May 8, 2026
ডিনিউজ ডেস্ক : স্যাটেলাইট চ্যানেল ও ইন্টারনেটসহ আকাশ সংস্কৃতির মাধ্যমে পর্নোগ্রাফির অবাধ বিস্তার ধর্ষণ বৃদ্ধির নেপথ্যে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজবিজ্ঞানী, অপরাধ বিশ্লেষক, শিক্ষক, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে স্মার্ট ফোনের বদৌলতে কিছুই আর হাতের নাগালের বাইরে থাকছে না। আগে তবুও ভিসিআরের শরণাপন্ন হতে হতো। তাই পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতাকেই এর পেছনে দায়ী করার সময় এসেছে। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া, সামাজিক অবক্ষয়, মানবিক গুণাবলিসমৃদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার অভাবের কারণেই মূলত এসব অপরাধ বাড়ছে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে দিন দিন বাড়ছে ধর্ষণের ঘটনা। চলন্ত গাড়ি, ভাসমান নৌকা, কর্মস্থল, বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে এসব ঘটনা। ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন শিশু থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, আগের মাসগুলোর তুলনায় চলতি মাসে ধর্ষণের মতো গর্হিত অপরাধ আশংকাজনক হারে বেড়েছে। এ ব্যাপারে জরুরি ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে এটি ভয়াবহ এক সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিতে পারে বলে আশংকা বিশেষজ্ঞদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণের ঘটনা প্রতিরোধে আইনশৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। অপরিচিত অথবা স্বল্প সময়ের পরিচিত, ফোন বা ফেসবুকে পরিচিত লোকজনের সঙ্গে কোথাও না যাওয়ার জন্য নারীদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এ ছাড়া কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শপিং মল ও যানবাহনে দু-তিনজন নারী একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করতে হবে। আর নিকটস্থ থানা-পুলিশের ফোন নম্বর মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ ছাড়া ধর্ষণ প্রতিরোধে সরকারের প্রতি বেশকিছু সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বিদ্যমান আইনের সংস্কার, আইনের যথাযথ প্রয়োগ, পুলিশের আলাদা তদন্ত ইউনিট গঠন, ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাউনন্সিলিংয়ের জন্য একজন মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ দেয়া।
মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫৮টি ধর্ষণের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩৩, ফেব্রুয়ারিতে ৪৪, মার্চে ৪০ ও এপ্রিলে ৪১টি। এ ছাড়া চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৬৮টি ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে শিশু ধর্ষিত হয়েছে ৭, কিশোরী ২০, স্কুল ও কলেজের ছাত্রী ২৫, গৃহবধূ ১০, গৃহপরিচারিকা ১ এবং গার্মেন্ট শ্রমিক, শ্রমিক ও শপিং মলের বিক্রয়কমী ৬ জন।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৪ সালে ৭০৭ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৮ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন ১৩ জন নারী।
বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুহিত কামাল এ প্রসঙ্গে বলেছেন, নারী নির্যাতন যুগে যুগে ছিল এখনও আছে। কিন্তু এখন সেটা বেড়েছে। ধর্ষণের অন্যতম কারণ প্রবৃত্তিগত তাড়না। এর মোটিভ হচ্ছে প্রবৃত্তির ওপর অনিয়ন্ত্রণ। আমরা সব সময় ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক মূল্যবোধের কথা বলি কিন্তু বর্তমানে ধর্ষণের যেসব ঘটনা ঘটছে তার নেপথ্যে বৈশ্বিক (গ্লোবাল) সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এখন ইন্টারনেটে সর্বাধিক হান্টিং হয় পর্নো ওয়েবসাইটগুলো। সেখানে পেশাদার মেয়েদের কার্যকলাপ, তাদের বেপরোয়া যৌনক্রিয়ার চিত্র আমাদের তরুণদের মনে গেঁথে যাচ্ছে। তরুণ যুবকরা পর্নোছবিতে যেসব দৃশ্য দেখছে; তার আবেগের মধ্যে সেই উপলব্ধি উপস্থিত হচ্ছে। যারা তার বোন, যারা তার মা হতে পারে তাদের ওই সব তরুণ সেভাবে শ্রদ্ধার চোখে দেখতে পারছে না। ফলে তারা হিংস্র হয়ে উঠছে এবং ধর্ষণের মতো গর্হিত অপরাধ ঘটাচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ড. সাদেকা হালিম বলেন, নারী নির্যাতন বা ধর্ষণ নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু বর্তমানে যে ধারা চালু হয়েছে চলন্ত গাড়িতে ধর্ষণ, ট্রাকে ধর্ষণ সেটা ভারত এবং উন্নত বিশ্বে আগে দেখা গেছে। এখন এটা আমাদের সমাজেও শুরু হয়েছে। গণমাধ্যমের বদৌলতে আমরা সেসব খবর জানতে পারছি। এক জরিপে দেখা গেছে, উন্নত বিশ্বেই ৫৪ শতাংশ নারী রিপোর্ট করেন না। বাংলাদেশেরও অনেক রিপোর্ট গণমাধ্যমে আসছে না। অনেকে পুলিশের কাছেও যাচ্ছেন না।
সাদেকা হালিম বলেন নারীদের প্রতি পরামর্শ হিসেবে বলেন, কাউকে না কাউকে তো বিশ্বাস করতেই হবে। বিশ্বাসের পাশাপাশি নারীদের উচিত সচেতনভাবে চলাফেরা করা। অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বের হলে ২-৩ জন এক সঙ্গে চলতে হবে। কাছের থানা, থানার ওসি, র্যাবের দফতরের ফোন নম্বর রাখতে হবে। যাতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে অবগত করা যায়। নারীদের কারাতেসহ মৌলিক কিছু প্রশিক্ষণও নিয়ে রাখা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
গোলাম রিয়াদ : বিদেশী সংস্কৃতির মত বাংলাদেশে ও এখন লিভটুগেদার সাধারন বিষয় হয়ে গেছে। বিশেষ করে মিড়িয়াতে দিন দিন বাড়ছে
লিভটুগেদার থাকার প্রবণতা।বিয়ে না করেই একই ছাদের নিচে বসবাস করছে মিড়িয়ার কিছু জুিট্। এরর আগে শাকিব খান অপু বিশ্ষাস ,ইফতেখার চেীধুরী ও ববি সহ অনেকের কথা মিড়িয়াতে প্রকাশিত হলেও নতুন করে শোনা যাচ্ছে আচল বাপ্পির নাম।জটিল প্রেম ছবির মধ্য দিয়ে কাজ শুরু করে আচল ও বাপ্পি। সে থেকে চুপিসারে শুরু হয় তাদের প্রেম। আরও অনেক ছবিতে একসাথে কাজ করার সুযোগ পায় এই জুটি ফলে দিন দিন বাড়তে থাকে তাদের প্রেম। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে তারা এখন দুইজন লিভটুগেদার থাকছে। কয়েকজন পরিচালক প্রযোজক বলেন যে কোন কিছুতেই তাদের দুইজনকে একসাথে দেখা যায় এমনকি শুটিং এ একজন আরেকজনকে বউ জামাই এর মত শাসন করে যা দেখে হতবাক হয় শুটিং ইউনিট। শোনা যাচ্ছে তারা শীঘ্রই বিয়ে করে ফেলবে। একটি জুটি যখন ভালভাবে কাজ করে দর্শকরা ও মেনে নেয় সেই জুটিকে । কিন্তু পরবর্তীতে পর্দার আড়ালে যখন জানতে পারে তাদের লিভটুগেদার ও গোপনে বিয়ে করার বিষয় তখন দর্শকরা ও অনেক হতবাক হয় এমনটা বলছেন সিনেমা বিশ্লেষক
রা।

আদালত প্রতিবেদক : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৩ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত।
রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার আজ বৃহস্পতিবার এই তারিখ ধার্য করেন।
এই আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট-সংক্রান্ত দুর্নীতির দুই মামলার বিচারকাজ চলছে।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আজ বাদী ও প্রথম সাক্ষী দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদকে আংশিক জেরা করেছেন খালেদা জিয়ার প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। বাকি জেরার জন্য আগামী ২৩ জুলাই তারিখ ধার্য করেন আদালত।
আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই আদালতে বিচারাধীন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট-সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলার পরবর্তী শুনানি একই তারিখে (২৩ জুলাই) ধার্য করেছেন আদালত।
আদালতে আজ হাজির ছিলেন খালেদা জিয়া। সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা দিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালত চত্বরে পৌঁছান তিনি।
আজ মামলার শুনানি ও খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্র করে আদালত ও এর
আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
এর আগে গত ২৫ মে মামলার শুনানি হয়। ওই দিন আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য ১৮ জুন (আজ) তারিখ ধার্য করেন।
পছন্দের নারীটি কাছে আসবে, একটু প্রেমময় পরিবেশ সৃষ্টি হবে এমনটাই চেয়ে থাকেন পুরুষরা। কিন্তু কোনোভাবেই ধরা দিতে চান না নারীরা। আলো আধারে খেলা করতেই পছন্দ করেন নারীরা। এক্ষেত্রে কিছুটা কৌশল অবলম্বন করতে হয় পুরুষদের। তবে তা হওয়া চাই যথাযথ। হিতে বিপরীত হলেই সারাজীবনের জন্য প্রিয় নারীটি আপনাকে ভুল বুঝতে পারেন। তাই জেনে নিন পছন্দের নারীটিকে কাছে টানতে কী কী করবেন। যা যা করবেন :
– পছন্দের নারীটিকে খুব বেশি পছন্দ করছেন এমনটা বোঝানোর দরকার নেই। তবে তাকে ভালোলাগে এটুকু জানান।
– ফোন বা মেসেজের জবাব বুঝে শুনে দিন। এতে খুব বেশি আগ্রহ প্রকাশের কোনো প্রয়োজন নেই।
– দুঃসময়ে ঘনঘন উপদেশ না দিয়ে নীরবে পাশে থাকুন। এতেই কাজ হবে।
– দৈহিকভাবে নিজেকে সবসময় আকর্ষণীয় রাখার চেষ্টা করুন।
– কাছে আসার একমাত্র মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে আপনার পারফিউমটি। তাই অবশ্যই বাছবিচার করে এটি কেনা উচিত।
– কথার মাঝে জড়তা কাটিয়ে স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করুন।
– চেহারায় আলাদা একটি গাম্ভীর্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করুন।
– হাসি ও খাওয়াদাওয়ায় মার্জিত ভঙ্গি রপ্ত করুন।
– চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখুন।
আব্দুর রাজ্জাক : শোবিজের ঝলমলে ভুবনের বাসিন্দা রাইসা খান। মোহনীয় সৌন্দর্য ও আকর্ষনীয় শারীরিক গঠনের সুবাদে মিডিয়াতে দিনেদিনে তার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে বর্তমান সময়ের ব্যস্ততম মুখ যার কথা না বললেই নয়। রাইসা খান বর্তমানে বেশকিছু নাটক ও ছবিতে কাজ করছেন। তিনটি নাটকে কাজ করছেন তিনি, সামনে আরো অনেকগুলো কাজের ব্যপারে কথা চলছে। নাটকের গন্ডি পেরিয়ে এখন চলচ্চিত্রে নাম লিখিয়েছেন। নতুন একটি ছবির শুটিং প্রায় শেষ পর্যায়ে যার নাম একনো ঠিক করা হয়নি। আরো দুয়েকটা ছবির বিষয়ে কথা হচ্ছে বলে জানান রাইসা। রাইসার কাছে তার জীবনের উদ্দেশ্য সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি আজকের খবর ডটকমকে মুচকি হাসি দিয়ে বলেন উদ্দেশ্য তো অনেক বড়। কারণ আমি ছোট থেকে কঠোর পরিশ্রম ধৈর্য্য সহকারে কাজ করতে পছন্দ করি। তাই আমি কাজে ভয় না পেয়ে কাজের ধরণ প্রকৃতি সুন্দর ভাবে গ্রহণ করি তারপর দেখেশুনে কাজ শুরু করি। উদ্দেশ্য সফলের প্রথম শর্ত আরাম্ভ করা, তাহলেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে। রাইসা খানের কাছে অভিনয়ে আসার কথা জানতে চাইলে তিনি আজকের খবর ডটকমকে বলেন আমি যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছি সেদিন থেকে নাটক, চলচিত্রের ছবি দেখা ছিল আমার গভীর নেশা।
এরপর মাথায় সার্বক্ষনিক চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে কি ভাবে অন্য ১০জন নায়িকার মত নাটক, চলচ্চিত্রে অভিনয় করা যায়। সে উদ্দেশ্য নিয়ে রাইসা খান প্রথমে মডেল তারকা হিসেবে অভিনয় শুরু করেন। উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত রাইসা খান বেশ কয়েকটি নামি দামি প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর পণ্যের মডেল হিসেবে অভিনয় করে চলচ্চিত্র পাড়া থেকে শুরু করে দেশের সব শ্রেণীর মানুষের কাছ থেকে অসিম প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মডেল তারকা
হিসেবে অভিনয় করার পাশাপাশি বিভিন্ন চলচিত্র পরিচালক , প্রযোজক ও খ্যাতিমান তারকাদের সাথে তার পরিচয় ঘটে। রাইসা আজকের খবর ডটকমকে জানান আমার লক্ষ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের প্রধান সখ ছিল চলচ্চিত্রে জগতে অভিনয় করা। সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় আমার
সে সুযোগ হয়েছে। তার এ সফলতার পিছনে প্রধান ভূমিকা কার-এ প্রশ্নের জবাবে রাইসা খান জানায় -আমার পিতা-মাতা সার্বিক ভাবে আমাকে সকল ক্ষেত্রে উৎসাহ অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা যুগিয়েছেন । এরপর সর্বক্ষেত্রে আমার সহকর্মী, বন্ধুরা সার্বক্ষনিক আমার পাশে থেকে উৎসাহ ও
সাহস যুগিয়েছে। তিনি আজকের খবর ডটকমের মাধ্যমে দেশবাসীসহ সবারকাছে দোয়া চান তিনি আরো বলেন আমি একজন বড় মাপের অভিনেত্রী হওয়ার প্রহর গুণছেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : কয়েক’শো বছরের প্রাচীন রহস্য সামনে আসতেই বিজ্ঞানীরা কার্যত বাকরূদ্ধ। এও কী সম্ভব! রহস্যের মূলে কয়েকটি বই। মধ্যযুগের। আপাত নিরিহ বইগুলির পাতা ওল্টাতেও ভয় পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। আসলে মনের মধ্যে কাজ করছে ঘেন্না। প্রথম যখন রহস্যটি সামনে আসে, ঠান্ডা স্রোত বয়ে গিয়েছিল শিরদাঁড়া বেয়ে। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। শতাব্দী প্রাচীন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পাওয়া গেল সপ্তদশ শতকের কিছু বই। বইগুলি বাঁধানো হয়েছিল মানুষের চামড়া দিয়ে। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন।
সম্প্রতি হার্ভাডের লাইব্রেরিতে বেশ কিছু প্রাচীন বই পাওয়া গিয়েছে। সপ্তদশ শতকে বইগুলিকে বলা হত অ্যানথ্রোপোডারমিক বিবলিওপেগি। বইগুলি আপাদমস্তক মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধানো। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের চামড়া দিয়ে বই বাঁধানোর পরিকল্পনাটি ছিল তত্কালীন চিকিত্সকদের। তাঁদের বক্তব্য ছিল, কোনও কিছুই নষ্ট না করে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই মৃতদেহ থেকে চামড়া খুলে নিয়ে বই বাঁধানো হত সেই সময়।
মোট তিনটি বই পাওয়া গিয়েছে হার্ভার্ডের লাইব্রেরিতে। বইগুলি যথাক্রমে, রোমান কাব্যের, ফরাসি দর্শন ও মেডিয়াভেল স্পেনীয় আইনের। গবেষণায় উঠে আসা তথ্য বলছে, যেসব প্রকাশকরা মানুষের চামড়া দিয়ে বই বাঁধাই করত, তারা নিজেদের বা প্রকাশনা সংস্থার নাম বইতে দিত না। মানুষ যাতে জানতে না পারে, তাই গোটা প্রক্রিয়াটিই চলত অত্যন্ত গোপনে।– সংবাদসংস্থা।
সান্তিয়াগো : একবছর পর আবার দেখা দুই দলের। সেবার ছিল নক আউট। এবার গ্রুপের ম্যাচ। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে ব্রাজিল। কোপার দ্বিতীয় ম্যাচ। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে একটা জয়, পরের রাউন্ডে খেলা নিশ্চিত করবে ব্রাজিল।
এই ম্যাচের থেকেও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে নেইমার ও জুনিগা। এবং নেইমার ও জেমস রডরিগেজের দ্বৈরথ।
ব্রাজিল গত ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। পেরুর বিরুদ্ধে জিততে, অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনেক ভুল অনেক ত্রুটিও ধরা পড়েছে মানসচক্ষে। কিন্তু তারপরেও ব্রাজিল জিতেছে। জয় দিয়ে যখন যাত্রা শুরু করতে পেরেছে দুঙ্গার দল। তখন জোস পেকারম্যানের দল শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে। জেমস রড্রিগেজ, রাদামেল ফালকাওদের নিয়েও তিন পয়েন্ট আদায় করতে পারেনি। ফলে কলম্বিয়ার কাছে যখন প্রতিযোগিতায় নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই, তখন ব্রাজিলের জন্য পরের রাউন্ডে খেলা পাকা করার।
আর এই ম্যাচেই পুরো ব্রাজিলের ভার একা কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ২৩ বছরের নেইমার জুনিয়র। লাতিন আমেরিকার ফুটবল জগতে মেসি- রোনাল্ডোর দ্বৈরথ অপ্রয়োজনীয়। মেসির সঙ্গে নেইমারের তুলনা টানা হলেও, বয়সের দিক থেকেও দু’জনের ফারাক অনেক। বরং কলম্বিয়ার বছর ২৩’য়ের জেমস রড্রিগেজের তুলনাই চলে বেশি। এবং মানানসইও। শুধু দেশের হয়েই নয়, ক্লাব ফুটবলেও একে অপরের চির প্রতিদ্বন্দ্বী। রিয়াল মাঝমাঠকে যখন রড্রিগেজ আলোকিত করেন, তখন বার্সার ফরোয়ার্ড লাইনের ধার বাড়ান নেইমার। সেই জের টেনেই, সেই ছন্দ বয়ে এনেই নেইমার প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে জয়ের পরশ দিয়েছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন ব্রাজিলীয়রা যাকে নিয়ে এতটা গর্ব করে নেইমার তার যোগ্য। নেইমারের সঙ্গে অদৃশ্য ছায়াযুদ্ধ চললেও, জেমস রড্রিগেজ ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মোটেও সুবিধা করতে পারেননি। তবে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে গোল করা এবং করানোর বিষয়ে আশাবাদী কলম্বিয়ান এই তারকা। কারণটাও নিজেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ‘জানি ব্রাজিলকে হারানো সহজ নয়। কিন্তু আমাদের আরও এক হয়ে খেলতে হবে যদি ওই ম্যাচ জিততে চাই।’ ব্রাজিলের বিরুদ্ধে জয় কেন সম্ভব। কেন তার দল গোলের আশা করতেই পারে তাও জানাতে ভোলেননি। ভেনেজুয়েলা যেমন রক্ষণে ভিড় বাড়িয়ে খেলে, ব্রাজিল ততটা রক্ষণশীল নয়। তার কথায়, ‘ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আরও ওপেন খেলা আশা করতে পারি। ওরা অনেকবেশি আক্রমণ নির্ভর ফুটবল খেলবে, অনেকবেশি জায়গাও পাওয়া যাবে আক্রমনের। এটা আমাদের জন্য ভালো।’ তারকার উপস্থিতির দিক থেকে ব্রাজিলের থেকে এগিয়ে রয়েছে কলম্বিয়াই।
ব্রাজিলের আক্রমণকে সঠিক মাত্রা দেওয়ার মতো ফুটবলার কম। নেইমার একা একটা দলের সঙ্গে যুঝে উঠবেন কি করে! দিয়েগো তারদেলি ততটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারেননি। উইলিয়ান চেষ্টা করলেও তা কাজে আসেনি। নেইমারকে যে অস্কার সাহায্য করতে পারতো দুঙ্গার দলে সেও নেই। তবে ব্রাজিলের বর্তমান সমস্যা গোল করার থেকেও রক্ষণ সামলে রাখা।
নেইমার সান্তিয়াগোতে খেলবেন। একবছর আগেও খেলেছিলেন। কলম্বিয়ার রক্ষণ তাকে আটকে রাখতে পারেনি। ফোর্তালেজার ওই ম্যাচে নেইমারের গতি রোধ করার জন্য কশেরুকার হাড়ে চিড় ধরিয়েছিলেন কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জুয়ান জুনিগা। যদিও পরে নিজের ওই রুক্ষ খেলার জন্য ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি। কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে এই ম্যাচে ফের মুখোমুখি হবেন জুনিগা এবং নেইমার। নেইমারকে রোখার চ্যালেঞ্জ থাকবে এদিনও। সেদিনের নেইমারের থেকে অনেকবেশি শাণিত এই নেইমার। অনেকবেশি পরিণত। একা জুনিগাতে নেইমার আটক থাকবেন কিভাবে তাও একটা প্রশ্ন। হাজারো প্রশ্ন উঁকি দিলেও, তার উত্তর খুঁজতে হবে কলম্বিয়ার কোচ জোস পেকারম্যানকে। ব্রাজিলকে আটকে রাখার জন্য নেইমারকে বোতলবন্দি করতে হবে। কোপায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যও ব্রাজিলকে পরাজিত করতে হবে। রাদামেল ফালকাও, জেমস রড্রিগেজদের কাঁধে এখন সেই দায়িত্বই। শুধু খেয়াল রাখতে হবে সান্তিয়াগো যেন ফোর্তালেজা না হয়ে যায়!-সংবাদসংস্থা
সচিবালয় প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ‘মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিপি ও বিজিবির মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনার কারণ উদঘাটন করা হবে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আগে বুধবার ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর জাদিমুরা পয়েন্টে বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বিজিবি সদস্য সিপাহি বিপ্লব ও নিখোঁজ রয়েছেন নায়েক রাজ্জাক নামের বিজিবির আরেক সদস্য।
বিজিবি সদস্য বিপ্লবকে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছে।
দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের পক্ষেও ৯/১০ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি কেন হল তার একটা কারণ খুঁজে বের করা হবে। সীমান্তে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
করেছে কিনা’ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অপহরণ করা হয়নি। মাছ ধরা জালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ওপারে রয়ে গেছে। যখন বিজিবি সীমান্তের এপারে টহল দিচ্ছিল, তখন বিজিপিও ওপারে টহল দিচ্ছিল। টহলের সময় বিজিবি মাছ ধরার জালে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এ সময় গুলি বিনিময় হয়, তাদের গুলিতে আমাদের দুইজন সামান্য আহত হন। আর মাছ ধরা জালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আমাদের আর একজন ওপারে রয়ে গেছে। পতাকা বৈঠকের পর তাকে ফেরত আনা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
ঢাকা: স্পেনের বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড ‘পান্ডা অ্যান্টিভাইরাস’ এর বাংলাদেশে সব ধরনের প্রচারণায় শুভেচ্ছা দূত হিসেবে অংশ নেবে নায়লা নাইম।
মঙ্গলবার গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লি. এর প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এই কথা জানানো হয়।
২০১৩ সালে পান্ডা সিকিউরিটি বাংলাদেশের বাজারে আসে এবং মাত্র ২ বছরে ধারাবাহিক সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, গ্লোবাল ব্র্যান্ড বাংলাদেশে পান্ডা সিকিউরিটির একমাত্র পরিবেশক।
সংবাদ সম্মেলনে গ্লোবাল ব্র্যান্ডের পান্ডা অ্যান্টিভাইরাসের প্রডাক্ট ম্যানেজার আজিম মোর্তুজা এবং ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভারত: যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেয়ার অপরাধে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বিজলি রায় নামে ১ গৃহবধূ। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।
মঙ্গলবার তিনি চুঁচুড়া আদালতে স্বামী এবং শ্বশুর-শাশুড়ির নামে বধূ নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেন। হুগলির পুলিশ সুপার এবং মগরা থানাকেও জানান।
জানা গেছে, ওই গৃহবধূর বাপেরবাড়ি ত্রিবেণীর নিরঞ্জন পল্লিতে। ২০১১ সালে সোনারপুরের নয়াবাগের বাসিন্দা অমিত রায়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। গত বছরের নভেম্বরে যমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন বিজলিদেবী। তখন থেকেই নির্যাতন শুরু হয় বলে তার অভিযোগ। কয়েক সপ্তাহ ধরে ২সন্তানকে নিয়ে বাপেরবাড়িতেই রয়েছেন বিজলিদেবী।
বিজলিদেবী বলেন, ‘২ মেয়ের জন্ম দিয়ে কী অপরাধ করেছি? ওদের জন্মের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা আমাকে এড়িয়ে চলছিল। কোন ওখানে আমার উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালাচ্ছিল। তাই বাপেরবাড়ি চলে আসি। মেয়েদের কথা ভেবেই আদালতে গিয়েছি।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অমিতবাবু একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। পরিবারে অনটন থাকলেও বিয়ের পর থেকে তার সঙ্গে বিজলিদেবীর সম্পর্ক ভালই ছিল। বিজলিদেবী ও তার পরিবারের অভিযোগ, ২ মেয়ের জন্ম দেয়ার পর থেকেই অমিত এবং তার পরিবারের লোকেরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। চলতি বছরের মে মাসের শেষ দিকে ২ মেয়েকে নিয়ে সোনারপুরে ফেরেন বিজলিদেবী।
বিজলিদেবীর বাবা বিজয় চক্রবর্তী বলেন, ‘মেয়েদের খাবারের ব্যবস্থাটুকুও জামাই করত না, এতটাই নিষ্ঠুর ছিল। তাই মেয়েকে নিয়ে চলে আসি। ওরা আমার সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেছে।’