পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

আ. লীগের নির্বাচনি পরিকল্পনায় যা আছে

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত নির্বিঘ্ন থাকতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ লক্ষ্যে বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি। এর মধ্যে রয়েছে, সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়ে ভোটার বাড়ানো, সংগঠনের ভেতরে বিরাজমান দ্বন্দ্ব-কোন্দল মিটিয়ে তৃণমুল পর্যন্ত ঐক্য সুদৃঢ় করা, সরকারের উন্নয়ন প্রচারণা গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে দেওয়া এবং অদৃশ্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে দৃশমান করে তোলা। এসব কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে চায় দলটি। ক্ষমতাসীন দলটির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপ করে এসব কর্মপরিকল্পনার কথা জানা গেছে।

নীতি-নির্ধারণী মহল জানিয়েছে, আগামী নির্বাচনের আগে দলীয় ঐক্য নিশ্চিত করা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দৃশমান করার অন্যতম লক্ষ্য হলো ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। আওয়ামী লীগ এবার ভোটারদারে দরজায় যাবে সরকারের করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডর ফিরিস্তি নিয়ে। দুই মেয়াদে সরকার কী করেছে, তার বিস্তারিত তুলে ধরবে ভোটারদের কাছে। এসব চিত্র তুলে ধরে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে ভোট চাইবে। অন্যদিকে ২০০১-০৬ মেয়াদে বিএনপির শাসনামলের দুর্নীতি, লুটপাট ও দুঃশাসনের চিত্রও তুলে ধরবে।

ক্ষমতাসীন দলটির নেতারা মনে করেন, বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে, এটা প্রায় নিশ্চিত আওয়ামী লীগ। তাই চার দলীয় জোট সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট-দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরবে নির্বাচনি প্রচারণায়। আর এই প্রচারণা সফল হলে এর সুফলও ক্ষমতাসীনদের ঘরে আসতে পারে।

আগামী নির্বাচনের আগে কিভাবে ভোট বাড়ানো যায়, ইতোমধ্যে সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। ভোট বাড়ানোর এই লক্ষ্যে আগে দলীয় দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসন করতে চায় দলটি। তারপরই ঐক্যবদ্ধভাবে নামবে ভোট বাড়ানোর কৌশল নিয়ে। এ জন্য ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, তাদের দলে টানার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে একাদশ সংসদ নির্বাচনে যারা নতুন ভোটার তাদের টার্গেট করে ভোটার বাড়ানো প্রক্রিয়ায় হাঁটছে দলটি। তাই নতুন ভোটারদের দলে ভেড়াতে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া, সরকারি-বেসরকারি কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ তথ্য-প্রযুক্তি খাতে যেসব উন্নয়ন করেছে সরকার, তা প্রচার করা হবে। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলোকে কাছে টানতে মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ সরকার দেশকে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় গড়ে তুলতে কী কী কাজ করেছে, তাও ফলাও করে প্রচার করবে ক্ষমতাসীন দলটি।

নীতি-নির্ধারণী মহল জানিয়েছেন, সরকার যে গতিতে চলছে, তা চলমান রাখাই আগামী নির্বাচন পর্যন্ত চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগের। এছাড়া পরিস্থিতি যেদিকে নিয়ে সেদিকে যাবে, সরকার ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তা মোকাবিলা করা হবে।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সরকার যে গতিতে চলছে, সেই গতিপথ কেউ যেন বাধাগ্রস্ত না করতে পারে, সেদিকে তীক্ষ্ণ নজর থাকবে আমাদের। সরকারের চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে তৃতীয় মেয়াদেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে, এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।’

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘সরকারের গতিপথ কেউ যেন রুদ্ধ করতে না পারে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত, সে বিষয়ে সতর্ক পাহারায় রাখবে আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সরকারের পাশে থেকে আওয়ামী লীগের কর্মপরিকল্পনা একটাই—তা হলো, সরকার যেন নির্বিঘ্নে পথ পাড়ি দিতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘দলের ভেতরে থাকা দ্বন্দ্ব-কোন্দল নিরসন করে আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হয়ে এবার প্রচারণায় নামবে। এবার প্রচারণার কৌশলই হবে সরকারের উন্নয়ন মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়া। অন্যদিকে বিএনপির লুটপাট, দুর্নীতি দুঃশাসন মনে করিয়ে দেওয়া। তারা আবার ক্ষমতায় এলে দেশ আবারও দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে, দেশে দুঃশাসনের রাজস্ব কায়েম করবে। বিষয়গুলো জনগণকে তারা মনে করিয়ে দেওয়া।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কর্মপরিকল্পনা একটাই। তা হলো নির্বাচন পর্যন্ত জঞ্ঝাটমুক্ত থাকা। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।’ যথাযথভাবে উন্নয়ন প্রচার মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on আ. লীগের নির্বাচনি পরিকল্পনায় যা আছে

নেতৃত্বের ব্যর্থতার দায়ভার মাথায় নিয়ে বিএনপি নেতাদের দল ছাড়া উচিত : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট : শেখ হাসিনা নয় নেতৃত্বের ব্যর্থতার দায়ভার মাথায় নিয়ে বিএনপি নেতাদের দল ছেড়ে দেবার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র ও ক্রীড়া সংগঠক শেখ কামালের ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

এ সময়, আন্দোলন সংগ্রামে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি নেতারা এখন আবোল তাবোল বকছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া, শেখ কামাল এদেশের যুব সমাজের কাছে আদর্শ হয়ে থাকবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

এর আগে সকাল ৮টায় ধানমণ্ডিতে শেখ কামালের হাতে গড়া আবাহনী ক্লাব মাঠে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর বনানী কবরস্থানেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে শেখ কামালের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন নেতারা।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on নেতৃত্বের ব্যর্থতার দায়ভার মাথায় নিয়ে বিএনপি নেতাদের দল ছাড়া উচিত : ওবায়দুল কাদের

ষোড়শ সংশোধনী যতবার বাতিল হবে ততবারই সংসদে পাস হবে : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আদালত যতবার বাতিল করবে ততবারই সংসদে এই সংশোধনী পাস করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

শুক্রবার দুপুরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিচারপতিদের চাকরি সংসদই দেয়, সুতরাং তাদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতেই থাকা উচিত।

আবুল মাল আবদুল মুহিত, বিচারকরা জনগণের প্রতিনিধিদের ওপর খবরদারি করেন। অথচ আমরা তাদের নিয়োগ দেই। বিচারকদের এমন আচরণ ঠিক নয়।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের বিরুদ্ধে করা সরকারের আপিল গত ৩ জুন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ খারিজ করে দেন। এর ফলে উচ্চ আদালতের বিচারপতি অপসারণে ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত রইল বলে জানান আইনজীবীরা।

এনিয়ে প্রধান বিচারপতি ও সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকদিন ধরেই বাদানুবাদ চলছে।

Posted in আইন-আদালত, রাজনীতি | Comments Off on ষোড়শ সংশোধনী যতবার বাতিল হবে ততবারই সংসদে পাস হবে : অর্থমন্ত্রী

সংসদে শ্রমিক-কৃষকের জায়গা নেই : বিমানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট : সামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, যাঁদের টাকা আছে পার্লামেন্ট (সংসদ) এখন তাঁদের। এই পার্লামেন্টে আজ শ্রমিক-কৃষকের জায়গা নেই। আমাদের অবশ্যই এই পার্লামেন্ট সম্পর্কে ভাবতে হবে। পার্লামেন্টে যাতে শ্রমিক-কৃষকদের জায়গা হয়, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের জে এম সেন হলে আয়োজিত চট্টগ্রাম জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে দেওয়া বক্তৃতায় রাশেদ খান মেনন এসব কথা বলেন।

রাশেদ খান মেনন উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা বলবেন আমরা তো শ্রমিক, পার্লামেন্টে তো আমাদের লোক নেই। কেন লোক নেই? কেন আমাকে একা দাঁড়িয়ে কথা বলতে হয়? মন্ত্রী হয়েও আমি পার্লামেন্টে শ্রমিকের জন্য কথা বলতে পারি, অন্যরা পারেন না। যদি আমার পাশে আর পাঁচজন পাওয়া যেত, তাহলে উচ্চকণ্ঠে শ্রমিকদের দাবি আদায়ের পক্ষে সংসদে কথা বলতে পারতাম। শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ার ব্যাপারে সেই আওয়াজ তুলতে পারছি না।’

শ্রমিকেরা অবহেলিত উল্লেখ করে রাশেদ খান মেনন বলেন, সরকারি পে-কমিশন বাস্তবায়িত হয়ে আরেকটি পে-কমিশনের সময় চলে আসছে। অথচ শ্রমিকের জন্য এখনো মজুরি কমিশন হয়নি। সরকার পাট খাতকে আবার সচল করতে নানা পদক্ষেপ নিলেও শ্রমিকদের দিকে মনযোগ দিচ্ছে না। পাটের অভাবে চলতে পারে না পাটকলগুলো। কিন্তু গত বছরের পাটও গুদামে রয়ে গেছে। কৃষক বড় আশা করেছিল তারা পাটের দাম পাবে। কিন্তু এবারের মৌসুমের শুরুতেও পাটের দাম নিম্নমুখী।

শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খান মেনন বলেন, আজ মানুষকে চিনে নিতে হবে, মানুষের কাছে যেতে হবে। নিজেদের দাবি আদায়ে সংগঠিত না হয়ে, ঐক্যবদ্ধ না হয়ে ধনীদের সংগঠনে যোগ দিলে শ্রমিকের ভাগ্য ফিরবে না।

প্রবাসী শ্রমিকদের হয়রানির কথা উল্লেখ করে রাশেদ খান মেনন বলেন, হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পর তাদের রেমিট্যান্সে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়। দেশে এখন ৩৩ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ রয়েছে। অথচ আমাদের শ্রমিকেরা যখন বিমানবন্দরে নামেন তখন তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটে সেটা বিমানমন্ত্রী হিসেবে আমি ছাড়া আর কেউ ভালো জানেন না। আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় হয়েছে। অথচ তাঁরা যখন দেশে ফিরে আসেন তখন তাঁদের যে সম্মান দেওয়ার কথা সেটা তাঁরা পান না। আমাদের পার্লামেন্টে প্রতিদিন নানা আইন পাশ হলেও প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য যে আইনের খসড়া সেটি তিন বছর ধরে পড়ে আছে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, নির্বাচন এলে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সেটা পাকিস্তান আমলের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন থেকেই হয়ে আসছে। খালেদার লন্ডন যাত্রা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ। বিএনপি নির্বাচনে নিজেদের পরিণতি সম্পর্কে জানে বলে নির্বাচন বানচাল করতে নানা গান গাইতে শুরু করেছে। তারা বলছে, নির্বাচনী সহায়ক সরকার করো, লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড দাও। এসব ষড়যন্ত্রেরই অংশ। কোনো শক্তি বাংলার মাটিতে নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।

ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কমিটির সভাপতি আবু হানিফের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরীফ চৌহানের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক। অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন শ্রমিক নেতা ফয়েজ আহমদ, দিদারুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।

প্রথম আলো থেকে নেয়া

Posted in রাজনীতি | Comments Off on সংসদে শ্রমিক-কৃষকের জায়গা নেই : বিমানমন্ত্রী

অর্থ ও ক্ষমতা মানুষ একসাথে হজম করতে পারেনা : চুমকি

ডেস্ক রিপোর্ট : মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, অর্থ ও ক্ষমতা এ দুটো জিনিস মানুষ এক সাথে হজম করতে পারেনা, তাই ধর্ষণের মতো অপকর্ম ঘটায়। কেউ এটাকে কোনভাবে গ্রহণ করতে পারেনা। বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকারের তরফ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সাম্প্রতি বগুরায় ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ভাবতেও অবাক লাগে, এধরনের ঘটনা যারা ঘটায় তারা আসলে প্রকৃত মানুষ কি না! বগুরার ঘটনায় সবার সাথে আমিও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

বিভিন্ন সংস্থার হিসেব অনুযায়ী গত ছয় বছরে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৩১ হাজারেরও বেশি। গত ছয় মাসে ৪০০’র বেশি নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে। একই সময়ে শিশু ধর্ষণের ঘটনা গঠেছে অন্তত ২০০টি। মানবাধিকার সংস্থাগুলো মনে করছে, নারী নির্যাতনের বিচারের চিত্র সংখ্যার অনেকটা নগন্য। বিচার না হওয়ার কারণেই এসব অপরাধ কমানো যাচ্ছেনা।

এসম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নানা কারণে এসব ঘটনার অনেকসময় বিচার হয়না। হয়তো শাক্ষ্য প্রমাণের সমস্যা থাকে, কিংবা ভিক্টিম তাৎক্ষনাৎ বিচার চায়না, অনেক পরে বিচার চায়। সেখানেও অনেক জটিলতা থাকে। এসব কারণে হয়তো সব মামলার বিচার সম্পন্ন হয়না। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, এখন মানুষ সচেতন হয়েছে। বিচার চাইতে শিখেছে। এভাবেই ধীরে ধীরে ধর্ষণের প্রবণতা কমে আসবে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

Posted in জাতীয়, রাজনীতি | Comments Off on অর্থ ও ক্ষমতা মানুষ একসাথে হজম করতে পারেনা : চুমকি

তুফানদের নারকীয় উল্লাসে দেশ ক্ষতবিক্ষত : রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট : ক্ষমতাসীন দলের ’তুফান’দের নারকীয় উল্লাসে দেশ আজ ক্ষতবিক্ষত। এই তুফানরাই সারাদেশে মানুষের ঘরবাড়ী, জায়গা-জমি দখলের পাশাপাশি নারীদের সম্ভ্রম নিয়ে পৈশাচিক আনন্দে মেতে উঠেছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগসহ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তান্ডবে জনপদ থেকে জনপদ আজ রক্তে রঞ্জিত। শুধু নারী-শিশুদের ওপর বর্বরোচিত নিপীড়ণই নয়, তাদেরকে খুন করা হচ্ছে নৃশংসভাবে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ জন নারী ও শিশুর ওপর পৈশাচিক নির্যাতনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে। শুক্রবার  বিএনপি  নয়াপলন্টস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রুহুল কবীর রিজভী।

তিনি আরো বলেন, গত কয়েক মাস ধরে নারী ও শিশুদের ওপর ক্ষমতাসীন দলের সোনার ছেলেদের বিভৎস উৎপীড়ণ আরো বেড়ে গেছে। তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নববধুরাও। এমনকি শিশুর ওপর পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে বাথরুমে। চলন্ত বাস ও ট্রাকে কিশোরীকে হাত-পা বেধে পালাক্রমে শ্লীলতাহানী করা হয়েছে, আর্তনাদে আতঙ্কিত বিধবার মুখে পুরে দেয়া হয়েছে ধারালো ছুরি। অপরাধের ব্যতিক্রমী বিভৎস রুপ দান করেছে আওয়ামী লীগ।

রুহুল কবির রিজভী বলেন,পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের বাধা উপেক্ষা পরে দেশজুড়ে চলছে বিএনপির দুই মাসব্যাপী প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন অভিযান। দলের এই কর্মসূচি ইতোমধ্যে মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ফরম পূরণে দলের সদস্য হতে তরুণ-তরুণী, কৃষক-শ্রমিক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, পেশাজীবিসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এছাড়া নারীদের মধ্যে সদস্য হওয়ার আগ্রহ বেশী। এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রায় ৪২ লাখের অধিক সদস্য সংগ্রহ ফরম বিক্রি হয়েছে যা  টার্গেটের প্রায় অর্ধেক।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্য সংগ্রহের ফরম বিতরণ করতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে বাধা দিচ্ছে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার’রা। কিন্তু কোন বাধাই আটকাতে পারছেন না বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম। সুপ্রীম কোর্টের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে যে নির্দেশণা এসেছে তাতে এই তুফানদের হাত থেকে বাঁচতে মানুষ কিছুটা হলেও আশার আলো দেখতে পাচ্ছে। সুপ্রীম কোর্টের এই রায়ে ক্ষমতাসীনরা ক্ষুদ্ধ ও মর্মাহত, কিন্তু অবরুদ্ধ গণতন্ত্রে পীড়িত মানুষ বর্তমান এই দু:সময়ে আলোর ক্ষীণ রেখা দেখতে পাচ্ছে। এই রায়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নির্বাচন, আইনের শাসন বাস্তবায়নসহ নানাদিক তুলে ধরা হয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে-বর্তমান সংসদ অকার্যকর, অবাধ দুর্নীতি, মানবিধকার হুমকির মুখে আর প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা মারাত্মক রুপ ধারণ করেছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আজকাল গুটিকয়েক লোকের একচেটিয়া ব্যবহারে বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে। ক্ষমতা জোরালো করার এই আত্মঘাতি প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ছাড়া বিশ্বাসযোগ্য সংসদ প্রতিষ্ঠা হতে পারেনা।

তিনি আরো বলেন, সুপ্রীম কোর্টের এই রায় প্রকাশের পর বর্তমান ভোটারবিহীন সরকারের রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাটা জবরদস্তিমূলক ও বেআইনী। কিন্তু যদিও দেশে এখন আওয়ামী আইন চলছে। এই আইনে অবৈধ ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত চর্চিত হিংসার স্ফুরণ ক্রমবর্ধমান মাত্রায় সংঘটিত হচ্ছে। এই আইনে আমরা দেখতে পাচ্ছি-বিরোধী দলের প্রতি ক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী যেন সবসময় ক্রোধের আগুনে দগ্ধ হচ্ছেন। বিরোধী মত এবং সরকার সমালোচকদের ওপর রাজদন্ড নেমে আসে সবসময়। হুংকারের স্বরে জনগণের ওপর হুকুম জারি করা হয়। বাংলাদেশ এখন এমন একটি দেশ যেখানে কেবলমাত্র মৃত মানুষ ছাড়া কারো সত্য কথা বলার কোন অধিকার নেই। তাই বর্তমান সরকার দেশে সত্যিকার অর্থে যে উন্নয়ন করেছে-তাহলো অশান্তি, হিংসা আর হানাহানি। তবে দু:শাসনের অবসানে জনগণের কালজ্বয়ী প্রতিজ্ঞা কখনো নিস্ফল হয়না। স্বৈরাচারীর মসনদ এখন উল্টে পড়ার অপেক্ষায়।

রিজভী বলেন, গত দু’দিন আগে আওয়ামী লীগ নেতা ও বানিজ্যমন্ত্রী বলেছেন-‘দেশে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়েনি, স্থিতিশীল রয়েছে’। যাহা সম্পূর্ণরুপে অসত্য। আওয়ামী নেতা ও মন্ত্রীরা যে ডাহা মিথ্যাচার করেন, এটি তার আরো একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাজারে প্রায় সকল পণ্যের দাম এখন দ্বিগুন-তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭০/৮০ টাকা কেজির নীচে তো কোন সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। তেল, চিনি, লবনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে আগের চেয়ে দ্বিগুণ আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী মিথ্যা কথা বলে জনগণকে দু:সহ জীবনযাপনে বাধ্য করছে। আওয়ামী লীগ দম্ভে ও গর্বে আত্মস্ফীত। তাই তারা মিথ্যা বলতে কুন্ঠিত হয়না।

জয়পুরহাট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচবিবি থানা বিএনপি’র আহবায়ক আব্দুল গফুরকে জেলগেট থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করলেও এখনও পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে তার পরিবার গভীর দু:শ্চিন্তাগ্রস্ত এবং উদ্বিগ্ন। আমি দলের পক্ষ থেকে আব্দুল গফুরকে জনসম্মুখে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া ফেনী জেলাধীন সদর উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক এ জি ওসমানী মাহফুজ, লেমুয়া ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ চৌধুরী, লেমুয়া ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ও ছনুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারের ঘটনায় আমি দলের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার করে নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলা বিএনপি অফিস সশস্ত্র হামলা চালিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। সন্ত্রাসীরা হুংকার দিয়ে বলেছে, অফিস খুললে পরিণতি হবে ভয়াবহ। আমি বিএনপি’র পক্ষ থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এই ঘোষনায় ধিক্কার জানাই।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on তুফানদের নারকীয় উল্লাসে দেশ ক্ষতবিক্ষত : রিজভী

আট বছরের ব্যর্থতায় বিএনপির সব নেতার পদত্যাগ করা উচিৎ : ওবায়দুল কাদের

প্রতিবেদক : আট বছরের আন্দোলনের ব্যর্থতায় বিএনপির সব নেতাকর্মীর পদত্যাগ করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধরণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘ব্যর্থতার দায়ে’ সরকারকে পদত্যাগ করতে বলার পরদিন সেতুমন্ত্রী কাদেরের এই প্রতিক্রিয়া এল।

শুক্রবার দুপুরে বাংলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি আমাদের পদত্যাগ করতে বলে! আট বছরে আট মিনিটের জন্য রাস্তা গরম করতে পারেনি।… এই ব্যর্থতার জন্য আপনাদের টপ টু বটম সবার পদত্যগ করা উচিৎ।”
ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালতের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, অন্য কোনো ‘সভ্য ও গণতান্ত্রিক’ দেশ হলে ওই রয়ের পর সরকার পদত্যাগ করত।

এর জবাব দিতে গিয়ে শুক্রবার ছাত্রলীগের এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব, আপনার মনের জ্বালা আমরা বুঝি, কষ্টটাও বুঝি। বারে বারে আন্দোলনের ডাক দিয়ে মরা গাঙ্গে জোয়ার আসে না। কবে আসবে তাও জানি না, ঈদের পর ঈদ যায়, মাসের পর মাস যায় মরা গাঙ্গে জোয়ার আসে না। কেবলই ডাক আসে, সব ডাকই আষাঢ়ের তর্জন-গর্জন।”
গত রোজার আগে বিএনপি নেতারা বলে আসছিলেন, তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া ঈদের পরই আন্দোলনের ডাক দেবেন।

কিন্তু চিকিৎসার কথা বলে গত ১৫ জুলাই থেকে খালেদার লন্ডন অবস্থানের দিকে ইংগিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “দু মাসের জন্য আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়ে টেমস নদীর পাড়ে। এ বছর না ওই বছর, আন্দোলন হবে কোন বছর? এই ঈদ না ওই ঈদের পর, আন্দোলন হবে কোন ঈদের পর?…”

ওবায়দুল কাদেরের ভাষায়, বিএনপির শক্তি দিন দিন ‘কমে যাচ্ছে’। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিদেশে, ভাইস চেয়ারম্যন তারেক রহমান বিদেশে; তারা কবে দেশে আসবেন তা ‘কেউ জানে না’।
“টেমস নদীর পাশে বসে বসে চোরা গলি খুঁজছে, কোন গলি দিয়ে যাওয়া যায়…।”

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্য করে কাদের বলেন, “আপনাকে বলি, আবারও বলি, বাংলাদেশে একটা-দুইটা আঘাতে স্তিমিত হওয়ার দল আওয়ামী লীগ না।… আওয়ামী লীগ সরকারের ভিত, শেখ হাসিনার গণভিত, এবং আওয়ামী লীগের ভিত অনেক বেশি শক্তিশালী। আঘাত করে আমাদের পরাজিত করা যাবে না। আমরা সেই শক্তি, যারা অতলের কিনারা থেকে, সময়ের প্রতিজ্ঞা নিয়ে এগিয়ে যাই সামনের দিকে।”

বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা র আ ম রবিউল মোক্তাদির চৌধুরী, সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ হোসেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধরণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on আট বছরের ব্যর্থতায় বিএনপির সব নেতার পদত্যাগ করা উচিৎ : ওবায়দুল কাদের

আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন শেখ রেহানা ও জয়!

ডেস্ক রিপোর্ট : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা মাঠের রাজনীতিতে ততোটা সরব না থাকলেও আগামীতে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। তবে সেই নির্বাচনে তিনি গোপালগঞ্জ থেকেই অংশ নিবেন নাকি অন্য কোন আসন থেকে অংশ নিবেন তা এখনও চুড়ান্ত হয়নি। বিষয়টি আলোচনাই করেই সিদ্ধান্ত নিবেন প্রধামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে নির্বাচনে পীরগঞ্জ থেকে অংশ নেওয়ার।

শেখ রেহানার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন এটা বলতে পারি তিনি গোপালগঞ্জের রাজনীতিতে জড়িত হয়েছেন। তবে এই জন্য আগামী নির্বাচনে অংশ নিবেন এটা নিশ্চিত হয়নি কিন্তু সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, শেখ রেহানা অনেক ভেবে চিন্তে ও ধীর স্থিরভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন। তিনি দ্রুত কোন সিদ্ধান্ত নেন না।

তিনি গোপালগঞ্জের একটি আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন এই ব্যাপারে শেখ রেহানা কোন ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, শেখ রেহানা অনেক ধীর স্থির। তিনি হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেন না। অনেক ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নেন।
তার টুঙ্গিপাড়ায় রাজনীতিতে জড়িত হওয়া একটি সূদূর প্রসারী চিন্তার অংশ।

শেখ হাসিনার একটি ঘনিষ্ট সূত্রের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপাতত এইটুকু জানি তিনি গোপালগঞ্জে ভোট দিবেন। ভোট দেওয়ার জন্য উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হয়েছেন। ভোট দেওয়ার জন্যতো পদে জড়িত হতে হয় না। তিনি যে এলাকার ভোটার সেখান থেকেই ভোট দিতে পারেন।

ওই সূত্র জানায়, আগামীতে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় ভোট দিবেন।
এদিকে একটি সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের তিনটি পদ খালি রাখা হয়েছে। একটিতে শেখ রেহানা। একটিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে না থাকলে দুই জনই তৃণমূল রাজনীতিতে রয়েছেন। জয় রংপুরের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

সূত্র জানায়, দুটি পদে তাদের নেওয়া হতে পারে। আর আর একটি পদে সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের নাম শোনা যায়।
সূত্র জানায়, আগামী নির্বাচনের আগেও এটা হতে পারে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি চান। তবে তিনি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের আগে, কাউন্সিলে এবং কাউন্সিলের পরেও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করার কথা বলেছেন। তিনি বার বারই এটা বলেছেন। তার ওই কথার মধ্যে নতুন নেতা নির্বাচনের ইঙ্গিত ছিল।

সূত্র জানায়, শেখ রেহানাকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করা হয়েছে বিষয়টি শনিবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক এই কথা বলেছেন।

গত ১৭ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে ৫৭ জন কার্যনিবাহী কমিটির মধ্যে ১৪ জন উপদেষ্টামন্ডলরি সদস্য। শেখ রেহানাকে উপদেষ্টামন্ডলীর ৩ নম্বর সদস্য।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান এ কমিটির অনুমোদন দেন।
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ইলিয়াস হক গণমাধ্যমকে জানান, ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ আব্দুল হালিম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ আল বাশার খায়েরের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

গত ১৭ জুলাই আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেখানে ৫৭ জনকে কার্যনির্বাহী কমিটিতে ও ১৪ জনকে উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য করা হয়।

সরকারের নীতি নির্ধারক একজন মন্ত্রী বলেন, শেখ রেহানা ও সজীব ওয়াজেদ জয় রাজনীতিতে আছেন। তবে তারা যেহেতু আরও অন্যান্য কাজ করেন এই কারণে পুরোপুরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে পারছেন না। তবে আগামী দিনে তাদের দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটাতো হতেই পারে। তবে এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিবেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদেরকে প্রেসিডিয়ামের সদস্য করা হবে এই ব্যাপারে নেত্রী বলতে পারবেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিবেন। তাছাড়া যাদের নিয়ে আলোচনা তাদেরও মতামতের দরকার হবে। আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নিবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা হতে পারে।

সূত্র : আমাদের সময়ডটকম

Posted in Uncategorized, রাজনীতি | Comments Off on আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন শেখ রেহানা ও জয়!

খালেদা জিয়া মিথ্যা জন্মদিন পালন করলে জনগণ উচিত জবাব দেবে : হাছান মাহমুদ

ডেস্ক রিপোর্ট : আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় শোক দিবসে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কেক কেটে মিথ্যা জন্মদিন পালন করলে দেশের মানুষ তাকে উচিত জবাব দেবে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আজ বৃহষ্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিন এ কথা বলেন।

সংগঠনের উপদেষ্টা চিত্তরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে সভায় তাঁতী লীগের কার্যকরি সভাপতি সাধনা দাশ গুপ্তা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা বক্তব্য রাখেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগস্ট মাস আসলে আপনার (খালেদা জিয়ার) কেক কাটার ধুম পড়ে। এবার দয়া করে লন্ডনেও কেক কাটবেন না। লন্ডনে কেক কাটলে দেশে ফেরার পর জনগণ আপনাকে উচিত জবাব দেবে।’

তিনি বলেন, আজকে বেগম খালেদা জিয়াও দেশের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা যখন বললাম, বেগম জিয়া লন্ডনে বসে ষড়যন্ত্র করছেন, আইএস জঙ্গি গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন- তখন মির্জা ফখরুল ইসলাম
সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে মিটিং করে নাই। অর্থাৎ তার বক্তব্য হচ্ছে, ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাই না।

হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম জিয়া কখন, কোথায় কার সঙ্গে মিটিং করেন, কী করছেন, কয়টায় কোন হোটেলে মিটিং করছেন এবং মিটিং শেষে কয়টায় তিনি পুত্রের বাসায় ফিরে যাচ্ছেন, সেই তথ্য আমাদের কাছে আছে। প্রয়োজনে সেই তথ্য উন্মোচন করা হবে। বাসস

Posted in রাজনীতি | Comments Off on খালেদা জিয়া মিথ্যা জন্মদিন পালন করলে জনগণ উচিত জবাব দেবে : হাছান মাহমুদ

জোট গঠনের প্রক্রিয়া রাজনীতির নতুন মেরুকরণ : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়াকে রাজনীতির নতুন মেরুকরণ হিসাবে দেখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন মেরুকরণকে স্বাগত জানাবে আওয়ামী লীগ।’
ওবায়দুল কাদের আজ বৃহষ্পতিবার ধানমন্ডির ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে মাদক বিরোধী সেমিনার ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে বিকল্পধারার চেয়ারম্যান বদরুদোজ্জা চৌধুরীর বাসায় বিভিন্ন দলের বেশকজন নেতা নতুন জোট গঠনের বিষয়ে এক বৈঠক করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিভিন্ন দলের বৈঠক রাজনীতির বিউটি। শতফুল ফুটুক। গ্রুপিং যা হচ্ছে হতে থাক অসুবিধা কি? নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনীতির মেরুকরণ হচ্ছে। এটা একটা ভালো দিক। শেষ পর্যন্ত এই মেরুকরণ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনে আদর্শগত বিষয়টা মূখ্য নয়। নির্বাচন হলো কৌশলগত ব্যাপার। এখানে আদর্শগতভাবে জোট না হয়ে কৌশলগত, সময়ের প্রয়োজনে নির্বাচনে জেতার জন্য জোট হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারাতো সেখানে ষড়যন্ত্র করছে না। তারা জোট করছে। অসুবিধা কি? তবে এ জোট শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, না দাঁড়ায় দেখতে হবে, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন ‘সময় হলেই তারা মহাজোট থেকে বের হয়ে যাবেন’ এটা কিভাবে দেখছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখনতো মহাজোট নেই, ত্হালে ভাঙবে কি করে? এখন আছে ঐক্যমতের সরকার। এ সরকারের তাদের তিনজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এরশাদ সাহেব নিজেতো প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হিসাবে পতাকাবাহী গাড়িতে যাচ্ছেন। তারা সরকারে স্বেচ্ছায় এসেছেন। এখন যদি তারা বের হয়ে যেতে চান, আমরা বাধা দিব না।

তিনি বলেন, আমরা এমন কোন সংকটে পড়েনি, যে তারা চলে গেলে আকাশ ভেঙ্গে পড়বে। আমরা জনগণের মহাজোটে বেশি বিশ্বাসী। বাসস

Posted in রাজনীতি | Comments Off on জোট গঠনের প্রক্রিয়া রাজনীতির নতুন মেরুকরণ : ওবায়দুল কাদের

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud