April 16, 2026
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নজরান প্রদেশে একটি ঘরে আগুনে ১১ শ্রমিক নিহত হয়েছেন, যাদের সবাই বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিক বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবর।
আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবারের এ অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন আহত হয়েছেন। তারাও বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিক।
তবে হতাহতদের মধ্যে কয়জন বাংলাদেশি সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জানতে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের কূটনীতিক ও লেবার কাউন্সেলরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
সৌদির সিভিল ডিফেন্সের এক টুইটে বলা হয়েছে, “অগ্নিনির্বাপনকর্মীরা একটি পুরাতন বাড়ির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, যেখানে বাতাস চলাচলের জন্য জানালা ছিল না।
“ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে ১১ জন মানুষ মারা গেছেন এবং অপর ছয়জন আহত হয়েছেন।”
হতাহতদের সবাই বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিক বলে সিভিল ডিফেন্সের তথ্য।
রোজগারের জন্য বিদেশ যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি শ্রমিকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ দেশ সৌদি আরব।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুয়িজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
তবে এই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে তার করা আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি মুক্ত থাকতে পারবেন বলে রায়ে বলেছে আদালত, খবর বিবিসির।
রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পেত্রোব্রাসের সঙ্গে জড়িত দুর্নীতির কেলেঙ্কারিতে ঘুষ হিসেবে পাওয়া একটি অ্যাপার্টমেন্ট গ্রহণ করেছেন, এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন লুলা।
অন্যায় কোনো কিছু করার কথা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে বিচারের রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।
তার বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগের প্রথমটির বিচারে এ রায় দেওয়া হয়।
২০১১ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর ধরে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন লুলা। আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থি ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী হয়ে ফের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
কিন্তু রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির ঠিকাদারি কাজ পেতে সহায়তা করে ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্ম ওএএস এর কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে সমুদ্রতীরবর্তী বিলাসবহুল একটি অ্যাপার্টমন্টে গ্রহণ করার দায়ে বুধবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন এক বিচারক।
রায় ঘোষণার পর এক বিবৃতিতে লুলার আইনজীবী তাকে নির্দোষ দাবি করে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক একটি তদন্তের বিষয় হয়ে আছেন লুলা। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ হাজির করতে পারেনি এবং তিনি নির্দোষ এটি ব্যাপকভাবে প্রমাণিত হলেও নির্লজ্জভাবে তা অগ্রাহ্য করা হয়েছে।”
ওয়ার্কার্স পার্টির প্রধান সিনেটর গ্লেইসি হফমানও রায়ের সমালোচনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুলার প্রার্থীতা ঠেকানোর পরিকল্পনাতেই এমনটি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে তার দল প্রতিবাদ করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রিও ডি জেনিরো থেকে বিবিসির প্রতিনিধি কেটি ওয়াটসন জানিয়েছেন, লুলা এখনও জনপ্রিয় একজন রাজনীতিক এবং তার বিরুদ্ধে আদালতে এ রায় ব্রাজিলকে গভীরভাবে বিভক্ত
করে তুলবে।
স্টিল মিলের সাবেক কর্মী লুলা ট্রেড ইউনিয়নের নেতা হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং প্রায় অর্ধশতাব্দির মধ্যে ব্রাজিলের প্রথম বামপন্থি নেতা হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি ব্রাজিলের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা লুলাকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনীতিক বলে অভিহিত করেছিলেন।
সাংবিধানিক ব্যধবাধকতার কারণে পরপর তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হতে পারেননি তিনি। তার বদলে ঘনিষ্ঠ মিত্র দিলমা রৌসেফ দলীয় প্রার্থী হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, কিন্তু পরে অভিসংশিত হয়ে ক্ষমতা হারান রৌসেফ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী থাড প্রতিরক্ষা সিস্টেমের সফল পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরীক্ষায় ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী থাড সিস্টেম সাফল্যের সঙ্গে একটি লক্ষ্যবস্তুকে গুলি করে নামিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইআরবিএম) হুমকির বিরুদ্ধে থাডের সফল প্রদর্শনী উত্তর কোরিয়া ও অন্যান্য দেশের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সামর্থ্য তুলে ধরেছে,”
পরীক্ষায় থাড (টার্মিনাল হাই অ্যাল্টিট্যুড ডিফেন্স) উত্তর কোরিয়ার তৈরি করা মধ্যবর্তী-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুরূপ একটি কৃত্রিম ক্ষেপণাস্ত্রকে থামিয়ে দিয়েছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
কয়েকমাস আগেই এই পরীক্ষাটির পরিকল্পনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী, কিন্তু শেষে উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচী নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে পরীক্ষাটি করা হল।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। ৪ জুলাই দেশটি দাবি করে, তারা প্রথমবারের মতো সফলভাবে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালিয়েছে যা বিশ্বের যেকোনো দেশে আঘাত হানতে সক্ষম।
কিন্তু উত্তর কোরিয়ার হওয়াসং-১৪ নামের ওই ক্ষেপণাস্ত্রটিকে আইআরবিএম বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
তাই মঙ্গলবার আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের কোডিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সামর্থ্যের পরীক্ষায় সে ধরনের একটি ক্ষেপণাস্ত্রই ধ্বংস করে থাড সিস্টেম।
ভূমিভিত্তিক এই ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা সিস্টেমটি স্বল্প, মাঝারি ও মধ্যবর্তী পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে বাঁধা দেয়ার ও ধ্বংস করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শুরু হওয়া থাডের পরীক্ষায় এ পর্যন্ত সিস্টেমটি ১৪টি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রকে সফলভাবে বাঁধা দিয়ে ধ্বংস করেছে, কিন্তু মঙ্গলবারের পরীক্ষায় এটি প্রথমবারের মতো সফলভাবে একটি আইআরবিএমকে বাঁধা দিয়ে ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।
সূত্র : বিডিনিউজ২৪।
ডেস্ক রিপোর্ট : ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি)’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৫তম সম্মেলন ২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। আইভরি কোস্টের অর্থনৈতিক রাজধানী আবিদজানে চলমান ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৪তম সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওআইসিতে বাংলাদেশের সক্রিয়, গঠনমূলক ভূমিকা ও ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের স্বীকৃতি হিসেবে এ সিদ্ধান্ত এসেছে।
আবিদজানে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৪তম সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। আইভরিকোস্টের প্রেসিডেন্ট আলাসানে ওয়াতারা সোমবার এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
সম্মেলনে ঢাকায় ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৫তম সম্মেলন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তাব দিলে সদস্য দেশগুলোয় পূর্ণ-সমর্থন জানায়। প্রায় সাড়ে তিন দশক পর ঢাকায় এ সম্মেলন আবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ওআইসি ট্রয়কা’র অংশ এবং আগামী তিন বছরের ওআইসি’র ৮ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য হলো।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী বাংলাদেশের জনগণকে এ সম্মান দেওয়া ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ওপর পুনরায় আস্থা রাখার জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ধন্যবাদ জানান।
বিপুলসংখ্যক সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র, বিভিন্ন ওআইসি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা ৪৪তম সম্মেলনে অংশ নেন।
সম্মেলনে চলতি বছরের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘সংহতিপূর্ণ বিশ্বে তারুণ্য, শান্তি ও উন্নয়ন’।
সম্মেলনে তারুণ্যের বৃহত্তর ভূমিকা ও অংশগ্রহণে শান্তি, উন্নয়ন ও ইসলামি সংহতির গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনে ইসলামি বিশ্বের সংহতি, ঐক্য ও মতভেদ দূর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে এক বিবৃতি দেন। তিনি মুসলিম বিশ্বের অঢেল সম্পদের সদ্ব্যবহার ও দ্রুততর উন্নয়নের পথ অনুসরণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন অনেক সমস্যার সমাধান করে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহত্তর আন্তঃওআইসি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরামর্শ দেন এবং বেশ কয়েক বছর আগে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত একটি ইসলামিক কমন মার্কেটের গন্তব্যে পৌঁছার লক্ষ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য ও এফটিএ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম প্র্যাকটিস বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচন, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, শান্তিরক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থা দমন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সাফল্যের কাহিনী বিনিময়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক, সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ওআইসি’র পিআর গোলাম মসি প্রমুখ। সূত্র: বাসস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে এই বিমান বিধ্বস্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে জেট ফুয়েল থেকে আগুন ধরে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কাউন্টি ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর ফ্রেড র্যান্ডেলের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সকালে সিএনএন এ খবর জানায়। স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় নৌবাহিনীর এই বিমানটি বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে।
মিসিসিপির জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরিচালক লি স্মিথসন জানান, সানফ্লোয়ার-লেফলর কাউন্টি লাইনে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী টুইটার বার্তায় জানায়, ইউএসএমসি কেসি-১৩০ (USMC KC-130) বিমানটি ১০ জুলাই সন্ধ্যায় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।
বিমান বিধ্বস্তে এর ধ্বংসাবশেষ প্রায় পাঁচ মাইল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানায় স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে কিছু সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসনে বসে পড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তার মেয়ে ইভাঙ্কা।
বিবিসির খবরে বলা হয়, শনিবার জার্মানির হামবুর্গে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন চলাকালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর সঙ্গে বৈঠকের জন্য কিছু সময়ের জন্য আসন ছাড়েন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ওই সময় পেছন দিকে নিজের আসন ছেড়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মাঝে ট্রাম্পের আসনে বসে পড়তে দেখা যায় ইভাঙ্কাকে।
ওই একই সারিতে ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিপেজ তায়িপ এরদোয়ান।
৩৫ বছর বয়সী সাবেক ফ্যাশন মডেল ও ব্যবসায়ী ইভাঙ্কা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একজন অবৈতনিক উপদেষ্টা। তবে যেভাবে তিনি প্রটোকল ভেঙে বিশ্ব নেতাদের জন্য নির্ধারিত আসনে বসেছেন তা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে।
বিবিসি লিখেছে, এ ধরনের বৈঠকে কোনো নেতার অনুপস্থিতিতে প্রয়োজনে উচ্চ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা তার প্রতিনিধিত্ব করবেন- এমনটাই রীতি।
সম্মেলনের সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা বিবিসির একজন সাংবাদিক বলেছেন, ইভাঙ্কা যা করেছেন তেমন ঘটনা এর আগে কখনও তিনি দেখেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফার্স্ট ডটার’ যখন তার বাবার আসনে বসেছিলেন, সম্মেলনে তখন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের সভাপতিত্বে আফ্রিকার অভিবাসন ও স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা চলছিল। তবে ওই আলোচনায় কোনো কথা বলেননি ইভাঙ্কা। কিছু সময় পর আসনে ফেরেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
রাশিয়ার একজন প্রতিনিধি ইভাঙ্কার ওই আসনে বসার একটি ছবি টুইট করলেও পরে তা সরিয়ে নেন।
টুইটারে ইভাঙ্কার সমালোচনায় অনেকেই বলেছেন, তিনি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন। তিনি একটি ফ্যাশন হাউজের মালিক, ওই রকম একটি কূটনৈতিক আলোচনায় তিনি বসে পড়তে পারেন না।
ইভাঙ্কা ট্রাম্প সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে দাবি করেন, সবসময় রাজনীতির বাইরে থাকারই চেষ্টা করেন তিনি। সে প্রসঙ্গও টেনে বিশ্বনেতাদের পাশে ইভাঙ্কার বসে পড়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
এদিকে ডেমোক্রেটরা এ ঘটনার সমালোচনা করতে গিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রিয়তার পুরনো অভিযোগ সামনে এনেছে।
ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য ম্যাক্সিন ওয়াটারস এমএসএনবিসিকে বলেন, “এটা মোটেই ভালো কোনো বার্তা দিচ্ছে না। মুক্ত বিশ্বের নেতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জি-২০ সম্মেলনে আমাদের প্রতিনিধিত্ব করলেন, অথচ তিনি কী না নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে মেয়েকে প্রচারের আলোতে আসার সুযোগ করে দিলেন। তাকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দেখা গেল যার বিষয়ে সে কিছুই জানতো না।”
‘প্রগ্রেসিভ মিডিয়া ফর হিলারি ক্লিনটনস প্রেসিডেন্সিয়াল ক্যাম্পেইন’ এর সাবেক পরিচালক জেরলিনা ম্যাক্সওয়েল বলেন, ট্রাম্পের চেয়ারে ইভাঙ্কার বসাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
“কি যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা আছে ইভাঙ্কা ট্রাম্পের, যার জোরে তিনি টেরিজা মে ও পুতিনের মত নেতার সঙ্গে একই টেবিলে বসেছেন?”
এই ঘটনাকে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের দুর্নীতির নমুনা হিসেবেও আখ্যায়িত করেন।
নারী অধিকারকর্মী এমি সিসকাইন্ডের প্রতিক্রিয়া আরও কড়া; টুইটারে তিনি লিখেছেন, “এই ধরনের ঘটনা তখনই ঘটে, যখন একনায়কতন্ত্র চলে।”
সমালোচনা করেছেন ইতিহাস রচয়িতা অ্যান অ্যাপলবৌমও; বলেছেন, “অনির্বাচিত, অযোগ্য, অপ্রস্তুত নিউ ইয়র্কের এক কেতাদুরস্ত নারী আমেরিকার জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে শীর্ষ ব্যক্তি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তা মেনে নেওয়া যায় না।”
ইভাঙ্কার ভাই ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র অবশ্য ওই ঘটনায় দোষের কিছু দেখছেন না।
টুইটারে তিনি লিখেছেন, ইভাঙ্কার ওই চেয়ারে বসা নিয়ে যাদের আপত্তি তারা কি তাকে সেখানে দেখলে খুশি হতেন?
সম্মেলনের আয়োজক দেশ জার্মানির নেতা মের্কেল অবশ্য পুরো বিষয়টিকে হালকা করার চেষ্টা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারপ্রধান কোনো কারণে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে তার আসনে কে বসবেন তা ওই দেশের প্রতিনিধি দলই ঠিক করে। ইভাঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের জি-২০ প্রতিনিধি দলের সদস্য।… সে যে হোয়াইট হাউজে কাজ করে, অনেক কিছুতেই যে সে জড়িত, তা তো সবাই জানে।”
উত্তর কোরিয়া তার পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চল থেকে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ এ খবর দিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে ইওনহ্যাপ বার্তাসংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা বেজে ৪০ মিনিটে উত্তর কোরিয়ার পিয়াংগান প্রদেশের বাংহিওন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
এদিকে জাপানের এনএইচকে নিউজের খবরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত জাপানের একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের জলসীমায় পড়েছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়া পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কিত কার্যক্রম জোরদার করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উত্তর কোরিয়া
প্রসঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করার একদিন পরই দেশটি সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করলো।
যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীনের নেতারা তাদের আলোচনায় পরমাণুমুক্ত কোরিয়া উপদ্বীপ গড়ে তোলার ব্যাপারে তাদের প্রতিশ্রæতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সূত্র: বিবিসি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পেতে প্রস্তাবিত ১৩ শর্ত পূরণে কাতারকে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছে সৌদি আরব ও তার তিন সহযোগী দেশ। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
এর আগে নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পেতে কাতারকে ১০ দিনের মধ্যে ১৩ দফা দাবি পূরণের শর্ত দিয়েছিল দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নকারী সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। শর্ত পূরণের সময়সীমা গতকাল রোববার রাতে পেরিয়ে যায়। কিন্তু সংকটের কোনো সমাধান হয়নি। এরপর নতুন করে ৪৮ ঘণ্টার সময় দেওয়া হলো।
এখন সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন আরব দেশগুলো বলছে, তারা শর্ত পূরণের সময়সীমা বাড়িয়েছে। কাতার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শর্ত পূরণ না করলে দোহার ওপর আরও অবরোধ দেওয়া হবে।
দোহা জানিয়েছে, শর্তের বিষয়ে তারা তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া চিঠির মাধ্যমে আজ জানিয়ে দেবে। কুয়েতের কাছে এই চিঠি দেওয়া হবে। কুয়েত চলমান এই সংকট সমাধানের মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
চিঠি হস্তান্তর করতে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল-থানি আজ কুয়েতে যাবেন। কাতারের আমিরের চিঠিটি কুয়েতের আমিরকে দেওয়া হবে।
কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল-থানি বলে দিয়েছেন, আরব দেশগুলোর শর্ত প্রত্যাখ্যান করা হবে। আর এভাবে সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার উদ্দেশ্য সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা নয়, বরং কাতারের সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ করা।
আল-থানি ইতালির রাজধানী রোমে গত শনিবার বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্বেগের ব্যাপারটা নিয়ে দোহা আলোচনায় বসতে রাজি আছে। তবে একটা সার্বভৌম দেশের ওপর এমন শর্ত ও সময়সীমা চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার কারও নেই।
গত মাসে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, মিসর, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। পরে লিবিয়া, ইয়েমেন ও মালদ্বীপও কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। সন্ত্রাসে অর্থায়নের অভিযোগ তুলে কাতারের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে সৌদি আরবসহ সাত দেশ। কাতার অবশ্য এ ধরনের অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে।
দোহার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার শর্ত হিসেবে সম্প্রতি ১৩ দফা শর্তবিশিষ্ট তালিকা পাঠায় সৌদি আরব ও তার সহযোগী দেশগুলো। দাবির তালিকা ‘যৌক্তিক বা গ্রহণযোগ্য’ নয় বলে উল্লেখ করে কাতার।
চলমান সংকটের ফলে কাতারের লোকজন ভ্রমণ এবং খাদ্যপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়েছে। উপসাগরীয় আরব অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যবসার ক্ষেত্রে বেড়েছে বিভ্রান্তি।
সূত্র : প্রথম আলো।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দক্ষিণ চীন সাগরের একটি বিরোধপূর্ণ দ্বীপের কাছ দিয়ে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা অত্যন্ত “গুরুতর রাজনৈতিক ও সামরিক উস্কানি” বলে মন্তব্য করেছে চীন। এই ঘটনা দুই পরাশক্তির সম্পর্ক আরও জটিল করে তুলতে পারে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, তাদের ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্টেথেম দক্ষিণ চীন সাগরের প্যারাসেল দ্বীপমালার একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ ট্রাইটনের ১২ নটিক্যাল মাইলেরও কম দূরত্ব দিয়ে অতিক্রম করে যায়। চীন ছাড়াও তাইওয়ান এবং ভিয়েতনাম দ্বীপটির মালিকানা দাবি করে।
১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত এলাকাকে কোনও ভূখ-ের আঞ্চলিক জলসীমা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বলে মেনে নেয়া হয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার চীনা প্রতিপক্ষ শি জিনপিংয়ের নির্ধারিত টেলিফোন কলের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন রণতরীর বিতর্কিত জলসীমা অতিক্রমের এই ঘটনা ঘটে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়া জানায়, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ক্যাং রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, ওই এলাকায় মার্কিন রণতরী পাঠানোর জবাবে চীন সামরিক জাহাজ এবং যুদ্ধবিমান পাঠায়। তিনি বলেন, চীন চায় যুক্তরাষ্ট্র চীনের সার্বভৌমত্ব লংঘন এবং তার নিরাপত্তার প্রতি হুমকি সৃষ্টি হতে পারে এমন যেকোনও ধরণের উস্কানিমূলক তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স যখন বলেছিলেন তিনি তাঁর স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো একলা নারীর সঙ্গে খেতে বসবেন না, তখন অনেকের চোখ কপালে উঠিছিলো। এমন সিদ্ধান্তের কথা জেনে ইন্টারনেটে অনেক আলোচনা সমালোচনাও হয়েছে। অনেকে আবার পুরনো ধ্যানধারণার মানুষ বলেও ধিক্কার দিয়েছেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র মাইক পেন্সই নন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেকের ভাবনা এরকমই।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, অর্ধেকের মতো নারী মাইক পেন্সের সঙ্গে একমত। আর ৪৫ শতাংশ পুরুষ তাঁর সঙ্গে একমত। আর যদি পানীয়ের প্রসঙ্গ আসে? প্রশ্নই আসে না!
শুধুমাত্র ২৯ শতাংশ নারী চিন্তা করে যে একা একা কোনো পুরুষের সঙ্গে খেতে বসা কোনো সমস্যার বিষয় নয়।
যদিও মর্নিং কনসাল্টের সহায়তায় এই জরিপটিতে মাত্র সাড়ে তিন হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে। তবে এই জরিপের ফলাফল গ্রহণযোগ্য বলে মত দিয়েছে ৬২ শতাংশ রিপাবলিকান, অন্যদিকে ৭১ শতাংশ ডেমোক্রেট বলেছে এমনটা হতে পারে।
একইভাবে ধর্মীয়ভাবেও একলা নারী-পুরুষ বসে খাওয়াটা গ্রহণযোগ্য কিনা তা নিয়েও বিপরীতধর্মী মতামত পাওয়া গেছে। দেখা গেছে যারা বেশি শিক্ষিত তাদের কাছে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু যারা এখনো কলেজে পড়া শুরু করেনি তাদের কাছে এমনভাবে খেতে বসার বিষয়টা গ্রহণযোগ্য নয়।
অস্ট্রেলিয়ার একজন বাসিন্দা স্টিফেন মাইক পেন্সের উদাহরণ টেনে বলেছেন, তিনি তার বৈবাহিক জীবন ভালো রাখার চেষ্টা করছেন। তার সম্মান রাখছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে বুদ্ধিমানের মতো চিন্তা। যে যুগে কিম কার্দাশিয়ানের মতো মডেলকে স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয় সেই যুগে মাইক পেন্সের এমন ভাবনা সত্যিই প্রশংসনীয়।’ বিবিসি বাংলা