পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

‘ক্ষতিপূরণ’ দিয়ে ফিরলেন ওয়াসফিয়া নাজরীন

ভয়ংকর এক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কার্সটেসন পিরামিড পর্বত শৃঙ্গ জয় করলেন পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরিন। সেখান থেকে যে তিনি ফিরে আসতে পারবেন যে কল্পনাও করতে পারেননি।151125022659_wasfia_seven_summit_640x360_wasfianazreen_nocredit
বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ভয়ংকর সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশের এই পর্বতারোহী।
ওয়াসফিয়ার বর্ণনায় হিমালয়ের চেয়েও জটিল এবং কঠিন এই কার্সটেসন পিরামিড পর্বত শৃঙ্গ জয় করা। তিনি বলেন, পুরো পাহাড়টি গ্রানাইট পাথরের। একটি চূড়া থেকে অন্য চূড়ায় যেতে হয় দড়ির উপর দিয়ে হেঁটে।
ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত মাউন্ট কার্সটেনস নামের পর্বতের শৃঙ্গটি পুঞ্জাক জায়া নামেও পরিচিত, যার উচ্চতা ৪৮৮৪ মিটার। ওয়াসফিয়া বলেন, ‘বিশ্বাস করেন, আর নাই করেন- কার্সটেসন পিরামিড আমার জীবনে সবচেয়ে কঠিন ও দূর্গম পাহাড়। এভারেস্টের চেয়েও।’

এই পর্বতের চূড়ায় উঠতে গিয়ে পদে পদে বিপদের সম্মুখিন হয়েছেন ওয়াসফিয়া। পাহাড়ের বেসক্যাম্পে পৌঁছাতে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠির সাথে দেখা হয়। যাদের মধ্যে নানা ধরনের কুসংস্কার এবং হিংস্রতা রয়েছে।
পর্বত আরোহণ শেষ করে ওয়াসফিয়া যখন ফিরছিলেন তখন একটি গ্রামে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি মারা যায়। সেজন্য দায়ী করা হয় ওয়াসফিয়া ও তার সহযোগিদের!
কারণ সেই গ্রামের লোকজন বিশ্বাস করে বিদেশিদের আগমনের কারণেই সেই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে! এমন কুসংস্কার প্রচলিত আছে পর্বতের পাদদেশের গ্রামগুলোতে। সেজন্য তাদের ক্ষতিপূরণও দিতে হয়েছে।
ওয়াসফিয়া বলেন , ‘এরপর আমাদের ধরে নিয়ে যায়। তারপর চার ঘণ্টা সালিশ হয়। শেষ পর্যন্ত ওদের চার হাজার ডলার দিয়ে আমরা সেখান থেকে আসি।’
তিন বছর ধরে সেই পর্বতে ওঠার চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশের এই পর্বতারোহী। কিন্তু অনেক দূর্গম পাহাড় হবার কারণে এর আগে তার কয়েকটি চেষ্টা বিফল হয়।
তিনি বলেন, গ্রামের পর গ্রাম পার হয়ে এবং ২২০ কিলোমিটার পথ হেঁটে কার্সটেসন পিরামিড পর্বতের বেসক্যাম্পে যেতে হয়।

পর্বতের এক দিকে সোনার খনি থাকায় সেখানে আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ান মাফিয়াদের আনাগোনা। অন্যদিকে স্থানীয় বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠির মধ্যে তীর ধনুকের মারামারি।
দূর্গম পথ এবং সাংঘাতিক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই কার্সটেসন পিরামিড জয় করেছেন এই পর্বতারোহী।
কার্সটেসন পিরামিডের তুলনায় এভারেস্ট জয় করা অনেক সহজ বলে জানালেন ওয়াসফিয়া।
তিনি বলেন, ‘নিরাপদে পৌঁছাতে পারবো কিনা সেটা নিয়ে সংশয় ছিল। সামিটের দিন আমি বাচ্চাদের মতো কাঁদছিলাম। হিমালয়ে ওঠার সময় শেরপারা রাস্তা বানিয়ে দেয়। আপনি দড়ি ধরে ধরে উঠবেন। এখানে ওরকম কিছু নেই। সবকিছু নিজের করতে হয়।’
কিন্তু তারপরও কথা রাখতে পেরেছেন ওয়াসফিয়া। কথা দিয়েছিলেন বিশ্বের সাতটি পর্বত শৃঙ্গ জয় করেবেন। চার বছর আগে তিনি তার এই কর্মসূচি শুরু করেন।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেটির বাস্তবায়ন করলেন বাংলাদেশের এই পর্বতারোহী।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ‘ক্ষতিপূরণ’ দিয়ে ফিরলেন ওয়াসফিয়া নাজরীন

কৃত্রিম আলোয় টেস্ট ক্রিকেট!

নিউজ ডেস্ক: সেই ১৮৭৭ সালে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড দ্বৈরথের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল টেস্ট ক্রিকেটের যাত্রা। এরপর গত ১৩৮ বছরে টেস্ট ক্রিকেট বারবার নিজেকে পরিবর্তন করেছে, বা বলা ভালো এই সময়ে অনেক বিবর্তনের মধ্য দিয়েই টেস্ট ক্রিকেট আজকের এই অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রশ্ন আসতে পারে, কি কি পরিবর্তন এসেছে?

day-night-tests_0
সেক্ষেত্রে পাল্টা প্রশ্ন করা যায়, কি কি পরিবর্তন আসেনি? টেস্ট ক্রিকেট পরিবর্তিত হয়েছে প্রায় প্রতি যুগেই; সময়ের দাবিতে, সময়ের হাত ধরেই নতুন অনেক কিছুই দেখেছে টেস্ট ক্রিকেট। একসময় টেস্ট ম্যাচ হতো কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াই, চার বলে হতো এক ওভার। এমনকি পিচ ঢেকে রাখার ব্যাপারটাও ১৩৮ বছরের তুলনায় ‘এইতো সেদিন’ এসেছেই বলা যায়। পুরোনো অনেক কিছুকে ঝেড়ে ফেলে ক্রিকেট স্বাগত জানিয়েছে অনেক নতুনকে।
তবে সব নতুনত্বকে টেস্ট ক্রিকেট স্বাগত জানায়নি। অনেক নতুনত্ব স্থায়ী হয়েছে, অনেকগুলো আবার বাতিলও হয়ে গেছে। কিন্তু স্থায়ী হওয়া সেই নতুনত্বগুলোর ফলে টেস্ট ক্রিকেট নিজের জৌলুস হারায়নি এতটুকুও। বরং এখনো ক্রিকেট ভক্তদেরকে সবচেয়ে রোমাঞ্চ দেয় এই টেস্ট ক্রিকেটই। আর এবার, সম্ভবত রোমাঞ্চে একটু বাড়তি অনুষঙ্গ যোগ করতেই টেস্ট ক্রিকেটে আসতে চলেছে আরো একটু নতুনত্ব।

এখন থেকে প্রায় সাত বছর আগে ভাবনাটা প্রথম এসেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিও জেমস্‌ সাদারল্যান্ডের মাথায়, কৃত্রিম আলোতে টেস্ট ক্রিকেট খেলার ভাবনা। আর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভাবনাটা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে। সে বছরের জুলাইতে লর্ডসে অনুষ্ঠিত এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সভায় দিবা-রাত্রির টেস্ট আয়োজনের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আলোচনা হয়। টি-টুয়েন্টি আর ওয়ানডে’র জনপ্রিয়তার যুগে টেস্ট ক্রিকেটে আরো দর্শক টানতেই কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এরকম কিছু একটা করার। এবং প্রথম দিবা-রাত্রি’র টেস্টের জন্য ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হিসেবে কমিটি’র প্রথম পছন্দ ছিল বাংলাদেশ।
সেই সভা শেষে এমসিসি’র হেড অফ ক্রিকেট জন স্টিফেনসন বলেছিলেন, ‘আমরা আগামী বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে এখানে একটা (দিবা-রাত্রি) ম্যাচ আয়োজন করার আশা করছি।’

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস্‌ ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)-এর পক্ষ থেকে সে বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে প্রস্তাব আসে ২০১০-এর মে-জুনে বাংলাদেশের ইংল্যান্ড সফরের সময় একটা দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলার। বিসিবি সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচ আর দিবা-রাত্রির টেস্ট হিসেবে মাঠে গড়ায়নি। কেন গড়ায় নি, সেই প্রশ্নের উত্তরটা অজানা!

এরপর গত বছর চারেক সময়ে দিবা-রাত্রির টেস্টের চেয়েও অনেক বেশি তর্ক-বিতর্ক হয়েছে সেই ম্যাচের জন্য প্রস্তাবিত গোলাপী বল নিয়ে। এমনকি খোদ ক্রিকেটারদের মধ্যেও গোলাপী বল নিয়ে অনেক দ্বিমত ছিল সবসময়ই। অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন, কিন্তু অনেকে আবার শংকা প্রকাশ করেছেন। কৃত্রিম আলোতে গোলাপী বল কতটুকু দৃশ্যমান হবে, ব্যাটসম্যান বা ফিল্ডারদের এই বল কোনরকম সমস্যায় ফেলবে কিনা এইসব নিয়ে সংশয় ছিল বরাবরই।
কিন্তু, ক্রিকেট সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কোকাবুরা’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রেট এলিয়ট সেই শুরু থেকেই বলে আসছেন, গোলাপী বল নিয়ে তারা নানারকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন। তিনি এও বলেছেন, সাদা বা লাল বলের মতোই গোলাপী বলও ধীরে ধীরে ক্রিকেটের উপযোগী হয়ে উঠবে।

তবু বিতর্ক চলছেই। নিউজিল্যান্ডের সাথে গত মাসেই অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী একাদশের খেলায় ব্যবহৃত হয়েছিল গোলাপী বল। আর সেই ম্যাচ খেলা দুই অজি খেলোয়াড় অ্যাডাম ভোজেস আর জশ হ্যাজলউড দু’জনই গোলাপী বল নিয়ে দিয়েছিলেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। আর তৃতীয় টেস্টের আগের প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত সেঞ্চুরি করা নিউজিল্যান্ড ওপেনার মার্টিন গাপটিল গোলাপী বলকে বলেছেন ‘গুড এনাফ’। গাপটিলের দাবি, ব্যাটিং করার সময় এই গোলাপী বলে কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে ফিল্ডিংয়ের সময় এই বল কিছুটা সমস্যা করছে বলেও জানান গাপটিল। যদিও অস্ট্রেলিয়ান ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ কয়েকবারই ব্যবহৃত হয়েছে গোলাপী বল।

সাবেক অনেক ক্রিকেটারও গোলাপী বল এবং ডে-নাইট টেস্টের ব্যাপারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক রিকি পন্টিং, সাবেক শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে, ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেনরা এই দিবা-রাত্রি টেস্টের ঘোর বিরোধী। তবে অস্ট্রেলিয়ান কোচ এবং সাবেক অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড় ড্যারেন লেহম্যান, সাবেক অজি অধিনায়ক মার্ক টেলর, স্টিভ ওয়াহ্ এই নতুন ধরণের টেস্ট ক্রিকেটকে স্বাগতই জানাচ্ছেন।
তবু এইসব কিছুর পরেও আগামী ২৭ তারিখ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের মাধ্যমেই মাঠে গড়াচ্ছে ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্ট। শংকা বা তর্ক-বিতর্ক যাই থাকুক, দুই দলের খেলোয়াড়েরাই দিবা-রাত্রির টেস্ট নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত।

আর দিবা-রাত্রির এই টেস্ট নিয়ে খোদ আইসিসি সভাপতি, সাবেক পাকিস্তানী ব্যাটসম্যান জহির আব্বাসের উচ্ছ্বাসও দেখার মতো। ক্যারি প্যাকারের বিখ্যাত ওয়ার্ল্ড সিরিজে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম আলোয় খেলা হয়েছিল একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ। সেই সিরিজে খেলা জহির আব্বাসের দাবি, ৩৮ বছর ধরে চলে আসা দিবা-রাত্রির ওয়ানডে ক্রিকেটের মতো দিবা-রাত্রির টেস্ট ক্রিকেটের আয়োজনও একটি ভালো সিদ্ধান্ত। আইসিসি ওয়েবসাইটে নিজের লেখা কলামে তিনি এটাকে খুবই সময়োপোযোগী সিদ্ধান্ত দাবি করে বলেছেন, এর মাধ্যমে কর্মজীবী মানুষ বা স্কুল পড়ুয়ারা নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে ক্রিকেট দেখার সুযোগ পাবে।

তার এই কথার সত্যতাও অবশ্য মিলছে ইতিমধ্যেই। ইতিহাসের প্রথম দিবা-রাত্রির ম্যাচের টিকেট বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। টিকেট বিক্রির হার দেখে কর্তৃপক্ষ বলছে, দিবা-রাত্রির এই টেস্ট নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশ অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড-এর মানুষ যে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তার সাথে তুলনা চলতে পারে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক দ্বৈরথ অ্যাশেজের সাথে।

সাউথ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট এসোসিয়েশনের প্রধান কিথ ব্র্যাডশ’ বলেছেন, তারা এডিলেড টেস্টে রেকর্ড পরিমাণ দর্শকের ব্যাপারে আশাবাদী এবং প্রথম দিনেই প্রায় ৪০,০০০ দর্শক আসবে বলেও ধারণা করছেন তারা। যদি সেটাই হয়, তাহলে তা ছাড়িয়ে যাবে ২০১৩ এশেজের এডিলেড টেস্টের প্রথম দিনের দর্শকসংখ্যাকেও। সিরিজের আগের দুই টেস্টে দর্শক হয়েছিল প্রায় একলাখের মতো, এরচেয়ে অনেক বেশি মানুষই যে ইতিহাসের প্রথম ডে-নাইট টেস্টের সাক্ষী হতে চাইবে তাতে আর আশ্চর্য কি?
শুরুর আগেই খেলোয়াড়, দর্শক সবাইকেই ইতিমধ্যে রোমাঞ্চিত করছে এই ‘নতুন’ টেস্ট ক্রিকেট। অন্য অনেক নতুনের মতো কৃত্রিম আলোয় টেস্ট খেলার এই নতুন ধারণাটা স্থায়ী হয় কিনা সেটা সময়ই বলে দেবে। তবে ফ্লাডলাইটের উজ্জ্বল আলোকছটায় টেস্ট ক্রিকেট যদি আরো সুন্দর রুপে ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখে ধরা দেয়, তবে সেটাই হবে এই নতুনত্বের সবচেয়ে বড় পাওয়া। প্রিয়

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on কৃত্রিম আলোয় টেস্ট ক্রিকেট!

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

bsf_kata-tar_76266সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার তলুইগাছা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের তারালি এলাকায় বিএসএফ-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আজ ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পাঁচরকি গ্রামের মো. নজরুল ইসলাম ও কলারোয়ার কাকডাঙ্গা গ্রামের খালেক সরদার। তাদের মরদেহ এখনও ঘটনাস্থল ভারতের তারালি গ্রামে আছে বলে জানায় স্থানীয়রা। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি জানিয়েছে, তারা এমন একটি খবর জানতে পারলেও তা নিশ্চিত করা যায়নি। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। সীমান্তের লোকজন গরু রাখালদের বরাত দিয়ে আরও জানায়, আজ ভোরে কয়েকজন রাখাল ভারত থেকে চোরাচালান পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করছিল। বিএসএফ-এর ৭৬ ব্যাটেলিয়নের তারালি ক্যাম্প সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় তারা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয় বলে জানায় তারা। এ প্রসঙ্গে বিজিবির তলুইগাছা ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার হুমায়ুন জানান, ‘আমি ওপারে গুলির খবর শুনেছি। হতাহতের খবরও শুনেছি। তবে নিশ্চিত হতে পারিনি।’

Posted in জাতীয় | Comments Off on সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

‘সেভেন সামিট’ জয় ওয়াসফিয়ার

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণের পর ওয়াসফিয়া নাজরীন এবার ইন্দোনেশিয়ার কার্সটেনস পিরামিড পর্বত শৃঙ্গ জয় করেছেন। এর মাধ্যমে বিশ্বের সাতটি অঞ্চলের সর্বোচ্চ সাতটি শৃঙ্গ জয়ের অভিযান পূর্ণ করেছেন বাংলাদেশের এই পর্বতারোহী।wasfia seven samit_13308

ওয়াসফিয়া নাজরিনের ফেসবুক পেজের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বিবিসি।
বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট ফাউন্ডেশনের মুখপাত্র করভি রাকসান্ড জানান, স্যাটেলাইট ফোনে ওয়াসফিয়া জানিয়েছেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছর উদযাপনের জন্য আমরা এই ক্যাম্পেইন শুরু করি যা ‘৭১ এর চেতনাকে আরো পরিপূর্ণ করার একটি প্রয়াস এবং তাদের জন্য উৎসর্গ করছি যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।”
নিজ ভূমিতে (বাংলাদেশ) ফেরার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন বলেও জানান ওয়াসফিয়া নাজরীন।
ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট কার্সটেনস নামের পর্বতের শৃঙ্গটি পুঞ্জাক জায়া নামেও পরিচিত, যার উচ্চতা ৪ হাজার ৮৮৪ মিটার। এই প্রথম কোনো বাংলাদেশী নারী ওসেনিয়ার সব্বোর্চ্চ এই পর্বতে উঠলেন।
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ‘বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট’ নামে একটি অভিযান চালাচ্ছিলেন মিস নাজরীন। চার বছর আগে তিনি তার এই কর্মসূচি শুরু করেন।
ওয়াসফিয়া নাজরীন দ্বিতীয় বাংলাদেশী নারী হিসেবে ২০১২ সালে ২৬ মে শনিবার সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ‘সেভেন সামিট’ জয় ওয়াসফিয়ার

দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকতে পারে ফেসবুক

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকতে পারে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। একইসঙ্গে বন্ধ থাকতে পারে মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবার। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নেয়া হতে পারে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসির) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ৫ কোটি ৪১ লাখ সক্রিয় ইন্টারনেট গ্রাহকের মধ্যে শুধু ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। ১৮ই নভেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায়’ সারা দেশে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। এর আগে বেলা ১১টার দিকে বিটিআরসি প্রথম দফায় ফেসবুক, ভাইবার, মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের নির্দেশনা দেয়। পরবর্তীতে লাইন, ট্যাঙ্গো ও হ্যাংআউট বন্ধেরও নির্দেশনা আসে। একপর্যায়ে ইন্টারনেটও বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে দেড় ঘণ্টা ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না সারা দেশে। যদিও সরকার দাবি করে, ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি। ‘কারিগরি ত্রুটির’ কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। বিটিআরসির সচিব সরওয়ার আলম গতকাল মানবজমিনকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের কাছে কোন ধরনের নির্দেশনা আসেনি। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলেই সঙ্গে সঙ্গে এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুলে দেয়া হবে। এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম দীর্ঘমেয়াদে ফেসবুক বন্ধের ইঙ্গিত দেন। গত শনিবার তিনি জানান, জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তার স্বার্থে যতদিন বন্ধ থাকা প্রয়োজন, ততদিন বন্ধ থাকবে এসব মাধ্যম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যখন বলবে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেছে, তখন এসব যোগাযোগ মাধ্যম খুলে দেয়া হবে। এদিকে বিভিন্ন আ্যাপসের মাধ্যমে অনেকে ফেসবুক ব্যবহার করছেন। এটা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি কিনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, যারা বিকল্প পথে এসব ব্যবহার করছেন, সেটি তারা নিরাপদভাবে ব্যবহার করছেন না। তাদের ওপর নজর রাখা সরকারের পক্ষে সহজ হচ্ছে। বড় কোন বিপদ ঘটে যাওয়ার পরে বন্ধ করে কী হবে? আগে থেকেই একটু প্রস্তুতি রাখা ভালো। এদিকে সোমবার সংসদে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়ার আহ্বান জানান স্বতন্ত্র এমপি তাহজীব আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, সমপ্রতি ঘটে যাওয়া নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যতে ভয়াবহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটার আশঙ্কায় সরকার ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে। এতে কাজের কাজ কিছু না হলেও এই সিদ্ধান্ত জনমনে অযাচিত আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।images (1)
বিটিআরসি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ফেসবুকে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ এবং ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সীদের হার ৪২ শতাংশ। দেশে গত বছর একই সময়ে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি। এর মধ্যে ৮২ লাখ পুরুষ এবং ২২ লাখ নারী ছিল। শুধু ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সীর সংখ্যা ছিল ৭৪ লাখ। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটিতে পৌঁছাবে।
অ্যাপস বন্ধ থাকায় কমেছে ইন্টারনেটের গতি
এদিকে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধ থাকায় ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অ্যাপসগুলো ক্লাউড নির্ভর হওয়ায় এ সমস্যা হয়েছে। কারণ এগুলো একটির সঙ্গে অন্যটি সম্পর্কযুক্ত। তারা জানান, দেশে বর্তমানে ব্যান্ডউইথ খরচ হচ্ছে কম। ফেসবুকে প্রবেশের স্বাভাবিক পথ বন্ধ থাকায় মোট ব্যবহৃত ব্যান্ডউইথের প্রায় ৪০ শতাংশ (সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে বর্তমানে ১৩৭ গিগা ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হচ্ছে) অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। ইন্টারনেটে ট্রাফিকও (ব্যবহারকারীদের উপস্থিতি) কমে গেছে আশঙ্কাজনক হারে। তারা জানান, দ্রুত এসব অ্যাপস খুলে দেয়া না হলে সমস্যা আরও বাড়বে। ইন্টারনেটের গতি আরও ধীর হয়ে যাবে। তখন সব সাইটে ঢোকা যাবে না। ঢোকা গেলেও সময় লাগবে অনেক। ছবিও ঠিকমতো দেখা যাবে না। এমনকি সংশ্লিষ্ট সাইটে রাখা ভিডিও দেখতেও সমস্যা হবে। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, গ্রাহকরা নেটওয়ার্ক গতি স্লো পাচ্ছেন। ধীরগতির নেটওয়ার্কের কারণে অপরাধীরা নেটওয়ার্ক গড়ার সুবিধা পাচ্ছে না। প্যারিসেও বন্ধ করা হয়েছে বিভিন্ন মাধ্যম। কিন্তু তারা উষ্মা প্রকাশ করছে না।

Posted in জাতীয় | Comments Off on দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকতে পারে ফেসবুক

খালেদা জিয়ার হাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা

ঢাকা: লন্ডন থেকে দেশে ফিরে তিন দিন বিশ্রাম নিয়ে অফিস শুরু করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একগুচ্ছ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে দ্রুত দল গোছানোর কাজটি তালিকার শীর্ষে রয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই দল নতুনভাবে সাজাতে চান তিনি। দল সাজিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে নতুন বছরের শুরু থেকে নির্বাচন ইস্যুতে মনোযোগ দেয়ার। কঠোর কোনো কর্মসূচি না এলেও ৫ জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের দ্বিতীয় বছর পূর্তিকে ঘিরে দেশজুড়ে সভা-সমাবেশের ঘোষণা আসতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

দীর্ঘ ৬৬ দিন পর লন্ডন থেকে ফিরে গত রাতে প্রথম অফিস করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সিনিয়র বেশ কয়েকজন নেতার সাথে কথা বলেছেন তিনি। তৃণমূল সংগঠন পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন, দিয়েছেন নতুন নির্দেশনা। 72362_160
খালেদা জিয়া দল পুনর্গঠনে কী পদক্ষেপ নেন, সে দিকেই এখন দলীয় নেতাকর্মীরা তাকিয়ে আছেন। বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, কয়েক মাস ধরে তৃণমূলে দল পুনর্গঠনের কাজ চললেও এখন কেন্দ্র গোছানোর কাজে নিজেই হাত দেবেন বিএনপি প্রধান।
দলের শীর্ষ এক নেতা জানান, শিগগিরই দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি এবং ২০ দলীয় জোটের বৈঠক ডাকবেন খালেদা জিয়া। বৈঠকে তিনি লন্ডন সফরের নির্যাস তুলে ধরার পাশাপাশি দল পুনর্গঠন নিয়ে নিজস্ব ভাবনার কথা সিনিয়র নেতাদের জানাবেন। সেভাবেই সব কাজ এগিয়ে যাবে। দলের ওই নেতা জানান, সংবাদ সম্মেলন করে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে দলের অবস্থান তুলে ধরতে পারেন বেগম খালেদা জিয়া। সরকারবিরোধী একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ার ওপর জোর দেয়া হতে পারে। জোট না করে সরকারের বাইরে থাকা দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার পরিকল্পনাও রয়েছে বেগম জিয়ার।
গত আগস্ট মাস থেকে শুরু হয়েছে বিএনপির তৃণমূল সংগঠন গোছানোর কার্যক্রম। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জেলা, উপজেলা, থানাসহ অন্যান্য ইউনিট পুনর্গঠনের নির্দেশ দেয়া হলেও তা সম্ভব হয়নি। ৭৫টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে হাতেগোনা এক-দু’টি জেলায় সম্মেলন হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু জেলায় তেমন কোনো কাজই হয়নি।
সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো: শাহজাহান নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘ম্যাডাম দেশে ফিরেছেন। এ পর্যন্ত জেলা দল পুনর্গঠনের যে কাজ হয়েছে, তা বিস্তারিত তাকে আমরা জানাব। তারপর তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেভাবে পরবর্তী কাজ শুরু হবে।’ তিনি জানান, প্রায় ২৫টি জেলা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত আছে। কিছু জেলায় এখনো তেমন কোনো কাজ হয়নি।
জানা গেছে, লন্ডনে সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে কথা বলেছেন খালেদা জিয়া। এতে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন, কেন্দ্র গোছাতে ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের স্থান দেয়াসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। সিদ্ধান্ত হয়েছে দ্রুত সময়ের মধ্যে দলের জাতীয় কাউন্সিল করার।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিএনপির কেন্দ্রে এবার ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। দলের স্থায়ী কমিটি থেকে শুরু করে নির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে অপেক্ষাকৃত তরুণ ও সাচ্চা নেতাদের পদায়ন করা হবে। তবে কাউকে বাদ দেয়ার পক্ষে নন বিএনপি প্রধান। পদের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হলেও সবাইকে নিয়ে একসাথে নতুন লক্ষ্যে এগোতে চান তিনি।
ঢাকা মহানগর বিএনপি, অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের বিভিন্ন শাখা কমিটি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন হতে পারে শিগগিরই। বিশেষ করে যুবদলের কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীরা অপেক্ষার প্রহর গুনছেন।
এ দিকে পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে কি না সে ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি দল। তবে স্থানীয় বিএনপি ইতোমধ্যে পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি শুরু করেছে। গ্রেফতার এড়িয়ে এসব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে নানামুখী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on খালেদা জিয়ার হাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা

লবণের নামে মানুষ খাচ্ছে প্লাস্টিক!

72365_376নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর একজন ব্যক্তি গড়ে কমপক্ষে এক হাজার প্লাস্টিকের টুকরো খেয়ে থাকেন। প্রতিদিন খাবারকে সুস্বাদু করতে ও প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে আমরা যে লবণ ব্যবহার করি তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে ক্ষতিকারক এসব প্লাস্টিক। সম্প্রতি এমন অবাক করা তথ্যই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। লবণের প্রধান উৎস সমুদ্র। আর প্রতি বছর কমপক্ষে ৫০ লাখ টন প্লাস্টিকবর্জ্য সমুদ্রে ফেলে মানুষ। এসব প্লাস্টিকই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হয়ে মিশে যায় লবণের সাথে। প্রতি কেজি লবণে কয়েক হাজার অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা থাকে বলে জানতে পেরেছেন চীনে লবণ উৎপাদনবিষয়ক গবেষণায় নিয়োজিত একদল বিজ্ঞানী। প্রধান দুটি উপায়ে ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের টুকরোগুলো আসে বোতল, শপিং ব্যাগ ও শিল্প বর্জ্যসহ প্রচুর প্লাস্টিক সমুদ্রে ফেলার কারণে এবং মেকাপ জাতীয় প্রসাধনী ও টুথপেস্টে ব্যবহৃত ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা। প্লাস্টিকের এ কণাগুলো আকারে সর্বোচ্চ ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়, তবে এদের বেশি ভাগই এত ছোট যে খালি চোখে দেখা যায় না। আর এ কারণেই এগুলো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তা ছাড়া এই ক্ষুদ্র টুকরোগুলো সহজেই প্লাঙ্কটনসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক উদ্ভিদ শোষণ করে নেয়, ফলে শেলফিসের মতো অভিজাত সামুদ্রিক উপাদানে তৈরি খাবারের মাধ্যমে তা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে প্লাস্টিক কণাগুলো। অনেক ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা গেছে, অতিক্ষুদ্র আকারের এ প্লাস্টিকের টুকরোগুলো সহজেই মানুষের শরীরের কোষে প্রবেশ করে টিস্যুকে নষ্ট করে দিতে পারে। এ ছাড়া এগুলো শরীরে ডিডিটি কীটনাশক ও পলিকোরিনেটেড বাইফিনাইলের মতো বিভিন্ন বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের সমাবেশ ঘটাতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য সাংহাইয়ের ইস্ট চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ১৫টি ব্র্যান্ডের সামুদ্রিক লবণকে পরীক্ষা করে দেখেছেন। আমেরিকান কেমেস্ট্রি সোসাইটির গবেষণা জার্নাল এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মতে, প্রতি কেজি সামুদ্রিক লবণে ৫৫০ থেকে ৬৮১টি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক টুকরো থাকে। এ ছাড়া শিলা ও খনিজ লবণেও প্রতি কেজিতে ২০৪টি প্লাস্টিক টুকরো থাকে। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের জন্য কোনো ব্যক্তি যখন খাদ্যে লবণ ব্যবহার করেন তখন তিনি প্রতিদিন গড়ে তিনটি কিংবা বছরে গড়ে এক হাজার প্লাস্টিক টুকরো গ্রহণ করেন। মেইল অনলাইন অবলম্বনে

Posted in জাতীয় | Comments Off on লবণের নামে মানুষ খাচ্ছে প্লাস্টিক!

বিপিএলে বরিশাল ও সিলেটের প্রথম ম্যাচ আজ

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে বরিশাল বুলস ও সিলেট সুপার স্টার্স।দুপুর ২টায় প্রথম ম্যাচে চিটাগাং ভাইকিংসের মুখোমুখি হবে সিলেট সুপার স্টার্স। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি হবে বরিশাল বুলস।

c9f0d8fcd966eed7910c86e1d23e6f28e21c31b5
টি ২০ ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন ক্রিস গেইল এবারও বরিশাল বুলসের খেলোয়াড়। ইনজুরির দরুন প্রথম কয়েকটা ম্যাচে গেইলকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে বরিশালকে। শুরুতে গেইলকে পাওয়া না গেলেও তাতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন শাহরিয়ার নাফীস। স্থানীয় ক্রিকেটারদের ওপরই ভরসা রাখছেন এই ব্যাটসম্যান। নাফীস বলেন, ‘আমাদের দলটা ভারসাম্যপূর্ণ। আইকন খেলোয়াড় মাহমুদউল্লাহ ভালো টাচে আছেন। সাব্বির ভালো করছে। এছাড়া রনি তালুকদার রয়েছে। বিদেশী খেলোয়াড়দের মধ্যে যারা আছেন তারা ভালো করবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এবার একা ম্যাচ জিতিয়ে দেয়ার মতো কোনো খেলোয়াড় নেই।’ বিদেশী খেলোয়াড়দের মধ্যে বরিশালে রয়েছেন মোহাম্মদ সামি, ব্রেন্ডন টেলর ও কেভিন কুপারের মতো অভিজ্ঞ টি ২০ ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান-সৌম্য সরকারদের নিয়ে গড়া রংপুর রাউডার্স জয় দিয়ে শুরু করেছে। আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরা সাকিব আল হাসান ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ। মিসবাহ-উল-হক, ভ্যারেন স্যামি ও থিসারা পেরেরায় জিতেছে রংপুর। আজও জয়ের অপেক্ষায় তারা।
এদিকে প্রথম ম্যাচে মোহাম্মদ আমির, তামিম ইকবাল ও দিলশান দুর্দান্ত খেলার পরও হার দিয়ে শুরু করেছে চিটাগাং। দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের জন্য ঝাঁপাবে তারা। নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরে প্রথম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলতে নামা তরুণ পাকিস্তনি পেসার মোহাম্মদ আমির ৩০ রানে নিয়েছেন চার উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে জয়টা হাতছাড়া করতে চান না তামিম ইকবাল। সিলেট সুপার স্টার্সের রুবেল হোসেন প্রথম কয়েক ম্যাচ খেলতে পারবেন না বলে হতাশ কোচ সারোয়ার ইমরান। সিলেটের কোচের আশা, জয় দিয়েই শুরু করবে তার দল। রোববার মিরপুর একাডেমি মাঠে তিনি বলেন, ‘রুবেল আগে থেকেই ইনজুরিতে। রাজ্জাকও ইনজুরিতে পড়ায় আমাদের টিম কম্বিনেশনে কিছুটা সমস্যা হয়ে গেল।’ বিদেশী খেলোয়াড়দের মধ্যে রবি বোপারার ওপর আস্থা রাখছেন সারোয়ার ইমরান।

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on বিপিএলে বরিশাল ও সিলেটের প্রথম ম্যাচ আজ

যা আছে রাষ্ট্রপতির কাছে লেখা চিঠিতে

নিউজ ডেস্ক: এ যেন ছোট গল্পের সংজ্ঞা, শেষ হইয়াও হইল না শেষ। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ফাঁসির আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছিলেন কিনা তা নিয়ে বিতর্ক এখনো চলছে। একদিকে একাধিক মন্ত্রীর এ নিয়ে বক্তব্য অন্যদিকে সাকা চৌধুরী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের স্বজনদের তা প্রত্যাখ্যান।sk-m_89042
আইনমন্ত্রী বলছেন, দু’জনের স্বহস্তে লেখা আবেদন তিনি দেখেছেন যার বিষয় হিসেবে লেখা ছিল সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ মোতাবেক ক্ষমা প্রার্থনা প্রসঙ্গে।
তবে মি. চৌধুরী ও মি. মুজাহিদের পরিবারের সদস্যরা সরকারের এ দাবি এখনো অস্বীকার করছেন।
মি. মুজাহিদের ছেলে বলছেন, তারা বাবা চিঠি একটি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতিকে তবে তা বিচার ব্যবস্থার অসঙ্গতি নিয়ে, ক্ষমা চেয়ে নয়।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক রোববার স্পষ্ট করেই বলছেন, দু’জনের আবেদন পত্র তিনি দেখেছেন এবং সেখানে স্পষ্ট করে লেখা ছিল সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমা প্রার্থনা প্রসঙ্গে।
তবে মি. মুজাহিদের ছেলে দাবি করছেন, কারা কর্তৃপক্ষের চাপের মুখে তার বাবা চিঠি একটি লিখেছিলেন, তবে সেটা কোনও আবেদন নয়, এবং কোনও ক্ষমা প্রার্থনাও তিনি করেননি।
শনিবার সারাদিনই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে বিতর্ক চলেছে।
রাতে মি. চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা কারাগারে তার সঙ্গে শেষ দেখা করে আসার পর তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর ছেলে সাংবাদিকদের কাছে বলেন, তার বাবা প্রাণভিক্ষা চাওয়ার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন।
একই রকম বক্তব্য তখন দিয়েছিলেন মি. মুজাহিদের ছেলে আলী আহম্মেদ মাবরুরও।
কিন্তু দ- কার্যকরের পরদিনও এ নিয়ে বিতর্ক থামছে না। দুই দ-প্রাপ্তের পরিবারের সদস্যরা আজও সারাদিন ধরে এটাকে সরকারের একটি অপকৌশল বর্ণনা করে বক্তব্য দিয়েছেন।
এই প্রেক্ষাপটে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, “আবেদনের মধ্যে পরিষ্কার লেখা ছিল বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমা প্রার্থনা প্রসঙ্গে, তো এর থেকে আর কি থাকতে পারে বলুন। একেবারে নিজে হাতে, একজন বাংলায় লিখেছেন একজন ইংরেজিতে লিখেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে যখন ৪৯ অনুচ্ছেদের একটি পিটিশন যায়, এটা কিন্তু ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া আর কিছু না।”
তবে মি. মুজাহিদের ছেলে মি. মাবরুর বিবিসিকে বলছেন, তার বাবা চিঠি একটি লিখেছেন তবে সেটা কোনও আবেদন নয়, সেটা ছিল তার ভাষায় একটি ‘নোটিফিকেশন লেটার।’
তিনি বলেন, “এটাকে আবেদন বলা যাবে না এজন্য যে ওনার এখানে কোন আবেদন ছিল না। যেহেতু জেল কর্তৃপক্ষ ওনাকে চাপ দিয়েছে, উনি বলেছেন, আমি এই বিচারের অসঙ্গতিগুলো এবং আমার ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকারগুলোর ক্ষেত্রে যে বঞ্চিত করা হয়েছে, এই বিষয়গুলোকে নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে একটা চিঠি দিয়েছি। উনি বলেছেন আমার কোনও প্রয়োজন নেই তার কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার এবং আমি সেটা করিনি।”
মি. মাবরুরের এই বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে আইন মন্ত্রী বলছেন, সংবিধান মোতাবেক ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া কোনও ফাঁসির আসামীর জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আর কোনও রকম কোনও আবেদন করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, “বিচার ব্যবস্থার যদি ত্রুটি থাকেই সেটা ওনারা কোর্টে বলতে পারতেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে লেখার কোনও অবকাশ নেই। আমরা যারা এই দরখাস্তটা দেখেছি, আমরা বলছি, ওনারা যদি দরখাস্তটা দেখে থাকেন, ওনাদের কাছে যদি দরখাস্তের কপি থেকে থাকে, দয়া করে ওনারা যেন দেখান যে এটা আর্টিকেল ৪৯ এর আন্ডারে কোনও পিটিশন ছিল না, তাহলেই হোক, আর আমরাটা তো আমার কাছে আছেই। আমার মুখের কথাই যথেষ্ট।”
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে সংবিধানের আলোচ্য ৪৯ অনুচ্ছেদে বলা রয়েছে, কোনও আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের দেয়া যে কোন দ-ের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করবার এবং যে কোনও দ- মওকুফ স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে। তবে আইনমন্ত্রী যে বলছেন, প্রাণভিক্ষা ছাড়া ফাঁসির দ-প্রাপ্ত আসামির রাষ্ট্রপতির কাছে সংবিধান অনুয়ায়ী আর কোনো আবেদন করার থাকেনা এবং তা করতে হলে আদালতে করতে হয় সে সুযোগ সরকার তাদের দেয়নি। কারণ সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের আইনজীবীরা বেশ কয়েক দফা ঢাকা কারাগারের ফটকে গেলেও তাদের মক্কেলদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি। কারণ রিভিউ পিটিশন খারিজ হওয়ার পর তা আইনের এখতিয়ারের বাইরে চলে যায়।
বিবিসি বাংলা

Posted in জাতীয় | Comments Off on যা আছে রাষ্ট্রপতির কাছে লেখা চিঠিতে

অবশেষে দুই ঘাতকের এক সাথে ফাঁসি কার্যকর

SAKAএস এম নুর মোহম্মদ ও শিমুল রহমান : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি এক সাথে রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে কার্যকর হয় । বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা ও ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল কামারুজ্জামানের মৃত্যুদ- কার্যকরের পর তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে আজ সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর এবং চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হলো।
এর আগে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তার আগে কারাগারে যান আইজি (প্রিজন) সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন, অতিরিক্ত আইজি (প্রিজন) কবির হোসেন ও ডিআইজি (প্রিজন) গোলাম হায়দার। জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক ফরমান আলী আগে থেকেই কারাগারের ভেতরে ছিলেন বলে জানা যায়।
সাত জন জল্লাদ তাদের ফাঁসি কার্যকর করেছেন। এরা হলেন- ইকবাল, মাসুদ, আবুল, মোক্তার, রাজু, শাহজাহান ও হযরত। এসব জল্লাদ বিভিন্ন সময় ফাঁসি আসামিদের ফাঁসির দ- কার্যকর করেন। এদের মধ্যে শাহজাহান ও রাজু যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা ও কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরে অংশ নিয়েছিলেন।
রাত ১২টা ৩১ মিনিটে লাশ বহন করে এমন চারটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স কারাগারের সামনে এনে রাখা হয়। ১২টা ৩৮ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সগুলো কারাগারে প্রবেশ করে।
সর্বশেষ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে শেষ দেখা করতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন তার স্বজনেরা। সোয়া এক ঘণ্টা পর তারা কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। স্ত্রী-পুত্র-কন্যাসহ ১৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে আলী আহসান মুজাহিদের সঙ্গে শেষ দেখা করতে কারাগারে প্রবেশ করেন স্বজনরা। তারা ঘণ্টা পর বের হন। স্ত্রী ও ছেলেসহ ৮ জন স্বজন তার সঙ্গে দেখা করেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on অবশেষে দুই ঘাতকের এক সাথে ফাঁসি কার্যকর

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud