের নির্দিষ্ট বাদাম খাওয়ার সাথে রোগের সর্ম্পক দেখা হল।
ইউনিভার্সিটির গবেষকগণ ১০ বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখেছেন, প্রতিদিন অন্তত যে কোন ধরনের বাদাম বা চিনাবাদাম খান তাদের অসময়ে মৃত্যুর সম্ভাবনা ২৩ শতাংশ কম।
কিন্তু পিনাট বাটারে কোন স্বাস্থ্যগত লাভ নেই কারণ এতে অতিরিক্ত লবন ও ট্র্যান্স ফ্যাট রয়েছে।
বিভিন্ন ধরনের বাদামে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এ্যাসিড। এছাড়া রয়েছে অনেক ধরণের ভিটামিন, অাঁশ, এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অন্যান্য বায়ো এ্যাকটিভ কম্পাউন্ডস।
১৯৮৬ সালে ৫৫ থেকে ৬৯ বছর বয়সী ডাচ এক লাখ ২০ হাজার নরনারীর খ্যাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের তথ্য নিয়ে গবেষণা করে জানা গেছে, এদের মধ্যে যারা নিয়মিত বাদাম খেয়েছেন তাদের ক্যান্সার, শ্বাসকষ্টজনিত রোগ ও নিউরোডিজেনারেটিভ অসুখজনিত অকাল মৃত্যু কম হয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে প্রধান গবেষক পিয়েট ভ্যান ডেন ব্র্যান্ডট বিবিসিকে বলেছেন, গড়ে প্রতিদিন ১৫ গ্রাম করে বাদাম খেলে অকাল মৃত্যুর হার উল্রেখযোগ্য হারে কমে বলে দেখা গেছে।
গবেষকরা আরো ও দেখেছেন, বাদাম যারা খান তারা বেশি ফলমূল ও শাকসবজীও খান। এছাড়া বাদাম খাওয়া মহিলাদের ওজনও কম হয়। সূত্র: বিবিসি
বিনোদন প্রতিবেদক : এক সময়ের দাপুটে অভিনেতা রিয়াজ আবার চলচ্চিত্রে ফিরছেন। তার কামব্যাক সিনেমার নাম ‘সুইটহার্ট’। এতে তার সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন ‘আমার আছে জল’ খ্যাত নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তারা। সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে এই জুটির একটি গানের অডিও। কয়েকদিন পর আসবে ভিডিও।
‘কেন রে তোর মাঝে’ গানটি ইউটিউবে উন্মুক্ত করা হয়েছে ১১ জুন। কণ্ঠ দিয়েছেন আহমেদ হুমায়ূন। সুদীপ কুমার দীপের লেখা গানের সুর-সঙ্গীতও হুমায়ূনের। গানটিতে পর্দায় ঠোঁট মিলিয়েছেন রিয়াজ। সঙ্গে আছেন মিম।
‘সুইটহার্ট’ পরিচালনা করেছেন ওয়াজেদ আলী সুমন। তিনি জানান, সিনেমার একাধিক গানের দৃশ্যধারণ করা হয়েছে থাইল্যান্ডের পাতায়ায়। রিয়াজ
ও মিমের অংশে এতে আরও অংশ নিয়েছেন বাপ্পি।
সিনেমায় এ প্রথম হলেও নাটকে একসঙ্গে দেখা গেছে রিয়াজ-মিমকে। ২০০৮ সালে লাক্স–চ্যানেল আই সুপারস্টার খেতাব জেতার পর ‘রহস্যময়ী’ নামে একটি নাটকে রিয়াজের সঙ্গে প্রথম অভিনয় করেন মিম। ৭ বছর পর একসঙ্গে অভিনয় প্রসঙ্গে মিম বলেন, ‘সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা তিনি। তার সঙ্গে কাজ করে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।’
নতুন করে সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে রিয়াজ বলেন, ‘মাঝে চলচ্চিত্রে সময়টা ভাল ছিল না। তাই নিজের ব্যবসাতেই সময় বেশি দিয়েছি। এখন গল্প বেছে কিছু কাজ করব।’
সপ্তাহ দুয়েক আগে হাবিব-ন্যান্সির গাওয়া ‘সুইটহার্ট’ চলচ্চিত্রের ‘ভালো করে ভালোবাসাই হলো না’ শিরোনামের আরেকটি গানের অডিও প্রকাশ হয় ইউটিউবে।
ওয়েব ডেস্ক : কলকাতার রবীন সন ষ্ট্রীটের সাইকো কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। পার্থ দের চিরকুট, ডায়েরি থেকে বেরিয়ে এসেছে নুতন তথ্য। তদন্তকারি দল মনে করছে দে-র পরিবারের সদস্যরা পরস্পর পরস্পরের প্রতি যৌনতায় লিপ্ত ছিলেন। দিদির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল পার্থ দে। সেই সম্পর্কের আভাস পান তাদের মা। তারপরই টানাপোড়েন শুরু হয় পরিবারের। পার্থ দের হাতে লেখা ওই ডায়েরি এবং চিরকুটে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা পড়ে এমনটাই মনে করছে পুলিস।
ডায়েরিতে পার্থ দে লিখেছেন, ‘আমার দিদি আস্তে আস্তে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে, সে ধীরে ধীরে জোর খাটাচ্ছিল। মা একটা সময় দিদিকে হিংসা করতে শুরু করে। আমরা যখন দীঘা যাই, মা হোটেলের বাথরুমে দিদিকে বিবস্ত্র করেন’। ওই ডায়েরিতে পার্থ দে আরও লিখেছেন, ‘যা আমরা করেছি, তা আমাদের কাছে সঠিক। মা ভাবতেন আমি শারীরিকভাবে অক্ষম। মা ওই জন্যে আমার ঘরে একজন পরিচারিকাও রেখেছিলেন। যাতে তাঁর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করি। কিন্তু মায়ের ধারণা ভুল ছিল’।
পার্থ দের শারীরিক পরীক্ষার সময় এটা কিছুটা প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি বিকৃত মস্তিষ্কের। এই বিকৃতির পেছনে যৌনতা সংক্রান্ত বিষয়কেই দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। শুক্রবার সরকারি হাসপাতালে পার্থ দের শারীরিক পরীক্ষার সময় মহিলা চিকিৎসককে কুপ্রস্তাব দেন তিনি। চিকিৎসককে বিবস্ত্র হওয়ার কথা বলেন তিনি। এরপরই মনোবিদদের কাছে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়ে যায়।
নিউজ ডেস্ক; ভারতের রাজস্থানে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে একটি বাস বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে টংক জেলার পাচিভার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই বাসের অধিকাংশ আরোহী ছিলেন পাচিভার গ্রামের। তারা বাসে করে দল বেঁধে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন।
স্থানীয় পুলিশকে উদ্ধৃত করে টাইমস অফ ইন্ডিয়া লিখেছে, “বাস বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর আরোহীরাও বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। এ কারণে কারও পক্ষেই বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। তার ছিঁড়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের একটি অংশ প্রাণে বেঁচে যান।”
বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ৩৩ জনকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে রাজস্থান পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে জানানো হয়।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজ এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
বসুন্ধরার মন্ত্রীসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য রওয়ানা হয়েছেন।
দুর্ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন গ্রামবাসীরা। তাদের অভিযোগ, গ্রামের উপর দিয়ে যাওয়া ১১কেভি বৈদ্যুতিক তারটি সরিয়ে ফেলার জন্য তারা কর্তৃপক্ষের কাছে অনেকবার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নেয়নি।
আহত বেশ কয়েকজনকে মালপুরার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের জয়পুরের এমএসএম হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
জয়পুর থেকে একদল চিকিৎসক ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন।