March 10, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর সরকার আর ক্ষমতায় থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশি সংবাদে দেখেছি, ষোড়শ সংশোধনীর রায়ে যা লেখা হয়েছে এরপর কোনো সভ্য দেশের সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারে না।
সরকারের ব্যার্থতায় এ রায়ের মাধ্যমে প্রকাশ পায় বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ডেস্ক রিপোর্ট : ‘তুফান সরকার কেমন করে বগুড়া শ্রমিক লীগের নেতা হয়? তার ভাই মতিন সরকারই বা কী করে যুবলীগের নেতা হয়’ বলে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৃহস্পতিবার (০৩) সকালে বনানীতে এরশাদের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এরশাদ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ‘তুফান আওয়ামী লীগের কেউ নয়’ এ মন্তব্যের বরাত দিয়ে বলেন, ‘গঠনতান্ত্রিকভাবে এটি বিষয়টি এমন হলেও, রাজনৈতিকভাবে সচেতন মানুষ মনে করে শ্রমিক লীগ আওয়ামী লীগেরই। এদেশে সুশাসন থাকলে কেমন করে তারা মাদক সামাজ্র্যের অধিপতি হয়?’
সংবাদ সম্মেলনে এরশাদ দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেন। ঢাকার জলজট, চট্টগ্রামে পাহাড় ধস, শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমানের চোখ হারানো, খাদ্য সংকটসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
এরশাদ বলেন, ‘কী ঘটছে এখন দেশে? তিতুমীরের ছাত্র সিদ্দিকুরকে চোখ হারাতে হলো। বগুড়ায় মা-মেয়েকে নির্যাতনের পর তাদের মাথার চুল কেটে নেওয়া হলো। এসবের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা চিহ্নিত। তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তেমনটা আমাদের চোখে পড়ছে না।’
জলজট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়ে এরশাদ বলেন, ‘অতিবর্ষণের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রামের কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তা আপনারা দেখেছেন। দেশের দুটি বড় শহরের পানি নিষ্কাসনের খালগুলো দখল হয়ে গেছে। খালের জায়গা দখল করছে কারা, নদীর পাড় দখল করে কারা ব্যবসা-বাণিজ্য করছে, বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে তাদের কি সরকার চিনতে পারে না?’
এরশাদ বলেন, ‘দেশের খাদ্য পরিস্থিতি এখন কতটা নাজুক। সবচেয়ে নিম্নমানের চালও এখন ৫০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাজের সুযোগ নেই। তারা কি করে বাঁচবে?’
তিনি বলেন, ‘খাদ্য গুদামগুলো খালি হয়ে গেলো। অথচ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কোনও হুঁশ ছিল না এটা মার্জনা করা যায় না। এজন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।’
জাতীয় পার্টি নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন এরশাদ। তিনি বলেন, ‘আমরা নতুনভাবে যাত্রা শুরু করেছি। দেশ ও জনগণের স্বার্থে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে আবার আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এর মধ্যে আমরা সম্মিলিত জাতীয় জোট গঠন করেছি। আমাদের জোটের প্রতি দেশবাসীর অভূতপূর্ব আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয়, প্রেসিডিয়াম ও ঢাকা মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে বিচার হয়েছে ঠিকই, তবে এই হত্যার সুফলভোগীরা এখনো থেমে নেই। তাদের এখন লক্ষ্য হলো বঙ্গবন্ধু কন্যা তার পরিবারের সদস্যরা। বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে পারলে পাকিস্তান পন্থা কায়েম করা যাবে এটাই ষড়যন্ত্রকারীদের মূল লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে দেশ একশ বছর পিছিয়েছে বলে এসব মন্তব্য করেন দেশের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীর। তিনি বলেন, সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশে থাকলে তাদেরও হত্যা করা হতো। তাদের নিশানা ছিল মুজিব পরিবারকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। শুধু নিশ্চিহ্নই নয়, ছিল জাতির স্বাধীনতার স্বপ্ন একেবারেই মূলোৎপাটন করা। নকশাও ছিল নিখুঁত।
ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীর বলেন, যে সময়টায় আক্রমণ করলে বুলেটের নিশানা ভুল হবে না, ঠিক সেই সময়টাই বেছে নিয়েছেন খুনীরা। তাই খুনিদের বুলেট থেকে রক্ষা পায়নি শিশু রাসেলও। ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য ছিল রাজনীতির মাঠ থেকে বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরীদেরও বিদায় করে দেয়া। যে ষড়যন্ত্রের থাবা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরই তার চলাচলের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকার। দেশে ফেরার প্রথম দিন নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে তাকে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে পর্যন্ত যেতে দেয়া হয়নি। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক পরিধি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তার জীবনও হুমকির মুখে পড়ে।
শাহরিয়ার কবীর বলেন, শেখ হাসিনার উপর প্রথম প্রকাশ্যে হামলা হয় ১৯৮৮ সালের ২২ জানুয়ারি। ওইদিন শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। সেখানে নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। এতে আওয়ামী লীগের কমপক্ষে ২৪ নেতাকর্মী নিহত হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্র ছিল ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। এর আগে তাকে হত্যার ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র করা হয় ২০০০ সালে। ওই বছর ২০ জুলাই টুঙ্গিপাড়ার কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পেতে রাখা হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কেও হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্র করা হয়।
ডেস্ক রিপোর্ট : জনপ্রিয়তা যাচাই করতে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় বগুড়ায় মা ও মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘যে কোন উন্নয়নের নামে ১০ টাকার কাজ ১০০ টাকায় করে দিতে হয়। আর যে সমস্ত টাকা হয়েছে সে সমস্ত গেছে ঐসব সন্ত্রাসীদের কাছে। তারাই তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যদিয়ে এ সরকারের পতন ঘটাবে।’
অপরদিকে, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, তাদের যদি আত্মসম্মান বোধ থাকে তবে তারা এই মুহূর্তে জনগণের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বচনের ব্যবস্থা করুক।’
সময় অনলাইন।
মেট্রোরেলের স্টেশন ও উড়ালপথ (ভায়াডাক্ট) নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনের কাছে এই কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ২০১৯ সালে মেট্রোরেলের একাংশ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ আট ভাগ বা আটটি প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্যাকেজ ৩ ও ৪-এর কাজ উদ্বোধন করা হয় আজ। এর আওতায় উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত নয়টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। আর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে। এই উড়ালপথেই মেট্রোরেলের লাইন নির্মাণ করা হবে। আর স্টেশনগুলোও হবে উড়ালপথে।
নয়টি স্টেশন ও ১২ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণের কাজ পেয়েছে ইটাল-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। আর প্রকৌশলগত দিক দেখভাল করছে এনকেডিএম অ্যাসোসিয়েশন। এই কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা।
এই মেট্রোরেলের পথটির নাম দেওয়া হয়েছে এমআরটি-৬, দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কিলোমিটার। শুরু উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে এবং পল্লবী, ফার্মগেট, দোয়েল চত্ত্বর, প্রেসক্লাব হয়ে মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে গিয়ে শেষ হবে। পুরোটাই হবে উড়ালপথে। এই পথে স্টেশন হবে ১৬টি।
উত্তরায় ডিপো নির্মাণকাজ করছে আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। উড়ালপথ নির্মাণের পর লাইন বসানো, ইঞ্জিন-কোচ ক্রয় এবং বিদ্যুতের সাবস্টেশন বসানোর কাজ হবে আলাদা প্যাকেজের অধীনে। আগারগাঁও থেকে উত্তরা পর্যন্ত মেট্রোরেল ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চালু করার কথা রয়েছে। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাকি অংশ ২০২০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।

মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা দেবে জাপানের সংস্থা জাইকা। বাকি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা জোগাবে সরকার।
আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার কারণে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ আট মাস পিছিয়ে গেছে। এখন একধাপ এগিয়ে যাওয়া হলো। সময়মতোই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, এর মধ্যে মেট্রোরেল অন্যতম। এটি স্বপ্নের প্রকল্প, যা বাস্তবায়ন হতে চলেছে।
উত্তরায় ডিপো নির্মাণকাজ করছে আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। উড়ালপথ নির্মাণের পর লাইন বসানো, ইঞ্জিন-কোচ ক্রয় এবং বিদ্যুতের সাবস্টেশন বসানোর কাজ হবে আলাদা প্যাকেজের অধীনে। আগারগাঁও থেকে উত্তরা পর্যন্ত মেট্রোরেল ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চালু করার কথা রয়েছে। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বাকি অংশ ২০২০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। তবে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে এই প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৪ সাল পর্যন্ত।
মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা দেবে জাপানের সংস্থা জাইকা। বাকি ৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা জোগাবে সরকার।
আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার কারণে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ আট মাস পিছিয়ে গেছে। এখন একধাপ এগিয়ে যাওয়া হলো। সময়মতোই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, এর মধ্যে মেট্রোরেল অন্যতম। এটি স্বপ্নের প্রকল্প, যা বাস্তবায়ন হতে চলেছে।
মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার একটি কোম্পানি গঠন করেছে। যার নাম ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। সংস্থাটির সূত্র বলছে, প্রতি ৪ মিনিট পরপর ১ হাজার ৮০০ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রোরেল। ঘণ্টায় চলাচল করবে প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী। প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে ৪০ মিনিটের কম।

মেট্রোরেলের প্রস্তাবিত ১৬টি স্টেশন হচ্ছে উত্তরা (উত্তর), উত্তরা (সেন্টার), উত্তরা (দক্ষিণ), পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, সোনারগাঁও হোটেল, জাতীয় জাদুঘর, দোয়েল চত্বর, জাতীয় স্টেডিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এলাকায়। এর মধ্যে আগারগাঁও পর্যন্ত নয়টি স্টেশন নির্মাণের কাজ আজ উদ্বোধন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগারগাঁও পরিসংখ্যান ভবনের পাশের বড় সড়কের পূর্ব প্রান্ত ঘিরে ক্রেনসহ যন্ত্রপাতি বসিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এখানেই উড়ালপথ ও স্টেশনের ভিত্তি নির্মাণের কাজ চলবে।
রাজউকের সংরক্ষিত স্থাপনাগুলোর সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তুলে ধরেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ নিয়ে বৈঠক হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বৈঠক কক্ষ মাধবী’তে রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে বেশকিছু সংরক্ষিত স্থাপনার বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন উপস্থাপনা তুলে ধরেন। এসব ভবন সংরক্ষণে বিভিন্ন নীতিগত বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিচার দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে চিরতরে শেষ করে দিতে তৎকালীন রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তায় ও তারেক রহমানের পরিচালনায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়।
এ সময় জিয়াউর রহমানসহ ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পটভূমি রচনাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার দাবি করেন হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যার ষড়যন্ত্রের সাথে যারা যুক্ত ছিলো, জিয়াউর রহমানসহ তাদের বিচার করা প্রয়োজন- এটিই হচ্ছে আজকে জাতীর প্রত্যাশা। জিয়াউর রহমানসহ তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার কি ভূমিকা ছিলো এগুলো আজ জনগণকে জানাতে হবে। ২১শে আগস্ট খালেদা জিয়া সেদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন, রাষ্ট্রিয়যন্ত্রগুলো এ হত্যাকাণ্ডে সহায়তা করেছে। সুতরাং এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের আওতায় বেগম খালেদা জিয়াকেও আনতে হবে।’
ডেস্ক রিপোর্ট : শোকের মাসে বঙ্গবন্ধুর নাম করে কেউ চাঁদাবাজি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসিতে শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, শোক দিবসের নামে কেউ চাঁদাবাজি করতে কেউ না পারে এটা সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার চাঁদাবাজি করা চলবে না। ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্ম দিবস পালন থেকে বিরত হোন। এ কাজ আর করবেন না। কখনই করবেন না এমন প্রতিশ্রুতি দিলে সংলাপের পরিস্থিতি হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ৭৫’এর ষড়যন্ত্র মোশতাকের সঙ্গে জিয়া জড়িত ছিল এতে কোন সন্দেহ নেই। মঙ্গলবার বিকেলে শোকের মাস উপলক্ষে কৃষক লীগ আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসরদের ক্ষমতায় বসিয়ে জিয়া শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছিল বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের শত্রুরা যেটা পারে নাই। আর ঘরের আপনজন হয়ে দিন রাত যারা ঘোরাঘুরি করতো তারাই বেঈমানি করলো আর এমন একটি হত্যাকাণ্ড একইসাথে তিনটি বাড়িতে ঘটালো। সংবিধান লঙ্ঘন করেই মোশতাক নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলো। আর প্রেসিডেন্ট হয়েই জিয়াউর রহমানকে সেনা প্রধান নিযুক্ত করলো। মোশতাকের এই ষড়যন্ত্রের জিয়া যে একইভাবে জড়িত এতে আর কোন সন্দেহ থাকে না।’
সেদিনের ঘটনা সম্পর্কে শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘কারফিউ দেয়া হয়েছিলো, বেশি লোক ঢুকতে দেয়নি। তারা জোর করেই তাকে গোসল দিয়েছিলেন সেই তিব্বত ৫৭০ সাবান দিয়ে। কাফনের কাপড় কেনারও সুযোগ ছিলো না। তিনি রিলিফের কাপড় দিয়ে, যে কাপড় গরীব দুঃখী মা-বোনকে দিতেন সেই কাপড়, ওখানে রেড ক্রিসেন্টের একটা হাসপাতাল ছিলো সেখান থেকে কাপড় এনে সেই কাপড়ের পাড় ছিড়ে তা দিয়েই কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে দাফন করা হয়েছিলো। তার রক্তের ঋণ আমরা শোধ করতে পারবো তখনই যখন এই বাংলাদেশ থেকে দুঃখ দারিদ্র দূর করে প্রতিটি মানুষের জীবনকে আমরা অর্থবহ করতে পারবো।’
ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে সুশীল সমাজের দেওয়া প্রস্তাব সমর্থন করেছে বিএনপি। বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ইসির ডাকা সংলাপে অংশ নিয়ে দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনাবাহিনী মোতায়েনসহ যে সব প্রস্তাব করেছেন আমরা তা সমর্থন করি। তবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি তাদেরকে নির্বাচনকালীন ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডের শিশুকল্যাণ পরিষদ হলরুমে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর মুক্তির দাবিতে ‘বরকত উল্লাহ বুলু মক্তি পরিষদ’ আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি দলের এ অবস্থানের কথা জানান।আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো ছাড়া বিকল্প পথ নেই মন্তব্য করে বিএনপি নেতাকর্মীদের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচিতে অংশ নেয়ায়ার পরামর্শ দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন দলের নেতাকর্মীদের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের পাশে মিশে যেতে বলেছেন। জনগণকে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ করতে বলেছেন। কারণ, আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের মাধ্যমে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ মামলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিরোধীদলকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাচ্ছে। আর এভাবে একতরফা নির্বাচন করে তারা আবারও ক্ষমতায় যেতে চাচ্ছে। তবে বিএনপি বরাবরই বলে আসছে আগামী নির্বাচন সহায়ক সরকার ব্যতিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। তাই সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচন হতে হবে। অন্যথায় জনগণ সেই নির্বাচন করতে দেবে না, বিএনপি ও জনগণ নির্বাচনে অংশ নেবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে জনগণকে ভুল বুঝিয়ে নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি জনতার মঞ্চের লোক তাই নিরপেক্ষ নন। ফলে তাঁর অধীনে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না, হতে পারে না।ফখরুল বলেন, রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সরকার মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে। দেশকে ধ্বংসের কাজে লিপ্ত হয়েছে তারা। আওয়ামী লীগ মিথ্যা কথা বলতে বলতে এখন বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সত্য প্রতবেদন নিয়েও মিথ্যাচার শুরু করেছে। এর মাধ্যমে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, হারুন অর রশিদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, সহ-তথ্যগবেষণা সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু প্রমুখ।