May 8, 2026
লিথুয়ানিয়ার এক গ্রামের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা। বাহারি সাজে হাজির সুন্দরীরাও। তবে এই সুন্দরীরা সবাই চারপেয়ে, তাদের সিংও আছে! অবাক হবেন না এটা ছাগলদের বিউটি কনটেস্ট।
ছাগল বলে কি সুন্দরী নয়! কারও কেমন সাদা রং। কারও মাথায় বাহারি টুপি। কেউ বা গায়ে দিয়েছে রীতিমতো ডিজাইনার পোশাক। ব্যান্ড বাজনা নিয়ে হাজির উত্সাহী দর্শকরাও। মনের মতো করে পোষ্যকে সাজিয়ে হাজির মালিকও।
এমন অভিনব সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হয় লিথুয়ানিয়ার র্যামেগালা গ্রামে। সেই মধ্যযুগ থেকেই এই অঞ্চলে ছাগলের বড় কদর। গ্রামের ছশ পয়তাল্লিশ বছরের জন্মদিনে তাই এই ছাগলের বিউটি কনটেস্ট। সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন, মার্সে। তবে সেরার মুকুট পরতে তাঁর বড় আপত্তি। শেষ পর্যন্ত ক্রাউন নিলেন মার্সের মালকিন। সূত্র : কলকাতা ২৪
প্রতিদিন ক্লাসমেটদের কাছে ইসলামের নিন্দা শুনতে হয়, ইসলাম নাকি তাদেরকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে। ইসলাম সম্পর্কে নানা আজেবাজে মন্তব্য ছুটে আস। মাহি ছোট্ট একটা মেয়ে। বয়স মাত্র ১৩ বছর। আর কত ভালো লাগে। না, অন্যদের মতো সে না শোনার ভান করার অবস্থান থেকে সরে এলো। আমেরিকার সাধারণ মানুষ এবং সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ইসলাম নিয়ে যে বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি চলছে, সেগুলো দূর করার সংকল্প নিল। স্কুলের কর্মকর্তাদের বোঝাল, এভাবে চলা যায় না। পারস্পরিক সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার নতুন উদ্যোগ নেয়া হলো। এর সবই হয়েছে বাংলাদেশী মেয়ে সুমাইয়া মাহির কারণে।
গত ৯ জুন মেট্রো ডটকমে সে জানায়, ‘মুসলিম মেয়ে হওয়ায় আমাকে প্রতিটা দিন একই প্যাচাল শুনতে হতো। এমন পরিস্থিতিতেই ছিলাম আমি।’
‘তবে আমি এই অবস্থা দূর করতে চেয়েছিলাম। আমি যখন কাজটা শুরু করি, তখনই বুঝলাম, আমি একা নই। এ ধরনের পরিস্থিতি অনেকেই পড়েছে। তারাও কিছু করতে চায়।’
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যঅসাচুটসের ক্যামব্রিজের মতো আধুনিক আর অভিজাত নগরীতেও ইসলামবিদ্বেষ আর ভীতি ছিল প্রতিদিনকার বিষয়।
সে পড়ে কেনেডি লংফেলো স্কুলে। প্রতিদিন সে যেসব চ্যালেঞ্জে পড়ে সেগুলো থেকে উত্তরণ ঘটাতে ‘তুমি যা বলছ, তা তুমি নও, একটামাত্র ব্যতিক্রম ছাড়া’ শীর্ষক একটা রচনার মাধ্যমে সব ছাত্রের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হলো। গৎবাঁধা ধ্যান-ধারণা কিভাবে সমাজকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, বিভক্তির সৃষ্টি করছে, সেগুলো তুলে ধরার প্রয়াস ছিল এটা।
মাহির রচনাটি বিপুল সাড়া ফেলল। সামাজিক মাধ্যমগুলোকে তা ভাইরালে পরিণত হলো। পাবলিক রেডিও ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল ন্যাশন এডুকেশন সেকশনে সেটা প্রকাশিতও হলো।
মাহি জানায়, ‘কাজটা ছিল খুবই কঠিন। কারণ লোকজন আমাকে সন্ত্রাসী মনে করত।’
সে লিখল, বাইরের ঘটনা কিভাবে তার ওপর চেপে বসেছে : ‘সমাজের দৃষ্টিতে এবং দুনিয়ায় যা কিছু ঘটছে, তার আলোকে আমাকে যে পরিচয়ে পরিচিত করা হচ্ছে, আমি সে নই। বোস্টন ম্যারাথনে বোমা হামলা, বাংলাদেশের একটি ছেলের নিউ ইয়র্কে বোমা হামলার পরিকল্পনা করার মতো সহিংস ঘটনার কারণে আমি আর নির্দোষ মেয়ে বিবেচিত হচ্ছি না। মনে করা হচ্ছে, আমি একটা বাচ্চা সন্ত্রাসী।’
মাহি জানায়, আমার লক্ষ্য ছিল এই ভুল ধারণা ভেঙে দেয়া। আমি চাইনি, অন্য মুসলিম বাচ্চারা এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়–ক, উন্নতির দিকে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হোক।’
মাহির এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের আগের একটি ঘটনা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তখনো তারা প্রতিদিন নানা পরিস্থিতিতে পড়ত। একদিন সে, তার বোন আর এক বন্ধু মসজিদ থেকে হেঁটে বাসায় ফিরছিল। তখন অনেক রাত। তারা সবাই হিজাব পরা। একটা পর্যায়ে দুই লোক তাদের দিকে হেসে বলল, ‘বিপদ! এরা মুসলমান!’
মাহি ফুসে ওঠল। চিৎকার করে বলল, ‘দাঁড়াও দেখাচ্ছি তোমাকে! তোমার আর বাঁচা হবে না বাছাধন!’
ওই দুই লোকের সাথে ঝগড়া তার মনে গভীর দাগ কাটল : ঘৃণা দিয়ে ঘৃণার মোকাবিলা করা যায় না।
ছোট্ট মাহির কাছে মনে হলো, মিডিয়াই মুসলমান সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য দায়ী। তারাই মুসলিমবিরোধী ভাবাবেগ ছড়িয়ে দিচ্ছে। তারাই মুসলিমদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করছে।
মাহি এখন বলে, ওই দুই লোককে যেভাবে গালি দিয়েছিলাম, তেমনটা আর করি না। এখন বাচ্চাদের বলি, কেউ ইসলাম সম্পর্কে খারাপ কিছু বললে, তারা যেন সত্যিকারের ইসলাম কী, সেটা তাদের বুঝিয়ে বলে। মাহির উদ্যোগ প্রথমে খুব সাড়া জাগায়নি। কিন্তু তার লেগে থাকার প্রয়াসে সুফল এনে দেয়। তার ইংরেজি শিক্ষক উডলি পিয়ের-লুই, যিনি প্রথমে তার বিরোধিতা করেছিলেন, তিনি পর্যন্ত এখন তার চেষ্টার প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
মাহি করে, ইসলাম সম্পর্কে ভীতি, ঘৃণা দূর করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ইসলামের সত্যিকারের রূপটি তারাই তুলে ধরতে পারে।
মাহি বলে, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলমান। আমার মধ্যে এই দুই বৈশিষ্ট্য আছ। তবে এর মানে এই নয়, আমি সমাজকে আঘাতকারী সন্ত্রাসী।’
যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ থেকে ৮০ লাখ মুসলমান বাস করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ আমেরিকানই ইসলাম এবং মুসলমান সম্পর্কে বলতে গেলে কিছুই জানে না। তাদের এই অজ্ঞতা দূর করতে এগিয়ে এসেছে ছোট্ট মাহি।
(অনইসলাম থেকে)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা হোয়াইট হাউজে মুসলিমদের সম্মানে এক ইফতার পার্টিতে বলেছেন, যে কোনো ধর্মীয় বা আদিবাসী গোষ্ঠীকে টার্গেট করার বিরুদ্ধে আমেরিকানরা ঐক্যবদ্ধ। সোমবার তিনি মুসলিমদের সম্মানে হোয়াইট হাউজে এক ইফতার ডিনারের আয়োজন করেন। এতে কূটনীতিক, কংগ্রেস সদস্যসহ ৪০ জন অংশ নেন।
এ সময় ভাষণে ওবামা বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে আমাদের ধর্মবিশ্বাস যাই হোক না কেন আমরা সবাই একই পরিবার।’
এ সময় ওবামা কয়েকজন তরুণ মুসলিমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে সামান্থা ওলাউফ নামের এক তরুণীর যিনি হিজাব পরার অধিকার রক্ষার জন্য সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করেছিলেন। ২০০৮ সালে ১৭ বছর বয়সে ওকলাহোমার একটি দোকানে হিজাব পরে চাকুরির সাক্ষাৎকার দেয়ায় তাকে চাকুরি দেয়া হয়নি।
ওবামা বলেন, ‘তিনি হিজাব পরার অধিবার রক্ষায় ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ- তিনি চেয়েছিলেন অন্য সবার মত সমান সুযোগ।’ ‘তিনি সুপ্রিম কোর্টের পথে পা বাড়িয়েছিলেন, যেটা তার বয়সে থাকলে আমি করতাম না, এবং তিনি বিজয়ী হয়েছেন, ’ বলেন ওবামা। সূত্র : এপি
বিজিবির নায়েক আব্দুর রাজ্জাক মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) কর্তৃক অপহৃত হয়ে সেখান বন্দী রয়েছেন এ দিকে বাবা দিবসে তার শিশু পুত্র জম্ম গ্রহন করে। তাই বাবার মুক্তির জন্য ছেলের নাম রাখা হয়েছে মুক্তি রানা। এমনই জানালেন নায়েক আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা খাতুন লিলি। সরেজমিন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার কলম ইউনিয়নের বলিয়াবাড়ি গ্রামে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় রাজ্জাকের মা বুলবুলি ছেলের শোকে শয্যাশায়ী হয়েছেন। বাবা তোফাজ্জল হোসেন ছেলের শোকে কখন কী বলছেন তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না। বোন তসলিমা খাতুন ভাইয়ে অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। রাজ্জাকের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে রাকিবুল ইসলাম ও চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে ফারিয়া জাহান রিতু বাবার জন্য এখনও কাঁদছে।
পরে রাজ্জাকের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তার স্ত্রী আসমা বেগম রোববার ছেলে সন্তানের জন্ম দিলেও পরিবারের মধ্যে নেই কোনো আনন্দ। খুশি ও আনন্দের ব্যাপার হলেও আসমা বেগম লিলি বড়ই বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন। মিয়ানমারের বন্দীশালায় নবজাতকের বাবা রাজ্জাকও জানতে পারেননি এই খুশির কথা।
আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা বেগম জানান, তাদের ছেলে সন্তান হবে তা তারা জানতেন। কিন্তু সে বাবা হয়েছে সে কথা তাকে জানাতে পারিনি। তাই তার বাবার জন্য আমাদের ছেলের নাম রেখেছি মুক্তি রানা।
রাজ্জাক আপহৃত হওয়ার পর সোমবার সকালে রাজ্জাকের গ্রামের বাড়ি সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন রাজ্জাকের বাবা-মা, স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান।
আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্যদের দাবি আব্দুর রাজ্জাককে সুস্থ অবস্থায় তাদের মাঝে দ্রুত ফিরিয়ে দেয়া হোক।
নাম নাজনীন আক্তার হ্যাপি যদিও, তিনি ঢালিউড মনোযোগ দিতে চান বলে জানান । কোন প্রলোভনে তিনি বলছেন যে তিনি আর বিয়ে করবেন না । এখন আমি বলছি আপনি তা রেকর্ড করে রাখতে পারেন । একটি স্থানীয় বাংলাদেশী চ্যানেলে ভারত বনাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় ওয়ানডে সময় একটি সাক্ষাত্কারে, গাজী টিভির হ্যাপি আমি এই এবং এখন বলার অপেক্ষা রাখে না আগে, আমি বিয়ে করব না বলেন “, বলেন. আপনি আমার কথা রেকর্ড করতে পারেন ”
“আমি ভুল করেছি। আর করতে চাই এখন জীবনকে শুধু এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করঠছ। এবং যাচ্ছে, তাই আমি না হয়, “তিনি এটা তিনি না এ সব, ভাল নয় বলার অপেক্ষা রাখে না একটি হাসা টুকরা কিন্তু তার পরিষ্কার মুখ অন্য গল্প বলার অপেক্ষা রাখে না ছিল বলেও.
তিনি শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড থেকে ম্যাচ পর্যবেক্ষক ছিল ক্রমবর্ধমান ঢালিউড তারকা একটি হলুদ পোশাক চমত্কার খুঁজছেন ছিল.
তিনি সাক্ষাৎকার সময় অস্পষ্ট লাগছিল কিন্তু ক্যামেরা জন্য অঙ্গবিন্যাস, selfies গ্রহণ, তার বন্ধুর সঙ্গে কিছু মানের বার পড়া ছিল; শুভ অবশেষে কিছু সুখ পাওয়া যায় এটা ভালো লাগছিল.
“এই আমি এখানে দ্বিতীয় সময়. আমি সবসময় আমাদের খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স দ্বারা আবিষ্ট করছি, “সে একটি টাইগার্স ‘ফ্যান হিসাবে বলেন.
এর আগে, শুভ তিনি অভিনন্দন মুস্তাফিজুর বলেন, “তার ফেসবুক একাউন্টের মাধ্যমে মোস্তাফিজুর প্রশংসা করেন. আত্মপ্রকাশের আপনার অত্যাশ্চর্য পারফরম্যান্সের জন্য ধন্যবাদ অনেক. হতে পারে আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি দেরী একটি বিট আছি কিন্তু এখানে এটা যায়. ”
গত বছরের 13 ডিসেম্বর জাতীয় ক্রিকেটার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন যারা অভিনেত্রী হ্যাপি, বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি বিবাহ বহির্ভূত ব্যাপার মধ্যে তার luring এর রুবেল অভিযুক্ত.
পরে একটি দীর্ঘ নাটকীয়তার পর হ্যাপি আদালতে কোন আপত্তি আবেদনটি দায়ের করেন এবং রুবেল বিনামূল্যে ঘোষণা করা হয়.
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ২০১৪ সালে গাজা যুদ্ধে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন গেরিলা দল হামাস উভয় পক্ষই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন করেছে, যা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
এক বছর ধরে তদন্তের পর জাতিসংঘের তদন্ত কর্মকর্তারা সোমবার এক প্রতিবেদনে একথা বলেছেন।
গাজা যুদ্ধে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন উভয়েরই মারাত্মকভাবে আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ আছে বলেও জানিয়েছেন তারা। যদিও দু’পক্ষই আইন ভঙ্গ না করার দাবি করেছে। ইসরায়েল এ তদন্ত প্রতিবেদন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং নৈতিকদিক থেকে ত্রুটিপূর্ণ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ওদিকে, হামাসও বলেছে, এ প্রতিবেদনে ভুলভাবে হামলাকারী এবং হামলা শিকার দুই পক্ষকেই এক কাতারে ফেলা হয়েছে। ২০১৪ সালের জুলাই থেকে অগাস্টের মধ্যে ৫০ দিন গাজায় ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধ হয়েছে। পরে যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে লড়াই শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা গাজা উপত্যকায় হামলার কারণ ব্যাখ্যা করতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই হামলায় ফিলিস্তিনের ১,৪৬২ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারায়। ধ্বংস হয় কয়েক হাজার ঘরবাড়ি।
আমেরিকার মেরি ম্যাকগোয়ান ডেভিসের নেতৃত্বে একদল স্বাধীন তদন্তকারী এই তদন্ত করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে কর্মকর্তারা আরো বলেন, হামাস গেরিলারা ইসরায়েলের সঙ্গে ‘সহযোগিতার’ অভিযোগে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিন নাগরিককে হত্যা করে। এর কঠোর সমালোচনা করে তদন্ত কর্মকর্তারা এ ধরনের ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধের সামিল বলে বর্ণনা করেন।
জুন-জুলাইয়ে ৫০ দিন ধরে যুদ্ধ চলার পর অগাস্টে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধে ২১শ’র বেশি ফিলিস্তিন প্রাণ হারায়। ইসরায়েল জানায়, যুদ্ধে তাদের ৬৭ জন সেনা ও ছয় জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। যুদ্ধে ইসরায়েল হামাস নিয়ন্ত্রিত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিমান হামলা ও গোলা বর্ষণ করে। হামাসও ইসরায়েলে রকেট ও মটার হামলা চালায়।
ডেস্ক রিপোর্ট : সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কতা ও নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্কতা দিয়ে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভারতের ঊড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় রোববার (২১ জুন) অবস্থানরত স্থলনিম্নচাপটি বর্তমানে একই এলাকায় সুষ্পষ্ট লঘুচাপে অবস্থান নেওয়ায় সোমবার (২২ জুন) রাতে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পক্ষ থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত সতর্কবার্তায় বলা হয়, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে দেশের নদীবন্দরগুলোকেও দুই (২) নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় উত্তর সঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাধবানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, রাতে যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল পর্যন্ত এ সতর্কতা মেনে চলতে বলা হয়েছে।
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের লালমনিরহাট-সান্তাহার সেকশনে চলাচলকারী গুরুত্বপূর্ণ চারটি যাত্রীবাহী মেইল ও লোকাল ট্রেন হঠাৎ করেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে ওই রুটে চলাচলকারী উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলার হাজারো যাত্রী পড়েছে চরম দুর্ভোগে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ গত ১৩ জুন থেকে ১৯নং মেইল ও ২০নং ডাউন ট্রেন দু’টি এবং ১৬ জুন থেকে ৭নং মেইল ও ৮নং ডাউন ট্রেন দু’টি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এদিকে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়লেও কবে নাগাদ ট্রেনগুলো চালু হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেনা কর্তৃপক্ষ। লালমনিরহাট রেলস্টেশন মাস্টার বেলাল হোসেন জানান, ট্রেনের চালক ও জনবল সঙ্কট থাকায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ট্রেন দু’টির চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অপরদিকে, লালমনিরহাট রেলওয়ে লোকো সেকশন সূত্রে জানা যায়, এ সেকশনে চালক সহকারী চালকসহ অন্যান্য সৃষ্ট পদের সংখ্যা ৬৪ জন। তার মধ্যে চালকেরই (এলএম) এর পদ ১৮ জন। কিন্তু ১৪ জন চালকের পদ এখন শূন্য। কমর্রত রয়েছেন মাত্র ৪ জন। পদগুলো অবিলম্বে পূরণ করা না হলে ট্রেন চলাচল ব্যবস্থা আরও বিপন্ন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের লালমনিরহাট-সান্তাহার সেকশনে চলাচলকারী অতিগুরুত্বপূর্ণ চারটি মেইল লোকাল ট্রেন যার নং ২০ নিম্নগামী, ১৯ ঊর্ধ্বগামী, ৭নং ঊর্ধ্বগামী এবং ৮নং নিম্নগামী যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো লালমনিরহাট-সান্তাহার স্টেশনের মধ্যে চলাচল করছিল। ট্রেনগুলোর মধ্যে যাত্রীবাহী ২০নং লোকাল ট্রেনটি লালমনিরহাট থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় সান্তাহার অভিমুখে ছেড়ে আসতো এবং ১৯নং মেইল ট্রেনটি সান্তাহার স্টেশন থেকে লালমনিরহাট অভিমুখে ছেড়ে আসতো বিকেল ৪টায়।
এছাড়া ৭নং মেইল ট্রেনটি সান্তাহার স্টেশন থেকে পঞ্চগড় অভিমুখে ছেড়ে আসতো সকাল সাড়ে ৯টায় এবং ৮নং ডাউন ট্রেনটি পঞ্চগড় স্টেশন থেকে সান্তাহার অভিমুখে ছেড়ে আসতো সন্ধা সাড়ে ৮টায়। ওই দুই জোড়া মেইল ও লোকাল ট্রেনে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের পঞ্চগড়, নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, বগুড়া ও নাটোর জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার লাখ লাখ শ্রমিক মেহনতি ও সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন এক স্টেশন থেকে অপর স্টেশনে নিরাপদে যাতায়াত ও মালামাল পরিবহন করত। শুধু তাই নয়, স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন জেলার অফিস আদালতে এবং ব্যবসা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে যাতায়াতের সুবিধা ও নিরাপদ মাধ্যম ছিল ট্রেনগুলো। কিন্তু ট্রেন ৪টি হঠা বন্ধ করে দেয়ায় চরম বেকায়দায় পড়েছে যাত্রীরা। এ ব্যাপারে লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগীয় ম্যানেজার নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘চালক সঙ্কট থাকায় আপাতত ট্রেনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।’ তবে কবে নাগাত আবার চালু হবে তার কোনো উত্তর দিতে পারেন নি এই কর্মকর্তা।
চাঁদপুর প্রতিনিধি : মেয়ে ফাতেমা ও শিশু নাতি ফুয়াদকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন একজন বাবা আব্দুল গফুর। দুই ছেলে তিন মেয়ের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সন্তান ও আদরের ধন ফাতেমার করুণ মৃত্যু তিনি মানতে পারছেন না।
রোবাবার রাতভর ফরিদগঞ্জ থানা কমপাউন্ডে তার আর্তচিৎকারে কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিল না। মেয়ে ও নাতির নিথর দেহ পোস্টমর্টেমের জন্য চাঁদপুরে পাঠানোর জন্য সকালে থানায় এসে আবারো কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা গফুর। অবুঝ মনকে শান্তনা দিতে পারছে না কিছুতেই। কান্না জড়িত কণ্ঠেই ফাতেমার বাবা বলেন, ‘তার জামাই রাসেল তার মা ও বোন মিলে আমার মেয়ে ফাতেমা ও নাতি ফুয়াদকে ঘরের ভেতরে পুড়িয়ে হত্যা করে। পরে লাশ ঘরের পাশের পুকুরে ফেলে দেয়। আব্দুল গফুর অভিযোগ করে বলেন, শুধু যৌতুকের দাবিই নয়, তারা ষড়যন্ত্র করেই তার মেয়েকে বাপের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে মেরে ফেলেছে। একথা বলতে গিয়ে আবারো মা মা বলে চিৎকার দিতে থাকেন। পরে জানান, সকালে ওই এলাকার আমিন পাটওয়ারীর কাছ থেকে খবর পেয়ে আদশা গ্রামে গিয়ে একপর্যায়ে ঘরের ভেতরে পোড়ার দৃশ্য চোখে পড়ে। এরপর মেয়ে ও নাতির খোঁজ করলে রাসেল ও রাসেলের মাসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।
এদিকে, মা ছেলে হত্যার ঘটনায় ফাতেমার ভাই মনির হোসেন বাদী হয়ে রাসেলকে প্রধান আসামি করে অন্য আরো নয়জনের বিরুদ্ধে যৌতুকের কারণে নির্যাতন ও পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা করা হয়। রোববার রাতে এ হত্যা মামলাটি করা হয়েছে ফরিদগঞ্জ থানায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, ইতোমধ্যে আসামিদের আটক করতে রোববার রাতে ও সোমবার দুই দফায় অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
স্পোর্টস ডেস্ক : যদি বিদেশি ফুটবলার দেশি ফুটবলারদের থেকে ভালো খেলে তবে এ সুযোগটি আমাদের নেয়া উচিত। ঠিক এ ধরণের বিষয়কে সামনে রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তাদের মতে বিশ্বের অনেক দেশই সুযোগটি নিচ্ছে তবে বাংলাদেশ কেন নয়? সত্যি তাই, মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে জার্মানি, ফ্রান্সের মতো পরাশক্তিগুলো বিদেশি ফুটবলারদের নাগরিকত্ব দিয়ে ঠাঁই দিয়েছে জাতীয় দলে। আর বিদেশি ফুটবলারদের এতটুকু বাড়তি সুবিধা দিয়ে ফলাফলও খারাপ নয় দলগুলোর। এবার সেই পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। সামাদ ইউসুফ, ইসমাইল বাঙ্গুরা আর কিংসলে চিগোজিকে হয়তো অচিরেই দেখা যাবে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে। বাফুফে সভাপতি কাজী মো: সালাউদ্দিন ও প্রধান কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফও তৈরি চ্যালেঞ্জটা নিতে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক মনে করছেন জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলাররাও। বাফুফের এই উদ্যোগে কোনো সমস্যা দেখতে পাচ্ছেন না সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক বড় দলে এভাবে নাগরিকত্ব দিয়ে খেলানো হয়। বাফুফে যদি বাংলাদেশের পারফরমেন্স ও খেলার উন্নয়নে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে তবে সত্যি তা ভালো হবে। এর ফলে তেমন কোন সমস্যা আমি দেখছি না। এরফলে দেশের ফুটবলে প্রতিযোগিতা আরো বাড়বে।’ সাবেক গোলরক্ষক বিজন বড়ুয়া বলেন, ‘জাতীয় দলে ভাল মানের কোনো ফরোয়ার্ড ও ডিফেন্ডার নেই। এর অভাব খুব শিগগিরি পূরণ হবারও কোন পথ নেই। তাই আপাতত এই পজিশনে শক্তি বাড়াতে কোন সমস্যা নেই।’
আরেক দেশসেরা গোলরক্ষক মো: মহসিনের মতে, ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে বাফুফে। এ ধরণের পদক্ষেপ আগে নেয়া উচিত ছিল। দেরীতে হলেও বাফুফে শুরু করতে যাচ্ছে এটাই বড় বিষয়।’
সাবেকদের সাথে গলা মিলিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলামও। তিনি বলেন, ‘দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় দলে বিদেশি ফুটবলার খেলানো অবশ্যই ইতিবাচক। এতে দেশের ফুটবলারদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাবে বহুগুন।’ ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়ে প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিয়েছে বাফুফে কর্তৃপক্ষ। তারা চাচ্ছে বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের বাছাইপর্বে অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগেই লাল-সবুজের জার্সি গায়ে এই ফুটবলারদেরকে দলে পেতে। এখন দেখার বিষয় বাফুফের এই উদ্যোগ দলীয় সাফল্যে ও দেশের ফুটবলের উন্নয়নে কতটা আলোর মুখ দেখে।