May 7, 2026
ঢাকা: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সকাল ১০টায় তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরিত প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ স্বাক্ষরিত এক ফ্যাক্স বার্তা সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১০ টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নিবেন।
জাতীয় শোক দিবসের এ কর্মসূচিতে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সামরিক ও বে-সামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।
এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করবেন।
এদিকে জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুর সমাধী সৌধ কমপ্লেক্সের সৌন্দর্য বর্ধন, ধোয়া-মোছা ও মিলাদ মাহফিলের স্থান তৈরীর কাজ শেষ হয়েছে। জেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়েছে কালো তোরণ। সড়কের পাশে কালো পতাকা দিয়ে শোকের আবহ সৃষ্টি করা হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হালিম জানান, রাষ্ট্রীয় এ সফর সফল করতে নেতা-কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে। শোকের মাসে বঙ্গবন্ধু সমাধী সৌধ মসজিদে প্রতিদিন কোরআন খতম করা হচ্ছে।
গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার এসএম এমরান হোসেন জানান, এ সফরকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়াসহ গোপালগঞ্জ জেলায় নেওয়া হয়েছে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, ডিবি পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছে।
আবু-সুফিয়ান: শুক্রবার সারা দেশের ৯১টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’। রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও পরে তা পিছিয়ে ১৪ আগস্ট ঠিক করা হয়। এই ছবিতে প্রথমবারের মতো জুটি হিসেবে দেখা যাবে ঢালিউড কিং শাকিব খান ও আলোচিত নায়িকা পরীমনিকে।
এ বিষয়ে প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘১২২টি সিনেমা হলে আমাদের ছবিটি মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল; কিন্তু অনেক হলের পরিবেশ ভালো নয়। তাই আমরা বাছাই করে ৯১টি হলে ছবিটি মুক্তি দিচ্ছি। আমরা যেমন কোটি টাকা খরচ করে ছবি বানাই, তেমনি সিনেমা হল মালিকদেরও টাকা খরচ করে নিজের হল ঠিক করতে হবে। হলের কারণে সিনেমার ক্ষতি হয়। একটা ভালো ছবিও পর্দায় খারাপ ছবি হয়ে যায়। সবাই দোয়া করবেন, চলচ্চিত্রকে যেন আমরা সবাই মিলে আগের জায়গায় নিয়ে যেতে পারি।’
পরিচালক এস এ হক অলিক বলেন, ‘অনেক দিন পর আমার ছবি মুক্তি পাচ্ছে। ইচ্ছা ছিল ঈদে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার। এটাও ভালো হলো, কারণ আগামী কোরবানির ঈদের আগে তেমন কোনো ছবি মুক্তি পাবে না। যে কারণে ভালো ছবি দেখার জন্য আর কোরবানির ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না। সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা ছবি দেখে অনেক প্রশংসা করেছিলেন। আশা করি, দর্শকও ছবি দেখে প্রশংসা করবেন।’

নতুন ছবি প্রসঙ্গে নায়িকা পরীমনি বলেন, ‘এই ছবি আমার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এই ছবি দেখে দর্শক আমাকে ভালো না বেসে থাকতে পারবে না। আপনারা জানেন, আমি এখন পর্যন্ত অনেক ছবিতে কাজ করেছি। এর মধ্যে এই ছবিটিকে আমি বলব, একদমই মৌলিক একটা গল্প নিয়ে কাজ করা। অনেক ছবিতেই দেখা যায়, তামিল ছবির গল্প থেকে চুরি করে বানানো হয়। কিন্তু এই গল্পটা আমাদের গল্প, এ কারণে আমি অভিনয় করে মজা পেয়েছি। এমন ছবি দেশের চলচ্চিত্রকে আবারো ভালো অবস্থায় নিয়ে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’ ছবিতে অভিনয় করেছেন চম্পা, সাদেক বাচ্চু, আফজাল শরীফ ও সোহেল রানা। ছবির একটি গান লিখেছেন কবির বকুল, বাকি গানের কথা লিখেছেন এস এ হক অলিক। ছবির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হাবিব ওয়াহিদ, পড়শি, এস আই টুটুল, কোনাল ও হৃদয় খান। ছবির আবহ সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমন সাহা।
ঢাকার ১৬টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ঢাকার হলগুলো হলো—যমুনা ব্লকব্লাস্টার, স্টার সিনেপ্লেক্স, বলাকা, জোনাকি, অভিসার, শাহিন, পুনম, সনি, এশিয়া, পূরবী, গীত, পূর্ণিমা, শ্যামলী, মুক্তি, রানীমহল, চিত্রামহল।
ঢাকার বাইরে ৭৫টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। হলগুলো হলো : চাঁদমহল (কাঁচপুর), নিউ গুলশান (জিঞ্জিরা), চম্পাকলি (টঙ্গী), বর্ষা (জয়দেবপুর), নিউ মেট্রো (নারায়ণগঞ্জ), চন্দ্রিমা (শ্রীপুর), পান্না (মুক্তারপুর), মৌসুমী (সিরাজগঞ্জ), সোনিয়া (বগুড়া), মানসী (কিশোরগঞ্জ), সাধনা (রাজবাড়ী), ছায়াবাণী (ময়মনসিংহ), রজনীগন্ধা (চালা), তাজ (নওগাঁ), মুন (হোমনা), মনোয়ার (জামালপুর), কাকলী (শেরপুর), ঝংকার (পাঁচদোনা), বনলতা (ফরিদপুর), হ্যাপি (লক্ষ্মীপুর), উর্বশী (ফুলবাড়িয়া), বলাকা (ঠাকুরগাঁও), তিথি (গোবিন্দগঞ্জ), সংগীতা (সাতক্ষীরা), বনানী (কুষ্টিয়া), শংখ (খুলনা), চিত্রালী (খুলনা), ময়ূরী (বাগাচরা), শাপলা (রংপুর), নবীন (মানিকগঞ্জ), হীরামন (নেত্রকোনা), উপহার (রাজশাহী), মাধবী (মধুপুর), কানন (সাগরদীঘি), রাজিয়া (নাগরপুর), কেয়া (টাঙ্গাইল), আলীম (খেপুপাড়া), আলীম (মঠবাড়িয়া), অভিরুচি (বরিশাল), রূপসী (ভোলা), মুন (মুক্তাগাছা), মোহনা (কোনাবাড়ী), রূপকথা (পাবনা), তিতাস (পটুয়াখালী), মধুমতী (ভৈরব), মণিহার (যশোর), রাজমনি (বোরহানউদ্দিন), নন্দিতা (সিলেট), রাজ (কুলিয়ারচর), মধুমতী (কুমিল্লা), গৌরী (শাহাজাদপুর), সুরভী (শিবচর), পূরবী (চট্টগ্রাম), রাজমহল (চাঁপাই), প্রতিভা (রাজৈর), ইউনিভার্সাল (মাদারীপুর), ক্লিওপেট্রা (ধনুট), চিত্রবাণী (গোপালগঞ্জ), পৃথিবী (জয়পুরহাট), অন্তরা (ফুলবাড়িয়া), শাপলা (ভালুকা), রাজলক্ষ্মী (পাতারহাট), ছায়াবাণী (নাটোর), মনিকা (শাহেস্তাগঞ্জ), পাল্কী (চান্দিনা), লালমনি (লালমোহন), মিতালী (কুড়িগ্রাম), অন্তরা (মেলান্দহ), প্রিয়া (ঝিনাইদহ), কানন (ফেনী), শাহিন (বল্লা), লিপি (গলাচিপা), মৌসুমী (পাকুন্দিয়া), ঝর্ণা (দাউদকান্দি)।
অর্থনীতি ডেস্ক: ঈদ-উল-আজহা আসতে এখনো বাকি প্রায় দেড় মাস। কিন্তু এর আগেই বাজারে বাড়তে শুরু করেছে মসলাসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম।
প্রতিবারই ঈদকে কেন্দ্র করে বেড়ে যায় বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য। তবে সহজেই আর কমে না এসবের দাম। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত আর্থিক চাপে ভোগান্তির শিকার হয় সাধারণ মানুষ।
রাজধানীর খুচরা বাজারে ইতোমধ্যে বেড়ে গেছে এলাচ, জিরা, কালোজিরা, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, আদা, শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন সহ অন্যান্য মসলার দাম। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ একদিকে পণ্যের অধিক চাহিদা অপরদিকে বন্যার কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা সবসময়ই কারণে অকারণে দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে বাজেটের আগে ও পরে তারা এ কাজটি করে থাকে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার আগেই তারা পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে ফেলে।
পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জানা যায়, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি সাদা গোল মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮শ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে, এক মাস আগেও যার দাম ছিল ১ হাজার ২শ থেকে ১ হাজার ৫ শত টাকার মধ্যে। জিরা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ টাকা, দারুচিনি ৪০০ টাকা, লবঙ্গ ১৪০০-১৫০০ টাকার মধ্যে, এলাচ ১৬৫০-১৭০০ টাকার মধ্যে। প্রতিটি দ্রব্যের দাম গড়ে ১৫ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে।
ভোক্তারা জানিয়েছে খুচরা বাজারেও বেড়েছে মূল্য। তাদের অভিযোগ যথাযথ বাজার মনিটরিংয়ের অভাবেই এমনটা হচ্ছে।
মালিবাগ বাজারে আহসান উদ্দিন নামের এক ক্রেতা জানায়, ‘এখানে নেই কোন মূল্য তালিকা নেই দর কষাকষির কোন সুযোগ।’
অপরদিকে বাজারে আবারও বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম। কয়েকদিন আগে ৯৩-৯৭ টাকায় বিক্রি হওয়া সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৫ টাকার মধ্যে।
বাজারে বেড়েছে সবজির দামও। এ বিষয়ে পাইকারী ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এনায়েদ উল্লাহ বলেন, বাজারে দ্রব্যের দাম স্বাভাবিক আছে। বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে কমেছে।’
ইসলাম ডেস্ক: মৃতের গোসল, কাফন, জানাযার ছালাত এবং দাফন করা ফরযে কেফায়া। (অর্থাৎ কিছু লোকে কাজটি করলে অন্যরা দায়মুক্ত হবে। অন্যথা সকলেই গুনাহগার হবে)
গোসল দেয়ার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম সেই ব্যক্তি হকদার, যার ব্যাপারে মৃত ব্যক্তি ওছিয়ত করে গিয়েছে। তারপর তার পিতা। তারপর অপরাপর নিকটাত্মীয়। আর মহিলার গোসলে প্রথম হকদার হল তার ওছিয়তকৃত মহিলা। তারপর তার মা। তারপর তার মেয়ে। তারপর অন্যান্য নিকটাত্মীয় মহিলাগণ।
স্বামী-স্ত্রী পরষ্পরকে গোসল দিতে পারবে। রাসূলুল্লাহ্ (ছা আয়েশা (রা কে বলেন: “তোমার কোন অসুবিধা নেই, তুমি যদি আমার আগে মৃত্যু বরণ কর, তবে আমি তোমার গোসল দিব।” (আহমাদ, হাদীছ সহীহ্) আর আবু বকর (রা ওছিয়ত করেছিলেন যে, তার স্ত্রী যেন তাঁকে গোসল দেয়। (মুসান্নাফ আবর্দু রাজ্জাক- হা/৬১৬৭)
মৃত ব্যক্তি নারী হোক বা পুরুষ তার বয়স যদি সাত বছরের কম হয়, তবে যে কোন পুরুষ বা মহিলা তার গোসল দিতে পারবে।
গোসলের জন্য পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষ আর নারীর ক্ষেত্রে নারী যদি না পাওয়া যায় তবে তার গোসল দিবে না। বরং তাকে তায়াম্মুম করিয়ে দিবে। এর পদ্ধতি হল, উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন তার হাত দুটি পাক মাটিতে মারবে। তারপর তা দ্বারা মৃতের মুখমন্ডল ও উভয় হাত কব্জি পর্যন্ত মাসেহ করে (মুছে) দিবে।
কোন কাফেরকে গোসল দেয়া এবং দাফন করা মুসলমানের উপর হারাম। আল্লাহ্ বলেন: (ولاَ تُصَلِّ عَلىَ أحَدٍ مِنْهُمْ ماَتَ أبَداً) “আপনি তাদের (কাফের মুনাফেকদের) উপর কখনই জানাযা সালাত আদায় করবেন না।” (তওবাহ্- ৪৮)
গোসল দেয়ার সুন্নাত হল, প্রথমে তার লজ্জাস্থান ঢেঁকে দেবে, তারপর তার সমস্ত কাপড় খুলে নিবে। অত:পর তার মাথাটা বসার মত করে উপরের দিকে উঠাবে এবং আস্তে করে পেটে চাপ দিবে, যাতে করে পেটের ময়লা বেরিয়ে যায়। এরপর বেশী করে পানি ঢেলে তা পরিস্কার করে নিবে। তারপর হাতে কাপড় জড়িয়ে বা হাত মুজা পরে তা দিয়ে উভয় লজ্জা স্থানকে (না তাকিয়ে) ধৌত করবে। তারপর ‘বিসমিল্লাহ্’ বলবে এবং সালাতের ন্যায় ওযু করাবে। তবে মুখে ও নাকে পানি প্রবেশ করাবে না। বরং ভিজা কাপড় আঙ্গুলে জড়িয়ে তা দিয়ে তার উভয় ঠোঁটের ভিতর অংশ ও দাঁত পরিস্কার করবে। একইভাবে নাকের ভিতরও পরিস্কার করবে।
পানিতে কুল পাতা মিশিয়ে গোসল দেয়া মুস্তাহাব। প্রথমে ডান সাইডের সামনের দিক ও পিছন দিক ধৌত করবে। তারপর বাম দিক ধৌত করবে। এভাবে তিনবার গোসল দিবে। প্রতিবার হালকা ভাবে পেটে হাত বুলাবে এবং ময়লা কিছু বের হলে পরিস্কার করে নিবে।
গোসলের সময় সাবান ব্যবহার করতে পারে এবং প্রয়োজন মোতাবেক তিনবারের বেশী সাত বা ততোধিক গোসল দিতে পারে। শেষবার কর্পুর মিশ্রিত করে গোসল দেয়া সুন্নাত। কেননা নবী (সা তাঁর কন্যা যায়নাবের (রা শেষ গোসলে কর্পুর মিশ্রিত করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। (বুখারী ও মুসলিম)
মৃতের মোচ বা নখ যদি বেশী বড় থাকে তবে তা কেটে দেয়া মুস্তাহাব। তবে বগল বা নাভীর নীচের চুল কাটা যাবে না।
সাত বার গোসল দেয়ার পরও যদি পেট থেকে ময়লা (পেশাব বা পায়খানা) বের হতেই থাকে তবে উক্ত স্থান ধুয়ে সেখানে তুলা বা কাপড় জড়িয়ে দিবে। তারপর তাকে ওযু করাবে।
কাফন পরানোর পরও যদি ময়লা বের হয়, তবে আর গোসল না দিয়ে সেভাবেই রেখে দিবে। কেননা তা অসুবিধার ব্যাপার।
মৃতের চুল আঁচড়ানোর দরকার নেই। তবে নারীর ক্ষেত্রে তার চুলগুলোতে তিনটি বেণী বেঁধে তা পিছনে ছড়িয়ে দিবে।
হজ্জ বা ওমরায় গিয়ে ইহরাম অবস্থায় যদি কেউ মারা যায়, তবে তাকে কুল পাতা মিশ্রিত পানি দিয়ে গোসল দিবে। কিন্তু কোন সুগন্ধি ব্যবহার করবে না এবং পুরুষ হলে কাফনের সময় তার মাথা ঢাঁকবে না। বিদায় হজ্জে জনৈক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মৃত্যু বরণ করলে নবী (সা বলেন: “তাকে কোন সুগন্ধি লাগাবে না, এবং তার মাথা ঢাঁকবে না। কেননা সে ক্বিয়ামত দিবসে তালবিয়া পাঠ করতে করতে উত্থিত হবে।” (বুখারী ও মুসলিম)
ধর্ম যুদ্ধে শহীদ ব্যক্তিকে গোসল দিবে না, এবং তাকে তার সাথে সংশ্লিষ্ট কাপড়েই দাফন করবে। কেননা নবী (সা “ওহুদের শহীদদের ব্যাপারে আদেশ দিয়েছিলেন যে, তাদেরকে গোসল ছাড়া তাদের পরিহিত কাপড়ে দাফন করা হবে।” (বুখারী) “এমনিভাবে তাদের ছালাতে জানাযাও পড়েন নি।” (বুখারী ও মুসলিম)
গর্ভস্থ সন্তান যদি চার মাস অতিক্রম হওয়ার পর পড়ে যায়, তবে তার গোসল ও জানাযার ছালাত আদায় করবে। কেননা নবী (ছা বলেন: “মাতৃগর্ভে সন্তানের বয়স যখন চার মাস অতিক্রম করে তখন সেখানে একজন ফেরেস্তা প্রেরণ করা হয়। সে তাতে রূহ ফুঁকে দেয়।” (মুসলিম) আর তার বয়স যদি চার মাসের কম হয়, তবে তাতে প্রাণ না থাকার কারণে সাধারণ একটি মাংশের টুকরা গণ্য হবে। যা কোন গোসল বা জানাযা ছাড়াই যে কোন স্থানে মাটিতে পুঁতে দেয়া হবে।
মৃত ব্যক্তি আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারণে, তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খন্ড-বিখন্ড হওয়ার কারণে বা পানি না পওয়ার কারণে যদি তাকে গোসল দেয়া সম্ভব না হয়, তবে পূর্ব নিয়মে তাকে তায়াম্মুম করিয়ে দিবে।
শেয়ার করে বিষয়টি সবাইকে শেখার সুযোগ দিন।
নিজস্ব প্রতিবেদক: বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী মধ্যবাড্ডায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলির ঘটনায় শুক্রবার সকালে আরও একজন নিহত হয়েছেন।
নিহতের নাম মাহমুবুর রহমান গামা। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক । ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিতসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকল পৌনে ১০টার দিকে মারা যান তিনি।
এর আগে এ ঘটনায় বাড্ডা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সামসু মোল্লা এবং সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মানিক নিহত হন।
এছাড়া গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতা আল আমীন রাজধানীর ইউনাইডেট হাসপাতালে চিকিতসাধীন রয়েছেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় হামলার ঘটনা ঘটেছে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে ঝুট ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া আরও বেশ কয়েকটি বিষয়কে সামনে রেখে ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান বৃহস্পতিবার রাতে মধ্য বাড্ডা আদর্শনগর আল সামি হাসপাতালের পাশে একটি পানির পাম্পে বসে ১৫ আগস্ট নিয়ে আলোচনা করছিলেন তারা। এসময় ৪/৫জন যুবক এলেপাথারি গুলি ছুঁড়লে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে মানিক ও শামসু মোল্লা’র মৃত্যু হয়। এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। বাড্ডা থানার ওসি এম এ জলিল জানান বেশ করেয়কটি বিষয়কে সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে নি।
নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকারের প্রকৃতি কেমন হবে এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বাকযুদ্ধের মাঝেই নতুন দুই ‘ফর্মুলা’র প্রস্তাব দিয়েছে হাইকোর্ট।
ফর্মুলা দুটির একটিতে সকল দলের সংসদ সদস্যদের নিয়ে নির্বাচনকালীন ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের কথা বলা হয়েছে যার নের্তৃত্বে থাকবেন সদ্যবিলুপ্ত সংসদের প্রধানমন্ত্রী।
অপরটিতে, পাঁচ বছর মেয়াদি সংসদের শেষ বছর বিরোধী দলের হাতে দেশ শাসনের ভার দেবার কথা বলা হয়েছে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৩ এমপির বৈধতার রিট শুনানির পূর্ণাঙ্গ রায়ে বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার এবং বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকার এ প্রস্তাব দেন।
বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ১৫৩ এমপির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় পার্টির নেতা আব্দুস সালামের করা রিটের প্রেক্ষিতে বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার এবং বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের আদালত ২০১৪ সালের ১৯ জুন এ রায় প্রদান করেন।
ঐ রিটে আব্দুস সালাম বিলুপ্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল কিংবা জাতীয় নির্বাচনকালীন একটি গ্রহণযোগ্য অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থার আবেদন জানান।
রায়ের পূর্ণাঙ্গ লিপি অনুযায়ী এই দুই ফর্মুলা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার।
হাইকোর্টের দেয়া প্রথম ফর্মুলা মতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হবার ৯০দিন আগে কিংবা মেয়াদ শেষ হবার পর তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১০ম জাতীয় সংসদের প্রতিনিধিত্বকারী সকল দলের সদস্যদের নিয়ে ৫০ সদস্যদের মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১০ম জাতীয় নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত হিসাব করা যেতে পারে বলে ফর্মুলায় বলা হয়েছে।
১০ম জাতীয় সংসদে যেহেতু বিএনপি-জামায়াত জোট অংশগ্রহণ করেনি তাই নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভায় তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য টেকনোক্র্যাট কোটায় ৫ জন মন্ত্রীর কথা বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, আইন, অর্থ, লোকপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো লটারির মাধ্যমে বণ্টনের পক্ষে মত দেয়া হয়েছে ফর্মুলায়।
একাদশ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে এই ফর্মুলা অনুসরণ করা যেতে পারে বলে রায়ে বলা হয়।
হাইকোর্টের দ্বিতীয় ফর্মুলায় ক্ষমতার সমবণ্টনের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এ ফর্মুলা অনুযায়ী সংসদের মেয়াদের প্রথম চার বছর নির্বাচনের জয়ী দল এবং শেষের এক বছর বিরোধী দল সরকার পরিচালনা করবে।
বিরোধী দল যদি জাতীয় নির্বাচনে জয়ী দলের প্রাপ্ত ভোটের অর্ধেক ভোট লাভ করতে সক্ষম হয় তবেই তারা সংসদের মেয়াদের শেষ বছর সরকার পরিচালনা করতে পারবে। নয়তো নির্বাচনে জয়ী দল পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে প্রথম ফর্মুলা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করবে।
দ্বিতীয় ফর্মুলার বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হলেও প্রথমটির জন্য তার প্রয়োজন হবে না বলেও রায়ে উল্লেখ হয়েছে।
সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যে কোন ফর্মুলার চেয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা এবং নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালীকরণ বেশি জরুরি বলে মত দিয়েছেন বিচারপতি মির্জা হোসেন হায়দার এবং বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের আদালত।
হাইকোর্টের এ রায়ের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং বিএনপি নেতারা।
বিনােদন ডেস্ক: দীর্ঘ বিরতির পর বড় পর্দায় ফিরলেন সুন্দরী ও সুঅভিনেত্রী কেয়া। সাফিউদ্দিন সাফি পরিচালিত ‘ব্ল্যাকমানি’ ছবির মাধ্যমে বলা যায় নতুনরূপে ফিরলেন তিনি। তার এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে কথা হলো কেয়ার সঙ্গে। অনেকদিন পর বড় পর্দায় কেয়া, কেমন লাগছে?
খুবই ভাল লাগছে। ‘ব্ল্যাকমানি’ ছবিটি নতুন এক কেয়াকে উপহার দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করেছি। তাদের উচ্ছ্বাস দেখে এতটাই ভাল লেগেছে যে, মনে হলো সিনেমাটিতে আমার নতুন জন্ম হয়েছে।
অনেকদিন পরের বিষয়টা কেমন লাগছে?
বলে প্রকাশ করা যাবে না। আমার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি আমাদের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের ‘আয়না কাহিনী’। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের এই ছবিটি খুব বেশি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না পেলেও এটি আমাকে অভিনেত্রীর স্বীকৃতি দিয়েছিল। আর ‘ব্ল্যাকমানি’ আমাকে পরিপূর্ণ নায়িকা হিসেবে তুলে ধরেছে। আমি কৃতজ্ঞ ছবির প্রযোজনা সংস্থা মুভি প্লানেট মাল্টিমিডিয়া, পরিচালক সাফিউদ্দিন সাফি, আমার সহশিল্পী এবং পুরো ‘ব্ল্যাকমানি’ টিমের প্রতি।
প্রথম ছবি ‘কঠিন বাস্তব’ থেকে প্রদর্শন চলতি ‘ব্ল্যাকমানি’র কেয়ার মধ্যে পরিবর্তন কতটুকু?
অনেক। ‘কঠিন বাস্তব’ ছবিতে আমি ছিলাম কিশোরী আর ‘ব্ল্যাকমানি’তে পরিপূর্ণ তরুণী।
‘ব্ল্যাকমানি’ ছবির সাফল্যের পেছনে আপনি কাদের কৃতিত্ব দেবেন?
পুরো ‘ব্ল্যাকমানি’ টিমকেই কৃতিত্ব দেবো। কারণ ‘ব্ল্যাকমানি’ একটি সুন্দর গল্প, শ্রুতিমধুর গান, নয়নাভিরাম লোকেশন, তারকাশিল্পীদের অভিনয় সবকিছু মিলিয়েই পরিপূর্ণ একটি ছবি। পুরো টিমের পরিশ্রমের ফসল ‘ব্ল্যাকমানি’। কৃতিত্ব সবার।
এই ছবিতে আপনার সঙ্গে প্রথম কাজ করেছেন সাইমন, প্রথম অভিষেক হয়েছে মৌসুমী হামিদের?
সাইমন আর আমার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘ব্ল্যাকমানি’। মৌসুমী হামিদেরও প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি। শুটিংয়ের সময় আমরা বন্ধুর মতো কাজ করেছি। এখনও আমরা বন্ধু। কাজ করতে খুব ভাল লেগেছে বলেই ছবিটি দর্শকদেরও ভাল লেগেছে। সাইমন এবং মৌসুমী হামিদ সুযোগ পেয়ে তার সদ্ব্যবহার করেছেন। এক সঙ্গে সাফল্য পাওয়ায় খুব ভাল লাগছে।
নতুন রূপে পর্দায় কেয়াকে দেখে কেমন লাগলো?
অসাধারণ। নিজের প্রশংসা করছি না। এটা সবার কথা। তবে আমার মতে, ‘ব্ল্যাকমানি’ আমার অভিনয় জীবনের সেরা প্রাপ্তি। অনেক ছবিতে অভিনয় করেছি, কিন্তু দর্শকদের এতো ভালবাসা আমি আগে কখনো পাইনি।
এখন সামনে কি ভাবছেন?
ভাল ভাল কিছু ছবিতে অভিনয় করতে চাই। নিয়মিত কাজ করতে চাই। যে নতুন কেয়াকে ‘ব্ল্যাকমানি’ জন্ম দিয়েছে সেই কেয়াকে চলচ্চিত্রের সেবায় নিয়োজিত রাখতে চাই।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চীনের তিয়ানজিন শহরের বিস্ফোরণস্থলে সামরিক বাহিনীর দুশো সদস্যের একটি রাসায়নিক বিশেষজ্ঞদল পাঠিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাতে তিয়ানজিন বন্দরের কাছে রাসায়নিকের একটি গুদামে পরপর দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে যাতে নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে অন্তত ৫০। আর আহতের সংখ্যা সাতশ ছাড়িয়ে গেছে। বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা যায়নি। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে ওই এলাকার বাতাসে তীক্ষ্ণ গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে এবং সেখানকার মানুষেরও চোখে সমস্যা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করছে। এদিকে প্রায় সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটাচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম জিনহুয়া জানাচ্ছে যে বিধ্বংসী অগ্নিকান্ডের প্রায় ৩০ ঘন্টা পরও গুদাম থেকে কালো ধোয়ার কুন্ডুলি বেরুচ্ছে। বিস্ফোরণস্থলের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে, আহতদের উদ্ধার করতে হিমশিম খাচ্ছে উদ্ধারকর্মীরা। স্থানীয় হাসপাতালগুলোকেও শত শত আহত লোককে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সিয়াজোই হাসপাতাল জানাচ্ছে, আহতদের অনেকের গায়ে ছোট ছোট কাচের টুকরা লেগে আছে; কারও হয়তো মাথায় আঘাত লেগেছে কারও হাত পা ভেঙেছে ,গুরুতর অবস্থায় রয়েছে ৭১ জন। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে তিয়ানজিন শহরের শিল্প এলাকায়- যেখানে গাড়ির কারখানা, বিমান সংযোজন কারখানা, বিভিন্ন ধরনের উৎপাদন শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংস্থার দপ্তর ছিল।
গুদাম থেকে এখনও কালো ধোঁয়ার কুন্ডলি উঠছে। কর্তৃপক্ষ বলছে ‘বিস্ফোরকের একটি’ চালান আসার সময় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে । ওই ঘটনায় আহত একজন সান কুমিন বলছেন-“প্রথমে আগুন দেখতে পেলেও বুঝতে পারিনি এটা এত বড় অগ্নিকান্ডের ঘটনা। বিস্ফোরণের জায়গা থেকে অনেক দূরে একটা কারখানায় আমি সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করি। হঠাৎ শব্দ শুনে শুয়ে পড়ি , তারপরও আহত হই। আর সিকিউরিটি বুথগুলো পুরোই ধ্বংস হয়ে যায়। এদিকে চীনা সামরিক বাহিনীর একটি রাসায়নিক বিশেষজ্ঞ দলের প্রায় দুশোরও বেশি সদস্য পাঠানো হয়েছে বিস্ফোরণস্থলে। উদ্ধারকর্মীদের বলা হয়েছে তারা যেন শরীর সুরক্ষা কারার মতো পোশাক পড়ে কাজ করে।
রুইহাই লজিস্টিকস কোম্পানির যে গুদামে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেখানে সোডিয়াম সায়ানাইডের মত আরো অনেক বিষাক্ত রাসায়নিক আদান-প্রদান হয়। চীনের পরিবেশ সুরক্ষা ব্যুরোর প্রধান ওয়েন উরুই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বিস্ফোরণের ঘটনার পর তিয়ানজিনের বাতাস এবং পানিতে দূষণের মাত্রা কতটা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।তিনি বলেছেন, বেশিদিন ধরে বিষাক্ত বাতাসে শ্বাস নেয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু আমরা পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি এ মুহুর্তে জায়গাটিতে দূষণের মাত্রা সে পর্যায়ে পৌঁছেনি।চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দ্য পিপলস ডেইলি বলছে, উদ্ধারকর্মীরা ওই জায়গায় মজুদ ৭শ’ টন সোডিয়াম সায়ানাইড সরানোর চেষ্টা করছে।এই রাসায়নিকটিকে বিষমুক্ত করতে হাইড্রোজেন প্রিঅক্সাইডও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানাচ্ছে পত্রিকাটি।
সূত্রঃ বিবিসি
বিনােদন ডেস্ক: অবশেষে গুঞ্জন সত্যি হতে যাচ্ছে। হাল আমলের বলিউডের সেক্সসিম্বল নায়িকা সানি লিওন ঢাকা আসছেন আগামী সেপ্টেম্বরে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সানি লিওনের এজেন্ট প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে একটি প্রতিষ্ঠানকে অফিসিয়ালি অনুমোদনও দিয়েছে।
আয়োজক সূত্র জানায়, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় এই কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক সংস্থাটি ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে।
রাজধানীর বসুন্ধরার কনভেনশন হলে ৪ ক্যাটাগরির আসন বিন্যাসের মাধ্যমে এই টিকেট শোটি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সানি লিওনের পারফর্মেন্সের আগে গান গাইবেন জনপ্রিয় গায়ক আতিফ আসলাম। মোট ৪০০০ টিকেট-এর এই শোটির সর্বনিম্ন টিকেট মূল্য রাখা হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। সানি লিওনের নাচের পারফর্মেন্সের জন্য তার পুরো দলও ঢাকায় আসবে।
আসিফ সুফিয়ান অর্নব: পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হককে বিশ্বের সেরা অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করেছে মর্যাদাসম্পন্ন ব্রিটিশ সংবাদপত্র টেলিগ্রাফ। পত্রিকাটি টেস্ট অধিনায়কদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে বাংলাদেশের মুশফিকুর রহীম রয়েছেন চতুর্থ স্থানে। নেতৃত্ব গুণ, প্রধান প্রধান অর্জন এবং টেস্ট রান মিলিয়ে এই তালিকা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিসবাহ এ যাবৱকালের সেরা টেস্ট অধিনায়কদের অন্যতম। ২০১০ সালে তিনি যথন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন পাকিস্তান দল ছিল মারাত্মক সঙ্কটে। স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে তাদের তিন খেলোয়াড় ছিল নিষিদ্ধ। কিন্ত তিনি সেই অবস্থা থেকে পাকিস্তানকে বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটিতে পরিণত করেন। তার অধীনে পাকিস্তান একে একে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যঅন্ড, শ্রীলঙ্কার মতো দলকে পরাজিত করেছে। ব্যাট হাতেও তিনি সাবলীল। গড়ে রান করেছেন ৫০, সর্বকালের দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরিতে তিনি যৌথভাবে প্রথম স্থানে রয়েছেন।
সেরা অধিনায়কের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তৃতীয় স্থানে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, চতুর্থ স্থানে বাংলাদেশের মুশফিকুর রহীম, পঞ্চম স্থানে ইংল্যান্ডের অ্যালিস্টার কুক, ষষ্ট স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা, ৭ম স্থানে ভারতের বিরাট কোহলি, ৮ম স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল ক্লার্ক, ৯ম স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিনেশ রামদিন।