March 10, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট :আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সাভারের এমপি ডা.এনামুর রহমান এনামকে আমরা শোকজ করছি। একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি যা বলেছেন বিষয়গুলো আমরা সিরিয়াসলি খতিয়ে দেখছি।’
রবিবার (৩০ জুলাই) দলটির সম্পাদক মণ্ডলীর এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি
শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সম্প্রতি একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ডা. এনাম বলেছিলেন, ‘সাভারে অনেক ক্যাডার আর মাস্তান ছিল। এখন সব পানি হয়ে গেছে। কারও টু শব্দ করার সাহস নেই। পাঁচজনকে ক্রসফায়ারে দিয়েছি, আরও ১৪ জনের লিস্ট করেছি। এখন সব ঠাণ্ডা। লিস্ট করার পর যে দু’একজন ছিল তারা আমার পা ধরে বলেছে, আমাকে জানে মাইরেন না। আমরা ভালো হয়ে যাবো।’
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যানারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
সূত্র : বাংলাট্রিবিউন ।
ডেস্ক রিপোর্ট : ‘খালেদা জিয়া লন্ডনে কার সঙ্গে বৈঠক করছেন, কী করছেন- এগুলো সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি।’ এমনটাই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
রবিবার (৩০ জুলাই) ধানমিন্ডতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন,‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এর সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের বৈঠকের একটি খবর ছড়িয়েছে। এ খবরের ভিত্তি আছে কিনা, খোঁজ খবর নিচ্ছি। আমরা তো অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়তে পারি না।’
সূত্র : বাংলাট্রিবিউন ।
ডেস্ক রিপোর্ট : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার দলীয় সুবিধার বিবেচনায় সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করলে দেশবাসী তা মানবে না। আসন বিন্যাস হতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে ও যথাসম্ভব প্রশাসনিক অখণ্ডতা বজায় রেখে।’ শনিবার (২৯ জুলাই) বিকালে রাজধানীর গুলিস্তানে কাজী বশির মিলনায়তনে ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুব জমায়েতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘অবক্ষয় যুবসমাজকে গ্রাস করছে। নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ক্রমেই ক্ষীণ হচ্ছে। অশ্নীলতা-বেহায়াপনার বহু উপকরণ দেশে বিদ্যমান। ফলে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, সন্তানের হাতে মা-বাবা ও শিশু হত্যার মতো নারকীয় ঘটনা ঘটছে। সরকারের হিসাব মতেই দেশের ২৬ লাখ যুবক বেকার। ৪৭ শতাংশ কর্মহীন। এ অভিশাপ থেকে যুবকদের মুক্ত করে তাদের সঠিক পথে রাখতে সরকারকেই কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছার উদ্দিনের পরিচালনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাহবুবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।
ডেস্ক রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩১ জুলাই সোমবার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসতে যাচ্ছে। এই সংলাপ উদ্যোগ নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন মহলে। সংলাপের আগে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি নির্বাচন তালিকায় বিএনপিপন্থী হিসেবে চিহ্নিত কয়েকজনের নাম দেখে অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে। তবে অসন্তুষ্টি থাকলেও কৌশলগত কারণে দলীয়ভাবে এখনই প্রতিক্রিয়া জানাতে চান না তারা। ইসির সংলাপ ইস্যুতে আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের অন্তত একডজন নেতার সঙ্গে আলাপকালে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা জানান, ইসির পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত সুশীল সমাজের তালিকা নিয়ে দলের সিনিয়র নেতারা দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা হয়েছে। শেখ হাসিনা দলীয় নেতাদের বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এ কারণে ইসির কার্যক্রম পছন্দ হোক বা না হোক, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাবে না আওয়ামী লীগ।
ইসি ৩১ জুলাইয়ের বৈঠকের জন্যে ইতোমধ্যে ৫৯বিশিষ্ট নাগরিককে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ড. আসিফ নজরুল, টিআইবির ইফতেখারুজ্জান, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, অধ্যাপক তাসনিম সিদ্দিকী, বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, ড. শাহদীন মালিক, বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ও সমর্থক শফিক রেহমানের স্ত্রী তালেয়া রেহমানসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানোয় ডজনখানেক বুদ্ধিজীবীর বিষয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে। তাদের কেউ কেউ কট্টর সরকারবিরোধী ও বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিচিতি অর্জন করেছেন। এ কারণে তাদের কাছ থেকে ‘নিরপেক্ষ’ পরামর্শ পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারকরা।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ বলেন, ‘সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসি সংলাপের দিনক্ষণ ঠিক করেছে। আমরা চাই, আলোচনা করুক। পরামর্শ গ্রহণ করুক। তারা তাদের পছন্দমতো ডেকেছে। আমরা এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয় এখন জানাব না।’ তিনি বলেন, ‘দলীয়ভাবে বসে ঠিক করব, এ ব্যাপারে আমরা কী প্রতিক্রিয়া জানাব। আগে দেখি কী হয়?’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এ ব্যাপারে আপাতত প্রতিক্রিয়া জানাব না।’ তিনি বলেন, ‘সুশীল সমাজ কোনও দলের হয় না। কিন্তু এখানে অনেক সুশীল রয়েছেন, যারা বিএনপির বুদ্ধিজীবী হিসেবে বেশি পরিচিত।’
সভাপতিমন্ডলীর আরেক সদস্য ফারুক খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তাদের বিবেচনায় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তারা সংলাপ করুক।’
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমানবলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তাদের বিবেচনায় নির্বাচন করেছে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি। এ ব্যাপারে আপাতত কিছু বলতে চাই না।’ তিনি বলেন, ‘‘তবে আমন্ত্র্রিত সুশীল সমাজের তালিকায় অনেকের নাম দেখা গেছে, যারা সরাসরি বিএনপির হয়ে বিভিন্ন ফোরামে কথা বলেন। আরা দেখি, ‘টক শো’য় অনেকেই বিএনপির পক্ষ নিয়ে কথা বলেন।’’
ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদার জিয়ার চোখের চিকিৎসা চলছে। এই পর্যায়ে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন তার চিকিৎসক। গতবার তার এক চোখে অপরাশেন হলেও একচোখের ব্যাপারে তখন চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছিলেন একবছর চোখ দেখে এরপর সিদ্ধান্ত নিবেন। সেই হিসাবে তিনি এবার লন্ডনে গেছেন। সেখানে চিকিৎসকের কাছ থেকে তিনি পরামর্শ নিয়েছেন। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। তবে তার চোখে অপারেশ লাগবে কিনা তা নির্ভর করছে আরও কিছু দিন পর। চিকিৎসক তাকে পর্যবেক্ষনে রেখেছেন।
বিএনপির সূত্র জানায়, ম্যাডাম খালেদা জিয়া ভাল আছেন, সুস্থ আছেন। এটি তার ব্যক্তিগত সফর ও চিকিৎসার কারণে তিনি সেখানে গিয়েছেন বলে তিনি আপাতত কোন কথাবার্তা বলছেন না। সেখানে বিশ্রাম নিচ্ছেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন। নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন।
সূত্র আরও জানায়, খালেদা জিয়ার সফর এবার দুই মাসের বেশি সময় হতে পারে। তিনি চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরবেন এবং আগামী বছর আবারও রুটিন চেকআপে বিদেশে যাবেন।
তারেক রহমানের ঘনিষ্ট সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া পারিবারিক পরিবেশে সময় অতিবাহিত করছেন। এর ফাঁকে ফাঁকে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইন চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করছেন। বেশ কিছু বিষয়ে সেগুলো বাস্তবায়ন করবেন। এই সংক্রান্ত নির্দেশনা বিএনপির মহাসচিবের কাছেও পাঠাবেন।
ডেস্ক রিপোর্ট: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে যথাসময়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ আশা করে সেই নির্বাচনে সকল দল অংশগ্রহণ করবে।
আজ শনিবার টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের উন্নয়ন ধরে রাখতে আবারো নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সহায়ক সরকার বলতে সংবিধানে কিছু নেই। যারা আগামী নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ধোপাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে উদয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাইফুল ইসলাম বেলাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) তোফাজ্জল হোসেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ধনবাড়ী সাব-জোনাল অফিসের এজিএম আব্দুস সবুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান তালুকদার শোভা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুুর রহমান খান, আমিরুল ইসলাম, মো. আফছার আলী প্রমুখ।
এর আগে ধোপাখালী ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামে সুইচ টিপে বাতি জ্বালিয়ে ১৭৮ পরিবারের মাঝে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন করা হয়।
ডেস্ক রিপোর্ট : খালেদা জিয়া লন্ডন সফর নিয়ে সরকারি দলের নেতাদের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, তিনি স্বজনদের সাথে সাক্ষাতের জন্য লন্ডন সফরে গেছেন। কোন ষড়যন্ত্র করতে নয়।
শনিবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাওয়ে দলের প্রাথমিক সদস্য নবায়ণ ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম ২০১৭ উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি’র মহাসচিব সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করুন দেখবেন আপনাদের জামানতই থাকবে না। যতই মামলা হামলা করেন না কেন কোন লাভ হবে না। এদেশের জনগণ বিএনপি’র সাথে ছিলো আছে এবং থাকবে। কারণ বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল, জনগণই বিএনপি’র প্রাণ এবং শক্তি।
মির্জা ফখরুল আগামী নির্বাচনের জন্য যে আন্দোলন দরকার জনগণকে সাথে নিয়ে সে আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য নেতাকর্মীদের আহবান জানান। তিনি বলেন, অনেক নেতাকর্মীকে খুন ও গুম করা হয়েছে তার বিচারও হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বদরুজ্জামান খসরু, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন, আতাউর রহমান খাঁন আঙ্গুর, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, অ্যাডঃ সাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ।
ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে অংশ নিতে হবে। বিশৃঙ্খলা করে আর তারা নির্বাচন বন্ধ করতে পারবে না।
শনিবার রাজশাহীর বাগমারায় উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সুফলভোগী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘শান্তি ও উন্নয়নের মহাসড়কে বাগমারা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
জাহাঙ্গীর কবির বলেন, বিএনপি যতই চেষ্টা করুক না কেন, বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার মতো তাদের আর শক্তি নেই। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আর কখনো তারা ভোট বন্ধ করতে পারবে না। শেখ হাসিনার অধীনেই তাদের নির্বাচনে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের পট পরিবর্তন হয়ে গেছে, যা আপনারা এখন বুঝতে পারছেন। শেখ হাসিনার দ্বারাই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা সম্ভব। তাই কোনো দ্বিধা না রেখে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রাখতে হবে।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের অসহায় মানুষের কথা ভুলে যায়। ভোট নেওয়ার আগে তারা দেশের অসহায়, গরিব, দুঃখী মানুষকে বিভিন্ন প্রকারের মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ভোট নেয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর ভোটারদের ওপর শুরু করে নানা ধরনের নির্যাতন। তাই বিএনপিকে ভোট দিয়ে দেশের মানুষ আর ভুল করবে না।
নানক আরো বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের সাড়ে আট বছরে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসাগরে পরিণত হয়েছে। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করার কোনো বিকল্প নেই।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, সহসভাপতি বেগম আখতার জাহান, সহসভাপতি অনীল কুমার সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগমারায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির সঙ্গে বিরোধী অপশক্তির। তাই সব ভেদাভেদ ভুলে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সর্বহারা-জেএমবির বাগমারা এখন শান্তির বাগমারায় পরিণত হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট : আজ শনিবার থেকে শুরু হলো ২৭টি দেশের দুই দিনব্যাপী ‘ঢাকা পানি সম্মেলন ২০১৭’। পানি সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন খাল খনন করা হচ্ছে।
শনিবার সকালে রাজধানীর প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন শুরু হয়েছে। পানি সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে-টেকসই উন্নয়নে পানি।
এ সময় তিনি বলেন, ‘লবণাক্ত পানি প্রবণ এলাকায় পুকুরের পানি ফিল্টার করে লবণাক্ততা দূর করা হয়েছে। সাতহাজার পুকুর এবং গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে ৩২ হাজার ৬’শ টি। বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে ৪ হাজার ৭’শ টি জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী ঢাকার জন্য যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘রাজধানী ঢাকায় নতুন খাল খনন করা হচ্ছে এবং পুরাতন খাল সংস্কার এবং জলাধার সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চল, বড় বড় আবাসিক এলাকায় জলাধার তৈরি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, বর্জ্য ও দূষিত পানি নিষ্কাশনেরও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’
বিভাগীয় শহরগুলোর উন্নয়নে যে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল বিভাগীয় শহরে নিরাপদ পানি ভূ-উপরিস্থ পানি থেকে নিশ্চিত করার কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। নাব্যতা হ্রাস প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা এক’শ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ ডেল্টা প্লান ২ হাজার এক’শ আমি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় আগামী এক’শ বছরে পানির প্রাপ্যতা বার ব্যবহার এবং প্রতিবেশগত বিষয় সমূহ বিবেচনায় রাখা হয়েছে।’
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে খাদ্য নিরাপত্তাসহ এসডিজির সাতটি অভিষ্ঠ লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই সম্মেলনে ২৭টি দেশের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ৮২ জন বিদেশি প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করবেন।
নিরাপদ পানির গুরুত্ব উপলব্ধি করে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ১ নম্বর লক্ষ্য হচ্ছে সরাসরি পানির সঙ্গে সম্পৃক্ততা। এসডিজি ৬ এর অধীনে ছয়টি পৃথক লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্যও আটটি ইন্ডিকেটর নির্ধারণ করা হয়েছে। এসডিজি ৬ ছাড়াও এসডিজির আরও সাতটি লক্ষ্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, আন্দোলনের নাম করে সাড়ে আট বছরেও বিএনপির আন্দোলন জমেনি। আগামীতে তারা ক্ষমতায়ও আসতে পারবেনা। আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করার রাজনীতি এদেশের শান্তিপ্রিয় জনগন গ্রহণ করেনি। এখন চিকিৎসার নামে লন্ডনে স্বেচ্ছায় নির্বাসনে গিয়ে পাকিস্তানের সহায়তায় আইএসকে নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরিকল্পনা করছেন বেগম খালেদা জিয়া।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি আন্দোলনের নামে ১৬৫ জন মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সেই স্মৃতি মানুষ কোনদিন ভুলে যাবেনা। বরিশালে এসে বিএনপির মহাসচিব নিজ দলের কর্মীদের হাতাহাতি দেখে জয় করে নয়, ভয় পেয়ে আগে ভাগেই চলে গেছেন। মানুষ এদের চায়না বলেই পাকিস্তান এবং আইএসের সহায়তা নিয়ে আবার লুন্ঠন করার জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার অপেক্ষায় আছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশ বিরোধী কোন ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার সরকারকে হটানো যাবেনা। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আপনাদের মধ্যে ঐক্য চাই। ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে কেউ ঠেকাতে পারবেনা। ২০০১ সালের অন্ধকারের দিকে ফিরে যেতে চাইনা। এজন্য নতুন ভোটার ও নারী ভোটার এই দুটো বিষয় প্রাধান্য দিতে হবে। তবে নতুন সদস্য অন্তর্ভূক্তির বেলায় দল ভাড়ি করার জন্য সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িক, মাদকাসক্ত কিংবা বির্তকিতদের দলে স্থান দেয়া যাবেনা।
মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সৈয়দ গোলাম আব্বাস চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি।
বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ প্রমুখ।