পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

মায়ার মন্ত্রিত্ব চ্যালেঞ্জ: শুনতে অপারগতা আদালতের

maya_49804_73555আদালত প্রতিবেদক ঢাকা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার এমপি ও মন্ত্রিত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন শুনতে অপারগতা জানিয়েছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। মামলাটি রাজনৈতিক হওয়ায় এটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করে আইনজীবীকে ফেরত দেয় আদালত। বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, ‘রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আমরা শুনানি করবো না।’ মঙ্গলবার আইনজীবী এ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দাখিল করেন।রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় সংসদের স্পিকারকে বিবাদী করা হয়। রিটকারী সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী জানতে চেয়েছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া কোন কর্তৃত্ববলে মন্ত্রী ও এমপিপদে বহাল রয়েছেন। দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় মায়াকে হাইকোর্টের খালাসের রায় বাতিল করে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ২৪ জুন প্রকাশ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই মায়ার মন্ত্রিত্ব ও এমপি পদে থাকা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। রায় প্রকাশের পর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছিলেন, ‘আমার মতে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মায়ার সংসদ সদস্যপদ থাকা উচিত নয়। এটি একটি বিতর্কের বিষয়। সুতরাং এ বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে।’ যদিও ভিন্নমত প্রকাশ করেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তার মতে, ‘মায়ার সংসদ সদস্যপদ থাকাতে কোনো বাধা নেই।’ ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক নূরুল আলম সূত্রাপুর থানায় মায়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মায়ার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মায়াকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা এবং তার প্রায় ছয় কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দেন আদালত।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on মায়ার মন্ত্রিত্ব চ্যালেঞ্জ: শুনতে অপারগতা আদালতের

পেট্রলবোমা: খালেদার বিচারে ট্রাইব্যুনালে পরিকল্পনা

07-07-15-PM_Perliament-1ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পেট্রল বোমা হামলার নির্দেশকারী বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো বিচারের জন্য সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর ২৭ ধারা অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রয়েছে। এ আইনের ২৭ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা-৬ আসনের সংসদ সেলিনা বেগমের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ট্রাইব্যুানাল গঠন করা পর্যন্ত এ আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচার কার্য সম্পন্ন করার জন্য দায়রা জজ বা দায়রা জজ কর্তৃক অতিরিক্ত দায়রা জজকে বিচারকার্য সম্পন্ন করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এসকল মামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মামলাসমূহ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, এ বছরের ৫ জানুয়ারি হতে চলমান হরতাল, অবরোধে এবং শবে বরাতের রাতে কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ৬ জনসহ পেট্রল বোমা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ১৩৪ জনকে হত্যা করা হয়। বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতায় এক হাজার তিনশত ৯৫টি যানবাহন, ১৩ দফা ট্রেনে এবং ছয়টি ট্রেনে নাশকতা চলানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিহতদের স্বজন ও আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহিবল থেকে ২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও আরো এক কোটি ৩৬ লাখ টাকার চেক প্রস্তুত রয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ৮৬০টি যানবাহনের মালিকদের নয় কোটি ৫৭লাখ ৭৯হাজার ১৪০টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ২৮৫টি গাড়ির মালিকদের মধ্যে সাত কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার টাকার চেক প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বলেন, পেট্রল বোমায় গুরুতর আহত এসএসসি পরীক্ষার্থী অনিক, হৃদয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল কাদের এবং ট্রাক ড্রাইভার লিটন মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য একাধিকবার বিদেশে পাঠানো হয়েছে।

Posted in জতীয় সংসদ, জাতীয় | Comments Off on পেট্রলবোমা: খালেদার বিচারে ট্রাইব্যুনালে পরিকল্পনা

গমের আসল পরীক্ষাই করা হয়নি

gom-400x266.thumbnail_73565ঢাকা: ব্রাজিল থেকে আনা গম খেতে কোন ঝুঁকি আছে কি না তার মূল পরীক্ষা না করেই খাদ্য অধিদপ্তর আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, খাদ্য অধিদপ্তর কেবল গমে প্রোটিনের মান, আদ্রতা, ওজন, দানা কতোটা ভাঙা, এতে পোকা আছে কি না সে বিষয়ে পরীক্ষা করিয়েছে। কিন্তু এর বাইরে ক্ষতিকারক ছত্রাক আছে কি না এবং তা খেলে মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে সে পরীক্ষা করায়নি। ব্রাজিল থেকে আনা দুই লাখ পাঁচ হাজার মেট্রিক টন গম নিম্নমানের বলে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা খাওয়ার উপযোগী কি না, তার প্রতিবেদন চায় হাইকোর্ট। গত ৫ জুন খাদ্য অধিদপ্তর গমের পাঁচটি পরীক্ষা করে হাইকোর্টে জমা দেয়।
বাংলাদেশ শিল্প বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ-বিসিএসআইআর, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং খাদ্য অধিদপ্তরের পরীক্ষাগারে দেশের বিভিন্ন খাদ্য গুদাম থেকে আনা ৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। খাদ্য অধিদপ্তর জানায়, ‘ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গম চুক্তিপত্রের নির্দেশ অনুসারে গ্রহণীয় সীমার মধ্যে থাকায় মানুষের খাওয়ার উপযুক্ত বলে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে প্রত্যয়ণ করা হল।’
আদালতে জানানো হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গমের নমুনা পরীক্ষা করে প্রোটিনের যে মাত্রা পাওয়া গেছে তা চুক্তিপত্রের চাহিদার চেয়ে বেশি।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কেবল প্রোটিনের মাত্রা পরীক্ষা করেই এই গমকে খাওয়ার উপযোগী বলার সুযোগ নেই। এতে ক্ষতিকারক ছত্রাক আছে কি না, তার অনুসন্ধানে আফলাটক্সিন পরীক্ষা অবশ্যই করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে আমরা গমের যে ছবি দেখেছি তাতে শস্যদানার ওপর সাদা এবং সবুজ রঙয়ের প্রলেপ দেখেছি। তার মানে এতে ছত্রাক বা অন্য কোন পরজীবী থাকতে পারে। আর সে ক্ষেত্রে তারাও এই গম থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করবে এবং সেখানেই বর্জ্য ত্যাগ করবে। আর গমেই বংশ বিস্তার করবে যে প্রক্রিয়ায় তাতে গমে আলফাটক্সিন জাতীয় ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেবে। এই জীবাণু থাকলে এই গমের আটা খেলে প্রাণঘাতি ডায়রিয়া হতে পারে ভোক্তাদের।
এক প্রশ্নের জবাবে আ ব ম ফারুক জানান, আফলাটক্সিন পরীক্ষা সময়সাপেক্ষ বা খুব বেশি খরচের বিষয় নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিডিডিবিআরবি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত বেশ কিছু পরীক্ষাগারে করা সম্ভব। আর সরকার চাইলে দেশের বাইরেও করাতে পারে। একাধিক পরীক্ষাগারেও পরীক্ষা করে তা মিলিয়ে দেখতে পারে। কেবল গম নয় যেকোনো খাদ্য পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এ পরীক্ষা করে নেয়া জরুরি বলে জানান এ অধ্যাপক।
তবে এই বিশেষজ্ঞের এই উদ্বেগ জানেই না খাদ্য অধিদপ্তর। শস্যদানায় এই ক্ষতিকারক ছত্রাকের বংশবিস্তার বা এর প্রভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মুশফেকা ইফফাৎ। ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘আফলাটক্সিন পরীক্ষার বিষয়ে আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম। এর আগে কেউ আমাদের এ বিষয়ে কিছু বলেনি’।
খাদ্য মন্ত্রণালয় এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি না জেনেই দিনের পর দিন খাদ্য আমদানির অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে-এমন তথ্যে আবার হতবাক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শেখ নজরুল ইসলাম। তিনিও বলেছেন, ‘ব্রাজিল থেকে আনা গমগুলোর সঠিক পরীক্ষা হচ্ছে না। গমগুলো কটটুকু ভাঙা, ময়লা আছে কি না-কেবল এসব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অথচ এটাই মুখ্য বিষয় নয়। গমে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক কোনো পদার্থ আছে কিনা তা কেউ পরীক্ষা করছে না’।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক আরও একটি বিষয়কে সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, ব্রাজিল থেকে আনা বেশিরভাগ গম খাওয়া হয়ে গেছে। এখন যেগুলো আছে সেগুলো আর কতদিন খাওয়া যাবে সেগুলোরও কোনো পরীক্ষা করা হচ্ছে না।

Posted in জাতীয় | Comments Off on গমের আসল পরীক্ষাই করা হয়নি

জাম্বুরা, কমলায় বাড়ে ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি!

jakia..cancer_73556ডেস্ক রিপোর্ট : জাম্বুরা, কমলা ইত্যাদি লেবুজাতীয় ফল নিয়মিত খেলে ‘মেলানোমা’নামক এক ধরনের ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে বলে নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে।
গবেষকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক লাখেরও বেশি মানুষের খাদ্যাভ্যাস পর্যবেক্ষণ করে দেখেন, যারা দৈনিক ১.৬ বার লেবুজাতীয় ফল বা ফলের জুস খান তাদের মেলানোমায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সপ্তাহে দুইবারেরও কম লেবুজাতীয় ফল গ্রহণকারীদের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি।
রোড আইল্যান্ডের রাজধানী প্রভিডেন্সের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির সাওউয়েই উ বলেন, যদিও আমাদের গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জাম্বুরা ও কমলা মেলানোমার ঝুঁকি বাড়ায়, তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে আমাদের আরও গবেষণা প্রয়োজন।
তবে এখনই আমরা লেবুজাতীয় ফল খাওয়া কমানোর উপদেশ দিচ্ছি না। যারা প্রচুর লেবুজাতীয় ফল খান তাদের দীর্ঘসময় রোদে পোড়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা উচিৎ বলে জানালেন তিনি।
গবেষকদের মতে, মেলানোমা এবং লেবুজাতীয় ফলের মধ্যকার সম্ভাব্য সম্পর্কটি হতে পারে এই ধরনের ফলে প্রচুর পরিমাণে থাকা ‘ফিউরোকুমারিন্স’ নামক উপাদান।
পূর্ববর্তী গবেষণায় দেখা গেছে, ফিউরোকুমারিন্স ত্বককে সূর্যের আলোর প্রতি আরও বেশি সংবেদনশীল করে তোলে, এমনকি মেলানোমায় আক্রান্তকারী অতিবেগুনি রশ্মির প্রতিও।
যুক্তরাষ্ট্রের এক লাখ পুরুষ ও মহিলাকে ২৬ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করে এই গবেষণা করা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৪০ জনের মেলানোমা ধরা পড়ে।
লেবু বা টকজাতীয় ফল (আস্ত জাম্বুরা, আস্ত কমলা এবং এগুলোর রস) খাওয়ার সঙ্গে নারী পুরুষ উভয়েরই মেলানোমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বিশেষত, জাম্বুরার সঙ্গে এই সম্পর্ক সবচেয়ে শক্তিশালী, এরপরেই আছে কমলার জুস। অনলাইনে জার্নাল অফ ক্লিনিকাল অনকোলজিতে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।

Posted in স্বাস্থ্য | Comments Off on জাম্বুরা, কমলায় বাড়ে ত্বক ক্যান্সারের ঝুঁকি!

প্রেমের ফাঁদে বিবস্ত্র ছবি পরে ভয় দেখিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

rap8j1-600x343

Posted in সারা দেশ | Comments Off on প্রেমের ফাঁদে বিবস্ত্র ছবি পরে ভয় দেখিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

ইউনুস সমর্থকরা গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করছে

1416844510স্টাফ রিপোর্টার : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সমর্থকরা গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন,‘দেশে ক্ষুদ্রঋণের প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েছেন ড. ইউনুস। তিনিই প্রথম ব্যক্তি। কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় হলো- একসময় নিজেই তিনি ক্ষুদ্রঋণের ইন্সটিটিউশন বনে যান (গ্রামীন ব্যাংকের মালিক)। এটা নিয়েই তার সাথে আমাদের বিরোধ। গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন করার প্রয়োজন। কিন্তু ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডারধারী ইউনুসের সমর্থকরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তারা বিভিন্ন সময় মামলা করে এ উন্নয়ন ঝুলিয়ে রেখেছে।’ গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যবিবরণীর হিসাব বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান,অর্থ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খাইরুল হোসেন, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার (ইডরা) চেয়ারম্যান শেফাক আহমেদসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন বিনিয়োগ বাজারে পরিনত হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন,‘আমাদের পুঁজিবাজার আগে ফটকা বাজার ছিলো। এটিকে মানুষ করতে সময় লেগেছে। গত ৪/৫ বছরে নানা সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় এর যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। এখন এটি বিনিয়োগ বাজারে রুপ নিচ্ছে।’ গতবছর ডিসেম্বরে বিএসইসি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ ক্যাটাগরির নিয়ন্ত্রক সংস্থার মর্যাদা লাভ করেছে বলে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে দেশের বীমা শিল্প নিয়ে মুহিত বলেন, আমাদের দেশে বীমা শিল্পের তদারক ব্যবস্থা এখনও দূর্বল অবস্থায় রয়ে গেছে। এই অবস্থা উন্নয়নের চেস্টা চলছে। বিমা খাতে এখনও ভয়ানক দূর্ণীতি ও অনিয়ম চলে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যবিবরণীতে পুরো আর্থিক খাতের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আগে কেবলমাত্র ব্যাংকিং খাতের তথ্যাদি থাকতো। এবার এর বিশেষত হলো-এই প্রথমবারের মতো পুরো আর্থিক খাতকে তুলে আনা হয়েছে। অনুষ্ঠানশেষে অর্থমন্ত্রী মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাস অর্থায়ন প্রতিরোধে ২০১৫-১৭ সালের জন্য প্রণীত জাতীয় কৌশলপত্র ‘প্রিভেন্টিং মানি লন্ডারিং এন্ড কমবাটিং ফাইন্যান্সিং অব টেরিরিজম’ শীর্ষক বইয়েরও মোড়ক উন্মোচন করেন।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on ইউনুস সমর্থকরা গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত করছে

বিপথগামী স্বামীকে সুপথে আনতে যা করবেন স্ত্রী!

stock-photo-love-triangle-791216ফিচার ডেস্ক : আপনার স্বামী যদি হন এমন একজন, যিনি নামাজ পড়েন না অথবা দাড়ি শেভ করেন, অথবা গান শোনায় অভ্যস্ত, অথবা সিনেমায় আসক্ত, অথবা নোংরা ভাষায় কথা বলেন, কিংবা যদি হয় সেন্টিমেন্টাল বা গোঁয়ার টাইপের, অথবা কৃপণ প্রকৃতির, অথবা এমন বহু রকমের দোষে দুষ্ট । আর আপনি তার এসব আচরণ বদলাতে চান। প্রাণপণে কামনা করেন, যেনো সে শুধরে যায়। যন্ত্রণায় আর পরিতাপে দগ্ধ হয়ে আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন কিভাবে আমি তার ওপর প্রভাব খাটাতে পারি? কী করে তাকে আমি শোধরাতে পারি? তাকে বদলাতে পারি? তাকে ভালো করে, সুস্থ করে সুপথে ফিরিয়ে আনতে পারি? তাহলে আপনার জন্যে এই টিপসগুলো অবলম্বন করা একান্ত জরুরি ।
১. নিজে ত্রুটিমুক্ত থাকুন : আপনি যেসব দোষ আপনার স্বামীর দেহ-মন কিংবা আচরণ থেকে বদলে ফেলতে চান, প্রথমত আপনাকে সে-সব আচরণ থেকে অবশ্যই দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোনোক্রমেই সে সব আচরণ তার সামনে যেনো প্রকাশ পেয়ে না যায়, সে জন্যে সাবধান থাকুন ।
২. তাকে বলুন, সে একজন ভালো মানুষ : এটা আপনাকে ও আপনার স্বামীকে সব রকমের মনমালিন্য থেকে দূরে রাখবে। তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। তার দোষগুলো তার সামনে উপস্থাপন না করে বরং কৌশলে বোঝানোর চেষ্টা করুন, তার এ কাজটি করা তেমন ভালো হয়নি।
৩. চ‚ড়ান্ত সময় বেঁধে দেবেন না : অনেকবার হয়তো ভেবেছেন চ‚ড়ান্ত কোনো সময় বেঁধে দেবেন। ভেবেছেন বলবেন, ‘যদি এটা বন্ধ না হয়, তাহলে কিন্তু চললাম, নিজের পথ বেছে নিলাম’। এভাবে সময় বেঁধে দিয়ে সম্পর্ক আদৌ ঠেকানো যায় না। মনোবিদদের মতে, আপনি যদি সত্যিই সম্পর্ক অথবা সংসার টিকিয়ে রাখতে চান, তাহলে এহেন ‘শেষ কথা তত্ত¡’ থেকে বেরিয়ে আসুন।
৪) ভালো বই পড়তে দিন : হ্যাঁ, ভালো বই তাকে পড়তে দেয়া একটি অসাধারণ কাজ হবে। তবে এটা তাকে সরাসরি দিলে, সে অন্যকিছু ভাবতে পারে। তাই ভালো কিছু বই তার চারপাশে রেখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। তার শোবার ঘরে, গাড়ির সামনের বক্সে কিংবা ড্রয়িংরুমেও রাখতে পারেন। তবে তাকে পড়তে অনুরোধ করবেন না।
৫) ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা পরিহার করুন : ‘তোমার আচরণ অসহনীয়। আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো’ এ ধরনের হুঁশিয়ারি কিছুটা ক্ষমতায়নের কাজ করে। ভাবখানা এমন যেন পুরো ব্যাপারটির নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে চলে আসছে। কিন্তু একবারও কি ভেবেছেন শেষ পর্যন্ত এর পরিণতি কী। মনে রাখবেন, পরিবারে পুরুষ তার থেকে ক্ষমতাধর কাউকে সহ্য করে না।
৬) তার সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করুন : স্বামী অথবা সঙ্গীটি যদি আরেকটি সম্পর্ক বজায় রাখেন, আসক্ত হন, পরিবারের চেয়ে কর্মক্ষেত্র অথবা অন্যত্র বেশি আগ্রহী হন, তাহলে বুঝতে হবে সে নিজের ভেতরে সুখী হবার প্রেরণা পাচ্ছে না। সে জানে, তার কাজটি ভুল। তার যে অনুতাপ হয় না, তা নয়। সমস্যা হলো, তার মনের ভেতরে সুপথে আসার, শুদ্ধ হওয়ার তাগিদ নেই। সঙ্গীকে সুপথে আসতে প্রাণিত করতে তার সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করতে হবে।
৭) প্রমাণ করুন, আপনি তার একান্ত অনুগত : নারীর ভালোবাসায় পুরুষ গলে যাবে ঠিকই, কিন্তু সেজন্য নারীকে হতে হবে এমন ন¤্র ও শান্ত এবং এতটা ধীমতি ও প্রণতিপরায়ণা যে, পুরুষ অনুভব করে যেনো আপনি তার ‘একান্ত অনুগত’ এবং ‘তার বাসনায় পরিচালিত’। আপনি তার হাতের থেকেও বেশি অনুগত হয়ে যান এবং তার দিবাস্বপ্নের চেয়ে অধিক সজাগ থাকুন ।
৮) তাকে বেশি বেশি সময় দিন : স্বামীর আচরণ ভালো লাগছে না বলে তার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন না। এতে সে আরো মন্দ লোকদের দলে ভিড়ে যাবার সুযোগ পাবে। তার কাছাকাছি থাকুন। তাকে আপনার কাজে সহায়তা করার সুযোগ দিন। বোঝান, সে ছাড়া আপনার একদম ভালো লাগে না। এ চেষ্টায় একবার নিয়ত হলেই পেয়ে যাবেন তাকে প্রভাবিত করার চাবিকাঠি।
৯) আপনিই আগে ক্ষমা চান : দাম্পত্যে ঝগড়া কার হয়না বলুন? কিন্তু ঝগড়া হলেই গাল ফুলিয়ে বসে থাকবেন না, কিংবা স্বামীর থেকে নিজেকে আলাদা করে নেবেন না। নিজের দোষ কম হোক অথবা বেশি, নিজেই উদ্যোগী হয়ে ক্ষমা প্রাথনা করুন। যদি অন্য স্বামীর দোষ হয়ে থাকে, তাহলেও তাকে দোষারোপ করবেন না। তাতে সে কখনও আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে পারবে না।
১০) রাগের কারণ বুঝতে চেষ্টা করুন : বিয়ের পর আবিষ্কার করলেন আপনার স্বামী মাঝেমধ্যে রেগে যান। প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে সচেতন হোন। রাগের কারণ বুঝতে চেষ্টা করুন। তারপর তাকে জানান যে, এখন আর সে একা নয়, আপনিও তার সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করতে পারেন ।
মনে রাখবেন, নারীকে সৃষ্টি করা হয়নি পুরুষের মাথার অংশ থেকে, যেনো সে মর্যাদায় পুরুষকে ছাড়িয়ে না যায়। পুরুষের পায়ের অঙ্গ থেকেও সৃষ্টি করা হয়নি তাকে, যেনো সে পুরুষের কাছে অবহেলার পাত্র না হয়। নারীকে বের করা হয়েছে পুরুষের পাঁজর থেকে, যেনো সে থাকে তার বাহুর নীচে, হৃদয়ের কাছে। যেনো পুরুষ তাকে ভালোবাসতে পারে এবং তার থেকে ভালোবাসা পেতেও পারে। নারীর ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এমন চমৎকার এক ঝরনার উৎসরণ ঘটাতে পারে, যার পরশ পেলে অনায়াসে গলে যাবে পুরুষের মস্তিষ্ক। যেমন- পানির গভীরতা পাথরকেও নরম করে ফেলে এবং গলিয়ে দেয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই জেগে উঠবে তার হৃদয়, তার বিবেক। ঘুম ভাঙবে তার চেতনার। সচেতন হবে সে তার সম্পদ ও ভবিষ্যতের ভাবনায়।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on বিপথগামী স্বামীকে সুপথে আনতে যা করবেন স্ত্রী!

সানির চোখে সবচেয়ে প্রিয় পুরুষ যিনি!

sunnyসাবেক পর্নস্টার ও বিতর্কিত নায়িকা সানি লিওনের বলিউডে আত্মপ্রকাশের পর নজর কেড়েছেন অনেকেরই। তেমনি সৌন্দর্য ও আবেদনে মন মাতিয়েছেন অনেকেরই। কোনও হিট ছবি উপহার দিতে না পারলেও তিনি অনেকেরই স্বপ্নের রানি। গত বছরে গুগল-এ সবচেয়ে বেশি সার্চ হয়েছিল সানিকে নিয়েই। এমন যখন অবস্থা- এই অবস্থায় হট Brad_Pittসানির চোখে স্বপ্নের পুরুষ কে? সানির মুখে থেকেই পাওয়া গিয়েছে এই প্রশ্নের জবাব। সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে জিসম-২-র নায়িকা জানিয়েছেন, তাঁর চোখে সবচেয়ে ‘হট’ পুরুষ হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। সানি বলেছেন, আমি তো বিবাহিতা। কিন্তু তা না হলে ব্র্যাড পিটের সঙ্গে ডেট করতে চাইতাম। আমার কাছে ব্র্যাড পিটই সবচেয়ে হট পুরুষ।

Posted in বিনোদন | Comments Off on সানির চোখে সবচেয়ে প্রিয় পুরুষ যিনি!

বলিউডের নায়িকারা কে কত পান?

Bollywood-Highest-paid-actress-2013-2014বিনোদন ডেস্ক : বিশ্ববাজারে এখন বলিউডি সিনেমার জনপ্রিয়তা হলিউডের চাইতে কোন অংশেই কম নয়। দিন দিন আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে হিন্দি সিনেমার দখল। নাচে গানে ভরপুর হিন্দি সিনেমার গ্ল্যামারাস নায়িকারা হলেও নায়কদের তুলনায় তাদের আয়ের অঙ্কটা বেশ নিচের দিকেই। যদিও আজকাল নিজেদের জোরেই সিনেমার নাম হিটের খাতায় লেখাতে পারেন বেশ কিছু নায়িকা। দেখে নেয়া যাক বলিউডের শীর্ষ দশ অভিনেত্রী কত আয় করে থাকেন।
226911_494679753903351_850780181_nদিপিকা পাড়ুকোন
গত এক বছরের হিসেব দেখলে চোখ বন্ধ করেই বলে দেয়া যাবে, ‘বক্স অফিস কুইন’ হলেন দিপিকাপাড়ুকোন। ফিল্মি জগতে দিপিকার আগমন নতুন নয়, কিন্তু ‘ককটেইল’ মুক্তি পাবার আগ পর্যন্ত যেন আড়ালেইছিলেন তিনি।
এরপর শুধুমাত্র ২০১৩ সালে দিপিকা উপহার দিয়েছেন চার চারটি হিট সিনেমা আর প্রত্যেকটিই আয় করেছে ১০০ কোটির উপরে । ‘রেইস টু’ দিয়ে শুরু, বক্স অফিস সাফল্যের এই ঊর্ধ্বগতি অক্ষুন্ন ছিল ‘রামলীলা’ পযর্ন্ত। এরই মাঝে মুক্তি পেয়েছে দীপিকা অভিনীত ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’, যা নাম লিখিয়েছে সর্বকালের সেরা ব্যবসাসফল সিনেমার রেকর্ডের খাতায়।
বক্স অফিসের এই রানি এখন সিনেমাপ্রতি পাচ্ছেন ৮ থেকে ৯ কোটি রুপি।
priyanka_chopra_nowপ্রিয়াঙ্কা চোপড়া
কেবল ভারতেই নয় আন্তর্জাতিক বিনোদন অঙ্গনেও পরিচিত নাম প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ‘ডন টু’ থেকেশুরু করে ‘অগ্নিপথ’, গত দুই বছরে পিসির ঝুলিতে সাফল্যের সংখ্যাই জমেছে বেশি। ‘বারফি!’তে অভিনয়করেও পেয়েছেন ব্যাপক প্রশংসা।
অভিনয়ের পাশাপাশি সংগীত ক্যারিয়ার নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পিগি চপস। পারিশ্রমিক হিসেবে তিনিপাচ্ছেন ৭ থেকে ৯ কোটি রুপি।
katrina-kaif-hot-wallpapers-16ক্যাটরিনা কাইফ
ব্রিটিশ-ভারতীয় এই সুন্দরীর অভিনয় গুণ নিয়ে সংশয় থাকতেই পারে, কিন্তু জনপ্রিয়তার কোনো কমতি নেই ক্যাটরিনার। ২০১২ সালে ক্যাটরিনা অভিনীত ‘এক থা টাইগার’ এবং ‘যাব তাক হ্যায় জান’ দুটি সিনেমাইসাফল্যের মুখ দেখেছে। এরই ফাঁকে ‘চিকনি চামেলি’ গানের মাধ্যমে দর্শকের মনে পাকা আসন গড়েছেন তিনি।
এরপর ২০১৩ সালের পুরোটা সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে ক্যাট ভক্তদের। অবশেষে ‘ধুম থ্রি’র মাধ্যমেবাজিমাত করেছেন এই অভিনেত্রী।
তবে ক্যাটের মূল আয়টা কিন্তু হয় বিজ্ঞাপন থেকেই। এক সময়ের মডেল ক্যাট এখনও বিজ্ঞাপন জগতের প্রিয় মুখ। এছাড়া প্রতি সিনেমায় তিনি নিচ্ছেন ৪ থেকে ৬ কোটি রুপির মত।
02-kareena-kapoor-hd-pictureকারিনা কাপুর খান
২০১২ সালে ‘এক ম্যায় অউর এক তু’র পর এখনও সাফল্যের মুখ দেখেনি কারিনার কোন সিনেমা। বহুলপ্রতীক্ষিত সিনেমা ‘হিরোইন’ও মুখ থুবড়ে পড়েছে বক্স অফিসে। দুই বছরে শুধুমাত্র আইটেম গান দিয়েই ভক্তদেরমন ভুলিয়েছেন বেবো।
লাগাতার ফ্লপ সিনেমা উপহার দিয়েও নিজের সুপারস্টার স্ট্যাটাস বজায় রেখেছেন কারিনা। এখনও প্রতিসিনেমার জন্য পারিশ্রমিক বাবদ নিচ্ছেন ৮ থেকে ৯ কোটি রুপি।

15-1431684378-23-anushkasharmaআনুশকা শর্মা
শুরুটা ইয়াশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে হলেও এখন পর্যন্ত বলিউডে নিজের পাকাপোক্ত আসন করে নিতে পারছেননা আনুশকা শর্মা। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় তার একটি মাত্র সিনেমা, ‘মাটরু কি বিজলি কা মান্ডোলা’, যা ভালোব্যবসা করতে পারেনি।
নিজেস্ব ভঙ্গি এবং সাবলীলতার জন্য বিজ্ঞাপন জগতে আনুশকার রয়েছে আলাদা চাহিদা। বরাবরই প্রথম সারির পণ্যের বিজ্ঞাপনে দেখা যায় তাকে। আর সিনেমার ক্ষেত্রে এখন তার বাজার দর ৫ থেকে ৬ কোটি রুপি।
bg_bipasha_596154667বিপাশা বাসু
কয়েক বছর ধরে একাধারে বেশ কয়েকটি ভৌতিক সিনেমায় কাজ করেছেন বাঙালি এই সুন্দরী। তবে ‘রাজ’ সিনেমার মত সফল হতে পারেননি এর কোনটিই। কয়েকটি সিনেমায় অতিথি চরিত্রে অভিনয় করলেও পর্দায়প্রায় দেখাই যায়নি বিপাশাকে। বরং নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কারণেই মাঝেমধ্যে সংবাদে এসেছেন তিনি।
তবে সিনেপাড়ায় তার কদর এখনও আছে বেশ, ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতি সিনেমায় পাচ্ছেন ৪ থেকে ৫ কোটিরুপি।
sonakshi-sinha-style-sareeসোনাকশি সিনহা
সোনাকশিকে বলা হয় ‘একশো কোটির নায়িকা’। ‘দাবাং’ দিয়ে শুরু, এরপর একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন শত্রুঘ্ন সিনহার কন্যা। তবে ‘লুটেরা’ আর ‘বুলেট রাজা’ বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ায় কিছুটা থমকে গিয়েছিল তার এগিয়ে যাওয়া। বছর শেষের ‘আর…রাজকুমার’ এর মাধ্যমে কোনোভাবে রক্ষা পেয়েছেন সোনা।
প্রথমসারির অভিনেত্রীদের মধ্যে সোনাকশির সিনেমাপ্রতি আয় এখন ৩ থেকে ৫ কোটি রুপি। পাশাপাশিবিজ্ঞাপনের কাজ তো চলছেই।
Sexy-Kangana-Ranaut-Laying-In-White-Trasnparent-Dress-wide-wallpapersকাঙ্গানা রানাওয়াত
‘কুইন’এর খ্যাতির পর কাঙ্গানা রানাউত সত্যিকার অর্থেই তারা হয়ে উঠেছেন।
‘কৃশ থ্রি’, ‘শুটআউট অ্যাটওয়াডালা’ এবং ‘রিভলভার রানি’র জন্যও প্রশংসিত হয়েছেন।
সমালোচকদের সমর্থন এবং বক্স অফিস সাফল্য—দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর পর এবার দর বেড়েছেকাঙ্গানার। আপাতত তিনি সিনেমাপ্রতি হাঁকছেন ৩ থেকে ৫ কোটি রুপি।
vidya balan 2বিদ্যা বালান
‘ডার্টি পিকচার’ এর পর দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা বিদ্যা বালানকে পৌঁছে দিয়েছে নতুন এক অবস্থানে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পাওয়া তার কমেডি ঘরানার সিনেমা ‘ঘনচক্কর’ এবং ‘শাদি কে সাইডইফেক্টস’কে তেমন ভালভাবে গ্রহণ করেনি দর্শক।
‘ইয়াশ রাজ ফিল্মস’ কিংবা ‘ধর্মা প্রোডাকশনস’ এর মত বড় ব্যানারের সিনেমায় এখনও দেখা যায়নি বিদ্যাকে। তবে গুণী এই অভিনেত্রীকে সম্মানী হিসেবে দেয়া হচ্ছে ৩ থেকে ৪ কোটিরূপি।
৩-৪ কোটির এই সীমার মধ্যে আরও আছেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফারনান্ডেজ এবং আসিন। ‘রেডি’, ‘খিলাড়ি ৭৮৬’ এবং ‘হাউজফুল টু’ এর সাফল্যের পর জনপ্রিয়তাও বেড়েছেআসিনের। অপরদিকে ২০১৩ সালের ব্যবসাসফল সিনেমা ‘রেইস টু’র পর এবার সালমান খানের সঙ্গে ‘কিক’ এ অভিনয় করছেন জ্যাকুলিন।
Sonam-Kapoorসোনাম কাপুর
‘রানঝানা’ এবং ‘ভাগ মিলখা ভাগ’ এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর সাফল্যের মুখ দেখেছেন অনিল কাপুরের কন্যা। মডেল হিসেবে তার কদর সবসময়ই।
বলিউডের এই ‘স্টাইল ডিভা’র ফিল্মি আয় বর্তমানে ২ থেকে আড়াই কোটি রুপি।

Posted in বিনোদন | Comments Off on বলিউডের নায়িকারা কে কত পান?

কুরআন ও রোজার সম্পর্ক

Quran-thereport24ইসলাম হল একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা যাতে আমরা সমাজ, সংস্কৃতি, রাষ্ট্র, ধর্ম প্রভৃতি সকল কিছুরই রূপায়ন দেখতে পাই। কোনো জীবনব্ যবস্থা পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট বিধি-বিধান ও আইন-কানুন অত্যাবশ্যক। পবিত্র কুরআন এ জীবন ব্যবস্থা পরিচালনার মৌলিক আইন-কানুন ও বিধি-বিধান ব্যতীত আর কিছুই নয়।
সাধারণ জীবন ব্যবস্থা পরিচালনা ছাড়াও কুরআনের একটি বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। প্রতিদিন পাঁচবার নামাজে পবিত্র কুরআনের অংশ বিশেষ মূল আরবিতে পাঠ করতে হয়। এ জন্য ইসলাম যেখানেই গিয়েছে, আরবিতে গ্রন্থিত এর কোষ-গ্রন্থটি আর এর ভাষাকে সঙ্গে নিয়ে গেছে। ফলে, বিভিন্ন দেশে মানবগোষ্ঠীকে ইসলাম কেবল ধর্মান্তরিতই করেনি বরং সেখানকার ভাষাকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করেছে। কুরআনের প্রভাবেই আফ্রিকা মহাদেশের এক-তৃতীয়াংশ লোক আরবি ভাষীতে পরিণত হয়েছে। তদুপরি এশিয়া ও আফ্রিকার বহু ভাষা, যথা— ফুলানি, হাউসা, উলফ, সোয়াহিলি, উর্দু, ফার্সি পশতু, সিন্ধি, পাঞ্জাবি প্রভৃতি আজও আরবি বর্ণমালায় লেখা হয়। এ থেকে একটি বিষয় স্বচ্ছ যে, কুনআন সর্বতভাবে প্রভাব তৈরি করে। এই কুরআনের সাথে রমজানের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। দেহের সঙ্গে পোশাকের যেমন নিবিড় সম্পর্ক, রমজানের সঙ্গে কুরআনের সর্ম্পকটা তেমনি গভীর। মানবজাতির ইহ ও পরকালীন সর্বাঙ্গীন কল্যাণের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এই মহাগ্রন্থ রহমত, রবত মাগফিরাতের পবিত্র রমজান মাসে অবতীর্ণ হয়েছে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, রমজান হল এমন একটি মাস যাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। এতে রয়েছে মানুষের জন্য হেদায়াত এবং পথ চলার নির্দেশিকা ও সত্য-মিথ্যা পার্থক্য করার সুস্পষ্ট দলিল প্রমাণ। [সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫]
কুরআন ও রমজান বান্দার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে। রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, রমজান এবং কুরআন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, হে রব! সারাদিন আমি তাকে খাবার এবং বৈধ উপভোগ থেকে বিরত রেখেছি। সুতরাং তুমি তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করে নাও। কুরআন বলবে, হে রব! আমি তাকে রাতের ঘুম থেকে বিরত রেখছি। রাতের ঘুম ছেড়ে দিয়ে সে তারাবীহ এবং তাহাজ্জুদে আমায় তিলাওয়াত করেছে। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ তুমি কবুল করে নাও। রাসূল (সা.) বলেন, রোজা এবং কুরআনের সুপারিশ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কবুল করে নিয়ে বান্দাকে মাগফিরাত এবং ক্ষমার পুরস্কারে ভূষিত করবেন। [মিশকাত শরীফ : খণ্ড ১, পৃষ্ঠা-১৭৩]
সুতরাং আসুন আমরা কুরআন পাঠ ও এর গবেষণায় মনোযোগ দিই। কুরআনের কারণে যেমন রমজানের মর্যাদা, তেমনি অন্যান্য কয়েকটি আসমানি কিতাবও এই রমজান মাসে নাজিল হয়েছে, এদিক থেকে রমজানের মর্যাদার উৎস একাধিক।
মুসনাদে ওয়াসেল বিন আসকা থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, রমজানের ১ম রাতে হযরত ইবরাহীমের (আ.) সহীফা, ৬ই রমজান হজরত মুসা (আ.)-এর ওপর তাওরাত, ১৩ই রমজান ঈসা (আ.)-এর ওপর ইঞ্জিল এবং ২৪ শে রমজান (দিবাগত রাত) কুরআন নাজিল হয়েছে। কথিত আছে যে, ১৮ই রমজান হযরত দাউদ (আ.)-এর নিকট যাবুর কিতাব নাজিল হয়েছে।
এই রমজান মাসেই অতীতের উম্মতগুলোর কাছেও আল্লাহর হেদায়াতের বাণী এসেছিল। এদিক থেকে রমজান হচ্ছে, মহাকল্যাণ, পুরস্কার ও হেদায়াতে ভরা মওসুম। তাইতো রমজানে কুরআন পড়া ও শেখা আরও বেশি উত্তম।
কুরআন এসেছে মানুষকে সহজ-সরল পথ দেখাতে। কুরআন হচ্ছে অন্তরের চিকিৎসা ও আলো এবং জ্ঞান ও দলিল। কুরআন হচ্ছে সৌভাগ্য ও সওয়াবের বিষয়। কুরআন হচ্ছে আল্লাহর শিক্ষা ও চিরন্তন শাসনতন্ত্র। তাই কুরআনকে সেই দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ ও অনুধাবনের চেষ্টা চালাতে হবে।
রমজানে কুরআন বুঝার জন্য আমাদের অতীত নেক পূর্ব পুরুষরা যা করে গেছেন তাও আমাদের জন্য উৎসাহের কারণ হতে পারে। হযরত ওসমান (রা.) প্রতিদিন একবার কুরআন খতম দিতেন। ইমাম মালেক (র.) রমজান আসলে কুরআন পড়া ছাড়া বাকি সব কাজ বন্ধ করে দিতেন। তিনি শিক্ষা দান, ফতোয়া ও লোকজনের সাথে বসা বন্ধ করে দিয়ে বলতেন এটা হচ্ছে কুরআনের মাস।
ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম শাফিয়ী (র.) রমজানে তারাবীর সালাত ছাড়াই ৬০ বার কুরআন খতম করতেন। আবু হানিফা (র.) রমজানে শুধু কুরআন নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। তিনি দিনে এক খতম, রাতে এক খতম পড়তেন। রমজানে খুব কমই কেউ তার সাথে কথা বলতে পারতো। রমজান এলে ইমাম জুহরী বলতেন, রমজান হচ্ছে কুরআন তিলাওয়াত ও খান খাওয়ানোর মাস। ইমাম মালেক (রা.) রমজান এলে হাদিস অধ্যয়ন ও জ্ঞানীদের আসর ত্যাগ করতেন এবং শুধু কুরআন অধ্যয়নে ব্যস্ত থাকতেন। তারা এ মাসকে সৃষ্টির সাথে বয়কট এবং স্রষ্টার সাথে সম্পর্কের মাস বলে অভিহিত করতেন।
এখানে আমরা পয়েন্ট আকারে কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে দৃকপাত করছি।
কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব
১. কুরআন শিক্ষা ফরয : প্রত্যেক মুসলিমকে কুরআন পড়া জানতে হবে। যে নিজেকে মুসলিম হিসাবে দাবি করবে তাকে অবশ্যই কুরআন শিক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে আল্লাহর ঘোষণা—
﴿ ٱقۡرَأۡ بِٱسۡمِ رَبِّكَ ٱلَّذِي خَلَقَ ١ ﴾ [العلق: ١)
অর্থ: ‘পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন’ (সূরা আলাক : ১)।
কুরআন শিক্ষায় কোনো প্রকার অবহেলা করা যাবে না। উম্মাতকে কুরআন শিক্ষার নির্দেশ দিয়ে ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,
�تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ ، وَاتْلُوهُ�
অর্থ: ‘তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তিলাওয়াত কর’ (মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবাহ : ৮৫৭২)।
২. সালাত আদায়ের জন্য কুরআন শিক্ষা : আল্লাহ তাআলা ঈমানদার বান্দাদের ওপর প্রতিদিন পাচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। কুরআন তেলাওয়াত ছাড়া সালাত আদায় হয় না। সালাত আদায় করার জন্যও কুরআন শিখতে হবে। কুরআনে বলা হয়েছে—
﴿ فَٱقۡرَءُواْ مَا تَيَسَّرَ مِنَ ٱلۡقُرۡءَانِۚ ﴾ [المزمل: ٢٠]
অর্থ : ‘অতএব তোমরা কুরআন থেকে যতটুকু সহজ ততটুকু পড়’ (সূরা আল-মুযযাম্মিল : ২০)।
এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
�لاََ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ�.
অর্থ: ‘যে ব্যক্তি সূরা ফাতেহা পড়ে না তার সালাতই হয় না’। (সহীহ বুখারী : ৭৫৬)
৩. কুরআন প্রচারের জন্য শিক্ষা করা : কুরআন মাজীদে কুরআন প্রচারের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে নির্দেশের আলোকে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কিরাম কুরআন প্রচার-প্রসারে নিজেদের নিয়োজিত করেছেন। যে ব্যক্তি কুরআন পড়তে জানে না, সে কীভাবে তা প্রচার করবে? সুতরাং কুরআন প্রচার-প্রসারে ভূমিকা পালন করার জন্য তা শিক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। কুরআনে বলা হয়েছে—
﴿ ۞يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ بَلِّغۡ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكَ مِن رَّبِّكَۖ ﴾ [المائ‍دة: ٦٧]
অর্থ: হে রাসূল, তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার নিকট যা নাযিল করা হয়েছে, তা পৌঁছে দাও (সূরা মায়িদাহ : ৬৭)।
৪. কুরআন শিক্ষা অন্তরের প্রশান্তি : মানব জীবনে অর্থ বা অন্যান্য কারণে জাগতিক তৃপ্তি আসলেও প্রকৃত তৃপ্তি ও শান্তি কুরআন শিক্ষার মাধ্যমেই সম্ভব। এ জন্য কুরআনে বলা হয়েছে—
﴿ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَتَطۡمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكۡرِ ٱللَّهِۗ أَلَا بِذِكۡرِ ٱللَّهِ تَطۡمَئِنُّ ٱلۡقُلُوبُ ٢٨ ﴾ [الرعد: ٢٨]
অর্থ : ‘যারা ঈমান আনে, বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে। জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ শান্তি পায়’ (সূরা আর-রা‘দ : ২৮)।
৫. হেদায়াত লাভের জন্য কুরআন শিক্ষা : কুরআনের মাধ্যমেই হেদায়াতের সন্ধান পাওয়া যাবে। সে জন্য কুরআন থেকে হেদায়াত পাবার জন্য কুরআন শিক্ষা করতে হবে । কুরআনে বলা হয়েছে—
﴿ إِنَّ هَٰذَا ٱلۡقُرۡءَانَ يَهۡدِي لِلَّتِي هِيَ أَقۡوَمُ ﴾ [الاسراء: ٩]
অর্থ: ‘নিশ্চয় এ কুরআন এমন পথ-প্রদর্শন করে, যা সর্বাধিক সরল ও সঠিক’। (সূরা বনি ইসরাঈল : ০৯)।
৬. জান্নাতে যাওয়ার জন্য কুরআন শিক্ষা : প্রত্যেক মুমিনের সর্বোচ্চ কামনা হল জান্নাতে যাওয়া। তাই জান্নাতে যাওয়ার জন্য কুরআন শিক্ষা করতে হবে। হাদিসে এসেছে—
�اَلصِّيَامُ وَالْقُرْآنُ يَشْفَعَانِ لِلْعَبْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَقُولُ الصِّيَامُ أَيْ رَبِّ مَنَعْتُهُ الطَّعَامَ وَالشَّهَوَاتِ بِالنَّهَارِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ وَيَقُولُ الْقُرْآنُ مَنَعْتُهُ النَّوْمَ بِاللَّيْلِ فَشَفِّعْنِي فِيهِ قَالَ فَيُشَفَّعَانِ�.
অর্থ: সিয়াম ও কুরআন কিয়ামাতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, সিয়াম বলবে হে আমার রব, আমি দিনের বেলায় তাকে (এ সিয়াম পালনকারীকে) পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। অনুরূপভাবে কুরআন বলবে, হে আমার রব, আমাকে অধ্যয়নরত থাকায় রাতের ঘুম থেকে আমি তাকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে (মুসনাদ আহমাদ : ৬৬২৬)।
প্রিয় পাঠক, আসুন আমরা প্রত্যেকে বাকি যে কটা দিন রমজানের রোজা রয়েছে এর প্রত্যেকটি দিন হেলা না করে কাজে লাগাই। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজের কামাই হাসিল করি। সামগ্রিক জীবনে কুরআনের শিক্ষাটাকে কাজে লাগাই। আল্লাহ আমাদের সেই তওফিক এনায়েত করুন। আমিন।
লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক

Posted in ইসলাম | Comments Off on কুরআন ও রোজার সম্পর্ক

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud