May 8, 2026
বিশেষ প্রিতিনিধি : ঢাকা ওয়াসাতে পদের দ্বিগুণ তত্ত¡াবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলী পদধারী রয়েছে। সংস্থাটির সাংগঠনিক অবকাঠামোতে তত্ত¡াবধায় ও নির্বাহী প্রকৌশলীর পদ রয়েছে ৪৮টি। কিন্তু ওসব পদে দায়িত্ব পালন করছেন ৯২ জন কর্মকর্তা। এসব উচ্চপদে অতিরিক্ত ৫৪ জন পদধারীর জন্য ওয়াসাকে প্রতি বছর অন্তত ৫ কোটি টাকা বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। তাছাড়া ওসব কর্মকর্তাদের প্রক্যেককেই সার্বক্ষণিক গাড়ি, জ্বালানি, চালক, বিশেষ ভাতা, মোবাইল ফোন বিলসহ নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এমনকি ওসব কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক গাড়ি না থাকায় ভাড়া করে তাদেরকে গাড়ি সরবরাহ করতে হচ্ছে। আর এ অবস্থা চলছে বছরের পর বছর ধরে। তাছাড়া অর্গানোগ্রামে নেই এমন পদেও লোক বসানো হয়েছে। ওয়াসা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ওয়াসার ৩৮ জন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীকে উচ্চতর পদ নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পদাধিকার বলে একজন নির্বাহী প্রকৌশলী সার্বক্ষণিক গাড়ি, গাড়ির চালক, প্রয়োজনীয় জ্বালানি, ২ হাজার টাকা মোবাইল বিল ও বেতনের বাইরে দেড় হাজার টাকা বিশেষ ভাতা পেয়ে থাকেন। বর্তমানে নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পাওয়া উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীরা এসব সুবিধা পাচ্ছেন। তবে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীদের এই উচ্চতর দায়িত্ব না দেয়া হলে ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে এই বাড়তি অথচ খরচের প্রয়োজন হতো না। একইভাবে অতিরিক্ত ১৬ তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলীকেও উচ্চতর পদে বসিয়ে নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ঢাকা ওয়াসার বর্তমান অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী অনেক পদেই প্রয়োজনীয় জনবল নেই। সংস্থাটিতে সহকারী প্রকৌশলী পদে ৮২ জন কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও তা নেই। একই অবস্থা উপসহকারী প্রকৌলশীর পদের ক্ষেত্রেও। অথচ যেসব পদে উৎকোচের সুবিধা আছে সেসব পদেই অতিরিক্ত লোকজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ওয়াসার অর্গানোগ্রামে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপদেষ্টা বলে কোনো পদ নেই। অথচ ঢাকা ওয়াসারই সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বজলুর র হমানকে এই পদে নিয়োগ দিয়ে প্রতি মাসে লাখ টাকা বেতন, সার্বক্ষণিক গাড়ি, চালক ও জ্বালানিসহ নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। সর্ম্পূণ অনৈতিকভাবে এমন নিয়োগের কারণে প্রতি মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকা গচ্ছা দিচ্ছে ওয়াসা। তাছাড়া ঢাকা ওয়াসার বর্তমান অর্গানোগ্রামে একটি ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ রয়েছে। আর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ রয়েছে ৪টি, ১০টি তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী, ৩৮টি নির্বাহী প্রকৌশলীর পদ রয়েছে। প্রথম ৪টি পদে জনবলের সংখ্যা ঠিক থাকলেও তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী পদে অতিরিক্ত ১৬ জন ও নির্বাহী প্রকৌশলী পদে অতিরিক্ত ৩৮ জন দায়িত্ব পালন করছে।
সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার নিজস্ব গাড়ির সংখ্যা ২০৯টি। এসব গাড়ি দিয়ে বিদ্যমান অর্গানোগ্রামের গাড়ির চাহিদাই পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য আগে থেকেই কিছু কর্মকর্তাকে ভাড়া করে গাড়ি সরবরাহ করা হতো। কয়েক বছর ধরে উচ্চতর পদে কর্মকর্তার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গাড়ির সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে গাড়ির সঙ্কট মোকাবেলায় ওয়াসা বিভিন্ন রেন্ট-এ কারের প্রায় সোয়াশ’ গাড়ি ঢাকা ওয়াসার হয়ে ভাড়ায় কাজ করছে। প্রতিটি গাড়ির জন্য ওই গাড়ির মালিককে ৫৪ হাজার থেকে ৬৫ হাজার ভাড়া দিতে হচ্ছে। সে সাথে জ্বালানি খরচ তো আছেই।
এদিকে ঢাকা ওয়াসার অতিরিক্ত জনবল প্রসঙ্গে সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) আতাউর রহমান কোনো কোনো মন্তব্য করতে রাজি না হলেও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বিপণন ও ব্যবস্থাপনা) কামরুল আলম চৌধুরী জানান, ঢাকা ওয়াসার অনেক প্রকল্পই বাস্তবায়নাধীন। এসব প্রকল্পের জন্য জনবল প্রয়োজন। বিদ্যমান অর্গানোগ্রামের জনবল দিয়ে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। এজন্য কিছু লোককে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এটা অনৈতিক নয়। কারণ ঢাকা শহরের লোকসংখ্যা বেড়েছে। এতো লোকের পানির চাহিদা পূরণ করতে ওয়াসার জনবলও বাড়ানো দরকার। এজন্যই অর্গানোগ্রামের সংশোধনের সময় এসেছে। ভবিষ্যতে অর্গানোগ্রাম তৈরি করলে এসব পদে লোকসংখ্যা বাড়াতে হবে। তাছাড়া কোনো উপায় নেই।
স্টাফ রিপোর্টার : একের পর এক বিতর্কের জন্ম দেওয়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী এবার সংসদ অধিবেশনে গান গেয়েছেন। তার গান শুনে অধিবেশনে উপস্থিত বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সভাপতির আসনে বসা ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়াসহ উপস্থিত অন্যান্য সদস্যরা অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত অর্থবছরের (২০১৫-১৬) বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একটি রবীন্দ্র সঙ্গীতের কয়েকটি লাইন গেয়ে ওঠেন। সৈয়দ মহসীন আলীর গাওয়া গানটি হলো, ‘আমার সকল দুঃখের প্রদীপ জ্বেলে দিবস গেলে করবো নিবেদন/ আমার ব্যথার পূজা হয়নি সমাপন।’
গান গাওয়ার আগে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস, পেট্টোল বোমা দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যার অপরাজনীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা উন্নয়ন ও শান্তির দুয়ার খুলে দেশকে সবদিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে শেখ হাসিনার দৃঢ় পদক্ষেপ সারাবিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। তাই সারাদেশে আজ একই ¯েøøাগান উঠেছে- যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে দেশ, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
মহসীন আলী আরও বলেন, ভয়াল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় কোনোভাবেই খালেদা জিয়া এড়াতে পারবেন না। সারাদেশের মানুষ এই নৃশংস হত্যাকাÐের উপযুক্ত বিচার চায়। খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্রের সঙ্গে বেইমানি করেছেন। তার ছেলে তারেক রহমান এ দেশকে মাফিয়া রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিল। কিন্তু এ দেশের জন্য ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। কোনো অপশক্তিই বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির চাকাকে স্তব্ধ করে দিতে পারবে না।
স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি সরকারের সঙ্গে সমঝোতা, আন্তিরকতা ও বন্ধুপূর্ণ সম্পর্কের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘সরকারের সাথে সমঝোতা, আন্তিরকতার ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে টেকসই করতে চায় বিএনপি। কিন্তু সরকার বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে এই সম্পর্ক নষ্ট করতে চায়। আর এর ফলে দেশে রাজৈনতিক তিক্ততা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ‘মির্জা ফখরুলের মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা ছিল না। সরকারের সদিচ্ছার অভাবে ফখরুলের জামিন পেতে বিলম্ব হচ্ছে। মির্জা ফখরুলের ১৬ কেজি ওজন কমেছে। তিনি নানা জটিল রোগে ভুগছেন। তার সুচিকিৎসার প্রয়োজন। আমরা সরকারের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উচ্চ আদালত থেকে সব মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে জামিন বাতিলের আবেদন করেছে। এই আবেদনের শুনানি হবে ২৫ জুন। আমরা সরকারের কাছে আহŸান জানাই ফখরুলের জামিনের সব বাধা অপসারণ করে তাকে মুক্তি দিন।
তিনি আরো বলেন, ‘সরকার বিরোধী দলের উপর যে আচরণ করছে তা নজির বিহীন ও ন্যক্কারজনক। বিএনপি নেতারা কে কি কাজ করতে পারে তা সরকারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানে। কিন্তু এরপরও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে রমযান মাসে গ্রেপ্তারি পরয়োনা জারি করা হয়েছে। এই ঘটনা আমাদের কাছে দুঃখজনক।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সরকারের উপরের মহল বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের চার্জশিটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি। প্রশাসনের একটি অংশ বাণিজ্য করার জন্য চার্জশিট প্রদান করছে।
রমনা থানায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনারও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বিএনপির এ মুখপাত্র।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহীন প্র্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্টাফ রিপোর্টার : কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতার করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার (২৩ জুন, ০৬ রমজান) রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিল আয়োজন করেন বিএনপি প্রধান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সেনা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর নাসির উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, রিয়াজ রহমান, বিএনপির বর্তমান মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, গিয়াস কাদের চৌধুরী, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
এর আগে সোমবার (২২ জুন) বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবীদের সম্মানে এবং রমজানের প্রথম দিন (১৯ জুন) এতিম শিশু ও ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে ইফতার করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
ডেস্ক রিপোর্ট : ক্যান্সার গবেষণায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেলেন নিউ ইয়র্কের ওয়েইল কর্নেল মেডিক্যাল কলেজের বিজ্ঞানী স্কট লো। সামান্য জিনগত পরিবর্তনের সাহায্যে মাত্র অল্প কিছু দিনের মধ্যে এই মারণরোগ নির্মূল করার অব্যর্থ দিশা খুঁজে পেয়েছেন বলে তাঁর দাবি।
সম্প্রতি ‘সেল’ পত্রিকায় প্রকাশিত গবেষণাপত্র থেকে জানা গিয়েছে, টিউমার বেড়ে ওঠা ঠেকানোর জিনকে উন্নত করে তার সাহায্যে টিউমার সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করার পদ্ধতি আবিষ্কার করা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এর জেরে ভবিষ্যতে ক্যান্সারের কার্যকরী চিকিৎসা উদ্ভাবন করাও সম্ভব হবে।
প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ওষুধে বেশির ভাগ ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলিকে মেরে ফেলা হয়। তাতে কাজ দিলেও অনেক সময় কয়েক সপ্তাহ পরে ফের শরীরের ওই অংশে টিউমার জন্মাতে পারে। এছাড়া, ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও হয় চরম কষ্টকর।
অধ্যাপক স্কট লো ও তাঁর দল Adenomatous Polyposis Coli (Apc) নামে একটি জিনের বিবর্তন ঘটিয়ে তার সাহায্যে কোলোরেক্টাল টিউমার ৯০ শতাংশ নির্মূল করতে সফল হয়েছেন। আপাতত ইঁদুরের উপর এই পদ্ধতি প্রয়োগে সুফল মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। গবেষকদের দাবি, Apc-এর মাত্রা বাড়িয়ে মাত্র ৪ দিনের মধ্যে ইঁদুরের শরীর থেকে টিউমার নিশ্চিহ্ন করে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্য ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া গিয়েছে।
তাঁরা জানিয়েছেন, দুই সপ্তাহের মধ্যে মুষিকের অন্ত্র থেকে সমস্ত টিউমার বাদ দেওয়া গিয়েছে এবং ৬ মাস পরেও ক্যান্সার প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দেয়নি। এই পদ্ধতি আরও উন্নত করে এবার মানবদেহের ক্যান্সার চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটাতে চান গবেষকরা।
তবে মানুষের শরীরে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ দূর করতে এই পদ্ধতি প্রয়োগে একটি দুর্ভেদ্য প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। ইঁদুরের মতো মানবকোষের চরিত্রে জিনগত পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব নয়। এই কারণে ওষুধের সাহায্যে এবং অন্যান্য উপায়ে Apc-র পুনঃপ্রয়োগ ঘটাতে সচেষ্ট হয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অতি সক্রিয় Wnt pathway-কে নিয়ন্ত্রণ করে অন্ত্রের দূষণ ঠেকানোর উপায় খুঁজতে চলেছে আরও গবেষণা।
বিশ্বে প্রতি বছর অন্তত ৭ লাখ মানুষ মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। নব চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে ভবিষ্যতে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা যাবে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। সেই সঙ্গে অন্যান্য ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও তা কার্যকরী হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পোশাকগুলোতে বিয়ের পোশাকের সব বৈশিষ্টই ছিল- লম্বা ঝুল, পুরো লেয়ারের স্কার্ট, পুষ্পশোভিত সুঁচকর্ম, কুঁচি ও ঝিলিমিলি কাঁচলি সবই ছিল। পোশাকগুলোকে দেখে সিল্ক ও জরিন ফিতায় ডিজাইনারদের তৈরি পোশাকের মতোই মনে হবে। কিন্তু সেগুলো তা নয় বরং সবগুলো পোশাকই টয়লেট পেপারে তৈরি করা হয়েছে!
বুধবার নিউ ইয়র্কের চিপ চিক ওয়েডিংস টয়লেট পেপার ওয়েডিং ড্রেস কনটেস্টে পোশাকগুলো প্রদর্শিত হয়। প্রতিযোগীতার বিজয়ীর জন্য ১০ হাজার ডলার মূল্যমানের পুরস্কার রাখা হয়।
প্রতিযোগিতাটির সহ-আয়োজক লরা গওনে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘প্রতিযোগীতার মূল শর্ত ছিল, প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারীদেরকে তাদের পোশাকগুলো চারমিন নামের টয়লেট পেপার দিয়ে তৈরি করতে হবে। এছাড়া যে কোনো ধরনের টেপ, আঠা এবং সুই-সুতোও ব্যবহার করা যাবে।’
ব্যাইন ও গওনে নামের দুই বোন তাদের বিয়ে বিষয়ক সাইটের প্রচারণা চালানোর জন্য ওই প্রতিযোগীতার আয়োজন করেন। টয়লেট পেপার ব্র্যান্ড চারমিনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রতিযোগীতাটির ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রতি।
এ বছর ক্লেইনফিল্ড নামের একটি বিয়ের পোশাক বিক্রয়কারী দোকানে প্রতিযোগীতাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের প্রতিযোগীতার বিজয়ী ছিলেন, ডোনা পোপ ভিঙ্কলার। ডোনা ডিনার পার্টি ড্রেসের স্টাইলে একটি পোশাক তৈরি করেন। এতে একটি অপসারণযোগ্য জ্যাকেট, টপ হ্যাট ও বো টাই ছিল। ২২টি টিস্যু পেপার রোল অসংখ্য টেপ ও আঠা ব্যবহার করে তিন মাস সময় ব্যায়ে পোশাকটি তৈরি করেন ডোনা।
ডোনা বলেন, ‘আঠা আর টিস্যু পেপার মিলে এতোটা শক্ত হতে পারে আগে বিশ্বাসই করতে পারিনি। পোশাকটি তৈরির পর আমি সেটিতে ড্রামের মতো আঘাত করতে থাকি। পোশাকটি খুবই শক্ত হয়েছে। পোশাকটিতে কয়টি লেয়ার আছে তাও আমি জানি না। যতক্ষণ না নিশ্চিত হচ্ছিলাম টিস্যু পেপারগুলো একসঙ্গে থাকবে ততক্ষণ আমি শুধু তা বানিয়েই যাচ্ছিলাম।
ডেস্ক রিপোর্ট : শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে বিয়ের বয়স না কমানোর পক্ষেই সিদ্ধান্ত নিলো সরকার। মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ জানিয়েছেন, বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছরই থাকছে। এই আইনে কোন পরিবর্তন করা হচ্ছে না।
এর আগে সরকার এটি কমিয়ে ১৬ বছর করার চিন্তাভাবনা করছে- এমন খবরে নারী অধিকার কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, এর ফলে বাল্য বিয়েকেই উৎসাহ যোগানো হবে।
তবে সরকারের মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ বিবিসি বাংলাকে বলেন, এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। বিয়ের বয়স ১৮ বছর থেকে কমানো হচ্ছে না।
বাংলাদেশে দারিদ্র, নিরাপত্তার অভাব এবং ধর্মীয় রক্ষণশীলতার কারণেই বাল্য বিয়ের হার বেশি বলে ধারণা করা হয়। ১৮ বছরের আগে বিয়ে আইনত নিষিদ্ধ হলেও বাংলাদেশে ৬৪ শতাংশ মেয়েরই এর আগে বিয়ে হয়ে যায়।
সরকার অবশ্য দাবি করছে, এই হার দ্রুত কমে আসছে।
মেহের আফরোজ জানিয়েছেন, বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর বহাল থাকলেও এই আইনে একটি ধারা যুক্ত করার কথা তারা ভাবছেন। এর উদ্দেশ্য ১৮ বছর হওয়ার আগেই বাংলাদেশের সমাজে একটি মেয়েকে নিরাপত্তাহীনতা থেকে শুরু করে আরও যেসব সমস্যার মুখে পড়তে হয় সেসবের মোকাবেলা।
তিনি বলেন, উন্নত অনেক দেশে বিয়ের বয়স ১৮ বছর হলেও সেখানে সেই বয়সে পৌঁছানোর আগেই অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ থেকে শুরু করে আরও অনেক সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাদের।
তবে বাংলাদেশ সরকারও এ ধরণের সমস্যার কথা মাথায় রেখে বিয়ের বয়স কমানোর কথা ভাবছিল কিনা- সে প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান।সূত্র:বিবিসি বাংলা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের শহরতলী এলাকায় শুক্রবার প্রায় সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষ চার ঘন্টা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছিল। রাস্তার পাশে থাকা বিদ্যুৎ সরবরাহ খুঁটিতে এক মহিলার গাড়ির আঘাতে ওই বিপর্যয় নেমে আসে। গাড়ি চালানোর সময় ওই মহিলার গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। এছাড়া ওই মহিলা সেসময় মাতাল ছিলেন বলেও ধারণা পুলিশের।
সিয়াটলের কিং কাউন্টি শেরিফ দপ্তরের মুখপাত্র গোয়েন্দা কর্মকর্তা জেসন হাউক বলেন, রবিবার রাত ১ টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি শোরলাইনের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়িটিকে বিধ্বস্ত অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে ওই মহিলাকে সহযোগীতার জন্য এগিয়ে যান। এসময় তিনি গাড়িটির নিচেও কয়েকটি জীবন্ত বিদ্যুৎ তার পড়ে থাকতে দেখেন। নগ্ন হয়ে ড্রাইভিংয়ে নারী, শহরে বিদ্যুৎ বিপর্যয়! এরপর তিনি দমকলকর্মী ও বিদ্যুৎ বিভাগের লোকদের খবর দিলে তারা এসে তারগুলো কেটে ২৪ বছর বয়সী ওই মহিলাকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় ওই মহিলা আধা বেহুঁশ ছিলেন। এসময় তার পরনে কোনো পোশাকও ছিল না। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তাররা ওই মহিলার রক্ত পরীক্ষা করছেন- তিনি গাড়ি চালানোর সময় মদ খেয়ে মাতাল ছিলেন কি না অথবা অন্য কোনো ড্রাগ সেবন করার ফলে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ছিলেন কিনা। রক্ত পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট : আমেরিকায় নারী সাংবাদিকতায় বিশেষ কৃতিত্ব প্রদর্শনের জন্যে ‘গ্র্যাসিজ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাসমিন মাহফুজ। আমেরিকায় নারী সাংবাদিকতায় এটি হচ্ছে শীর্ষস্থানীয় একটি অ্যাওয়ার্ড। সোমবার নিউইয়র্ক সিটির হিল্টন হোটেলে ‘এলায়েন্স ফর উইমেন ইন মিডিয়া’র উদ্যোগে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে এ অ্যাওয়ার্ড হস্তান্তর করা হয়।
এবিসি ফোর ইউটাহ’র ব্যুরো চিফ হিসেবে তাসমিন মাহফুজকে বিপুল করতালির মধ্যে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন প্রখ্যাত টিভি সাংবাদিক ও প্রযোজক ট্যামরোন হল। খবর এনআরবি নিউজের।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সাল থেকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনে আমেরিকার সেরা নারী সাংবাদিকদের জন্যে। চট্টগ্রামের সন্তান আবুল ওয়াহিদ মাহফুজ ৩২ বছরের অধিক সময় যাবত ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পামবিচে সপরিবারে বসবাস করছেন। তারই একমাত্র কন্যা তাসমিন মাহফুজ। তাসমিন জর্জিয়ার এমরয় ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে। এরপর মাস্টার্স করেছেন লিগেল স্টাডিজে। এবিসি চ্যানেল ফোর-এ যোগদানের আগে তিনি একটি ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্কের টিভি রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন।
অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি ব্যক্তকালে তাসমিন বলেন, মূলধারার মিডিয়ায় নিজেকে বাংলাদেশিদের প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড় করাতে পেরে যারপর নাই আনন্দ ও গৌরববোধ করছি। সে গৌরব আজ আরও মহিমান্বিত হলো ‘এলায়েন্স ফর উইমেন ইন মিডিয়া’র এ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণের মধ্য দিয়ে। এটি অত্যন্ত সম্মানজনক এবং পেশাগতভাবে মর্যাদার এ অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমি মূলত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমি মা-বাবার সংস্কৃতির মধ্যে রয়েছি। কম্যুনিটির সব অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। মিডিয়ার প্রতি আমার আকর্ষণ বেড়েছে মা-বাবার উৎসাহে।
দক্ষিণ এশিয়ার কোনো নারী সাংবাদিক এ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে কিনা জানতে চাইলে তাসমিন বলেন, আমি যতদূর জানি, আর কেউ পাননি। শুধু তাই নয়, মার্কিন মূলধারার টিভি সাংবাদিকতায় গুটিকতক নারী রয়েছেন, যারা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। তবে আমিই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী যিনি এমন মর্যাদাকর অ্যাওয়ার্ড পেলাম।
পরম করুণাময়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাসমিন বলেন, আমি মার্কিন ধারায় বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করতে বদ্ধ পরিকর এবং সেটিই আমার বড় কামনা। কারণ, আমি দ্বিতীয় জেনারেশনের বাংলাদেশি হিসেবে আমার চেয়ে কম বয়সীদের পথ সুগম করতে চাই। আমি যদি ভালো করতে পারি তাহলে অন্যেরাও উৎসাহ পাবে। মূলধারার মিডিয়ায় বাংলাদেশি প্রজন্ম সম্পর্কে উজ্জ্বল একটি ধারণা তৈরি করতে চাই।
অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন তাসমিনের মা নাজমুন মাহফুজ। তিনি বলেন, আমি অনেক খুশি। অনেক ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে সে এ অ্যাওয়ার্ড পেলো। আমি চাই সে যেন আরো বহুদূর এগুতে পারে।
একইসঙ্গে মার্কিন সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের আরও কয়েকটি ক্যাটাগরিতে সেরা নারী সাংবাদিকদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় উৎসবমুখর পরিবেশে।
প্রযুক্তি ডেস্ক : এক নয়া জ্বালায় ভুগতে হচ্ছে ফেসবুক ইউজারদের। এমন এক ম্যালওয়্যারের আবির্ভাব হয়েছে, যার জেরে নির্ভেজাল একটা ক্লিক লজ্জায় সকলের সামনে আপনার মাথা হেঁট করে দিতে পারে। অনেকের সঙ্গেই এটা হয়ে গিয়েছে। এর টার্গেট বিশেষত পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির ফেসবুক ইউজাররা। ইউজার জানেনও না অথচ, তাঁর প্রোফাইল থেকে পোস্ট হয়ে যাচ্ছে অশ্লীল ভিডিও। এমনকী, ইউজারের অজান্তেই ট্যাগ হয়ে যাচ্ছেন তাঁর প্রোফাইলের বন্ধুরা।
এখন প্রশ্ন হল, কি করে রুখবেন এই সমস্যা? প্রথমত, আপনার টাইমলাইনে একটা পোস্ট দেখতে পাবেন, এই ভিডিওটি আপনারই। যদি ক্লিক করেন, তবে একটা ফাইল ডাউনলোড করার অপশন পাবেন। সেটি করলেই বাকি কাজ ভাইরাস নিজে থেকেই করে নেবে। কি করছে এই মেলওয়্যার? ভিডিও ডাউনলোড হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাস অপনার কম্পিউটার বা মোবাইলে নিজে থেকেই ইনস্টল হয়ে যাচ্ছে। ইনস্টল হওয়ার পরেই এর প্রথম কাজ কয়েকটি পর্ন ছবি এবং ভিডিও আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করছে। এটাই শেষ নয়। আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা অন্তত ২০ জন বন্ধুকেও এটা ট্যাগ করে দিচ্ছে। এ ভাবেই ম্যালওয়্যারটি ছড়িয়ে যাচ্ছে। কারণ, আপনার নাম দেখে তাঁরাও এই ফাইল খুলছেন এবং ভাইরাস তাঁদের মোবাইল বা কম্পিউটারে ঢুকে পড়ছে। এ ধরনের ম্যালওয়্যার অট্যাক ভারতে প্রথম নয়।
তাই সতর্ক থাকতে কোনও ভাবেই কোনও পর্ন লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। সে যতই আপনার চেনা বন্ধু শেয়ার করুন না কেন। যদি এমন কিছু চোখে পড়ে সেই বন্ধুকে জানিয়ে দিন, যাতে তিনিও সাবধান হয়ে যান। এমন কোনও ভিডিয়ো লিঙ্কে ক্লিক করবেন না যেটা ডাউনলোড করতে হয়। এমন কোনও পেজ লিঙ্কে ক্লিক করবেন না যেটা আপনার প্রয়োজন নেই। এই ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে হ্যাকারা আপনার ব্যক্তিগত অনেক তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। ফলে এটা হাল্কা ভাবে না নেওয়াই ভালো। সন্দেহজনক অ্যাপ বা ব্যক্তিকে প্রোফাইল থেকে বাদ দিতে দ্বিধা করবেন না। কনট্রোল প্যানেলে গিয়ে দেখুন এমন কোনও সফ্টওয়্যার দেখাচ্ছে কিনা যা আপনি ইনস্টল করেননি। যদি দেখায় তা হলে তা আন-ইন্সটল করুন।