April 16, 2026
ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন রামনাথ কোবিন্দ। তিনি হচ্ছেন ভারতের ১৪ তম রাষ্ট্রপতি।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টা নাগাত প্রকাশিত ভোটের ফলে বিরোধী জোটের মীরা কুমারকে বিপুল ভোটে হারিয়ে জয়ী হন তিনি।
নির্বাচনের আগে থেকেই রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে মীরা কুমারের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন কোবিন্দ। ফলে তার জয় একরকম নিশ্চিতই ছিল। শুধু দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধানটা কত হয় সেদিকেই সবার নজর ছিল।
বিকাল ৫ টায় ভোটের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার আগেই দুইজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ষ্পষ্ট হয়ে ওঠে। দেখা যায় বিশাল ব্যবধানেই জয়ী হয়েছেন কোবিন্দ। তিনি পেয়েছেন ৬৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ ভোট। আর মীরা কুমার পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ ভোট।
ফলে ভারতের বর্তমান বাঙালি প্রেসিডেন্ট প্রণব মু্খোপাধ্যায় পর রাইসিনা হিলের পরবর্তী বাসিন্দা এখন হতে যাচ্ছেন কোবিন্দই।
মেয়াদ শেষে ২৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়বেন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দায়িত্ব পাওয়া প্রণব মুখার্জি।
নতুন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দকে ইতোমধ্যেই শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পার্লামেন্ট ভবনের পাশাপাশি ২৯টি রাজ্যের বিধানসভা এবং দুটি ইউনিয়ন টেরিটোরিসহ মোট ৩২টি কেন্দ্রে সোমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়।
এবারের এই নির্বাচনে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে; যা এই নির্বাচনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বলে এক নির্বাচনী কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
নির্বাচনী প্রচারের সময় কৃষকের সন্তান ৭১ বছর বয়সী কোবিন্দর সাদাসিদে জীবনযাপনকে তুলে ধরেছিলেনন বিজেপি নেতারা। হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের পরিচিত আইনজীবি রাম নাথ বিহারের গভর্নর ছাড়াও দুই দফা রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন।
দলিত পরিবারের সন্তান রাম নাথকে প্রেসিডেন্ট পদের প্রার্থী করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দূরদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তার এই পদক্ষেপ বিরোধীদের বিভক্ত এবং মিত্রদের ঐক্যবদ্ধ করার পাশাপাশি ভারতের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিজেপির সমর্থন বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা অবরোধ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করে, ইরান পরমাণু চুক্তির বিধিবিধান মেনে চলছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর নিন্দা জানিয়ে হুমকি দিয়েছে, ইরানসহ অন্যান্য মুসলিম দেশের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক পদক্ষেপ গ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও অবরোধ আরোপ করবে ইরান।
ইরানের প্রেসিডেন্ট রুহানিও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের পদক্ষেপ বহাল রাখে তাহলে ইরানও পাল্টা পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ইরানের ওপর নতুন করে অবরোধ করে যুক্তরাষ্ট্র। বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কার্যক্রমের অভিযোগে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন এই অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও ট্রেজারি মন্ত্রণালয় জানায়, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকছে ইরানের বিত্তবান ১৮ নাগরিক, গোষ্ঠী ও নেটওয়ার্ক। যার প্রতিবাদে গতকাল ইরান এই ঘোষণা দিল। খবর এএফপি।
ডেস্ক রিপোর্ট : ব্রিটেনে মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীর তালিকায় বঙ্গবন্ধুর খুনি চৌধুরী মুঈনুদ্দিনের নাম প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংগঠন (ইন্টারপোল)। মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনি। এই তালিকায় চৌধুরী মুঈনুদ্দিন ছাড়াও আরও ২৪ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। গ
তকাল মঙ্গলবার ইন্টারপোলের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম মিরর অনলাইন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ১৯৭১ সালে চৌধুরী মুঈনুদ্দিনের সংঘটিত অপরাধের বর্ণনাও দেওয়া হয়েছে ইন্টারপোলের তালিকায়।
এতে বলা হয়, ৬৭ বছর বয়সী চৌধুরী মুঈনুদ্দিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সাংবাদিক, শিক্ষক এবং চিকিৎসক হত্যার অভিযোগে দণ্ডিত একজন অপরাধী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যুদ্ধপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃতু্দণ্ড দেয়। লন্ডনে বসবাসরত চৌধুরী মঈন উদ্দিন বিচার চলাকালে আদালতে হাজিরা দেননি এবং সব সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন।
বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া ও ভারত নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য খুঁজছে এমন ব্যক্তিও রয়েছেন এই ২৫ ব্রিটিশ অপরাধীর মধ্যে। ছবিসহ প্রকাশিত এই অপরাধী তালিকায় প্রত্যেকের অপরাধের কথাও বর্ণনা করা হয়েছে। এই তালিকায় তিনজন নারীও রয়েছেন। এদিকে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চৌধুরী মুঈনুদ্দিনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়ে আসছেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।
সূত্র জনকন্ঠ।
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে চলতি ‘হাই লেভেল পলিটিক্যাল ফোরাম’-এ ‘টেকসই উন্নয়ন’ বিষয়ক সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ইকোসকের উচ্চপর্যায়ের এই আলোচনায় বাংলাদেশের পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল এলডিসি’র দেশগুলোর পক্ষে বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশ এলডিসি’র দেশসমূহের বৈশ্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছে। পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল এইচএলপিএফ-এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল তার বক্তব্যে বলেন, “দারিদ্র্য নির্মূলের এই এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য এলডিসি’র দেশসমূহ জাতীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আইনী, প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সংস্কার সাধন করছে। আমরা সকল জনগণের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, মানসম্মত শিক্ষা, তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা, আইনের শাসন ও বেসরকারি খাতের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরির উপর জোর দিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “এ সকল পদক্ষেপ সত্ত্বেও এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তার বিরাট ঘাটতি আমাদের প্রচেষ্টাকে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে। তাই উদার আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা এলডিসি এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোর জন্য সম্পদের যথাযথ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার আহ্বান রাখছি।”
উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা যেন স্বল্পোন্নত দেশসমূহকে আর্থিক, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ টেকসই এবং সময়োপযোগী সহযোগিতা দেন।”
মন্ত্রী জানান, দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে স্বল্পোন্নত দেশসমূহ অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং এখনও এর ৪৫ শতাংশেরও বেশি মানুষ চরমদারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছে।
এলডিসি’র দেশগুলোতে ওডিএ, এফডিআই এবং বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে পরিকল্পনা মন্ত্রী এক্ষত্রে বিদ্যমান প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণের জন্য উন্নত দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।
প্রযুক্তির সহজলভ্যতা ও এর ব্যবহার এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করবে মর্মে উল্লেখ করে মন্ত্রী সদ্যগঠিত টেকনোলজি ব্যাংকের পূর্ণ কার্যক্রমের উপর জোর দেন।
এলডিসি’র দেশগুলোতে এসডিজি’র অভিষ্ট ও লক্ষ্যসমূহের পূর্ণ বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সদ্বিচ্ছা থাকতে হবে বলেও মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী, এইচএলপিএফ-এর এবারের প্রতিপাদ্য, “দারিদ্র্য নিমূল এবং পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থায় সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা”-কে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের উপর বিরূপ প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়টি সুরাহার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
জেনারেল ডিবেটে অংশগ্রহণ ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত আরও বেশ কয়েকটি এসডিজি বিষয়ক সাইড ইভেন্টে অংশ নেয়।
দিনব্যাপী এ সকল কর্মসূচিতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনোমিকস ডিভিশনের সদস্য শামসুল আলম ও পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল করিম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জিআইইউ-এর মহাপরিচালক আব্দুল হালিম উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বিডিনিউজ২৪।
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে মদদ দেওয়ার অভিযোগে ইরানের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির অপতৎপরতা সমর্থনকারী ১৮ টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি এ নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ।
বিবৃতিতে সিরিয়া সরকার এবং হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ইরানের সমর্থনের সমালোচনাও করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, “মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের ক্ষতিকর কর্মকান্ডে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি ক্ষুন্ন হওয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ইরান হিজবুল্লাহ, হামাস, ফিলিস্তিন ইসলামিক জিহাদের মতো দলগুলোকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। যাতে করে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ তার নিজ জনগণের ওপর নৃশংসতা চালিয়ে যাওয়ার পরও ইরান আসাদ সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।”
অন্যদিকে, ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদেরকে সমর্থন দিয়েও ইরান সেখানকার যুদ্ধ প্রলম্বিত করছে বলেও বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ সমস্ত অভিযোগ এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে ইরান এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :চলতি মাসের প্রথমদিকে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী নেতাদের এক নৈশভোজের সময়ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আলাপচারিতা করেছিলেন বলে প্রকাশ পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মধ্যে নৈশভোজে এই আলাপচারিতার কথা প্রথম জানান রাজনৈতিক ঝুঁকি বিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইউরেশিয়া গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ইয়ান ব্রেমার।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা দুই প্রেসিডেন্টের এই আলাপচারিতার কথা স্বীকারও করেছেন।
এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের দুই বিশ্বনেতার এই আলাপচারিতার কথা প্রকাশ করেনি হোয়াইট হাউস।
জি২০ সম্মেলনে ৭ জুলাই ট্রাম্প-পুতিন দুই ঘন্টা ধরে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছিলেন। ওই বৈঠকের পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কোনো ধরনের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুতিন।
এই অভিযোগটির কারণেই সম্মেলন চলাকালীন ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের সাক্ষাৎগুলোর ওপর কড়া নজর রাখছিল গণমাধ্যগুলো। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের প্রথম ছয় মাস এই অভিযোগটিই তাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণাকালেও ট্রাম্প পুতিনের প্রশংসা করে অনেক কিছু বলেছিলেন।
জি২০ সম্মেলনে নেতাদের এক জমায়েতে ট্রাম্প-পুতিনের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল। এক ভিডিওতে এই সাক্ষাৎটি দেখানো হয়েছিল। পরে দুই নেতা ওই আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন, যার একটি সংক্ষিপ্ত অংশে সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
ওই দিন সন্ধ্যায় দুই নেতাই জি২০ নেতাদের জন্য আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের পাশেই বসেছিলেন পুতিন। নৈশভোজের শেষ দিকে ট্রাম্প তাদের কাছে আসেন এবং পুতিনের সঙ্গে কথা বলেন বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা।
ওই কর্মকর্তা বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের মধ্যে ‘দ্বিতীয় কোনো বৈঠক’ হয়নি, নৈশভোজের শেষে শুধু কিছু কথাবার্তা হয়েছে। হোয়াইট হাউস দ্বিতীয় বৈঠকের কথা ‘গোপন’ করার চেষ্টা করছে বলে যে ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে, তা মিথ্যা, বিদ্বেষপূর্ণ এবং অবাস্তব।”
মঙ্গলবার রাতে এক টুইটে ট্রাম্প বলেছেন, “পুতিনের সঙ্গে গোপন নৈশভোজের ভুয়া সংবাদের গল্প ‘অসুস্থতা’। জার্মানির চ্যান্সেলর জি২০-র সব নেতা ও তাদের স্ত্রীদের আমন্ত্রণ করেছিলেন। সাংবাদিকরা তা জানে!”
কিন্তু ব্রেমার জানিয়েছেন, নৈশভোজের মাঝপথে ট্রাম্প নিজের আসন ছেড়ে পুতিনের কাছে যান এবং প্রায় এক ঘন্টা ‘একান্তে প্রাণবন্তভাবে’ কথাবার্তা বলেন, এ সময় ‘পুতিনের নিজস্ব অনুবাদকরা ছাড়া আর কেউ সেখানে ছিল না’।
এই আলাপচারিতায় যুক্তরাষ্ট্রের অনুবাদকদের অনুপস্থিতিতে নৈশভোজে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা বিস্মিত হয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন ব্রেমার। এই ঘটনাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা প্রটোকলের লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
এর জবাবে হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই নৈশভোজে প্রত্যেক দেশের নেতা এবং তাদের স্ত্রীদের জন্য মাত্র একজন অনুবাদক রাখার অনুমতি ছিল।
টেবিলে ট্রাম্প বসেছিলেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্ত্রীর পাশে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের যে অনুবাদক ছিলেন, তিনি কেবল জাপানি ভাষাই জানতেন বলে জানান হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা।
“প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে কথা বলছিলেন তখন তারা রাশিয়ার অনুবাদক ব্যবহার করেছেন, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের অনুবাদক রুশ ভাষা জানতেন না।”
তবে দু্ই নেতার মধ্যে কি বিষয়ে কথা হয়েছে ওই কর্মকর্তা তা জানাতে পারেননি।
‘রাশিয়া হস্তক্ষেপ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নির্বাচিত হতে সাহায্য করেছে’, এই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ও বিশেষ কাউন্সেল। এই তদন্ত চলাকালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের এ ধরনের আলাপচারিতা প্রকাশের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : বিডিনিউজ২৪।
তানিয়া আলম তন্বী: শরীর ঠিক রাখতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয় শারীরিক অনুশীলন। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস দিতে পারে সুন্দর ও সুস্থ জীবন। তবে নতুন গবেষণায় জানা গেছে, ব্রিটিশ প্রাইমারি স্কুলে প্রতি ৫ জনে ৪ জন শিক্ষার্থী শারীরিক অনুশীলন করছে না।
ইংল্যান্ডে ৫-৭ বছর বয়সী ২৮ শতাংশ শিশু ব্যায়াম করলেও ১১-১২ বছর বয়সেই তা কমে ১৭ শতাংশে নেমে আসে। ডিজনি অ্যান্ড স্পোর্ট ইংল্যান্ডের সঙ্গে ‘চেঞ্জ ৪ লাইফ’ প্রচারাভিযান চালু করার জন্য পাবলিক হেলথের একটি পরিসংখ্যান এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে শিশুরা ডিজনিতে তাদের প্রিয় চরিত্রের অনুসরণে ব্যায়াম শুরু করবে। এটির সমর্থনের জন্য এক হাজার জন বাবা- মা ও শিশুর মধ্যে জরিপে দেখা গেছে, ৭৯ শতাংশ বাবা- মা এটাই ভাবে যে ব্যায়াম তাদের সন্তানদের সুখী রাখতে সহায়তা করবে।
তারা আরো বলেছে, এটি আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে ও জীবন সমৃদ্ধ করে তুলে। এরপরেও বিভিন্ন কারণে এই শারীরিক অনুশীলনের প্রতি তারা সতর্ক নয়। পিএইচই থেকে ইস্টাস ডি সোসা বলেন, ইংল্যান্ডের শিশুদের শারীরিক কার্যকলাপের মাত্রা হতাশাজনকভাবে কম। এর মূলে রয়েছে সঠিক পরিমাণে শারীরিক অনুশীলন না করা। দ্য ইনডিপেনডেন্ট
ডেস্ক রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে বন্ধ থাকা রুশ মালিকানাধীন দুটি কম্পাউন্ডের অধিকার ফেরত পাবার বিষয়ে রাশিয়ার পরারাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মন্তব্য করেছেন, এধরনের ঘটনা ‘দিনের আলোতে লুটপাত করার মতো’। অন্যদেশের সম্পত্তি দখল করে নেয়াকে আর কি বলা যায়! সম্পত্তি ফেরৎ দেয়ার ক্ষেত্রে তারা এমন আচরণ করছে যে ‘আমার যা আছে তা আমার, তোমার যা আছে তা আমরা ভাগাভাগি করে নেবো’। ভদ্র লোকেরা এ ধরনের আচরণ করেনা বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
গতবছর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা রশিয়ার দুটি ডিপ্লোমাটিক কম্পাউন্ড ডিসেম্বর মাসে বন্ধ করে দেয়া হয়। পাশাপাশি ৩৫ জন রুশ কুটনীতিককে বহিস্কার করা হয়।
কম্পাউন্ড দুটিতে রুশ অধিকার ফেরৎ পাবার বিষয়ে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষ হয়েছে। নিজেদের সে স্থাপনায় বিনা শর্তে প্রবেশাধিকারের দাবি জানিয়েছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে জুন মাসে বৈঠক হবার কথা ছিল। কিন্তু ইউক্রেনকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ৩৮ জন ব্যক্তি ও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর এ বৈঠক বাতিল হয়ে যায়।
গত সপ্তাহে রাশিয়া পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, বন্ধ করে দেয়া দুটি কম্পাউন্ড ফিরে না পেলে তারা ৩০ জন মার্কিন কুটনীতিককে বহিস্কার করবেন, এবং রাশিয়ায় থাকা মার্কিন সম্পত্তি জব্দ করবেন। এই হুমকির পর রুশ-মার্কিন সম্পর্ক আরো জটিল হতে পারে বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র : বিবিসি বাংলা (মনিটর)
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশ ভারতের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।
পরোক্ষ এই নির্বাচনে লোকসভা, রাজ্যসভা ও বিধানসভার সদস্যদের ভোটে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি।
বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর প্রার্থী বিহারের সাবেক রাজ্যপাল রামনাথ কোভিন্দ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএর প্রার্থী লোকসভার সাবেক স্পিকার মীরা কুমারের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নেবেন ভোটাররা।
রাজনীতির এ খেলায় প্রধান দুই জোটই এবার প্রার্থী বেছে নিয়েছে দলিত সম্প্রদায় থেকে। ফলে ১৯৯৭-২০০২ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা কে আর নারায়ণের পর এবার দ্বিতীয় দলিত রাষ্ট্রপতি পাচ্ছে ভারত।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দিল্লির পার্লামেন্ট ভবন এবং সব রাজ্যের বিধানসভায় সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট গণনা হবে বৃহস্পতিবার।
২৪ জুলাই ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মেয়াদপূর্তির পরদিন শপথ নিয়ে দিল্লির রাইসিনা হিলের রাষ্ট্রপতি ভবনে উঠবেন নতুন রাষ্ট্রপ্রধান।
বিবিসি লিখেছে, ক্ষমতাসীন বিজেপি ও তাদের শরিক দলগুলোর বিধায়ক সংখ্যা ধরে হিসাব করলে ৭১ বছর বয়সী রামনাথ কোভিন্দের জয় অনেকটাই নিশ্চিত।
তাছাড়া জনতা দল ইউনাইটেড, বিজু জনতা দল, এআইএডিএমকে ও তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির মত আঞ্চলিক দলগুলো এনডিএর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ায় বিরোধী শিবির বড় ধাক্কা খেয়েছে।
পেশায় আইনজীবী রামনাথ কোভিন্দ বিহারের গভর্নর হওয়ার আগে দুইবার রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ৭২ বছর বয়সী মীরা কুমার ২০০৯ সালে লোকসভার স্পিকার হওয়ার আগে পাঁচবার লোকসভার সদস্য ছিলেন।
ভারতের ইতিহাসে কেবল প্রথম রাষ্ট্রপতি বাবু রাজেন্দ্র প্রসাদ দুই মেয়াদে ওই পদে থাকার সুযোগ পেয়েছেন। কংগ্রেসের সময়ে রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রণব মুখোপাধ্যায়কে ফের রাষ্ট্রপতি করার প্রস্তাব কোনো কোনো দল দিলেও ক্ষমতাসীনরা তা মানেনি।
হিন্দুত্ববাদীদের সমর্থনে ভারতের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসা বিজেপি এই প্রথম নিজেদের আদর্শের কাউকে রাষ্ট্রপতি করার সুযোগ পেয়েছে।
সে বিষয়টি ইংগিত করেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী রোববার বলেন, এ নির্বাচন পরিণত হয়েছে আদর্শের লড়াইয়ে। সংকীর্ণ ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই বিরোধী জোট এ ভোটে প্রার্থী দিয়েছে।
ভোট হবে যেভাবে
লোকসভার ৫৪৩ জন, রাজ্যসভার ২৩৩ জন সদস্য এবং ভারতের ২৯ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত দিল্লি ও পদুচেরির মোট চার হাজার ১২০ জন বিধায়কের ভোটে নির্বাচিত হবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। তবে ভোট গণনা পদ্ধতি সাধারণ নির্বাচনের মত সরল নয়।
সাধারণ নির্বাচনে প্রতিটি ভোটের মান সমান হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটের মান নির্ভর করে ভোটারের ওপর।
ভোটার যদি লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্য হন, তাহলে তার ভোটের মান ৭০৮। আবার বিধানসভার সদস্যদের ভোটের মান নির্ধারিত হয় ওই বিধানসভার মোট আসন ও জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে।
এই বিচারে উত্তর প্রদেশের বিধায়কদের ভোটের মান সবচেয়ে বেশি, ২০৮। আর সিকিম ও অরুণাচলের বিধায়কদের ভোটের মান সবচেয়ে কম, মাত্র ৮।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির ভাই হোসাইন ফেরেদুনকে আটক করেছে দেশটির বিচার বিভাগ।
ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স ও বিবিসি রোববার এই খবর জানিয়েছে।
ফেরেদুনের বিরুদ্ধে মামলার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে রুহানি সমর্থকরা অভিযোগের খবর এসেছে রয়টার্সে।
অন্যদিকে বিবিসি বলছে, স্বজনদের দুর্নীতির তদন্ত আটকে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে প্রেসিডেন্ট রুহানির বিরুদ্ধে।
ইরানের গোলাম হোসেন মহসেনিকে উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় শনিবার ফেরেদুনকে তলব করা হয়েছিল। পরে তাকে বন্দি করা হয়।
“যদি তিনি জামিনের বন্দোবস্ত করতে পারেন, তবে তিনি ছাড়া পাবেন,” বলেন মহসেনি। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, মামলাটি চলবে।
জামিনের জন্য ফেরেদুনকে কী পরিমাণ অর্থ দিতে হবে, সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রেসিডেন্ট রুহানির পরামর্শক হিসেবে পরিচিত ফেরেদুন একজন কূটনীতিক। পরমাণু কর্মসূচি সঙ্কট অবসানে ২০১৫ সালে বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধি দলে ছিলেন তিনি।
ফেরেদুনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ইন্সুরেন্স কোম্পানির ব্যবস্থাপকদের বেতন বাড়ানোর ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। তবে তিনি বরাবরই সব ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
দুই মাস আগে প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নির্বাচিত রুহানি তার ভাইয়ের এই কেলেঙ্কারি নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছেন। ভোটের সময় দুর্নীতির বিষয়ে তার নীতিও ব্যাপক সমালোচনায় পড়েছিল।
সূত্র : বিডিনিউজ২৪।