পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ডেস্ক রিপোর্ট : জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ রুখতে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে চালু রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বৃহস্পতিবার শিল্পকলা পদক-২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঘটনা বিশ্ববাসীকে ভাবিয়ে তুলেছে। বস্তুত কোনো ধর্মই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সমর্থন করে না। আমাদের শিশু, কিশোর ও যুবাদের ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিষবাষ্প থেকে দূরে রাখতে তাদের মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

“তাদের জানাতে হবে, আমাদের এই মাতৃভূমিতে জঙ্গিবাদ বা সাম্প্রদায়িকতার কোনো স্থান নেই। হাজার বছর ধরে নানা জাতি-ধর্মের মানুষ এই ভূখণ্ডে শান্তিপূর্ণভাবে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের সুমহান ঐতিহ্য। সম্মিলিতভাবে এ ঐতিহ্যকে অব্যাহত রাখতে হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আধুনিক, প্রগতিশীল ও সৃজনশীল জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।”

অনুষ্ঠানে ২০১৬ সালের পুরস্কারের জন্য মনোনীত সাতজনকে পদক দেন রাষ্ট্রপতি।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন- সঙ্গীতে মিতা হক, চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকার, যন্ত্রসঙ্গীতে পণ্ডিত পবিত্র মোহন দে, নৃত্যকলায় মো. গোলাম মোস্তফা খান, আলোকচিত্রে গোলাম মুস্তাফা, লোকসংস্কৃতিতে সিরাজউদ্দিন খান পাঠান এবং নাট্যকলায় সৈয়দ জামিল আহমেদ।
পদকের সঙ্গে সবাইকে এক লাখ টাকার চেক ও সনদ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের লোকসংস্কৃতির ঐত্যিহের কথা তুলে ধরে আবদুল হামিদ বলেন, “আমাদের লোকসাহিত্যের ঐতিহ্য বহু প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও লোকগাঁথা। এসব সম্পদ সংগ্রহ করে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা গেলে এগুলোই হতে পারে বিশ্ব সংস্কৃতি ও সভ্যতার মূল্যবান সম্পদ। তাই আমি শিল্পীসমাজের প্রতি অনুরোধ জানাব আপনারা এ লক্ষ্যে সর্বোচ্চ প্রয়াস চালাবেন।”

“আমরা সবাই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে চাই। আর সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন একমাত্র শিল্পীরাই দেখাতে পারে। শিল্পীরাই পারে অসুন্দরের মধ্য থেকেও সুন্দরকে বের করে আনতে।”

পদকপ্রাপ্তদের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি।

“আজ যারা পুরস্কৃত হলেন, আপনারা সমাজের ‘সেলিব্রিটি’, ‘তারকা’, বা ‘আইডল’। আপনারা জনপ্রিয়। সাধারণ মানুষ বিশেষত তরুণ সমাজ আপনাদের অনুকরণ করতে পছন্দ করে। তাই মানুষের প্রতি আপনাদের দায়বদ্ধতাও অনেক বেশি। আমি আশা করি আপনারা আপনাদের শিল্পকর্মে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ও জাতিসত্তার পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, মাদকাসক্তিসহ সামাজিক সমস্যাবলী তুলে ধরবেন।

“এতে সাধারণ মানুষ অনেক বেশি সচেতন হবে এবং সৃজনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। নিজ নিজ ক্ষেত্রে নৈপুণ্য, উৎকর্ষ ও বিশেষ অবদানের জন্য আপনারা আজ শিল্পকলা পদকে ভূষিত হলেন। এটি অত্যন্ত গৌরবের, সম্মানের। আমি আশা করি, এই পুরস্কার আপনাদেরকে নিজ নিজ অঙ্গনে আরো অবদান রাখতে উৎসাহিত করবে। আপনাদের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে তরুণ শিল্পীরাও উৎসাহিত হবেন। আমি মনে করি এ পুরস্কার আপনাদের দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিলো।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি সচিব মো. ইব্রাহিম হোসেন খান। আরও বক্তব্য রাখেন, সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, শিল্পী মিতা হক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী প্রমুখ।
পরে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দেখেন রাষ্ট্রপতি।

Posted in জাতীয় | Comments Off on সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মাদক পাচার রোধে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্বার জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদক পাচার রোধে নাফ নদীতে সাময়িকভাবে মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে ‘বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলে একথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ড্রাগ এডিকশন  .. হেরোইন, ইয়াবা এগুলোকে চেক দিতে হবে। সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে। নাফ নদীতে কিছু দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।”
টেকনাফের নাফ নদী দিয়ে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে প্রায়ই ইয়াবা পাচারের খবর পাওয়া যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার থেকে মাঝেমধ্যেই ইয়াবা আটক করে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ১০ সদস্যের চিকিৎসক প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জাতীয় অধ্যাপক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মালিক। অধ্যাপক দীন মোহাম্মদও প্রতিনিধি দলে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী এসময় রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর উপর জোর দেন।

প্রতিনিধি দলটি অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার এবং তামাকমুক্ত দেশ গড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে বলে জানান প্রেস সচিব।

এর আগে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একনেকে অনুমোদিত ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন এবং সরকারি কলেজসমূহের বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের সংশোধিত নকশা উপস্থাপন করা হয়।

এর মধ্যে ছিল প্রস্তাবিত শের-ই-বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (সাবেক নারী শিক্ষা মন্দির) এবং গোপালগঞ্জের শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নকশা।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানাজালা প্রধানমন্ত্রীর সামনে বিদ্যালয় দুটির নকশার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তা দেখে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন বলে জানান প্রেস সচিব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয় ভবনগুলোতে আলো-বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা এবং টানা বারান্দা থাকতে হবে।

এছাড়াও জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা, অগ্নিসঙ্কেত ব্যবস্থা রাখতে বলেন তিনি। টয়লেটগুলোতে ছুটির ঘণ্টার (যাতে স্কুল ছুটির পর কোনো শিক্ষার্থী যেন সেখানে আটকা না থাকে) ব্যবস্থা রাখার কথাও তিনি বলেন বলে জানান ইহসানুল করিম।

অনুষ্ঠোনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, মূখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on মাদক পাচার রোধে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ: প্রধানমন্ত্রী

বন্যার্তদের ১২ হাজার টন চাল বরাদ্দ : মায়া

ডেস্ক রিপোর্ট : বন্যা কবলিত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত ১২ হাজার মেট্রিকটন চাল, তিন কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সরবরাহ করা হয়েছে ৫০ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি নির্মাণে তিন হাজার বান্ডিল ঢেউটিন ও ৯০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এ তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বন্যার্তদের ঋণের কিস্তি আদায় না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন। মায়া বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসে মন্ত্রী জানান, উত্তরে পানি কমতে শুরু করেছে, তবে এই পানি এসে দেশের মধ্যাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যা ও নদী ভাঙন সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য সরকারের যাবতীয় প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয়, সারা দেশ | Comments Off on বন্যার্তদের ১২ হাজার টন চাল বরাদ্দ : মায়া

রাষ্ট্রপতি আজ শিল্পকলা পদক প্রদান করবেন

দেশের শিল্প-সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সাত গুণীজনকে শিল্পকলা পদক প্রদান করা হবে আজ বৃহস্পতিবার। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে পদক তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

পদকপ্রাপ্তদের ১ লাখ টাকার চেক, স্বর্ণপদক ও সনদপত্র দেওয়া হবে। যন্ত্রসংগীত, নৃত্যকলা, ফটোগ্রাফি, চারুকলা, লোকসংস্কৃতি, নাট্যকলা ও সংগীতশিল্পে অবদানের জন্য সাতজন গুণী শিল্পীকে এ পদক দিয়ে সম্মানিত করবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী উপস্থিত থাকবেন।

Posted in জাতীয়, বিনোদন | Comments Off on রাষ্ট্রপতি আজ শিল্পকলা পদক প্রদান করবেন

স্কুল-কলেজের সংশোধিত নকশা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজের বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে একনেক অনুমোদিত সংশোধিত নকশা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশোধিত নকশার বিভিন্ন দিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামনে উপস্থাপন করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে শের-ই-বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং গোপালগঞ্জ সদরের শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নকশা উপস্থাপন করা হয়।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, শিক্ষা সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয়, শিক্ষা ও সংস্কৃতি | Comments Off on স্কুল-কলেজের সংশোধিত নকশা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন

‘ভিভিআইপি নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যেন সাধারণ মানুষ হয়রানি না হয়’

ডেস্ক রিপোর্ট : রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ (ভিভিআইপি) ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যেন সাধারণ মানুষ হয়রানি ও দুর্ভোগে না পড়ে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুষ্ঠু ও নিশ্ছিদ্র প্রয়োগ নিশ্চিত করতে গিয়ে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের কর্মকাণ্ডের দ্বারা জনজীবন যাতে কোনোভাবেই বিপর্যস্ত না হয় সেদিকেও বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে অযথা হয়রানি ও দুর্ভোগের শিকার না হয় সে ব্যাপারেও সজাগ থাকতে হবে।”

বুধবার এসএসএফ’র ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপ্রধান এসব কথা বলেন।

এসএসএফ সদস্যদের অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করার কথাও মনে করিয়ে দেন আবদুল হামিদ।

তিনি বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির আলোকে দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানসহ ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের কাজটি খুব সহজ নয়, বরং অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও জটিল। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এসএসএফ-এর কার্যক্রমে অনুকূল পরিবর্তন আনতে হবে। ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আপনারা মূল দায়িত্ব পালন করলেও বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই দায়িত্ব পালনকালে সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ”

নিরাপত্তার কারণে যাতে জনগণের অধিকার খর্ব না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে বলেন আবদুল হামিদ।
তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। আমাদের পবিত্র সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’। তাই ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা প্রদানে জনগণের অধিকার যাতে কোনোভাবেই খর্ব না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

“মনে রাখতে হবে, যারা আজ ভিভিআইপি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন তারা সকলেই জনগণের সমর্থন, সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েই এ পর্যায়ে এসেছে। তাই জনগণের সাথে তাদের রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক এবং একই সাথে দায়বদ্ধতা।

“ভিভিআইপিদের জন্য নিরাপত্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি জনসম্পৃক্ততাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একজন জননেতা তার কর্মী, সমর্থক ও ভক্তদের কাছে সব সময়ই আশা-ভরসার প্রতীক। তাই নেতার কাছে তাদের প্রত্যাশাও অনেক বেশি। এ যেন এক অলিখিত বন্ধন। তাই রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা যাতে জনবিচ্ছিন্ন না হয়ে যান দায়িত্ব পালনকালে তা নিশ্চিত করতে হবে।”

আবদুল হামিদ বলেন, “বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যে সব আমন্ত্রিত অতিথিরা আসেন তারাও সমাজে সম্মানিত ব্যক্তি। অনুষ্ঠানে তারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে অংশগ্রহণ করতে পারেন সে বিষয়টিও মনে রাখতে হবে। এজন্য আপনাদের আরও কৌশলী হতে হবে। ‘নিরাপত্তা’ ও ‘জনসংযোগ’ এ দুয়ের সংমিশ্রণে আপনারা দায়িত্ব পালন করে যাবেন-এ প্রত্যাশা করি।”
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তিন বাহিনীর প্রধান, এসএসএফ’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ‘ভিভিআইপি নিরাপত্তা দিতে গিয়ে যেন সাধারণ মানুষ হয়রানি না হয়’

অবসরের পর শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখবেন মুহিত

ডেস্ক রিপোর্ট : অবসর নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “গ্রন্থটির সম্পাদক শেখ হাসিনাকে নিয়ে আমার একটি প্রবন্ধ চেয়েছেন। কিন্তু আমার লেখার সময় হয়ে ওঠেনি। কিন্তু আমি অবসরের পর শেখ হাসিনাকে নিয়ে নিশ্চয়ই লিখব।”

বুধবার বিকালে জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা’ শিরোনামে শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলনটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান হয়।

১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে শেখ হাসিনার সাহচর্য, সহযোগিতার নানা দিক তুলে ধরে মুহিত বলেন, “এতদিন ধরে আমার কর্মস্পৃহা, কর্মোদ্যম একই পথে চলছে, তার পেছনে দ্য গ্রেট লিডারের ইনসপেরেশন, অ্যাসিস্টেন্সি রয়েছে।”

বইটি নিয়ে আলোচনায় তিনি বলেন, “গ্রন্থটির বিশেষত্ব হচ্ছে, এতে প্রতিটি রচনার পাশাপাশি ঠাঁই পেয়েছে বেশ কিছু দুর্লভ ছবি।”

বইয়ে অর্মত্য সেনের লেখা প্রবন্ধ ‘শান্তি ও গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ প্রবন্ধটি উদ্ধৃত করে মুহিত বলেন, “শেখ হাসিনা এখন এক বিশ্ব সম্পদ, বিশ্বনেতাদের কাতারে তিনি একজন। তার এই অগ্রযাত্রায় আমরা গৌরব করতে পারি। তার এই আসন আমরা কোনোভাবে বিচ্যুত হতে দিতে পারি না।”
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, “বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষা, সাহস-শক্তির প্রতীক। তারপর ভাবছিলাম এই উপাধি কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে? তখনই ভাবলাম নানা চড়াই উৎরাই অতিক্রম করে উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে সাহসী অবদান তো একজনই রেখেছেন, তিনি আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারকে ‘উন্নয়নের দর্শন’ অভিহিত করে পিকেএসএফ-এর সভাপতি কাজী খলীকুজ্জামান আহমদ বলেন, “দর্শন বোঝার জন্য আর কিছু দরকার নাই।বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের পর এই ইশতেহারে অর্থনৈতিক দিকদর্শন খুঁজে পাই।”

বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্ট ও সময় উন্নয়ন সোসাইটির সহযোগিতায় সাংবাদিক ও সংগঠক টি এইচ এম জাহাঙ্গীরের সম্পাদনায়, বাংলা টাইমস প্রকাশনী থেকে ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা’ গ্রন্থটিতে ৩৪টি প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। এতে শেখ হাসিনার জীবনীর পাশাপাশি রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক অগ্রগতিতে তার ভূমিকার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ স্টাডি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এ কে আবদুল মোমেনের সভাপতিত্বে প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী, ই্নভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মজিব উদ্দিন আহমদ, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী, আরডিএ মহাপরিচালক প্রকৌশলী এম এ মতিন অতিথি হিসেবে ছিলেন।

সূত্র :বিডিনিউজ২৪।

Posted in জাতীয়, লাইফস্টাইল | Comments Off on অবসরের পর শেখ হাসিনাকে নিয়ে লিখবেন মুহিত

আ. লীগ আসলে পুরস্কার, বিএনপি থাকলে তিরস্কার

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত হয়। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে পাঁচবার বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করে আন্তর্জাতিকভাবে দেশকে তিরস্কৃত করে।’

বুধবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৭’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য উৎপাদন ও মৎস্য সম্প্রসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা মৎস্য অধিদফতরকে এডওয়ার্ড ট্রমা পুরস্কারে ভূষিত করে।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত হয়। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল পাঁচ বছরই বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। আন্তর্জাতিকভাবে তারা বাংলাদেশকে তিরস্কৃত করে। আর আওয়ামী লীগ থাকলে পুরস্কৃত হয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রথমবার ক্ষমতায় এসে ১৯৯৮ সালে জাতীয় মৎস্যনীতি প্রণয়ন করি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলমহল রক্ষা, সমাজভিত্তিক মাছ চাষ এবং মাছের প্রজননের অভয়াশ্রম তৈরি, এ সব কাজ আমরা করি।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেগুলো আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেই। দেশে মৎস্য চাষ এবং সম্পদের সঙ্গে প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত রয়েছে। কাজেই আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জিডিপিতে একটা বিরাট অংশ এই মৎস্য উৎপাদন থেকেই আসে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা এমন একটা সময় ছিল, মানুষ একবেলা  খেতে পেতো না। এত দরিদ্র মানুষ আমাদের দেশে ছিল। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে গবেষণা শুরু করি। আপনারা জানেন, ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করি। শুধু খাদ্য দিলে হবে না, পুষ্টিও দিতে হবে। সেজন্য মৎস্য চাষের ওপরে আমরা গুরুত্ব দেই।’ 

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমানার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সমুদ্রসীমা আইন করে দিয়ে যান। কিন্তু পঁচাত্তরের পরে জিয়া সরকার, এরশাদ সরকার, খালেদা জিয়া সরকার তারা কোনও সময় এ বিষয়ে কোনও উদ্যোগ নেয়নি। ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা সমুদ্রসীমা আইন করেন। আর ১৯৮২ সালে জাতিসংঘ সমুদ্রসীমা আইন করে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে কিন্তু আমাদের সমুদ্রসীমার বিষয়ে উদ্যাগ নেই। দু’টি প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে আমাদের ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে হবে। ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। ২০০৯-এ যখন সরকার গঠন করি তখন দেখি, আমরা যেখানে রেখে এসেছিলাম, সেখানেই পড়ে আছে। আমরা উদ্যোগ নিলাম। দু’টি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আন্তর্জাতিক আদালতে আইনি লড়াই করে আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সমুদ্র সম্পদকে আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে পারি। সমুদ্র সম্পদ আমাদের কাজে লাগাতে হবে। এখানেও আমাদের বিশাল মৎস্য ভাণ্ডার আছে। গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের অভিজ্ঞতা আমাদের নাই। ইতোমধ্যে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। একটা সার্ভে জাহাজ কিনেছি। তবে আমি মনে করি, একটা বড় সার্ভে জাহাজ এবং গবেষণা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে এই সম্পদ কিভাবে আমরা কাজে লাগতে পারি, সেদিকে  বিশেষভাবে দৃষ্টি দিচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশি-বিদেশি ভোক্তাদের মানসম্পন্ন চিংড়ি সরবরাহ করতে জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা প্রণয়ন করি।বাগেরহাটে চিংড়ি গবেষণা ইনস্টিটিউট আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি। মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করণের লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন নীতিমালা ও গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছি।’

মৎস্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য রফতানির সময় আমাদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনোভাবেই আমাদের বিরুদ্ধে কোনও প্রকার অভিযোগ না আসে। হঠাৎ মুনাফার লোভে কিছু কিছু মানুষের ভেজাল দেওয়ার প্রবণতা আছে। ভেজাল দিয়ে বেশি মুনাফা করতে গিয়ে নিজের ব্যবসারও সর্বনাশ, দেশেরও সর্বনাশ। এই পথে যেন কেউ না যান। সামান্য একটু মুনাফার লোভে নিজের ব্যবসাটা নষ্ট করবেন না। দেশের সম্মান নষ্ট করবেন না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিদেশে মাছ রফতানি করি। তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। এক সময় ফরমালিন সম্পর্কে সবাই খুব উঠে-পড়ে উদ্বিগ্ন ছিল। আমরা কিন্তু ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ করেছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি সোনার মাটি। আমরা একটু চেষ্টা করলেই যে কোনও ফসল ফলাতে পারি। হাওর অঞ্চলে আমরা যে ফসল ফলাতে চাই, প্রায়ই সেখানে আগাম বন্যা হয় আর ফসল নষ্ট হয়। সেখানে মৎস্য চাষের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু মাছ উৎপাদন নয় সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং প্রক্রিয়াজাত করা। সিলেট এবং উত্তরবঙ্গের রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগে টেস্টিং ল্যাব থাকা দরকার।’

তিনি বলেন, ‘জাটকা ইলিশ না ধরা, মা ইলিশ রক্ষা করা। শ্রাবণ মাসে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে ১ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে। ইলিশের সাইজটাও একটু বড় হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৈশাখ মাসে ইলিশ খাওয়ার একটা ধুম পড়েছিল। কোনও যুক্তি নেই। আমি আহ্বান করেছি, পহেলা বৈশাখে ইলিশ মাছ খেতে হবে এরকম কোনও কথা নেই। এ সকল পদক্ষেপের সুফল আমরা পাচ্ছি। আমি তো একেবারে বন্ধ করে দিয়েছি। বৈশাখে ইলিশ মাছ খাই না, খাবো না।’

সূত্র জনকন্ঠ।

Posted in জাতীয়, রাজনীতি | Comments Off on আ. লীগ আসলে পুরস্কার, বিএনপি থাকলে তিরস্কার

‘বাংলাদেশ আগামী বছর মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক বলেছেন, আগামী অর্থবছরে ব্যাপক পরিসরে ৪২ লাখ মেট্রিক টনের ওপরে মাছ উৎপাদন করে দেশ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।
 
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৭ শুরু উপলক্ষে মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৮ দশমিক ৭৮ লাখ টন মাছ উৎপাদন করেছে। আমরা আশা করছি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ দশমিক ৫০ লাখ টনে উন্নীত হবে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। সপ্তাহটি পালন উপলক্ষে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে ও সারাদেশব্যপী মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন,বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন এবং গণভবনের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আগামী ২৪ জুলাই বঙ্গভবনের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।

Posted in জাতীয়, সারা দেশ | Comments Off on ‘বাংলাদেশ আগামী বছর মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে’

১৫ আগস্ট উপলক্ষে কোনও চাঁদাবাজি নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে কোনও ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। জাতীয় শোক দিবসে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মন্ত্রী ওই সভা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় শোক দিবসে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়িসহ এর আশপাশের এলাকা, গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া ও রাজধানীর বনানী কবরস্থান এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এদিন দেশের যেকোনও স্থানে কোনও ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এসময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিঞা ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয়, রাজনীতি | Comments Off on ১৫ আগস্ট উপলক্ষে কোনও চাঁদাবাজি নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud