May 7, 2026
আবু-সুফিয়ান: উৎসবকে রাঙিয়ে তুলতে প্রতিবারের মত এবার ও জি-সিরিজ ও অগ্নিবীণা প্রকাশ করেছে শতাধিক নতুন অ্যালবাম। যার মধ্যে রয়েছে একক, মিশ্র ও ব্যান্ড অ্যালবাম। শনিবার রাজধানীর একটি রেস্তোরায়
অ্যালবাম গুলোর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন- সংগীত শিল্পী ও সুরকার, গীতিকারসহ কলাকৌশলী সাংবাদিক বৃন্ধু।

প্রকাশিত অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে প্রিন্স মাহমুদের মিশ্র অ্যালবাম খেয়াল পোকা, সানী জোবায়ের এর চাঁদের সরবরে, মিলার একক আনসেন্সরড, তপুর একক দেখা হবে বলে, হাসান চৌধুরী একক অ্যালবাম তোমার অপোয়, এফএ
সুমনের একক জানরে তুই, রাজিবের ভালবাসবি রে তুই, কিশোর পলাশের একক দয়াল, ব্যান্ড আর্টসেল এর অ্যালবাম আর্টসেল, অবস্কিউর ব্যান্ডের মাঝ রাতের চাঁদ, সাজুর একক সরল মনে, অভীর একক কোথা হতে এলে, ইভার
একক মেঘেরা, নির্ঝর চৌধুরীরর একক চন্দ্রমুখ কুহক মায়া, ঝিনুকের একক অ্যালবাম মেঘলা মনে, নাহিদ নাজিয়ার একক প্রেমের জোয়ারে, ফকির সিরাজির মিশ্র অ্যালবাম বদলে গেল বাংলাদেশ, সিনেমার গানের অ্যালবাম পদ্ম
পাতার জল, গাছ ব্যান্ডের অ্যালবাম গাছের কান্ড, মিনারের আহা রে, এফ এ সুমন ফিচারিং বিপুলের একক আমি তোমার কি হই, ইসলামিক সংগীত আলোর পথে, নন্দন আমিনার, মোহাম্মদ খালেদ হোসেন এর যাবি কে মদিনায়,
সিনথিয়ার একক তোমাকে ভুলিনি, শ্রেয়া গুহঠাকুরতা ও নুরুল ইসলাম এর রবীন্দ্রনাথের অ্যালবাম আজি এ বসন্তে, নোশীন লায়লার নজরুল সংগীতের একক অ্যালবাম সে দিন নিশীথে, অভি মোস্তাফিজের নজরুল সংগীতের একক প্রিয়া এসো হে রানী ও আলভী আহমেদ এর সিনেমার গান ইউ-ট্রান।
বাংলা সিনেমার গান হিটম্যান ও আমার চ্যালেঞ্জ, পারভীন সুলতানার একক তোমার লাগিয়া রে, নির্ঝর চৌধুরীর মিশ্র অ্যালবাম বিশ্বসাথে যোগ, রাসেল ফিচারিং সজীব, মুন, পুতুলের ক্যাকটাস, ডলারের ধ্বংসলীলা, জেমীর একক দুই অরের প্রেম, ইমরানের ফ্রেন্ডমিক্সড, বিপ¬ব দে এর একক জানা হলো না, আরডি হিল্লোল এর মিশ্র অ্যালবাম মন তোমায় চায়, ব্যান্ড মিক্সড রায়োটাস্-১৪, প্রিন্স হায়দারের একক সহজ কথা, রাজন সাহার সুরে মিশ্র অ্যালবাম
প্রেম প্রজাপতি, এহসান রাহীর দ্বিতীয় একক অ্যালবাম এহসান রাহি-২, লিজেন্ড নজরুিল সংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগম স্মরণে সুস্মিতা আনিস এর অ্যালবাম সাউন্ড অব সিজন।
এছাড়া বাংলা সিনেমা প্রকাশিত হয়েছে ১২টি। সিনেমা গুলোর শিরোণাম হলো- ৭১ এর গেরিলা, জটিল প্রেম, ণিকের ভালবাসা, কি প্রেম দেখাইলা, কখনও ভুলে যেও না, লাভ স্টেশন, সর্বনাশা ইয়াবা, এইতো প্রেম, ডিয়ারিং লাভার।
এছাড়া ও ব্যান্ড, মিক্সড, একক এর পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের অ্যালবাম, নাটকের অ্যালবাম, মিউজিক ভিডিওর অ্যালবাম, ইসলামিক হাম-নাত, গজল ও চলচ্চিত্রের গানের অ্যালবাম করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
জি-সিরিজ কতৃপ থেকে জানান, উৎসব ঘিরে আমরা সব সময়ই একটু ব্যাতিক্রম ধরনের আয়োজন করে থাকি। এবারও তার ব্যাতিক্রম নয়। আমরা ঈদ ঘিরে প্রায় শতাধিক নাটক সিনেমা ও অডিওর অ্যালবাম শ্রোতাদের
উপহার দিতে পারবো বলে আশা করছি। প্রতিবারের মত এবার ও আমরা নবীন এবং প্রবীণদের অ্যালবাম দিয়ে ঈদের আয়োজন করেছি। আশা করি শ্রোতাদের ঈদ আয়োজনকে আরো বাড়িয়ে দিবে।
ঢাকা: আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ইফতার করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ ইফতার মাহফিলের আয়ো
জন করা হয়।
ইফতারের বেশ কিছুক্ষণ আগেই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ইফতারের আগে সবাইকে নিয়ে দোয়া ও মোনাজাতেও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে দোয়া করা হয়।
ইফতারে প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন অন্য আত্মীয়-স্বজনরা।
এছাড়া আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফএম বাহাউদ্দিন নাছিম, সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ হেলাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মাহবুব আরা গিনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।
নিউজ ডেস্ক: রাজনীতিতে নিজের ভূমিকা অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়ে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, তার বাবা বঙ্গবন্ধুর জন্য জীবন দিয়েছেন। তিনি সেই রক্তের উত্তরসূরি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হারানো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এই প্রথম ওই বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করে কথা বললেন।
শনিবার রাজধানীর বেইলি রোডে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে এক ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমি লাভের জন্য রাজনীতি করি না। আমার পিতা সততার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। নেতার জন্য মৃত্যুবরণ করেছেন। এটাই আমার রক্ত।”
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ও প্রবাসী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে আশরাফ ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের বন্দি হওয়ার প্রেক্ষাপটে দলে সাধারণ সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসেন।
২০০৯ সালের জানুয়ারিতে শেখ হাসিনার সরকারে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আশরাফ।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে আশরাফকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয়।
‘ঢাকাস্থ হোসেনপুর উপজলো সমিতি’ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে কথা বলেন সৈয়দ আশরাফ। তার নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জ-১ এর অন্তর্ভুক্ত এই উপজেলা।
হোসেনপুরবাসীর উদ্দেশ্যে আশরাফ বলেন, “আমার পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেঈমানি করেন নাই। আমি মন্ত্রী হই বা না হই, রাজনীতি করি বা না করি, সব সময় হোসেনপুরবাসীর সঙ্গে থাকব।”
সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।
ওই এলাকার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রহিম বলেন, “সরকারের এই সিদ্ধান্তে আমরা কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুরবাসী ক্ষুব্ধ। তবে আমরা নেতার (আশরাফ) সঙ্গে আছি এবং থাকব।”
হোসেনপুর উপজেলা সমিতির সভাপতি মো. নুরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও সমিতির উপদষ্টো শাহ মো. মনসুরুল হক বক্তব্য দেন।
স্পাের্টস ডেস্ক: তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাজেভাবে হারার পর নড়েচড়ে বসেছে টিম ম্যানেজম্যান্ট।
বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে দলে। প্রথম ওয়ানডেতে অনেকেই খারাপ পারফরম্যান্স করেছে। তবে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কাদেরকে বাদ দেয়া হচ্ছে এ বিষয়টি নিয়ে একটি ধারণা পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে কারা দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দলে থাকছেন সে বিষয়েরও আভাস পাওয়া যায়। তবে সত্যি হতে পারে এই আভাসই।
বড় পরাজয়ের পর আগামীকালই আবার মাঠে নামছে মাশরাফি বাহিনী। দলে ফিরতে পারেন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়া টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান এনামুল বিজয়। বাদ পড়তে যাচ্ছেন লিটন দাস। তার পরিবর্তে দলে প্রবেশ করতে পারেন বিজয়। ফিরতে পারেন পেসার রুবেলও। লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেনও তেমন ছন্দে নেই।
তার পরিবর্তে সানিকে দলে নেয়া হতে পারে। যাই হোক স্কোয়াডে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তবে বাজে খেলার জন্য বাদ পড়ছেন যারা, প্রবেশ করছেন কারা? এ নিয়ে বিসিবির সঠিক সিদ্ধান্ত না নেয়া পর্যন্ত বিরাজ করছে কৌতূহল।
নিউজ ডেস্ক: বৃটেনে বসবাসরত এক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত পরিবারের ১২ সদস্যকে কৌশলে ফাঁদে ফেলে সিরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা সেখানে শীর্ষ জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করছে আইএস। ইংল্যান্ডের বেডফোর্ডশায়ারের লুটন শহরতলিতে পরিবারটির বসবাস।

লুটন থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন ৭৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, তার স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও নাতি-নাতনিসহ পরিবারের ১০ সদস্য। আর এখন ওই পরিবারটিকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সিরিয়ায় আটকে রেখেছে আইএস। আবদুল মান্নানের পুত্র সেলিম হোসেন বৃটেনভিত্তিক আইটিভি নিউজকে এ তথ্য দিয়েছেন। গত মে মাসে লুটান থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন মান্নান ও তার পরিবারের ১১ সদস্য। এরপর থেকেই তারা নিরুদ্দেশ। গত সপ্তাহে হঠাৎ আবদুল মান্নানের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
আইএসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, পরিবারটি ‘অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে নিরাপদ’ রয়েছে এবং পরিবার ১২ সদস্যই আইএসে যোগদান করেছেন। কিন্তু, আইটিভি নিউজকে সেলিম জানান, তার পিতাকে জোর করে একটি গাড়িতে তোলা হয় এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে সিরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সিরিয়া থেকে টেলিফোনে কথা বলার সময় তার পিতা ভীষণ কান্নাকাটি করছেন বলে জানান সেলিম হোসেন। তিনি বলেন, আমার পিতা দ্বিধান্বিত, বিমর্ষ এবং তিনি প্রতিদিন কান্নাকাটি করছেন। তিনি শান্তিতে নেই। সেলিম দাবি করেন, ঘটনার দিন তার পরিবার ইস্তাম্বুলে ছিলেন।
এ সময় তাদের হোটেল কক্ষে একদল অজ্ঞাত ব্যক্তি পাসপোর্ট যাচাই করতে যায়। এরপর একে একে ওই পরিবারের ১০ সদস্যকে হোটেল ভবনের নিচে নামানো হয়। সেলিম জানান, ওই ব্যক্তিরা আবদুল মান্নান ও তার স্ত্রীকে সন্তান ও নাতি-নাতনীদের ছাড়াই বৃটেনে ফিরে যেতে বলে।
কিন্তু, তারা রাজি হননি। এরপর ১২ জনকে দুই ভাগে হোটেলের বাইরে অপেক্ষমান দুটি গাড়িতে ওঠানো হয়। আইএস সদস্যদের মতো পিতা কেন ছবিতে একটি আঙুল প্রদর্শন করছেন? এর জবাবে সেলিম বলেন, আইএসকে সমর্থন জানানোর জন্য নয়, বরং তা আইএসের ‘প্রোপাগান্ডা’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তার কোন ভাইবোনের মধ্যে মৌলবাদে জড়িয়ে পড়ার কোন লক্ষণ কখনোই দেখা যায়নি এবং তারা কখনও সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেননি। পরিবারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার কাছে কোন ক্লু বা সূত্র আছে কিনা তা জানতে চাওয়া হয়।
সেলিম বলেন, না, অস্বাভাবিক কিছুই নয়। তিনি বলেন, আমি যদি তেমন কিছু জানতাম, আমি তাদের থামাতাম। পুলিশ তাদের মধ্যে মৌলবাদের কিছুই খুঁজে পায়নি। কোন প্রমাণ নেই, সন্দেহজনক কিছুই নেই। তিনি বলেন, যদি এটা স্বাভাবিক না হতো বা সন্দেহজনক হতো, তাহলে সেটা আমার জানা থাকতো। কিন্তু, তেমন কিছুই ঘটেনি।
কোন লক্ষণ নেই। যদি কোন লক্ষণ থাকতো, তাহলে সেটা আমি ধরতে পারতাম। আবেগের সুরে তিনি তার পরিবারকে বৃটেনে ফেরার অনুরোধ জানান। তারা চলে যাওয়ার পর, তিনি শূন্য বোধ করছেন বলে জানান। ইংল্যান্ডের ফরেইন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের এক মুখপাত্র বলেছেন, তারা বেডফোর্ডশায়ার পুলিশ ও তুরস্কের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ ব্যাপারে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।
নিউজ ডেস্ক: লেখক ও কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ইসলামবিদ্বেষী মন্তব্যে থেমে নেই। ইসলাম, ধর্ম এবং পর্দা নিয়ে সম্প্রতি তার দেয়া বক্তব্যকে ঘিরে দেশ-বিদেশে যখন নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, ঠিক তখনই আবারো নতুন করে আগুনে তুষ ঢেলেছেন তিনি। এবার ইসলাম, ধর্ম, পর্দা, এমনকি রসুলুল্লাহ সা:-কে ছাড়িয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে জড়িয়ে মন্তব্য করেছেন। বলেছেন, আল্লাহ শব্দটি এসেছে কাবা শরীফের প্রধান মূর্তির নাম থেকে।
গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘আল্লাহর যে ৯৯ নাম, এগুলো কাবা শরীফের দেবদেবীর নাম ছিল। একটি বড় প্রমাণ হলো যে, আমাদের রসুল্লাহর (স.) বাবার নাম ছিল আবদুল্লাহ। আল্লাহ শব্দটি এসেছে কাবা শরীফের প্রধান যে মূর্তিটি ছিল তার নাম ইলাত, কেউ বলে ইলাহ, কেউ বলে ইলাত। এর থেকে এসেছে।’
শুক্রবার নিউইয়র্ক ভিত্তিক টাইম টেলিভিশনের এক সাক্ষাৎকারে তার পূর্ববর্তী আলোচিত-সমালোচিত বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফের নতুন বিতর্কের ঝড় তুলেছেন।
গত ৩ জুলাই শুক্রবার ম্যানহাটনের বাংলাদেশ মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একক বক্তব্যে রাসুল সা: ও পর্দা নিয়ে তার মন্তব্যের বিষয় সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ওই দিন যে বক্তব্য দিয়েছি তা যথার্থ ছিল। এটাকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে চিহ্নিত জামায়াত ও হেফাজতীরা। জাতিসঙ্ঘ মিশনের দেয়া বক্তব্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রপাগান্ডায় নেমেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তার ওই দিনের বক্তব্য ঘিরে ফুঁসে ওঠে প্রবাসী ধর্মপ্রাণ মানুষ। এর হাওয়া লেগেছে বাংলাদেশেও। পরবর্তী ৭ জুলাই রোববারের পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিও পণ্ড হয়ে যায়। জ্যামাইকা থেকে ব্রুকলিনে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে। সেখানেও প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয় আয়োজকদের। তার ওই বক্তব্যকে ঘিরে শুক্রবারও সিটির বিভিন্ন মসজিদে মসজিদের খুতবায় নিন্দা জানানো হয়। এছাড়া ৮ জুলাই সোমবার নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে আলেম-ওলামারা গাফ্ফার চৌধুরীকে প্রকাশ্যে তওবা পূর্ব ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মসজিদে বিশেষ খুতবা পাঠের হুঁশিয়ারিও দেন আলেম সমাজ।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সফর প্রসঙ্গে বলেন, আমি নিউইয়র্কে এসেছি ব্যক্তিগত ব্যাপারে এবং কিছুটা আমন্ত্রিত হয়ে। এখানে আমাদের বাংলাদেশ মিশনে আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতিই বলবো, মোমেন সাহেবের (জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি) আমন্ত্রণে একটি সিরিজ লেকচারে অংশ গ্রহণ করার জন্য। এ লেকচারটি হয়ে গেছে। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি এখানে এসছি এই জন্য যে, আমি প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ওপর একটি ডক্যুমেন্টারি করছি। তার সম্পর্কে এখানে কিছু বিখ্যাত লোকের মন্তব্য রেকর্ড করার জন্য। দুই কারণেই এসেছি।
তিনি বলেন, আমি মিশনে বক্তব্য দিয়েছি। যেখানে বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে। আমাদের বাংলাকে বলা হতো হিন্দুর ভাষা, এটা ঠিক নয়। বাংলাতে ইসলাম প্রচার হয়েছে বাংলা ভাষাতেই। আরবে ইসলাম প্রচার হয়েছে আরবি ভাষাতেই। যদিও সে ভাষা এককালে কাফেরদের ভাষা ছিল। তাতে কিছু আসে যায়না। পরবর্তীকালে ইসলামের ভাষা হয়েছে। আমাদের নাম, আমাদের সংস্কৃতির কার্যকলাপ মিশ্রিত। কোনোটাই ধর্মভিত্তিক নয়। আমাদের বিয়ে, আমাদের নামকরণ। আরবরাও তাই করেছে।
যারা তার বক্তব্যের বিরোধিতা করছেন তাদের সম্পর্কে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, তারা প্রমাণ দেখাক। আমি অন্তত এক ডজন আরবি কেতাব দেখাতে পারবো। যেখানে এই নাম, দ্বিতীয় প্রধান দেবতার নাম ছিল রহমান। আমাদের রসুলুল্লাহ (স.) যখন ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন তখন তার একজন প্রতিদ্বন্দ্বী দেখা দিয়েছিল। সে নিজেকে আল্লাহর রসুল দাবি করে বলেছিল, প্রধান দেবতা হচ্ছেন রহমান। এদেশে বহুদিন আমাদের রসুলুল্লাহ ও মুসলমানকে লড়াই করতে হয়েছে। এভাবে রহমানও এডাপ্টডেট হয়ে যায় ইসলামের নামে। আমাদের রসুলুল্লাহ মূর্তিগুলো ভেঙেছেন। এক-ঈশ্বরবাদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি কোনো ঐতিহ্য ধ্বংস করেননি।
তাহলে আজকে যারা প্রতিবাদ করছেন, ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা তাদের প্রতিবাদকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে চিহ্নিত জামায়াত-হেফাজতিরা। জাতিসঙ্ঘ মিশনের দেয়া আমার বক্তব্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রপাগাণ্ডায় নেমেছে। যোগ দিয়েছে কিছু সুবিধাবাদি। অসত্য বেশি দিন টিকবে না। কারো হুমকি-ধামকি ও অপপ্রচারে ভয় পান না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। তিনি জানান, আগামি ১৪ জুলাই লন্ডনের উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছেড়ে যাবেন।
এদিকে, নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের ব্যানারে ৭ জুলাইয়ের পূর্ব-নির্ধারিত কর্মসূচি প্রবাসী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর ওই দিন বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রুকলিনে গিয়েও ব্যর্থ হন আয়োজকরা। এসময় মুসল্লিরা জুতা প্রদর্শন করেন। এবার ১২ জুলাই রোববার জ্যাকসন হাইটস জুইস সেন্টারে গাফ্ফার চৌধুরীর জন্য এক নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করেছে ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সম্মিলিত শক্তি’। গাফ্ফার চৌধুরীর এ নাগরিক সংবর্ধনাকে ঘিরে নানা শঙ্কা-আশঙ্কার মধ্যে আছেন প্রবাসীরা। আয়োজকরা চাইছেন, দু’দুবার ভণ্ডুল হওয়ার পর এবার যেকোনো মুল্যে সংবর্ধনাটিকে সফল করার জন্য।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওরায়দুল কাদের জানিয়েছেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনের নির্মাণ কাজও প্রায় শেষ। এ জন্যে এবার ভোগান্তি হবে না। সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিতে কোনো কোনো সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ জন্যে আমাদের কর্মকর্তাসহ সবাই সড়কে আছি। ঈদ পর্যন্ত সড়কে থাকবো। যদিও সড়কে তেমন সংকট নেই।”
তিনি বলেন, এবার ঈদে কোনো অবস্থায় জনতার দুর্ভোগ হতে দেয়া যাবে না, যেকোনো মূল্যে মানুষের বাড়িতে আসা- যাওয়া স্বস্তি দায়ক করতে হবে। এবার রাস্তার জন্য কোনো দুর্ভোগ হবে না, হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সারা দেশের সড়ক-মহাসড়ক এবার অতীতের চেয়ে ভালো। শনিবার সকালে গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলী মার্কেট এলাকায় এসে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশারাফের বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ ও মন্ত্রী পরিষদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। তিনি দল ও দেশের স্বার্থে যাকে যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানেই রাখবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য এক লাখ আট হাজার ৬৩৯ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করে আজ শনিবার তৃতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

মনোনীত শিক্ষার্থীরা আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তি হতে পারবে।
কলেজে আসন না থাকায় আবেদন করে এবারো ৫০৭ জন শিক্ষার্থী বাদ পড়েছে। এরাসহ সেরা ফলাফল হিসেবে বিবেচিত জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩২৮ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজে ভর্তির সুযোগ পায়নি।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় তালিকায় একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য এক লাখ নয় হাজার ১৪৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। কিন্তু কলেজে আসন না থাকায় ৫০৭ জন শিক্ষার্থী বাদ পড়ে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তৃতীয় তালিকার ভর্তিচ্ছুরা ১২ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবে।
তিনি বলেন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন অনেক প্রতিষ্ঠানেই আসন শূন্য রয়েছে। কিন্তু পছন্দক্রমে শুধুমাত্র ভালোমানের কলেজ বাছাই করার কারণে সবাইকে ভর্তির সুযোগ দেয়া যায়নি। অন্যান্যদের মধ্যে মেধার প্রতিযোগিতায় ৩২৮ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীও বাদ পড়েছে। তিনি বলেন, পছন্দক্রম পরিবর্তন করে তারা আবারও আবেদন করতে পারে, তখন তাদের কলেজ মনোনীত করে দেয়া যাবে।
পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকা এবং কারিগরি জটিলতা দেখা দেয়ার নির্ধারিত সময়ের চার দিন পর গত ২৮ জুন মধ্যরাতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় হাজারো ভুলের কারণে কলেজে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে শিক্ষার্থীরা। এরপর গত ৬ জুলাই ভর্তির দ্বিতীয় তালিকা প্রকাম করা হয়। আজ দুপুরে তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হলো।
নতুন পদ্ধতিতে (অনলাইনে) এ বছর একাদশে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়ার ফলে মেয়েদের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে ছেলেদের। বিজ্ঞান কলেজে পাঠানো হয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের। মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীকে দেয়া হয়েছে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির অনুমতি। পাঠদানের অনুমতি নেই এমন প্রতিষ্ঠানেও ভর্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এরূপ হাজারো বিড়ম্বনা ও হয়রানীর মুখে পড়তে হয়েছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুবিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত বিচার সম্পন্ন করতে ঈদের পর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হবে বলে জানালেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় মির্জানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের পরই এই বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হচ্ছে। এই ট্রাইব্যুনালে প্রত্যেকটা মানুষ পোড়ানোর ঘটনার মামলা পাঠানো হবে।’
হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন যে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। বেগম জিয়াও নন। উনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, তবে সম্প্রতি দেড় শতাধিক মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার কর্মকাণ্ডের যে নেতৃত্ব তিনি দিয়েছেন, সেটা ১৯৭১ সালের গণহত্যার মতো একটি ঘটনা।’
৭১-এর গণহত্যায় যেমন রেহাই দেওয়া হচ্ছে না, তেমনি মানুষ পোড়ানোর দায়ে খালেদা জিয়াও অভিযুক্ত। তাঁর নামে মামলা হয়েছে, তদন্ত শেষ হয়েছে। দুই-একটা মামলায় অভিযোগপত্র হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে খালেদা জিয়া যদি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন তাহলে রাজনীতি করবেন, না হলে রাজনীতি থেকে ইস্তফা দিয়ে কারাগারে চলে যাবেন। এর বাইরে তাঁর অন্য কোনো পরিণতি নেই বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
এ সময় জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম স্বপন, মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী জালাল উদ্দীন, মিরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বাহাদুর শেখ এবং জাসদের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ববিতা।
শুধু অভিনয় নয়, তারকাদের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের গল্পও জানতে চান পাঠক। আর তারকাদের পারবারিক-সামাজিক জীবনের দুর্লভ ছবির দেখা পেলে তো কোনো কথায় নেই। মনোরঞ্জন.কম-এর হাতে এসেছে তারকাদের এমনই কিছু ছবি। চলুন দেখা যাক:
৮০’র দশকের কোন এক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন মেগাস্টার উজ্জল।
টিএসসির পহেলা বৈশাখের এক অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের সঙ্গে হ্যান্ডমেক করছেন প্রয়াত নায়ক মান্না।
পরিবারের সঙ্গে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।
বিমান বাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈমানিক রিয়াজ।