পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

শিগগিরই আরো ১১ মামলা যোগ হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

TribunalBG_321408986ঢাকা: একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২৪ মামলায় ৫৩ জন আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। সেগুলোর মধ্যে ১১ মামলার তদন্ত কাজ শিগগিরই সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান। হান্নান খান বলেন, কক্সবাজার জেলার একটি, নেত্রকোনার ৩টি, ময়মনসিংহ জেলার ৩টি, মৌলভীবাজার জেলার ৩টি এবং হবিগঞ্জ জেলার ২টিসহ মোট ১১টি মামলার তদন্ত কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। আশা করি, আগামী দু’এক মাসের মধ্যেই এ মামলাগুলোর তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশন বরাবর দাখিল করতে পারবো। হান্নান খান বলেন, এ পর্যন্ত তদন্ত সংস্থায় আমরা ৬১৮টি মামলায় ৩৩৭৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্য থেকে অপরাধের গভীরতা ও অপরাধীর অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা তদন্ত করি। বিশেষ করে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণের অভিযোগ থাকলে অপরাধের ব্যপ্তি ধরে তদন্ত কাজ করা হয়। স্থানীয় রাজাকারদের মামলা তদন্তে বেশি সময় লাগে কেন জানতে চাইলে তদন্ত সংস্থার প্রধান বলেন, প্রায় ৪৫ বছর আগের ঘটনা। আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষী খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়। বিভিন্ন সরকারি কাগজপত্র, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদেরও সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। এছাড়া অনেক সময় নিরাপত্তার কারণে সাক্ষীরা এগিয়ে আসতে চান না। এসব নানা কারণে তদন্ত শেষ করতে একটু সময় লেগে যায়। তদন্ত সংস্থার কার্যক্রমের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে হান্নান খান জানান, এ পর্যন্ত তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে ৩২টি মামলার। ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষিত হয়েছে ১৯টির এবং আসামি মারা যাওয়ায় মামলা নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে একটির। বিচারাধীন আছে তিনটি মামলা, রায়ের জন্য অপেক্ষমান আছে একটি মামলা।  অভিযোগ ফেরত দেওয়া হয়েছে অন্য ৪টি মামলায়। এছাড়া তদন্তাধীন অবস্থায় আসামিদের মৃত পাওয়া গেছে ৪টি মামলায়।  তিনি জানান, তদন্ত শেষ হওয়া বাকি চার মামলার ২৮ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু হচ্ছে শিগগিরই। এর মধ্যে আলবদর বাহিনীর উদ্যোক্তা আশরাফ হোসেনসহ জামালপুর জেলার আটজন একটি, কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের দুই সহোদর নাসিরউদ্দিন-শামসুদ্দিনসহ পাঁচজন একটি, হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের দুই সহোদর মহিবুর-মুজিবুরসহ তিনজন একটি এবং যশোরের জামায়াতের সাবেক এমপি মাওলানা সাখাওয়াত হোসেনসহ ১২ জন একটি মামলার আসামি। হান্নান খান জানান, তদন্ত সংস্থায় এ মুহূর্তে তদন্তাধীন ২৪ মামলার ৫৩ আসামির মধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও গ্রেফতার করা যায়নি কয়েকজনকে। বাকিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কিছুটা অগ্রসর হলেই ট্রাইব্যুনালে গ্রেফতারের আবেদন জানানো হবে বলেও জানান তিনি।  এদিকে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গ্রেফতার হওয়ার আগে কিছু মামলার আসামিদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করছেন না তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন। যে ১১ মামলার তদন্ত কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে সেগুলোর মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর ১৯ জন তদন্তাধীন একটি মামলার আসামি। সবার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল-২ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেও গ্রেফতার হন এলডিপির নেতা কক্সবাজার চেম্বারের সাবেক সভাপতি সালামত খান উল্লাহ খান ওরফে আঞ্জুবর ওরফে ‘পঁচাইয়া রাজাকার’, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ রশিদ মিয়া, জিন্নাত আলী, মৌলভী ওসমান গণি, নুরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া এবং শামসুদ্দোহা। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে শামসুদ্দোহা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পলাতক আছেন মৌলভী জাকারিয়া সিকদারসহ মোট ১২ জন। নেত্রকোনা জেলার তদন্তাধীন তিন মামলার মধ্যে দুই মামলার দুই আসামির নাম জানিয়েছেন তদন্ত সংস্থা। তারা হচ্ছেন আব্দুল খালেক তালুকদার এবং খলিলুর রহমান। ময়মনসিংহ জেলার একটি মামলায় তদন্ত চলছে মো. রিয়াজ উদ্দিন ফকির ও মো. আমজাদ আলী নামক দুই আসামির বিরুদ্ধে। এ জেলার অন্য দুই মামলার দুই আসামি হচ্ছেন- আবুল ফালাহ মুহাম্মদ ফাইজুল্লাহ এবং রেজাউল কবির।
হবিগঞ্জ জেলার লাখাইয়ের লিয়াকত আলীসহ তিনজন একটি মামলার আসামি। মৌলভীবাজার জেলার একটি মামলার চার আসামি হলেন আলাউদ্দিন চৌধুরী, আকমল আলী, লাল মিয়া এবং মো. মতিন মিয়া। একই জেলার অন্য তিনজন আলবদর কমান্ডার শামসুল হক, রাজাকার কমান্ডার নেছার আলী ও রাজাকার কমান্ডার ইউনুছ মৌলভী একটি এবং রাজাকার আজিজ (হাবুল) ও রাজাকার আব্দুল মতিন নামক দুই সহোদর এবং মনির আলী- এ তিনজন অন্য একটি মামলার আসামি। তদন্তাধীন অন্য ১২ মামলায় একজন করে ১২ জন এবং একটি মামলায় দু’জন আসামি রয়েছেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on শিগগিরই আরো ১১ মামলা যোগ হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

আওয়ামী লীগের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী আজ

AL_Logo_banglanews24_822340237ঢাকা: ২৩ জুন, আজ। গৌরব উজ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী। সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে দেশের অন্যতম প্রাচীন এই রাজনৈতিক দলটি ৬৭ বছরে পা রাখছে।
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুর‍ানো ঢাকার রোজ গার্ডেনে প্রতিষ্ঠিত হয় বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। যার লক্ষ্য ছিল পূর্ব বাংলার জনগণের অধিকার আদায় করা। মুসলিম লীগের প্রগতিবাদী নেতাদের উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলনে প্রথমে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে আত্মপ্রকাশ করে দলটি।
এর প্রায় চার বছর পর ১৯৫৫ সালে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নামে বাঙালির লড়াই সংগ্রমের অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ এ রাজনৈতিক দল গড়ে তোলা হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালির অধিকার আদায়ের ‘প্রতিষ্ঠান’ হয়ে উঠে আওয়ামী লীগ।
ভাষা আন্দোলন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মতো দিকপাল নেতাদের সঙ্গে মুসলিম লীগের দূরত্ব, উদীয়মান তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার সহকর্মীদের দ্রোহ ও সাহসী পদক্ষেপ ঐতিহাসিক পরিণতি নির্ধারণ করে দেয়।
এ সময় দিক-নির্দেশনা এবং নেতৃত্বহীন অসংগঠিত জনতাকে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক কর্মসূচির ভিত্তিতে সংগঠিত করা এবং মুসলিম লীগের বিকল্প গড়ে তোলার তাগিদ সৃষ্টি হয়।
এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই আওয়ামী লীগ বাঙালির অধিকার আদায়ে এগিয়ে চলে। দলটির সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আন্দোলন, ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের আন্দোলন এক পর্যায়ে স্বাধীনতার আন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, স্বাধীনতার সংগ্রাম, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, পাকিস্তানি শাসন আমলে এবং স্বাধীনতার পর সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছে ঐতিহ্যবাহী এ রাজনৈতিক দলটি। ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি উপনিবেশিক শাসক-শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালির যে জাগরণ ও বিজয় সুচিত হয় সেই আন্দোলনেরও নেতৃত্বে দেয় আওয়ামী লীগ। যার অগ্রভাগে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
এর পথ ধরেই ১৯৭০-এর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। গণঅভ্যূত্থান এবং নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা অর্জিত হয়। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ।
দীর্ঘ এ পথ পাড়ি দিয়ে নানা ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে দলটি। এরমধ্যে কখনও নেতৃত্ব শূন্যতা, কখনও বা ‘দ্বন্দ্বে’  ভাঙনের মুখে পড়তে হয়েছে।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা, ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতা হত্যার পর নেতৃত্ব শূন্যতায় পড়ে আওয়ামী লীগ। এর পর দলে সৃষ্টি হয় দ্বন্দ ও ভাঙন।
এছাড়া দেশ স্বাধীনের দীর্ঘ সময় থাকতে হয়েছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে। এরইমধ্যে চরম ক্রান্তি লগ্নে ১৯৮১ সালে দলের হাল ধরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে ঐক্যবব্ধ হয়ে এগিয়ে চলে দ্বিধা-বিভক্ত আওয়ামী লীগ। ফলে প্রায় দুই দশক পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করে দলটি। এরপর ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত টানা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ ও সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
এছাড়া সকাল ৭টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলের শ্রদ্ধা জানানো হবে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on আওয়ামী লীগের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী আজ

ইফতারে আমের লাচ্ছি (রেসিপি)

mango-lassi1ডেস্ক রিপোর্ট : আম পছন্দ করেন না— এমন মানুষ খুব একটা পাওয়া যাবে না। সবাই জানেন, মজাদার ফলটি শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করতে অতুলনীয়। তাই সারাদিন রোজা রাখার পর পান করতে পারেন মজাদার আমের লাচ্ছি।
আমের লাচ্ছিতে হল আমের মিষ্টত্ব আর দইয়ের শীতলতার দারুণ মিশেল। স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে এতে যোগ করতে পারেন লো ফ্যাট ক্রিম ও গোলাপ জল। স্বাদের সঙ্গে রঙে বৈচিত্র্যতার ছোঁয়া রাখতে পারেন। তাই আলাদা রঙের আম ব্যবহার করতে পারেন। এবার ধাপে ধাপে দেখে নিন লাচ্ছি বানানোর প্রক্রিয়া
বেশি আঁশ আছে— এমন আম বাছাই না করাই ভাল। নরম ৩-৪টি আম বেছে নিন। এবার খোসা ছাড়িয়ে চটকে নিন বা টুকরো টুকরো করে কাটুন। এবার ব্লেন্ডারে আমের সঙ্গে ৪-৫ টেবিল চামচ চিনি বা মধু মিশিয়ে নিন। আপনার চাহিদা মোতাবেক এর বেশি-কম হতে পারে।
আধা টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে দিন। এতে স্বাদ-গন্ধে কিছুটা পরিবর্তন আসবে। এবার ভালভাবে ব্লেন্ড করুন।
এবার দইয়ের পালা। দুই কাপ ঠাণ্ডা দই মিশ্রণে দিন। ইচ্ছে হলে লো ফ্যাট ক্রিম যোগ করতে পারেন। আইস কিউব দিয়ে ভালভাবে ব্লেন্ড করুন। লাচ্ছিকে পাতলা করতে চাইলে ব্লেন্ডে করার আগে সামান্য দুধ যোগ করুন।
হয়ে গেল মজাদার আমের লাচ্ছি। সুন্দর করে পরিবেশন করুন। আর অবশ্যই লাচ্ছি বানানোর পর বেশিক্ষণ ফেলে রাখবেন না। তাতে তরতাজা স্বাদ থেকে বঞ্চিত হবেন।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ইফতারে আমের লাচ্ছি (রেসিপি)

৫৫৫ অভিবাসীকে নিলে রাজ্জাককে ফেরত!

11427232_690216017751136_1492620117901056309_nমিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শর্ত
কক্সবাজার : মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) কর্তৃক অপহৃত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নায়েক আবদুর রাজ্জাককে ফিরিতে দিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। তবে এ জন্য তারা শর্ত জুড়ে দিয়েছে। রাজ্জাকসহ ৫৫৫ মালয়েশিয়াগামী অভিবাসীকে নিলেই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
বিজিবি টেকনাফ ৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুজার আল জাহিদ দ্য রিপোর্টকে বলেন, সোমবার বিজিপির সঙ্গে তিনবার আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় রাজ্জাককে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় বিজিপি।
বিজিপি জানায়, নায়েক আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে ৫৫৫ মালয়েশিয়াগামী বাংলাদেশী অভিবাসীকেও ফিরিয়ে আনতে হবে। তাহলে রাজ্জাককে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে মিয়ানমারের মংডুতে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে তারা। তবে কবে নাগাদ এ বৈঠক হবে তা নিশ্চিত করে কিছুই জানায়নি বিজিপি বলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবুজার আল জাহিদ।
তিনি বলেন, আমরা বিজিপিকে বলেছি, রাজ্জাক ও অভিবাসী ইস্যুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫৫৫ অভিবাসীর মধ্যে কয়জন বাংলাদেশী তা যাচাই-বাছাই একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। আপাতত রাজ্জাককে ফেরত দিতে হবে। অভিবাসী ফেরতের বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ের পর বিজিবি সিদ্ধান্ত নেবে।
বিজিবি কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনিসুর রহমান দ্য রিপোর্টকে বলেন, বিজেপির কথার সূত্র ধরে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। নায়েক আবদুর রাজ্জাকে দ্রুত ফেরত চেয়েছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই তাকে ফেরত পাব।
প্রসঙ্গত, ১৭ জুন বুধবার টেকনাফের নাফ নদীর জাদিমুরা পয়েন্ট সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলির সময় নায়েক রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় বিজিপি। পরে শারীরিক নির্যাতনের পর অনলাইনে তার ছবি প্রকাশ করা হয়। রাজ্জাককে ফিরিয়ে দিতে বিজিবির পক্ষ থেকে কয়েক দফা পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলেও প্রথমে সাড়া দেয়নি বিজিপি।

Posted in আন্তর্জাতিক, জাতীয় | Comments Off on ৫৫৫ অভিবাসীকে নিলে রাজ্জাককে ফেরত!

ছবিতে নৌকার হাট

 

ফিচার ডেস্ক : বর্ষায় খালবিলে থই থই করে পাd1da5acd9c7c0de1f37fb11eb2366027-1নি। আশপাশের ডুবে যাওয়া এলাকায় এ সময় চলাচলের একমাত্র বাহন নৌকা। প্রতি সপ্তাহের রোববার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে কাইকারটেক টেক এলাকায় বসে নৌকার হাট। দরদামের পরেই এখানে বিক্রি হয় নৌকা।

এক বৃদ্ধ নাতিকে2a77e30bd4ef3cdb1ec1d7c459814db5-2 নিয়ে হাটে নৌকা বিক্রি করতে এসেছেন।

চম্বল, মেহগনি কাঠের তৈরি এসব ছোট নৌকা কোষা বা ডিঙ্গি নামে পরিচিত। নৌকা কিনে তা অন্য নৌকায় তোলা হচ্ছে।

দামাদামির পরই নৌকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে9994599c20af1fd31d5cf2bc5fca09c2-3 অন্যত্র।

বিক্রির জন্য নৌকার কাঠ সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

09a29140956ed9468ffe6fbe6278a0c6-6দূর-দূরান্ত থেকে কাইকারটেক এলাকায় নৌকার হাটে ট্রলারে করে আনা হচ্ছে নৌকা।

হাট থেকে কেনার পর চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নৌকা।

c84af224337214ba1dc2674aa32a6887-8ভ্যানে করে কেনা নৌকা নিয়ে যাচ্ছেন একজন।

ট্রলারে নৌকা ও পানিতে প্রতিচ্ছবি।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on ছবিতে নৌকার হাট

নায়েক আবদুর রাজ্জাকের সন্তান!

10312559_872032459532465_7808549963255952966_nযশোর প্রতিনিধি : সন্তান জন্ম নেওয়ার সময় বাবা পাশে থাকবে, প্রত্যাশা এমনই থাকে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবির) নায়েক আবদুর রাজ্জাক পাঁচ দিন ধরে
মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) হাতে আটক। কবে ফিরবেন, সেটিও কেউ নিশ্চিত করছে না। এর মধ্যেই আজ রোববার সন্তানের জন্ম দিলেন রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা বেগম। তবে নতুন অতিথির আগমনেও পরিবারটিতে আনন্দ নেই। তাঁদের দাবি, সরকার দ্রুত রাজ্জাককে দেশে ফিরিয়ে আনুক। গত রোববার দুপুর ১১টার দিকে নাটোরের সিংড়া উপজেলার বলিয়াবাড়ির গ্রামের বাড়িতে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা বেগম। তবে পরিবারে নতুন অতিথি এলেও কারও মাঝে বিন্দুমাত্র আনন্দ ছিল না।
সদ্যোজাত সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন মা আসমা বেগম। কেমন আছেন, জানতে চাইতেই যেন নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না 11427232_690216017751136_1492620117901056309_nআসমা বেগম। আরও শব্দ করে কাঁদতে শুরু করেন তিনি। আর্তনাদ করে শিশুটিকে তুলে ধরে বললেন, ‘ওর আব্বুরে ক্যান আটকায়ে রাখছে। আমার মণিরে আজ ওর আব্বুর কোলে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। আপনারা ওর আব্বুরে আনে দেন। ও আব্বুর কোলে
উঠবে।’ নায়েক রাজ্জাকের বাবা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ২১ বছর আগে তৎকালীন বিডিআরে যোগ দেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, গত বুধবার বিজিপি তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর বিজিবি তাঁদের কিছুই জানায়নি। গণমাধ্যমে ছেলের হাত-পা বাঁধা ছবি দেখে তারা এ ঘটনা জানতে পারেন। এর পর বিজিবির সিও ফোন করে তাদের জানান, পতাকা বৈঠক করে একদিনের মধ্যেই রাজ্জাককে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।  কিন্তু তাঁর পরিবার এখনো সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে উদ্ধারের কোনো উদ্যোগই দেখতে পাচ্ছে না। “

Posted in জাতীয়, সারা দেশ | Comments Off on নায়েক আবদুর রাজ্জাকের সন্তান!

আমরা কি শুধু গুলিই খাবো?

Selim1আমাদের বর্ডার গার্ড কেন এখন পর্যন্ত রাজ্জাককে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারেনি তার তুমুল সমালোচনা করলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজি মো. সেলিম।
তিনি বলেন, ‘রাজ্জাককে ধরে নেয়ার পর মিয়নমারের বর্ডার গার্ড তাদের ফেসবুকে যে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে তার মধ্যে একটি ছবিতে রয়েছে রাজ্জাককে হাতে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়েছে। যে হাতকড়া শুধু রাজ্জাকের হাতেই পরিয়ে রাখেনি, এটি ১৬ কোটি মানুষের হাতে পরানো হয়েছে।’
সোমবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচানায় হাজি মো. সেলিম এ কথা বলেন।
হাজি সেলিম বলেন, ‘মিয়নমারের বিজিপি আমাদের সঙ্গে বেয়াদবি করছে, আমরা কিছুই করতে পারছি না। আমরা এতো টাকা খরচ করছি আমাদের বিজিবির পেছনে, তাদের কাছ থেকে কি পাচ্ছি? মিয়ানমারের বিজিপি আমাদের সদস্যদের গুলি করে, তুলে নিয়ে যায়। এখানে আমরা কেন প্রতিরোধ গড়তে পারি না, তাদের পাল্টা গুলি করতে পারি না? তার মানে কি আমাদের বিজিবি শক্তিশালী না?’
তিনি বলেন, ‘সবাই জানে মিয়নমারের বিজিবি সদস্যরা ইয়াবা, মাদকসহ এমন কিছু নেই তারা করে না। তারা আমাদের বিল্পব কুমারকে গুলি করে রাজ্জাককে তুলে নিয়ে গেলো। এতো দিন হওয়ার পরও কেন আমরা এর কোনো সুরাহা করতে পারছি না। রাজ্জাককে দ্রুত ফিরিয়ে আনতে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।’
কুটনৈতিক তৎপরতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সবাই জানে আমাদের কূটনৈতিক নীতি হচ্ছে বন্ধুত্বপূর্ণ। আর সরকারের সকল চালিকাশক্তি থাকা সত্ত্বেও কেন আমরা পারি না, তাহলে আমরা কি শুধু গুলিই খাবো?’ সূত্র বাংলামেইল

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on আমরা কি শুধু গুলিই খাবো?

কারাবন্দী জঙ্গিদের পর্যবেক্ষণে গঠিত হচ্ছে বিশেষ সেল

news_imgস্টাফ রিপোর্টার : সরকার কারাবন্দি জঙ্গিদের বিশেষ নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। এজন্য জঙ্গিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বিচারব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও করণীয় নির্ধারণে প্রতিটি জেলায় গঠন করা হচ্ছে বিশেষ সেল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠন করা এসব সেল বিভিন্ন মামলায় জঙ্গিদের ফাঁসির রায় কার্যকর না হওয়ার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে। আর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এসব বিশেষ সেলগুলো মনিটর করবেন। তাঁদের সহায়তা করবে কারা কর্তৃপক্ষ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, প্রতিটি জেলায় গঠিত বিশেষ সেলগুলো জঙ্গি বিস্তার রোধে সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলোও মনিটর করবে। আগামী মাসের মধ্যেই এসব বিশেষ সেলগুলোর রূপরেখা চূড়ান্ত হবে। জঙ্গিদের ফাঁসির দÐাদেশ যাতে দ্রæত কার্যকর করা যায় সেজন্যও ওই সেলগুলো কাজ করবে। একই সঙ্গে সেলগুলো পলাতক জঙ্গিদের আটকে পদক্ষেপ গ্রহণ ও তাদের মামলার হালনাগাদ অবস্থাও পর্যালোচনা করবে। জঙ্গিবিরোধী প্রচারণাসহ সরকার গৃহীত পদক্ষেপ কিভাবে চলছে সে বিষয়েও সেলগুলো খোঁজ-খবর নেবে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে অন্তত ৫২ জন ফাঁসির দÐপ্রাপ্ত জঙ্গি আছে। তাদের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেল পর্যালোচনা করবে। অন্য মামলার ফাঁসির দÐপ্রাপ্তদের ব্যাপারেও খোঁজ নেবে ওই বিশেষ সেল।
সূত্র জানায়, দেশের কারাবন্দি জঙ্গিদের নিয়ে গোয়েন্দারা বিভিন্ন সময়ই প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে ফাঁসির দÐপ্রাপ্ত ভয়ঙ্কর আসামিরা জোটবদ্ধ হওয়া এবং নানাভাবে রায়ের কার্যকারিতা স্থগিতের চেষ্টা করছে। কারাগারে জঙ্গি এসব আসামি নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শের পাশাপাশি বাইরের লোকজনের সাথেও যোগাযোগের সুযোগও পাচ্ছে। আত্মীয়স্বজন পরিচয়ে অনেকেই কারাবন্দি জঙ্গিদের সাথে দেখা করছে। আবার কারাগারের ভেতরেও থাকা অনেক বন্দিকে জঙ্গিবাদে দীক্ষিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মামলার ফাঁসির দÐপ্রাপ্তদের ব্যাপারে হালনাগাদ তথ্যসহ করণীয় নির্ধারণে সরকার উদ্যোগী হয়েছে। সেক্ষেত্র ফাঁসির দÐপ্রাপ্ত জঙ্গিদের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
সূত্র আরো জানায়, বর্তমানে জঙ্গিদের অনেকগুলো ফাঁসি কার্যকরের রায় আপিলে ঝুলে আছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক জেএমবি ও হুজির সদস্যসহ ১ হাজার ১৮১ জন ফাঁসির দÐাদেশ পাওয়া আসামি রয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত ৪৩২ আসামির মৃত্যুদÐ কার্যকর করেছে। কিন্তু উচ্চ আদালতে আসামিদের করা আপিলের কারণে বছরের পর বছর ধরে ঝুলে থাকায় এধরনের বন্দির সংখ্যাও বাড়ছে। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪৩২ আসামির মৃত্যুদÐ কার্যকর করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৯৭৬ সালে ৩ জন, ’৭৭ সালে ২৪৭ জন, ’৭৮ সালে ১৭ জন, ’৭৯ সালে ১ জন, ’৮০ সালে ১৩ জন, ’৮১ সালে ১৩ জন, ’৮২ সালে ৬ জন, ’৮৩ সালে ৬ জন, ’৮৪ সালে ৭ জন, ’৮৫ সালে ১৩ জন, ’৮৬ সালে ২৬ জন, ’৮৭ সালে ১ জন, ’৮৮ সালে ২ জন, ’৯০ সালে ১ জন, ’৯২ সালে ৫ জন, ’৯৩ সালে ৫ জন, ৯৪ সালে ২ জন, ’৯৭ সালে ২ জন, ২০০১ সালে ৩ জন, ২০০২ সালে ২ জন, ২০০৩ সালে ২ জন, ২০০৪ সালে ১৩ জন, ২০০৫ সালে ৫ জন, ২০০৬ সালে ৪ জন, ২০০৭ সালে ৬ জন, ২০০৮ সালে ৮ জন, ২০০৯ সালে ৪ জন, ২০১০ সালে ৯ জনের মৃত্যুদÐ কার্যকর করা হয়। ২০১১ ও ২০১২ সালে কোনো ফাঁসির রায় কার্যকর হয়নি। আর ২০১৩ সালে ১ জন, ২০১৪ সালে ৪ জন ও চলতি বছর ১ জনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।
এদিকে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের সামনে সাবেক বিট্রিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা ও রমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় আদালত মুফতি হান্নান, শফিকুল ইসলাম ও রিপনকে মুত্যৃদÐের আদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা উচ্চ আদালতে আপিল করেছে। ২০০২ সালের ১৭ জুলাই গাইবান্ধার স্কুলছাত্রী তৃষা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয় শাহিন, মেহেদী হাসান মর্ডান ও আরিফুল ইসলাম আশা। নিম্ন আদালত তাদেরকে ওই বছরেরই ৩০ সেপ্টেম্বর ফাঁসির রায় দেন এবং ২০১০ সালে হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখেন। কিন্তু আসামিদের পরিবার উচ্চ আদালতে আপিল করলে তা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। বিশেষ সেল গঠন হলে এ ধরনের মামলার রায় দ্রæত পরিণতি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা ঘটনার পর জেএমবির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৩৫০টি মামলা দায়ের করা হয়। ইতিমধ্যে আদালত বেশির ভাগ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। এসব রায়ে এখন পর্যন্ত ৫৭ জঙ্গিকে মৃত্যুদÐ দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই, আতাউর রহমান সানী, আবদুল আউয়াল, সাইফুল্লা ও মামুনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। কিন্তু এরপর জঙ্গি মামলার অন্য আসামিদের ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে পড়ে।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, জঙ্গি প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় সেল গঠন করতে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে ফাঁসির দÐাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের ব্যাপারে সেলগুলো বেশি কাজ করবে। আশা করি আগামী মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে। জঙ্গি নির্মূলে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর তা জোরালো করতে সেল গঠন করা হচ্ছে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on কারাবন্দী জঙ্গিদের পর্যবেক্ষণে গঠিত হচ্ছে বিশেষ সেল

মুস্তাফিজ বিশ্বরেকর্ড

216075অভিষেক ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট এবং পরের ম্যাচে আবার পাঁচ উইকেট। বিশাল কঠিন কাজ। অথচ এই কাজটাই করে ফেললে মুস্তাফিজু রহমান। ১৯ বছরের এই কিশোর পর দুই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং গুড়িয়ে দিলেন তার বাঁহাতি পেস বোলিংয়ে। মুস্তাফিজের এই বোলিংয়ে হয়ে গেছে বিশ্বরেকর্ড। ওয়াসিম আকরাম যা পারেননি তা-ই করলেন মুস্তাফিজ।
তবে মুস্তাফিজ একা নন। এই রেকর্ড প্রথম গড়েন ব্রায়ান ভেটোরি। জিম্বাবুয়ের এই পেসার ২০১১ সালে বাংলাদশের বিপক্ষে পরপর দুই ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ড। ভেটোরির ওই রেকর্ডেই ভাগ বসালেন মুস্তাফিজ।
প্রথম ম্যাচে মুস্তাফিজের কাটার, স্লোয়ার ও সুইংয়ে খেই হারিয়ে ৭৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায় ভারত। ওই ম্যাচে রোহিত শর্মা, অজিঙ্কা রাহানে, সুরেশ রায়না, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবিন্দ্র জাদেজাকে আউট করেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে দ্বিতীয়বার তার শিকার হোন রোহিত শর্মা, সুরেশ রায়না ও অশ্বিন। এবার নতুন করে আউট করেন ধোনি ও অক্ষর প্যাটেলকে।
প্রথম ম্যাচে মুস্তাফিজকে অনেকটা জোর করেই মাঠে নামান মাশরাফি এবং তার তুলে দেন বল। এরপরের গল্পটা তো জেনে গেলো সারা পৃথিবী। এলেন, দেখলেন ও জয় করলেন-এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হয়ে গেলেন মুস্তাফিজ। বাঁহাতি পেসারের জন্য বাংলাদেশের যে অনন্ত হাহাকার তাও বোধহয় ঘুচে গেলো!

Posted in খেলাধুলা, জাতীয় | Comments Off on মুস্তাফিজ বিশ্বরেকর্ড

বাবা দিবসে তারকা কথন

Untitled-1 copyগোলাম রিয়াদ : বিশ্ব বাবা দিবস নিয়ে অনেক আলোচনা হয়, সমালোচনাও। কেউ বলেন সারা বছরে বাবার খোঁজ না রেখে একটা দিন বাবা নিয়ে মাতামাতি করার কোনো মানে নেই। কেউ আবার বলে থাকেন, সারা বছর যেভাবেই কাটুক না কেন, যতোই দূরে থাকা হোক না কেন বাবার থেকে-এই একটা দিনে হোক বাবার ভালোবাসায় বসবাস।
বাবা সন্তানের কাছে বটবৃক্ষের মতো। বাবার শাসন আমাদের জীবনকে বাস্তবতার মুখোমুখী হতে শিক্ষা দেয়। আর সবার মতো তারকাদেরও বাবা নিয়ে আবেগ আছে আকাশ ছোঁয়া। আজ শুনব 10561805_1453541414918691_3173110376700582686_nপ্রিয় তারকাদের মুখে তাদের বাবাকে নিয়ে সেই আবেগের কিছু গল্প-

পরিমনী
বাবা দিবসে অনেক সাংবাদিক জানতে চেয়েছেন আমার অনুভ’তি কি?আসলে এই দিবস নিয়ে নির্দিষ্ট কোন ভাষা জানা নেই। আমার মনে হয় ভালবাসার প্রতিটা দিনই স্পেশাল। দিবস এলেই সবাই ফেইসবুক টুইটারে ছবি দেয়। পৃথিবীর কিছুতেই আমি আমার কষ্ট শেয়ার করতে পারবো না। আমার অনুভুতি সেই বুঝতে পারবে যাদের বাবা মা নেই…..
সায়মন
ছোট বেলায় যখন কোন কিছুর জন্য মা এর কাছে বায়না করতাম মা বলত বাবা কে বলো,আর বাবার কানে কথা টা যাওয়া মাএ ই সেই জিনিসটি সামনে এনে হাজির করত বাবা।কিনতু এখন অনেক বড় হয়ে গেছি,কাজের ব্যসতর কারনে বাবার সাথে খুব ই কম দেখা হয়, সারা দিন শুটিং শেষে যখন বাসায় ফিরি তখন ঘুমিয়ে পড়ি আর ,আর যখন আমি সকালে ঘুম থেকে উঠি আবার তখন দেখি বাবা অফিসের জনা বেরিয়ে পড়ল,এখন ও বাবার সেই ভালোবাসা টা আনুভব করি যত দূরে থাকি না কেন, যখন শুটিং এর জন্য দেশের বাহিরে যাই সেই ছোট বেলায় মত বাবা কে আজ ও জালাই ,একটু পর পর ফোন দিয়ে বাবা কেমন আছো,কি কর আর ও কত রকমের পাগলামি করি বাবার সাথে,বাবা কখনোই রাগ করতো না, একটু মিষ্টি হেসে বলে বাপিপ তুই সেই ছোট ই রয়ে গেলি,সেই ছোট ছোট দুষটমি,এক সাথে বসে গলপ করা সব গুলো খুব মিস করি,আজ বাবা দিবস তাই আমি আমার বাবা কে ও পৃথিবীর সব বাবা কে জানাই অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা
moushumy_bg_876820338
মৌসুমী
আমার বাবা মো. নাজমুজ্জামান মনি শুধু আমাকে জন্ম দিয়েই তার দায়িত্ব শেষ করেননি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমাকে ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। আমার কাজ ছিল শুধু ক্যামেরার সামনে অভিনয় করা। আর বাকি সবকিছুই বাবা দেখতেন। আজ বাবা আমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে। প্রতি মুহূর্তেই বাবাকে মিস করি।
কিন্তু বাবা যে শিক্ষা আমাকে দিয়েছেন তা আজও আমাকে পথ দেখায়। বাবার দেখানো পথেই আমি এখনও হাঁটছি। মনে হয় বাবা আমাকে হাত ধরে রয়েছেন। আমি নিশ্চিন্তে হাঁটছি। বাবাকে নিয়ে আমার স্মৃতির কোন শেষ নেই। আমরা তিন বোন।
আমি, স্নিগ্ধা আর ইরিন। বাবা তিন বোনকেই সমান দৃষ্টিতে দেখতেন। আমরাও তিন বোনের কেউই বাবার আদর থেকে বঞ্চিত হইনি। তবে সিনেমায় আসার কারণে আমার প্রতি বাবার দায়িত্বটা ছিল অনেক বেশি। মূলত বাবার পরিকল্পিত নির্দেশনার কারণেই আমি আজ মৌসুমী হতে পেরেছি।[
নির্মাতাদের চেষ্টা আর দর্শকদের ভালবাসায় আমি আজকের মৌসুমী। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু বাবা আমার জন্য যা যা করেছেন সেটা আমি কখনোই ভুলতে পারবো না। বাবার ঋণ এক জীবনে তো নয়ই, কয়েক জীবনেও শোধ করতে পারবো না। বাবার ঋণ শোধ করা যায় না।
10636194_750647888326122_1463046181140818016_n-1
দিঘী
বাবাই আমার সব। তাকে দেখে দিনের শুরু, তাকে দেখেই বিছানায় যাই। রোজ রোজ আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলেন। এরপর ব্রাশ করা থেকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া, স্কুল থেকে নিয়ে আসা সব কিছুতেই বাবা আমার পাশে থাকেন। আমার তো মা নেই। মা মারা যাওয়ার পর বাবায় আমার কাছে বাবা ও মা। বাবা আমাকে অনেক ভালোবাসেন। বাবা আমার স10446570_584544901668657_4900268545296885491_nকল ইচ্ছে পূরণের দৈত্য।

ববি
আমি আমার বাবাকে ছাড়া কিছুই কল্পনা করতে পারি না। আমার কাছে আমার বাবা পৃথিবীর নির্দোষ ব্যাক্তি। বাবা ছাড়া সবার জীবন অর্থহীন । আমার বাবা সামান্য অসুস্থ । সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।

মৌটুসী
বাবা চট্টগ্রামে থাকেন। এখন তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভাল না। বুঝ হওয়ার পর থেকে দেখেছি বাবা কতটা কষ্ট করে আমাদের বড় করেছেন। নিজের পেশাগত কাজে আমাকে ঢাকায় থাকতে হচ্ছে।
নিয়মিত বাবার খোঁজ নিচ্ছি। আসলে বাবার ভালবাসা যে কি সেটা বলে বোঝাতে পারব না। আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

সম্রাট
দেশীয় চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক আমার বাবা-এই প্রাপ্তি আমাকে গর্বিত করে। পর্দার অনেক বড় নায়ক তিনি, দুর্দান্ত অভিনেতা। দীর্ঘ ৪৮ বছর দর্শকদের মোহিত করে রেখেছেন নিজের অভিনয় ক্ষমতা দিয়ে। আজ তিনি নায়করাজ। তবে আমার কাছে পর্দার হিরোর চেয়ে রিয়েল লাইভের হিরো রাজ্জাক হচ্ছেন বেশি প্রিয়। কারণ, আমি তো সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মেছি। নায়করাজের ছোট ছেলে আমি। কিন্তু আমার বাবা জীবনে যে সংগ্রাম করেছেন, কষ্ট করেছেন, পরিশ্রম করেছেন, নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি আমাদের পুরো পরিবারকে যতেœর সঙ্গে ভালবাসার সঙ্গে একই সুতায় বেঁধে রেখেছেন, তা আমাদের কাছে বড় একটা শিক্ষণীয় বিষয়। আমার বাবার মতো কেয়ারিং বাবা আমি খুব একটা দেখিনি। শত ব্যস্ততার মাঝেও বাবা আমাদের প্রচুর সময় দিয়েছেন। কাজের অজুহাতে, ব্যস্ততা দেখিয়ে পরিবারকে বঞ্চিত করেননি।

Posted in বিনোদন | Comments Off on বাবা দিবসে তারকা কথন

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud