পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

আধ মিনিটে কমান সাইনাসের সমস্যা

image_129517_0ফিচার ডেস্ক : সাইনাসের সমস্যা যাদের রয়েছে তারা অবশ্যই জানবেন, যে একবার এর যন্ত্রণা শুরু হলে সেটা সহ্য করা এক কথায় অসম্ভব। বহু মানুষ সাইনাসে দিনের পর দিন কষ্ট পাচ্ছেন। বিশেষত, যাদের অ্যালার্জি রয়েছে। অনেক কিছুই চেষ্টা করেছেন। এক বার এই ৩০ সেকেন্ডের টোটকা ট্রাই করে দেখুন। উপকার পাবেন।
যা করতে হবে:
১. জিভের ডগা দিয়ে মুখের তালুতে চাপ দিন। এক কথায় উপরের দিকে ঠেলুন। তবে খুব বেশি জোরে ঠেলার চেষ্টা করবেন না।
২. হাতের বুড়ো আঙুল দুই ভ্রু-র মাঝে রাখুন।
৩. হাল্কা হাল্কা করে চাপ দিয়ে নাকের দিকে নামান। খুব জোরে চাপ দেবেন না। ৩০ সেকেন্ড ধরে এটা করে যান।
এটা করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে দেখবেন নাক খুলে গিয়েছে। নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে না। আসলে নাকের উপরের দিকে থাকা ভোমার হাড় এতে নড়াচড়া করে। তাতে সাইনাসে জমে থাকা শ্লেষ্মা নীচের দিকে নেমে আসে। এর সঙ্গে রোজকার খাবারের তালিকায় একটু রসুন এবং প্রচুন পানি খান। এতেও বেশ উপকার পাবেন।– ওয়েবসাইট।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on আধ মিনিটে কমান সাইনাসের সমস্যা

বলিউডের ৯ জন ওয়ান হিট ওয়ান্ডার

downloadডেস্ক রিপোর্ট : তারা এসেছিলেন। ছবি হিট করিয়েছিলেন। তারপর হারিয়ে গেছেন। বলিউডের কয়েকজন ‘হিট’ নায়ক-নায়িকার কথা হচ্ছে। প্রথম ছবিতে বক্স অফিস কাঁপিয়ে তারপর দুয়েকটা ফ্লপ দেওয়ার পর যাঁরা হারিয়ে গেছেন দর্শকের স্মৃতি থেকে।
নীচে সেরকমই শুরুতে চমক জাগিয়ে পরে নিভে যাওয়া ৯ জন ‘ওয়ান হিট ওয়ান্ডার’-এর কথা।
কুমার গৌরব
কুমার গৌরবকে মনে পড়ে? ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লাভ স্টোরি’ ছবির সেই মিষ্টি নায়ক অনেক কিশোরী-তরুণীর ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন। রাহুল দেববর্মনের সুরে ‘তেরি ইয়াদ আরাহি হ্যায় সুপারহিট হয়েছিল গৌরবের লিপে। কিন্তু প্রথম ফিল্মে আশা জাগিয়ে তারপর সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে ‘নাম’ বা সঞ্জয় গুপ্তার পরিচালনায় ‘কাঁটে’ ছবিতে অভিনয় করলেও দর্শকদের নজর কাড়তে ব্যর্থ হন গৌরব। শেষে বলিউডের তারকাদের ভিড়ে গৌরবের নাম হারিয়ে যায়।
রাহুল রায়
‘আশিকি’ সিনেমার কথা কেই বা ভুলতে পারে? সুরের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করা সেই সিনেমায় নজর কেড়েছিল রাহুল রায়ের অভিনয়। পনেরো বছর আগের সেই সিনেমার আবেদন এখনও দর্শকমনে সমান প্রাসঙ্গিক। কিন্তু হারিয়ে গেছেন ছবির নায়ক রাহুল রায়। ‘আশিকি’ ছবির পরে আর একটিও উল্লেখযোগ্য কাজ নেই রাহুলের।
বিবেক মুশরান
সুভাষ ঘাইয়ের ‘সওদাগর’ ছবিতে নবাগত বিবেকের আবির্ভাব আশা জাগিয়েছিল। সুদর্শন এই নায়ক শুধু দর্শকদেরই মন মাতাননি, বক্স অফিসেও ‘সওদাগর’কে সুপারহিট করে তুলেছিলেন। কিন্তু অভিনয়ক্ষমতা ছাড়াও নানাধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ঝুঁকি নিতে চাওয়ার অভাব বিবেককে সুপারস্টার হওয়ার দৌড় থেকে ছিটকে দেয়। শোনা যায়, যশ চোপড়ার ‘ডর’ ছবিতে তাকে শাহরুখের চরিত্রটি অফার করা হয়েছিল, কিন্তু বিবেক তা ফিরিয়ে দেন। সম্ভবত বিবেকের জীবনে ওটাই ‘ঐতিহাসিক ভুল’।
গ্রেসি সিং
‘লগন’ ছবিতে আমির খানের বিপরীতে গ্রেসির নরম সৌন্দর্যের আবেদনে মুগ্ধ হয়েছিল তামাম দুনিয়া। অস্কার মনোনীত এই ছবির পরে ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ ছবিতে সঞ্জয় দত্ত-আরশাদ ওয়ারসির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছিলেন গ্রেসি। কিন্তু ওখানেই শেষ- তারপরে গ্রেসির কেরিয়ারে আর একটিও উল্লেখযোগ্য ছবি নেই।
1402156781.ভাগ্যশ্রী
‘ম্যায়নে প্যার কিয়া’ ছবিতে নায়ক সালমান খানের সঙ্গে সঙ্গে নায়িকা ভাগ্যশ্রীও আকাশছোঁয়া সাফল্য পেয়েছিলেন। প্রথম ছবিতেই সাড়া জাগানো এই নায়িকা অনায়াসেই থাকতে পারতেন বলিউডের প্রথমসারির নায়িকাদের তালিকায়। কিন্তু অসাধারণ প্রতিশ্রুতিবান অভিনেত্রী হয়েও ভাগ্যশ্রী কেরিয়ারের বদলে বিয়ে করে সংসার করায় মন দিলেন, এবং শর্ত দিলেন একমাত্র নিজের স্বামীর বিপরীতেই অভিনয় করবেন। কাজেই পরপর তিনটি ফ্লপ সিনেমা উপহার দিয়ে ভাগ্যশ্রী বিদায় নিলেন বলিউডের ভাগ্যাকাশ থেকে।
ভূমিকা চাওলা
‘তেরে নাম’ ছিল সলমনের ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা। নবাগতা নায়িকা হিসাবে ভূমিকা চাওলা নজর কেড়েছিলেন প্রথম ছবিতেই। মিষ্টি চেহারার সুন্দরী এই অভিনেত্রী এরপরে কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করলেও দর্শকমহলে সেভাবে সাড়া জাগাতে পারেনি কোনোটাই।
আমিশা প্যাটেল
‘কহো না প্যার হ্যায়’ ছবিতে আবির্ভাব হয়েছিল আমিশা প্যাটেল-হৃত্বিক রোশন জুটির। হৃত্বিক বলিউডে নিজের জায়গা করে নিলেও আমিশা প্যাটেল বলিউডকে আর একটাও হিট দিতে পারেননি। ‘গদর- এক প্রেমকথা’ সিনেমা হিট হলেও সেখানে সানি দেওলকে ছাপিয়ে আমিশার উপস্থিতি সেভাবে চোখে পড়েনি। আর তারপরে আমিশা প্যাটেল শুধু ‘কহো না…’-র স্মৃতি হয়েই রয়ে গেলেন দর্শকের মনে।
সোনাল চৌহান
ইমরান হাশমির বিপরীতে ‘জন্নত’ ছবিতে আলাদা করে সোনালকে দর্শকের ভালো লাগলেও পরে বলিউড মনে রাখেনি তাকে। সোনালও দু-একটি ফ্লপ ছবি উপহার দিয়ে শেষঅবধি বলিউডের নায়িকাদের ভিড়ে হারিয়ে গেছেন।– ওয়েবসাইট।

Posted in বিনোদন | Comments Off on বলিউডের ৯ জন ওয়ান হিট ওয়ান্ডার

ধর্ষণের পর প্রেমিকাকে হত্যা, ধর্ষক মরলো হার্ট অ্যাটাকে

01_984জেলা প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম: তরুণী প্রেমিকার বিয়ের খবরে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে প্রেমিক। এরপর সুযোগ বুঝে ঢুকে পড়ে প্রেমিকার বাড়িতে। কৌশলে তরুণীকে নিয়ে যায় রান্না ঘরে। সেখানে সহযোগীদের নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে গলা কেটে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে। কিন্তু পালানো হয় না বেশি দূর। পথিমধ্যেই হার্ট অ্যাটকে মারা যায় ঘাতক প্রেমিক।
রোববার বিকেলে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রৌমারী থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’জনকে আটক করেছে।
নিহত প্রেমিকার নাম আর্জিনা (১৭)। সে রৌমারী উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামের মৃত আব্দুল হাই আকন্দের মেয়ে। এ বছর সে এসএসসি পাস করেছে। আর ঘাতক প্রেমিকের নাম আইয়ুব আলী (২২)। তিনি রৌমারী উপজেলার চেংটাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল বাতেনের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত প্রায় পাঁচ বছর আগে থেকে আর্জিনাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় আইয়ুব আলী। কিন্তু আর্জিনা নিরব থাকে। কয়েকদিন আগে আর্জিনার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে তার পরিবার। এ খবর শোনার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে আইয়ুব আলী। সুযোগ বুঝে রোববার বিকেলে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে দুজন বন্ধুকে নিয়ে আর্জিনার সঙ্গে দেখা করতে যান। ঘটনার সময় আর্জিনাকে তাদের রান্নাঘরে ডেকে নিয়ে তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করে।
আর্জিনাকে হত্যার পর পালানোর চেষ্টা করে আইয়ুব ও তার সহযোগীরা। কিন্তু বেশি দূর যেতে পারে না। পথিমধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায় আইয়ুব।
এদিকে, আর্জিনার মা সাজেদা বেগম বাড়িতে ফিরে মেয়েকে রান্না ঘরে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান। এরপর খবর পায় পুলিশ। পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম পাঠায়। এর আগেই হত্যা ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পরিবারের অভিযোগ, আইয়ুব জোর করে আর্জিনার সঙ্গে প্রেম করতে চেয়েছিল। কিন্তু অন্যত্র বিয়ে ঠিক হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে সে আর্জিনাকে গলা কেটে হত্যা করেছে।
আর্জিনার মা সাজেদা বেগম অভিযোগ করেন, ‘আইয়ুব আলী মেল্যা দিন থেইক্যা আমার মাইয়াকে বিরক্ত করে আসছিল। আর এ কারনে মাইয়ার বিয়া দিবার চাইছিলাম। কিন্তু শয়তানরা তাকে বাঁচতে দিল না। আমি খুনীদের ফাঁসি চাই’।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন ধারনা করছেন মেয়েটিকে তার প্রেমিক ও সহযোগীরা হত্যা করেছে। নির্মম ওই হত্যাকাণ্ডে তিনজন সরাসরি জড়িত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on ধর্ষণের পর প্রেমিকাকে হত্যা, ধর্ষক মরলো হার্ট অ্যাটাকে

ড্রাইভিং লাইসেন্স করবেন যেভাবে

Drivingস্টাফ রিপোর্টার : গাড়ি কিংবা মোটরসাইকেল চালানোর জন্য বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকাটা জরুরি। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরযান চালানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তারপরও অনেকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। আপনি যতই দক্ষ চালক হোন না কেনো আইনের বেড়াজাল টপকাতে পারবেন না। এজন্য যানবাহন চালনোর সময় সঙ্গে রাখুন লাইসেন্সের মূল কপি। আসুন জেনে নেই কি করে সহজেই ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায়।
বাংলাদেশে যানবাহন চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ)। লাইসেন্সের জন্য বিআটিএ’র ওয়েব সাইট ভিজিট করতে পারেন। সেখানে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। এছাড়া আবেদন ফর্মও মিলবে ওয়েব সাইটে। ফর্মটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নেয়া যাবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়ার পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স নেয়া।
গ্রাহককে প্রথমে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। গ্রাহককে তার স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমান ঠিকানা (প্রয়োজনীয় প্রমাণাদিসহ) বিআরটিএ‘র যে সার্কেলের আওতাভূক্ত তাকে সেই সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। সার্কেল অফিস কর্তৃপক্ষ তাকে একটি শিক্ষানবিস বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে যা দিয়ে আবেদনকারী ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।
২ থেকে ৩ মাস প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তাকে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত কেন্দ্রে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে এ অংশ গ্রহণ করতে হবে। এসময় প্রার্থীকে তার লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স (মূল কপি) ও লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কলম সঙ্গে আনতে হবে। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২০ বছর এবং অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে।
লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ জন্ম সনদ/ পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি।
৪। নির্ধারিত ফি, ১ ক্যাটাগরির জন্য ৩৪৫ টাকা ও ২ ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে (ব্যাংকের তালিকা www.brta.gov.bd এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে) জমাদানের রশিদ।
৫। সদ্য তোলা ০৩ কপি স্ট্যাম্প ও ০১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর পুনরায় একটি নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি প্রদান করে স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে। গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণপূর্বক স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়।
স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রিন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএসের মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়।
স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি।
৪। নির্ধারিত ফি।পেশাদার ১৪৩৮ টাকা ও অপেশাদার ২৩০০ টাকা। বিআরটিএ‘র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
৫। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন।
৬। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রকৃতি:
(১) পেশাদার হালকা (মোটরযানের ওজন ২৫০০কেজির নিচে) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২০ বছর হতে হবে, (২) পেশাদার মধ্যম (মোটরযানের ওজন ২৫০০ থেকে ৬৫০০ কেজি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৩ বছর হতে হবে এবং পেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ৩ বছর হতে হবে।
(৩) পেশাদার ভারী (মোটরযানের ওজন ৬৫০০ কেজির বেশি) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ২৬ বছর হতে হবে এবং পেশাদার মধ্যম ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবহার কমপক্ষে ৩ বছর হতে হবে।
লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফর্ম পাওয়া যাবে এই লিংকে: (www.brta.gov.bd)
ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফর্মের জন্য এই লিংকে যান: (www.brta.gov.bd)
মেডিকেল সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে এই লিংকে: (www.brta.gov.bd)

Posted in জাতীয় | Comments Off on ড্রাইভিং লাইসেন্স করবেন যেভাবে

ফোরকান মল্লিকের রায় যেকোনো দিন

forkanস্টাফ রিপোর্টার : মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ফোরকান মল্লিকের মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায়টি ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রেখে এ আদেশ দেন।
রোববার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।
এসময় রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত থেকে আসামির বিরুদ্ধে আইনি যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল। অপরদিকে আসামিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী আব্দুছ ছালাম খান।
এর আগে গত ২৮ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত তিনদিনে ফোরকানের বিরুদ্ধে যুক্তি উপস্থাপন করেন মামলার প্রসিকিউটর মোখলেসুর রহমান বাদল।
এছাড়াও গত ২ জুন আসামির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু করে তা তিন কার্যদিবসে শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুছ ছালাম খান।
উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর ফোরকান মল্লিকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউশন। এরপর ২ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে দেয়া অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল।
গত ৩ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মো. ফোরকান মল্লিককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের দায়ে ২০০৯ সালের ২১ জুলাই ফোরকানের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় আবদুল হামিদ নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ২৫ জুন ফোরকান মল্লিককে বরিশালের রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা।
ফোরকানের বিরুদ্ধে গত ২৬ জুন থেকে তদন্ত শুরু হয়। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করেন তদন্ত কর্মকর্তা সত্যঞ্জন রায়।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ফোরকান মল্লিকের রায় যেকোনো দিন

আইনের শাসন না থাকায় নারী পুলিশকে ধর্ষণ : রিপন

রিপনস্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাংসদ পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির ছোড়া গুলিতেই নিরীহ দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন। তিনি বলেন, ‘সাংসদপুত্র এই হত্যার দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না। আর গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে স্পষ্ট যে, তিনিই প্রকৃত খুনি।’
রোববার দুপুরে নয়াপন্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিপন বলেন, ‘নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার একমাত্র সমাধান নয়। কারণ ক্ষমতাসীনরা দেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে তছনছ করে ফেলেছে। তাই এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যতদূর সম্ভব একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর ওই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করবে।’
দেশে কোনো আইনের শাসন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আইনের শাসন কতটা অবনতি হলে একজন নারী পুলিশও ধর্ষণের শিকার হন। তাও আবার সহকর্মীদের হাতেই ধর্ষিত হয়েছেন। দেশে বিচারহীনতার রাজনৈতিক সংস্কৃতি চালু হয়েছে। তাই এই ধরনের ঘটনা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা কোন গণতান্ত্রিক দেশের জন্য ভালো নয়। আর আজ দেশে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা গত ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের ফসল।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘দেশ প্রতিনিয়ত খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিলম্ব না করে আসুন আলোচনা মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান করি। কিন্তু পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে গেলে তখন বিএনপি আপনাদের সহযোগিতা করলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে রিপন বলেন, ‘যদি দেশে নির্বাচিত সরকার থাকতো তাহলে মোদির সফরের আগে আমরা সবাই আলোচনায় বসতে পারতাম। আর মোদি বাংলাদেশে এসে জাতীয় সংসদে ভাষণ দিতেন। কিন্তু এই সরকার অবৈধ বলেই মোদিকে সংসদে আমন্ত্রণ জানাতে পারেনি।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, আব্দুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on আইনের শাসন না থাকায় নারী পুলিশকে ধর্ষণ : রিপন

ট্রানজিটে যুক্ত হতে পারবে সার্কের অন্য দেশও

4-Countryস্টাফ রিপোর্টার : সার্ক দেশগুলোর সড়ক নেটওয়ার্কের প্রথম পর্যায়ে সড়কপথে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচলের জন্য ‘বিবিআইএন মোটর ভেহিক্যাল অ্যাগ্রিমেন্ট (এমভিএ)’ চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মতি হয়েছে চার দেশের সচিবরা।
ভুটানের রাজধানীর থিম্পুতে অনুষ্ঠিত চার দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠকে তারা এই এক মত প্রকাশ করেছেন। চুক্তির ফলে বাধা ছাড়াই এক দেশ থেকে আরেক দেশে পণ্যবাহী গাড়ি যাত্রীবাহী বাস বা ব্যক্তিগত মোটরযান প্রবেশ করতে পারবে।
আগামীকাল সোমবার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে চার দেশের পরিবহনমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন ভুটানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
এ সম্মেলনে যোগ দিতে গত শুক্রবার সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ভুটানে গেছেন। প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক, যুগ্ম-সচিব আব্দুল মালেক, চন্দ্রন কুমার দে ও সেতু বিভাগের তথ্য কর্মকর্তা ওয়ালিদ ফয়েজ। এছাড়া ভুটানস্থ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়।
জানা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সড়ক নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত বছর নভেম্বর সার্ক সম্মেলনে আট দেশের মধ্যে সার্ক এমভিএ উত্থাপন করা হয়। তবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রস্তুতির অভাবে তা অনুমোদন হয়নি। সেই চুক্তির ভিত্তিতে বিবিআইএম এমভিএর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।
এরপর গত সোমবার (৮ জুন) মন্ত্রিসভায় এই চুক্তিটির খড়সা অনুমোদন করা হয়। এই চুক্তির আওতায় বাধা ছাড়াই এক দেশ থেকে আরেক দেশে পণ্যবাহী গাড়ি (ট্রাক, টেইলার), যাত্রীবাহী বাস বা ব্যক্তিগত মোটরযান প্রবেশ করতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি গাড়ির জন্য পৃথক ট্রানজিট ফি দিতে হবে। পাশাপাশি পণ্যবাহী গাড়ির জন্য পৃথক কর ও শুল্ক দিতে হবে।
এছাড়া প্রতিটি পণ্যবাহীর গাড়ির ট্রানজিটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশকে আর্থিক গ্যারান্টিও দিতে হবে। প্রতিটি দেশে গাড়ি প্রবেশের ক্ষেত্রে নিজ নিজ কাস্টমস নীতিমালা অনুসরণ করবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপালের মধ্যে সড়কপথে মোটরযান চলাচলের জন্য আগামীকাল ভুটানের রাজধানীতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে বলে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, বিবিআইএন এমভিএর আওতায় এক দেশের গাড়ি অন্য দেশের নির্ধারিত রুট ছাড়া অন্য কোনো সড়ক ব্যবহার করতে পারবে না। এছাড়া তৃতীয় কোনো দেশে যাত্রী ওঠানামা করতে পারবে না। অপর কোনো দেশ অতিক্রমের সময় জ্বালানি তেল প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য পরিশোধ করতে হবে। স্থানীয় যানবাহনের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভর্তুকি মূল্যের জ্বালানি পাবে না বিদেশি যানবাহন।
চুক্তির আওতায় প্রতিটি যানকে অপর দেশে চলাচলে রুট পারমিট নিতে হবে। নিয়মিত চলাচলকারী যানবাহনকে এক বছরের জন্য এ পারমিট দেয়া হবে। প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিটি দেশ এ সংক্রান্ত তালিকা বিনিময় করবে। কোনো দেশ চাইলে প্রতি বছর এ তালিকা পরিবর্তন করতে পারবে। যে দেশের ওপর দিয়ে যানবাহন যাবে, সেই দেশের কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে তা সার্চ ও ইন্সপেকশন করতে পারবে। এছাড়া যে দেশে যে পণ্য নিষিদ্ধ, সে দেশের ভেতর দিয়ে সেসব পণ্য বহন করা যাবে না।
তিন বছর পর পর এই চুক্তি নবায়ন হবে। তবে কোনো দেশ চাইলে ৬ মাসের নোটিশ দিয়ে চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিতে পারবে। এছাড়া ভবিষ্যতে সার্কের অন্যান্য দেশ চাইলে এ চুক্তিতে যুক্ত হতে পারবে। সেক্ষেত্রে চুক্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা যাবে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিবিআইএন এমভিএ নামের এই চুক্তিটি রূপরেখা চুক্তি আঙ্ক্ষায়িত করা হয়েছে। এরপর কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে চলতি বছরের শেষের দিকে প্রোটকল চুক্তি হিসেবে আরেক চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে চার দেশের পথের সমীক্ষা, পরীক্ষামূলক চলাচল ও অভিবাসন-সুবিধা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর আগামী বছরের শুরুতে চার দেশের মধ্যে যান চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
চুক্তি অনুসারে যানবাহনের বৈধ মালিকানা, ফিটনেস ও ইন্স্যুরেন্সের হালনাগাদ দলিল থাকতে হবে। চালকের স্থানীয় কিংবা আন্তর্জাতিক যে কোনো এক ধরনের লাইসেন্স থাকলেই চলবে। আর যাত্রীর থাকতে হবে বৈধ ভ্রমণ দলিল। প্রয়োজন হলে পথে যে কোনো দেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ যানবাহন পরিদর্শন করতে পারবে। নিষিদ্ধ কিংবা তালিকাভুক্ত স্পর্শকাতর মালামাল বহন করা যাবে না। ব্যক্তিগত, যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাওয়ার জন্য আলাদা আলাদা ফরম পূরণ করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত যানের দীর্ঘমেয়াদি অনুমোদন লাগবে। ব্যক্তিগত গাড়ির অনুমতি হবে সাময়িক এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দিতে পারবে।
চলাচলের রুট:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যান চলাচলের জন্য বিদ্যমান সব স্থলবন্দর দিয়েই বাংলাদেশ-ভারত যানবহন চলাচল করতে পারবে। তবে বাংলাদেশ থেকে নেপাল ও ভুটানে যাওয়া-আসার জন্য প্রাথমিকভাবে দু’টি করে চারটি পথ ঠিক করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে নেপালে যেতে ঢাকা-বাংলাবান্ধা-জলপাইগুড়ি-কাকরভিটা এবং ঢাকা-বুড়িমারী-চেংরাবান্দা এ দু’টি পথ ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ভুটানের পথ দু’টি হচ্ছে ঢাকা-বুড়িমারী-চেংরাবান্দা এবং অন্যটি ঢাকা-সিলেট-শিলং-গৌহাটি। সম্প্রতি ঢাকা-শিলং-গৌহাটি পথে যে বাস চালু করা হয়েছে সেটি দিয়ে ইতোমধ্যে কয়েকজন ভুটানী ভ্রমণও করেছেন।
সূত্র জানায়, চুক্তিতে যাত্রীবাহী যানবাহন বলতে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত বাস, ভাড়ায় চালিত বাস-কার ও ব্যক্তিগত গাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পণ্যবাহী যানের মধ্যে রয়েছে কনটেইনার বহন করা যায় এমন ট্রেইলর ও ট্রাক।
তবে ব্যক্তিগত গাড়ি অনিয়মিত যান হিসেবে বিবেচিত হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে চাইলে ৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হবে। এই পথে যাতায়াতের জন্য পর্যটন, তীর্থযাত্রা, বিয়ের অনুষ্ঠান, চিকিৎসা, শিক্ষা সফর, রেলস্টেশনে যাওয়ার জন্য যাত্রার নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ধরনের যাত্রীদের যাত্রাকালে জ্বালানি ভরে যেতে হবে। কোনো শুল্ক না দিয়েই নিতে পারবেন প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ। পথে জ্বালানির দরকার হলে ভর্তুকিবিহীন দামে জ্বালানি নিতে পারবেন। দুর্ঘটনায় পড়লে নিজ নিজ দেশের আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই গাড়ি নিয়ে যতোবার ভ্রমণ করবেন, ততোবার অনুমোদন নিতে হবে। খসড়া রূপরেখা চুক্তিতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত চার দেশের বাইরে অন্যকোনো দেশ চাইলে এই অবাধ যান চলাচল প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারবে।
তবে চার দেশের কেউ দ্বিমত করলে অন্তর্ভুক্তি আটকে যাবে। চুক্তিতে সই করা কোনো দেশ এই প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে অন্যদের লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর চার দেশের পরিবহন সচিবরা ৩০ দিনের মধ্যে আলোচনায় বসে পরবর্তী করণীয় ও প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবেন। চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার লিখিত আবেদন বাকি তিন দেশের হাতে পৌঁছানোর দিন থেকে পরবর্তী ছয় মাস পর তা কার্যকর হবে।
এছাড়া যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো হবে সাদা রঙের। দুই পাশে হলুদ রঙ দিয়ে ইংরেজি এবং নিজ নিজ দেশের রাষ্ট্রীয় ভাষায় পরিবহনের নাম, দেশের নাম, যাত্রা শুরু ও শেষের স্থানের নাম এবং পথ লেখা থাকবে। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান ছাড়াও মালদ্বীপ বা শ্রীলঙ্কায় পণ্য রপ্তানি-আমদানিতে সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের বিধানও রাখা হয়েছে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ট্রানজিটে যুক্ত হতে পারবে সার্কের অন্য দেশও

ফাঁস দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

suicideস্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর বাড্ডার আনন্দনগর কৃষি ব্যাংক রোডের একটি বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহতরা হলেন- শাহীন (৩০) ও তার স্ত্রী রুবি (২৬)।
রোববার দুপুরে ওই দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান।
তিনি জানান, বাড্ডার আনন্দনগর কৃষি ব্যাংক রোডের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন এ দম্পতি। সেখানেই তারা একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন। তবে আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on ফাঁস দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

ঘামাচি দূর করার সহজ উপায়

ghamasiঅনলাইন ডেস্ক: চলছে গ্রীষ্মের মৌসুম। নিয়ম অনুযায়ী ঘরে-বাইরে খুবই গরম। এই গরমের দিনে যে বিষয়টি মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলে তার একটি হলো ঘামাচি। দেহের ঘর্মগ্রন্থিগুলোর মুখ যখন ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ার আটকে যায়। ঘাম বের হতে না পেরে চামড়াতে আটকে গিয়ে ঘামাচি হয়। এরফলে চুলকানি, যা থেকে নানা রকম সংক্রমণ। চুলকাতে গিয়ে অনেক সময় চামড়ায় ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে চামড়ার ওপর কালো দাগও হতে পারে। অথচ এই যন্ত্রণা চিরতরে দূর করতে অবলম্বন করতে পারেন যেকোনো একটি উপায়।
নিম পাতা: ঘামাচি দূর করা এক ভালো উপায় হলো নিমপাতা বেটে শরীরে লাগানো। এরপর শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করতে হবে। নিমপাতার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীর থেকে ঘামাচির জীবানু দূর করতে সহায়তা করে। এজন্য আপনি গরমের পুরো মৌসুম ঘামাচি মুক্ত থাকতে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার নিম পাতা ব্যবহার করতে পারেন।

এলোভেরা: এলোভেরার জেল বের করে ঘামাচি সংক্রমণ জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। এরপর শুকোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিন। ঘামাচি দূর হবে দ্রুত।
মুলতানি মাটি: ঘামাচি দূর করতে মুলতানি মাটিও খুব উপকারী। ৪ থেকে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ও পরিমান মতো পানি দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় পেস্টটি লাগিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন সব ঘামাচি দূর হয়ে গেছে।

লেবুর রস: যদি সহজভাবে ঘামাচি দূর করতে চান তাহলে প্রতিদিন একটু বেশি করে লেবু মিশিয়ে ২ থেকে ৩ গ্লাস শরবত পান করুন। কারণ ঘামাচি নিরাময়ে লেবুর শরবত খুবই কাজ করবে।

বরফ: ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু থেকে তিন বার বরফ ঘষলে ঘামাচি দূর হবে সহজেই।
বেকিং সোডা: এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে। উপকার পাবেন সহজেই।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ঘামাচি দূর করার সহজ উপায়

রোজা পাঁচ রুকনের অন্যতম

beautiful_mosque_dome_at_sunsetমুফতি আমজাদ হোসাইন
পবিত্র রমজানের রোজা ইসলামের পাঁচটি রুকনের অন্যতম একটি। যার রয়েছে অসংখ্য-অগণিত ফজিলত। এই ফজিলত পাওয়ার জন্য প্রয়োজন পূর্ব প্রস্তুতির। দুনিয়াবি কোনো কাজ সম্পাদন করতে হলে আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করি। যার পূর্ব প্রস্তুতি বেশি থাকবে তার কাজ পূর্ণরূপে সম্পাদিত হবে। যার প্রস্তুতি কম থাকবে বা একেবারেই থাকবে না তার কাজ পূর্ণরূপে সম্পাদিত হবে না এবং তার মাকসুদও পুরা হবে না। এমনটিই স্বাভাবিক। রমজানের রোজার ফজিলত যেহেতু অপরিসীম, তাই তার পূর্ব প্রস্তুতিরও একান্ত প্রয়োজন। ২ জুন পবিত্র লাইলাতুল বরাতে ইবাদত ও পরের দিন রোজা রাখার মাধ্যমে রমজানের ইবাদতের রিহার্সেল হয়ে গেছে। এখন প্রয়োজন পূর্ণ প্রস্তুতির। পবিত্র রমজানের রোজা সম্পর্কে কোরআনে আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেন, হে ইমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পার। (সূরা বাকারা : ১৮৩) আলোচ্য আয়াতে সিয়াম-সাধনার বিধান বর্ণনা করার পর বান্দাকে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে যে, রোজা শুধু তোমাদের ওপরই ফরজ করা হয়নি। বরং তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপরও ফরজ ছিল। যাতে করে তোমাদের কাছে রোজা রাখার বিধানটি সহজ মনে হয় এবং নতুন কোনো বিধান নয় তাও পরিষ্কার হয়। আয়াতের শেষাংশে রোজার ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাকওয়া বা পরহেজগারির শক্তি অর্জন করার ব্যাপারে সিয়াম-সাধনার ভূমিকা বর্ণনাতীত। তাকওয়া বা পরহেজগারিতা অর্জিত হয় আত্দশুদ্ধির মাধ্যমে। মুসলিম শরিফের এক হাদিসে এসেছে, রসুল (সা.) এরশাদ করেন, ‘মানুষের ভিতরে একটি ক্ষুদ্রতম গোশতের টুকরা আছে, যদি এই ক্ষুদ্রতম টুকরাটি ঠিক থাকে তাহলে পুরো শরীর ঠিক থাকে। আর এই ক্ষুদ্রতম টুকরা যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে পুরো শরীর নষ্ট হয়ে যায়। এই ক্ষুদ্রতম টুকরাটির নাম কলব বা অন্তর’। মিশকাত শরিফের ৫১৪৭নং হাদিস, ‘হজরত হোজাইফাতুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, মানুষের অন্তরে ফিতনাসমূহ এমনভাবে প্রবেশ করে, যেমন- অাঁশ একটির পর আরেকটি বিছানো হয়ে থাকে এবং যে অন্তরে রন্ধ্রে রন্ধ্রে তা প্রবেশ করে তাতে একটি কালো দাগ পড়ে। আর যে অন্তর তাকে (ফিতনা) স্থান দেয় না। তাতে একটি সাদা দাগ পড়ে। ফলে মানুষের অন্তরসমূহ পৃথক দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এক প্রকারের অন্তর হলো, মর্মর পাথরের মতো শ্বেত, যাকে আসমান ও জমিন বহাল থাকা পর্যন্ত অর্থাৎ কেয়ামত পর্যন্ত কোনো ফিতনাই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে না। পক্ষান্তরে দ্বিতীয় প্রকার অন্তর হলো কয়লার মতো কালো। যেমন- উপুড় হওয়া পাত্রের মতো, যাতে কিছুই ধারণ করার ক্ষমতা থাকে না। তা ভালোকে ভালো জানার এবং মন্দকে মন্দ জানার ক্ষমতা রাখে না। ফলে কেবল তাই গ্রহণ করে, যা তার প্রবৃত্তির চাহিদা হয়।’ বস্তুত গুনাহ বা অন্যায় একটি ময়লা বা কালো দাগের মতো। কাপড়ে কোনো দাগ পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তা ধুয়ে পরিষ্কার করতে হয়। অন্যথায় ময়লা পড়তে পড়তে এক সময় জমাট বেঁধে যায়। তখন তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পবিত্র রমজানের রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতে অন্তর হবে ইমানের নূরে নূরান্বিত। আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে পবিত্র রমজানের আগে রোজা রাখার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করার তৌফিক দান করুন। আমিন।
লেখক : মুহাদ্দিস, জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা, ঢাকা।

Posted in ইসলাম | Comments Off on রোজা পাঁচ রুকনের অন্যতম

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud