May 7, 2026
প্রতিবিদক: রাজধানী ঢাকায় দুদিন ধরে ঝরঝর বৃষ্টি ঝরছে তো ঝরছেই। এতে বেশির ভাগ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও হাঁটু পানি জমেছে। কোথাওবা কোমর পানি। সেই নোংরা পানি পার হয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে হচ্ছে মানুষকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কখনো থেমে থেমে, কখনোবা টানা বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল রাতে ঢাকায় প্রায় একটানা বৃষ্টি হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালেও টিপটিপ বৃষ্টি চলছে। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। শান্তিনগর, মিরপুর, বাড্ডা, তেজতুরী বাজার, নাখালপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় হাঁটু থেকে কোমর পানি জমেছে। এতে পথচারী ও যানবাহনের আরোহীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার ধারের অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে গেছে।
আবহাওয়া বিভাগ বলছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হওয়ার কারণেই বৃষ্টি হচ্ছে। আজ দেশের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
বিনােদন ডেস্ক: শুক্রবার বাংলাদেশের ৮৫টি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে নায়ক বাপ্পি চৌধুরী অভিনীত ‘লাভার নাম্বার ওয়ান’। সময়ের আলোচিত নায়িকা পরী মণি ও বাপ্পি চৌধুরী প্রথমবারের মতো একসঙ্গে জুটি বেঁধে আসছেন বড় পর্দায়। ফারুক ওমর পরিচালিত ‘লাভার নাম্বার ওয়ান’ ছবিটি এরই মধ্যে মুক্তির সব প্রস্তুতি শেষ করেছে।
‘ভালোবাসার রং’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। এর পর তিনি একে একে ১৬টি ছবি শেষ করেছেন। তাঁর ১৭ নম্বর ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল। চলচ্চিত্র ব্যবসায় যখন মন্দা চলছিল, তখনই প্রযোজকরা আস্থা রেখেছিলেন বাপ্পির ওপর। সেই আস্থার মান অবশ্য রেখেছেন বাপ্পি। আর এ কারণেই সংশ্লিষ্ট সবার বিশ্বাস, এই ছবিও আশানুরূপ ব্যবসা করবে।
নতুন ছবি নিয়ে নায়ক বাপ্পি বলেন, ‘দর্শক জানে, আমি কোন ধরনের ছবিতে কাজ করি। এই ছবিতেও দর্শক এক নতুন বাপ্পিকে আবিষ্কার করবে। আশা করি, ছবিটি সবার ভালো লাগবে।’
‘লাভার নাম্বার ওয়ান’ ছবিটি নিয়ে আশাবাদী প্রযোজক ও পরিচালক ফারুক ওমর। তিনি বলেন, “আমি এর আগে আরো দুটি চলচিত্র প্রযোজনা করেছি। কিন্তু পরিচালনা করা হয়নি। এর আগে মাতৃছায়া চলচ্চিত্রের ব্যানারে শাকিব খানকে নিয়ে দুটি সিনেমা নির্মাণ করি। ‘বলবো কথা বাসর ঘরে’ দিয়ে প্রযোজক হিসেবে চলচ্চিত্রে পদার্পণ করি। এর পর নির্মাণ করি ‘একবার বলো ভালোবাসি’। দুটি ছবি প্রযোজনার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা আমার পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সাহায্য করেছে। তাই এবার নির্মাণ করেছি ‘লাভার নাম্বার ওয়ান’। সুন্দর গল্পের রোমান্টিক অ্যাকশন ছবিটি বাপ্পি ও পরী মণিকে নিয়ে নির্মাণ করেছি। চেষ্টা করেছি দর্শকের মনের মতো ছবি বানাতে। আমার বিশ্বাস, দর্শক আমার এ ছবি গ্রহণ করবে। প্রযোজক হিসেবে তাদের ভালোবাসা আমি পেয়েছি। বিশ্বাস, পরিচালক হিসেবেও পাব।’
‘লাভার নাম্বার ওয়ান’ ছবিটির কাহিনী লিখেছেন কাশেম আলী দুলাল। চিত্রগ্রহণে ছিলেন আসাদুজ্জামান মজনু ও সম্পাদনায় তৌহিদ হোসেন চৌধুরী। ছবিটিতে মোট পাঁচটি গান রয়েছে। ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আলী আকরাম শুভ।
রোমান্টিক অ্যাকশন ধাঁচের এ ছবিতে বাপ্পি চৌধুরী ও পরী মণির সঙ্গে দেখা যাবে চ্যানেল আই-ভিট টপ মডেল তানিয়া বৃষ্টিকে। এ ছাড়া ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলীরাজ, সাদেক বাচ্চু, রেহানা জলি, ডি জে সোহেল, শিবা শানু ও মিশা সওদাগর। আর আইটেম গানে দেখা যাবে ঢালিউডের নাম্বার ওয়ান আইটেম গার্ল বিপাশা কবীরকে।
প্রতিভা যে তার আছে সেটা ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্সেই স্পষ্ট। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে এখনও নিজেকে সম্পূর্ণ মেলে ধরতে না পারলেও যতটা ঝলক এখন অবধি দেখিয়েছেন তাতে তাকে আগামী দিনের জন্য ‘যত্ন’ করা যায়। এর বাইরে, তাকে মনে করা হচ্ছে উইকেটের পিছনে মুশফিকুর রহিমের যোগ্য উত্তরসুরী।
সাক্ষাৎকারে ক্রিকেট ও ক্রিকেটের বাইরের অনেক কিছু নিয়েই সেই লিটন কুমার দাস আলোচনা করেছেন খোলাখুলি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সামিউল ইসলাম শোভন-
প্রশ্ন: জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই টানা খেলে যাচ্ছেন, কিন্তু নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এখনো বড় কোন ইনিংস খেলা হয়নি। আপনার প্রতি দল যে আশা করে, সেটা নিয়ে কি বলবেন?
লিটন কুমার দাস: দেখুন আমি এখনো আমার শতভাগ খেলতে পারিনি। জাতীয় দলে যারা আছেন, তারাও মনে করেন আমি এখনো শতভাগ দিতে পারিনি। আমি চেষ্টা করছি ভালো করার। এটার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছি যেন নিজের সেরাটা দিয়ে দলকে সাহায্য করতে পারি, অবদান রাখতে পারি।
প্রশ্ন: প্রায় ম্যাচেই বড় ইনিংসের সম্ভাবন দেখিয়েও ৩০-৪০ রানের মাথায় আউট হচ্ছেন। কি মনে হয়? ব্যাটিংয়ে নির্দিষ্ট কোন দিকে দুর্বলতা টের পাচ্ছেন?
লিটন: আসলে অনেকদিন লম্বা সময় ধরে ব্যাট না করার কারণেই এমনটা হচ্ছে। অনেকদিন বড় কোন স্কোর খেলিনি। ব্যাটে ভালো রান পাওয়া শুরু করলেই একটা সময়ে গিয়ে সমস্যাটা দূর হবে বলে আমি মনে করি। চেষ্টা করছি, ভালো রান করার।
প্রশ্ন: আপনার ব্যাটিংয়ের ধরণ, শট; সবকিছুর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের একটা ছোঁয়া পাওয়া যায়। ব্যাপারটা কি নির্দিষ্ট কোন ব্যাটসম্যানকে অনুসরণ করার মাধ্যমে নাকি এমনিতেই হয়েছে?
লিটন: শুরুর দিকে আমার ব্যাটিং অন্যরকম ছিলো। আমার ভাইয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটার, তিনিও ব্যাটসম্যান। আমি চেষ্টা করতাম, তার মতো ব্যাটিং করতে। কিন্তু যখন দেখলাম, তার মতন হচ্ছে না; তখন চিন্তা করলাম নিজের মতোই করি। তারপর থেকেই নিজের মতো করে ব্যাটিং করা শুরু করেছি। নিজে নিজেই আলাদা একটা স্টাইল এনে ফেলেছি। কাউকে ফলো করিনি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে এবং বাইরে কার ব্যাটিং সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে? ব্যাটিং আইডল কে?
লিটন দাসঃ মাইকেল ক্লার্কের ব্যাটিং ভালো লাগে। তিনি আমার ফেবারিট ব্যাটসম্যান। এছাড়া এবি ডি ভিলিয়ার্স, বিরাট কোহলির ব্যাটিং ভালো লাগে। আর বাংলাদেশ দলে মুশফিক ভাই, নাসির ভাইয়ের ব্যাটিং বেশি ভালো লাগে।
প্রিয়.কম: দর্শনীয় ব্যাটিংয়ের সঙ্গে সুদর্শন চেহারা। মেয়ে ভক্তদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে কখনো?
লিটন: দিনশেষে আপনি দেখবেন পারফরম্যান্সটাই আসল। মেয়েরা আমার চেহারা দেখবে না, দেখবে পারফরম্যান্স। আমি যেদিন থেকে ভালো রান পাওয়া শুরু করবো, সেদিন থেকে শুধু মেয়েরা নয়, অনেক ছেলে ভক্তও হবে।
প্রশ্ন: পড়াশোনা?
লিটনঃ আমি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ( এআইবিইউ) তে ভর্তি হয়েছি মাত্র। বিবিএ বিভাগে।
প্রশ্ন: এবার আবার একটু ক্রিকেটের প্রসঙ্গে আসি। কোন ফরম্যাটে খেলতে বেশি পছন্দ করেন?
লিটন: আসলে আমি এভাবে কখনও ভাবি নি। একজন ক্রিকেটারের কাছে সব ফরম্যাটই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর আমার কথা যদি বলি, তাহলে বলবো, ওয়ানডে আর টেস্টকে বেশি প্রাধান্য দেই।
প্রশ্ন: জাতীয় দলে নতুন যোগ দিয়েছেন। সাধারণভাবেই নতুনরা সিনিয়রদের সাপোর্ট আশা করে। আপনি কি সেটা পাচ্ছেন? দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কে সাপোর্ট দেয়?
লিটন: আমিসহ যারা দলে নতুন, তাদের প্রতি দলের অন্যান্যদের সবারই একটা সমর্থন থাকে। দলের পরিবেশটাও অন্যরকম। সবাই সবাইকে অনেক সাহায্য করে। এদিক দিয়ে আমরা সবাই সবার কাছ থেকে সর্বোচ্চটুকু পাই। নির্দিষ্ট করে বলার মতো কেউ নেই। কারণ, সবার কাছ থেকেই সমর্থনটা আসে
সুত্র….প্রিয়
নিজস্ব প্রতিবেদক : সৌদি আরবে হজের সময় প্রতারক চক্রের নেতা আব্দুল গফুরসহ ১২ সদস্যকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মুনতাসিরুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অজ্ঞানপার্টির নেতা আব্দুল গফুরসহ ১২ সদস্যকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে তিনজন সদস্য হজের ভিসা নিয়েছেন। যাতে সেখানে গিয়ে একই কাজ চালানো যায়। তবে আটক বাকিদের পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।নএ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
নিউজ ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনে সংসদ সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে শুনানীর এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে লতিফ সিদ্দিকীর দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের সমন্ময়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রিট খারিজ করে দেন।
গতকাল বুধবার শুনানী শেষ হলে আজ বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য দিন ধার্য ছিলো।
আন্তর্জতিক ডেস্ক: ইয়েমেন এখন দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে। গত কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের কারণে দেশটিতে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) প্রধান আর্থারিন কাজিন। আর্থারিন কাজিনের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, প্রয়োজন মেটানোর জন্য দেশটির বাজারে যথেষ্ট খাদ্য নেই। দেশটির প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ মানুষের জরুরি ভিত্তিতে সহায়তা দরকার।
সঙ্কটের পর খাবার সরবরাহের চেষ্টা করছে জাতিসংঘ তিন দিনের ইয়েমেন সফর শেষে কায়রোতে জাতিসংঘের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, চলমান সংঘাতের
কারণে জরুরি ভিত্তিতে এলাকাগুলোতে সাহায্য সংস্থাগুলো পৌঁছাতে পারছে না। গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকাগুলোতে সংঘাতের কারণে সহায়তা সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির প্রধান আর্থারিন কাজিন উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের তুলনামূলকভাবে দরিদ্র দেশটিতে গত মার্চ মাসে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর থেকে এই সংঘাতের শুরু।
হুতিদের আক্রমণের মুখে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আবদ রাব্বো মানসুর হাদির দেশ থেকে পালিয়ে সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। ২৬ মার্চ থেকে প্রেসিডেন্ট হাদির সমর্থনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।
ঢাকা: বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলছেন, এটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। তবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের প্রয়োগ দুক্ষেত্রেই কিছুটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
সম্প্রতি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার ঘটনায় সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে গ্রেফতারের পর তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দেয়া হয়। এরপর গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি আইন নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
অধিকার কর্মীরা বলছেন, তথ্য প্রযুক্তি আইনটি নিবর্তনমূলক এবং এর ৫৭ ধারাটির অপব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি উঠেছে।
এ পটভূমিতে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭টি ধারাটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কিনা- এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, দুইদিকেই কিছুটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে এমন কিছু লেখা যাবে না বা স্ট্যাটাস দেয়া যাবে না যা অন্যের অধিকার, মর্যাদা বা শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে। সেটা যেন অন্যের অনুভূতির ওপর আঘাত আনতে পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
পাশাপাশি আইনের নামে যারা এটি প্রয়োগ করবেন তারা অযথা হয়রানি করবেন, আইনের স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করবেন সেটা নয়। সে ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক হতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মিস্টার চৌধুরী আরও বলেন, “অনেক ভাল আইনও অপ-প্রয়োগ বা অপব্যবহারের কারণে নিবর্তনমূলক হতে পারে। স্বেচ্ছাচারভাবে ব্যবহার করলে আইনের কারণে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে”।
আইনটির অপব্যবহার রোধে কোন পদক্ষেপ নেয়া হবে কি-না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আইন যেটি আছে তার অপপ্রয়োগ হলে বা তার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে নিশ্চই তা সুনির্দিষ্ট করার জন্য বা সংশোধন করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে প্রবীর শিকদার তার স্ট্যাটাসে আরেকজনকে অভিযুক্ত করে মৃত্যুর জন্য দায়ি বলে যেভাবে লিখেছেন, সেটিও কিন্ত সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা নয়”।
সূত্র : বিবিসি
ঢাকা: র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়া নিহত হওয়ার ঘটনাটি মানতে পারছেন না স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা। এঁদের পাশাপাশি এই এলাকার (ঢাকা-১০) আওয়ামী লীগের সাংসদ ফজলে নূর তাপসও বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধ নয়, আরজুকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে র্যাব।
গত মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মারা যান আরজু মিয়া (২৮)। গত সোমবার রাজা মিয়া (১৬) নামের এক কিশোরকে চুরির অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে আরজু ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। রাজা মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন আরজু মিয়া।
গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে হাজারীবাগের আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে আরজুকে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা এ ‘হত্যা’র সঙ্গে জড়িত র্যাব সদস্যদের শাস্তি দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আরজুর কয়েকজন স্বজন, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের প্রায় ১০০ নেতা-কর্মী। লিখিত বক্তব্য পড়েন থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক হামিদ ওরফে সাজু।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আরজু মিয়া কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা জিডিও নেই। আর এলাকার স্বীকৃত মাদকসেবী রাজা মিয়াকে চুরির অভিযোগে স্থানীয় মানুষ মারপিট করলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরজুকে ফাঁসানো হয়েছে। এতে র্যাবের পাশাপাশি সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরজুর ভাই মাসুদ রানা বলেন, আরজু নিহত হওয়ার পর থেকে পরিবারের সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘মা আমারে বলছে, তুই কোনো মামলা-মোকদ্দমা করবি না। আমার এক ছেলেরে ক্রসে দিছে। ও রাজনীতি করত, আর তুই তো সাধারণ মানুষ। তোরে যে ক্রসে দেবে না, তার কী গ্যারান্টি?’
গতকাল বেলা দুইটার দিকে হাজারীবাগ পার্কে আরজু মিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টিতে ভিজে সহস্রাধিক মানুষ জানাজায় অংশ নেন। সাংসদ ফজলে নূর তাপস ও সাবেক সাংসদ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনসহ হাজারীবাগ থানা ও ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানাজায় অংশ নেন। এরপর লাশ আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজার সময় দেওয়া বক্তব্যে সাংসদ তাপস বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।
সন্ধ্যায় প্রথম আলোর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সাংসদ ফজলে নূর বলেন, ‘আরজু নিরীহ-নিরপরাধ ছেলে। তাকে র্যাব ধরে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে। ওখানে সেদিন যে ছেলেটা (রাজা) মারা গেছে, তার পরিবারই বলছে সে মাদকাসক্ত। সে চুরি করেছে, তাকে হয়তোবা লোকজন একটু মারধর করেছে। পরে তার (রাজার) আত্মীয় শামীমই তাকে বেশি মারধর করেছে। শামীম বুকের ওপর এমনভাবে ছেলেটাকে মেরেছে যে পরে সে মারা গেছে। ওটা একটা দুর্ঘটনা। আমরা এ জন্য দুঃখিত। এখানে আরজুর কোনো অপরাধ থাকলে তার জন্য আইন ছিল, বিচার হতো। কিন্তু এ রকম একটা ছেলে, যার কোনো ব্যাড রেকর্ড নাই, কোনো মামলা-জিডি পর্যন্ত নাই, সেই ছেলেটাকে ধরে নিয়ে গিয়ে সকালবেলায় মেরে দিল। এটা কোনো কথা হতে পারে? এটা তো কোনো যৌক্তিক ঘটনা হতে পারে না!’
এটিকে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হিসেবে র্যাব যে দাবি করছে, সে বিষয়ে সাংসদ তাপস বলেন, ‘এটা (বন্দুকযুদ্ধ) একটা তথাকথিত গৎবাঁধা কথা। এটার কোনো মানে হয় না। এটা বিশ্বাসযোগ্যও না। এ রকম একটা নিরীহ ছেলের মৃত্যু আমি কোনোভাবে মেনে নিতে পারছি না। আমি এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। প্রতিবাদ জানিয়েছে সকলে। আমরা এটার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি তো মনে করি, এটা নারায়ণগঞ্জে যে রকম একটা ঘটনা (সাত খুন) ঘটেছিল সে রকমই একটা পুনরাবৃত্তি, এ ছাড়া কিছু না।’
যোগাযোগ করা হলে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, মঙ্গলবারই র্যাব এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে। এর বাইরে এ বিষয়ে র্যাবের বলার মতো কিছু নেই।
মঙ্গলবার কমান্ডার মুফতি এ বিষয়ে বলেছিলেন, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আরজুকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর তাঁকে নিয়ে র্যাব-২-এর একটি টহল দল অভিযানে যাচ্ছিল। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত আরজু মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। তখন র্যাবের সঙ্গে তাদের গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে আরজু মিয়াকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
ওসি বদলি: গতকাল রাতে হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার আবদুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বাভাবিক নিয়মেই ওসিকে বদলি করা হয়েছে। হাজারীবাগ থানায় ওসি হিসেবে মাইনুলের দুই বছর পার হয়েছে।’
প্রথম অালাে
ফরিদপুর প্রতিনিধি: একাত্তরের শহীদ পরিবারের সন্তান সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালত এ আদেশ দেন। ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় গতকাল মঙ্গলবার একই আদালত প্রবীর সিকদারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রবীর সিকদারের আইনজীবী আলী আশরাফ নান্নু বলেন, তিন দিনের রিমান্ড এক দিনে শেষ করে আজ বিবাদীকে আদালতে উপস্থাপন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালতে পুলিশ বলে, রিমান্ডের আর প্রয়োজন নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আদালতে প্রবীর সিকদারের জামিনের আবেদন জানাই।

আদালত সূত্র জানায়, আজ প্রবীর সিকদারের পক্ষে তাঁর আইনজীবী আলী আশরাফ আদালতে জামিনের আবেদন জানালে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা তার বিরোধিতা করেননি। পরে আদালত পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত প্রবীর সিকদারের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অনিমেষ রায়ের ভাষ্য, প্রবীর সিকদারের স্ত্রী
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রবীর সিকদারের জামিনের বিরোধিতা না করতে মন্ত্রী আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন। মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, প্রবীর সিকদার শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাঁর স্ত্রী আমাকে বিষয়টি মানবিকভাবে দেখার অনুরোধ করেছিলেন। এ কারণে আমি আইনজীবীদের পরামর্শ দিয়েছি, প্রবীরের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে মানবিক কারণে তার যেন বিরোধিতা না করা হয়।
এ ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে প্রবীর সিকদারের স্ত্রী অনিতা সিকদারের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে গত রোববার সন্ধ্যায় প্রবীর সিকদারকে তাঁর রাজধানীর ইন্দিরা রোডের অনলাইন পত্রিকা অফিস থেকে আটক করে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় তাঁর নামে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা হয়। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (২) ধারায় গ্রেপ্তার করে সোমবার ভোরে তাঁকে ফরিদপুরে নিয়ে আসা হয়। সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাঁকে জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ওই আদালত তাঁকে ফরিদপুর জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন। গতকাল আদালত প্রবীর সিকদারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রবীর সিকদারের বিরুদ্ধে দায় করা মামলার বাদী জেলা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি স্বপন পাল। মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, প্রবীর সিকদার গত ১০ আগস্ট তাঁর ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।
যার শিরোনাম ছিল ‘আমার জীবনের শঙ্কা তথা মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী থাকবেন’। শিরোনামের নিচে তাঁর মৃত্যুর জন্য যাঁরা দায়ী থাকবেন এমন তিনজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। এঁদের মধ্যে এক নম্বরে আছেন এলজিআরডিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম।
স্ট্যাটাসটি পড়ে বাদীর দৃঢ়বিশ্বাস হয়েছে, প্রবীর সিকদার ইচ্ছাকৃতভাবে মোশাররফ হোসেন সম্পর্কে অসত্য লেখা লিখে মন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। লেখাটি জনসমক্ষে প্রকাশের মাধ্যমে উসকানি প্রদান করে শান্তিপ্রিয় মানুষের কাছে মন্ত্রীকে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। এতে মন্ত্রীর মানহানি ঘটেছে। যা একটি ফৌজদারি অপরাধ।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাবিরোধীরা প্রবীর সিকদারের বাবাসহ তাঁর পরিবারের ১৪ জনকে হত্যা করে। ২০০১ সালে জনকণ্ঠ পত্রিকার ফরিদপুর প্রতিনিধি থাকাকালে রাজাকারদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবেদন লেখার পর সন্ত্রাসীদের হামলায় তাঁকে একটি পা হারাতে হয়।
এরপর থেকে তিনি কৃত্রিম পা লাগিয়ে চলাফেরা করছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক বাংলা ৭১, উত্তরাধিকার-৭১ নিউজ অনলাইন পত্রিকা ও উত্তরাধিকার নামের এক ত্রৈমাসিক পত্রিকার সম্পাদক।
রান্না বান্না: আজকের রেসিপির নাম চিংড়ির মালাইকারি। জেনে নিন কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন চিংড়ির মালাইকারি।

উপকরণ
চিংড়ি মাছ এক কেজি, তেল ১৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ চারটি, দারুচিনি দুই টুকরা, এলাচ ছয়টি, লবঙ্গ চারটি, জিরা গুঁড়া দুই টেবিল চামচ, আদা বাটা দুই টেবিল চামচ, জিরা বাটা দুই টেবিল চামচ, মরিচের গুঁড়া এক টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া এক টেবিল চামচ, চিনি এক টেবিল চামচ, গরম মসলা এক টেবিল চামচ, নারিকেলের দুধ দুই কাপ, ঘি দুই টেবিল চামচ এবং লবণ স্বাদমতো।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে চিংড়ি মাছ, হলুদ গুঁড়া, লবণ, পেঁয়াজ, আদা ও জিরা গুঁড়া একসঙ্গে মেখে মেরিনেটের জন্য রেখে দিন। একটি মিক্সারে পেঁয়াজ ও আদা ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। একটি প্যানে ঘি গরম করে চিংড়িগুলো লাল করে ভেজে আলাদা তুলে রাখুন। এবার তেলের মধ্যে দারুচিনি, এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে ভাজতে থাকুন। আদা-পেঁয়াজের মিশ্রণটি এর মধ্যে দিয়ে চার থেকে পাঁচ মিনিট কষিয়ে নিন।
এরপর এতে একে একে হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া, লবণ, গরম মসলা দিয়ে নাড়তে থাকুন। নারিকেলের দুধ ও পানি দিয়ে ফুটাতে থাকুন। এর মধ্যে কাঁচা মরিচ ও ভাজা চিংড়ি দিয়ে পাঁচ থেকে ছয় মিনিট রান্না করুন। ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ধনিয়া পাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন চিংড়ির মালাইকারি।