পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

দেশে ফিরলেন খালেদা

Khaleda_ZIa_021448109718শাহানুজ্জামান টিটু: দেশে ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ দুই মাস পাঁচ দিনের লন্ডন সফর শেষ করে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটযোগে দেশে ফিরলেন তিনি।
শনিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী এমিরেটসের ইকে-৫৮৬ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। দু’চোখ ও হাঁটুর চিকিৎসার জন্য তিনি এ সফরে যান। লন্ডনে অবস্থানকালে খালেদা জিয়া তার ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসার পাশের একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে অবস্থান করেন। দীর্ঘ এ সফরে তিনি স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান এবং একটি নাগরিক সভায় যোগ দেন।
এদিকে দেশে ফেরার পর খালেদার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছে তার দল। শুক্রবার এক বিবৃতিতে বিএনপির মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা নিয়ে দল উদ্বিগ্ন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on দেশে ফিরলেন খালেদা

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে যা যা লাগে সরকার করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে সরকারের যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, সেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বিকেল ৪টার দিকে সেনাকুঞ্জে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান।sekh_bg_681310928o
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করে তখনই জনগণ কিছু পায়। এদেশের মানুষের উন্নতি হয়। বর্তমানে দেশে দারিদ্রের হার কমেছে। কমেছে হতদরিদ্রের হারও। অন্যদিকে মাথাপিছু আয় বেড়েছে। মানুষের গড় আয়ু এখন ৭০ দশমিক ৭-এ উন্নীত হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রর রিজার্ভ ছয়গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে। এছাড়া বার্ষিক বাটেজের ৯০ শতাংশই আমরা নিজেরাই ব্যবস্থা করছি।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে সারা বাংলাদেশে ইন্টারনেট সার্ভিস দিয়েছি। দেশে এখন ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছি, যাতে সাধারণ মানুষ হাতের কাছেই সুস্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি ১২৩ ভাগ বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সবার যাতে উন্নতি ঘটে সরকার সে বিষয়টি দেখছে। আমরা বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত ও শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
এ জন্য প্রধানমন্ত্রী সবার সহযোগিতা চান।
তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে আওয়ামী লীগ সরকারের যে যে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, সেসব পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শৃক্সখলা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে সর্বত্র প্রশংসিত হতে পারে এবং দেশের প্রতিরক্ষা ও দেশ গড়ার কাজে অবদান রেখে গৌরব বৃদ্ধি করতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করতেও নির্দেশনা দেন তিনি।
এ সময় শেখ হাসিনা আবারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।
‘এ জন্য আসুন এদেশ আমাদের; এদেশের মাটি আমাদের। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই’- যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Posted in জাতীয় | Comments Off on সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে যা যা লাগে সরকার করছে

কী আছে রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনে?

রাশেদ শাওন : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদ-াদেশপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দ- কার্যকরের প্রায় কাছাকাছি। এ অবস্থায় তার পুনর্বিচারের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার।44449
শনিবার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরীর পক্ষ থেকে একটি আবেদনপত্র লেখা হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। আবেদনপত্রের শুরুতেই রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানানো হয়।
এরপর আবেদনপত্রে লেখা হয়, ‘আমার স্বামী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আসন্ন মৃত্যুদ-ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। তার মামলার বিষয়ে ইতিমধ্যে তার দল তাদের অবস্থান ব্যক্ত করেছে। তার সাথে কথা বলার সময় তিনি যে কথাগুলো বলেছেন তা আপনাকে জানাতেই আমি এ আবেদনটি দাখিল করছি। আমার স্বামী তার পক্ষ থেকে আবেদনটি দাখিল করতে আমাকে বলেছেন।’
আবেদনে বলা হয়, ‘আইসিটির অধীনে মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত নির্মম ঘটনাগুলো বিচারের আওতায় আনার জন্য তারা সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তবে পরবর্তীতে মনে হয়েছে, বিচারটিতে পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে এবং এটি বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।’
আবেদনে আরও বলা হয়, ‘মামলার কার্যক্রমকে সরসরি সমালোচনার পরিবর্তে আমার স্বামী আমাকে মামলার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আপত্তিগুলো তুলে ধরার জন্য বলেছেন।’
এরপর মামলার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিভিন্ন আপত্তি তুলে ধরা হয়। এসব আপত্তির মধ্যে ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে লেখা মার্কিন সিনেটর ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রার্থী জন ম্যাককেইনের চিঠি। যুক্তরাজ্যের হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কার্লইলের সমালোচনা এবং আইসিটি বিষয়ে দেশটির মানবাধিকার সংস্থার আপত্তি।
এছাড়াও তুলে ধরা হয় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বক্তব্য ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিষয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন।
আবেদনের শেষে লেখা হয়, আমার স্বামী আপনাকে মনে করিয়ে দিতে চান, আপনি বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক। ৩ দশক ধরে সংসদে তিনি আপনার সহকর্মী ছিলেন। তিনি আশা করেন, আপনি তার ব্যাপারে একচোখা হবেন না।’
চিঠির শেষে ছিল ফারহাত কাদের চৌধুরীর নাম এবং স্বাক্ষর ছিল।

Posted in জাতীয় | Comments Off on কী আছে রাষ্ট্রপতির কাছে করা আবেদনে?

রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে বিতর্ক

আনিসুর রহমান তপন : বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী মানবতা অপরাধের দায়ে তার বিরুদ্ধে ফাঁসির দ-াদেশের ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন কি না এ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।Mujahid-SQ
শনিবার সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দু’জন ম্যাজিস্ট্রেট দেখা করেন তার সঙ্গে। তারা জামায়াত নেতা ও ফাঁসির দ-াদেশ প্রাপ্ত আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করেন। প্রায় দুই ঘন্টা এ দুই ম্যাজিস্ট্রেট তাদের সঙ্গে কারাগারে আলোচনা শেষে বের হয়ে আসার পর জানা যায় রাষ্ট্রপতির কাছে এদুজনই ফাঁসির দ-াদেশ মওকুফের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রাণভিক্ষা চাইবেন না। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকেও প্রাণভিক্ষা চাওয়া হবে না। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ইচ্ছানুযায়ী, এ বিচার নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর পরিবার তুলে ধরবেন।
শনিবার দুপুরে গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তবে, গয়েশ্বরের ওই বক্তব্যের পরই সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী বলেছেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর আইনজীবীদের দেখা করতে না দেওয়া পর্যন্ত বলতে পারছেন না, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না। প্রাণভিক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। আইনজীবীদের দেখা করার পরই বিষয়টি জানা যাবে।
তিনি অভিযোগ করেন, সকালে আইনজীবীরা কারাগারে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এ সময় তাঁর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, তাঁদের আইনজীবীদের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। দুজন ম্যাজিস্ট্রেটকে কারাগারের ভেতরে পাঠানো হয়েছে। এ দুজন ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের সঠিক তথ্য দেবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ব্যারিষ্টার ফারহাত কাদের চৌধুরী জানান, ক্ষমা চাইবেন কি না তা একমাত্র সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বা তার আইনজীবীর কাছ থেকেই জানা যাবে।
এদিকে দুপুর আড়াইটায় ধানমন্ডিতে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাসভবনের সামনে তার ছোট ছেলে হুম্মান কাদের চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারি নজরুল ইসলাম বাবু সাংবাদিকদের বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মারসি পিটিশন চাইবার প্রশ্নই আসে না। মামলার বিষয় তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানাবেন। এখনো আইনজীবীরা সালাউদ্দিন কদের চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলার জন্য কারাগারের সন্নিকটে বসে আছেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মূলত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবার দেখা করতে চাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি এ মামলার ব্যাপারে অবহিত আছেন কি না তা জানতে।
এদিকে ফাঁসির দ-প্রাপ্ত জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না ই জাহান আরেক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদকে সাংবিধানিক অভিভাবক মনে করেন আমার স্বামী। তার কাছেই সুবিচারই পাওয়া যাবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।
শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় মুজাহিদের স্ত্রী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় যদি অন্য কোনো মামলায় মুজাহিদের দ- কার্যকর হয় তাহলে তা নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন হবে বলে যুক্তি দেখান।
তিনি বলেন, যেহেতু রাষ্ট্রপতি ব্যক্তিগত জীবনে একজন আইনজীবী ও আইনবিদ তাই আশা করি রাষ্ট্রপতি নাগরিক হিসেবে মুজাহিদের আইনি ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।
২১শে আগস্ট ও গ্রেনেড হামলা মামলার মুজাহিদ অন্যতম আসামি। ওই মামলার এখন চূড়ান্ত সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এই কারণেই মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে জানতে চাইবেন যে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় তার অবস্থান কী হবে, বলেন তামান্না ই জাহান।

Posted in জাতীয় | Comments Off on রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে বিতর্ক

সাকা ও মুজাহিদের রায় কার্যকর হতে পারে শনিবারের পরে

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুহম্মদ মুজাহিদের ফাঁিসর রায় কার্যকর হতে পারে শনিবারের পর যে কোন দিন। সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার জন্য সরকার প্রক্রিয়া শুরু করবে রায়ের কপি পাওয়ার পর। এই তথ্য জানা গেছে সরকারের নীতি নির্ধারক মহলের এক মন্ত্রীর কাছ থেকে।

SAKA AND MOJAHID
তিনি বলেছেন, প্রধান বিচারপতি আজই লিখিত রায় দিতে পারেন। সেটা দিলে আজই কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। সেটা পাঠানোর পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা করা হবে।
এই ব্যাপারে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, আদালত কি রায় দেন সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। রায় আজ হয়তো হতে পারে। সেটা হলে হয়তো আজই রায় কারা কর্তৃপক্ষের কাছে যাবে। সেটা গেলেও আজ রায় কার্যকর হবে না। কারণ শুক্রবার ফাঁিসর রায় কার্যকর করা যায় না। এই কারণে শুক্রবারে ফাঁিসর রায় কার্যকর হবে না।
শনিবার কার্যকর হতে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, রায়ের কপি যাওয়ার পর এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবেন কখন রায় কার্যকর করবে। সেই হিসাবে কার্যকর হবে। তবে শনিবারই হবে এটা বলতে পারছি না। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্টরা বলতে পারবেন। আজ রায়ের কপি পৌঁছানোর পর শনিবার কিংবা এরপরে রায় কার্যকর করতে কোন বাঁধা নেই।
তিনি বলেন, একটু অপেক্ষা করতে হবে। অপেক্ষা করলেই সবাই সব কিছু জানতে পারবেন। সরকার এনিয়ে কোন তাড়াহুড়া করতে চাইছে না। সব কিছুই আদালতের আদেশে রয়েছে। যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে এক্ষেত্রেও একই নিয়ম মানা হয়েছে।
ঠিক কয়দিনের মধ্যে রায় কার্যকর হবে বলে আপনি মনে করছেন, তিনি বলেন, আসলে এখানে সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ বলতে পারছি না এই জন্য যে রায়ের কপিতে আদালত কি লিখবেন সেটাতো জানি না। রায়ের কপিতে কি লেখা হয় সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। রায়ের কপি পাওয়ার পরই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। আর সরকারেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। আদালত রায় কার্যকর করার জন্য কোন আদেশ দিলে সেই হিসাবে কার্যকর করা হবে।
রায়ে কি ভিন্ন রকম কিছু থাকতে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আদেশতো মৌখিকভাবে হয়ে গেছে। এই কারণে ভিন্ন কিছু হবে মনে হচ্ছে না। কারণ আদালততো আদেশ দিয়েছেন। এখন লিখিত রায়েতো বিস্তারিত লিখতে পারেন সেটা লেখার জন্য সরকার অপেক্ষা করছে। সেখানে আদালত যা লিখবেন ও যেভাবে লিখবেন সেই ভাবে রায় কার্যকর করা হবে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এই রায় কার্যকর করাকে কেন্দ্র করে অবনতি হতে পারে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেই রকম কোন সম্ভাবনা দেখছি না। তারা চেষ্টা করতে পারে। তবে সেই চেষ্টা যাতে সফল না হয় এই জন্য সরকার থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই ব্যাপারে সর্বাতœক চেষ্টা করছে। আরো করবে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on সাকা ও মুজাহিদের রায় কার্যকর হতে পারে শনিবারের পরে

আজ হচ্ছে না সাকার রিভিউ শুনানি

ঢাকা: মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরীর আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানিটি ‘আজ হচ্ছে না (নট টুডে)’ বলে আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ আপিল বেঞ্চেই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। অন্য বিচারপতিরা হচ্ছেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

তবে এর আগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ হয়। বুধবার (১৮ নভেম্বর) এর আদেশের দিন ধার্য করেছেন সর্বোচ্চ আদালত। মঙ্গলবারের (১৭ নভেম্বর) কার্যতালিকায় আবেদন দু’টি যথাক্রমে ২ ও ৩ নম্বরে ছিল। মুজাহিদের রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে দু’জনের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন সময়ের আবেদন জানিয়ে বলেন, একটি শুনানি শেষ করেছি। আজকের মতো অন্যটির শুনানি মুলতবি চাইছি। এরপর ‘নট টুডে’ বলে আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

গত ১৪ অক্টোবর আপিল বিভাগে পৃথকভাবে রিভিউ আবেদন করেন মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরী। পরদিন আবেদন দু’টির দ্রুত শুনানির দিন ধার্যের আবেদন জানান রাষ্ট্রপক্ষ। ২০ অক্টোবর রিভিউ শুনানির দিন ০২ নভেম্বর ধার্য করেন আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এরপর রিভিউ শুনানি পেছাতে সময়ের আবেদন জানান মুজাহিদ। অন্যদিকে নিজের পক্ষে কয়েকজন সাফাই সাক্ষীকে সমন জারি করার আবেদন জানান সাকা চৌধুরী।

গত ০২ নভেম্বর কার্যতালিকায় এলেও ১৭ নভেম্বর রিভিউ দু’টির শুনানির দিন ধার্য করেন সর্বোচ্চ আদালত। শুনানি পেছাতে মুজাহিদের আবেদনটি গ্রহণ করে এ দিন ধার্য করা হয়। তবে নিজের পক্ষে কয়েকজন সাফাই সাক্ষীকে সমন জারি করতে সাকা চৌধুরীর আবেদন খারিজ করে দেন। মুজাহিদের মতোই সাকা চৌধুরীরও প্রধান আইনজীবী হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনটির শুনানিতে আসামিপক্ষে নেতৃত্ব দেবেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, যিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার একজন উপদেষ্টা।

অন্যদিকে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আপিল মামলাগুলোর মতোই সাকার রিভিউ আবেদনের শুনানিতেও রাষ্ট্রপক্ষে নেতৃত্ব দেবেন। সাকা চৌধুরীর মোট ১০৮ পৃষ্ঠার রিভিউ আবেদনে ১০টি যুক্তি দেখিয়ে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি ও মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চাওয়া হয়েছে।

গত ১৬ জুন আলী একাত্তরের কিলিং স্কোয়ার্ড আলবদর বাহিনীর প্রধান মুজাহিদ ও গত ২৯ জুলাই চট্টগ্রাম অঞ্চলের নৃশংসতম মানবতাবিরোধী অপরাধের হোতা সাকা চৌধুরীর আপিল মামলার সংক্ষিপ্তাকারে চূড়ান্ত রায় দেন আপিল বিভাগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ পৃথক পৃথকভাবে এ রায় দেন। অন্য বিচারপতিরা হচ্ছেন, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

পরে ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ওই দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। পরদিন ০১ অক্টোবর তাদেরকে আপিল বিভাগের রায় অবহিত করে কারাগার কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে পড়ে শোনানো হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা তাদের মৃত্যু পরোয়ানা।

নিয়ম অনুসারে সে থেকে নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যেই রিভিউ আবেদন করেন মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরী।

যদি এ রিভিউ আবেদন খারিজ হয়ে যায় এবং রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাইলে দু’জনেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সাকা চৌধুরীকে ফাঁসির রায় দেন ট্রাইব্যুনাল-১। চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ২৯ অক্টোবর আপিল করেন বিএনপির এই নেতা। তবে সর্বোচ্চ সাজার প্রেক্ষিতে আপিল করেননি রাষ্ট্রপক্ষ।

২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হন সাকা চৌধুরী। পরে একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

গত ১৬ জুন শুরু হয়ে ১৩ কার্যদিবসে আপিল শুনানি শেষ হয় গত ৭ জুলাই। ২৯ জুলাই সাকা চৌধুরীর ফাঁসির চূড়ান্ত রায় দেন সর্বোচ্চ আদালত।

এ রায়ে ট্রাইব্যুনাল সাকা চৌধুরীকে অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যাসহ যে চার হত্যা-গণহত্যার দায়ে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছিলেন সেগুলোর সাজাই বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত। ফলে চূড়ান্ত রায়েও অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যা (৩ নম্বর অভিযোগ), রাউজানের সুলতানপুর গ্রামে তিনজনকে গণহত্যা (৫ নম্বর অভিযোগ), রাউজানের ঊনসত্তরপাড়ায় ৫০-৫৫ জনকে গণহত্যা (৬ নম্বর অভিযোগ) এবং চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মোজাফফর আহম্মদ ও তার ছেলে শেখ আলমগীরকে হত্যার(৮ নম্বর অভিযোগ) দায়ে ফাঁসির আদেশ হয়েছে তার।1438179118

অন্যদিকে ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত নয়টি অভিযোগের মধ্যে অন্য তিনটি অভিযোগের প্রত্যেকটিতে ২০ বছর এবং আরো দু’টি অভিযোগের প্রতিটিতে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছিল তাকে। সব মিলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি মোট ৭০ বছরের কারাদণ্ড পান তিনি। এর মধ্যে শুধু রাউজানের সতীশ চন্দ্র পালিতকে হত্যার (৭ নম্বর অভিযোগ) দায় থেকে আপিল বিভাগের রায়ে খালাস পেয়েছেন তিনি, যে অভিযোগে তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এর ফলে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি মোট ৫০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রয়েছে।

বহাল থাকা অন্য চার অভিযোগের দণ্ডাদেশের মধ্যে রাউজানের গহিরা গ্রামের হিন্দুপাড়ায় গণহত্যা(২ নম্বর অভিযোগ) ও জগৎমল্লপাড়ায় ৩২ জনকে গণহত্যার(৪ নম্বর অভিযোগ) দায়ে ২০ বছর করে ৪০ বছর এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ, সিরাজ ও ওয়াহেদ ওরফে ঝুনু পাগলাকে অপহরণ করে নির্যাতন(১৭ নম্বর অভিযোগ) এবং চান্দগাঁওয়ের সালেহউদ্দিনকে অপহরণ করে সাকা চৌধুরীর পারিবারিক বাসভবন গুডসহিলে নিয়ে নির্যাতনের (১৮ নম্বর অভিযোগ) দায়ে ৫ বছর করে আরো ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে সাকাকে।

ট্রাইব্যুনালে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট ২৩টি অভিযোগের মধ্যে ১৭টির পক্ষে সাক্ষী হাজির করেন রাষ্ট্রপক্ষ। সেগুলোর মধ্যে দোষী সাব্যস্ত করা নয়টি বাদে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়া বাকি আটটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষ যে ছয়টি অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করেননি সেগুলো থেকেও সাকা চৌধুরীকে খালাস দেওয়া হয়। এ ১৪টি অভিযোগের বিষয়েও ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

Posted in জাতীয় | Comments Off on আজ হচ্ছে না সাকার রিভিউ শুনানি

মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, রায় বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার রায় ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন—বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।130717093941_ali_ahsan_muhammad_mujahid_512x288_focusbangla_nocredit

মুজাহিদের পক্ষে এদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত রিভিউ শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। আধা ঘণ্টা বিরতির পর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত ১৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষ থেকে রিভিউ শুনানির দিন নির্ধারণের জন্য আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করা হয়। এর আগের দিন বিএনপি নেতা সালাউদ্নি কাদের (সাকা) চৌধুরী ও মুজাহিদের পক্ষে আলাদাভাবে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন তাঁদের আইনজীবীরা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ দুজনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর নিয়ম অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে রিভিউ আবেদন করতে হয়। সে অনুযায়ী সময় শেষ হয়ে যাওয়ার একদিন আগেই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদ। এ আবেদন খারিজ হয়ে গেলে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোনো বাধা থাকবে না।

গত ২৯ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ ছাড়া ১৬ জুন একই অপরাধে মুজাহিদের ফাঁসির রায় বহাল রাখেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এর আগে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাকা চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

Posted in জাতীয় | Comments Off on মুজাহিদের রিভিউ শুনানি শেষ, রায় বুধবার

রাত্রীর যাত্রী-তে গাইলেন লেমিস, নাচবেন সাদিয়া

d4d0ff13-035a-44d9-9506-dca0448f5da0বিনােদন ডেস্ক: হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নির্মাণাধীন চলচ্চিত্র `রাত্রির যাত্রী’। এ সিনেমার আইটেম গানে এবার কণ্ঠ দিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী লেমিস। তার গাওয়া গানটির সঙ্গে নাচবেন আইটেম কন্যা সাদিয়া আফরিন। এ সিনেমায় দুটি আইটেম গান থাকছে। এর আগে একটি আইটেম গানের রেকর্ডিং ও শুটিং শেষ করা হয়েছে। ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানী মৌচাকের লং প্লে স্টুডিওতে এ গানের রেকডিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এর কথা লিখেছেন- নির্মাতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব। সুর করেছেন মুশফিক লিটন। সিনেমাটির পরিচালক বলেন, ‘ডিসেম্বর মাসেই এ গানটির শুটিংকরা হবে। এছাড়া চলতি মাসের ২৫ তারিখ একদিনের কিছু দৃশ্যের শুটিং করা হবে।’ সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন- চিত্রনায়িকা মৌসুমী, সালাহ উদ্দিন লাভলু, আনিসুর রহমান মিলন, এটিএম শামসুজ্জামানসহ আরো অনেকে। এ চলচ্চিত্রের কাহিনি, সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করছেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় বিএফডিসিতে সিনেমাটির শুভ মহরত অনুষ্ঠিত হয়। রাত্রির যাত্রী সিনেমাটি প্রযোজনা করছে ব্যাংক অব অডিও ভিজ্যুয়াল আর্টস।

Posted in বিনোদন | Comments Off on রাত্রীর যাত্রী-তে গাইলেন লেমিস, নাচবেন সাদিয়া

চট্টগ্রামে শিশু হত্যার দায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড

full_1545404212_1430805153চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে শিশু ইয়াসিন আরাফাত আবির হত্যা মামলায় চারজনের ফাঁসির রায় দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী তিন বছরের আগে এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। সর্বোচ্চ সাজার আদেশ পাওয়া চার আসামি হলেন- মো. ফারুক (২৫) ইদ্রিস মিয়া (২৮), মো. আনোয়ার (২৩) ও সুজন (২৩)। এদের মধ্যে সুজন পলাতক। বাকি আসামিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আয়ুব খান বলেন, “আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় চারজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত।”

এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ও রাবেয়া বেগম নামে একজনকে বিচারক খালাস দিয়েছেন বলে তিনি জানান। ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর হালিশহর ‘বি’ ব্লক এলাকা থেকে আবিরকে তুলে নিয়ে যায় ফারুক ও অন্যরা। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে আসামিরা। পরদিন সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুরে কালু শাহ মাজার এলাকার সামনের রাস্তা থেকে আবিরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ফারুক, ইদ্রিস ও রাবেয়াকে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর বাইন্না পাড়া থেকে, সুজনকে চান্দগাঁওয়ের সিএন্ডবি থেকে এবং আনোয়ার নামে আরেক ব্যক্তিকে চাঁদপুরের হাইনক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ফারুক, ইদ্রিস ও রাবেয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছিলেন।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on চট্টগ্রামে শিশু হত্যার দায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড

শুভ জন্মদিন, হুমায়ূন আহমেদ

বিনােদন ডেস্ক: আজ ১৩ নভেম্বর শুক্রবার বাংলাভাষা-সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন৷১৯৪৮ সালের এই দিনে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম৷শিক্ষাজীবনে অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রাখার পাশাপাশি সাহিত্যেও অতুলনীয় পাঠকনন্দিত তিনি৷
তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়।তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার।বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ।নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত।তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক।বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক।এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত।তাঁর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে।image_565_79759
তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘শঙ্খনীল কারাগার’৷তব গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ‘নন্দিত নরকে’৷ এই দুটি অসাধারণ উপন্যাস লিখে পাঠক হৃদয়ে জায়গা করে নেন তিনি৷আর কোনদিন পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি৷গত প্রায় চার দশকে গল্প-উপন্যাস আর শিশুসাহিত্যসহ প্রায় দু’শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর৷ তাঁর অন্যতম উপন্যাস হলো নন্দিত নরকে, মধ্যাহ্ন, জোছনা ও জননীর গল্প, মাতাল হাওয়া ইত্যাদি। তাঁর নির্মিত কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো আগুনের পরশমণি, চন্দ্রকথা, শ্যামল ছায়া, দূরত্ব, নয় নম্বর বিপদ সংকেত,দারুচিনি দ্বীপ, দুই দুয়ারী, শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেঁটুপুত্র কমলা ইত্যাদি।
তাঁর অন্যতম ধারাবাহিক নাটক এইসব দিন রাত্রি, বহুব্রীহি, কোথাও কেউ নেই, নক্ষত্রের রাত, অয়োময়, আজ রবিবার, নিমফুল, তারা তিনজন, আমরা তিনজন।
হুমায়ূন আহমেদের বাবা ফয়জুর রহমান ছিলেন পুলিশের কর্মকর্তা৷ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন তিনি৷ মা আয়েশা ফয়েজ৷ তাঁর তিন ছেলে ও তিন কন্যার মধ্যে জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ূন আহমেদ৷
এই অপ্রতিদ্বন্দ্বী, পাঠকপ্রিয় সাহিত্যিক পেয়েছেন বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৮১), শিশু একাডেমী পুরস্কার, একুশে পদক (১৯৯৪),জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ কাহিনী ১৯৯৪, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ১৯৯৪, শ্রেষ্ঠ সংলাপ ১৯৯৪), মাইকেল মধুসুদন পদক (১৯৮৭), বাচশাস (১৯৮৮) পুরস্কারসহ বহু পুরস্কার ও সম্মাননা৷
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে দীর্ঘকাল কর্মরত ছিলেন। লেখালিখি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বার্থে তিনি অধ্যাপনা ছেড়ে দেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাঁকে আটক করে এবং নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে যান।
২০১২ সালে নির্মিত ঘেঁটুপুত্র কমলা ছিলো হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র। দীর্ঘ নয় মাস মলাশয়ের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯ জুলাই নিউ ইয়র্কের বেলেভ্যু হসপিটালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
হুমায়ূন আহমেদ তার সৃষ্টির মাধ্যমে পাঠক ও দর্শক মনে যে স্থান তৈরি করেছেন, তা অভিন্ন ও অপরিবর্তনীয়। তিনি আজও বেঁচে রয়েছেন তার লেখা ও তার সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে।

Posted in বিনোদন | Comments Off on শুভ জন্মদিন, হুমায়ূন আহমেদ

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud