May 6, 2026
বিনোদন প্রতিবেদক: ঈদ এলেই ‘সিকান্দার বক্স’ সিরিজের জন্য মুখিয়ে থাকেন দর্শকরা। গত কয়েক বছর ধরেই দর্শকদের বিনোদনের খোড়াক জুগিয়েছে নাটকটি। নাটকের প্রধান চরিত্র সিকান্দার বক্সের খ্যাতি এখন দেশজোড়া। সিকান্দারের হাঁটা-চলা, অঙ্গভঙ্গি কিংবা কথাবার্তা-সবকিছুই অনুসরণ করে দর্শকরা। মানুষের যাপিত জীবনের প্রভাব বিস্তার করে আছে সিকান্দার বক্স।
‘আমার এত আবেগ ক্যারে’, ‘ফহিন্নির ফহিন্নি’ ডায়লগগুলো এখন মানুষের মুখে মুখে। ফেসবুকের ফটো কমেন্টের বেশিরভাগই সিকান্দার বক্সের দখলে। সিকান্দার বক্স ‘এখন অনেক বড়’, ‘এখন বিরাট মডেল’, ‘এখন কক্সবাজারে’, ‘এখন পাগল প্রায়’, ‘হাওয়াই গাড়ি’, ‘এখন বান্দরবানে’, ‘এখন রাঙামাটি’ শেষ করে এবার ‘সিকান্দার বক্স এখন নিজ গ্রামে’ ফিরেছেন।
নির্মাতা সাগর জাহান আগেই ঘোষনা দিয়েছিলেই এটিই সিকান্দার বক্সের শেষ সিরিজ। ঈদের দিন থেকে বাংলাভিশনে নাটকটি প্রচার শুরু হয়। শুরুর দিন থেকে দর্শকদের মনে ছিল চরম উন্মাদনা। বরাবরেই মতো এবারও নিজেকে নিজে ছাড়িয়ে যায় সিকান্দার বক্স। ছয় পর্বের শেষ পর্বটি প্রচার হলো আজ। সঙ্গে শেষ হলো সিকান্দার বক্স সিরিজটি। আগামী ঈদে আর নাটকটি দেখা যাবে না।
ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘শেষ হচ্ছে সিকান্দার বক্স’ স্টাটাস লিখতে গিয়েই নির্মাতা সাগর জাহানের হাতটা ধরে এসেছিল। খারাপ লাগবেই না কেন! তিলে তিলে তিনি নাটকটিকে দাড় করিয়েছেন তিনি। তিনি জানালেন, ‘এতদিন অনেক স্টাটাস লিখেছি। কিন্তু এবারই প্রথমবারের মতো কোন স্টাটাস লিখতে গিয়ে ভীষণ খারাপ লাগছিল।
আরমান ভাইয়ের পর আর কোন ক্যারেক্টারকে বাংলাদেশের মানুষ এতটা ভালোবাসটা এটা কখনোই ভাবতে পারিনি। নাটকটির নির্মাণ বন্ধ করলে অনেকেই আমাকে হত্যারও হুমকি দিয়েছে। একটা নাটকের প্রতি কতোটা ভালোবাসা থাকলে একজন ভক্ত এমনটা করে। দর্শকদের ভালোবাসায় আমি মুদ্ধ। নাটকটি বন্ধ করায় ভক্তদের কাছ থেকে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।’
নাটকটির শেষ করছেন কেন? ‘আসলে সব সুন্দরেরই একটা শেষ আছে। তাই ভালো থাকতেই নাটকটা শেষ করছি। আরমান ভাইও কিন্তু দর্শকপ্রিয়তা থাকতেই বন্ধ করেছিলাম। এখনও কিন্তু আরমান ভাইকে সবাই মনে রেখেছে। সিকান্দার বক্সের সমাপ্তিটা সুন্দরভাবে করতে পারছি বলেই ভালো লাগছে।’-জানালেন সাগর জাহান।
লাইফ স্টাইল ডেস্ক: প্রতিটা দিন ত্বক যদি সতেজ দেখাতো, তবে কতোই না ভালো হতো। সকালে ফ্রেশ ত্বক নিয়ে বাইরে বেরুনোর পর দুপুর নাগাদ তা সজীবতা হারায়। এখানে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। এগুলো পরীক্ষা করে দেখুন। প্রতিদিন সতেজ দেখাবে আপনাকে।
১. লোমকূপ উন্মুক্ত করুন : কঠিন শোনালেও কাজটা সহজ। লোমকূপের গোড়া বাইরের ময়লায় বন্ধ হয়ে যায়। একে পুরোপুরি দূর করতে হলে সামান্য উষ্ণ পানিতে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিন। এবার তা মুখে ঘষুণ। তাপে লোমকূপের গোড়া উন্মুক্ত হয়ে যায়।
২. ক্লিনজার ব্যবহার করুন : এবার ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। এর আগে ময়লা হাত দুটো সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন। ত্বকে কোনো অ্যালার্জি সৃষ্টি করে না এমন একটি ক্লিনজার নিয়মিত ব্যবহার করবেন। গোটা মুখে ক্লিনজার লাগিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন।
৩. এক্সফোলিয়েট : দুই টেবিল চামচ পানিতে দুই টেবিল চামচ চিনি নিয়ে মেশাতে থাকুন। এতে আরো আধা টেবিল চামচ চিনি মেশান এবং নাড়তে থাকুন। এক সময় পাতলা পেস্টের মতো তৈরি হবে। এই পেস্ট গোটা মুখে লাগিয়ে আস্তে আস্তে টানা এক মিনিট ম্যাসাজ করুন। এটি এক্সফোলিয়েটের কাজ করবে।
৪. টোন : এবার মুখে টোন করার পালা। এক ফালি লেবু নিন। বিশ ফোঁটা রস চিপে আলাদা করুন। এবার দুটো আঙ্গুলের ডগায় রস মাখিয়ে তা মুখে লাগাতে থাকুন। ১০ সেকেন্ড লেবুর রস মুখে রাখুন এবং তারপর ধুয়ে ফেলুন।
৫. দ্বিতীয়বারের টোন : এবার যে লেবুর ফালি থেকে রস চিপে নিয়েছিলেন, তার ওপর আধা টেবিল চামচ মধু নিন। এবার মধুসহ লেবুর ফালিটি মুখে হালকাভাবে ঘষতে থাকুন। এ কাজটি টানা ৩০ সেকেন্ড করুন।
৬. লোমকূপ বন্ধ করুন : ওপরের ৫টি প্রক্রিয়ায় হালকা গরম পানি ব্যবহার করবেন। এতে লোমকূপ উন্মুক্ত অবস্থায় থাকবে। এবার স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে মুখ ধুতে থাকুন। এতে লোমকূপের গোড়া আবার বন্ধ হয়ে যাবে। মুখ মুছে এবং শুকিয়ে নেওয়ার পর ময়েশ্চার লোশন মেখে নিন।
৭. এ কাজটি সবচেয়ে জরুরি। তা হলো, ওপরের ৬টি প্রক্রিয়া প্রতিদিন করবেন। সামান্য সময়ের মধ্যে সামান্য কিছু উপাদানের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন সতেজ ত্বক।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গরুর গোশত খাওয়ার অভিযোগে দিল্লির এক গ্রামে ৫০ বছর বয়সী এক মুসলমানকে পিটিয়ে হত্যা করেছে উগ্র জনতা। আক্রমণে তার ২২ বছর বয়সী ছেলের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনডিটিভি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ডিএনএনসহ ভারতীয় গণমাধ্যম। ঘাতকদের পরিচয় সম্পর্কে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো কোনো তথ্য না দিলেও ধারনা করা যায় যে উগ্র হিন্দুরাই এ বর্বরোচিত হত্যায় জড়িত। পরিবারের জন্য গরুর গোশত কেনার অভিযোগ হিন্দু জঙ্গিরা মোহাম্মদ আখলাক এবং তার ছেলে দানিশকে বাড়ি থেকে বের করে এনে ইট দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। আখলাক ঘটনাস্থলেই মারা যান। তার ছেলের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী দিল্লি থেকে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার দূরে উত্তর প্রদেশের দাদরি গ্রামে। আখলাক এবং তার ছেলেকে টেনেহিঁচড়ে নেয়ার সময় দুর্বৃত্তরা তাদের ঘর তছনছ করে এবং নারীদের ওপর হামলা চালায়।
‘আমার স্বামীর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তারা মাথা গুড়িয়ে দেয়া হয়। তারা পরিবারের লোকজনে মারধর করে.. আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিল না,’ বলছিলেন আখলাকের স্ত্রী। পুলিশ না আসা পর্যন্ত তাদের মারধর করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আখলাকের মেয়ে সাজিদা আখলাক (১৮) বলেন, রাত ১০টার দিকে শতাধিক গ্রামবাসী এসে তাদের দরজা ভেঙে তারা বাবা ও ভাইকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধর শুরু করে। এর আগে পাশের একটি মন্দির থেকে ঘোষণা করা হয় যে আখলাকের পরিবার গরুর গোশত কিনেছে।
পুলিশ সেই মন্দিরের পুরোহিতকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দিয়েছে। সাজিদা বলেন, তাদের ফ্রিজে শুধু খাসির গোশত ছিল। পুলিশ সেই গোশত নিয়ে গিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। পেশায় কৃষক আখলাক তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই গ্রামে বাস করছিলেন। পুলিশ বলছে, গরুর গোশতের গুজব কিভাবে ছড়ালো তা তারা জানেন না। এদিকে দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারের পর উগ্র হিন্দুরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে।
স্পোর্টস ডেস্ক: লক্ষ্য বেশি নয়, মাত্র ১২৫। টি-২০ ক্রিকেটে যেটি হেসেখেলেই তাড়া করার কথা। কিন্তু সেই রান করতে গিয়ে রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠেছে বাংলাদেশ নারী দলের। পাকিস্তান নারী দলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের কারণে দুই ম্যাচ টি-২০ সিরিজের প্রথমটিতে ২৯ রানের বড় হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সালমা খাতুনের দল।
বুধবার করাচিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পাকিস্তান নারী দলের করা ৫ উইকেটে ১২৪ রানের জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রানেই আটকে যায় বাংলাদেশ নারী দল। ফলে ২৯ রানের সহজ জয় দিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল সানা মিরের দল।

বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে আয়েশা রহমান ২৩, ফারজানা হক ২৩ ও রোমানা রহমান করেন ২২ রান। শারমিন আক্তার (০), লতা মণ্ডল (৬) ও ফাহিমা খাতুন (১) ও সালমা খাতুন (৫) কেউই দুই অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। ফলে বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশ নারী দলকে।
পাকিস্তান নারী দলের হয়ে সাত বোলারের ছয়জনই উইকেটের দেখা পান। আনাম আমিন নেন সর্বোচ্চ দুটি উইকেট।এছাড়া সুমাইয়া সিদ্দিকী, সানা মির, বিসমাহ মারুফ, নিদা দার ও আলিয়া রিয়াজ একটি করে উইকেট লাভ করেন।
এর আগে বিসমাহ মারুফের হার না মানা ৬৫ রানের নান্দনিক ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৪ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান নারী দল। বিসমাহ মারুফের ৫৭ বলের ইনিংসটি ৫টি চারের সাহায্যে সাজানো। এছাড়া জাভেরিয়া খান ৪৩ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৪৪ রান করেন।
বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে নাহিদা আক্তার দুটি উইকেট লাভ করেন। একটি করে উইকেট নেন জাহানারা আলম ও ফাহিমা খাতুন। প্রসঙ্গত, দুই ম্যাচ টি-২০ সিরিজের পর দুই ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল।
নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর কূটনীতিকপাড়ায় গত সোমবার সন্ধ্যায় ইতালীয় নাগরিককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় শক্তিশালী চক্রের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অবশ্যই শক্তিশালী এক চক্র রয়েছে, তারা একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ কেবল বাংলাদেশে নয়, এটা এখন বৈশ্বিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।’
নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের অর্জিত অগ্রগতি জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয় ছাড়াও, সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী সাংবাদিকরা বর্তমান রাজনৈতিক ও স্থানীয় ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন।
এসময় ঢাকায় ইতালির একজন নাগরিকের হত্যাকাণ্ডে আইএসের দায় স্বীকার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিকাগো থেকে এক বার্তায় এই হত্যাকাণ্ডে আইএস সম্পৃক্ত বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এখনো কেউ এ দাবি করেনি। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাসী- জঙ্গিবাদে নয়। আমরা বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান চাই না। একজন বিদেশি নাগরিকের হত্যাকাণ্ডে আমরা খুবই ব্যথিত। এটা দুঃখজনক ঘটনা।’
একজন ইতালীয় নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের পর ঢাকাস্থ কয়েকটি দূতাবাস ঢাকায় অবস্থানকারী তাদের নাগরিকদের জন্য রেড অ্যালার্ট জারির ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেড অ্যালার্টের কোনো যৌক্তিকতা নেই। নাজমুল যখন নিউইয়র্কে নিহত হয়েছিলেন, সে সময় আমরা এ ধরনের কোনো রেড অ্যালার্ট দেখিনি।’
তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্কে কয়েক বছর আগে দু’জন বাংলাদেশের নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার রেড অ্যালার্ট জারি করেনি। অন্যান্য দূতাবাসগুলোও তাদের নাগরিকদের প্রতি এ ধরনের কোনো অ্যালার্ট জারি করেনি। আমি জানি না ঢাকায় দূতাবাসগুলো কেন এমনটা করলো।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের নাগরিকদের জন্য রেড অ্যালার্ট দেয়ার কী কারণ থাকতে পারে। আমি জানি না, তবে ওই ঘটনার পরপরই বিএনপির একজন নেতার সন্দেহজনক তৎপরতা দেখেছি। আমি মনে করি, ওই বিএনপি নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যাকাণ্ড রহস্যের উন্মোচন হতে পারে। দেশে ফিরে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবো।’
যথেষ্ট নিরাপত্তা না থাকার ‘অজুহাতে’ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর অনিশ্চিত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট টিম কেন বাংলাদেশ সফরে আসছে না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, অতীতে আমরা এ ধরনের ঘটনা দেখেছি। পাকিস্তান ও ভারতীয় দল বাংলাদেশে খেলেছে। এমন কি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আয়োজনও হয়েছিল এখানে। এটা সম্পূর্ণভাবে অষ্ট্রেলিয়ার ব্যাপার যে, কেন তারা বাংলাদেশে সফরে না আসার আকস্মিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অতীতে পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে অনেক ক্রীড়ানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এসব অনুষ্ঠানে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে অনেক দেশেই তা ঘটেছে- কিন্তু বাংলাদেশে নয়। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো যথেষ্ট দক্ষতা রয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের জনগণও খুবই সচেতন।’
এদিকে ধর্ম অবমাননার ব্যাপারে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ ধর্মীয় রীতি-নীতি অস্বীকার করলে এটা তার নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু কেউ ধর্ম বিশ্বাসীদের (আস্তিক) অনুভূতিতে আঘাত দিতে পারে না। যদি কারো ধর্মে বিশ্বাস না থাকে, তবে তিনি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করবেন না। কিন্তু অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া অগ্রহণযোগ্য। কারো এটা করা উচিৎ নয়। আমার চোখে এটা জঘন্য কাজ।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার পথ খুঁজছে। অন্যের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার ঘটনা চলতে থাকলে তা হবে একজন মানুষের সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন। আমাদের ধর্ম অবমাননা বন্ধে ব্যবস্থা নিতেই হবে। অন্যথায় এমন ঘটনা অব্যাহত থাকবে।’
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহিমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এম এ মানিক: বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ঢাকায় ইতালিয়ান নাগরিক হত্যা ঘটনার ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার বিএনপি ও জামায়াতের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। প্রায় নয় মাস পর বুধবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রায় ৯ মাস পর বুধবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তাকে শুভেচ্ছা জানান দলের নেতারা।
পরে কিছু দাপ্তরিক কাজ সেরে গণমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। অতিসম্প্রতি ঢাকায় ইতালিয়ান নাগরিক হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের সংকটের কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, ‘সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে বলেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।’ এই হত্যাকাণ্ডে বিএনপি-জামায়াতের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন মির্জা ফখরুল। অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে সরকার দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘সরকার ব্যর্থতা ঢাকতে অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে তার দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চাইছেন।’
জঙ্গিবাদ নিয়ে সরকারের অবস্থানেরও সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। এ বছরের ৬ই জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে বের হওয়ার সময় নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারের আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবশেষ এই কার্যালয়ে এসেছিলেন গত বছরের ডিসেম্বরে।
সূত্র: সময় টিভি
বিনােদন ডেস্ক: বহুল আলোচিত ঈদের ছবি ‘আশিকী’র ভালো ব্যবসা করছে না বলে জানা গেছে। আর ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের মুখে একটি হল থেকে সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই নামিয়ে ফেলা হলো আশিকী। জানা গেছে, ‘জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ‘আশিকী’ ছবিটি ব্যবসায়িক বিপর্যয়ের মুখে বুধবার ভোলার দৌলত খাঁর ‘আনন্দ’ সিনেমা হল থেকে নামিয়ে ফেলা হয়। ফারুক ওমর পরিচালিত ‘লাভার নাম্বার ওয়ান’ চালানো হচ্ছে। সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই কেন ছবিটি নামিয়ে নেওয়া হলো এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হলটির ম্যানেজার বলেন, ‘শুরুতে ছবিটি দেখতে দর্শকরা ভিড় জমালেও দর্শকরা ছবিটি পছন্দ করেনি বলে দর্শক সংখ্যা একেবারেই কমে যেতে থাকে।ফলে ছবিটি নামাতে বাধ্য হয়েছি।’

স্টাফ রিপোর্টার: ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যা মামলার অগ্রগতি বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, প্রত্যক্ষদর্শী আছে, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ আছে, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। শিগগিরই আমরা ভালো সংবাদ দিতে পারব বলে আশা করছি। বুধবার দুপুর আড়াইটায় সচিবালায়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।
বাংলাদেশে আইএস’র অস্তিত্ব না থাকা বিষয়ে ইতালির রাষ্ট্রদূত মারিও পালমা একমত পোষণ করেছেন বলে জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইতালির রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূত আমার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন। তিনিও ইতালির নাগরিক হত্যার ঘটনাকে অনিকাঙ্ক্ষিত বলে মত দিয়েছেন। আরও অনেক বিষয়ে কথা হয়েছে আমাদের, তিনি সব বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন।
ইতালির নাগরিক হত্যার ঘটনায় বিএনপি’র এক নেতাকে ধরে ইন্টারোগেশন করা উচিত- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জেনে, শুনে, বুঝেই বলেছেন। তিনি ঠিকই বলেছেন। এ ব্যাপরে আমার আর কিছু বলার নেই।‘শিগগিরই আমরা ভালো সংবাদ দিতে পারব’
স্টাফ রিপোর্টার: মোবাইল সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রথম পর্যায়ে প্রাহকরা ৬ মাস সময় পাচ্ছেন বলে জানিয়ে মোবাইলফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব)। একই সঙ্গে সংগঠনটি জানিয়েছে অনিবন্ধিত সিম সহসাই বন্ধ হওয়ার সম্ভবনা নেই। বুধবার গুলশানের অ্যামটব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, আগামী এক নভেম্বর থেকে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সব অপারেটরদের পরীক্ষামূলকভাবে সিম পুনঃনিবন্ধন শুরু হবে। এ কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ১৬ ডিসেম্বর; প্রাথমিকভাবে ৬ মাস এ কার্যক্রম চলবে । এরপর কী হবে- ছয় মাস পর তা ঠিক করা হবে বলে অ্যামটব মহাসচিব জানান।
নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবে পদদলনে নিহত হাজিদের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা ও স্বজনদের কাছে হস্তান্তর, হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রম আগামী ১২ নভেম্বরের মধ্যে সমাপ্ত হবে।
আজ বুধবার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. বোরহান উদ্দিন এ কথা জানিয়েছেন। ড. বোরহান বলেন, চিকিৎসাধীন হাজিদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য ব্যবস্থা নেবে সরকার। এ জন্য প্রয়োজনীয় খরচও বহন করা হবে। সৌদি আরবের স্থানীয় সময় গত সোমবার দিবাগত রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ জানান, মিনায় পদদলিত হয়ে ২৬ বাংলাদেশি হাজি নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৫২ বাংলাদেশি হাজি নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা এক হাজার ১০০-তে পৌঁছেছে। সৌদি আরব সরকার বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের কাছে নিহত হাজিদের ছবি দিয়েছে। এর আগে দেশটির পক্ষ থেকে নিহতের সংখ্যা জানানো হয়েছিল ৭৬৯ জন। আর আহতের সংখ্যা বলা হয়েছিল ৯৩৪ জন।