May 8, 2026
সিলেট: সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে অব্যাহতির বিষয়টি আগে থেকেই জানতেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে তার মতো আর কোনো মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রীকে অব্যাহতি দেয়া হবে কি না তা বলা মুশকিল।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেটের কাজীরবাজার ব্রিজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে, বিষয়টি আগে থেকেই আমরা ৬-৭ জন জানতাম। কিন্তু আর কাউকে অব্যাহতি দেয়া হবে কি না তা বলা মুশকিল। এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।’
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একজন দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবেই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে যখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয় তখনই একটি প্রস্তাব দিয়ে রাখা হয়েছিল যে, তিনি মন্ত্রী থাকবেন। কিন্তু তার কোনো দপ্তর থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী এতোদিন পর সেই প্রস্তাব কার্যকর করলেন।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মতো একটি মন্ত্রণালয় দীর্ঘদিন মন্ত্রীবিহীন থাকতে পারে না। তাই মন্ত্রিপরিষদের পরিবর্তন এই মন্ত্রণালয়কে গতিশীল করবে।’
আবুল মাল আবদুল মুহিত মন্ত্রিপরিষদের এই পরিবর্তনকে প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার বলে উল্লেখ করেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দু’পাশের রাস্তার কাজ শেষ হওয়ার পর কাজীরবাজার সেতুর উদ্বোধন করা হবে।
এর আগে নগরীর চৌহাট্টাস্থ ভোলানন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী।
জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ জেলা শহরের একটি ফ্যাক্টরি থেকে জাকাতের কাপড় সংগ্রহ করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ২৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। আহত হয়েছে আরো অন্তত ২০ জন। এ ঘটনায় ফ্যাক্টরি মালিক ও তার ছেলেসহ আট জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার ভোরে শহরের পৌর এলাকার অতুল চক্রবর্তী রোডের নূরানি জর্দা ফ্যাক্টরির ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
এ পর্যন্ত নিহত ১৬ জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন-ময়মনসিংহ শহরের থানা ঘাটে ব্রহ্মপূত্র নদের সঙ্গে বাস্তহারা ক্যাম্পের একই পরিবারের মা শামিমা বেগম (৬০), তার মেয়ে সখিনা (৩৫) ও নাতি লামিয়া (৬)। সিদ্দিক (১১), আঙ্গুরী বেগম (৪৫), বসাক পট্টির মেঘনা বসাক (৪০), পাটগুদাম বিহারী ক্যাম্পের খোদেজা বেগম (৬০), কাচারী ঘাটের ফজিলা বেগম (৭৫), আকুয়া মড়ল পাড়ার ফাতেমা বেগম (৬০), নাজমা বেগম (৫০), ও জহুরা বেগম (৪০), চরপাড়ার হামিদা বেগম (৪৫), চর ঈশ্বরদিদিয়ার সুফিয়া বেগম (৩৫), কাঠেগোলার রেজিয়া বেগম (৫৫), ধোপাখোলা এলাকার সুধারাণী সরকার (৫৫), অতুলচক্রবর্তী রোডের রূপালী (৩৫)। অন্যদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় আহত ২০ জনের মধ্যে হেনা (৫৪) ময়না (৭০) ও রাসেল (২৫) এই তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আটককৃতরা হলেন- ফ্যাক্টরি মালিক শামীম তালুকদার (৬৫) ও তার ছেলে হেদায়েত তালুকদার (৩০), ফ্যাক্টরির ম্যানেজার ইকবাল হোসেন (৩৫), ইকবাল (৪০), আরমান হোসেন (৩৫), আলমগীর হোসেন (৩৪), আরশাদুল ইসলাম (৩২), ড্রাইভার পারভেজ (৩৫) ও কর্মচারী আ. হামিদ (৩৬)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, নূরানি জর্দা ফ্যাক্টরির পক্ষ থেকে দুস্থ-অসহায় নারীদের মধ্যে জাকাতের কাপড় বিতরণ করার ঘোষণা দেয়া হয় বৃহস্পতিবার রাতে। এখবর জানার পরে হাজারো নারী-পুরুষ মধ্যরাতের পর থেকেই অতুল চক্রবর্তী রোডে ফ্যাক্টরির গেটের সামনে জড়ো হয়। সেহরির পরে ফ্যক্টরির গেট খুলে দেয়া হয়। এ সময় গেট দিয়ে একসঙ্গে শত শত লোকজন ঢোকার চেষ্টা করলে হড়োহুড়ি লেগে যায়। এতে পদদলিত হয়ে ঘটনাস্থলেই অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়। এদের বেশিরভাগই নারী।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতদের ভর্তি করা হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, নূরানী জর্দা ফ্যাক্টরিতে পদদলিত মৃত এ পর্যন্ত ১৭ জনের লাশ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশ ঘরে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত ব্যক্তিদের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
এ ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী, পুলিশ সুপার মইনুল হক দুর্ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
জেলা প্রশাসক মুস্তাকীম বিল্লাহ ফারুকী জানান, সঠিক পরিচয় নির্ণয়ের পর প্রত্যেক মৃত ব্যক্তি ও আহতদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথা সম্ভব আর্থিক সহযোগিতা দেয়া হবে। এ ব্যাপারে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। যা আগামী ৫ কার্যদিবসে রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিনোদন ডেস্ক : জিসান ও পরমা খুব ভালো বন্ধু। দু’জনেই দু’জনকে পছন্দ করে। কিন্তু মুখ ফুটে কখনোই ভালোবাসার কথা বলা হয়নি। মিউজিক নিয়ে সারক্ষণ টুংটাং করা জিসানের এখনো কোনো ক্যারিয়ারে সফলতা দেখা যায়নি। ফলে তার যাবতীয় খরচপাতি পরমাই চালায়। একদিন ছোট্ট একটি ঘটনায় দু’জনের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। এরপর থেকেই জিসান উধাও। এদিকে পারিবারিকভাবে বিয়ের কথাবার্তা চলতে থাকে রায়হানের সঙ্গে। সামাজিকভাবে রায়হান একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ি। টাকা-পয়সাও অনেক। বাবার ব্যবসা দেখাশুনা করার ফলে নিজেও কোম্পানির একজন অংশীদার। একদিন রেস্টুরেন্টে পরমা তার জীবনের সব কথা রায়হানের সঙ্গে শেয়ার করতে থাকে। ফ্ল্যাশব্যাকে উঠে আসে একের পর এক ঘটনা। একদিন দেখা মিলে জিসানের। পরমা তাহলে এখন কোথায় যাবে? সঙ্গীত নিয়ে পড়ে থাকা অনিশ্চয়তার ভবিষ্যৎ জিসানের কাছে, নাকি নিশ্চয়তা জীবন রায়হানের কাছে! জানতে হলে চোখ রাখতে হবে এনটিভির পর্দায়।
অয়ন চৌধুরীর রচনা ও সাখাওয়াৎ মানিকের পরিচালনায় ‘শুধু তোমার জন্য’ নাটকটিতে বিভিন্নচরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান নিশো(জিসান), মেহজাবিন (পরমা), তানভীর (রায়হান)।
আগামী ১১ জুলাই রাত ৯টায় এনটিভিতে নাটকটি প্রচার হবে।
স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট : টি২০ সিরিজে হারলেও বাংলাদেশ দল ফিরছে নিজেদের সেরা ফরম্যাটে। পাকিস্তান এবং ভারতকে ওয়ানডে সিরিজে হরানোয় পর টাইগার ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস এখন অনেক উপরে। এমনই একটি দলের সামনে শক্তিশালী দল দক্ষিন আফ্রিকা। এবং মাশরাফিরা মুখোমুখি হচ্ছে এবার সত্যিকারের চ্যালেঞ্জের। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডে শুক্রবার মিরপুর স্টেডিয়ামে শুরু হবে বেলা তিনটায়। সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি ও গাজী টিভি ।
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ বলে আত্মবিশ্বাসী মাশরাফি বিহিনী। তবে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে আলোচনার টেবিলে অনেকটা স্থান দখল কওে নিয়েছে বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার সারাদিনের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে মিরপুর স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডে কয়েক ইঞ্চি পানিও জমে গেছে। যে কারণে দু’দলের শেষদিনের অনুশীলনেও কিছুটা বিঘœ ঘটেছে।
বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শুক্রবারও। ভারতের বিপক্ষে সিরিজে রিজার্ভ ডে ছিল, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাও নেই। শুক্রবার খেলা পরিত্যাক্ত হলে তাই একটা ম্যাচ সিরিজ থেকে বাদই হয়ে যাবে। দুটি টি২০তে দক্ষিন আফ্রিকার কাছে হেরেছে স্বাগতিকরা। ফলে ওয়ানডেতে যে লক্ষ্য মাশরাফিদের, তাতে করে হয়তো কিছুটা বাধ সাধতে পারে।
তবে নিজেদের প্রিয় ফরম্যাটে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী সাকিব-মাশরাফিরা। পাকিস্তান ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্মৃতি এখনও তরতাজা। এ কারণে টগবগে আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামবে টাইগার বাহিনী। দক্ষিণ আফ্রিকাকে অবশ্য ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কঠিন প্রতিপক্ষ বলেই মনে করছেন মাশরাফি।
২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথা সামনে এনে বারবারই প্রোটিয়াদের বিপক্ষে অন্তত একটি ম্যাচ জয়ের কথা উঠছে। এই সিরিজে একটি ম্যাচ জিততে পারলেই আইসিসির অফিসিয়াল সমীকরণে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা নিশ্চিত হয়ে যাবে। জিততে না পারলেও বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনাও অনেক। যদিও অনেক হিসাব-নিকাশ তখন চলে আসবে সামনে। তবে স্বাগতিক অধিনায়ক মাশরাফির চিন্তায় এসব কিছুই নেই। তার লক্ষ্য, তিনটি ম্যাচেই জয়।
বৃহস্পতিবার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেন, ‘শুধু একটা জয়ের কথা বললে ভুল হবে। আমরা তিনটা ম্যাচ জয়ের জন্যে নামবো। তবে কাজটা খুব কঠিন হবে।’ এছাড়া এই সিরিজ দিয়েই ওয়ানডে ক্রিকেটে আইসিসির নতুন নিয়ম চালু হচ্ছে।
শেষ দশ ওভারে বাংলাদেশের দ্রুত রান তোলার রেকর্ড কম রয়েছে। নতুন নিয়মে কাজটা হবে আরও কঠিন। কারণ পাঁচ ফিল্ডারকে শেষ দশ ওভারে ৩০গজের বাইরে থাকতে হবে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৫ ম্যাচে মাত্র একবারই জিতেছে বাংলাদেশ, একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। একমাত্র জয়টা ছিল ২০০৭ সালে বিশ্বকাপের সুপার এইটে।
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ স্পোর্টিং উইকেটে খেলছে। কিন্তু প্রতিপক্ষ যখন দক্ষিণ আফ্রিকা তখন, পরিকল্পনায় অনেক পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। কিউরেটরদের কাছে স্পিন সহায়ক উইকেট চেয়েছে বাংলাদেশ। টি২০ ক্রিকেটে অবশ্য স্পিনে নিজেরাই বিপদে পড়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রোটিয়াদের স্পিন ফাঁদে ফেলার চেষ্টা থাকছে। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন বিশ্বকাপের নায়ক মাহমুদউল্লাহ ও এনামুল হক বিজয়। যদিও প্রথম ওয়ানডেতে এনামুলের একাদশে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ডাউনে ব্যাটিং করেছিলেন লিটন কুমার দাস। প্রথম ম্যাচে তার জায়গায় ফিরতে পারেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টি২০’র মতো আট বাটসম্যান নিয়েও মাঠে নামতে পারে স্বাগতিকরা। শেষ টি২০ ক্রিকেটেও সৌম্য সরকার আক্রমণাত্ব ব্যাটিং করেছিলেন। তবে টি ২০ সিরিজে ভালো করতে পারেননি দলের ওপর ওপেনার তামিম ইকবাল।
টানা ১২ ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি না পাওয়া মুশফিকুর রহিমকে নিয়েও কিছুটা চিন্তিত স্বাগতিক দলের টিম ম্যানেজমেন্ট। আগের দুটি সিরিজে মধ্যম-সারির ব্যাটসম্যানরা ঠিকমতো ব্যাটিংয়ের সুযোগ পায়নি। কিন্তু প্রোটিয়াদের বিপক্ষে টি২০ সিরিজে কেউ ভালোই করতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহর দলে ফেরা এবং ভিন্ন ফরম্যাটে সবার মধ্যেই ফর্মে ফেরার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা চার নম্বরে রয়েছে। আর বাংলাদেশ সপ্তম স্থনে। সফরকারীদের ৩-০-তে হারাতে পারলে ছয়ের ওঠারও সুযোগ থাকবে মাশরাফি বাহিনীর।
অতিথি দলের বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স দেশে ফেরায় স্বস্তিতে রয়েছে স্বাগতিক শিবির। দলের সেরা ব্যাটসম্যানকে মিস করবেন বলেও জানিয়েছেন, হাশিম আমলা। শুধু টেস্ট দলের নেতৃত্ব দিতে এলেও এখন ওয়ানডে সিরিজও কাঁধে নিতে হয়েছে তাকে। ভিলিয়ার্স দেশে ফিরলেও ডি কক, আমলা, ফ্যাফ ডু প্লেসিস, ডেভিড মিলারদের নিয়ে গড়া ব্যাটিং অর্ডার ভাঙতে বাংলাদেশের সেরাটাই ঢেলে দিতে হবে।
টি২০ ক্রিকেটে প্রোটিয়াদের স্পিন বোলিংই বাংলাদেশের ইনিংসে ধ্বস নামিয়েছে। তারওপর ওয়ানডে দলে আবার নতুন করে যোগ হয়েছে ইমরান তাহির। সফরকারীদের দলে রয়েছেন দু’জন লেগ-স্পিনার। বৃহস্পতিবার প্রোটিয়া অধিনায়ক হাশিম আমলা বলেন, ‘বাংলাদেশ সর্বশেষ কয়েকমাস ভালো ক্রিকেট খেলছে। তারা ভালো খেলেই সিরিজ জিতছে। টি২০’র চেয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটের রেকর্ডও ভালো স্বাগতিকদের। তাই বাংলাদেশকে আমরা তাদের প্রাপ্য সম্মানের পুরোটাই দেব।’
বাংলাদেশ সম্ভাব্য একাদশ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, লিটন কুমার দাস/জুবায়ের হোসেন আরাফাত সানি, ও মুস্তাফিজুর রহমান।
জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পুরো দায়িত্ব দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের বদরপুরে মন্ত্রীর নিজ বাসভবনে এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের কাছে এ কৃতজ্ঞতার কথা বলেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়া বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর মন্ত্রী এ প্রতিক্রিয়া জানান।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আগের চেয়ে এখন আরো বেশি দেশবাসীর সেবা করার সুযোগ সৃষ্টি হলো।’ গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তার ওপর ন্যস্ত করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এলজিআরডি সৃষ্টির সময় আমি গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রণী ভূমিকায় ছিলাম। এ বিভাগের একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এখন পুরো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, পরিপূর্ণ ও সুচারুভাবে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হবো।’
এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদকে উন্নয়নের দোড়গোঁড়ায় পৌঁছে দেয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘সরকারের একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ প্রকল্পের সুফল প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব।’
এর আগে নতুন এলজিআরডি মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ঢাকা: গত মঙ্গলবার খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিলেও শেষ পর্যন্ত সরেই যেতে হলো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে। স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এর মধ্য দিয়ে সৈয়দ আশরাফ হয়ে গেলেন ‘দপ্তরবিহীন’ মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সৈয়দ আশরাফকে সরিয়ে দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ এর রুল ৩ (৪)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালায়ের মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলমাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটিতে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ছিল একনেকের বৈঠক। নতুন অর্থবছরের প্রথম একনেকের সভা ছিল সেটি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হলেও দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। অথচ বৈঠকের প্রথম এজেন্ডাই ছিল তার মন্ত্রণালয়ের। এলাকার বাঁধ, রাস্তাঘাট, কালভার্ট নির্মাণের জন্য ২৮৪ জন সংসদ সদস্যকে প্রত্যেককে ২০ কোটি টাকা দেয়া হবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
জানা যায় প্রধানমন্ত্রী বৈঠক শুরু করতে তার জন্য অপেক্ষা করেন। ২৫ মিনিট পার হয়ে যায়। এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তিনি ( সৈয়দ আশরাফ) মিটিং টিঢিংয়ে আসেন না। তাকে সরিয়ে দিলেই হয়।’
সূত্র জানায়, এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কণ্ঠ মেলান আশরাফ বিরোধীরা। তারা বলেন, তিনি তো বেশিরভাগ মিটিংয়েই আসেন না। তার কোনো প্রডাকশনও থাকে না।
সূত্র আরো জানায়, এ ঘটনার পরই মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইয়া তৎপর হয়ে ওঠেন। কেবিনেট ডিভিশনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিনি নির্দেশ দেন এ সংক্রান্ত সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে। তার নির্দেশ পেয়ে সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও পাঠানো হয়।
একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষুব্ধ মনোভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে দল এবং সরকারে আশরাফের শুভাকাঙ্ক্ষিদের কাছে। তারাও তৎপর হয়ে ওঠেন পরিস্থিতি সামাল দিতে। পরে সেদিন আর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।
মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়ার এই টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই গত মঙ্গলবার দুপুরে সৈয়দ আশরাফ চলে যান নিজ জেলা কিশোরগঞ্জে। বিকেলে তিনি সদর উপজেলার নবনির্বাচিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন করতে করতে চান। তাই উন্নয়নের জন্য তার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।’ ওই দিন ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ রওনা হওয়ার সময় সৈয়দ আশরাফ তাকে সরিয়ে দেয়ার ঘটনাকে ‘গুজব’ বলে অভিহিত করে তাতে কান না দেয়ার পরামর্শ দেন।
কিন্তু একদিনের মাথায় গুজবই সত্যি হলো!
কী কারণে স্থানীয় সরকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় থেকে সৈয়দ আশরাফকে সরিয়ে দেয়া হলো তা নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। কেউ বলছেন, তিনি নিয়মিত মন্ত্রণালয়ে যান না। বিভিন্ন মিটিং-টিটিংয়েও সময়মতো যোগ দেন না। কেউ বলছেন, কাজে কর্মেও তার কোনো প্রডাকশন নেই।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদের রদবদল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছিল। দল ও সরকারে আশরাফবিরোধী অংশ সেই বিরোধকে কাজে লাগিয়েছে।
বিএনপির সরকার বিরোধী আন্দোলন নস্যাৎ করে দেয়ার পর থেকেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের কথা হচ্ছে। ঈদের আগে-পরে এই রদবদল হতে পারে। সরকারের কিছু বিতর্কিত লোককে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত ক্লিন ইমেজের লোকদের মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন আশরাফ। বিশেষ করে তিনি ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদকে সরিয়ে দেয়ার পক্ষে ছিলেন। পাশাপাশি মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদের মতো নেতারাও যাতে মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে না পারেন তার পক্ষে অবস্থান নেন তিনি।
মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য রদবদলে শেষোক্ত তিন নেতার যুক্ত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।
সূত্র আরো জানায়, অপেক্ষাকৃত ক্লিন ইমেজের লোকদের মন্ত্রী করে ২০১৭ সালের দিকে নির্বাচন দেয়ার জন্যও পরামর্শ দেন সৈয়দ আশরাফ। কিন্তু এসব বিষয় নিয়ে একসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার মতানৈক্যের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম টানা ছয় বছর ধরে দলের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী থাকলেও তার বিরোধী একটি শক্তিশালী গ্রুপ ঐক্যবদ্ধ ছিল। ওই গ্রুপে রয়েছেন: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক।
সূত্র জানায়, গত ছয় বছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে সৈয়দ আশরাফের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কারণে দলের একটি গ্রুপ তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। তারা সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন। তার কঠোর অবস্থানের কারণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি কমে এসেছে। অন্যান্য মন্ত্রীর দুর্নীতি নিয়ে কানাঘুষা শোনা গেলেও সৈয়দ আশরাফকে নিয়ে তেমনটি শোনা যায়নি।
সূত্র জানায়, সৈয়দ আশরাফকে স্থানীয় সরকার থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। এই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি। কিন্তু তাতে রাজি হননি সৈয়দ আশরাফ।
সূত্র জানায়, আশরাফের শুভাকাঙ্ক্ষিরা আশা করছেন, শিগগির সৈয়দ আশরাফকে মর্যাদাপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হবে।
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবে আলমরা চাচ্ছেন সৈয়দ আশরাফ যোগ্য মর্যাদায় ফিরে আসবেন। আর তা না হলে তিনি নিজ থেকেই ক্যাবিনেট থেকে সরে যেতে পারেন।
চাটখিল প্রতিনিধি : চাটখিল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গতকাল রাতে অফিসের গ্রিল এবং দশটা তালা কেটে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।জানাযায় গতকাল রাতে চাটখিল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের গ্রিলকেটে, দরজার তালা ও জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অফিসের স্টিলের আলমারি, অফিসারদের ব্যক্তিগত ড্রয়ার ও সিন্দুক ভেঙে মূল্যবান জিনিসপত্র ও কাগজপত্র এলোমেলো করে। সকাল ৯ টায় অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কাজে যোগ দিতে এলে এ দৃশ্য দেখে তারা হতভম্ব হয়ে পড়েন। পরে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ডাকাতির ঘটনায় সাব-রেজিস্ট্রার অফিস চাটখিল থানায় একটি জি.ডি করে এবং অফিসের নাইটগার্ড আলা উদ্দিন (৪০) কে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আটক করে পুলিশ ডাকাতির ঘটনায় বাংলাদেশ মানবধিকার কমিশনের চাটখিল উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দলিল লেখক সফিউল বাশার বাবুল শেখ আলোকিত নোয়াখালীকে বলেন সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সরকার বছরে লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব পেলেও এখানে ভালো কোন নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই, এখানে মাত্র এক জন নাইটগার্ড তার বেতন দৈনিক মাত্র ৬০ টাক। এ ডাকাতি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে । উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার এ.এস.এম. কুদ্দুস মিয়া আলোকিত নোয়াখালীকে জানান ডাকাত দল অফিসে অনেক টাকা আছে ভেবে অফিসের তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে লুটপাট করে। তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তছনছ করে পালিয়ে যায়।
বিনোদন ডেস্ক : সম্প্রতিস্ক নৃত্য শিল্পী ও অভিনেত্রী কবির তিথি চলচ্চিত্রে নাম লেখালেন। ইস্পাহানি আরিফ জাহান পরিচালিত ‘মিশন মাদ্রিদ’ ছবিতে নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে তাকে ।এবার তিথি চিত্রনায়ক বাপ্পির পর এবার সাইমন এর সাথে শাহিন সুমন পরিচালিত ‘প্রবাসী ডন’ ছবিতে অভিনয় করছেন। প্রথম ছবির শুটিং অংশ না নিতে নতুন আরো একটিতে ছবিতে নায়িকা হচ্ছেন কবির তিথি। আগামী মাসের শেষের দিকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘প্রবাসী ডন’ ছবির শুটিং। প্রথম লটে ছবিটির শুটিং হবে ব্রাজিলের বিভিন্ন লোকেশনে। সেখানে বেশির ভাগ শুটিং শেষে করে দেশে ফিরবো। দ্বিতীয়
এবং শেষ লটের শুটিং হবে মলয়েশিয়া এবং দেশের বিভিন্ন লোকেশনে।
প্রবাসী ডন’ছবিতে প্রথমে ছবিতে পরীমনির অভিনয়ের কথা ছিল এখন পরী থাকছেন না পরীমনির স্থানে নেয়া হয়েছে মডেল অভিনেত্রী কবির তিথিকে। ছবিটিতে সাইমন সাদিক জুঁটি বেধে অভিনয় করবেন তিথি এই দুই তারকা ছাড়াও ছবিটিতে আরো অভিনয় করবেন সুমিত ও শিরিন শিলা।
প্রসঙ্গে কবির তিথি বলেন ইস্পাহানি আরিফ জাহান পরিচালিত ‘মিশন মাদ্রিদ’ ছবির শুটিং এর আগে শুরু করবো শাহিন সুমনের ‘প্রবাসী ডন’ ছবির শুটিং। এর পর স্পেনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন তিথি। সেখানে টানা ১২ দিনের শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকবেন বাপ্পি চৌধুরী।
এছাড়া অনেক দিনের একটি স্বপ্ন ছিল বড় পর্দায় কাজ করার। আমার সেই স্বপ্নটি পূরণ হতে চলেছে গুণী নির্মাতা ইস্পাহানি আরিফ জাহান-এর হাত ধরে। এখন আরো বেশি ভাল লাগছে। কারন একসাথে দুই ছবিতে কাজ করছি । বড় পর্দায় দর্শক আমাকে ভালোভাবে গ্রহণ করবেন। চেষ্টা করবো ভালো একটি ছবি উপহার দেয়ার।
নিউজ ডেস্ক : বাঙালি মেয়েরা সবচেয়ে বেশি লজ্জা বোধহয় নিজের শরীরকে ঘিরেই পায়। অথচ, নারী হিসেবে এই লজ্জাই তাদের সৌন্দর্য। কিন্তু হ্যাঁ, অমূলক লজ্জা কখনও আপনার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। আজও আমাদের দেশে বহু নারী লজ্জার কারণে স্তন বা জরায়ু ক্যান্সারের মত ভয়াবহ অসুখকে লুকিয়ে রাখেন। অসংখ্য নারী নিজের ওজন, ত্বকের রঙ বা সৌন্দর্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে নিজেকে বঞ্চিত করেন ও সমাজে নিগৃহীত হন। এই শরীরটি আপনার, একে সম্মান ও ভালোবাসা দিতে হবে আপনাকেই। চলুন, আজ জেনে নিই নিজের শরীরের সঙ্গে জড়িত কোন বিষয়গুলো নিয়ে মোটেও লজ্জা বোধ করবেন না।
এক.
জন্মের পর পরই আমাদের দেশের মেয়েদের শরীরে কালো আর ফর্সা হওয়ার তকমা এঁটে দেওয়া হয়। কালো বা শ্যামলা মেয়ের বিয়ে হবে না, বিয়েতে যৌতুক দিতে হবে অনেক বেশি-ইত্যাদি অমূলক ধারণা যুগে যুগে চলে আসছে এই সমাজে। আর তাই তো কালো ত্বকের মেয়েদের জীবন কেটে যায় হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে। গায়ের রঙ কখনো একজন নারীর পরিচয় হতে পারে না! মাথা উঁচু করে সদর্পে বাঁচুন। আপনার পরিচয় আপনার ত্বকের রঙে নয়।
দুই.
ত্বকের রঙের পরই আসে ওজনের কথা। এই সমাজ কালো মেয়ে তো তাও সহ্য করে নেয়, কিন্তু ওজন বেশি মেয়েকে কেউই মেনে নিতে চায় না। একজন নারীর একমাত্র সম্বল কি কেবল তাঁর দেহ? আর সেই দেহের কাজ কি কেবলই পুরুষকে তুষ্ট করা? উত্তর অতি অবশ্যই “না”। নারীর পরিচয় তাঁর দেহ নয়, সেই দেহ দিয়ে পুরুষের মন ভোলানো নারীর কাজ নয়। নিজের ওজন নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগবেন না কখনোই।
তিন.
নারীরা আরও যে জিনিসটি নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন, সেটি হচ্ছে তাঁর স্তন। স্তন দুটিকে আরও একটু বড়, আরও একটু সুন্দর করার চেষ্টা সারা পৃথিবীর নারীরা মগ্ন। কেন? কারণ পুরুষের চোখে বড় স্তন আকর্ষণীয়! নিজের স্তনের আকৃতি নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগা একেবারেই আত্মবিশ্বাস হীনতার পরিচয়। এটা পরিহার করুন।
চার.
অসুখ স্তনে হোক বা গোপন অঙ্গে, কখনও লজ্জা পেয়ে অসুখ চেপে রাখবেন না। আমাদের দেশে অসংখ্য নারী কেবলমাত্র গোপনাঙ্গে অসুখ হয়েছে বলে ডাক্তারের কাছে যান না। বছরের পর বছর অসুখ নিয়ে বেঁচে থেকে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেন। এই ভুলটি আপনি যেন করবেন না ভুলেও।
পাঁচ.
সারাজীবন লোকে আপনাকে “খাটো” বা “বেঁটে” বলেছে? এই সমস্যাটা পুরুষদের মাঝে অনেক বেশী হলেও নারীদের ক্ষেত্রেও কম নয়। মনে রাখবেন, সৃষ্টিকর্তা সকলকেই বিশেষ ভাবে বানিয়েছেন। আর তিনি যেভাবে তৈরি করেছেন সেটা নিয়েই সকলের খুশি থাকা উচিত।
ডেস্ক রিপোর্ট : রসুন-বর্জিত বাঙালি হেঁসেল! খুঁজলে হয়তো হাতে গোনা মিলবে। বাঙালির সঙ্গে রসুনের সম্পর্ক বহু চর্চিত। রান্না থেকে শুরু করে ছোটখাটো ঘরোয়া টোটকা, রসুনের ব্যবহার বাঙালির ঘরে ঘরে। শরীর সুস্থ ও চনমনে রাখতে রসুনের যে জুড়ি মেলা ভার, তা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন বিশ্বের তাবড় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।
চিকিৎসকদের মতে, রসুন এমন এক সবজি, যা খেলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে না কোনও রোগই। একই সঙ্গে যৌন ক্ষমতাও বাড়াতে সাহায্য করে। রসুনে বিভিন্ন ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে, অ্যামিনো অ্যাসিড, নানা এনজাইম, অ্যালিসিন অ্যাসিড। তাই কাঁচা রসুন প্রতিদিন খেতে পারলে হার্ট নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। ক্যান্সারকেও রুখে দেয়।
রান্নায় রসুন খাওয়ার চেয়ে কাঁচা রসুন খেতেই পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ, রান্না হয়ে গেলে রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিন অ্যাসিড নষ্ট হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যালিসিনের প্রাথমিক উপকারিতা হল ক্যান্সার রুখে দেওয়া। অ্যালিসিন অ্যাসিড শরীরে ক্যান্সারকে বাসা বাঁধতে দেয় না। তাই কাঁচা রসুন খেলেই একমাত্র অ্যালিসিন শরীরে ঢোকে। রান্না করলে নয়। কাঁচা রসুনের এক বা দুকোয়া খাওয়ার আগে খোলা হাওয়ায় ওই কোয়াগুলি কিছুক্ষণ রেখে তারপর খান। তাতে আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়।
রসুন কাঁচা খেতে অনেকেরই অসুবিধা হয়। তবে দুভাবে খেলে কোনও অসুবিধে হবে না। প্রথমত, যে কোনও ভারী খাবারের সঙ্গেই এক বা দুকোয়া চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারেন। বা কোনও সুস্বাদু গ্রিন জুসের সঙ্গে খেতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ভাত বা রুটির সঙ্গে কাঁচা রসুনের কোয়াগুলি ছোট করে কেটে তরকারির সঙ্গেও খেয়ে ফেলা যায়।
রসুনে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস, যা রক্তে জমা হওয়া ফ্রি র্যাডিক্যাল ধ্বংস করে দেয়। ফ্রি র্যাডিক্যাল শরীরের পক্ষে মারাত্মক। ফ্রি র্যাডিক্যাল ডিএনএ ও কোষের মেমব্রেন নষ্ট করে দেয়। আর দূষিত রক্ত ডেকে আনে একরাশ রোগ।
যৌন ক্ষমতা বাড়াতেও রসুনের চেয়ে কার্যকরী আর কিছু নেই। প্রতিদিন রসুন খেলে যৌন ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যায়। এমনকি যাঁরা যৌনতায় অক্ষম, তাঁদেরও ক্রমেই সুস্থ করে তোলে। রসুন কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কোলেস্টেরলের মাত্রা ৯ থেকে ১২ শতাংশ কমিয়ে দেয় রসুন।
রসুন ছত্রাকজনিত সংক্রমণ রুখে দেয়। কারণ রসুনে থাকা অ্যালিসিন ছত্রাকজনিত সংক্রমণের সম্ভাবনা একেবারেই কমিয়ে দেয়।
গাঁটে ব্যথা বা আর্থরাইটিস থেকে স্থায়ী মুক্তি মেলে রসুনে। কোনও অসুখ হলে চিকিৎসকরা নানা অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেন। এসব অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া মারার পাশাপাশি উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলিকেও মেরে ফেলে। সেখানে রসুন হচ্ছে অন্যতম প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। শুধুই ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া নিকেশ করে। উপকারীগুলির কোনও ক্ষতি করে না।