May 4, 2026
চট্টগ্রাম : বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক আখ্যা দিয়ে এর সদস্যদের দেশ ও জাতির প্রয়োজনে যে কোনো সময় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৯ম টাইগার্স পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সশস্ত্রবাহিনী দেশের ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সেনাবাহিনীকে সময়ের সাথে তাল মিলেয়ে একটি দক্ষ, সুশৃংখল এবং শক্তিশালী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর আলোকে সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ আজ বিশ্ব পরিমণ্ডলেও তাদের কর্মদক্ষতা দিয়ে নিজ বাহিনী তথা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। সেবা ও কর্তব্যপরায়ণতার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশের মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। গভীর দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিষ্ঠার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৯ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে সেন্টারে অবস্থিত ‘অজানা শহীদ’ সমাধিতে পুুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আগত তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারের মন্ত্রী ও এমপি পরিষদের সদস্য, সাবেক সেনা প্রধানরাসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দুই বাীর সেনানী বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তাফা কামাল ও বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল সদস্যকে স্মরণ করেন। একই সাথে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা মেজর এম এ গণি, রেজিমেন্টের পথিকৃত জেনারেল এম এ জি ওসমানীর অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
এরআগে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ও ৫ হাজার ১৫০ কোটি টাকার সাতটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টার যোগে চট্টগ্রাম সেনা নিবাসে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বায়েজিদ থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বাংলামেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সেনাবাহিনীর অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে পৌনে ৩টার দিকে সিডিএর ৬ টি প্রকল্প উদ্বোধন করতে সড়কপথে অনন্যা আবাসিক এলাকায় আসবেন। সেখানে তিনি নগরীর অক্সিজেন-কুয়াইশ সংযোগ সড়কে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এবং কুয়াইশ রাস্তার মাথায় স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর দেশের সবচেয়ে বড় ম্যুরালটি উদ্বোধন করবেন।
পরে কদমতলী ওভারপাসের উদ্বোধন, আউটার রিং রোড, বায়েজিদ বোস্তামি বাইপাস সড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম চেম্বারের একশ’ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগদান এবং ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানযোগে ঢাকায় ফিরে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো চট্টগ্রামকে। প্রধানমন্ত্রী যে এলাকা দিয়ে যাতায়াত করবেন সেই সব এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শনিবার ফিরে গেলেও রোববার চট্টগ্রামে আসবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে যোগ দেবেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : আলোচিত ব্যবসায়ী ও ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসের (প্রিন্স মুসা) দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এসে পেঁছেছেন।রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় দুদক কার্যালয়ে আসেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যে ১২ বিলিয়ন ডলার আটকে থাকা সুইচ ব্যাংকের হিসাব নম্বর জানতে দ্বিতীয় দফায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী। এ জিজ্ঞাসাবাদ দুপুর পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।
দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধান চালিয়ে সুইচ ব্যাংকের মুসার ওই একাউন্ট নম্বর সংগ্রহ করতে পারেনি দুদক। এমনকি আইনগত বাধার অজুহাতে দুদককে ওই একাউন্ট নম্বর সরবরাহ করেননি মুসা। এদিকে অনুসন্ধানে তেমন কোনো তথ্য না পেয়ে মুসার অর্থ-সম্পদ অর্জনের সত্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন খোদ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান।
১২ বিলিয়ন ডলারের ধুম্রজাল কাটাতে ২০১৫ সালের ৪ ডিসেম্বর মুসাকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদের নোটিশ করে কমিশন। সে অনুসারে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি তার জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার কথা ছিল। তবে সেদিন উপস্থিত না হয়ে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিন মাসের সময় বাড়ানোর আবেদন করেন তিনি। মুসার আবেদন বিবেচনায় নিয়ে ১০ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৮ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করে কমিশন।
সূত্র জানায়, এর আগে প্রথম দফায় মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও তার কাছ থেকে সুইচ ব্যাংকের হিসাব নম্বর জানা যায়নি। কমিশনে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতেও এ তথ্য নেই। সুইচ ব্যাংকে যোগাযোগ করেও মুসার নামে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
২০১৫ সালের ৭ জুন দুদকে সম্পদ বিবরণী জমা দেন মুসা বিন শমসের। সম্পদ বিবরণীতে তিনি সুইচ ব্যাংকে তার ১২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি প্রায় ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা- প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসেবে) ফ্রিজ অবস্থায় থাকার কথা উল্লেখ করেন। সুইচ ব্যাংকে ৯০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের (বাংলাদেশি প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) অলংকার জমার তথ্য দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া দেশে তার সম্পদের মধ্যে গুলশান ও বনানীতে দুটি বাড়ি, সাভার ও গাজিপুরে এক হাজার ২০০ বিঘা জমির কথাও সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে মুসার বিরুদ্ধে স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেলে ২০১৫ সালের ১৯ মে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে কমিশন। সূত্র আরও জানায়, প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ওই সময় বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস’র প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে এ অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তবে অজ্ঞাত কারণে দুদকের ওই অনুসন্ধান আলোর মুখ দেখেনি।
তিন বছর পর ২০১৪ সালের শেষের দিকে ‘বিজনেস এশিয়া’ ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে অবারও নতুন করে মুসার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। ২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর দুদকের ওই কর্মকর্তাকে এ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। একই বছরের ৪ ডিসেম্বর মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠায় দুদক। ১৮ ডিসেম্বর হীরার জুতা থেকে শুরু করে আপাদমস্তক মূল্যবান অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হন প্রিন্স মুসা। সঙ্গে ছিল নারী-পুরুষের ৮০ জনের এক দেহরক্ষী বহর।
দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুইচ ব্যাংকে জব্দ করা অর্থ ফেরত পেলে পদ্মা সেতু নির্মাণে বিভিন্ন খাতে তা বিনিয়োগ করবেন বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান মুসা। এদিকে মুসা ধন-সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকে যে তথ্য দিয়েছেন তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান। ২০১৫ সালের ৮ ডিসেম্বর দুদক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মুসা যত গর্জে, তত না। দুদকের কাছে তিনি বিশাল জমি-জমার হিসাব দিয়েছেন। তবে কোনো জায়গাই তার দখলে নেই।
আবার বিদেশে আটক ১২ বিলিয়ন ডলারের যে তথ্য দিয়েছেন, সেখান থেকে সে তথ্যও পাচ্ছি না। আবার তিনিও (মুসা) কিছু দিতে পারছেন না। আমরা খোঁজ-খবর নিয়ে দেখেছি, তেমন কিছু নেই। যতটা না করেছেন, তার চেয়ে বেশি বলেছেন তিনি।’ দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মুসার ধন-সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অনেক তথ্যই পরিষ্কার হবে বলে আশা করছে কমিশন।
দুদকে দাখিল করা সম্পদের হিসাব মিথ্যা প্রমাণিত হলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।
বিনােদন ডেস্ক: গত ২২ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার পরই অক্ষয় কুমার অভিনীত ‘এয়ারলিফ্ট’ পাঁচদিনেই প্রায় ৭২.৫০ কোটি রূপির ব্যবসা করে ফেলেছে। সিনেমার এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত অক্ষয়। বাস্তব জীবনের কাহিনী ভিত্তিক এই ছবির সাফল্যে অনুপ্রাণিত অক্ষয় জানিয়েছেন, এবার থেকে এ ধরনের ছবিই বেশি বেশি করবেন।

অক্ষয় বলেছেন, সাফল্যই তো সিনেমাটির হয়ে কথা বলছে। দর্শকদের কাছ থেকে যে সাড়া মিলেছে তাতে আমি খুব খুশি।এই ঘটনা আমাকে এ ধরনের সিনেমা করতে উত্সাহ জুগিয়েছে। বক্স অফিসে সংখ্যার বিচারে কিন্তু এ ধরনের সিনেমার খুব একটা সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু ‘এয়ারলিফ্ট’-এর সাফল্য দেখে আমার মনে হয়েছে, এ ধরনের সিনেমা আরও করা দরকার। মানুষের বাস্তব জীবনকে এভাবে পর্দায় তুলে ধরা যায়। আমি আশাবাদী, এই সাফল্যের পর প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেতারা এ ধরনের সিনেমা করতে চাইবেন।
সাধারণত মশলাদার সিনেমা বক্স অফিসে বেশি সাফল্য পায়। কিন্তু যুদ্ধ-কেন্দ্রিক থ্রিলার ‘এয়ারলিফ্ট’-এর বাণিজ্যিক সাফল্য খুশি। অক্ষয় বলেছেন, এর সাফল্য তিনি যতটা ভেবেছিলেন, তার থেকে অনেক বেশি। তিনি অবশ্য প্রথম থেকেই সিনেমার সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী ছিলেন। সেজন্যই অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমায় টাকাও ঢেলেছিলেন। কিন্তু এতটা সাফল্য আশা করেননি তিনি। এ জন্য ছবির সঙ্গে যুক্ত সবাইকে কৃতিত্ব দিয়েছেন ৪৮ বছরের অভিনেতা।
রাজা কৃষ্ণ মেনন পরিচালিত সিনেমার কাহিনী কুয়েতের এক ভারতীয় ব্যবসায়ীর কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। ওই ব্যবসায়ী রঞ্জিত্ কাটিয়ালের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অক্ষয় কুমার। সিনেমায় দেখানো হয়েছে, ইরাক-কুয়েত যুদ্ধের সময় কুয়েতে আটক ভারতীয়দের কীভাবে উদ্ধার করছেন রঞ্জিত্। অক্ষয় কুমার বলেছেন, বাস্তব কাহিনীই এই সিনেমার আকর্ষন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
আপনার ঈর্ষাপরায়ণ ব্যবহার আপনাকে দুঃখিত এবং অবসাদগ্রস্থ করতে পারে। কারোর অবহেলা হয়তো আপনার জন্য কিছু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। আপনার বাচ্চারাও ঘরে আনন্দ এবং শান্তির স্পন্দন অনুভব করবে। কাউকে প্রভাবিত করার জন্য বেশী খরচ করবেন না। নতুন উদ্যোগ বা খরচকে পিছিয়ে দিন। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তির সঙ্গে কথোপকথনের সময়ে শব্দ চয়নে যত্ন নিন। অপ্রত্যাশিত রসিদগুলি আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে তুলবে। আজ আপনার শুভ রং লাল, শুভ সংখ্যা ৭। আজকে সবকাছু ভালোর জন্য কিছু লাল ও সাদা ফুল ভিজিয়ে বাড়ির উত্তর দিকে একটি মাটির পাত্রে সারাদিন রেখে দিন। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার রাশিতে আজকের পূর্বাভাস:
মেষ (মার্চ ২১- এপ্রিল ১৯): আপনার শিশুসুলভ স্বভাব ভেসে উঠবে এবং আপনি একটি কৌতুকপূর্ণ মেজাজের মধ্যে থাকবেন। আজ যদি পরিবারের কোন সদস্য আপনাকে অত্যন্ত উত্যক্ত করেন-তাহলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগেই নিশ্চিত করে সীমা বেঁধে দিন। একটি বিশেষ দিনে পরিণত করতে সামান্য উদারতা এবং ভালোবাসা প্রদান করুন। মেজাজ খারাপের জন্য আপনি অফিসে বিতর্কের কারণ হতে পারেন। সতর্কতা অবলম্বন করে পদক্ষেপ গ্রহণ করার দিন- যখন আপনার হৃদয়ের থেকেও মনের দরকার বেশি পড়বে। আজ আপনি সব পরামর্শই সমালোচনা হিসাবে নেবেন এতে আপনার মেজাজ নষ্ট হয়ে যাবে।
বৃষ (এপ্রিল ২০- মে ২০): এমন একটি দিন যেখানে বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে। আপনি চমৎকার নতুন ধারণা নিয়ে আসবেন যা আপনাকে আর্থিক ভাবে লাভবান করবে। কাছের বন্ধু ও সঙ্গীরা আক্রমণাত্মক কাজ করতে পারে এবং আপনার জীবন অতিষ্ঠ করতে পারে। যখন আপনি আপনার প্রেমিকের সাথে বাইরে যাবেন তখন আপনার উপস্থিতি এবং আচরণে প্রকৃত হোন। সিদ্ধান্ত নেবার সময় অহংকার আপনার রাস্তায় আস্তে দেবেন না। যদি আজ আপনি আপনার স্ত্রীকে নিয়ে একটি রোমান্টিক ভ্রমনে যান, আপনাদের সম্পর্ক আরো ভালো হয়ে উঠবে।
মিথুন (মে ২১- জুন ২০): কোন গাড়ি চালানোর সময়ে সতর্ক থাকুন বিশেষত বাঁকগুলিতে। জমিজমায় বিনিয়োগ করা লাভদায়ক হবে। কোন ধর্মীয় স্থানে বা আত্মীয়ের কাছে যাওয়া আপনার জন্য সম্ভাব্য বলে মনে হচ্ছে। মতপার্থক্যের দরুণ ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। আপনি আপনার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে ভাগ করে স্বীকৃতি লাভ করতে পারেন। সেমিনার এবং প্রদর্শনীগুলি আপনাকে নতুন জ্ঞান এবং যোগাযোগ সরবরাহ করবে। কর্মক্ষেত্রে আজকে আপনি সত্যিই বিরক্তিকর কাজ পেতে পারেন; ঝিমুনিই এর সম্ভাব্য কারণ।
কর্কট (জুন ২১- জুলাই ২২): এমন একটি দিন যেখানে বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে। কিছু বাড়তি পয়সা উপার্জনের জন্য আপনার উদ্ভাবনী চিন্তার ব্যবহার করুন। এমন একটি দিন যেখানে কাজের চাপ কম বলে মনে হবে এবং আপনি পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় উপভোগ করবেন। মানসিক ঝঞ্ঝাট এবং ডামাডোল, যেহেতু কাজের চাপ বেড়ে উঠছে। দিনের পরের ভাগে আরাম করুন। সিদ্ধান্ত নেবার সময় অহংকার আপনার রাস্তায় আস্তে দেবেন না। আজ প্রচুর সমস্যা থাকবে-যেগুলিতে অবিলম্বে দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন। আপনার বিবাহিত জীবন আজ একটি পলকা সময় অভিজ্ঞতা করতে পারে।
সিংহ (জুলাই ২৩- আগস্ট ২২): আপনার স্ত্রীর সাথে পারিবারিক সমস্যা ভাগ করে নিন। নিজেদেরকে এক প্রেমপূর্ণ, যত্নশীল দম্পতি হিসাবে পুনর্নিশ্চিত এবং আবার আবিষ্কার করতে একে অপরের জন্য কিছু সময় কাটান। যৌথ ব্যবসায়ে এবং সন্দেহজনক আর্থিক স্কিমে বিনিয়োগ করবেন না। আপনার স্ত্রীর সাথে ভালো বোঝাপড়া ঘরে সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি আনবে। ভালোবাসায় হঠকারী পদক্ষেপ এড়িয়ে চলুন। আজ আপনার সঙ্গী একটি অবিশ্বাস্য ভাল মেজাজে থাকবে, এটিকে আপনার বিবাহিত জীবনের সেরা দিন করতে আপনার প্রয়োজনে তাকে তার সাহায্য করুন।
কন্যা (আগস্ট ২৩- সেপ্টেম্বর ২২): উচ্চ ক্যালোরির খাবার এড়িয়ে চলুন এবং আপনি শরীরচর্চায় লেগে থাকুন। যদি আপনি যথাযথ উপদেশ না নিয়েই বিনিয়োগ করে থাকেন তাহলে ক্ষতি হওয়া সম্ভবপর। বন্ধুরা আপনাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতে পারে। এমনকি পুরস্কার/উপহারও আজ আপনার ভালোবাসার মানুষটির মেজাজ পাল্টাতে সাহায্য করতে পারবে না। আপনার সাহায্যের দিকে যারা তাকিয়ে থাকে তাদের আপনি অঙ্গীকার করতে পারবেন। আপনার ব্যস্ত সময়সূচীর জন্য আপনার স্ত্রী আজ গুরুত্বহীন ম্বোধ করতে পারেন, এবং তিনি সন্ধ্যায় অপ্রসন্নতা দেখাতে পারেন।
তুলা (সেপ্টেম্বর ২৩- অক্টোবর ২২): স্ত্রীর ব্যাপারে অযথা নাক গলাবেন না। এর থেকে বরং নিজের দিকে নজর দিন। কিছু জিনিসে হস্তক্ষেপ করা যেতে পারে নাহলে নির্ভরশীলতা এসে যাবে। আপনার খরচে অপ্রত্যাশিত উত্থান আপনার মানসিক শান্তিকে বিঘ্নিত করবে। কোন শিশুর স্বাস্হ্য কিছু উদ্বেগের সৃষ্টি করতে পারে। আপনি আজ আপনার মিষ্টি ভালবাসা জীবনে চমকপ্রদ মশলার উপস্থিতি লক্ষ্য করতে পারেন। এমন একটি দিন যেখানে শেষ মূহুর্তে আপনার পরিকল্পনাগুলিতে পরিবর্তন করা হতে পারে। আপনার বিয়েকে এই দিনে একটি চমৎকার পর্যায়ে দেখতে পাবেন।
বৃশ্চিক (অক্টোবর ২৩- নভেম্বর ২১): আজ আপনি হালকা বোধ করবেন এবং উপভোগ করার সঠিক মেজাজে থাকবেন। প্রেম হল ঈশ্বরকে উপাসনা করার সমার্থক; এটা খুব আধ্যাত্মিক এবং সেইসাথে ধর্মীয়। আপনি এটি আজ জানতে পারবেন। মনে হচ্ছে কিছু সময় ধরে আপনি আপনার নিজের মতই রয়েছেন-সহকর্মী/ সহযোগীরা আপনার সহায়তা করতে আসতে পারেন-কিন্তু বেশি কিছু সহায়তা প্রদান করতে সমর্থ হবেন না। মনের কথা বলতে ভয় পাবেন না। আপনার স্ত্রী আপনাদের বিবাহ সম্বন্ধে সত্যিই একটি ঠুনকো ভাব বোধ করতে পারেন, ওনার ব্যাপারে সংবেদনশীল হবার চেষ্টা করুন।
ধনু (নভেম্বর ২২- ডিসেম্বর ২১): যৌথ ব্যবসায়ে এবং সন্দেহজনক আর্থিক স্কিমে বিনিয়োগ করবেন না। বাচ্চারা কখনো বন্ধুদের বেশী সময় দিয়ে পড়াশোনায় বা বাড়িতে কম মনোযোগ দেওয়ায় আপনার অসন্তুষ্টির কারণ হতে পারে। আপনি প্রেমের ব্যথা অনুভব করবেন। আপনার কর্মক্ষেত্রে বিষয়বস্তু বাছাইয়ে আপনার বুদ্ধিমত্তা এবং প্রভাব রাখতে হবে। এমন একটি দিন যেখানে শেষ মূহুর্তে আপনার পরিকল্পনাগুলিতে পরিবর্তন করা হতে পারে। আপনার স্ত্রী প্রেমের উচ্ছ্বসিত মেজাজের সঙ্গে আপনাকে অবাক করবে; তাকে সাহায্য করুন।
মকর (ডিসেম্বর ২২- জানুয়ারি ১৯): আপনার মনের মধ্যে ইতিবাচক চিন্তা আনুন। আপনার খরচ বৃদ্ধি আপনার মনকে ভাবিত করে তুলবে। আপনি কোন বিষয়ের সমাধান করতে গেলে মেজাজ এবং পরিকল্পনার পরিবর্তন প্রভাবশালী হয়ে উঠবে। আপনার প্রাণের বন্ধু সমস্ত দিন আপনি সম্পর্কে চিন্তা করবে। আজ সাধারণত আপনার ধার্য করার সীমার ঊর্ধ্বে আপনার লক্ষ্য ঠিক করার একটি প্রবণতা থাকবে। যদি আপনি আপনার জিনিসপত্র সম্পর্কে যত্নবান না হন তাহলে ক্ষয়ক্ষতি বা চুরি হতে পারে। আপনার জীবনের ভালবাসা, আপনার স্ত্রী, আজ অসুস্থ হতে পারেন। খুব সাবধান।
কুম্ভ (জানুয়ারি ২০- ফেব্রুয়ারি ১৮): ভ্রমণ-ভোজ এবং আনন্দ আপনাকে আজ এক ভালো মেজাজে রাখবে। যৌথ ব্যবসায়ে এবং সন্দেহজনক আর্থিক স্কিমে বিনিয়োগ করবেন না। গার্হস্থ্য বিষয়ক সমস্যা আপনাকে ভারাক্রান্ত করতে পারে এবং আপনার কাজের দক্ষতা নষ্ট করতে পারে। প্রেমিক প্রেমিকারা পরিবারের অনুভূতির প্রতি অত্যধিক সহানুভূতিশীল হবেন। আপনাদের সম্পর্কের সমস্ত অভিযোগ এবং বিদ্বেষ এই অপরূপ দিনে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আপনি আলিঙ্গনের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনি আপনার স্ত্রীর থেকে আজ এটি যথেষ্ট পেতে পারেন।
মীন (ফেব্রুয়ারি ১৯- মার্চ ২০): যদি আপনি একটু বাড়তি টাকাপয়সা উপার্জনের উপায় খুঁজছেন-তাহলে নিরাপদ আর্থিক পরিকল্পনাগুলিতে বিনিয়োগ করুন। আপনি আপনার বন্ধুদের সঙ্গে সুন্দর সময় কাটাবেন। আপনি প্রথম দর্শনেই প্রেমে পড়তে পারেন। অফিসে ভিডিও গেম খেলার জন্য আজ আপনাকে অত্যধিক মূল্য চোকাতে হতে পারে। আজ আপনি ভালো ধারণায় পূর্ণ থাকবেন এবং আপনার পছন্দের ক্রিয়াকলাপ আপনাকে প্রত্যাশা বহির্ভূত লাভ এনে দেবে। কর্মক্ষেত্রে জিনিষগুলি চমৎকার থাকবে বলে মনে হয়। আপনার মেজাজ সারা দিন ভাল থাকবে।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি: জেলার গোবিন্দগঞ্জে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। উপজেলার কাটাখালি ব্রিজ এলাকার (হাওয়াখানা) করতোয়া নদীর সিসি ব্লকের উপর থেকে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, ভোরে (হাওয়াখানা) করতোয়া নদীর সিসি ব্লকের উপরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখতে পায় তারা। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক জানান, স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়ে অবস্থান করছেন। ২২-২৫ বছরের দুই যুবকের গায়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ায় তাদের চেনে যাচ্ছে না। আগুনে তাদের মুখমণ্ডল, বুক ও হাত-পা ঝলছে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই দুই যুবক ধনাট্য পরিবারের সন্তান বা ব্যবসায়ী হবে। তাদের পরনে জিন্স, গ্যাবাডিন প্যান্ট ও পায়ে দামী জুতা রয়েছে। বুধবার রাতের যে কোনো সময় অন্য কোথাও তাদের হত্যা করা হয়।
এরপর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে করতোয়া নদীর সিসি ব্লকের উপরে লাশ ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তিনি আরও জানান, লাশ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান ওসি।
নিউজ ডেস্ক: অবসরে যাওয়া বিচারপতিদের রায় লেখা প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার দেয়া বক্তব্য নিয়ে বিচারাঙ্গনে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, যেসব বিচারপতি অবসর গ্রহণ করে রায় লিখেছেন বা লিখছেন, তাদের রায়ের আইনগত বৈধতা নিয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলো সবচেয়ে আলোচিত ত্রয়োদশ সংশোধনীবিষয়ক রায়ও লেখা হয়েছে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক অবসরে যাওয়ার পর।

২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। গত ১৭ জানুয়ারি তার মেয়াদের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে তিনি একটি লিখিত বিবৃতি দেন। গত ১৯ জানুয়ারি রাতে বিবৃতিটি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোনো কোনো বিচারপতি রায় লিখতে অস্বাভাবিক বিলম্ব করেন। আবার কেউ কেউ অবসর গ্রহণের দীর্ঘ দিন পর পর্যন্ত রায় লেখা অব্যাহত রাখেন, যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী।’
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে আলোচিত রায় হচ্ছে ত্রয়োদশ সংশোধনীবিষয়ক রায়। অবসরে গিয়েই এ রায় লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। এ রায়ের মাধ্যমে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে রায়ের আলোকে ২০১১ সালের ৩০ জুন সংবিধান থেকে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে চালু করা নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাও বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার।
সংশ্লিøষ্টরা সংবিধানের এ সংশোধনীকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সঙ্কটের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন। এ ছাড়া বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ফতোয়াবিষয়ক একটি রায়ও দিয়েছেন অবসরে গিয়ে। ২০১১ সালে ১২ মে প্রধান বিচারপতি থাকাকালে তিনি এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন। পরে এর পূর্ণাঙ্গ কপি বের হয় ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি। কিন্তু এর আগেই তিনি অবসরে যান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় দেয়া হয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর। এর আগে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো: মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ এ মামলার রায় দেন। এ রায় প্রকাশিত হওয়ার পর ২০১৫ সালের ১৭ জানুয়ারি অবসরে যান বিচারপতি মো: মোজাম্মেল হোসেন।
তারও প্রায় এক বছর পর গত ৩১ ডিসেম্বর দেয়া হয় পূর্ণাঙ্গ রায়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, সাবেক এ প্রধান বিচারপতি এখনো বহু মামলার রায় লিখছেন। রায় লিখছেন অবসরে যাওয়া আপিল বিভাগের বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকও। এখনো তার বহু রায় লেখা বাকি থাকলেও তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশো ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন।
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এবং সুপ্রিম কোর্ট বার বক্তব্য-বিবৃতি দিয়ে আসছিল। এখন স্বয়ং প্রধান বিচারপতি এ ধরনের কার্মকাণ্ডকে সংবিধান পরিপন্থী বলে বিবৃতি দিয়েছেন। এ নিয়ে দেশের বিচারাঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তুমুল আলোচনা চলছে।
এ দিকে প্রধান বিচারপতির বিবৃতি বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, ‘নো কমেন্ট’, ‘নো কমেন্ট’।
সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হক নয়া দিগন্তকে বলেছেন, ‘প্রধান বিচারপতি যদি এমন কথা বলে থাকেন তবে অনেক গোলমাল হয়ে যাবে। তিনি যদি এটা বলে থাকেন তাহলে ত্রয়োদশ সংশোধনীর রায় অবৈধ হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বৈধ থেকে যায়। এটা ফিরে আসবে।’
প্রধান বিচারপতির বিবৃতিকে সমর্থন জানিয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন। সম্মেলনে বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিসহ বিচারপতিগণের নিয়োগপ্রাপ্তির পর সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ গ্রহণপূর্বক তার দায়িত্বভার গ্রহণ করতে হয়। বিচারক হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধান, আইনের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের যে শপথ বিচারক হিসেবে গ্রহণ করেন অবসরের পর তিনি আর ওই শপথের আওতায় থাকেন না।’
এ সময় তিনি আরো বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে আমরা বারবার এ বিষয়টি বলে এসেছি। এখন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বক্তব্যে এটি আরো স্পষ্ট হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানের পরিপন্থী বলে যে রায়টি দিয়েছিলেন, তা তিনি স্বাক্ষর করেন তার অবসরে যাওয়ার প্রায় ১৬ মাস পর। তাই ওই রায়ের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই এবং তা অবৈধ। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ওই রায়ের সুযোগে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বিলুপ্ত করেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আজকে সুষ্ঠু নির্বাচনের অভাবে যে সঙ্কট, অস্থিরতা ও হানাহানি চলছে তার একমাত্র কারণ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনপদ্ধতি বাতিল করে ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন। আর এ বাতিলের পেছনে রয়েছে এ বি এম খায়রুল হকের সংবিধান পরিপন্থী অবৈধ রায়। তাই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সঙ্কট নিরসন করার জন্য ক্ষমতাসীন দলের কাছে দাবি জানাচ্ছি।
সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, যখন বিচারপতি রায় ঘোষণা করেন, তখন তিনি বিচারক হিসেবে শপথে ছিলেন। ঘোষিত তারিখের দিন হিসেবেই রায়ে সই করা হয়। এ চর্চা দীর্ঘ দিনের। অবসরের পরে রায় লেখা যদি অসাংবিধানিক হয়, তাহলে মাসদার হোসেন মামলাসহ অনেক মামলাই হয়তো টিকবে না। কারণ, মাসদার হোসেন মামলার রায় বিচারপতি মোস্তফা কামাল অবসরে যাওয়ার পরে লিখেছিলেন। আর এ চর্চা ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানে, এমনকি ইংল্যান্ডেও আছে।
সুপ্রিম কোর্টের সাবেক রেজিস্ট্রার ইকতেদার আহমেদ বলেছেন, কোনো বিচারপতি অবসরে গেলে তিনি শপথ থেকে মুক্ত হয়ে যান। সে ক্ষেত্রে তার পক্ষে রায় লেখা এবং তাতে স্বাক্ষর করার কোনো সুযোগ নেই। তা ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রুল ও হাইকোর্ট বিভাগের রুলে স্পষ্ট বলা আছে, যেকোনো মামলার রায় অবশ্যই প্রকাশ্য আদালতে ঘোষণা করতে হবে এবং প্রকাশ্য আদালতে রায়ে স্বাক্ষর দিতে হবে। এখন কোনো প্রধান বিচারপতি বা অন্য কোনো বিচারক অবসরে গেলে তার পক্ষে প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা বা তাতে স্বাক্ষর করার সুযোগ কোথায়? আমি মনে করি, প্রধান বিচারপতি যা বলেছেন তা সঠিক।
বিশিষ্ট সংবিধান বিশ্লেষক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের শিক্ষক ড. শাহদীন মালিক বলেন, আগে বিচারপতিরা তাদের মেয়াদকালেই রায় লেখা শেষ করতেন। কিন্তু এখন অবসরে যাওয়ার পর অনেক বিচারপতি রায় লিখছেন। এটাকে গ্রহণযোগ্য ব্যতিক্রম বলা যেতে পারে। তবে অবসরে যাওয়ার আগেই রায় লেখা শেষ করা কাম্য বলে তিনি মনে করেন। সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী আরো বলেন, প্রধান বিচারপতি হয়তো অন্য বিচারপতিদের দায়িত্ব সম্পর্কে মনে করিয়ে দিতেই এটা বলেছেন। কারণ অনেক বিচারপতির রায় লিখতে অনেক সময় লাগে। তবে এর অন্যতম প্রধান কারণ, প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা ও দক্ষ লোকজনের অভাব। বিচারপতিদের রায় লেখা সঠিক সময়ে শেষ করার জন্য তাদের সহকারীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়ন দরকার। সে জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ তদবিরভিত্তিক না হয়ে মেধাভিত্তিক হওয়া দরকার।
প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা তার বিবৃতিতে আরো বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ বাংলাদেশের সংবিধান, আইনের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধানের শপথ গ্রহণ করেন। কোনো বিচারপতি অবসর গ্রহণের পর তিনি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে গণ্য হন বিধায় তার গৃহীত শপথও আর বহাল থাকে না। আদালতের দলিল সরকারি নথি। একজন বিচারপতি অবসর গ্রহণের পর আদালতের নথি নিজের কাছে সংরক্ষণ, পর্যালোচনা বা রায় প্রস্তুত করা এবং তাতে স্বাক্ষর করার অধিকার হারান। আশা করি, বিচারকগণ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এমন বেআইনি কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, বিচার বিভাগের বর্তমান সন্ধিক্ষণে বেঞ্চ ও বার সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যাবশ্যক। যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য পূর্বশর্ত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে বিচার বিভাগের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের ওপর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বার-এর ভূমিকাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী ও সহযোগিতামূলক বার নিঃসন্দেহে বেঞ্চের সবচেয়ে কার্যকর বন্ধু।
তিনি আরো বলেন, ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণের স্বার্থে যদি আইনজীবী ও বিচারকদের উদ্যোগের সম্মিলন ঘটানো যায়, তাহলে আমরা ইতিহাসে জায়গা করে নিতে পারব। আইন পেশার সাথে দায়িত্বশীলতার একটি সম্পর্ক রয়েছে। সুদূরপরাহত ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় জনগণ আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন।
আইনজীবী ও বিচারকগণই তাদের প্রত্যাশা পূরণের প্রধান সারথি। একটি প্রার্থনালয় যেমন কখনো বন্ধ থাকতে পারে না, তেমনি লাখ লাখ বিচারপ্রার্থী জনগণের জন্য ন্যায়বিচারের মন্দিরও কখনো বন্ধ থাকা উচিত নয়। তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। বিচার বিভাগ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে এবং গণমাধ্যম সেই বার্তা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
সুত্র……নয়াদিগন্ত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর একটি হোটেল হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। এতে ২০ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার রাতে রাজধানী ওয়াগাডোগোর স্পেলেন্ডিড হোটেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুখোশধারীরা হোটেলের বাইরে গাড়ি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে জিম্মি করে।
উল্লেখ্য, হোটেলটি বিশেষ করে জাতিসঙ্ঘের স্টাফ ও পশ্চিমারা ব্যবহার করতেন।
মেষ
২১ মার্চ-২০ এপ্রিল। ভর # ৬
শাস্ত্রমতে, মেষ সব সময় চিরনতুনের বার্তাবাহক। বলা বাহুল্য, ২০১৬ অর্থাৎ এই নতুন বছরটিরও সবার সামনে এক নতুন দরজা খুলে দিচ্ছেন মেষ। আসুন মেষ, ওপরের কথাটির ওপর আস্থা রাখি। নতুন বছরে আপনার অভূতপূর্ব সাফল্যের পাশাপাশি অল্প খানিকটা ব্যর্থতাও দেখা যায়। সমস্যা এবং সংকট জীবনে থাকবেই। এগিয়ে যাওয়া মানেই বাধাকে অতিক্রম করা। নতুন বছরে আপনি আপনার সাফল্যগুলোকে বড় করে দেখবেন। এ সময়ে কারও সঙ্গে ভুল-বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে পড়বেন না। আবেগ সংযত রাখুন, স্বাধীন চিন্তাকে মুক্তি দিন
.বৃষ
২১ এপ্রিল-২১ মে। ভর # ১
২০১৬ সালে আপনার পেশাগত জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। পরিবর্তন মানে উন্নতি। নতুন চাকরি, নতুন ব্যবসা ইত্যাদি এ বছরের উল্লেখযোগ্য দিক। কারও সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। তবে, আপনি বিতর্কে পটু। বিতর্ককে কখনোই ঝগড়ার দিকে নিয়ে যাবেন না। বছরের প্রথম তিন মাস আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। হাসিমুখে পরিশ্রম করুন, সাফল্য আসবে। এ বছরে আপনার ভ্রমণ দেখা যায়। এই ভ্রমণ থেকে সাফল্যের পাশাপাশি প্রচুর বিনোদন আপনি পাবেন। কৃষি ব্যবসায়ে জড়িত ব্যক্তিরা বিশেষ সাফল্য পেতে পারেন। অন্যান্য পেশায় জড়িত ব্যক্তিরাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাবেন। আশা ও বিশ্বাস নিয়ে অগ্রসর হোন।
.মিথুন
২২ মে-২১ জুন। ভর # ৬
আপনার নতুন বছর রোমান্টিকতায় ভরপুর হয়ে উঠবে। মন হালকা রেখে সব কাজকর্মে হাত দিন। রোমান্টিক ভাবনা দিয়ে মনকে চলমান রাখুন। এ বছর আপনার স্থান পরিবর্তন হতে পারে। এটা হলে আপনার জন্য ভালোই হবে।
নতুন বন্ধুত্বের জন্য মনের জানালা খুলে রাখুন। নতুন বন্ধুত্ব আপনাকে এ বছর অনেক কিছুই দেবে। তবে এ বছর কারও কাছে আপনি অতিরিক্ত কিছু চাহিদা রাখবেন না। দেখবেন, এতে আপনার মনের অবস্থা সব সময় ভালো থাকবে। সফল হোক আপনার নতুন বছর ২০১৬।
.কর্কট
২২ জুন-২২ জুলাই। ভর # ২
আপনার বছরের শুরুটা হবে সামান্য একটু বিষণ্নতা দিয়ে। এই বিষণ্নতাটুকু কাটিয়ে উঠবার পর দেখবেন, আপনার আনন্দের দিনগুলো কেমন তরতর করে এগিয়ে যায়। চেষ্টা করবেন সামাজিকতা বাড়াতে, সুসম্পর্ক আপনার কাজে গতি এনে দেবে। এ সময়ে ভালো ভালো আচরণের মূল্য আপনি পাবেন। চলতি বছর আপনি সংখ্যা ২-এর প্রভাবে থাকবেন। এটা একটা শুভ লক্ষণ। আপনার শুভ দেখলে আমরাও আনন্দিত হব। আপনি যত বিষণ্নতা কাঠিয়ে উঠবেন, ততই আপনার ভালো।
.সিংহ
২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট। ভর # ১
বছরটি আপনার জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সাফল্য অর্জনের জন্য এ বছর আপনাকে প্রচুর শ্রম দিতে হবে। সিংহের অন্যতম গুণ হচ্ছে তাঁর পরিশ্রম করার ক্ষমতা। এই পরিশ্রম সঠিকভাবে দেওয়া হলে এ বছর তিনি বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করে দেখাবেন। পরিশ্রমের পাশাপাশি সিংহকে যথাযথ বিশ্রামও নিতে হবে। মানসিক বিনোদন তারই একটা দিক। সিংহ অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাশি। এ বছর তাঁকে নতুনভাবে প্রমাণ করতে হবে।
.কন্যা
২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর। ভর # ২
কন্যা অতি আত্মবিশ্বাসী ও উচ্চাভিলাষী। সুস্থ প্রতিযোগিতা তাঁর মূল মন্ত্র। কন্যা কখনো তাঁর প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে ওপরে উঠতে চান না। নিজ চিন্তা, পরিকল্পনা ও পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে ওপরে উঠতে চান। এ কাজে তিনি অন্যের শ্রদ্ধা অর্জন করবেন। ২০১৬ সালে কন্যা নতুন কিছু সাফল্য দিয়ে সবাইকে চমৎকৃত করবেন।
এ বছর বিশেষ করে তাঁর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। টাকাপয়সা তিনি ভালোই উপার্জন করবেন। বছরের শুরুতেই কন্যা যেন এ কথাগুলো স্মরণ রাখেন।
.তুলা
২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর। ভর # ২
কঠিন পথে যে সাফল্য আসে, সেই সাফল্য প্রকৃত সাফল্য। ২০১৬ সালে তুলাকে কঠিন পথে যেতে হবে, তবেই তিনি বড় সাফল্য পাবেন। তুলাকে বলি, এ বছর ছোটখাটো বিবাদে জড়িয়ে পড়বেন না।
মন প্রশান্ত রাখুন, চিন্তার সঠিক প্রয়োগ করুন। বছরটা উপভোগ করুন। এ বছর তুলার স্বাস্থ্যও ভালোও থাকবে। হাতে ভালো টাকাপয়সা আসবে। সবার ভালোবাসা নিয়ে তিনি ধন্য হবেন। চিন্তা করুন তবে দুশ্চিন্তা নয়। শুভকাজের সাফল্য আপনার নতুন জীবন ডেকে আনুক।
.বৃশ্চিক
২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর। ভর # ২
বৃশ্চিকের দার্শনিক চিন্তা এ বছর তাঁকে নতুন জীবনের পথ দেখাবে। এ বছর নিজ দূরদর্শিতার সুফল তিনি অর্জন করবেন। বৃশ্চিক সৎ ও সাহসী। এই গুণ তাঁকে নতুন নতুন সাফল্য অর্জন করতে সাহায্য করবে। তবে, এ বছর সরাসরি কথাবার্তা কম বলবেন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটকৌশলী হোন। স্বাস্থ্য ও অর্থ উপার্জনে ২০১৬-তে এসে বৃশ্চিক বিশেষ সুসময় উপভোগ করবেন।
.ধনু
২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর। ভর # ৯
একজন আমাকে বছরের শুরুতে বার্তা পাঠালেন—বেঁচে আছেন, না মারা গেছেন? আমি জবাব দিলাম—খুব বেঁচে আছি। আমি ধনু হিসেবে কথাটি বলিনি, ব্যক্তি হিসেবে বলেছি। তবে এটা ঠিক যে, ধনু লড়াই করতে জানেন। এ বছর ধনুর এক লড়াই যাবে, অন্য লড়াই আসবে। প্রতিটি লড়াই জেতাই হবে তাঁর কাজ। প্রিয় ধনু, সোজা হয়ে উঠে দাঁড়ান, সাহস বজায় রাখুন। সারা বছরে অনেক সাফল্য আপনার পাওনা আছে। দুঃখকে হাসি দিয়ে জয় করুন। মানুষের ভালোবাসা আপনার প্রাপ্য। প্রাপ্যটা বুঝে নিন।
.মকর
২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি। ভর # ৩
মকর ধৈর্যশীল। কাজেই সাফল্য পাওয়া তাঁর জন্য অবধারিত। ওপরে ওঠার জন্য মকরকে প্রচুর শ্রম করতে হয়, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। চলতি বছরে মকর সামনে নতুন কাজ হাতে পাবেন।
মকরের সাফল্য সবাইকে চমকে দিতে পারে। তবে মকর যেন সাফল্য, ব্যর্থতায় সমান উদাসীন থাকেন। এ বছর আপনার বিদেশ ভ্রমণ হতে পারে। সেই ভ্রমণ থেকে আসবে প্রচুর আনন্দ। সব ধরনের আনন্দকেই অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিন।
.কুম্ভ
২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি। ভর # ৯
নিজের জীবনে পরিবর্তন আনুন, তাহলে অন্যের জীবনেও আপনি পরিবর্তন আনতে পারুন। আর তখনই আপনার কুম্ভ হয়ে জন্ম নেওয়া সার্থক হবে।
শাস্ত্রে আছে, কুম্ভ পরিবর্তনের সংঘটক। ২০১৬ সালে কুম্ভ তাঁর ভেতর ও বাইরের পরিবর্তন দ্বারা এক নতুন জীবনের সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলবেন। পরিবর্তন আনতে গিয়ে জোর করে কিছু করতে যাবেন না। যা স্বাভাবিকভাবে আসে তাই তো ভালো।
.মীন
১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ। ভর # ৩
সাফল্য অর্জনের জন্য এ বছর মীনকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে। আগেও বলেছি, কঠিন পথে আসা সাফল্যই সার্থক সাফল্য। কাজেই কঠিন পথকে হাসিমুখে বরণ করে নিন। আপনার সাফল্য হবে দেখার মতো।
আপনি নিজেই আপনার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন শতকরা ৯০ থেকে ৯৬ ভাগ। বাকিটা আমরা ফেট বা নিয়তি বলতে পারি। ভাগ্য অনেক সময় অনির্দিষ্ট কারণে আপনা থেকেও গতিপথ বদলাতে পারে। এখানে রাশিচক্রে আমি ‘নিউমারলজি’ বা ‘সংখ্যা-জ্যোতিষ’ পদ্ধতি প্রয়োগ করেছি— কাওসার আহমেদ চৌধুরী
ঢাকা: মোবাইলের প্রি-পেইড সংযোগে দিনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা রিচার্জের বেঁধে দেয়া সীমা পুনর্বিবেচনা করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এই সীমা বাড়িয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রি-পেইড সংযোগে দিনে ৫০০ টাকার বেশি রিচার্জ করা যাবে না- এমন নির্দেশনা দিয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই রিচার্জ সীমায় আপত্তি জানিয়ে অপারেটররা দুই হাজার টাকা নির্ধারণের অনুরোধ জানায়। অপারেটরদের আপত্তি ও প্রস্তাব নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা করেছে বিটিআরসি।
বিটিআরসি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ জানায়, ইন্টারনেটের প্যাকেজ কেনা নিয়ে রিচার্জ সীমার আপত্তি তুলেছে অপারেটররা। এখন তা বাড়িয়ে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, অপারেটররা গ্রাহকদের অসুবিধা হবে বলে জানিয়েছে। তাদের প্রস্তাবের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। শিগগিরই এ ব্যাপারে ফের নির্দেশনা দেবে বিটিআরসি।
অবৈধ ভিওআইপি নিয়ন্ত্রণে ওই রিচার্জ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তারানা হালিম। ওই নির্দেশনায়, প্রি-পেইড গ্রাহকেরা মাসে ১ হাজার টাকা ব্যালেন্স ট্রান্সফার এবং দিনে ৩০০ টাকার বেশি ট্রান্সফার করতে পারবেন না বলে জানানো হয়।
গ্রাহকদের ৯৮ শতাংশই প্রি-পেইড গ্রাহক বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। এর আগে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ জানিয়েছিলেন, গ্রাহকদের স্বার্থ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
একটি বেসরকারি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, তারা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিটিআরসি একটি যৌক্তিক পর্যায়ে রিচার্জ সীমা দেবে বলে আশা করেন তিনি।
ঢাকা: কহর দরিয়াখ্যাত টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে কাল থেকে শুরু হচ্ছে দাওয়াতে তাবলিগের ৫১তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এরই মধ্যে দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লির পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে ইজতেমা ময়দান। এখনও দলে দলে আসছেন মেহনতকারীরা। শুক্রবার বাদ ফজর বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সম্মেলন। ১০ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তা।
ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। ১৬০ একর জমির ওপর নির্মিত সুবিশাল প্যান্ডেলের কাজ, খুঁটিতে নম্বর প্লেট, খিত্তা নম্বর, জুড়নেওয়ালি জামাতের কামরা, তাশকিল কামরা, হালকা নম্বর বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে বয়ান শোনার জন্য পুরো মাঠে প্রতিধ্বনি রোধক ৫ শতাধিক ছাতা মাইক স্থাপন করা হয়েছে। ময়দানে প্রবেশ সুবিধা বাড়াতে সেনাবাহিনী তুরাগ নদে ৯টি ভাসমান পন্টুন নির্মাণ করেছে।
মুসল্লিদের অবস্থান : প্রথম পর্বে ১৭ জেলার মুসল্লিরা অংশ নেবেন। এগুলো হল- ঢাকা জেলা (খিত্তা নম্বর ১-৬), শেরপুর (৭), নারায়ণগঞ্জ (৮ ও ১১) নীলফামারী (৯), সিরাজগঞ্জ (১০), নাটোর (১২), গাইবান্ধা (১৩), লক্ষ্মীপুর (১৪ ও ১৫), সিলেট (১৬ ও ১৭), চট্টগ্রাম (১৮ ও ১৯), নড়াইল (২০), মাদারীপুর (২১), ভোলা (২২ ও ২৩), মাগুড়া (২৪), পটুয়াখালী (২৫), ঝালকাঠি (২৬) এবং পঞ্চগড় (২৭ নং খিত্তা)।
নিরাপত্তা : ইজতেমা উপলক্ষে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ময়দান ও আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আজ থেকে পুলিশ, র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ৫ হাজার সদস্যকে মোতায়েন করা হবে। র্যাব ১৮ প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৬০টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসিয়েছে। সংস্থাটি ৮টি ও পুলিশ ৫টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার বসিয়েছে। ১৬টি গাড়িসহ ফায়ার সার্ভিসের ১২০ সদস্য সতর্ক রয়েছেন।
বিশেষ ট্রেন ও বাস : বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লিদের সুষ্ঠু যাতায়াতের জন্য ২৮টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। কর্তৃপক্ষ বলছে, আন্তঃনগর, মেইল ও লোকাল ট্রেনে অতিরিক্ত ২০টি কোচ সংযোজন করা হবে। সব মিলিয়ে বিশেষ ট্রেন সার্ভিসের মাধ্যমে দেড় লাখ অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হবে।
শুক্রবার ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা দুটি ‘জুমা স্পেশাল’, আখেরি মোনাজাতের আগের দু’দিন জামালপুর ও আখাউড়া থেকে দুটি করে চারটি অতিরিক্ত ট্রেন চলবে। শনিবার লাকসাম-টঙ্গী একটি, রোববার দিন ঢাকা-টঙ্গী-ঢাকা ৭টি, টঙ্গী-ঢাকা ৭টি, টঙ্গী-লাকসাম একটি, টঙ্গী-আখাউড়া দুটি, টঙ্গী-ময়মনসিংহ ৪টি মিলে মোট ২১টি ‘আখেরি মোনাজাত স্পেশাল’ ট্রেন চলবে। ৩৮টি মেইল এক্সপ্রেস কমিউটার ও লোকাল ট্রেনের টঙ্গী স্টেশনে বিরতি রয়েছে। আখেরি মোনাজাতের আগের ৫ দিন ঢাকা অভিমুখী সব আন্তঃনগর ট্রেন (২৯টি) টঙ্গী স্টেশনে ২ মিনিট করে থামবে। আখেরি মোনাজাতের দিন ৫৮টি আন্তঃনগর ট্রেন ও আখেরি মোনাজাতের পরের দিন ১৫টি আন্তঃনগর ট্রেনের টঙ্গী স্টেশনে ২ মিনিটের বিরতি থাকবে। বিশ্ব ইজতেমার জন্য ১০ ও ১৭ জানুয়ারি ৭২১/৭২২ মহানগর প্রভাতী/গোধূলি, ১১ ও ১৮ জানুয়ারি ৭০৭/৭০৮ তিস্তা এক্সপ্রেস এবং ৮ ও ১৫ জানুয়ারি ৭০১/৭০২ সুবর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে।
বিশেষ ট্রেন পরিচালনার সুবিধার্থে সুবর্ণা এক্সপ্রেস, তিস্তা এক্সপ্রেস, কালনী এক্সপ্রেস, মহুয়া এক্সপ্রেস, তুরাগ এক্সপ্রেস, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ কমিউটার, ঢাকা-টঙ্গী কমিউটার, ঢাকা-জয়দেবপুর কমিউটার, ঢাকা-কুমিল্লা কমিউটার আখেরি মোনাজাতের দিন বন্ধ থাকবে। বিশ্ব ইজতেমায় আগত যাত্রীদের সুবিধার্থে ঢাকা স্টেশনে ৭০টি ও টঙ্গী স্টেশনে ৫০টি কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রয় করা হবে।
১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ইজতেমা সার্ভিসে বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপোর ২২৮টি বাস নিয়োজিত থাকবে। সুষ্ঠুভাবে বাস সার্ভিস চলাচল নিশ্চিত করার জন্য কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। বাসগুলো আবদুল্লাহপুর-মতিঝিল ভায়া ইজতেমাস্থলে ২৯টি, শিববাড়ি-মতিঝিল ভায়া ইজতেমাস্থলে ১৩টি, টঙ্গী-মতিঝিল ভায়া ইজতেমাস্থলে ১৭টি, গাজীপুর চৌরাস্তা-মতিঝিল ভায়া ইজতেমাস্থলে ৬টি, গাবতলী-গাজীপুর ভায়া ইজতেমাস্থলে ৫টি, গাবতলী-মহাখালী ভায়া ইজতেমাস্থলে ৩৫টি, গাজীপুর-মতিঝিল ভায়া ইজতেমাস্থলে ২৫টি, মতিঝিল-বাইপাইল ভায়া ইজতেমাস্থলে আরও ২০টি বাস চলাচল করছে। এছাড়াও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ২০টি, চিটাগাং রোড-সাভার রুটে ২০টি, ঢাকা-নরসিংদী রুটে ২০টি এবং ঢাকা-কুমিল্লা রুটে আরও ১৫টি বাস চলাচল করবে।
গাড়ি পার্কিং : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন স্থানে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করেছে। গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা হয়ে আগত মুসল্লিদের বহনকারী যানবাহন টঙ্গীর কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিলস কম্পাউন্ড, মেঘনা টেক্সটাইল মিলের পাশে রাস্তার উভয় পাশ, টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণ ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশে টিআইসি মাঠ, গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ মাঠ, চান্দনা চৌরাস্তা হাইস্কুল মাঠ, তেলিপাড়া ট্রাকস্ট্যান্ড এবং নরসিংদী-কালীগঞ্জ হয়ে আগত মুসল্লিদের বহনকারী যানবাহন টঙ্গীর কে-টু ও নেভী সিগারেট কারখানাসংলগ্ন, আশুলিয়া হয়ে আসা গাড়ি প্রত্যাশ মাঠ ও আশাপাশের খোলা স্থান ব্যবহার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
চিকিৎসা সেবা : ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে ব্যাপক প্রস্তুতি হাতে নেয়া হয়েছে। টঙ্গী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যাপক ব্যবস্থা নিয়েছে। এছাড়াও টঙ্গী থানা প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেবে।
বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস : টঙ্গী ডেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল হক জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাবলিগ জামাতের স্বেচ্ছাসেবীদের প্রস্তুতি ছাড়াও ওয়াসা দৈনিক ৩ কোটি লিটার সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নিয়েছে। বিপুলসংখ্যক টয়লেট, গোসল ও ওজুখানা তৈরি করা হয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বিদেশী মেহমানখানায় রান্নায় গ্যাস সংযোগ দিয়েছে।
মিডিয়া সেন্টার : বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের উত্তর পার্শ্বে নিউ মুন্নু ফাইন কটন মিলস মাঠে টঙ্গী থানা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে অস্থায়ী মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। টঙ্গী থানা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ভূঁইয়া বলেন, মিডিয়া সেন্টারে বিদ্যুৎ ও কম্পিউটারসহ সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে।
ইজতেমা কমিটি ও প্রশাসনের বক্তব্য : আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ইতিমধ্যে প্রস্তুতি ৯৯ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতি বছরই মুসল্লির সংখ্যা বাড়ছে। এ কারণে ৩২ জেলার মুসল্লিরা এ বছর দুই দফায় ইজতেমায় অংশ নেবেন। বাকি ৩২ জেলার মুসল্লিরা ২০১৭ সালের ইজতেমায় অংশ নেবেন। টঙ্গী মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, চুরি, ছিনতাই রোধসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ এবং এলাকার বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জাল টাকা রোধেও বিশেষ নজর রাখছি। যানজট নিরসন ও হকার উচ্ছেদে কাজ করছে ট্রাফিক পুলিশ। গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ জানান, টঙ্গী ও আশপাশ এলাকায় আইনশৃংলা নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. আসাদুর রহমান কিরণ বলেন, ময়দানের আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ৭৫ ড্রাম ব্লিচিং পাউডার ছিটানো হয়েছে। মশা-মাছি তাড়াতে ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। ধুলাবালি রোধ করার জন্য প্রতিদিন সিটি কর্পোরেশন পানি ছিটাবে।