March 10, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আগামী বছর থেকে আর জলাবদ্ধতার সমস্যা থাকবে না। তিন ঘণ্টার মধ্যেই সব পানি নেমে যাবে। তবে বিষয়টি অসম্ভব বলে মনে করছেন বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক ম ইনামুল হক।
বৃহস্পতিবার ‘ঢাকা পানি সম্মেলন ২০১৭’ উপলক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আগে কখনো এত পরিমাণ বৃষ্টি হয়নি বলে ঢাকার পানি নিরসনের জন্য দীর্ঘ কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। এখন পরিস্থিতি বিবেচনায় এই উদ্যোগ
নেওয়া হচ্ছে।
পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ অবশ্য বলছেন, এত বৃষ্টি হওয়ার পরও গতকাল বুধবার তিন ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে যাওয়ায় বোঝা যায় ঢাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রয়েছে।
ওই অনুষ্ঠানে পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘এবারের বৃষ্টি ছিল নজিরবিহীন। কখনোই সচিবালয়ের ভেতরে এত পানি জমে থাকতে দেখিনি। তবে এত বৃষ্টি হওয়ার পর তিন ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে গেছে। তাতে বোঝা যায়, ঢাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রয়েছে। তবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে জনগণকে সচেতন হতে হবে। ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় ফেলা যাবে না।’
২৯ ও ৩০ জুলাই আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ২৭টি দেশ এতে অংশ নেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।
তিন ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে যাবে বলে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী যে আশাবাদের কথা বলেছেন, সে বিষয়টি সোজাসুজি অসম্ভব বলে মনে করছেন ম ইনামুল হক। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য আগে যেসব খাল ছিল, সেগুলো ভরাট করে ঘরবাড়ি-দালান করা হয়েছে। রাস্তা হয়েছে। এগুলো খাসজমি, যা কিনা ইজারা বা দালান করা বা ভরাট করার কথা নয়। ওয়াসা খালের পথ ধরে নয়, রাস্তা ধরে কালভার্ট অথবা পাইপ ড্রেনেজ নির্মাণ করেছে। এসব ড্রেন সোজাসুজি পথে যায়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বে আগের খালগুলো দখল ও ভরাটমুক্ত করে, ঠিকমতো নকশা করে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ করতে বেশ কয়েক বছর লাগবে। আর ওয়াসা বা সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে তা বিগত আট বছরে হয়নি। আগামী কোনো দিনই হবে না। বরং সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
ডেস্ক রিপোর্ট : তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, কোনো সাংবাদিক নির্যাতন ও দমন নিপীড়নের জন্য ৫৭ ধারা নয়, এটি সাইবার অপরাধ দমনের জন্য। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এই আইন ব্যবহার করা হয়নি।
গতকাল বুধবার সকালে সাভার উপজেলার আশুলিয়ার বড় রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় পিকাড কমিউনিটি স্কুল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী এসময় আরো বলেন, সরকার এখন তিনটি চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছে। একটি হলো জঙ্গি দমন করে দিয়ে দেশে শাস্তি প্রতিষ্ঠিত করা, দ্বিতীয়টি হচ্ছে বৈষম্য ও দারিদ্র্য মুক্ত উন্নয়নশীল দেশ গড়া, তৃতীয়টি হচ্ছে দলবাজিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
এসময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সর্বাত্মাক সহযোগিতা করছে বর্তমান সরকার। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠানে মালিকপক্ষকে শ্রমিকদের সব রকমের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। তিনি এসময় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।
ডেস্ক রিপোর্ট : ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ (ফাইল ফটো)বাংলাদেশে ভূমি অফিসগুলো ডিজিটালাইজড করায় দুর্নীতি অনেকটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী শামসুল রহমান শরীফ। তিনি বলেন, ‘ডিজিটালাইজড ভূমি অফিসের দুর্নীতি রোধে সরকার কাজ করছে। ফলে দুর্নীতি অনেকটা কমেছে।’
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয়দিনের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
শামসুল রহমান শরীফ বলেন, ‘আমি ডিসিদের ভূমি সংক্রান্ত দুর্নীতিগুলো কঠোরভাবে মোকাবিলা করার নির্দেশ দিয়েছি। একই সঙ্গে জনগণকে ভূমি সংক্রান্ত সেবা দিতে বলেছি। এছাড়া ভূমি অফিসে গেলে ঘুষ না দিতে আমি জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি ডিসিদের উদ্দেশ করে আরও বলেন, ‘ডিসিরা প্রভু না, জনগণের সেবক। এটি মনে রেখে কাজ করুন।’
ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের সুরমা হলে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সমিতি ঢাকার কার্যনির্বাহী কমিটির আহবায়ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ড. সেলিনা হায়াত আইভি। এছাড়াও, নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন আসনে নিয়োজিত সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : সৌদি আরব, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসেই পাড়ি জমিয়েছেন পৌনে ছয় লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক। বছর শেষে জনশক্তি রপ্তানিতে এবার রেকর্ড হবে বলে প্রত্যাশা জনশক্তি কমর্সংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর। তবে, জনশক্তি রপ্তানিকারকদের মতে, পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল তৈরি করা না গেলে আগামীতে বিদেশে কর্মী পাঠানো কঠিন হবে। কর্মীরা যেন প্রতারণার শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে দূতাবাসগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ রামরু’র।
২০০৮ সালে বাংলাদেশ থেকে সবোর্চ্চ ৮ লাখ ৭৫ হাজার কর্মী কাজ নিয়ে বিভিন্ন দেশে যায়। এরপর ক্রমশ কমতে থাকে বিদেশে কর্মী প্রেরণ। ২০০৯ সালে একই সাথে দুটি বড় শ্রমবাজার সৌদিআরব ও মালয়েশিয়া, বাংলাদেশী কর্মী নেয়া বন্ধ করে দিলে জনশক্তি রপ্তানি অর্ধেকে নেমে আসে।
তবে সরকারি উদ্যোগে দেশ দুটিতে শ্রম বাজার পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ায় ২০১৬ থেকে জনশক্তি রপ্তানিতে গতি আসে। গেল বছরে মোট ৭ লাখ ৫৭ হাজার জন বিদেশে গেলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত গেছে পৌনে ছয় লাখেরও বেশি কর্মী ।
বিএমইটি মহাপরিচালক সেলিম রেজা, ‘এই বছর আমরা যে ট্রেন দেখছি এটা গত থাকলে আমা করছি প্রায় ১০ লক্ষ লোকের বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে। যেটি বাংলাদেশের সব অতীতের রেকর্ড অতিক্রম করবে।’
তবে মধ্যপ্রাচ্য নির্ভরতাকে জনশক্তি রপ্তানির জন্য বিপদজনক বলে মনে করে, অভিবাসীদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারী সংগঠন রামরু। এক্ষেত্রে নতুন বাজার তৈরি ও কর্মীদের প্রতারিত হওয়া রোধে দূতাবাসগুলোকে তৎপরেতা বাড়ানোর পরামর্শ সংগঠনটির। বিএমইটির মহাপরিচালক জানান, জাপান, রাশিয়াসহ বেশ কিছু দেশে কর্মী প্রেরণের চেষ্টা চলছে।
রামরু সমন্বয়ক সিএস আবরার, ‘আমাদের বড় ধরণের একটা নির্ভরতা মধ্যে প্রাচ্য। এই নির্ভরতা আমরা কমাতে পারছি না। সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত ঠিক যতখানি সফল হওয়া প্রয়োজন তা এখনও হয়নি। দূতাবাসের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।’
জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রা বলছে, প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা না গেলে আগামীতে বিদেশে কর্মী প্রেরণ বন্ধ হয়ে যাবে।এজন্য আন্তর্জাতিমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনে সরকারি সহায়তা চান তারা।
বায়রা সভাপতি বেনজির আহমে বলেন, ‘আমাদের দক্ষ শ্রমিক কম। এটা যদি এখন বাড়াতে না পারি তাহলে কিছুদিন পর দেখা যাবে বাংলাদেশের কর্মী আর বিদেশ পাঠানো যাবেনা।’
বাংলাদেশ বিশ্বের ১শ ৬২টি দেশে মানুষ পাঠালেও এখনো ৮০ শতাংশ কর্মীই যায় মধ্যপ্রোচ্যে। নুতন বাজার সম্প্রসারণে সম্ভাবনাময় ৫০টি দেশের ওপর সমীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানায় বিএমইটি। সময়টিভি অনলাইন
ডেস্ক রিপোর্ট : মৌসুমী বায়ুচাপের প্রভাবে আগামী দুইদিন দেশের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ও কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রবিবার সন্ধ্যায় পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এসময় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী ও দমকা থেকে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বর্জসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
এদিকে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ ভারতের রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাপঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবলভাবে বিরাজ করছে।
এছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকেব ৩ নম্বর পুনঃ ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট : তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহারের ফলে মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে চাপ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এ কারণে এ ধারা বাতিলের দাবি উঠছে। এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধারায় যেসব মামলা হয়েছে তার কোনটিই সরকার করেনি। ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধারার অপব্যবহার করে মামলা করা হচ্ছে। আর যেই এই ধারায় মামলা করুক না কেন, এতে সংবাদ কর্মীসহ মুক্ত চিন্তার মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।’
রবিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিইউজে) আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, এ ধারা সংশোধন করা হচ্ছে। এর পরিবর্তে যে ধারাই আসুক, সেখানে যেন তার অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে আমরা সে দাবিও জানিয়েছি। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ফেসবুক বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে যেন অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ত্রাস বা নাশকতা করা না যায় সেজন্য অবশ্যই আইন থাকতে হবে।’
সভায় বিইউজের সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাধারণ সম্পাদক জেএম রউফ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক লালু, বিএফইউজের সহ-সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, যুগ্ম মহাসচিব জিএম সজল, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমান প্রমুখ।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘বিগত চারদলীয় জোট সরকার ১৯৭৪ সালে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষভাবে প্রণীত শ্রম আইনটি বাতিল করে সাধারণ শ্রম আইনের আওতায় সাংবাদিকদের নিয়ে আসে। বর্তমান সরকার সেই আইনটি পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের শুধুমাত্র শ্রমিকের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখার কারণেই ১৯৭৪ সালে বিশেষ আইনটি করেছিলেন। এই আইন পুনর্বহালসহ আধুনিকায়নের মাধ্যমে তার প্রতি বর্তমান সরকার সম্মান জানাতে চায়। তিনি যুদ্ধাপরাধী মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িক ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা থাকার কোনও সুযোগ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন। অচিরেই তা গেজেট আকারে প্রকাশ হবে। এই ওয়েজ বোর্ডে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকেও সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্ঠা বলেন, ‘কালো টাকার মালিকদের হাতে যখন গণমাধ্যম চলে যায়, তখন তারা সেটিকে জনস্বার্থ বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে ব্যবহার না করে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে। ফলে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও সাংবাদিকতা নানাভাবে প্রশ্নের মুখে পড়ে।’
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সকল ভেদাভেদ ভুলে নীতি-নৈতিকতার প্রশ্নে এবং দেশের স্বার্থে এক হওয়ার আহ্বান জানান।
সূত্র : বাংলাট্রিবিউন।
ডেস্ক রিপোর্ট : বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট আগামী সপ্তাহে প্রকাশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) বিকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
এর আগে গত ১৭ জুলাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘বৃহস্পতিবারে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট চূড়ান্ত করা হবে ।’
গেজেট প্রকাশে এর আগেও কয়েক দফা সময় নেয় সরকার। বেশ কয়েকবার আদালত ‘শেষবারের মতো’ সময় দিলেও গেজেট করা হয়নি। এ বিধিমালা চূড়ান্ত না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আদালতে তলব করেছিল আপিল বিভাগ।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। এরপর গত বছরের ৭ নভেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য সরকারকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। এজন্য ওই মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
ডেস্ক রিপোর্ট : জঙ্গিবাদ থেকে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকার কারো সঙ্গে কোনো আপোস করবে না। তিনি বলেন, জনগণ সঙ্গে আছে বলেই সরকার বিএনপি-জামায়াতের জ্বালাও-পোড়াও থেকে শুরু করে উগ্রপন্থিদের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। তাই সরকারের কাছে সবার আগে জনগণের নিরাপত্তা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নতুন ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক সুধি সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র চত্বরে আয়োজিত ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে নতুন নতুন পুলিশ ফাঁড়ির ভবন নির্মিত হচ্ছে। নতুন থানা, আদালত ভবন নির্মিত হচ্ছে। সরকার মনে করে, এ সবই বিনিয়োগ করা হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তায়। এর বিনিময়ে সরকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশংসা করে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, হলি আর্টিজানে হামলা ছিল একটা ধাক্কা। তারপর পুলিশ, র্যা বসহ অন্যান্য সববাহিনী তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। সাধারণ মানুষও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করেছে। এখন বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সরকার প্রমাণ করেছে, এ দেশে কোনো জঙ্গিবাদের ঠাঁই হবে না।
সমাবেশে স্থানীয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারা, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি আক্তার জাহান ও কবি কাজী রোজী এবং পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এম. খুরশীদ হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা।
সমাবেশের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ-২ ভবনটি নির্মাণ করে। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ টাকা। –
এখন থেকে পানিতে চাষ করা যাবে তরমুজ, অপেক্ষায় থাকতে হবে না মৌসুমেরও।
হাইড্রোপনিক নামের একটি পদ্ধতিতে তরমুজের চাষ করে সফলতা পেয়েছে পটুয়াখালীর আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র।
তাদের দাবি, এ পদ্ধতিতে বিভিন্ন সবজি, ফুল ও ফল উৎপাদন সম্ভব। এতে কমবে কৃষকের শ্রম ও খরচ।
সারাবছর চাহিদা থাকায় মৌসুমের বাইরে তরমুজ চাষ শুরু করেন পটুয়াখালীর আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। প্লাস্টিক পাইপের মধ্যে ১৬টি খাদ্য উপাদান মিশ্রিত পানি অটোপাম্পের মাধ্যমে সঞ্চালন করানো হয়। আর পাইপ ছিদ্র করে লাগানো তরমুজ চারা বেড়ে ওঠে, মৌসুম ছাড়াই ফল ধরতে শুরু করে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালীর আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইফতেখার মাহমুদ বলেন, বর্ষার সময় বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় মাঠে তরমুজ চাষ করাটা কঠিন। আর তাই এ পদ্ধতিতে আমরা সহজেই তরমুজ চাষ করতে পারি।
বিজ্ঞানীরা বলছেন মাটি থেকে প্রায় ১৭ গুন বেশি চাষাবাদ সম্ভব, মাটিবাহিত রোগ না হওয়া ও কিটনাশকমুক্তভাবে চাষ করা সম্ভব এ পদ্ধতিতে।
পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বলছেন, সবার মধ্যে এ চাষ পদ্ধতি ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।