পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

বাগেরহাটে  ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৪

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে র‌্যাব ও কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সন্দেহভাজন চার বনদস্যু নিহত হয়েছে।1431064929

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ভাষ্যমতে, পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের চান্দেশ্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের তথ্যমতে, নিহত ব্যক্তিরা হলেন মনির, হাসান, গিয়াস ও এনাম। তাঁরা বনদস্যু ‘নয়ন বাহিনীর’ সদস্য। নিহত মনির দলের প্রধান ছিলেন। নিহত চারজনের বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেনি র‌্যাব।

র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফরিদুল আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনদস্যু নয়ন বাহিনীর অবস্থান জানতে পেরে যৌথ অভিযানে যায় র‌্যাব ও কোস্টগার্ড। এ সময় তাদের সঙ্গে বনদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চার বনদস্যুর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪৫০টি গুলি উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, নিহত চারজনের লাশ ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্র-গুলি শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on বাগেরহাটে  ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৪

১৫ মার্চের মধ্যে নগরবাসীকে তথ্য প্রদানের নির্দেশ

ঢাকা: ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে রাজধানীর বাড়ির মালিক, ভাড়াটেসহ নগরবাসীর সব তথ্য সরবরাহ করা ফরমে পূরণ করে থানায় জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন। ডিএমপি কমিশনার জানান, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে এসব তথ্য হালনাগাদ করে একটি ডেটাবেজে রাখা হবে। অন্য কোনো কাজে তা ব্যবহার করা হবে না।

DMP Commissioner
এ সময় নিরাপদ ঢাকা গড়তে নগরবাসীর সহায়তাও চান তিনি। মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রাজধানীর সব বাসায় ফরম পাঠানো হয়েছে। যারা এখনো ফরম পাননি, তারা থানায় যোগাযোগ করে ফরম সংগ্রহ করবেন। তিনি বলেন, কোনো বাড়িওয়ালা যদি ভাড়াটিয়াদের তথ্য জমা না দেন এবং এ সময়ের মধ্যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে বাড়িওয়ালাকে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। বিট পুলিশিংয়ের ব্যাপারে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিং এবং বিট পুলিশিং একই বিষয়। কমিউনিটি পুলিশকে আধুনিকায়ন করে বিট পুলিশ করা হয়েছে।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘মানুষ পুলিশকে বিশ্বাস করতে চায় না। কারণ মানুষের মধ্যে পুলিশভীতি আছে। সাধারণ মানুষ এবং পুলিশের মধ্যে দূরত্ব কমাতেই বিট পুলিশিং চালু করা হয়েছে। রাজধানীর ৪৯টি থানার প্রতিটিতে ৩ থেকে ৯টি করে মোট ২৮৭ টি বিট চালু করা হয়েছে।’ বিট পুলিশিং চালু হলে সমাজে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জঙ্গিবাদ নির্মূল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধীদের সম্পর্কে আমরা সহজেই তথ্য সংগ্রহ করতে পারব। প্রতিটি বাড়ির ড্রাইভার, গৃহকর্মী, কেয়ারটেকারদের সম্পর্কেও আমাদের কাছে তথ্য থাকবে। বিট পুলিশিং যদি আগে থেকেই চালু থাকতো, রাজধানীর বিভিন্নস্থানে জঙ্গিরা আস্তানা গাড়তে পারত না বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ১৫ মার্চের মধ্যে নগরবাসীকে তথ্য প্রদানের নির্দেশ

এ যেন ধর্ষকের সমর্থনে ধর্ষিতার আনন্দধ্বনি!

ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশী দর্শকদের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। খেলায় যেসব বাংলাদেশী পাকিস্তানের সমর্থনে পতাকা ওড়ান, তাদের প্রতি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, তাদের কি হাত কাঁপে না?

শনিবার রাতে ফেসবুকে দেয়া তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাসটি তুলে দেয়া হলো-
ভালো খেলার জন্য হাততালি দাও ঠিক আছে। আমি তো ভালো খেললে, সে যে দলই খেলুক, সাপোর্ট করি। বাংলাদেশের স্টেডিয়ামে এখন যে ভারত-পাকিস্তানের খেলায় পাকিস্তানের সমর্থনে বাংলাদেশি দর্শকরা আনন্দে চিৎকার করছে, কেন করছে? পাকিস্তান ভালো খেলছে বলে? নাকি ভালো খেলুক বা না খেলুক, দলটি পাকিস্তান বলে? দলটি পাকিস্তান বলে যারা সমর্থন করছে, আমার খুব জানতে ইচ্ছে, তারা কি একাত্তরের মিত্র-দেশকে না করে জেনে বুঝে শত্রু-দেশকে সমর্থন করছে?Taslima_Nasrin_par_Claude_Truong-Ngoc_novembre_2013

খেলার সঙ্গে রাজনীতি মেশানোর কোনও ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু দেশকে সমর্থন করতে গেলে প্রশ্ন ওঠে দেশটির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ঠিক কী রকম। নতুন প্রজন্ম না হয় একাত্তরের যুদ্ধ দেখেনি, কিন্তু শুনেছে বা পড়েছে তো যুদ্ধ সম্পর্কে। এখনও তো অর্ধ শতাব্দিও পার হয়নি তিরিশ লক্ষ মানুষকে খুন করে গেছে ওরা, দু’ লক্ষ মেয়েকে ধর্ষণ করে গেছে। জানি পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ বা ক্রিকেটাররা খুন বা ধর্ষণ করেনি, করেছে পাকিস্তানি সেনার দল। কিন্তু সাধারণ মানুষ বা ক্রিকেটাররা কি একাত্তরে তাদের দেশের ভূমিকার জন্য লজ্জিত, দুঃখিত, ক্ষমাপ্রার্থী? মনে হয় না।

আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে,পাকিস্তানকে সমর্থন করতে গেলে, ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলতে গেলে, বা পাকিস্তানের পতাকা ওড়াতে গেলে বাংলাদেশের মানুষদের একটুও কি বুক কাঁপে না, কণ্ঠ কাঁপে না, হাত কাঁপে না?

আনন্দ ধ্বনি শুনে আমার মনে হচ্ছিল এক ধর্ষিতা নারী আনন্দ ধ্বনি করছে তার ধর্ষকের সমর্থনে।

Posted in নির্বাচিত কলাম | Comments Off on এ যেন ধর্ষকের সমর্থনে ধর্ষিতার আনন্দধ্বনি!

এক ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬৭৭.৮০ টাকা!

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী লে: কর্ণেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খানের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান সামিট মেঘনাঘাট কেন্দ্র থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসে ইউনিট প্রতি ৬৭৭ টাকা ৮০ পয়সা দর দিয়ে বিদ্যুত কিনেছে বাংলাদেশ সরকার।0,,15890432_303,00 (1)
এছাড়া ওই অর্থবছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ কেনায় ইউনিটপ্রতি খরচ হয় যথাক্রমে ৩০ টাকা ৬৫ পয়সা, ৩২ টাকা ৩৮ পয়সা, ৩৪ টাকা ৭০ পয়সা ও ৪১ টাকা ২০ পয়সা। তবে অর্থবছরের পরের ছয় মাস (জানুয়ারি-জুন) কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ কেনায় ব্যয় কিছুটা কম হয়।
জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সামিট মেঘনাঘাট কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনা হয় ৪৭ কোটি ৬০ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা। এতে ব্যয় হয় ১ হাজার ৪১৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে ইউনিটপ্রতি গড় দাম পড়ে ২৯ টাকা ৭৭ পয়সা।
তবে শুধু সামিট নয়, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বেসরকারি বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে অনেক বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনছে সরকার। অন্যদিকে সেই বিদ্যুত পিডিবির কাছ থেকে সাড়ে ৫ টাকার কিছু বেশি দরেকিনে গ্রাহক পর্যায়ে ৬-১০ টাকা দরে বিক্রি করছে বিতরণ কোম্পানিগুলো।
সূত্র জানায়, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দৈনিক মেগাওয়াটপ্রতি ৭০০ ডলার ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয় পিডিবিকে। চুক্তি অনুযায়ী, বছরে ১০ শতাংশ সময়ে ওভারহোলিংয়ের কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকলেও এ চার্জ পরিশোধ করতে হয়। আবার চাহিদা না থাকলে কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ কেনা না হলেও এ চার্জ দিতে হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় উৎপাদন তথা অপারেশন চার্জ ইউনিটপ্রতি এক-দেড় টাকা। এছাড়া ডিজেলচালিত কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা (প্লান্ট ফ্যাক্টর) অনেক কম। আবার জ্বালানি ব্যবহারেও দক্ষতা (ফুয়েল ইফিশিয়েন্সি) কম। সব মিলিয়ে বেসরকারি খাতে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি পড়ে।
ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশ এনার্জি থেকে গত অর্থবছর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামে বিদ্যুৎ কেনে পিডিবি। সিদ্ধিরগঞ্জের ডিজেলচালিত ভাড়াভিত্তিক ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্রটি থেকে ওই সময় বিদ্যুৎ কেনা হয় ১৮ কোটি ৩৭ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা। ইউনিটপ্রতি দাম পড়ে ২৫ টাকা ৮৯ পয়সা। এ কেন্দ্রও ডিসেম্বরের বড় একটা সময় বন্ধ ছিল। ওই মাসে মাত্র ২৭ লাখ ২০ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এতে ডিসেম্বরে কেন্দ্রটির ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম পড়ে ১০০ টাকার বেশি।
খুলনার ভাড়াভিত্তিক এগ্রিকো পাওয়ার থেকে গত অর্থবছর বিদ্যুৎ কেনায় ইউনিটপ্রতি দাম পড়ে ২৪ টাকা ৫৫ পয়সা। ৫৫ মেগাওয়াটের ভাড়াভিত্তিক ডিজেলচালিত কেন্দ্রটি থেকে ওই সময় কেনা হয় ৮ কোটি ৭৪ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ। এ কেন্দ্রও গত অর্থবছরের ডিসেম্বরে বেশির ভাগ সময় বন্ধ রাখা হয়। ওই মাসে কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা। ফলে ওই সময় কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ছিল ১১০ টাকার মতো।
একই অবস্থা ভাড়াভিত্তিক আরজেড পাওয়ার ও ডিপিএ পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের। ডিজেলচালিত ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কেন্দ্র দুটি যথাক্রমে ঠাকুরগাঁও ও ঢাকার অদূরে পাগলায় অবস্থিত। আরজেড পাওয়ার থেকে গত অর্থবছর বিদ্যুৎ কেনা হয় ৪ কোটি ৫৭ লাখ ও ডিপিএ পাওয়ার থেকে ১২ কোটি ২৮ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা। এতে ইউনিটপ্রতি ব্যয় হয় যথাক্রমে ২৪ টাকা ৪৪ পয়সা ও ২৩ টাকা ৮৯ পয়সা।
ফার্নেস অয়েলচালিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে সিনহা পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির আমনূরা প্লান্টটি। চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত ভাড়াভিত্তিক ৫০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি থেকে গত অর্থবছর ১৫ কোটি ২৮ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ কেনা হয়। ইউনিটপ্রতি দাম পড়ে ১৮ টাকা ৭৫ পয়সা। এর পর রয়েছে রাজধানীর উপকণ্ঠে কাটাখালীতে স্থাপিত নর্দার্ন পাওয়ার। ভাড়াভিত্তিক ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফার্নেস অয়েলচালিত কেন্দ্রটি থেকে গত অর্থবছর বিদ্যুৎ কেনা হয় ১৫ কোটি ৫০ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা। ইউনিটপ্রতি দাম পড়ে ১৮ টাকা ৪৩ পয়সা।
বেশি দামে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ফার্নেস অয়েলচালিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে পরের তিনটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে নাটোরের রাজলংকা পাওয়ার, হরিপুরের এনইপিসি কনসোর্টিয়াম বাংলাদেশ লিমিটেড ও গাজীপুরের আরপিসিএল। ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র তিনটির উৎপাদনক্ষমতা যথাক্রমে ৫০, ১১০ ও ৫২ মেগাওয়াট। কেন্দ্র তিনটি থেকে গত অর্থবছর বিদ্যুৎ কেনা হয় যথাক্রমে ১৮ কোটি ৪৮ লাখ, ৩৯ কোটি ৬৯ লাখ ও
১৭ কোটি ৯৯ লাখ কিলোওয়াট ঘণ্টা। ইউনিটপ্রতি ব্যয় হয় যথাক্রম ১৭ টাকা ২৭ পয়সা, ১৬ টাকা ৬৫ পয়সা ও ১৬ টাকা ৬১ পয়সা।
জানতে চাইলে পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) খালেদ মাহমুদ বলেন, ডিজেলচালিত কেন্দ্রগুলোর বিদ্যুতের দাম তুলনামূলক বেশি হয়। কারণ কেন্দ্রগুলোর প্লান্ট ফ্যাক্টর কম। চাইলেও এগুলো ৫০ শতাংশ সময় চালানো সম্ভব নয়। এছাড়া ডিজেলের উচ্চমূল্যও বিদ্যুতের দাম বেশি হওয়ার আরেকটি কারণ। এর সঙ্গে ক্যাপাসিটি চার্জ তো আছেই। তবে ডিজেলচালিত রাষ্ট্রায়ত্ত কেন্দ্রেও ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ২৬-২৭ টাকাই পড়ে।
উল্লেখ্য, উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লান্ট ফ্যাক্টর এনইপিসির। গত অর্থবছর এটি ৪১ দশমিক ১৯ শতাংশ সময় চালু ছিল। এর পর রয়েছে রাজলংকা পাওয়ার ৪০ দশমিক ৫৬, নর্দার্ন পাওয়ার ৩৫ দশমিক ৩৮ ও সিনহা পাওয়ারের ৩৪ দশমিক ৮৯ শতাংশ। বাকিগুলোর প্লান্ট ফ্যাক্টর ২০ শতাংশ বা তার চেয়েও কম। সূত্র: বণিক বার্তা

Posted in ব্যবসা-অর্থনীতি | Comments Off on এক ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬৭৭.৮০ টাকা!

একই পরিবারের ১৪ জনকে হত্যা করে গৃহকর্তার আত্মহত্যা

ভারতের মহারাষ্ট্রের থানেতে পরিবারের ১৪ সদস্যকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। রবিবার সকালে নিজ বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান তিনি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সন্দেহভাজন হত্যাকারীর নাম হাসান আনোয়ার ওয়াড়েকর (৩৫)। নারীদের মধ্যে হাসানের স্ত্রীও রয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে সাতটি শিশু ও ছয়জন নারী রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ৩২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ও পরে গলা কেটে তাদের হত্যা করেন।090513201602280830529342_Man-committed-suicide-after-killing-14-members-of-his-family_SECVPF.gif

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, নিজ পরিবারের ১৪ জন সদস্যকে হত্যার পর হত্যাকারী ফাঁসিতে ঝুলেছেন। হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি। সৌভাগ্যক্রমে ওই পরিবারের একজন নারী সদস্য হামলা শিকার হয়েও বেঁচে গেছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারী ওই ব্যক্তিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তার হাতে একটি ছুরি ছিল। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, সবাইকে অচেতন করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সন্দেহভাজন হত্যাকারীকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর হাতে একটি ছুরি ছিল। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানায়, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে পরিবারের একে একে ১৪ জনকে গলাকেটে হত্যা করে ওই আত্মঘাতী। তবে, আঘাত পেলেও বেঁচে গেছেন এক নারী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ১৪ জনের নিথর মরদেহ উদ্ধার করে। সেসময় হত্যাকারীর ঝুলন্ত মরদেহও উদ্ধার করা হয়। আর পরিস্থিতি তাকে বদলাতে বাধ্য করে।

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on একই পরিবারের ১৪ জনকে হত্যা করে গৃহকর্তার আত্মহত্যা

কুমিল্লায় বাস উল্টে নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ফটকের সামনে সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে যাত্রীবাহী বাস উল্টে তিনজন নিহত হয়েছে। আজ রোববার ভোর পৌনে চারটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ৯ জন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসকেরা।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন, ওমর ফারুক (২৯) ও মাজেদা আক্তার (৬০)। তাঁদের মধ্যে ওমরের বাড়ি লাকসামে ও মাজেদার বাড়ি চৌদ্দগ্রামের কৃষ্ণপুর গ্রামে।

চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।COMILLA

Posted in সারা দেশ | Comments Off on কুমিল্লায় বাস উল্টে নিহত ৩

দুই ছেলের পর বাবারও চলে গেলেন, মা’র অবস্থা সঙ্কটাপন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরায় বাড়ির রান্নাঘরের আগুনে দুই শিশুর মৃত্যুর পর তাদের বাবাও মারা গেছেন; অগ্নিদগ্ধ মাও সঙ্কটাপন্ন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। শুক্রবারের এই অগ্নিকাণ্ডে এই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছিলেন। তিন ছেলের অন্যজন দগ্ধ হলেও চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। গৃহকর্তা মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ (৫০), তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (৪০), তিন ছেলে শাহালিন বিন শাহনেওয়াজ (১৫), জারিফ বিন শাহনেওয়াজ (১১) ও জায়ান বিন শাহনেওয়াজকে (দেড় বছর) দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়েছিল।1456485828

শরীরের ৯৫ শতাংশ পোড়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শাহনেওয়াজের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন বলে শনিবার দুপুরেও চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের আবাসিক সার্জন পার্থ শঙ্কর পাল বলেন, শাহনেওয়াজেরও মৃত্যু হয়েছে। শরীরের ৯০ ভাগ পোড়া নিয়ে সুমাইয়া হাসপাতালে রয়েছেন। তার অবস্থাও ক্রিটিকাল বলে জানান ডা. পার্থ শঙ্কর পাল। দেড় বছরের জায়ান এবং ১৫ বছরের শাহালিন শুক্রবার বিকালে এক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যান।

সকালে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি সাততলা ভবনের সপ্তম তলার ফ্ল্যাটে রান্নাঘরের আগুনে এই পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। মেজ ছেলে জারিফকে শুক্রবারই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। দুই ভাইয়ের মৃত্যু এবং মা-বাবার খবর তাকে জানানো হয়নি বলে তার চাচা কামরুল হাসান দুপুরেই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান। পরিবারের অন্য সবাইকে নিয়ে হাসপাতালে থাকা কামরুল বলেন, “সে বারবার বলছে, বাবার কাছে যাব, মায়ের কাছে যাব।”

এক আগুনে বাবা-দুই ভাইকে হারানো জারিফ এখন মুগদায় তার মামার বাসায় রয়েছেন বলে জানান তার চাচা। শাহনেওয়াজ তার দুই সন্তানের মৃত্যুর খবর জানার পর নিজের মৃত্যুর আঁচও পেয়েছিলেন বলে তার ভাগ্নে (ফুফাত বোনের ছেলে) সাকিব জানিয়েছিলেন।

দুই ভাতিজার মৃত্যু স্মরণ করতে গিয়ে কেঁদেই ফেলেন তিনি। “ওদের সারা শরীর ফুলে গিয়েছিল। আহ, ওরা মরে গিয়েও শান্তি পাইল না।” সাকিব বলেন, “মামা (শাহনেওয়াজ) বুঝতে পেরেছেন, তার ছেলেরা মারা গেছেন। মামা বলেছেন, মামি বরিশালের তার মায়ের কাছে কবর চান। তাকেও যেন সেখানে কবর দেওয়া হয়।”

দুপুরে সাকিব এই কথা বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শাহনেওয়াজের মৃত্যুর খবর আসে। শাহনেওয়াজের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রকৌশল বিভাগে মেইনটেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করতেন তিনি। শাহনেওয়াজের সপরিবারে আগামী বছরই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর কথা ছিল বলে তার ভাই কামরুল জানান।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি উত্তরার ওই ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন শাহনেওয়াজ। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা, ওই বাসার গ্যাসের চুলা বা লাইনে সমস্যা ছিল। এর ফলে গ্যাস বের হয়ে রান্নাঘর থেকে পুরো ফ্ল্যাটে ছড়িয়ে যায় এবং সকালে চুলা জ্বালাতে গিয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।কামরুল দুপুরে হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, চুলার গ্যাসের লাইন লিক থাকায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। বাড়িওয়ালাসহ কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভাই আগে সুস্থ হোক, পরে সংবাদ সম্মেলন করে সব কথা জানাব।” কামরুল শুক্রবার রাতে থানায় অভিযোগ করলে একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়া হয় বলে জানান উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি আলী হোসেন।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চুলার গ্যাসের লাইন লিক করে সারা বাড়িতে তা ছড়িয়ে পড়েছিল। কারণ বাড়ির দরজা-জানালা ছিল বন্ধ। সকালে সুমাইয়া নাস্তা তৈরি করতে গিয়ে চুলায় আগুন দিতে গেলেই বিস্ফোরণ ঘটেছিল। বিস্ফোরণে বাড়ির দরজাও পুলিশ গিয়ে ভাঙা পায়।

নগরবাসীর প্রতি এই পুলিশ কর্মকর্তার পরামর্শ, “নতুন বাসায় উঠার সময় ওই বাড়ির বিদ্যুৎ ও গ্যাসের লাইন পরীক্ষা করে দেখে নিন। বাড়ির মালিকরা যেন তাদের বাড়িতে প্রয়োজনীয় হাসপাতালের নাম ও ঠিকানা লিখে রাখে।”

Posted in জাতীয় | Comments Off on দুই ছেলের পর বাবারও চলে গেলেন, মা’র অবস্থা সঙ্কটাপন্ন

বৃক্ষমানব আবুলের দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৃক্ষমানব আবুল বাজনদারের ডান হাতে দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার আজ শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে গত শনিবার আবুল বাজনদারের ডান হাতে পাঁচটি আঙুলেই অস্ত্রোপচার করা হয়। আজ ডান হাতের কবজির ওপরের দিকে এবং হাতের তালু অংশে অস্ত্রোপচার করা হয়।12742102_1085735931490351_5359066466733440776_n

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান আবুল কালামের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল আবুল বাজনদারের দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করেন। দুপুর সোয়া ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এই অস্ত্রোপচার হয়। অস্ত্রোপচার শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, আজ আবুল বাজনদারের ডান হাতের কবজির ওপরের দিকে এবং তালুর অংশে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁদের ধীরে ধীরে এগোতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, আবুল বাজনদারের ১৩ থেকে ১৫টি অস্ত্রোপচার করতে হবে।
আবুল বাজনদার গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হন। ট্রি-ম্যান সিনড্রোমে ভোগা আবুল বাজনদার দারিদ্র্যের কারণে এত দিন সুচিকিৎসা পাননি। গত শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁর ডান হাতটি থেকে শিকড়ের মতো বৃদ্ধি পাওয়া অংশগুলো অস্ত্রোপচার করে বাদ দিয়েছেন। এখন পর্যন্ত চিকিৎসকদের আশা, আবুল বাজনদার সেরে উঠবেন।
চিকিৎসকেরা বলছেন, আবুল বাজনদারসহ বিশ্বে এখন পর্যন্ত এ ধরনের চারজন রোগীকে শনাক্ত করা গেছে। গণমাধ্যমে আসা ইন্দোনেশিয়ার বৃক্ষমানব গত ৩০ জানুয়ারি মারা গেছেন।

চিকিৎসকদের ধারণা, আবুল বাজনদার ‘এপিডার্মোডিসপ্লাসিয়া ভেরাসিফরমিস’ রোগে আক্রান্ত। রোগটি ‘ট্রি-ম্যান’ (বৃক্ষমানব) সিনড্রম নামে পরিচিত। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এ রোগ হয়। ১০ বছর ধরে আবুল এই রোগে ভুগছেন। তাঁর হাত ও পায়ের আঙুলগুলো গাছের শিকড়ের মতো হয়ে গেছে এবং দিনে দিনে তা বাড়ছে।

চিকিৎসক আবুল কালাম জানান, আবুলের বায়োপসি পরীক্ষায় ক্যানসারের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তাঁরা অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যের চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on বৃক্ষমানব আবুলের দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

কাউন্সিলের পর সরকার হটাও আন্দোলন: হাফিজ

ঢাাক: বিএনপির কাউন্সিলে পদে পদে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, পদ-পদবির লোভে নয়, বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এবং নির্দেশনায় কাউন্সিলের পর ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে মাঠে নামা হবে।

resize58056
আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জিয়া নাগরিক ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় হাফিজ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত কাউন্সিল অনুষ্ঠানের জন্য ভেন্যু পাইনি। কারণ সরকার সমর্থকরা আমাদের বিভিন্নভাবে বাধা দিচ্ছে।

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, এ পর্যন্ত ১১৪টি ইউপি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের নামে নাটক ও প্রহসন হচ্ছে। জবরদখলের ধারাবাহিকতার এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
বিচারালয়ে ন্যায় বিচার হওয়া নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে হাফিজ বলেন, বিচার বিভাগের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে ফারাক আছে।
সংগঠনের সভাপতি মিয়া মো. আনোয়ার আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। উৎসঃ ঢাকাটাইমস

Posted in রাজনীতি | Comments Off on কাউন্সিলের পর সরকার হটাও আন্দোলন: হাফিজ

মুক্তি পেলেন ‘মুন্নাভাই’

বিনােদন ডেস্ক: কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ, বাঁ হাতে বুকের কাছে ধরা ফাইল। পুণের ইয়েরওয়াড়া জেলের বাইরে এসে জেলের দিকে ঘুরে মাটিতে হাত ছুঁয়ে প্রণাম করলেন। তার পরে স্যালুট।sanjay-dutt

৪ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের সাজা কাটিয়ে জেল থেকে মুক্তি পেলেন সঞ্জয় দত্ত। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ পুণের ইয়েরওয়াড়া জেল থেকে বেরিয় গাড়িতে করে সোজা বিমানবন্দরে পৌঁছান এই অভিনেতা।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখান থেকে চার্টাড বিমানে করে মুম্বই গিয়ে প্রথমেই সিদ্ধিবিনায়ক মন্দির হয়ে মায়ের সমাধিস্থলে যাবেন সঞ্জুবাবা। তারপরে বাড়ি ফিরবেন তিনি। মুক্তির সময় থেকেই তার সঙ্গে রয়েছেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি।

মুম্বাই বিমানবন্দরে ছোট্ট প্রতিক্রিয়াতে পাশে থাকার জন্যে ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুন্নাভাই। ভাল আচরণের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদের ১০৫ দিন আগেই মুক্তি পেলেন অস্ত্র আইনে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় দত্ত।

১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে জড়িতদের কাছ থেকে বেআইনি অস্ত্র কেনার দায়ে পাঁচ বছরের সাজা হয় সঞ্জয় দত্তের।

১৯৯৬ সালে কারাদন্ড দেওয়া হয় সঞ্জয়কে। দেড় বছর জেল খেটে জামিনে মুক্তি পান তিনি। ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাকে পাঁচ বছরের সাজা পূর্ণ করার আদেশ দেন। এরপর থেকে ৪২ মাসের সাজা ভোগ করছিলেন তিনি।

তবে বারবার প্যারোলে সঞ্জয়ের মুক্তি বিতর্কিত হয়েছে। ২০১৩ সালের অক্টোবরে ১৪ দিনের ছুটি পেয়ে পরে আরও সাতদিন তা বাড়িয়ে নেন তিনি। পরের বছরের জানুয়ারিতে প্যারোলে এক মাসের ছুটি মেলে তার। পরে তা আরও ৩০ দিন বাড়িয়ে নেন পর্দার ‘মুন্নাভাই’।

Posted in বিনোদন | Comments Off on মুক্তি পেলেন ‘মুন্নাভাই’

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud