পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪০ শতাংশ

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের বিত্তশালীরা অর্থ জমা রাখার জন্য সুইস ব্যাংককে বেছে নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটিতে বাংলাদেশিদের জমা রাখার অর্থের পরিমাণ ৪০ শতাংশ বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশে নিরাপত্তার অভাব ও প্রতিকুল বিনিয়োগ পরিবেশকে দায়ী করেছেন।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক এসএনবি’র প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে শুক্রবার বিবিসি বাংলা জানায়, ২০১৪ সালে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জমা রাখা অর্থের পরিমাণ ৫০৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, টাকার অঙ্কে প্রায় চার হাজার তিনশত কোটি টাকা। আগের বছর এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৩৭২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ প্রায় তিন হাজার একশত পঞ্চাশ কোটি টাকা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেই অর্থ, মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভ সামগ্রী গচ্ছিত রাখার ক্ষেত্রে সুইস ব্যাংকগুলো জনপ্রিয়। কেবল বাংলাদেশিদের রাখা অর্থের পরিমাণই নয়, সুইটজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোয় সারাবিশ্ব থেকে অর্থ জমা রাখার পরিমাণ বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় ২০১৪ সালে সুইস ব্যাংকগুলোয় বিদেশি গ্রাহকের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দেড় হাজার কোটি সু্ইস ফ্রাঁ। আর এই হিসাবে বাদ পড়েছে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতব বস্তু।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অর্থ রাখার ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং বিনিয়োগের যথাযথ পরিবেশ না থাকায় দেশের বাইরে, বিশেষ করে সুইস ব্যাংকগুলোয় গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে রাখা অর্থের পরিমাণ বেড়েছে।

বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিনিয়োগের পরিবেশ, নিরাপত্তাহীনতা আর টাকাটা কোন পথে আয় করা হলো, তার ওপর নির্ভর করে কেন বাংলাদেশিদের জামানত সুইস ব্যাংকগুলোয় বাড়ছে। যেভাবেই টাকা আয় করা হোক, অনেক সময় বিনিয়োগের সুযোগ থাকলেও হয়ত এখানকার ব্যাংকে অর্থ রাখতে একজন নিরাপদ বোধ করছে না, সেক্ষেত্রে অর্থ দেশেরে বাইরে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।’ তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণেও সুইস ব্যাংকগুলোয় যাওয়া অর্থের পরিমাণ বেড়েছে।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ এমকে মুজেরী বলেন, সুইজারল্যান্ডের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, স্থিতিশীলতা এবং গ্রাহকের গোপনীয়তা বজায় রাখার সুনামের কারণেই এমনটি হয়ে থাকে।

এর আগে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত বিবরণ জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেখান থেকে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি।

Posted in জাতীয় | Comments Off on এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪০ শতাংশ

জোড়া খুন: বাঁচার পথ নেই এমপিপুত্র রনির!

Ronyঢাকা: জোড়া খুনের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দিলেও একের পর এক সব সাক্ষ্যপ্রমাণই যাচ্ছে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির বিরুদ্ধে। এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম। শুক্রবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘রনির যে আগ্নেয়াস্ত্র (৭ পয়েন্ট ৬৫) থেকে সেদিন গুলি করা হয়েছিল সেটি ব্যালাস্টিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই রিপোর্ট আমরা হাতে পেয়েছি। নিহতদের শরীরের বুলেট এবং পরীক্ষাগারে পাঠানো অস্ত্রের বুলেট একই ক্যালিবারের বলে রিপোর্ট এসেছে। এই আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েই সেদিন ফায়ার (গুলি) করা হয়েছিল।’ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এ মামলার সব ধরনের সাক্ষ্যপ্রমান এখন আমাদের হাতে। সেই গাড়িতে রনি এবং গাড়িচালক ছাড়াও আরো তিনজন ছিল। তাদের দেয়া বক্তব্যের সঙ্গে গাড়িচালকের দেয়া বক্তব্যের হুবুহু মিল পাওয়া গেছে। ব্যালেস্টিক প্রতিবেদনেও রনির পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়ার প্রমাণ মিলেছে। তাই আশা করছি আগামী সপ্তাহেই এ মামলার চার্জশিট দিতে পারবো আমরা।’ মনিরুল বলেন, ‘রনি আমাদের কাছে খুনের ঘটনায় নিজের দোষ স্বীকার করলেও আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানান। কিন্তু তার গাড়ি-চালক ইমরান ফকির আমাদের কাছে সেদিনকার ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খু জানিয়েছে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দিয়েছে। ইমরান আমাদের জানিয়েছিল, সেদিন গাড়িতে রনির তিনজন বন্ধুও ছিল। তার হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, টাইগার কামাল ও কামাল মাহমুদ। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীরকে ঘটনার আগেই মগবাজারে তার বাসায় নামিয়ে দেয়া হয়েছিল। অন্য দুইজন ঘটনার সময় গাড়িতেই ছিল। তারা তিনজনই আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’
মনিরুল ইসলাম আরো বলেন, ‘নিয়মানুযায়ী একজন আসামি একবার ১৬৪ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে আর রিমান্ডের আবেদন জানানো হয় না। কিন্তু যেহেতু আমরা রনিকে আদালতে ১৬৪ দেয়ার জন্য আবেদন করিনি এবং তিনি স্বীকারুক্তিমূলক জবানবন্দিও দেননি, তাই চলতি সপ্তাহে তাকে আরো সাতদিনের রিমান্ডের জন্য আদালতে আবেদন জানানো হবে। কারণ একজন আসামিকে ১৫ দিন রিমান্ডে নেয়া যায়। তাকে ইতিমধ্যে আটদিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। আদালত যদি তার রিমান্ডের আবেদন নাও মঞ্জুর করেন তাতেও অসুবিধা হবে না। কারণ আমাদের কাছে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ আছে। এই মামলার তদন্ত এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি গাড়ি থেকে ছোড়া গুলিতে দৈনিক জনকণ্ঠের অটোরিকশাচালক এবং এক রিকশাচালক মারা যান। গত বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল হকের কাছে রনির বন্ধু কামাল মাহমুদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, ‘ওইদিন গাড়ি থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনি গুলি ছুঁড়েছিলেন।’
এদিকে সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানায়, জোড়া খুনের ঘটনায় যে প্রাডো গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো ঘ- ৩- ৬২৩৯) জব্দ করা হয়েছে সেটি নবম সংসদে শুল্কমুক্ত কোঠায় আমদানি করেছিলেন পিনু খান। যেহেতু ওই গাড়িটি তার তাই সেখানে সংসদ সদস্যের স্টিকারও শোভা পেতো সবসময়। আর ওই গাড়িতে চেপেই গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে রনির বিরুদ্ধে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on জোড়া খুন: বাঁচার পথ নেই এমপিপুত্র রনির!

মুস্তাফিজের সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস হয়ে ওঠার গল্প

untitled-5_144264সাতক্ষীরা : টেলিভিশনে ওই দৃশ্যটি দেখার পর মা মাহমুদা খাতুনের ভেতরটা তখন নাড়া দিয়ে ওঠে। ওভাবে ধোনি ধাক্কা দেওয়ার পর ছেলের কি খুব ব্যথা লেগেছে? ম্যাচের পর ফোন করেছিলেন ছেলে মুস্তাফিজকে। মাকে আস্বস্ত করে ছেলে বুঝিয়েছেন- কী করেছে সে মাঠে। অভিষেকেই পাঁচ উইকেট, ওয়ানডে ক্রিকেটে দশ ভাগ্যবানদের একজন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের ছেলে। বাবা ব্যবসায়ী আলহাজ আবুল কাশেম গাজী। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মুস্তাফিজ সবার আদরের ছোট ভাই। এদিন বাড়ির সবার মনেই ছিল ঈদের আনন্দ। বড় ভাই মাহফুজার রহমান মিঠু খুলনায় গ্রামীণফোনের টেরিটরি অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন, মেজ ও সেজ ভাই ঘের ব্যবসায়ী।
তার ক্রিকেট খেলায় আসার পেছনে সেজ ভাই মোখলেসুর রহমানের অবদানই সবচেয়ে বেশি। কালীগঞ্জ থেকে প্রতিদিন সাতক্ষীরা শহরে মোটরসাইকেলের পেছনে চড়িয়ে নিয়ে যেতেন তিনি। বড় ভাই এক সময় ক্রিকেট খেলতেন, মেজ ভাইও কম যান না, আর সেজ ভাই এখনও ক্রিকেট খেলেন।
সেজ ভাই মোখলেছুর রহমান পল্টু সমকালের কাছে ছোট ভাইয়ের বেড়ে ওঠার গল্প শোনান। ‘পড়াশোনায় অতটা মন তার কখনোই ছিল না। স্কুল ফাঁকি দিয়ে সে ক্রিকেট খেলতে যেত। বাসায় তো বলেই দিয়েছিল, আমার দ্বারা ওসব হবে না। তোমরা আর জোর করো না। এর পর থেকে ক্রিকেটই তার ধ্যানজ্ঞান। কালীগঞ্জের বরেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নেট প্র্যাকটিস করতেন মুস্তাফিজ। এই তো বছর পাঁচেক আগের কথা। সাতক্ষীরায় অনূর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেটে বাছাই পর্বে নজর কাড়েন সবার। তারপর তিন দিনের কোচিং ক্যাম্প করানো হয়। এরপর জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট খেলায় সাতক্ষীরার হয়ে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন মুস্তাফিজুর।’
সাতক্ষীরা গণমুখী সংঘের কোচ আলতাফই প্রথম ধরতে পেরেছিলেন মুস্তাফিজের ভেতরের ‘ধারটা’। জেলা পর্যায়ে এসে মুস্তাফিজকে আরও পরিণত করে তুলতে পরিশ্রম করেন সাতক্ষীরার জেলা কোচ মুফাসিনুল ইসলাম তপু। জেলা পর্যায়ের পর খুব বেশি দিন তাকে অপেক্ষা করতে হয়নি। ডাক পেয়ে যান খুলনার বিভাগীয় দলে খেলার। বছর তিনেক আগে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফার্স্ট বোলিং ক্যাম্পে ট্রায়াল দিতে এসে কোচরা আর ছাড়েননি এ প্রতিভাকে। নিয়মিতই অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেছেন। বল করতেন জাতীয় দলের নেটেও। তবে সম্ভাবনার দ্যুতি ছড়িয়েছেন গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। তার ঝুলিতে ভরেছিলেন ৯ উইকেট। হয়েছিলেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।
গত বছরের মে মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলেও স্থান পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ। রীতিমতো চমক ছিলেন তিনি। মুস্তাফিজ প্রথম শ্রেণিতে খেলা শুরু করেন গত বছরের এপ্রিলে। এই তো ছয় মাস আগে অভিষেক হয়েছে ঘরোয়া এক দিনের ম্যাচে।
মুস্তাফিজের স্বপ্ন পূরণে আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন তার বাবা-মাসহ গোটা জেলাবাসী।

মুস্তাফিজের ক্রিকেট কোচ আলতাফ হোসেন বলেন, সৌম্য এবং মুস্তাফিজ দু’জনই আমারই ছাত্র। দু’জনই একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলছে। একজন বোলার আরেকজন ব্যাটসম্যান, এর চেয়ে আনন্দের কিছু হতে পারে না।

মুস্তাফিজের আরেক কোচ মুফাসিনুল ইসলাম তপু বলেন, ‘তার সেজ ভাই অনূর্ধ্ব ক্যাম্পে নিয়ে আসে। প্রথমে তার বোলিং দেখি বুঝেছিলাম সে ভালো করবে। সে তো প্রথমে ব্যাটসম্যান হতে চেয়েছিল। আমি তাকে পরামর্শ দিয়েছিলাম বোলার হওয়ার জন্য। আমার ছাত্র জাতীয় দলে খেলছে এতে আমি গর্বিত। তাকে দলে টিকে থাকতে হলে পরিশ্রম করে যেতে হবে।’

মুস্তাফিজের বাবা আলহাজ আবুল কাশেম আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে যে জাতীয় টিমে খেলছে এটি গর্বের বিষয়। তিনি আরও বলেন, মুস্তাফিজ আজকে আমার একার ছেলে নয় গোটা জাতির হয়ে ২২ গজের রণাঙ্গনে লড়বে। তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on মুস্তাফিজের সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস হয়ে ওঠার গল্প

নোয়াখালীর জঙ্গি এখন পরেশ বড়ুয়ার দেহরক্ষী!

poresh-baruaআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার প্রধান পলাতক পরেশ বড়ুয়া নিজের নিরাপত্তার জন্য এখন আর সংগঠনের সদস্যদের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। এ কারণে দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দুই বাংলাদেশি জঙ্গিকে। এরা দু’জনই হরকাত-উল জিহাদ-আল-ইসলামির (হুজি) সাবেক সদস্য। ভারতীয় দৈনিক হিন্দুস্থান টাইমস শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য দিয়েছে। পাকিস্তানি ও চীনা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ‘যোগাযোগ রেখে চলা’ পরেশ বড়ুয়াকে ‘জীবিত অথবা মৃত’ চায় নয়াদিল্লি। ভারত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য উলফা চলতি বছরের শুরুর দিকে নাগাল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএসসিএন-কে এবং অন্যান্য উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ফ্রন্ট গড়ে তোলে। চলতি বছর এ ফ্রন্ট মনিপুরে ১৮ সেনাকে হত্যাসহ বেশ কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে। এরপরই পরেশ বড়ুয়াকে ধরতে তৎপরতা আরও জোরদার করেছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, নিজের দল উলফা যোদ্ধারা পরেশ বড়ুয়ার দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করলেও তাদের নিয়ে শঙ্কিত। তাই দেহরক্ষী হিসেবে দুই বাংলাদেশিকে ব্যবহার করছেন তিনি, যারা ২৪ ঘণ্টা তার সুরক্ষায় কাজ করে। এমনকি তারা বড়ুয়ার খাবারও রান্না করে দেয়, যাতে বিষ প্রয়োগের ঝুঁকি এড়ানো যায়। পরেশ বড়ুয়া নেতৃত্বাধীন উলফার দেড়শ’রও কম যোদ্ধা রয়েছে, যারা মিয়ানমারের স্যাগিং এলাকায় এনএসসিএন-কে’র গোপন আস্তানা ভাগাভাগি করে ব্যবহার করছে। ২০১১ সালে পরেশ বড়ুয়া বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর তারা সেখানেই অবস্থান করছে। দলের বিরুদ্ধে কাজ করা এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনায় যাওয়ায় গত বছর পরেশ বড়ুয়ার অন্যতম সহযোগী পার্থ প্রতীম গগৈ ও তার অনুসারীদের হত্যা করা হয়। এরপর থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদী এই গোষ্ঠীর সদস্য কমতে শুরু করে।
গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র জানায়, তখন থেকে বড়ুয়া তার দলের ছেলেদের নিয়ে শঙ্কিত যে কে কখন তাকে হত্যা করে। সে তার নিরাপত্তার ব্যাপারে দুই বাংলাদেশিকে বিশ্বাস করে। হিন্দুস্থান টাইমসের ওই প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, এই দুই দেহরক্ষী হচ্ছে হুজির সাবেক সদস্য আলমগীর হোসেন ও তার চাচাতো ভাই মো. গোলাম নবী। তারা দু’জনেই বাড়ি নোয়াখালী জেলার করাতখিল গ্রামের বাসিন্দা। পাসপোস্ট অনুযায়ী তাদের বয়স ২৯ বছর। তাদের পাসপোর্ট নম্বর হল- এএ৮৩৯২২৬৪ এবং এএ১৪৬৩৪৪৮। একমাত্র আলমগীর ও নবীই চীন-মিয়ানমার সীমান্তের রুইলি ঘাঁটিতে পরেশ বড়ুয়ার সঙ্গে থাকেন। তারা তাকে সবজায়গায় সঙ্গ দেন এবং খাবারও রান্না করে দেন যাতে কেউ তাকে বিষ প্রয়োগ করতে না পারে। আসামের এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বড়ুয়া যখন ঢাকায় গুলশানে মিশরীয় দূতাবাসের কাছে থাকতেন তখন তিনি এই দুই বাংলাদেশিকে ভাড়া করেন। এ ব্যাপারে উলফা এখনও প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। তবে বড়ুয়ার প্রতি সহানুভূতিশীলরা জানিয়েছেন, বড়ুয়ার ব্যাপারে নয়াদিল্লির তথ্য বিভ্রান্তির যে ক্যাম্পেইন চলছে এটি তারই অংশ।
পরেশ বড়ুয়া এখন কোথায়?
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, উলফা নেতা তার ঘাঁটি চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিং হয়ে রুইলিতে স্থানান্তর করেছেন। কুনমিং থেকে ঢাকার সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে। তবে ধারণা করা হয়, পরবর্তী সময়ে পরেশ বড়ুয়া তেংচংয়ে চলে আসেন। মিয়ানমারের মানচিত্র অনুযায়ী তেংচং চীনের সীমান্তবর্তী এবং রুইলি থেকে ২৫-৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে।
গত ৪ জুন মনিপুরে সেনাদের ওপর হামলার আগের দিন পরেশ বড়ুয়াকে এনএসসিএন-কে’র তাগা ঘাঁটিতে দেখা গেছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। তাগা অরুণাচল প্রদেশ-নাগাল্যান্ড ও মিয়ানমারের মাঝে অবস্থিত। এখান থেকে গাড়িতে, নৌকায় ও পায়ে হেটে তেংচংয়ে যেতে এক সপ্তাহ লাগে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ভারতের মিজোরাম প্রদেশ সংলগ্ন মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন প্রদেশের মংডুতেও পরেশ বড়ুয়ার একটি ঘাঁটি রয়েছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে হিন্দুস্থান টাইমসের দাবি, মংডুতে ঘাঁটি স্থাপনের ব্যাপারে বাংলাদেশের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে সহযোগিতা পেয়েছেন পরেশ বড়ুয়া।

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on নোয়াখালীর জঙ্গি এখন পরেশ বড়ুয়ার দেহরক্ষী!

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেল খালে-বিলে, জানে না পরিবেশ অধিদপ্তর

19-06-15-Train Accident_Patya-1চট্টগ্রাম: বোয়ালখালী উপজেলার বেঙ্গুরা এলাকায় সেতু ভেঙে তেলবাহি ওয়াগন খালে ডুবে গেছে।  ডুবে যাওয়া ওয়াগন থেকে বিপুল পরিমান ফার্নেস অয়েল বোয়ালখালী খাল ও সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।
ফার্নেস অয়েলের টক্সিক পানির সঙ্গে মিশে খালের খাদ্যচক্র নষ্ট, অক্সিজেন স্বল্পতার সৃষ্টি করে বাস্তুতন্ত্র নষ্টসহ মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব যাদের তারা এ ব্যাপারে কিছুই  জানেন না বলে জানিয়েছেন।  সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননি। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে বোয়ালখালীর বেঙ্গুরা ও পটিয়ার ধলঘাট এলাকার মাঝামাঝি রেলওয়ের ২৪নং সেতু ভেঙ্গে ইঞ্জিনসহ তিনটি তেলবাহি ওয়াগন খালে পড়ে যায়।  এরমধ্যে দুইটি ওয়াগন বোয়ালখালী খালে ডুবে গেছে।
দোহাজারী ১০০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য জ্বালানি তেলগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওয়াগনগুলোর খোলা মুখ দিয়ে ফার্নেস অয়েল সংলগ্ন খালে ছড়িয়ে পড়ে।  হিসেব অনুযায়ী, দুর্ঘটনা কবলিত দুইটি ওয়াগনে প্রায় ৫২ হাজারের অধিক লিটার ফার্নেস অয়েল ছিল, যার অধিকাংশই গড়িয়ে বোয়ালখালী খাল হয়ে কর্ণফুলী ও আশপাশের আবাদি জমিতে ছড়িয়ে পড়বে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, বোয়ালখালী খালটি কর্ণফুলী নদীর শাখা খাল।  বোয়ালখালী খাল যেহেতু জোয়ার-ভাটার খাল সেহেতু ফার্নেস অয়েল পার্শ্ববর্তী অন্যখালসহ কর্ণফুলীতে গিয়ে পড়বে।  এর ফলে কর্ণফুলী তিনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। “ফার্নেস অয়েলের টক্সিক পানির সঙ্গে মিশে নদীর খাদ্যচক্র নষ্ট, অক্সিজেন স্বল্পতার সৃষ্টি করে বাস্তুতন্ত্র নষ্ট করবে।  টক্সিক এক ধরণের বিষক্রিয়া। এর ফলে প্রাণি ও মাছ মারা যাবে।  আবার এসব প্রাণি ও মাছ ভক্ষণ করতে এসে বিভিন্ন পাখিও মারা যাবে।  এছাড়া বোয়ালখালী খালের আশেপাশের ধানি জমির মাটিগুলো মারাত্মকভাবে দূষিত হবে। আগামী কয়েকবছর এসব জমিতে কোন ফসল উৎপাদন হবে না,” বলেন তিনি। ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, ‘সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দিয়েছে।  বিভিন্ন সময় ওয়াগন দুর্ঘটনা ঘটছে।  তাই তেলবাহী ওয়াগন দুর্ঘটনা রোধে কি করা যায় বা দুর্ঘটনা হলে প্রাকৃতিক বিপরর‌্যয়রোধে তাৎক্ষণিক কি ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে ভেবে দেখা উচিত। ’ অতিসত্ত্বর নদীর পানিতে ভেসে থাকা ফার্নেস অয়েলের স্তর সরিয়ে ফেলা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।  পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মকবুল হোসেন বলেন,‘তেলবাহী ওয়াগন দুর্ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।  খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ’ ইতিমধ্যে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে  দুই প্রকৌশলীকে বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।  কি কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  কমিটিগুলোকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেল খালে-বিলে, জানে না পরিবেশ অধিদপ্তর

মুজাহিদের সঙ্গে শনিবার দেখা করবেন আইনজীবীরা

Ali_Ahsan_Mojahid_109394744ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধে আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে মুত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে কারাগারে দেখা করছেন তার পাঁচ আইনজীবী। শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টায় তারা কারাগারে দেখা করতে যাবেন। পাঁচ আইনজীবী হচ্ছেন, শিশির মনির, মশিউল আলম, কামাল উদ্দিন, নজিবুর রহমান এবং মতিউর রহমান আকন্দ। শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির। এর আগে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ চূড়ান্ত রায়ে মুজাহিদের আপিল আংশিক মঞ্জুর করে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায়ে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on মুজাহিদের সঙ্গে শনিবার দেখা করবেন আইনজীবীরা

চট্টগ্রামের কৃষ্টি,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে তুলতে লাইফ স্টাইল ও ফ্যাশন ম্যাগাজিন ক্লিক

click 2 clickফারুক হাসান :  চট্টগ্রামের কৃষ্টি,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে তুলতে লাইফ স্টাইল ও ফ্যাশন ম্যাগাজিন ক্লিক অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, সাংবাদিকরাই সমাজের পথ প্রদর্শক।

তিনি বলেন, লিখনী শক্তির মাধ্যমে লেখক ও সাংবাদিকরাই পারে যে কোনো অঞ্চলের কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে ছড়িয়ে দিতে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর নগরীর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে লেখক ও সাংবাদিক জালালউদ্দিন সাগররে সম্পাদনায় চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রথম লাইফ স্টাইল ও ফ্যাশন ম্যাগাজিন ক্লিকের প্রকাশনা ও ক্লিক ঈদ ফ্যাশন উৎসবের প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত লেখক,সাংবাদিক, পাঠক ও দর্শকদের উদ্দেশ্যে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফটোগ্রাফার আরাফাত রূপকের সনঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মাহমুদা বেগম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ক্লিকের উপদেষ্টা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ব বিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মাধব দীপ, ফ্যাশন ডিজাইনার আহমেদ নেওয়াজ, রওশন আরা চৌধুরী, শাহতাজ মুনমুন, এইচএম ইলিয়াস, নুজহাত নূয়েরী কৃষ্টি, শাহানা বেগম, সায়মা সুলতানা, আরটিভি ব্যুরো প্রধান দিদারুল আলম বাবু, যমুনা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান জামসেদ চৌধুরী প্রমুখ।

মানুষ তার কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি আরও বলেন, ক্লিক চট্টগ্রামের প্রকাশনাকে আরো সমৃদ্ধ করবে।চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত সবগুলো প্রকাশনাই নাগরিক সচেতনতায় ব্যাপক ভুমিকা রাখছে উল্লেখ করে ক্লিক ম্যাগাজিনের প্রকাশনা উৎসবের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত লাইফ স্টাইল ম্যাগাজিনের সংখ্যা নেই বললেই চলে। সাময়িকীর সম্পাদক জালালউদ্দিন সাগর চট্টগ্রাম থেকে লাইফ স্টাইল ম্যাগাজিন প্রকাশের যে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন তাকে আমি স্বাগত জানাই।

বিশেষ অতিথি মাহমুদা বেগম বলেন, সব সফলতাই কষ্টের মাধ্যমে আসে। তিনি বলেন, যে লক্ষ নিয়ে ক্লিক প্রকাশিত হয়েছে সে লক্ষ পুরনে এগিয়ে যাবে ক্লিক পরিবার- এই আমার প্রত্যাশা।

স্বাগত বক্তব্যে মাধব দীপ বলেন, যে কোনো প্রকাশনাই সমাজ পরিবর্তন ও সচেতনতায় ব্যাপক ভূমিকা রাখে। সমাজের প্রতি নাগরিকদের দ্বায়বদ্ধতা বাড়ায়। চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক ভাবে সম্বৃদ্ধ একটি অঞ্চল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ক্লিক পরিবারের সদস্যদের লিখনী শক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যকে মানুষ নতুন ভাবে উপলব্ধি করবে।

ক্লিক প্রকাশনাকে স্বাগত জানিয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার আহমেদ নেওয়াজ বলেন, চট্টগ্রামের প্রকাশনা জগতের ফ্যাশন লাইফ স্টাইল ম্যাগাজিনের খালি জায়গাটি দখল করেছে ক্লিক।

ক্লিকই চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রথম লাইফ স্টাইল ও ফ্যাশন ম্যাগাজিন এমনটি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এর আগে চট্টগ্রাম থেকে অনেক সাময়িকী প্রকাশিত হলেও আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্লিকই চট্টগ্রামের প্রকাশনা জগতের প্রথম লাইফ স্টাইল ম্যাগাজিন।

ডিজাইনার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফ্যাশন ডিজাইনার রওশন আরা চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে এই ধরণের একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা সাহসী উদ্যোগ।

ক্লিক নিয়মিত ভাবে প্রকাশ হবে এমন আশাবাদ জানিয়ে তিন আরও বলেন, স্বপ্ন আছে বলেই সে স্বপ্ন পুরনের পথ আছে-সেজন্য প্রয়োজন উদ্যমী উদ্যোগ।

চট্টগ্রামের প্রকাশনা জগত অনেক শক্তিশালী উল্লেখ করে ক্লিকের সম্পাদক জালালউদ্দিন সাগর বলেন, সামান্য পৃষ্ঠপোষকতা পেলে চট্টগ্রাম থেকে অনেক ভালো কিছু করা সম্ভব। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের কৃষ্টি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অনেক বেশী সম্বৃদ্ধ। এই সম্বৃদ্ধ ইতিহাস পাঠকদের কাছে তুলে ধরতেই লাইফ স্টাইল ফ্যাশন ম্যাগাজিন ক্লিক প্রকাশিত হয়েছে।

ছবি : আকমাল হোসেন
উপস্থিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আমি স্বপ্নবান মানুষ। ছোটছোট ইচ্ছেগুলোকে জড়ো করে স্বপ্নের বসতি গড়ি আমি। কখনো সখনো আটপৌরে সে স্বপ্ন গুলোর শরীরে রঙ লাগে আবার কখনো রঙ লাগার আগেই ঝরে পড়ে ঝরা পাপড়ির মতো। সীমাবদ্ধতা, সংকট আর নানা প্রতিবন্ধকতার পরও ক্লিক শেষ পর্যন্ত তার স্বপ্নের চারণ ভূমিতে ক্লিক করতে পেরেছে। সেজন্য ক্লিক পরিবারসহ সবার কাছেই আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন,আমি বিশ্বাস করি কেউ যদি তার স্বপ্নটাকে ঠিক মতো ক্লিক করতে পারে তাহলে সে স্বপ্ন কখনো না কখনো পূরণ হবেই।

বানিজ্যিক রাজধানীর পাঠকদের জন্য খুব স্বল্প পরিসরে অনাড়ম্বর এই প্রকাশনা চট্টগ্রামের প্রকাশনার সীমাবদ্ধতাকে আরও প্রসারিত করবে বলে আমার বিশ্বাস, বলেন জালালউদ্দিন সাগর।

ক্লিক প্রকাশনা নিয়মিত প্রকাশ করার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চাটগাঁর ছোট্ট পরিসরেই শুধু নয়-চট্টগ্রামের সীমানা ছাড়িয়ে ক্লিক একদিন পৌছে যাবে বিশ্ব পাঠকের কাছে।

মোড়ক উম্মোচনের পর বর্ণাঢ্য ঈদ ফ্যাশন উৎসবে ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার আলমগীর আলোর কোরিওগ্রাফিতে চট্টগ্রামের খ্যাতিমান ফ্যাশন ডিজাইনারদের পোষাক পরে মঞ্চে র‌্যাম্প প্রদর্শন করেন মডেলরা। এছাড়া উসবে নৃত্য পরিবেশন করেন সৃজনশীল নৃত্যাঙ্গনের শিল্পীরা।

Posted in বিনোদন | Comments Off on চট্টগ্রামের কৃষ্টি,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করে তুলতে লাইফ স্টাইল ও ফ্যাশন ম্যাগাজিন ক্লিক

ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়

Iftarঢাকা: রোজাদারের দোয়া কবুল হয়। বিশেষ করে ইফতারের সময়। কারণ ইফতারের সময়টা হলো বিনয় ও ধৈর্য্য ধারণের চরম মুহূর্ত। তাই ইফতার করার পর এ দোয়াটি পাঠ করা সুন্নত-

ذهب الظمأ وابتلت العروق وثبت الأجر إن شاء الله
অর্থ: পিপাসা নিবারণ হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং আল্লাহর ইচ্ছায় পুরস্কার নির্ধারিত হলো। -বর্ণনায়: আবু দাউদ

ইফতারির সময়টা আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার একটা সুযোগ। এ সময়টা যেন বৃথা না যায় এদিকে খেয়াল রেখে সময়টাকে গুরুত্ব দেয়া উচিৎ। দোয়া কবুলের এ চমৎকার সময় সম্পর্কে আল্লাহ নিজে ওয়াদা করেছেন। তাই ইফতারের সময় অন্তর দিয়ে দোয়া-প্রার্থনা করা এবং যা কিছু দোয়া কবুলের অন্তরায় তা থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। যেমন- হারাম বা অবৈধ উপায়ে অর্জিত খাদ্য গ্রহণ। আল্লাহ বলেছেন-
وا لِي وَلْيُؤْمِنُوا بِي لَعَلَّهُمْ ي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ فَلْيَسْتَجِيبُ وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّ

অর্থ: আমার বান্দাগণ যখন আমার সম্পর্কে তোমাকে প্রশ্ন করে, আমি তো নিকটেই। প্রার্থনাকারী যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে আমি তার প্রার্থনায় সাড়া দেই। সুতরাং তারা আমার ডাকে সাড়া দিক এবং আমার প্রতি ঈমান আনুক যাতে তারা ঠিক পথে চলতে পারে। (সূরা আল-বাকারা: ১৮৬)

ইফতারের আগে যখন আজান হয় তার পরের সময়টাও দোয়া কবুলের সময়। হাদিসে এসেছে প্রতি আজান ও একামতের মধ্যবর্তী সময়ে দোয়া কবুল হয়।

Posted in ইসলাম, জাতীয় | Comments Off on ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়

বাঘের থাবায় বিধ্বস্ত ভারত

Bangladesh cricketer Soumya Sarkar reacts after scoring a half century (50 runs) during the first one day international (ODI) cricket match between Bangladesh and India at The Sher-e-Bangla National Cricket Stadium in Dhaka on June 18, 2015. AFP PHOTO/Munir uz ZAMAN        (Photo credit should read MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images)

215855 18-06-15-ODI Cricket Match_Bangladesh VS India-1

Bangladesh cricketer Soumya Sarkar plays a shot during the first one day international (ODI) cricket match between Bangladesh and India at The Sher-e-Bangla National Cricket Stadium in Dhaka on June 18, 2015. AFP PHOTO/Munir uz ZAMAN        (Photo credit should read MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images)
Bangladesh cricketer Tamim Iqbal (L) plays a shot as Indian cricketer Suresh Raina (R) tries to catch the ball during the first one day international (ODI) cricket match between Bangladesh and India at The Sher-e-Bangla National Cricket Stadium in Dhaka on June 18, 2015. AFP PHOTO/Munir uz ZAMAN        (Photo credit should read MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images)
স্পোর্টস ডেস্ক : ১২৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকছিল সফরকারী ভারত। এরপর রায়না ও জাদেজা মিলে অসাধারণ এক জুটি গড়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে নেয়ার জোর চেষ্টা চালান। তবে মুস্তাফিজুর রহমানের জোড়া আঘাতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্বাগতিক বাংলাদেশ। ৩৭তম ওভারে পরপর দুই বলে রায়না ও অশ্বিনকে আউট করে বাংলাদেশকে জয়ের পথ দেখান অভিষিক্ত এই পেসার।

অবশেষে মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ এবং সাকিব আল হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২২৮ রানে অলআউট হয়েছে ধোনির ভারত। বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডেতে জিতে গেল ৭৯ রানের বিশাল ব্যবধানে।
প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেই উত্তেজনা-রোমাঞ্চ বেশ জেঁকে ধরেছে টাইগার সমর্থকদের। ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের নেশায় বুদ গোটা বাংলাদেশ। জয়ের জন্য চ্যালেঞ্জিং স্কোরও গড়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার মিরপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৯.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান। ৩০৮ রানের জয়ের টার্গেটে করতে নামে ভারত।
উদ্বোধনী জুটিতে শেখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মা মিলে ৯৫ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের কাছ থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে তাসকিন আহমেদ পরপর দুই ওভারে ভারতীয় শিবিরে জোড়া আঘাত হেনে মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে দর্শকদের গর্জন তুলেন। একে একে ধাওয়ান ও বিরাট কোহলিকে বিদায় করেন এই তরুণ পেসার।
এরপর মুস্তাফিজুর রহমান ওপেনার রোহিত শর্মাকে আউট করে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে গর্জন তুলেন। এই অভিষিক্ত পেসারের লাফিয়ে উঠা বলে বিভ্রান্ত হয়ে মিড অফে দাঁড়িয়ে থাকা মাশরাফিকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন রোহিত। আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচে এটিই মুস্তাফিজুর রহমানের প্রথম উইকেট।
১১৫ রানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। পরের ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান ফের ভারতীয় শিবিরে আঘাত হেরে মিরপুরের ২৩ হাজার দর্শকদের উল্লাসে মাতান, হাসি ফোটান কোটি কোটি দর্শকের। মুস্তাফিজের স্লোয়ার বলে বিভ্রান্ত বলে নাসিরকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন আজিঙ্কা রাহানে। এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান রানের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করেন। ২৫ বলে মাত্র ৯ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি।
২৫ ওভার পেরিয়ে গেলেও সাকিবকে আক্রমণে আনেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা। কিছুটা কী ক্ষেপে ছিলেন এই অলরাউন্ডার। ২৬তম ওভারে নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই সবচেয়ে দামি উইকেটটি তুলে নিলেন দেশসেরা এই ক্রিকেটার। সাকিবের স্পিনে নাকাল হয়ে মুশফিককে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ভারতীয় অধিনায়ক এমএস ধোনি। ইনিংসের শুরুতে দু’দুটি ক্যাচ মিসের মূল্য যেন শোধ করলেন মুশফিক। অসাধারণ এক ক্যাচ লুফে বাংলাদেশের দর্শকদের আনন্দে মাতান তিনি।
১২৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়া ভারতকে খাদের কিনারা থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন জাদেজা ও সুরেশ রায়না। ষষ্ঠ উইকেটে এই দুজনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে ভারত। তবে ফের মুস্তাফিজুর রহমানের আঘাতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। এই অভিষিক্ত পেসারের করা ৩৭তম ওভারে চতুর্থ বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সুরেশ রায়না।
মুস্তাফিজের ইনসুইং বলে ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হন রায়না। পরের বলে অশ্বিনকে আউট করে বাংলাদেশকে জয়ের পথ দেন এই অভিষিক্ত পেসার। এক ওভার পর ফের বোলিংয়ে এসে ভারতের কোমর ভেঙে দেন মুস্তাফিজ। বাংলাদেশের জয়ের পথের শেষ বাধা জাদেজাকে আউট করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান এই তরুণ পেসার।
একই সঙ্গে অভিষেকেই ৫ উইকেট তুলে নেওয়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জণ করলেন ১৯ বছর বয়সী বাম হাতি এ পেসার। ৪৩তম ওভারের চতুর্থ বলেই মোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে দেন মাশরাফি। তার স্লোয়ারে আলতো করে ব্যাট ঠেকিয়ে রান নিতে চেষ্টা করেন মোহিত। কিন্তু বল ব্যাটের কানায় লেগে প্রথম স্লিপ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এক হাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ লুফে নেন মুশফিক।
৪৬তম ওভারের শেষ বলে উমেষ যাদবকে এলবির ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। সঙ্গে সঙ্গেই থেমে গেল ভারতের ইনিংস। ২২৮ রানেই অলআউট মহাপরাক্রমশালী ব্যাটিং লাইনআপের অধিকারী ভারত। প্রথম ওয়ানডেতেই ৭৯ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।

10154018_870366663038273_5503922992986882450_nএর আগে ব্যক্তিগত ১৫ রানে আউট হতে পারতেন ওপেনার শিখর ধাওয়ান। ৯.২ ওভারের মাথায় মাশরাফির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ধাওয়ান। কিন্তু সহজ ক্যাচ তালুবন্দী করতে পারেননি অনেকদিন পর কিপিংয়ে ফেরা মুশফিকুর রহীম। অথচ মাশরাফির আবেদনে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
তারপরও বেশিদূর আগাতে পারেননি ধাওয়ান। ব্যক্তিগত ৩০ রানের মাথায় তাসকিনের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ভারতীয় এই ওপেনার। সেই সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয় ভারতের ওপেনিং জুটি। উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৯৫ রান।
এরপর দ্বিতীয় উইকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে ফের তাসকিন আহমেদ ভারতীয় শিবিরে আঘাত হেনে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান। তাসকিনের শর্ট অব লেংথ বলে কাট করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক। ৪ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হন তিনি। অল্প সময়ের ব্যবধানে রোহিতকে আউট করে বাংলাদেশকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। পরের ওভারে রাহানেকে আউট করে ভারতকে চেপে ধরেন এই অভিষিক্ত পেসার।
এই প্রথম ভারতের বিপক্ষে ৩০০ পার করেছে বাংলাদেশ। এই বছর তৃতীয়বারের মতো তিন শ পার করল টাইগাররা। আগের দুবার হারেনি। এবার কি পারবে বাংলাদেশ?
215859.3পরের পরিসংখ্যান আরও আশা-জাগানিয়া। সর্বশেষ ১৯ মাসে পরে​ ব্যাট করে ২৩ ইনিংসে একবারই তিন‘শ পেরিয়েছে ভারত। কিন্তু সেই ম্যাচটাও হয়েছিল টাই। এবার কোন পথে হাটবে ধোনি শিবির?

Posted in খেলাধুলা, জাতীয় | Comments Off on বাঘের থাবায় বিধ্বস্ত ভারত

দল জিতায় নগ্ন হলেন উপস্থাপিকা! (ভিডিও)

news_imgমজার খবর ডেস্ক : মীদের নজর কোপা আমেরিকার দিকে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোতে বটেই এর বাইরেও এই খেলার ম্যাচগুলোর দিকে চোখ রাখছেন গোটা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীরা।
প্রতিটি ম্যাচকে ঘিরে টানটান উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিন্তু সেই উত্তেজনার বশে ভেনেজুয়েলার এক উপস্থাপিকা যা করলেন তাতে তো সবার চক্ষু চড়কগাছ। তিনি তার টেলিভিশন শোয়ের দর্শকদের কাছে আগেই প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যদি কোপা আমেরিকার ভেনেজুয়েলা বনাম কলম্বিয়ার ম্যাচটি ভেনেজুয়েলা জিতে তাহলে তিনি অন এয়ারে নগ্ন হবেন।
তার কথা রাখতেই কিনা সেই ম্যাচে ১-০ গোলে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে জয় পায় ভেনেজুয়েলা। আর তাতেই নিজের করা প্রতিজ্ঞা রাখতে গিয়ে টেলিভিশন শোতে একে একে নিজের কাপড় খুলে নগ্ন হলেন উপস্থাপিকা।
তবে টেলিভিশন নগ্ন হওয়া কিন্তু এই প্রথম নয়। এর আগেও এমনটি ঘটেছে। যেমন কয়েক মাস আগেই রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জন্য নগ্ন হয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার আরেকটি টিভি চ্যানেলের খবর উপস্থাপিকা যুবি-প্যালারেস।

https://youtu.be/AE5ncS9CVgs

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on দল জিতায় নগ্ন হলেন উপস্থাপিকা! (ভিডিও)

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud