May 2, 2026
ঢাকা: ‘আমাকে আর একবার মা ডাকল না। আর একটিবার যদি মা ডাকতো। বাবা আমার, সকালে কথা বলে অফিসে চলে গেল, আর ফিরল না। আমি অনেক ধৈর্য ধরেছি। আর বাঁচতে চাই না।’ ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে নিহত মেজর মিজানুর রহমানের বৃদ্ধা মা কহিনূর বেগম ছেলের কবরের পাশে এভাবে স্মৃতিচারণ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। বৃহস্পতিবার সকালে বড় ছেলে লে. কর্নেল ফেরদৌসের কাঁধে ভর দিয়ে মিজানুরের ছোট ছেলে ফারজিন রহমান সামিকে (১০) সঙ্গে নিয়ে বনানী করবস্থানে ছেলের কবর জিয়ারত করতে আসেন এই মা। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নাতি সামিকে বুকে জড়িয়ে বারবার ছেলেকে মিজান মিজান বলে ডাকছিলেন আর বলছিলেন, ‘দেখো তোমার সামি কত বড় হয়েছে। সে এখন স্কুলে যায়। তুমি থাকলে কত খুশি হতে। তুমি কিছুই দেখতে পারলে না। আমি এই যন্ত্রণা আর সহ্য করতে পারছি না।’
কহিনূর বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার দিন সকালে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগে আমাকে বলে, মা তুমি সামিকে দেখ। এরপর আমার বাবা আমাকে আর মা ডাকল না। আর কথা বলল না। সামির বয়স তখন তিন। এখন সামি স্কুলে যায়। কিন্তু মিজান কিছুই দেখতে পেল না।’ এরপর তিনি আবার কান্নায় ভেঙে পড়েন। মেজর মিজানুরের বড়ভাই সেনাবাহিনীতে কর্মরত লে. কর্নেল ফেরদৌস।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী সদরে। দেশপ্রেম থেকেই সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছি। মিজান আমার ছোট। ঘটনার আটমাস আগে ওর স্ত্রী রেবেকা ফারহানা রোজী মারা যায়। তাদের দুই ছেলে। বড় ছেলে তাহসিন রহমান রামি (১৫) ও ছেটে ছেলে ফারজিন রহমান সামি (১০)। বড়ছেলে এবার মির্জাপুর ক্যাটেড কলেজ থেকে এসএসসি দিচ্ছে। ছোট ছেলে সামি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। আমিই এখন দুই ছেলের দেখাশোনা করি। ছোট ছেলেটা মায়ের কাছে থাকে।’
তিনি বলেন, ‘ছেলে দুটির মুখের দিকে তাকালে পৃথিবী অন্ধকার হয়ে যায়। ওদেরতো কেউ নেই। বাবা-মা সব আল্লাহ নিয়ে গেছে। আমার বৃদ্ধা মা এই কষ্ট কীভাবে সহ্য করবেন?’
এক স্বজনের বিলাপতাদের পাশেই শহীদ মেজর মমিনুল ইসলাম সরকারের বাবা ও বোন বিলাপ করছিলেন। মেয়েদের নিয়ে ছেলের কবর জিয়ারত করতে এসেছেন বাবা মফিজুল ইসলাম সরকার। ছেলের মেধা, বুদ্ধি ও চাকরির সফলতা তাকে গর্বিত করেছিল। অক্সফোর্ড ডিকশনারি মুখস্থ করে ফেলায় সেনাবাহিনীতে তিনি ডিকশনারি মমিনুল নামে পরিচিত ছিলেন বলে এই বাবা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান।
মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ছেলেটা এতো মেধাবী ছিল, আমি নিজেও অবাক হতাম। তাকে আমি কম পড়তে বলতাম। কিন্তু সে বলত সমস্যা নেই বাবা।’
বিচারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা বিচারে তাদের ফাঁসি হবে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিচার আমার কাছে মূল বিষয় না। আমার প্রশ্ন হলো, এটা কার উসকানিতে, কে বলল এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে? আমি তা জানতে চাই। ছেলে হত্যার বিচার পাবো, এটা আমার আশা।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে শহীদ হওয়ার ১২ দিন পর তার একটি ছেলে হয়। তার নাম সাদবাত ইবনে মমিন (৭)। সে এখন তার মায়ের সঙ্গেই থাকে। আমি বৃদ্ধ মানুষ এখনও বেঁচে আছি অথচ আমার ছেলেটা নেই। আমার নাতিটা এতিম হয়েই জন্ম নিয়েছে।’
শহীদ কর্নেল গুলজার উদ্দিন আহমেদের বড়বোন দিলরুবা খাতুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিচারের রায় হয়েছে। তা দ্রুত এখন কার্যিকর করা দরকার। আমরা বিচারকাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।’
অশ্রুভেজা প্রার্থনাবিদ্রোহের পর পিলখানার গণকবর থেকে তৎকালীন মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৩৮ সেনা কর্মকর্তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই গণকবরে পাওয়া যায় মেজর মোস্তফা আসাদুজ্জামানের মৃতদেহ। বৃহস্পতিবার বনানী কবরস্থানে আসেন তার মা রাজিয়া জামান ও বড়বোন হোসনে আরা পারভীন। মোস্তফার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মা-বোনের কান্নায় কবরস্থানের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
বোন পারভিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার ভাইটা মিশনে ছিল। মিশন থেকে ফিরে বিডিআরের খাগড়াছড়িতে পোস্টিং পায়। ঘটনার আগের দিন তাকে মেইল করে বিডিআরের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বলা হয়। এরপর সে আসে। আমাকে একটি বাসা ঠিক করে দিয়েছিল। ২৩ ফেব্রুয়ারি আমার সঙ্গে কথা হয়। এরপর ঘটনার দিন মা ফোন করে জানায় পিলখানায় ঝামেলা হয়েছে। আমি প্রথমে বিশ্বাস করিনি। পরে ভাইয়ের মোবাইলে ফোন বন্ধ পাই। ২৭ ফেব্রুয়ারি গণকবর থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘কবে বিচার পাবো তা জানি না। তবে এর বিচার হওয়া দরকার। ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা দরাকার।’
শহীদ মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছোট বোন রুবিনা নেসা নিনি কবর জিয়ারত করে বলেন, ‘এর নেপথ্যে কারা তা জানা দরকার। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
শহীদদের প্রতি সম্মান জানানো হয়বনানী কবরস্থানে বিডিআর বিদ্রোহে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, ‘বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় যারা সাজা পেয়েছেন, তারাই মূলত এর সঙ্গে জড়িত। একটু ধীরগতিতে চললেও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আমি সন্তুষ্ট।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আজিজ আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে যথেষ্ঠ চেষ্টা করা হয়েছে এর নেপথ্যে আর কেউ আছে কিনা, তা খুঁজে বের করার। যতটুকু উদঘাটন হয়েছে তার বাইরে আর কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না।’
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন। বিদ্রোহী সদস্যদের হাতে বিডিআর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদও নিহত হন। বিদ্রোহীদের হাত থেকে রেহাই পাননি ডিজির স্ত্রী, বাসার কাজের মেয়ে ও বেড়াতে আসা আত্মীয়-স্বজনও।
উৎসঃ বাংলা ট্রিবিউন
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪
বিনোদন প্রতিবেদক: মৌসুমী-ফেরদৌস ও মিমচূড়ান্ত হয়েছে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪’-এর পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম। জুরি বোর্ডের সদস্যদের বাছাই শেষে মনোনীত ব্যক্তিদের নাম পাঠানো হয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে। ২৪ ফেব্রুয়ারি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মরতুজা আহমদ এতে স্বাক্ষরও করেছেন। ২০১৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে মুরাদ পারভেজের ‘বৃহন্নলা’। একই ছবির জন্য সেরা কাহিনিকার ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবেও দুটি বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন মুরাদ পারভেজ। আর সেরা অভিনেতা হয়েছেন ফেরদৌস (এক কাপ চা)। যৌথভাবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন মৌসুমী (তারকাঁটা) ও মিম (জোনাকীর আলো)।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব জানা গেছে।
..জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের এবারের আসরে ‘মেঘমল্লার’ ছবির জন্য সেরা পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জাহিদুর রহিম অঞ্জন। ‘দেশা দ্য লিডার’ ছবির গানের জন্য সেরা গায়ক নির্বাচিত হয়েছেন জেমস। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘরে তুলতে যাচ্ছেন। যৌথভাবে সেরা গায়িকা নির্বাচিত হয়েছেন রুনা লায়লা (প্রিয়া তুমি সুখী হও) ও মমতাজ (নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ)। ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ ছবির জন্য সেরা সংগীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার ও রূপসজ্জা শিল্পী নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে সাইম রানা, মাসুদ পথিক, বেলাল খান ও আবদুর রহমান।
সেরা গায়ক ছাড়াও ‘দেশা দ্য লিডার’ ছবির জন্য এ বছর সেরা খল চরিত্রে নির্বাচিত হয়েছেন তারিক আনাম খান। একই ছবির জন্য সেরা চিত্রনাট্যকার সৈকত নাসির ও সেরা সম্পাদক হয়েছেন তৌহিদ হোসেন চৌধুরী। আর বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের খল চরিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে পরিচিত মিশা সওদাগর এবার পেয়েছেন সেরা কৌতুক অভিনয়শিল্পীর পুরস্কার। সানিয়াত হোসেন পরিচালিত ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ ছবির জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন মিশা। সেরা পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে ‘তারকাঁটা’ ছবির জন্য এজাজুল ইসলাম ও ‘৭১ এর মা জননী’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নিয়েছেন চিত্রলেখা গুহ।
‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪’-এর এবারের আসরে মোট ২৬টি বিভাগে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। পুরস্কার পাওয়া অন্যদের মধ্যে আছেন সেরা চিত্রগ্রাহক মোহাম্মদ হোসেন জেমী, সেরা শিশুশিল্পী আবির হোসেন অংকন (বৈষম্য), সেরা শিল্প নির্দেশক মারুফ সামুরাই (তারকাঁটা), সেরা শব্দগ্রাহক রতন পাল, শিশুশিল্পী বিশেষ শাখায় পুরস্কার মারজান হোসাইন জারা (মেঘমল্লার) ও শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা কনক চাঁপা চাকমা (জোনাকীর আলো)।
এ ছাড়াও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪ তে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পাচ্ছেন সৈয়দ হাসান ইমাম ও রাণী সরকার। খুব শিগগিরই একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর আপিল আবেদনের রায় আগামী ৮ মার্চ। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজ দুই পক্ষের শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করেন।
বেঞ্চের অপর চার সদস্য হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
আজ মীর কাসেমের পক্ষে শুনানি করেন তার প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
খন্দকার মাহবুব আদালতে বলেন, অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হলে কাউকে সাজা দেয়া ঠিক না। মীর কাসেম আলী কোন অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কে প্রমাণিত হয়নি। ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রামে ছিলেন না, ছিলেন ঢাকায়। এ বিষয়গুলি বিবেচনায় নিয়ে তিনি মীর কাসেমের খালাসের আর্জি জানান।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, মীর কাসেম ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন। তাই চট্টগ্রাম জামিল হোটেল সংঘটিত অপরাধের দায় তিনি এড়াতে পারেন না। অ্যাটর্নি জেনারেল তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখার আবেদন জানান।
২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মীর কাসেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন তিনি। দেড়শ পৃষ্ঠার মূল আবেদন ও এক হাজার ৭৫০ পৃষ্ঠার নথিপত্রসহ করা আপিলে মীর কাসেম সাজা বাতিল চেয়ে খালাস চান।
ঢাকা: গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, ‘সমগ্র পাকিস্তান আমাদের শত্রু নয়। বরং ওই দেশে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, মানবতার পক্ষে আন্দোলন করছেন তারাও আমাদের বন্ধু।’ সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাউথ এশিয়ান পিপলস ফোরাম আয়োজিত দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মানবাতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে আন্দোলনের করতে গিয়ে দেখেছি- পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় গণহত্যা বা মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রসঙ্গে অনেকেই ভেবেছেন, আমরা হয়তো পাকিস্তান রাষ্ট্র বা সামগ্রিকভাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি তেমন নয়। ‘২০১৩ সালে আমরা যখন আন্দোলন শুরু করি, তখন পাকিস্তানের কিছু ব্যান্ড দল, গানের দল, সাংস্কৃতিক কর্মী আমাদের আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। কেউ গান গেয়েছে, কেউ কবিতা লিখেছে। কোনো কোনো লেখকও তার লেখনী দিয়ে আমাদের সমর্থন করে গেছেন।’
ইমরান বলেন, পাকিস্তানে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তারা শুধু বাংলাদেশের মানুষের শত্রু নয়, পাকিস্তানেরও শত্রু।’ সাউথ এশিয়ান পিপলস ফোরামের আহ্বায়ক লাভলী ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন-সংসদ সদস্য শিরিন আখতার, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উত্থাপন করেন এম মাসুদ হোসেন খান।আস
নিউজ ডেস্ক: সৌদি এয়ারলাইন্সের যে কোনো বিমান ছিনতাই বা বোমা হামলার আশঙ্কা করছে সৌদি দূতাবাস। গত ২৪শে জানুয়ারি বাংলাদেশস্থ সৌদি দূতাবাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লেখা এক নোট ভারবালে জানিয়েছে, সৌদি এয়ারলাইন্সের যে কোনো ফ্লাইট ছিনতাই বা বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা তত্ত্বাবধান করছে ইরানের রেভুলেশনারি গার্ড।
ওই পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এতে বিমান ছিনতাইয়ের পরিকল্পনার কিছু চিত্র, কারা কারা এ কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারে তাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি দূতাবাসের নোট ভারবালের ভিত্তিতে ৩১শে জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ও মধ্য এশিয়া বিভাগের সহকারী সচিব এবিএম সারওয়ার-ই-আলম সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের যাত্রী ও তাদের লাগেজের ওপর কার্যকর তল্লাশি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করার অনুরোধ করা হয়েছে। চিঠি’র বিষয়বস্তুতে বলা হয়েছে, সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ছিনতাই বা বোমা হামলা পরিকল্পনা প্রসঙ্গে। এতে বলা হয়, ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসের নোট ভারবাল নং ২১৮-৪০০ এ বলা হয়েছে, সম্ভাব্য একটি ছিনতাই/হামলা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের পেছনে ১০ জনের একটি দল সক্রিয় রয়েছে।
এদের মধ্যে ৬ জন তুরস্কের ভেতর দিয়ে ভিন্ন দুটি ফ্লাইটে পূর্ব এশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। দূতাবাস সন্দেহ করছে ওই সন্ত্রাসী হামলা সম্ভবত মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া আর ফিলিপিন্সে সংঘটিত হতে পারে। এ বিষয়ের আলোকে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সৌদি এয়ারলাইন্স ফ্লাইটের যাত্রী ও তাদের লাগেজের ওপর কার্যকর তল্লাশি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এ
দিকে সৌদি দূতাবাসের নোট ভারবালে বলা হয়, বাংলাদেশস্থ সৌদি রাজকীয় দূতাবাস অবহিত করছে যে- সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পেয়েছেন সৌদি এয়ারলাইন্সের যে কোনো ফ্লাইট ছিনতাই বা এতে বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা তত্ত্বাবধান করছে ইরানের রেভুলেশনারি গার্ড।
ওই পরিকল্পনা চূড়ান্ত একটি পর্যায়ে (অ্যান অ্যাডভান্সড স্টেট) উপনীত হয়েছে। পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন করতে ১০ জনের একটি দল রয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন ইয়েমেনের নাগরিক যাদেরকে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই ৬ জনের মধ্যে ৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
এরা হলেন- ১৯৯০ সালে ইয়েমেনে জন্মগ্রহণকারী মুহাম্মদ ইব্রাহিম আল- মুয়াইওয়াদ, ইয়েমেনের মাআরিব জেলার আহমাদ আল আওয়াফ বাহবাহ, ইয়েমেনের মাআরিব জেলার আহমেদ বিন আব্দুল্লাহ আল জারমুজি ও ইসমাইল আহমেদ আল-জারমুজি। এদের মধ্যে প্র্রশিক্ষণ দলের এক সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম আলি মাহের আলি (লেবাননের হিজবুল্লাহর একজন সদস্য)।
বিমান ছিনতাইয়ের তত্ত্বাবধান ও পরিকল্পনার দায়িত্ব নিয়েছে দুজন ইরাকি নাগরিক। এদের একজন হলো- হাসান আলি আল মুসাভি। নোট ভারবালে বলা হয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য থেকে আরও ইঙ্গিত মেলে যে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া ৬ ব্যক্তি তুরস্ক দিয়ে দুটি ভিন্ন ফ্লাইটে করে পূর্ব এশিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। তথ্য থেকে বোধগম্য হয়, ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে পারে পূর্ব এশিয়ার কোনো একটি দেশে। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপিন্সে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এসব তথ্যের আলোকে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলোতে যাত্রী ও লাগেজের ওপর প্রযোজ্য তল্লাশি ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হচ্ছে। রাজকীয় সৌদি দূতাবাস বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের সর্বোচ্চ বিবেচনার জন্য আবারও আহ্বান জানাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গেল সপ্তাহের শেষ দিকে চিঠিটি হাতে পেয়েছে তারা। দুয়েক দিনের মধ্যে এ চিঠির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেয়া হতে পারে। উৎসঃ মানবজমিন
ঢাকা: এটিএম বুথে জালিয়াতির ঘটনায় সিসি ক্যামেরায় পাওয়া ছবি দেখে বিদেশি এক নাগরিককে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি পোল্যান্ডের নাগরিক বলে জানা গেছে। তার নাম পিটার। ওই বিদেশিসহ বাংলাদেশি কয়েকজনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার সোমবার সকালে জানিয়েছেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউসিবি কর্তৃপক্ষ বনানী থানায় মামলা করে এজাহারের সঙ্গে সিসিটিভির ভিডিও জমা দেয়া হয়। ওই বিদেশি যাতে বাংলাদেশ থেকে পালাতে না পারে, সেজন্য বিমান, নৌ ও স্থলবন্দরগুলোতে নজরদারি চালাতে অনুরোধ করা হয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে।
নিউজ ডেস্ক: জাতীয় দলের ফুটবলারদের ক্রমাগত ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে গিয়ে অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ফুটবলাররা মাদকাসক্ত, দলে শৃংখলা নেই, পুরো দলটা নষ্ট হয়ে গেছে। এই সব কথা বলেছেন বাফুফের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান শেখ মো. আসলাম।
তিন সদস্যের কমিটির অন্যরা হলেন- বাফুফের সদস্য ইলিয়াস হোসেন এবং আজমল আহমেদ তপন। তারা ফুটবল ব্যর্থতার কারণ বের করতে গিয়ে জেনেছেন নানা অনিয়মের কথা। খোদ ফুটবলারদের মধ্যে দেশাত্ম বোধ নেই বলে মনে করেন বাফুফের কর্মকর্তারা। ফ্যাক্টস ফাইন্ডিংস কমিটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে; কিন্তু সেই রিপোর্ট আলোর মুখ দেখবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে কমিটির মধ্যে। জাতীয় দলের সাথে যারা সব সময় সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিংস কমিটি জানতে পেরেছে খেলোয়াড়রা মাদকাসক্ত এবং শৃংখলার অভাব।

বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবলের সেমিফাইনালে বাহরাইনের কাছে হেরে বাংলাদেশ বিদায় নেয়। পরদিন বেলা ১১টায় অধিনায়ক মামুনুল ইসলামসহ অন্য ফুটবলাররা বাফুফে ভবনে গিয়েছিলেন। সেদিন অনেক খেলোয়াড়ের মুখে মদের গন্ধ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে অধিনায়ক মামুনুল ইসলামের মুখে সবচেয়ে বেশি গন্ধ পাওয়া গেছে বলে জেনেছে বাফুফে গঠিত কমিটি। তা ছাড়া অধিনায়ক হয়ে যেভাবে দলটাকে নেতৃত্ব দেয়া প্রয়োজন ছিল মামুনুল সেটা করতে পারেননি। তিনি নিজেই গভীর রাত পর্যন্ত ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।
কাল বিকালে রমনা টেনিস কমপ্লেক্সে টেনিস খেলতে গিয়েছিলেন সাবেক ফুটবল তারকা স্ট্রাইকার শেখ মো. আসলাম। জাতীয় দলের ব্যর্থতা এবং বাফুফে থেকে তার পদত্যাগের বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের মুখে পড়েন আসলাম। জাতীয় দল নিয়ে অনেক কথাই উঠে এসেছে সেখানে। আসলাম বলেছেন, ‘বর্তমান প্লেয়ারদের অবস্থা ভালো না।
পুরো দলটা নষ্ট হয়ে গেছে। এটা জাতির জন্য লজ্জা। বার বার একই কাজ করে পার পেয়ে যাচ্ছে বলেই এই রকম অবস্থা। প্লেয়াররা নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে না। দেশের সাধারণ মানুষের টাকায় তারা বিদেশে খেলতে যায়। জাতীয় দলের জার্সি জাতীয় পতাকা তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। সবাই আশায় থাকে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে চেষ্টা করবে। সমস্যা খুঁজতে গিয়ে যা পাওয়া গেছে, আসলে ওদের (খেলোয়াড়দের) জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেয়ার অধিকার নেই।’
আসলাম জানিয়েছেন, যে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে তা সবার সাক্ষী নিয়েই করা হয়েছে। বাফুফে থেকে পদত্যাগের কারণ বললেন, ‘নিজের কোনো ভূমিকা নেই। বোঝা হয়ে কমিটিতে থেকে লাভ কি।’ সালাহউদ্দিন ভাই আমাকে কাজে লাগায়নি। আমি অপেক্ষায় ছিলাম; কিন্তু এভাবে থেকে লাভ কি।’ এপ্রিলে বাফুফের নির্বাচন। আসলাম বললেন, ‘আমি আরো আগেই পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম।’
সৌজন্যে:ইত্তেফাক
নিজস্ব প্রতিবেদক: মাতৃভাষা বাংলার বিকৃতি রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় তিনি এ আহবান জানান। তিনি বলেন, অঞ্চলভেদে বাংলা ভাষার যে তারতম্য দেখা যায় সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকে ক্ষেত্রে ভিনদেশী উচ্চরণে বাংলা বলতে শোনা যায়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, বিশ্বায়নের যুগে মানুষকে বিদেশি ভাষা শিখতেই হয়। কিন্তু তা যেন মাতৃভাষাকে অবহেলা করে না হয়। ছোট ছোট বাচ্চাদের ইংরেজি মিডিয়ামে না পড়ালে যেন ইজ্জতই থাকে না। কয়টা ছেলেমেয়ে ইংরেজি মিডিয়ামে পড়ে এসএসসিতে ভালো রেজাল্ট করেছে? তেমন কিন্তু খুব বেশি দেখা যায় না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আমাদের দেশ, বাংলা ভাষা আমাদের ভাষা। কাজেই এ ভাষাকে আরও উন্নত করার জন্য আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ভাষা রক্ষা ও ভাষার উন্নয়নে গবেষণা বাড়ানোরও তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
নিউজ ডেস্ক: মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমিক নেয়া বন্ধ করার ঘোষণা ‘আইওয়াশ’ বলে বাংলাদেশের একজন সরকারি কর্মকর্তা যে দাবি করেছেন তা নাকচ করে দিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নুর জাজলান মোহাম্মদ বলেন, নিয়োগ বন্ধ রাখার ঘোষণার পরও মালয়েশিয়া শ্রমিক নিবে বলে যে দাবি করা হয়েছে তা সঠিক নয়।

‘এটা সত্য নয়। কারণ আমরা যেসব বিদেশি শ্রমিকদের নিচ্ছি তাদের নিবন্ধন অনলাইনে করা হচ্ছে। এটা অধিকতর স্বচ্ছ,’ মালয়েশিয়ান ইনসাইডারকে বলছিলেন জাজলান।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আহমদ জাহিদ হামিদি শ্রমিক নিয়োগ বন্ধের যে কথা বলেছেন তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
এর আগে বাংলাদেশে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব বেগম শামসুন্নাহার মালয়েশিয়ার ঘোষণাকে ‘আইওয়াশ’ বলে দাবি করেন এবং বলেন, ‘ মালয়েশিয়ার যেসব গোষ্ঠী বিদেশি শ্রমিক নেয়ার বিরোধিতা করছে তাদের শান্ত করতেই মালয়েশিয়া সরকার এ ঘোষণা দিয়েছে।’
মালয়েশিয়ায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে শ্রমিক পাঠানোর জন্য বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকার। চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া। তবে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মন্ত্রী রিচার্ড রায়ট এ দাবি অস্বীকার করেন। অন্যদিকে মালয়েশিয়ায় এ নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হলে চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিনই বাংলাদেশসহ বিদেশি শ্রমিক নেয়া বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন মালয়েশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী হামিদি।
নিজস্ব প্রতিবদক: ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শাবান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সোহেল হায়দার চৌধুরী।
শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ন’টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গণনা শুরু হয়।
সকাল ৯টায় থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় বিরতিহীন ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও, দীর্ঘ লাইনে ভোটাররা দাঁড়িয়ে থাকায় সময় বাড়িয়ে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়।
এবারের ডিইউজের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ পাঁচটি প্যানেলে মোট প্রার্থী ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সভাপতি পদে শাবান মাহমুদের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আবু জাফর সূর্য, আবুল কালাম, কুদ্দুস আফ্রাদ, ড. উৎপল কুমার সরকার ও সালাম মাহমুদ। সহ-সভাপতি পদ প্রার্থী ছিলেন-অহিদুজ্জামান মিঞা, আতিকুর রহমান চৌধুরী, মো. মফিজুল ইসলাম ও মোস্তাক হোসেন।
সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশ নেন আবদুল মজিদ, এম এ কুদ্দুস, খন্দকার মোজাম্মেল হক, মেহেদী হাসান, রহমান মুস্তাফিজ, সাজ্জাদ আলম খান তপু ও সোহেল হায়দার চৌধুরী।
যুগ্ম-সম্পাদক পদে খায়রুল আলম, গাজী জহিরুল ইসলাম, রফিক আহমেদ, রওশন ঝুনু ও শাহানা শিউলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচন করেন আশারাফুল ইসলাম, পলি খান, ফজলে রেজওয়ান করিম, বরুন ভৌমিক নয়ন ও সেবিকা রাণী।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করেন জোবায়ের আহমেদ নবীন, মামুন আবেদীন, শাহজাহান মিঞা, মুস্তফা মনওয়ার সুজন ও সিদ্ধার্থ শঙ্কর ধর।
প্রচার সম্পাদক পদে আকতার হোসেন, আবু সাঈদ, আশীষ কুমার সেন, এম শাহজাহান ও নাজমুল হাসান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে অনজন রহমান, খালেদ আহমেদ, মো. মফিজুর রহমান খান বাবু ও হামিদ মোহম্মাদ জসিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জনকল্যাণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এ জিহাদুর রহমান জিহাদ, উম্মুল ওয়ারা সুইটি, শাহ আলম ডাকুয়া ও শেখ নূর ইসলাম। দফতর সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আল মামুন, জাহাঙ্গীর খান বাবু, জি এম মাসুদ ঢালী, মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল ও রহমান মুফিজ (মুফিজুর রহমান মুফিজ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করেন-আলী মনসুর, ইকবাল হাসান কাজল, ইমরান আহমেদ, এ এম শাজাহান মিয়া, এ এস এম সাইফ আলী, এম এ হায়দার খান, এস এম আব্বাস, কায়সার হাসান, খায়রুন্নেসা নিপা, জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী, জি এম জোয়ারদার, দেবব্রত দত্ত, দেবাশীষ রায়, দুলাল খান, নাজু মির্জা, নাসির উদ্দিন বুলবুল, প্রণব কুমার মজুমদার, ফিরোজ কবির শাওন, মঞ্জুশ্রী বিশ্বাস, মর্তুজা হায়দার লিটন, মাহাবুব রেজা, জাকিউল ইসলাম বাবু, মো. তাওহীদ, মো. নাসির খান, মোহাম্মাদ মনিরুল আলম, মোস্তফা কামাল (সুমন মোস্তফা), মুঈদ খন্দকার, রারজানা সুলতানা, রেজাউল করিম রেজা, রফিকুল ইসলাম রিপন, শামীমা আক্তার (শামীমা দোলা), শেখ আরিফ বুলবন, সলিম উল্লাহ সেলিম, সাগর বিশ্বাস, সাহিন কাওসার ও সোহেলী চৌধুরী।