March 10, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট :‘বিনা নোটিশে’ গুলশানের বাড়ি থেকে রাজউক কর্তৃক উচ্ছেদ কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হয়।
সোমবার (৭ আগস্ট) ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘এই বাড়ি নিয়ে নিম্ন আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা থাকায় আমরা হাইকোর্ট থেকে মামলা প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেছি। আগামীকাল (মঙ্গলবার) এই আবেদনের উপর শুনানি হবে।’
মওদুদের করা রিভিউ খারিজ করে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর ৭ জুন গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর সড়কের ১৫৯ নম্বর প্লটের বাড়ির মালামাল উচ্ছেদ করে বাড়িটি নিয়ন্ত্রণ নেয় রাজউক।
বিনা নোটিশে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ৮ জুন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। বর্তমানে মওদুদ আহমদের করা রিটের শুনানি হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর বেঞ্চে মুলতবি রয়েছে।
ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য ব্যক্তিগত বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে পরে প্রতিক্রিয়া জানাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
রোববার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে, মেট্রোরেলের প্যাকেজ আট এর আওতায় রেলকোচ, রেল ট্রাক, এবং যন্ত্রপাতি সংগ্রহে জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী জানান, মেট্রোরেলের কাজে গতি এসেছে এবং এর ফান্ডিং নিয়েও কোন সমস্যা নেই। এছাড়া বিশেষ উদ্যোগে ২০১৯ সালে উত্তরা তৃতীয় পর্ব হতে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২০ সালে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা হবে বলেও জানানো হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর বিষয়টি অর্থমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন। এটা তার ব্যক্তিগত মতামত। আমরা দলীয়ভাবে এখনো কোনো বক্তব্য দিইনি। আমরা হুট করে কোনো বক্তব্য দিতে চাই না। আমরা বিষয়টি নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা-ভাবনা করছি। এখানে মাথা গরম করে কিছু করার কোনো সুযোগ নেই। ঠাণ্ডা মাথায় আমরা ভাবছি। যথা সময়ে আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাবো।’
ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার খালগুলো যেমন পুনরুদ্ধার করতে হবে তেমনি বুড়িগঙ্গার দূষণ রোধেও সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় পরিবেশ কমিটির সভায় এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় উপকূলীয় অঞ্চলসহ সারাদেশে ব্যাপক বনায়নের কর্মসূচি হাতে নেয়ার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকা নয়- বরং নিজেদেরই আরো সতর্ক হতে হবে। ২০০৯ সালের পর অনুষ্ঠিত পরিবেশ কমিটির আজকের সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শুরুতে সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন- বিগত সরকারগুলো কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় রাজধানীর অধিকাংশ খাল ভরাট হয়ে গেছে। এসব খাল সংস্কারের পাশাপাশি নতুন স্থাপনা নির্মাণের সময় জলাধার রাখার বাধ্যবাধকতা মেনে চলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন- বড় শহরগুলোর পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে। সময়টিভি অনলাইন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭০ সালের নির্বাচনী বক্তৃতায় একটি আধুনিক স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন।
সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে ২৮ অক্টোবর পাকিস্তান টেলিভিশন সার্ভিস ও রেডিও পাকিস্তান আয়োজিত ‘রাজনৈতিক সম্প্রচার’ শীর্ষক বক্তৃতামালার প্রথম বক্তা ছিলেন পাকিস্তান আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত বক্তৃতা ও বিবৃতির সংকলন ‘বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ’ বইয়ের সম্পাদক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার এই বক্তৃতা সম্পর্কে বলেন, ‘পাকিস্তানের ইতিহাসে এটাই প্রথম ক্ষমতাসীনদের বাইরের রাজনীতিবিদরা রেডিও-টিভির মতো গণমাধ্যমে রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচারের সুযোগ পান।’
রামেন্দু মজুমদার এই বইতে ১৯৭০ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর নির্বাচিত বক্তৃতা ও বিবৃতিগুলো পটভূমিসহ বাংলা এবং ইংরেজিতে সংকলন ও সম্পাদনা করেন। ১৯৭২ সালে প্রথম কলকাতার ওরিয়েন্ট লংম্যান প্রকাশনা থেকে ‘বাংলাদেশ মাই বাংলাদেশ’ নামে বইটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়। পরে ১৯৮৯ সালে ঢাকার কথন প্রকাশনী এর বাংলা সংকলন ‘বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ’ প্রকাশ করে। পরবর্তীতে মুক্তধারা ১৯৭২ সালের জুলাই এবং ২০১০ সালে এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশ করে।
বঙ্গবন্ধুর এই নির্বাচনী বক্তৃতাটি পূর্ব পাকিস্তানের শ্রোতাদের জন্য বাংলায় এবং পশ্চিম পাকিস্তানের শ্রোতাদের জন্যে ইংরেজিতে রেকর্ডিং করা হয়। পরের দিন বঙ্গবন্ধুর এই বক্তৃতা পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো ব্যাপকভাবে প্রচার করে।
এই বক্তৃতার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুই প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের গণমাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে ‘বাংলা’ নামে অভিহিত করেন। যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত অনেক শব্দের মতই পাকিস্তান রেডিও-টিভিতে নিষিদ্ধ ছিল।
ঐতিহাসিক এই বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু বৈষম্যহীন, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রূপরেখা তুলে ধরেন। এতে তিনি পূর্ববাংলার স্বায়ত্বশাসনের পাশাপাশি এদেশের জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির পথও নির্দেশ করেন। তিনি কৃষি, শিক্ষা, বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো সম্পর্কেও তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রয়োজন মেটানোর জন্যে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।’ বঙ্গবন্ধু বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সবার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা’র উন্নয়নকে অর্থনৈতিক মৌলিক ভিত্তির প্রথম তিনটি স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবশ্যই প্রথম কর্তব্য হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। জরুরী অবস্থার ভিত্তিতে একটি সুসংহত ও সুষ্ঠু বন্যা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন করা আশু প্রয়োজন।’
তিনি বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় উল্লেখ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নির্মাণের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্রাকৃতির শিল্প গড়ে তুলতে হবে। গ্রামে গ্রামে এসব শিল্পকে এমনভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে, যার ফলে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে বিভিন্ন প্রকার শিল্প সুযোগ পৌঁছায় এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে তিনি উত্তরবঙ্গের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য যমুনা সেতু নির্মাণের আশা প্রকাশ করেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন।
বঙ্গবন্ধু এই বক্তৃতায় কেন্দ্রিভূত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্রে মাত্র ১৫ শতাংশ বাঙালী প্রতিনিধিত্বের কঠোর সমালোচনা করে এর পুনর্বিন্যাসের দাবি জানান।
জাতির জনক গ্রাম ও শহরের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেন। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশে তিনি কুটির শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ, বাজারজাতকরণ ও ঋণদানের সুবিধা দেয়ার প্রস্তাব করেন।
বঙ্গবন্ধু কৃষির আধুনিকায়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তিনি কৃষকদের হাতে প্রয়োজনীয় কৃষি যন্ত্রপাতি, সার, ও বীজ সরবরাহ এবং কৃষি ঋণ দেয়ার সুপারিশ করেন। এই বক্তৃতায় তিনি ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির খাজনা বিলোপ এবং বকেয়া খাজনা মওকুফ করার প্রস্তাব করেন।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষাখাতে বিনিয়োগকে ‘উৎকৃষ্ট বিনিয়োগ’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় উৎপাদনের শতকরা কমপক্ষে ৪ ভাগ সম্পদ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করেন। তিনি স্কুল, কলেজ এবং বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করার সুপারিশ করেন।
তিনি পাঁচ বছর বয়স্ক শিশুদের বাধ্যতামূলক অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং স্বল্পমূল্যে সবার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করার প্রস্তাব করেন।
দেশে মেডিকেল ও কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়সহ নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপরও জোর দেন। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টিও তিনি নজরে আনেন।
বঙ্গবন্ধু সবার জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘পল্লী চিকিৎসা কেন্দ্র’ নির্মাণের প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি ইউনিয়নে একটি করে পল্লী চিকিৎসা কেন্দ্র এবং প্রতি থানা সদরে একটি করে হাসপাতাল অবিলম্বে স্থাপনের দরকার।’ তিনি চিকিৎসা গ্রাজুয়েটদের জন্য ‘ন্যাশনাল সার্ভিস’ প্রবর্তন এবং পল্লী এলাকার জন্য বিপুল সংখ্যাক প্যারা মেডিকেল পার্সোনেলদের ট্রেনিং দেয়ার সুপারিশ করেন।
জাতির পিতার দেখানো পথ অনুসরণ করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ ১০টি উদ্যোগের মধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে অন্তর্ভূক্ত করেন। বর্তমানে ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সারাদেশে হাজার হাজার মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে। বাসস
ডেস্ক রিপোর্ট : মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধে দেশপ্রেমিক নাগরিক হয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে বিসিএস কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
রোববার সকালে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ৬৫তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তিনি। খাদ্যমন্ত্রী সৎ ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবার মনোভাব নিয়ে বিসিএস কর্মকর্তাদের কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেম যদি আপনার মধ্যে না থাকে। তবে কখনোই আপনি বড় বা ভালো কর্মকর্তা হতে পারবেন না। দেশের ইতিহাস আপনাকে জানতে হবে, মুক্তিযুদ্ধকে আপনাকে জানতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশপ্রেমকে নিজের মধ্যে লালন করতে হবে আপনাকে। তাহলেই একজন দেশপ্রেমিক কর্মকর্তা আপনি হতে পারবেন। এবং আপনার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবেন।’
ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশের গণতান্ত্রিক শক্তির বিকাশের জন্য যে কোন রাজনৈতিক দলের জোটকে স্বাগত জানানো হবে।
তিনি বলেন, তবে তারা জোটের নামে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে আঘাত করতে চাইলে রাজনৈতিক ভাবেই তাদের মোকাবেলা করা হয়।
আমু আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে আয়োজিত এক আলোচনা এ কথা বলেন।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র এবং দেশের বিশিষ্ট ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের ৬৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, ‘ জাতীয় নির্বাচন সামনে । অনেক কোয়ালিশন (জোট) হবে। গণতান্ত্রিক পর্যায়ে তা হতেই পারে। গণতান্ত্রিক শক্তির বিকাশে যে কোন রাজনৈতিক জোটকে স্বাগত জানানো হবে।’
বানিজ্য মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াতে ইসলামীসহ যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের বিচার চলছে।
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বেশ কয়েকটি মামলার রায় হয়েছে এবং বিচারের রায়ও কার্যকর হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে তাঁদের ষড়যন্ত্র আরো পাকা হয়েছে।
আমু বলেন, তাদের সহযোগিরা তাদের পাশে রয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির মুখপাত্র হয়ে তারা কাজ করছে তারা নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ(লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড) প্রতিষ্ঠার নামে তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে চায়।
আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ নাথের পরিচালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আফজালুর রহমান বাবু, ও ড. উৎপল কুমার সরকার প্রমূখ।
আমির হোসেন আমু বলেন, শহীদ শেখ কামাল দেশের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি (শেখ কামাল) আজ জীবিত থাকলে দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব দিতেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর আবাহনী ক্রীড়াচক্রের যে জনপ্রিয়তা দেখা গেছে তা মূলত বঙ্গবন্ধু ও শেখ কামালেরই জনপ্রিয়তার কারনেই।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা তার মধ্যে এক অকুতোভয় দৃপ্ততা লক্ষ্য করেছিলাম। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পুত্র হিসেবে তার মধ্যে কোন অহমিকা ছিল না।বাসস
ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ক্ষমতার কাছে থেকেও শেখ কামালের কোন হাওয়া ভবন ছিল না। বাংলাদেশে একজন ক্ষমতায় আসেন, হয়ে যায় বিকল্প পাওয়ার সেন্টার, হাওয়া ভবন গড়ে তোলেন। গর্ব করে বলতে পারি বঙ্গবন্ধুর পুত্র শেখ কামালের কোন হাওয়া ভবন ছিল না। ক্ষমতার কাছে থেকেও তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে শহীদ শেখ কামালের ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ কামালের মধ্যে যেসব গুণাবলী ছিল তা তার সমসায়িককালের কারও মধ্যে আমি দেখিনি। শেখ কামাল পরবর্তী নির্বাচনের জন্য কাজ করেননি তিনি কাজ করেছিলেন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।
সতীর্থ-স্বজন আয়োজিত এই আলোচনা সভার সভাপতিত্বে করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশীদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, সংস্কৃতি ব্যাক্তিত্ব পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
যোড়ষসংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে বিএনপিকে ইঙ্গিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেউ কেউ সুপ্রীমে কোর্টে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হওয়ায় মহাখুশি। এরা এভাবেই খুশি হয়। আনন্দে নৃত্য শুরু করে। কিছুক্ষণ আগে বিএনপির এক নেতা বলেছেন, তারা (বিএনপি) আশার আলো দেখছেন। অন্য ইস্যু সামনে এলে তাদের এই আশার আলো অচিরেই নিবে যাবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আসুন। ঘটনায় দুর্ঘটনায় ইস্যু খুঁজে লাভ নাই।
৫৭ ধারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। এটা প্রবণতা আত্মঘাতী।বাসস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট : নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘বিএনপি এখন কুঁজোর দলে পরিণত হয়েছে। তাদের ক্ষমতার যাওয়ার সাধ আছে, কিন্তু সাধ্য নেই।’ শনিবার (৫ আগস্ট) মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘ সিবিএ’র নির্বাচিত কর্মকর্তাদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার জন্য কখনও সহায়ক সরকারের কথা বলছে, কখনও বলছে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাব না। আবার একই সঙ্গে তারা নির্বাচনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে।’ শাজাহান খান আরও বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি যে পাপ লালন করেছে, সে পাপই তাদের ধ্বংস ডেকে নিয়ে এসেছে।’
পরে মন্ত্রী বন্দর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মংলা বন্দর উপদেষ্টা কমিটির ১৪তম সভায় যোগ দেন। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর এ কে এম ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী ছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তালুকদার আ. খালেক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, পৌর মেয়র জুলফিকার আলীসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এরপর নৌমন্ত্রী ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে দিগরাজ এলাকায় বন্দরের জমিতে নির্মিত পৌর ট্রাক টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।বাংলাট্রিবিউন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট : বাতিল হওয়া ষোড়শ সংশোধনী সংশোধনের পথ অনুসরণ করলে সরকার ভুল করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
তিনি বলেন, ‘সরকারের একজন সিনিয়র মন্ত্রী বলেছেন ষোড়শ সংশোধনী যতবার বাতিল করা হবে, ততবার সংসদে পাস করা হবে। যা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর কথা। কারণ এতে প্রমাণ হয় সুপ্রিম কোর্ট ও বিচার বিভাগের ওপর এই সরকারের আস্থা নেই। তারা (সরকার) বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না।’
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনঃ প্রয়োজন রাজনৈতিক ঐক্য’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মওদুদ আহমদ এসব কথা বলেন।
‘নাগরিক ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন এ সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহিল মাসুদ।
মওদুদ আহমদ বলেন, ‘সরকার যদি মনে করে তারা বিচার বিভাগের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে, তাহলে সরকার হেরে যাবে। কেননা অতীতেও যারা বিচার বিভাগের ওপর হাত দিয়েছে, তাদের হাত পুড়ে গেছে। কাজেই ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় শুধু ঐতিহাসিক নয় বরং দেশের ১৬ কোটির মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন। এই রায় এখন জাতীয় দলিল। ফলে যারা এই রায়ের অবমূল্যায়ন করতে চান কিংবা উদ্যোগ নেন তাহলে অনুশোচনা করবেন এবং এতে করে সরকারের পতন আরও দ্রুতগতিতে হবে।’
সরকার আগামী নিবাচনে পরাজিত হওয়ার ভয়ে বিরোধীদলের ওপর ষড়যন্ত্র ও নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে মন্তব্য করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে গেছেন। এটা আদালত অবগত রয়েছেন। অথচ এ নিয়ে শুরু হয়েছে ষড়যন্ত্র। সরকার থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিরা খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে নানান ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। তাদের হুঁশিয়ারি দিতে চাই- ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দুর্বল করা যায়নি বরং বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে।’
দেশে গণতন্ত্র ও রাজনীতি নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতাসীনদলের মহানায়করা যারা কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা যদি তাদের এলাকায় আমাদের (বিএনপি) ঘরোয়া পরিবেশে হলেও বৈঠক করার সুযোগ না দেন; তাহলে তাদের কাছ থেকে কী করে গণতন্ত্র আশা করা যায়।’
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে তাদের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। এদের অধীনে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এরা নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে বলব- যদি নির্বাচনী পরিবেশ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে সাহস না পান তাহলে পদত্যাগ করুন।’
সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘এক বছরের মধ্যে আগামী নির্বাচন হবে, এটা সত্য। বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সেই নির্বাচনে অংশ নেবে এটাও সত্য। আরেকটি সত্য হচ্ছে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে না। কারণ দলীয় সরকার ও শেখ হাসিনার অধীনে যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে না, তার প্রমাণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাসুজ্জামান দুদু, গণফোরামের নির্বাহী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. এস এম হাসান তালুকদার, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. মাইনুল ইসলাম প্রমুখ।
ডেস্ক রিপোর্ট : যে তরুণের হাত ধরে বাংলাদেশের লাখো তরুণ আলোর মিছিলে হাটতে শুরু করেছিলো। যার সহচর্যে হাজারো তরুণ ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে জ্বলে উঠেছিলো। তেজদীপ্ত সেই তরুণের নাম শেখ কামাল। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শহীদ শেখ কামাল।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের কালরাতে ঘাতকদের বুলেটের নির্মম আঘাতে মাত্র ২৬ বছর বয়সে জীবনাবসান হয় তার। নিভে যায় দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারান শেখ কামালের নববধূ সুলতানা কামাল।
১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্ম নেন শেখ কামাল। ভাই-বোনদের মধ্যে ছিলেন দ্বিতীয়। ঢাকার শাহীন স্কুল থেকে এসএসসি ও ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।
এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএ পাস করেন। শেখ কামাল শৈশবকাল থেকেই ক্রীড়া ও সংস্কৃতি প্রেমী ছিলেন।
শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। মঞ্চে অভিনয় ও ছায়ানটে সেতার বাজানোও শিখতেন। দেশের নামকরা ক্রীড়া সংগঠন আবাহনী ক্রীড়াচক্র প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সংগ্রামী কর্মী ও সংগঠক হিসেবে ৬৯ এর গণ-আন্দোলন ও ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনে শেখ কামাল অংশ নেন।
শেখ কামাল একাত্তরের ২৫শে মার্চ সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন ও তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এম এ জি ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডে শেখ কামাল ও সুলতানা কামালের জীবন প্রদীপ নিভে যায়। মাত্র ২৬ বছর বয়সে জীবনের ইতি ঘটে তার।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ শহীদ শেখ কামাল-কে স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়। আরটিভি