পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর জন্য কিছু বাধা নিষেধ!

72-300x200রোজায় যে জিনিসগুলো থেকে বিরত থাকতে হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে যৌন সম্পর্ক বা সহবাস। কেউ যদি এই কাজটি রোজার দিন করে বসে তবে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা বাকারাতে আল্লাহ্‌র বক্তব্যঃ “রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে”। [আল-বাকারাঃ ১৮৭] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে রোজার দিনে সহবাস হালাল করা হয়নি।
যৌন সম্পর্ক বলতে শরি’আর ভাষায় বোঝানো হচ্ছে পুরুষাঙ্গের সাথে স্ত্রী-অঙ্গের মিলন। এক্ষেত্রে বীর্যপাত শর্ত নয়। অর্থাৎ এই দুই অঙ্গ সংস্পর্শে আসলেই রোজা ভেঙ্গে যাবে, বীর্যপাতের ঘটনা না ঘটলেও। শায়খ সালেহ ইবন আল-‘উসায়মীন এই মতটিই ব্যক্ত করেছেন। যৌন মিলনের দ্বারা কেউ রোজা ভাঙলে সেই রোজা পরবর্তীতে কাযা করতে হবে এবং “ভারী কাফ্‌ফারা” দিতে হবে। সেই প্রসঙ্গ পরে আসছে।

কোনো স্বামী যদি জোর করে স্ত্রীর সাথে যৌনসম্পর্ক করেন সেক্ষেত্রে স্বামীর রোজা ভেঙ্গে গেলেও স্ত্রীর রোজা ভাঙবে না। এর কারণ আমরা আগে উল্লেখ করেছি। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) ইবন ‘আব্বাস বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আমার উম্মতের ওপর থেকে ত্রুটিবিচ্যুতি, ভুলে যাওয়া ও জোর করিয়ে করানো কাজকে মার্জনা করেছেন”। [প্রসঙ্গত আজকাল যেহেতু খবর পাওয়া যাচ্ছে নারীরা জোর করে পুরুষদের বিয়ে করছেন, ভবিষ্যতে পুরুষদের জন্য অনুরূপ ফিকহি আলোচনা করতে হতে পারে।

৫.৮ শারীরিক স্পর্শ বা চুম্বন
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কামনাবসত শারীরিক স্পর্শ যেমন স্রেফ চুমুর কারণে রোজা ভাঙবে না। তবে এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজার সময় এগুলো পরিহার করাই উত্তম। চুম্বন যদি কামনাবশত না হয় সেক্ষেত্রে ক্ষতি নেই।

৫.৯ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বীর্যপাত ঘটানো
যদি কেউ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের বীর্যপাত ঘটান সেক্ষেত্রে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেমন নিজে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে অথবা স্ত্রী কর্তৃক হস্তমৈথুনের মাধ্যমে যদি বীর্যপাত ঘটে তাহলে রোজা ভাঙবে। কোনো ব্যক্তি যদি যৌনউত্তেজক কোনো কিছু দেখে, শোনে বা পড়ে – এক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটলে তার রোজা ভাঙবে। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে করা কোনো কাজের ফলে বীর্যপাত ঘটলে রোজা ভাঙবে।

এভাবে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা করাই যথেষ্ট, যৌনমিলনের ক্ষেত্রে যে ভারী কাফ্‌ফারা দিতে হয় সেটি দিতে হবে না। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ঘটানো বীর্যপাতের ফলে যে রোজা ভাঙবে তার প্রমাণ হচ্ছে হাদীস কুদসীতে আল্লাহ বলছেনঃ “সে (বান্দা) আমার জন্যই খাদ্য, পানীয় ও কামনা-বাসনা পরিত্যাগ করে”। [বুখারী] যুক্তিসংগত কারণেই যে ব্যক্তি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বীর্যপাত ঘটায় সে কামনা-বাসনা বা “শাহওয়াহ” পরিত্যাগ করল না।

তবে বীর্যপাত যদি স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে না হয় সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না। যেমন স্বপ্নদোষের ফলে রোজা ভাঙবে না। কোনো ব্যক্তির চিন্তায় যদি আচমকা কোনো যৌন ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌন উত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মাথায় আনেনি এবং এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।

৫.৯ মাযী ও মানীর মাঝে পৃথকীকরণ
বীর্যপাত প্রসঙ্গে আমাদের দুটি তরলকে আলাদা করতে হবে। এদের একটি হচ্ছে মাযী (المذي)। এটি একটি স্বচ্ছ পিচ্ছিল পদার্থ যা চূড়ান্ত বীর্যপাতের আগে নিঃসরিত হয় ফোঁটায় ফোঁটায়। মাযী নিঃসরণের ফলে রোজা ভাঙে না (যদি না সেটা যৌনমিলনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, যেক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গের সাথে যোনির মিলনই যথেষ্ট রোজা ভাঙার জন্য)। শুধু মাযী নিঃসরণের ফলে যেহেতু রোজা ভাঙে না, কাযারও প্রশ্ন আসছে না। যদিও ইমাম মালেকের একটি বর্ণনা অনুযায়ী তিনি মাযী নিঃসরণকে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেছেন, কিন্তু অধিকাংশ ‘উলামা একে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেন না।

মানী হচ্ছে যাকে বাংলায় বীর্য। মানী বের হয়ে আসে চূড়ান্ত বীর্যপাতের সময় দফায় দফায়। এটির সাদা থিকথিকে একটি পদার্থ। মানী বের হলেই কেবল রোজা ভাঙবে উপরেল্লিখিত কারণগুলোতে। এ ব্যাপারে কোনো ইখতিলাফ নেই।

Posted in ইসলাম | Comments Off on রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর জন্য কিছু বাধা নিষেধ!

ধোনির চাপেই মুস্তাফিজের জরিমানা! (ভিডিও)

519A2872স্পোর্টস ডেস্ক : নিছক অভদ্র লোক হলে এমন কাণ্ড করা সম্ভব। বয়স এখনও ২০ ফুরোয়নি। একেবারে হালকা-পাতলা গড়নের বাংলাদেশী বিস্ময়কর পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ইচ্ছাকৃতভাবেই যে ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ধাক্কা মারলেনসেটা সাদা চোখেই দেখা যায়। সেটা বিচার করার জন্য ভিডিও ফুটেজকে বার বার স্ক্রল করে দেখার প্রয়োজন নেই।
সাদা চোখে ধোনির অপরাধ দেখেছিলেন ম্যাচের দুই আম্পায়ার বাংলাদেশের এনামুল হক মনি এবং অস্ট্রেলিয়ার রড টাকারও। ম্যাচ শেষে রেফারির কাছে যে রিপোর্ট জমা দিতে হয় সেখানে অপরাধি হিসেবে ধোনিকেই সাব্যস্ত করেছিলেন দুই আম্পায়ার। কিন্তু ম্যাচের পরবর্তী দিন দুপুর শেষেই জানা গেলো, ‘না অপরাধি শুধুই ধোনি নন, মুস্তাফিজুর রহমানও।’
কীভাবে? বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থক থেকে শুরু করে ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন- সবাই যারপরনাই অবাক হয়েছেন, ম্যাচ রেফারি অ্যান্ড্রু পাইক্রফটের রায় শুনে। ধোনির অপরাধ একটু বেশি হয়েছে মর্মে তার ম্যাচ ফি’র ৭৫ শতাংশ জরিমানা করলেন ম্যাচ রেফারি। একটু কম অপরাধ করেছেন মুস্তাফিজ- তাই তার জরিমানা ৫০ শতাংশ।
কিন্তু এখানে মুস্তাফিজের জরিমানা কেন? যেখানে আম্পায়ার্স রিপোর্টেই তার নাম ছিল না, সেখানে হঠাৎ ম্যাচ রেফারি মুস্তাফিজকে কেন ডেকে পাঠালেন শুনানিতে, কেনই বা তাকে জরিমানা করা হলো? সবচেয়ে বড় কথা- কেন তাকে দোষি সাব্যস্ত করা হলো?

আসল ঘটনা ফাঁস করেছে ভারতেরই (কলকাতার) প্রভাবশালী বাংলা দৈনিক, আনন্দ বাজার পত্রিকা। “রাত দু’টোতেই অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়ার যুদ্ধে নেমে পড়লেন ধোনি”- শীর্ষ শিরোনামে এক নাতিদীর্ঘ রিপোর্টে পুরো ঘটনার বর্ণনা তুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়- মূলত ধোনি, বিরাট কোহলি, রবি শাস্ত্রী এবং প্রশাসনিক ম্যানেজার বিশ্বরূপ দে’র জোরাজুরিতেই মুস্তাফিজকে দোষি সাব্যস্ত করা হয় এবং তার জরিমানা করা হয়।
মেলবোর্ন কোয়ার্টার ফাইনালের প্রসঙ্গ এনে ঢাকায় আসা পত্রিকাটির রিপোর্টার রাজর্সি গঙ্গোপাধ্যয় লিখেছেন, সেই ম্যাচের পর তিন মাস কেটে গেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে প্রভূত উন্নতি ঘটে গেছে। এমনকি ভারতের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। কিন্তু তিন মাসের বৃত্তি পূরণ না হতেই আবার পাল্টে গেল দৃশ্যপট। মেলবোর্ন কোয়ার্টার ফাইনালের পূঞ্জীভূত ক্ষোভের মেঘ ঢেকে ফেলল মীরপুর আকাশকে। কাঁধের এক ধাক্কায় মহেন্দ্র সিংহ ধোনি এ পারে সম্মানের সোনার সিংহাসন হারালেন। বাংলাদেশ বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন বলে গেলেন, ধোনি যা করেছেন সেটা এড়িয়ে গেলেই পারতেন। ভারত অধিনায়ক রাতে ঠিক করে ঘুমোতে পারলেন না। ম্যাচ হারের ময়নাতদন্ত করে উঠতে পারলেন না। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এ দিন দুপুর পর্যন্ত তাঁকে দৌড়ে বেড়াতে হল ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের ঘরে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে।
আনন্দ বাজার পত্রিকার রিপোর্টে উঠে আসা ঘটনার বর্ণনা এবং ধোনিদের অভদ্রোচিত আচরনগুলো যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে সেটাই বরং হুবহু বাংলামেইলের পাঠকদের জন্য তুলে ধরছি…
“ভারত অধিনায়ক রাতে ঠিক করে ঘুমোতে পারলেন না। ম্যাচ হারের ময়নাতদন্ত করে উঠতে পারলেন না। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এ দিন দুপুর পর্যন্ত তাঁকে দৌড়ে বেড়াতে হল ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটের ঘরে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে।
যা সম্পূর্ণ প্রমাণ করতে পারলেন না ভারত অধিনায়ক। বাংলাদেশ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের যদি পঞ্চাশ শতাংশ জরিমানা হয়ে থাকে, ধোনির হল পঁচাত্তর শতাংশ। ম্যাচ রেফারির সামনে ঘটনার সময় নিজের গতিবিধি, বোলারের মুভমেন্ট, রায়নার পজিশন সব পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা করেও পূর্ণ কলঙ্কমোচন সম্ভব হল না। এমএসডির ভাবমূর্তির পূর্ণগ্রাস আটকানো গিয়েছে ঠিকই। কিন্তু একটা কথাও ঘুরেফিরে রমজানের পদ্মাপারে ভেসে বেড়াল। এমএসডিও তা হলে মেজাজ হারান! ক্যাপ্টেন কুলের বরফশীতল মস্তিষ্কেও তা হলে আগুন ধরে!
নাটকের সূত্রপাত, বৃহস্পতিবার রাত দু’টোয়। মীরপুর স্টেডিয়াম ছেড়ে ততক্ষণে অভুক্ত অবস্থায় হোটেল ফিরে গিয়েছে টিম। আচমকাই রাত দু’টো নাগাদ ধোনিকে ডেকে পাঠান ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট। ভারত অধিনায়ক উপস্থিত হলে তাঁকে বলে দেওয়া হয়, আম্পায়াররা তোমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট জমা করেছেন। মুস্তাফিজুরকে তুমি ধাক্কা মেরেছ ম্যাচে। যা লেভেল টু অপরাধ। এবং তিনটে রাস্তা ফেলে দেওয়া হয় ধোনির সামনে।

Ananda-bazar১) দোষ স্বীকার করে নেওয়া। যা হলে ম্যাচ ফি-র পঞ্চাশ শতাংশ জরিমানা।
২) দোষ স্বীকার করে শাস্তি কমানোর আবেদন করা।
৩) অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করা। কিন্তু সেক্ষেত্রে দু’ম্যাচের নির্বাসন বা একশো শতাংশ ম্যাচ ফি কেটে নেওয়ার যে কোনও একটা হবে।
যা শুনে নাকি উত্তেজিত হয়ে পড়েন ধোনি। ঘনিষ্ঠদের কাছে বলতে থাকেন, তিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে মোটেও এটা করেননি। দু’ভাবে ব্যাপারটা এড়ানো যেত। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে পড়তে পারতেন। কিন্তু তাতে রান আউট হতে হত। আর নইলে মুস্তাফিজুরকে বাঁচাতে গিয়ে অন্য দিক দিয়ে দৌড়তে পারতেন। সেটা হলে নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা রায়নার সঙ্গে ধাক্কা লাগতে পারত। ধোনি নাকি আরও বলেন যে তাঁর কাঁধ, কনুইয়ের পজিশন দেখলেই বোঝা যাবে এটা ইচ্ছাকৃত নয়। তাই অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি লড়বেন। কারণ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করছেন এই মর্মে ফর্মে সই করে ম্যাচ রেফারির কাছে পাঠিয়েও দেওয়া হয়।
যার পর দু’টো ঘটনা নাকি সমান্তরাল ভাবে চলতে থাকে। ম্যাচ রেফারি এবং আম্পায়াররা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ নিয়ে রাতেই বসে পড়েন। বারবার চালিয়ে দেখা হয় ভারতীয় ইনিংসের পঁচিশ নম্বর ওভার। যেখানে মুস্তাফিজুরকে সজোরে ধাক্কা মেরে রান নিতে যাচ্ছেন ধোনি। ভারতীয় শিবিরে আবার বৈঠকের পর বৈঠক চলতে থাকে। সকাল পৌনে ন’টা নাগাদ ব্রেকফাস্ট টেবলে বসে পড়েন চার জন। অধিনায়ক ধোনি। টিম ডিরেক্টর রবি শাস্ত্রী। সহ অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এবং টিমের প্রশাসনিক ম্যানেজার বিশ্বরূপ দে।

শোনা গেল, ব্রেকফাস্ট টেবলে সবচেয়ে উত্তেজিত চরিত্রের নাম ছিল বিরাট কোহলি। যিনি নাকি বলতে থাকেন, দোষ যে করল সে শাস্তি পাচ্ছে না। যে করেনি, সে পাচ্ছে। ম্যাচ রেফারির ঘরে শুনানির জন্য ঢোকার আগে পরবর্তী প্ল্যান অব অ্যাকশনও ঠিক করে ফেলা হয়। পাইক্রফটের সামনে ঘটনার অ্যাকশন রিপ্লে ধোনি করে দেখাবেন। নিজের। বোলারের। রায়নার। শাস্ত্রী তুলবেন বোলারের পজিশনের ব্যাপারটা। আর টিম ম্যানেজার আইনি প্যাঁচে ফেলবেন পাইক্রফটকে।
ছক বাঁধা পথে যা এর পর চলতে থাকে। ধোনি ঘটনার সময় নিজের কাঁধ, কনুই, মাথার পজিশন সব কিছুর পুনরাবৃত্তি করে বোঝাতে থাকেন কেন এটা ইচ্ছাকৃত নয়। শাস্ত্রী বলেন যে, বোলার কেন ডেঞ্জার জোনে ও ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে? ফলো থ্রু অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। বলও তাঁর ধারেকাছে ছিল না। টিম ম্যানেজার বিশ্বরূপ যুক্তি দেন, কোনও গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটলে তাকে দু’ভাবে দেখা যেতে পারে। চালকের দোষে সেটা ঘটেছে। নইলে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই গাড়ির সামনে চলে এসেছে। সব সময় তাই চালকের দোষেই হবে, এমন নয়।নানাবিধ যুক্তিতর্কের পর ম্যাচ রেফারি সুর নরম করে নাকি বলেন যে, ধোনি এটা ইচ্ছে করে করেননি বোঝা গেল। কিন্তু আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টেই আছে যে, ম্যাচ চলাকালীন ধাক্কাধাক্কি হলে জরিমানা অবধারিত। ধোনির তাই ম্যাচ ফি-র পঁচাত্তর শতাংশ কেটে নেওয়া হবে। শাস্ত্রীরা তখন বলেন যে, ধোনি দোষী হলে মুস্তাফিজুরও সম্পূর্ণ নির্দোষ নন। ভারত ঠিক করে ফেলে বাংলাদেশকে যদি না ডাকা হয়, তা হলে আইসিসির কাছে রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করা হবে। কিন্তু যুদ্ধে মহানাটকীয় মোড় এনে ম্যাচ রেফারি এ বার ডেকে পাঠান মুস্তাফিজুরকে। যাঁর আম্পায়ার্স রিপোর্টে নামই ছিল না! কিন্তু ভারতের শুনানির পরে মুস্তাফিজুরকে ডেকে তাঁরও পঞ্চাশ শতাংশ ম্যাচ ফি কেটে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ যে সেটা খুব ভাল ভাবে নেয়নি বলাই বাহুল্য। শুনানি চুকেবুকে যাওয়ার পরে টিম হোটেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাংলাদেশ বোর্ড প্রেসিডেন্ট বলে দেন, ‘এটা মাঠের ব্যাপার। তবে যা হল সেটা আমাদের পছন্দ নয়।’ আবহ যার পর আরও গুমোট হয়ে গেল। ভারত— তারাও গত রাতে ড্রেসিংরুমে শাস্ত্রীর মৃদু শাসনের বাইরে ময়নাতদন্ত নিয়ে এগোতে পারল না। অধিনায়কের সম্মান বাঁচাতেই গোটা দিন বেরিয়ে গেল। কিন্তু পুরো বাঁচল তো? বাংলাদেশ মিডিয়া বলল বাংলাদেশের জয়, মাশরফি মর্তুজার প্রকাশ্যে ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া, মুস্তাফিজুরের দোষ স্বীকার— এই তিনটে ফ্যাক্টর কাজ না করলে আরও বিপন্ন হতে পারত ধোনির ভাবমূর্তি। বলল, ধোনিকে আগে যুধিষ্ঠিরের সম্মানে দেখা হত। বৃহস্পতিবারের রাত থেকে যা আর সম্ভব নয়।
এমএসডি নাকি প্রমাণ করে দিয়েছেন, তিনিও রক্তমাংসের মানুষ। তার সম্মান-রথের চাকাও প্রয়োজনে মাটি ছোঁয়!”

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on ধোনির চাপেই মুস্তাফিজের জরিমানা! (ভিডিও)

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ

Kill2স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর ভাষানটেকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। ছাত্রীর নাম ঝুমুর আক্তার (২০)। তার বাবার নাম ইসমাইল। তিনি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
আজ বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে মিরপুর ১৪ নম্বরের মার্কস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঝুমুরের বড়বোন হাজেরা খাতুন জানান, আব্দুল আজীজ গাজী নামের ঝুমরের স্বামীই ঝুমুরকে হত্যা করেছে। দেড় বছর আগে ফুঁসলিয়ে গোপনে ঝুমুরকে বিয়ে করেছিল পুর্ববিবাহিত আজিজ। এর মধ্যে গত বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজিজের পূর্বের স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৪০) মারা যান। ঝুমুর রাজিয়ার ভাগ্নি হন। অভিযোগ ওঠে রাজিয়াকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছিল আজিজই।
হাজেরা খাতুন জানান, আজ (শনিবার) সকালে ঝুমুরের পেটের ব্যথার কথা বলে মিরপুর ১৪ নম্বরের মার্কস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করাতে নিয়ে যান মানিক নামের এক লোক। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ঝুমুরকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভাষানটেক থানার এসআই জিয়াউল হক ঝুমুরের লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গে পাঠান।
ধারণা করা হচ্ছে মানিক আজিজের লোক।
হাজেরা অভিযোগ করেন, আজিজ তার বোনকে সুকৌশলে হত্যা করেছে।

চার বোন এক ভাইয়ের মধ্যে ঝুমুর ছিল বার ছোট। তাদের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব থানার শিখিরচরে। সিদ্ধিরগঞ্জের সানার পাড়ায় তারা থাকতেন।
ঝুমরের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মর্গসূত্র জানিয়েছে, কিছু নমুনা সংগ্রহ করে তারা পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য মহাখালি রাসায়নিক কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে কীভাবে ঝুমুর মারা গেছেন।
এদিকে, ভাষানটেক থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, লাশ উদ্ধার কিম্বা কাউকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

Posted in জাতীয় | Comments Off on বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ

 দেখতে খারাপ হলেও খাওয়ার উপযোগী

Kamrulস্টাফ রিপোর্টার : ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গমের স্যাম্পল দেখতে লাল, ছোট ও খারাপ হলেও তা ‘খাওয়ার অনুপযোগী’ নয়। খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষায় এমনটাই জানা গেছে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। এ গম নিয়ে যতো কথা হচ্ছে তার সবই শূন্যের ওপর বলে দাবি করেন খাদ্যমন্ত্রী। সঠিক পরীক্ষা ছাড়া কেউ এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারেন না বলেও দাবি করেন তিনি।
শনিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বক্তৃতায় খাদ্যমন্ত্রী এ দাবি করেন। বিভিন্ন সংসদ সদস্য এ বিষয়ে কথা বলছেন এবং জনমনে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে বলেই তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন।
যদিও খাদ্যমন্ত্রী নিজেদের অজ্ঞতার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘দুবারের পরীক্ষার পরও এখানে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। আমাদের আসলে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না, ফলে নিম্নমানের কোটেশন দেয়ার পরও আমরা ঠিক বুঝতে পারি নাই। তবে আমরা এতো গুরুত্ব দেইনি কারণ যখন অস্ট্রেলিয়া, ইউকে থেকে গম আনতাম তখন সেগুলোর মান নিয়ে কোনো কথা ওঠেনি।’
পুরোপুরি পরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌছার আগেই কেউ একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ গমের স্যাম্পল পৌঁছে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ স্যাম্পল দেখে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। আর কেন এমন হলো তা দ্রুত বের করে এর সমাধানের নির্দেশও দিয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ১৫-১৬টি জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আবারও ল্যাবে দেয়া হয়েছে। যার রিপোর্ট আগামী তিনদিনের মধ্যে হাতে পাওয়া যাবে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কথা বলা হবে।’
মন্ত্রী জানান, ৩০ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম বিতরণ করা হলেও তা নিয়ে খুব একটা বিতর্কিত কথাবার্তা হয়নি। আর কাউকে এ গম জোর করে দেয়া হয়নি।
বর্তমানে বিভিন্ন গুদামে এখন দেড় লাখ মেট্রিক টন গম আছে বলেও জানান কামরুল ইসলাম।

Posted in জাতীয় | Comments Off on  দেখতে খারাপ হলেও খাওয়ার উপযোগী

কিয়ামতের দিন যাদের জন্য সুপারিশ করবেন নবীজী (সা.)

11130138_832895210128440_5110334999636383232_nইসলাম ডেস্কঃ ক্ষণস্থায়ী এ দুনিয়ায় মানুষ কত কিছুই না করছেন। আল্লাহ তা’য়ালার আদেশ অমান্য করে বিপথগামী হচ্ছেন। এটা সন্দেহাতীত যে, মৃত্যুপরবর্তী রোজ কিয়ামতে হাশরের ময়দানে শুধু হযরত ইব্রাহিম (রা.) ব্যতীত প্রতিটি মানুষকে খালি পাও, উলঙ্গ দেহ এবং খাতনাবিহীন অবস্থায় সমবেত করা হবে এবং বেহেশত ও দোযখের চূড়ান্ত ফায়সালা হবে।
হযরত আবু হোরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, আমি এক দাওয়াতে নবী করীম (সা.)-এর সাথে ছিলাম। তিনি এরশাদ করেন, আমি কিয়ামতের দিন সকলের সর্দার হব। সে কঠিন দিনে কষ্ট সাইতে না পেরে মানুষ অস্থির হয়ে যাবে এবং কার দ্বারা সুপারিশ করলে আল্লাহ্ কবুল করবেন সে রূপ লোক তালাশ করতে থাকবে।
অতপর অন্যান্য নবীগণের নিকট হতে ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষে সমস্ত লোক হুজুর (সা.)-এর কাছে এসে বলবে আপনি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, আমাদের কষ্ট তো আপনি দেখেছেন, এখন দরবারে এলাহীতে আমাদেও জন্য সুপারিশ করুন যাতে আমাদেরকে পরিত্রাণ দেয়া হয়।
নবীজী (সা.) বলেন, আমি তখন আল্লাহ্র আরশের নিচে এসে সিজদায় পড়ে কান্নাকাটি করতে থাকব। অতপর আল্লাহ্ও তরফ থেকে বলা হবে, আপনি মাথা উঠান এবং ফরিয়াদ পেশ করুন। আপনার ফরিয়াদ কবুল করা হবে।
হুজুর (সা.) তখন মাথা উঠাবেন এবং বলবেন, হে প্রভু! তুমি আমার উম্মতগণকে ক্ষমা কর। আল্লাহ্ তায়ালা বলবেন, হে আমার প্রিয় নবী! আমার বেগোনাহ বান্দাদেরকে বেহেশতের ডান দিকের দরজা দিয়ে প্রবেশ করান। এতদ্ব্যতীত অন্য দরজা দিয়েও ইচ্ছে করলে ঢুকাতে পারেন।
সে বিচারে একমাত্র যিনি সুপারিশ করতে পারবেন তিনি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)। হযরত আউফ বি মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আমার কাছে আল্লাহ্ তা’য়ালার কাছে থেকে এক দূত এসে জানালেন যে, আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাকে দুটি প্রস্তাব দিয়ে পাঠিয়েছেন। এ দুটির মধ্যে থেকে যেকোনো একটি গ্রহণ করতে হবে। প্রস্তাব দুটি হলো আমার অর্ধেক উম্মতকে বিনা হিসেবে বেহেশতে দেয়া হবে অথবা আমি যেকোনো উম্মতের জন্য আমার ইচ্ছেমত সুপারিশ করতে পারব। আমি সুপারিশ করার ক্ষমতাটাকেই গ্রহণ করেছি। কাজেই অমি মুশরিক ব্যতীত সকলের জন্য শাফায়াত করব।
হযরত আবু হোরায়রা (রা.) বলেন যে, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ্ তা’য়ালা সকল নবীগণকেই একটি বিশেষ ক্ষামতা দিয়েছেন। তা এটাই যে, তাঁদের একটি দোয়া অবশ্যই কবুল করা হবে। সকল নবীই প্রয়োজন মোতাবেক এক একটি জিনিস চেয়ে নিয়েছেন এবং তারা সকলেই পার্থিব জিনিস চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের নবীজী এরশাদ করেছেন, ‘আমি এ সুযোগ পৃথিবীতে গ্রহণ করিনি। রোজ হাশরে আমি আমার প্রাপ্য আদায় করব এবং তা হবে আমার উম্মতের নাজাতের জন্য সুপারিশ করা।’
১। হাশরের ময়দানে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে অতি শিগগিরই হিসাব-নিকাশের কাজ শুরু করার জন্য সকল নবীগণের কাছে যেতে শুরু করবে। কিন্তু সকলেই অপরাগতা প্রকাশ করার পর বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কাছে উপস্থিত হবে এবং তিনি পৃথিবীর সমস্ত মানবজাতির জন্য সুপারিশ করবেন।
২। দ্বিতীয় সুপারিশ হবে প্রথম দরজার মু’মিনগণকে হিসাব-নিকাশ ছাড়াই বেহেশতে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার জন্য। এটাও শেষ নবীই (সা.) করবেন।
৩। তৃতীয় সুপারিশ হবে যারা স্বীয় অপকর্মের জন্য জাহান্নামে যাওয়ার উপযুক্ত হয়ে পড়েছে তাদেরকে ক্ষামা করে দেয়ার জন্য। এ সুপারিশ নবীজী করবেন। এতদ্ব্যতীত ওলামা, শুহাদা এবং অন্যান্য মু’মুমিনগণও করবেন।
৪। চতুর্থ সুপারিশ হবে ঐ সকল গোনাহগারদের জন্য যাদেরকে জাহান্নামে দাখিল করা হয়েছে তাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য আরজ পেশ করা হবে। আম্বিয়ায়ে কেরাম এবং ফেরেশতাগণ এজন্য সুপারিশ করবেন।
৫। পঞ্চম সুপারিশ করা হবে যাদেরকে বেহেশতে দাখিল করা হয়েছে তাদের মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেয়ার জন্য।

Posted in ইসলাম | Comments Off on কিয়ামতের দিন যাদের জন্য সুপারিশ করবেন নবীজী (সা.)

রক ছবিতে মৌসুমী

imagesবিনোদন ডেস্ক : আগামী ২ জুলাই থেকে নতুন ছবিতে অংশ নিচ্ছেন মৌসুমী হামিদ । শফিক হাসানের নতুন ছবি ‘রক’ । ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন চলচ্চিত্রের উঠতি নায়িকা মৌসুমী হামিদ । তার সঙ্গে ছবিটির শুটিংয়ে অংশ নেবেন বাংলাদেশ থেকে একজন নায়ক। তবে কে থাকছেন তার বিপরীতে সেটা এখনো ঠিক করা হয়নি। তবে আগামী দু’একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে বলে জানা যায়।
২ তারিখ থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হবে উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে। এই শুটিংয়ে মৌসুমী হামিদ সহ আরো অংশ নেবেন ছবিটির অন্যান্য অভিনয় শিল্পীরা। ১০ তারিখের পর থেকে ভারতের শিল্পীরা অংশ নেবেন শুটিংয়ে।
mousumi_hamid_710754010ছবিটির গল্পে মৌসুমী হামিদকে দেখা যাবে ক্যালিফোর্নিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী এক পরিবারে দুই বোনের মধ্যে ছোট বোনের চরিত্রে। বড় বোন বিদ্যা সিনহা মিম সাংবাদিক। তিনি বাংলাদেশে আসেন বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরির জন্য। তার সঙ্গে ছোট বোন মৌসুমী হামিদও আসেন ঘোরার উদ্দেশে। কিন্তু ছোট বোনের আরেকটি উদ্দেশ্যও ছিলো দেশে আসার। যেটা বড় বোন সহ পরিবারের কেউ জানতেন না। দেশে এসে নানা ঘটনার শিকার হন তিনি। এক পর্যায়ে মৌসুমী হামিদ খুন হন। এভাবেই এগিয়ে যাবে ছবিটির গল্প।

Posted in বিনোদন | Comments Off on রক ছবিতে মৌসুমী

বিয়ে করছেন বাপ্পি ও আচঁল!

achol-bappy-1বিনোদন ডেস্ক : বিদেশী সংস্কৃতির মত বাংলাদেশে ও এখন লিভটুগেদার সাধারন বিষয় হয়ে গেছে। বিশেষ করে মিড়িয়াতে দিন দিন বাড়ছে লিভটুগেদার থাকার প্রবণতা। বিয়ে না করেই একই ছাদের নিচে বসবাস করছে মিড়িয়ার কিছু জুটি এর আগে শাকিব খান অপু বিশ্ষাস ,নতুন করে শোনা যাচ্ছে আঁচল বাপ্পির নাম।জটিল প্রেম ছবির মধ্য দিয়ে কাজ শুরু করে আচল ও বাপ্পি। সে থেকে চুপিসারে শুরু হয় তাদের প্রেম। আরও অনেক ছবিতে একসাথে কাজ করার সুযোগ পায় এই জুটি ফলে দিন দিন বাড়তে থাকে তাদের প্রেম। বিভিন্ন সূত্রে জানা
গেছে তারা এখন দুইজন লিভটুগেদার করছেন তারা। কয়েকজন পরিচালক প্রযোজক বলেন যে কোন কিছুতেই তাদের দুইজনকে একসাথে দেখা যায় এমনকি শুটিং এ একজন আরেকজনকে বউ জামাই এর মত শাসন করে যা দেখে হতবাক হয় শুটিং ইউনিট। শোনা যাচ্ছে তারা শীঘ্রই বিয়ে করবেন বলে বিশেষ সূত্র জানিয়েছেন।
achol-bappyকটি জুটি যখন ভালভাবে কাজ করে দর্শকরা ও মেনে নেয় সেই জুটিকে । কিন্তু পরবর্তীতে পর্দার আড়ালে যখন জানতে পারে তাদের লিভটুগেদার ও গোপনে বিয়ে করার বিষয় তখন দর্শকরা ও অনেক হতবাক হয় এমনটা বলছেন সিনেমা বিশ্লেষকরা।

Posted in বিনোদন | Comments Off on বিয়ে করছেন বাপ্পি ও আচঁল!

বাসর রাতের করনীয়-বর্জনীয় : যা না জানলেই নয়!

160-300x200ইসলাম  ডেস্ক :
১. প্রশ্ন : বাসর রাতে নববধু কিভাবে সজ্জিত হবে?
উত্তর : নববধু মেহেদি ব্যবহার করবে, অলংকার পরবে এবং সধ্যমত শরীয়ত সম্মত উপায়ে সেজেগুজে উত্তম পোশাক-পরিচ্ছেদে সজ্জিত হবে। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী)
২. প্রশ্ন : বাসর ঘরে প্রবেশ করে কোন নামাজ পড়বে কি না?
উত্তর : পুরুষ বাসর ঘরে প্রবেশ করতঃ নববধুকে সহ দুই রাকআত (শুকরানা) নামায পড়বে। (দেখুন- শিরআতুল ইসলাম, আহকামুল ইসলাম)
৩. প্রশ্ন : নামায পড়ার পর কি করবে?
উত্তর : অতঃপর স্ত্রীর কপালের উপরিস্থিত চুল ধরে বিসমিল্লাহ বলে এই দুআ পাঠ করা সুন্নাত-(বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা যুবিলাত আলাইহি, ওয়া আউযুবিকা মিন শাররি হা ওয়া শাররি মা যুবিলাত আলাইহি) (দেখুন- ইমাদাদুল ফাতওয়া, আহকামুল ইসলাম)
৪. প্রশ্ন : বাসর ঘরে ঢুকে নামায ও দোয়া পড়ার পর আর কোন আমল আছে কি না?
উত্তর : বিভিন্ন ইসলামী কিতাবে বাসরঘরে ঢুকে উপরোক্ত আমলগুলো করতে বলা হয়েছে। এরপর স্বামী-স্ত্রী নিজেদের মত নিজেরা পরিচিত হতে থাকবে। তবে প্রথমে স্বামী মহর বিষয়ক আলোচনা করে নিবে। তা পূর্ণ আদায় না করে থাকলে স্ত্রী থেকে সময় চেয়ে নিবে। (সূত্র- আহকামুল ইসলাম)
৫. প্রশ্ন : সংগম শুরু করার পূর্বে সর্বপ্রথম কি করতে হবে?
উত্তর : সংগম শুরু করার পূর্বে সর্ব প্রথম নিয়ত সহীহ করে নেয়া; অর্থাৎ, এই নিয়ত করা যে, এই হালাল পন্থায় যৌন চাহিদা পূর্ণ করার দ্বারা হারামে পতিত হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে, তৃপ্তি লাভ হবে এবং তার দ্বারা কষ্ট সহিষ্ণু হওয়া যাবে, ছওয়াব হাছেল হবে এবং সন্তান লাভ হবে। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী, আহকামুল ইসলাম)
৬. প্রশ্ন : অনেকে বলে বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে সহবাস করা অনুচিত, কথাটি ঠিক কি না?
উত্তর : না, এধরণের কথা ঠিক নয়, এ সময় যে কোন উপভোগের জন্য স্বামী-স্ত্রী পূর্ণ স্বাধীন। তারা সন্তুষ্টচিত্তে যে কোন কাজ করতে পারে। তবে অবশ্যই প্রথমরাত হিসেবে একে অপরের চাহিদার প্রতি লক্ষ রাখা উচিত। (সূত্র- আহকামুল ইসলাম, আহমাকে জিন্দেগী)
৭. প্রশ্ন : সংগমের শুরুতে কোন দোয়া পড়তে হবে?
উত্তর : সংগমের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলে কার্য শুরু করা। তারপর শয়তান থেকে পানাহ চাওয়া। উভয়টিকে একত্রে এভাবে বলা যায়- বাংলা উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শাইতানা ওয়া জান্নিবিশ শাইতানা মা রাযাকতানা। অর্থ : আমি আল্লাহর নাম নিয়ে এই কাজ আরম্ভ করছি। হে আল্লাহ, শয়তানকে আমাদের থেকে দূরে রাখ এবং যে সন্তান তুমি আমাদের দান করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী)
৮. প্রশ্ন : সংগমের বিশেষ কিছু আদব ও বিধি-নিষেধ জানতে চাই?
উত্তর : সংগমের কিছু আদব ও নিয়ম নিন্মরূপ- কোন শিশু বা পশুর সামনে সংগমে রত না হওয়া, পর্দা ঘেরা স্থানে সংগম করা, সংগম শুরু করার পূর্বে শৃঙ্গার (চুম্বন, স্তন মর্দন ইত্যাদি) করবে। বীর্য, যৌনাঙ্গের রস ইত্যাদি মোছার জন্য এক টুকরা কাপড় রাখা, সংগম অবস্থায় বেশী কথা না বলা, বীর্যের ও স্ত্রীর যৌনাঙ্গের প্রতি দৃষ্টি না করা, সংগম শেষে পেশাব করে নেয়া, এক সংগমের পর পুনর্বার সংগমে লিপ্ত হতে চাইলে যৌনাঙ্গ এবং হাত ধুয়ে নিতে হবে, বীর্যপাতের পরই স্বামীর নেমে না যাওয়া বরং স্ত্রীর উপর অপেক্ষা করা, যেন স্ত্রীও তার খাহেশ পূর্ণ মাত্রায় মিটিয়ে নিতে পারে, সংগমের পর অন্ততঃ বিছুক্ষণ ঘুমানো উত্তম, জুমুআর দিনে সংগম করা মুস্তাহাব, সংগমের বিষয় কারও নিকট প্রকাশ করা নেষেধ, এটা একদিকে নির্লজ্জতা, অন্যদিকে স্বামী/স্ত্রীর হক নষ্ট করা, সংগম অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে নজর না দেয়া, তবে হযরত ইবনে ওমর (রা.) সংগম, অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে দৃষ্টি দয়া উত্তেজনা বৃদ্ধির সহায়ক বিধায় এটাকে উত্তম বলতেন। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী)
৯. প্রশ্ন : কোন কোন অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সংগম করা যাবে না?
উত্তর : নিম্নোক্ত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সংগম করা যাবে না। স্ত্রীর মাসিক বা প্রসবকালীন স্রাব চলা কালে। এতেকাফ অবস্থায়। রোজার দিনের বেলায়। এহরাম অবস্থায়। স্ত্রীর পিছনের রাস্তা দ্বারা। (দেখুন- স্বামী-স্ত্রীর মধুর মিলন, আহকামে জিন্দেগী)
১০. প্রশ্ন : সংগম অবস্থায় স্ত্রীর যোনীর দিকে নজর দেয়া যাবে কি না
উত্তর : সংগম অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে নজর না দেয়া। তবে হযরত ইবনে ওমর (রা.) সংগম, অবস্থায় স্ত্রী-যোনীর দিকে দৃষ্টি দয়া উত্তেজনা বৃদ্ধির সহায়ক বিধায় এটাকে উত্তম বলতেন। (সূত্র – শরহুন নুকায়া ও হিদায়া)
১১. প্রশ্ন : বীর্যপাতের সময় কোন দোয়া পড়বে?
উত্তর : বীর্যপাতের সময় নিম্নোক্ত দুআটি পড়বে- বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা তাজআল লিশ্শাইতানি ফিমা রাযাকতানী নাসীবান। অর্থ : হে আল্লাহ, যে সন্তান তুমি আমাদেরকে দান করবে তার মধ্যে শয়তানের কোন অংশ রেখ না। (দেখুন- আহকামে জিন্দেগী)
১২. প্রশ্ন : সংগম অবস্থায় স্ত্রীর যোনী স্বামী চোষতে পারবে কি না? এবং স্বামীর লিঙ্গ স্ত্রী চোষতে পারবে কি না?
উত্তর : সংগম অবস্থায় স্বামী স্ত্রী একে অপরের লজ্জাস্থানকে চোষা এবং মুখে নেওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ, এবং মাকরুহ ও গুনাহের কাজ। এটা কুকুর, গরু, বকরী ইত্যাদি প্রানীর স্বভাবের মত। তাই এ কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। চিন্তা করে দেখুন যে মুখে পবিত্র কালিীমা পড়া হল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা হয়, দরুদ শরীফ পড়া হয়, তাকে এমন নিকৃষ্ট কজে ব্যবহার করতে মন কিভাবে চায়। তাই এ কাজ মুমিনের কাজ হতে পারে না। (দেখুন- ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া ও ফাতাওয়ায়ে রহীমিয়া, আহকামে জিন্দেগী)
১৩. প্রশ্ন : দাঁড়িয়ে সহবাস করা যাবে কি না?
উত্তর : হ্যাঁ, দাঁড়িয়েও সহবাস করা যাবে। যারা বলে দাঁড়িয়ে সহবাস করা যায় না তাদের কথা ঠিক নয়। তাই ঐ কথায় কান দেয়া যাবে না। (দেখুন- ইতহাফুস সাদাতিল মাত্তাকীন, আল কাউসার, আহকামে জিন্দেগী)
গ্রন্থনা ও সম্পাদনায় : মাওলানা মিরাজ রহমান ( প্রিয়.কম)

Posted in ইসলাম | Comments Off on বাসর রাতের করনীয়-বর্জনীয় : যা না জানলেই নয়!

১০২ এজেন্সির ১৫ হাজার হজযাত্রীর কাগজে গরমিল

178ঢাকা: হজযাত্রীদের পাসপোর্টের সঙ্গে মোয়াল্লেম ফি জমা দেওয়ার ব্যাংক কপির তথ্যে গরমিল থাকায় ১০২টি এজেন্সির হজযাত্রীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে পুলিশ ছাড়পত্র নেই এমন এজেন্সির হজযাত্রীদের মোয়াল্লেম ফি ফেরতসহ তাদের তালিকাও চেয়েছে মন্ত্রণালয়। এই গলদ কাগজপত্রের হজযাত্রী সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। সম্প্রতি পাসপোর্টের সঙ্গে মোয়াল্লেম ফি জমার ব্যাংকের কপির তথ্যে গড়মিলে ব্যবস্থা নিতে এবং পুলিশ ছাড়পত্র বিহীন হজযাত্রীদের তালিকা চেয়ে আশকোনা হজ অফিসের পরিচালকের কাছে দুইটি চিঠি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মোয়াল্লেম ফি জমার আগে ভ‍ুয়া নামে ডাটা এন্ট্রি এবং হজ ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির সুযোগ রাখায় এমনটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে হজ এজেন্সিগুলো মোয়াল্লেম ফি জমা দেওয়া যাত্রীদের নামে ডাটা রিপ্লেসের চেষ্টারও। গত ১৩ জুন ১০২টি হজ এজেন্সির হজযাত্রীদের কাজগপত্র যাচাই-ব‍াছাই করে তিনদিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব হাসিনা শিরীন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘ঢাকা আইটি ডেস্ক কর্তৃপক্ষের নতুন বরাদ্দ করা ২৯৩টি হজ এজেন্সির মধ্যে ১৯১টির তালিকার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০২টি এজেন্সির অনুকূলে বরাদ্দ করা হজযাত্রীদের তালিকা অনুযায়ী পাসপোর্টের সঙ্গে জমাকৃত মোয়ালেম ফির ব্যাংক কপির কোনো মিল নেই। তিন কার্য দিবসের মধ্যে এসব হজযাত্রীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’ একই দিনে পাঠানো অপর চিঠিতে বলা হয়, ‘যেসব হজ এজেন্সির নির্ধারিত হজযাত্রীদের পুলিশ ছাড়পত্র সন্তোষজনক পাওয়া যায়নি, তাদের এজেন্টদের পুলিশ ছাড়পত্রের মাধ্যমে বাদ পড়া হজযাত্রীদের মোয়াল্লেম ফি ফেরত দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ লাইসেন্স ওয়ারি তালিকা জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ বছর বেসরকারি এজেন্সিগুলো ৯১ হাজার ৭৫৮ জনকে হজে পাঠাতে পারবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় আরও ১০ হাজারসহ এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ১ হাজার ৭৫৮ জনকে হজে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সরকারিভাবে ১০ হাজারের মাত্র ৩ হাজার পূরণ হওয়ায় বাকি ৭ হাজার বেসরকারি ব্যবস্থপনায় নেওয়অ হবে বলে জানায় সূত্র।  সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গত ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১ হাজার ৪২৪টি হজ এজেন্সির অধীনে ৯১ হাজার ২৭ জনের নাম তালিকাভুক্তি করা হয়। ‍ এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যারা তালিকাভুক্তি হয়েছেন সেসব হজযাত্রীর নামে মোয়াল্লেম ফি জমার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদিও মোয়াল্লেম ফি জমা দেওয়ার  শেষ তারিখ ছিল ১ মার্চ। অর্থাৎ তালিকাভুক্তির পরও মোয়াল্লেম ফি জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। আবার মোয়াল্লেম ফিও জমা হয় অতিরিক্ত হজযাত্রীর নামে। মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (হজ) হাসান জাহাঙ্গীরের ‘অবিবেচক’ কর্মকাণ্ডের জন্যই এ অব্যবস্থাপনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম সচিব হাসান জাহাঙ্গীর বলেন,‘কারিগরি ত্রুটির কারণেই এ অবস্থা স‍ৃষ্টি হয়েছে। এখনও সফটওয়ার ঠিকভাবে কাজ করছে না। আরও আপডেট করতে হবে।’ ‘আরও ৭ হাজার হজযাত্রীকে বেসরকারি কোটায় ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যাদের ডাটা এখনও এন্ট্রি করা হয়নি তাদের মোয়াল্লেম ফি জমা নিয়ে সমতার ভিত্তিতে নতুন করে ডাটা এন্টি করা হবে,’ যোগ করেন তিনি।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ১০২ এজেন্সির ১৫ হাজার হজযাত্রীর কাগজে গরমিল

জামায়াতের কব্জামুক্ত হওয়ার পথ খুঁজছে বিএনপি

Khalada_Motiur_bg_265517576ঢাকা: দেশি-বিদেশি চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত জামায়াতের কব্জা থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জামায়াতের কারণেই পরপর দু’টি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ‘সহিংস’ আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে। তাদের কারণেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে জনগণের সমর্থন পায়নি বিএনপি। তাই এখন জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ ছাড়া কোনো উপায়ন্তর নেই। এ বিষয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, আমরা যখনই কোনো কর্মসূচি দেই, তখনই জামায়াত অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। এরপরে কোনো কর্মসূচিতে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের জোট থেকে বের করে দেবো, অথবা আমরা তাদের কাছ থেকে সরে আসবো। সূত্র জানায়, নানা সমালোচনা ও দেশি-বিদেশি চাপ উপেক্ষা করেও দু’টি কারণে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছিলো বিএনপি। প্রথমত যে কোনো ধরনের আন্দোলনে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে দ্বিধা করে না জামায়াত। দ্বিতীয়ত, আন্দোলনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বেশিরভাগ যোগান জামায়াতের কাছ থেকে পায় দলটি। কিন্তু পর পর দু’টি আন্দোলনে নজিরবিহীন ‘নাশকতা’ ছাড়া বিএনপিকে আর কিছুই দিতে পারেনি জোটসঙ্গী জামায়াত। চোরাগোপ্তা হামলা, পেট্রোলবোমা, ককটেল বিস্ফোরণ, রেলে নাশকতা, সরকারি অফিসে অগ্নিসংযোগ, বিদ্যুৎ স্টেশন জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো ভয়াবহ সন্ত্রাস ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড ছিলো বিএনপির জন্য জামায়াতের ‘উপহার’।
২০১৩ সালের সহিংস আন্দোলনের পর ২০১৪ সালের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট, ব্রিটেনের হাউস অব কমন্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্ট জামায়াতের সঙ্গ ছাড়তে বিএনপিকে পরামর্শ দেয়।
সূত্রমতে, বন্ধুভাবাপন্ন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওই পরামর্শ তখন আমলে নেননি বিএনপির শীর্ষ নেতারা। তারা ভেবেছিলেন, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে শক্ত করে একটা চাপ দিতে পারলেই সরকার বাধ্য হবে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে। সে লক্ষ্যেই ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিন অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
কিন্তু ওই অবরোধ কর্মসূচিতে দেশের কোথাও জামায়াতিরা মাঠেন নামেনি। বরং রাতের অন্ধকারে পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে বিএনপির আন্দোলনকে বিতর্কিত করেছে। কোথাও কোথাও নিজেদের এই অপকর্মের সঙ্গী করেছে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের।
সূত্র জানায়, টানা ৯২ দিনের ব্যর্থ আন্দোলন শেষে খালি হাতে ঘরে ফেরার পরই বিএনপির মূল ধারার নেতারা দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জামায়াত ছাড়ার পরামর্শ দেন। তারা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, জামায়াত ছাড়লে বিএনপির প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন বাড়বে।
জানা গেছে, খুব কাছের কয়েকজন নেতার দেওয়া এ পরামর্শ প্রত্যাখ্যান না করলেও তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত দেননি খালেদা জিয়া। তবে জামায়াতের কব্জা থেকে বিএনপিকে মুক্ত করতে হলে এই মুহূর্তে করণীয় কী সে বিষয়ে জানতে চান তিনি। গত মে মাসের মাঝামাঝি গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি ঘরোয়া মিটিংয়ে অংশ নেওয়া এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সম্প্রতি বলেন, ‘চিন্তা কইরেন না, আজ হোক, কাল হোক এটি (জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির ছাড়াছাড়ি) হবেই।’ এ প্রসঙ্গে মাহবুবর রহমান বলেন, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির জোট বা সম্পর্ক আজীবনের জন্য নয়। বিশেষ এক মুহূর্তে বিশেষ প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে জোট বাঁধতে হয়েছিলো। সময়ের প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে জোট নাও থাকতে পারে।
জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই বাংলাদেশ সফরে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরের দ্বিতীয় দিন তার সঙ্গে একান্ত বৈঠকে যে তিনটি প্রশ্নে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিব্রত হন, তার প্রত্যেকটিই ছিলো জামায়াতকেন্দ্রিক।
সূত্র মতে, বিএনপির শীর্ষ নেতারা মনে করেন, জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলে ১০ ট্রাক অস্ত্র, ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক বাতিল এবং ভারতের বর্ধমানে জঙ্গি হামলা নিয়ে খালেদা জিয়াকে কথা শোনাতে পারতেন না নরেন্দ্র মোদি। তাছাড়া, জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশে পাচ্ছে না বিএনপি। সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রচণ্ড ক্ষোভ থাকা সত্ত্বেও ১৪ ও ২০ দলীয় জোটের বাইরে থাকা বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বিএনপির পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে না।
সূত্র জানায়, বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে জামায়াতের কব্জা থেকে দলকে মুক্ত করার পথ খুঁজছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। তবে এ ব্যাপারে শেষ কথাটি বলবেন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on জামায়াতের কব্জামুক্ত হওয়ার পথ খুঁজছে বিএনপি

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud