পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

প্রযুক্তি মাঝে-মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান বহুকেন্দ্রিক বিশ্বে পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পারস্পরিক সংযোগ দৃঢ় করার পাশাপাশি মাঝে-মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।19-12-15-PM-2
প্রযুক্তি ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা মোকাবেলায় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও সক্ষম করে তোলার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ও এএফডি কোর্সের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে আমরা একটি সর্বজনীন ও বহুকেন্দ্রিক বিশ্বে বসবাস করছি। যেখানে পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি পারস্পরিক সংযোগকে সুদৃঢ় করছে, উদ্ভুত সমস্যা সমাধানের পথ দেখাচ্ছে, আবার মাঝে-মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে।

“বিশেষ করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ নানা ধরনের ঘটনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। আমি আশা করি, এই প্রশিক্ষণ আপনারা কাজে লাগাবেন, স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগবেন,যে কোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনারা অনেক বেশি সক্ষম হবেন।”

বহির্বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও জঙ্গিদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে এসেছে। এজন্য সম্প্রতি ফেইসবুকসহ ইন্টারনেটভিত্তিক কয়েকটি যোগাযোগ মাধ্যম সম্প্রতি কিছু দিনের জন্য বন্ধও রাখে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আজ যে একটি উন্নততর ও পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত বিশ্বে বসবাস করছি, সেই বিশ্বও বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত কারণে সুরক্ষিত নয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপর উন্নত বিশ্বের অনেক নিয়ম-নীতি প্রভাব ফেলে। যার ফলে উন্নত দেশের অনেক অভিঘাতের প্রতিই তারা থাকে সংবেদনশীল।

“এই পরিস্থিতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিকে বহুমুখী ও শক্তিশালী করার জন্য নিজেদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা প্রয়োজন।”

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী নিরাপত্তাজনিত অনেক সমস্যার সমাধানে সরকারের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রতিরক্ষা বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, অনেক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে রাজনীতি, অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের মূল লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

“১৯৯৬ সালের পূর্বে সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ ও মধ্যপর্যায়ের কর্মকর্তাদের উচ্চমানের প্রশিক্ষণের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ছিল না। আপনাদের উচ্চশিক্ষার কথা বিবেচনা করে আমাদের পূর্ববর্তী মেয়াদকালে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি এনডিসি, যা বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।”

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জনগণের পাশে থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে এই অংশীদারিত্ব সময়ের পরিক্রমায় আরও শক্তি সঞ্চয় করবে। আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্র বাহিনী তার উদ্যোগ, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে চলবে।”

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান রাষ্ট্রের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে উল্লেখ করে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং সংহতি উন্নয়নে বাংলাদেশের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকার গুরুত্বও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

“সফলতার পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কিছু কিছু চ্যালেঞ্জ থেকেই যায়। আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের সদ্যসমাপ্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে আপনারা এই চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলায় অনেক বেশি প্রস্তুত।”

তিনি জানান, একটি ‘স্ট্রাটেজিক ইনস্টিটিউশন’ হিসেবে এনডিসিকে গড়ে তোলার পাশাপাশি কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যেই ১৩২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এছাড়া ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সে বেসামরিক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক উন্নয়নে এ সিদ্ধান্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
অনুষ্ঠানে তিন বাহিনী প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on প্রযুক্তি মাঝে-মধ্যে প্রতিকূল পরিবেশও তৈরি করছে: প্রধানমন্ত্রী

পৌর নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হচ্ছে না : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সেনা মোতায়েনের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, তাই পৌরসভা নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।1428932059

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকাগুলোতে এমন কোনো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি যে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। প্রতিটি পৌরসভার রিটার্নিং কর্মকর্তারা আমাদের অবগত করেছেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

সিইসি বলেন, পৌরসভা নির্বাচনে প্রতি তিন ওয়ার্ডের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রতিটি পৌরসভার জন্য একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পৌর নির্বাচনে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৯ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ জন ফোর্স মোতায়েন করা হবে। কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, এপিবিএন সদস্য মোতায়েন থাকবে।

এ ছাড়া প্রভাবমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য বহিরাগতদের অবস্থান ২৮ ডিসেম্বর রাত ১২টা থেকে নিষিদ্ধ করা হবে। যেদিন ভোট হবে সেদিন অন্য এলাকার প্রভাবশালীরা থাকলে বা নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করলে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে কমিশন সূত্রে জানা যায়।

র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, কোস্টগার্ড ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম হিসেবে মোতায়েন থাকবে।

এ বৈঠকে সিইসি, অন্যান্য কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিব যোগ দেন। উপস্থিত এ ছাড়া রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, এনএসআই, ডিজিএফআই, ডিবি ও কোস্টগার্ডসহ সব বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী এলাকার পরিস্থিতি শুনেছি। এখন পর্যালোচনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করব। ভোটে পূর্ণ শৃঙ্খলা থাকবে।
তিনি বলেন, মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশে আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চলছে। দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন।

সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, উল্লেখ করে কাজী রকিব জানান, জঙ্গি ও সন্ত্রাসের সমস্যা জেনারেল সমস্যা, এটা তেমন সমস্যা হবে না। এ পর্যন্ত সেরকম কোনো সমস্যা নেই বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন। সন্ত্রাসীদের ধরপাকড়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত সন্ত্রাসী-অপরাধী ধরপাকড় কার্যক্রম আরো ত্বরান্বিত হবে। এ নিয়ে কোনো উদ্বেগ থাকবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে কাজী রকিব বলেন, বিজিবি-র্যা ব বলেছে, তারা ফোর্স বাড়িয়ে দেবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান কাজী রকিব।

সিইসি বলেন, যেকোনো অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। আমরাও অ্যাকশন নেব। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফিল্ডে রয়েছেন, তারাই এটা দেখবে। আমাদের প্রতিবেদন দেবে।

কাজী রকিব বলেন, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলে দিয়েছি, আগে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, সামনে যেন না হয়। সাংবাদিকরাও ভোটে ব্যাঘাত না ঘটানোর বিষয়টি খেয়াল রাখবেন, আশা করি।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on পৌর নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হচ্ছে না : সিইসি

প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়া কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে গত ১৬ বছরে এগিয়েছে বাংলাদেশ। এই সময়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মিলনায়তনে শনিবার বেসরকারি সংস্থা ‘গণসাক্ষরতা অভিযান’—এর গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে করা ‘এডুকেশন ওয়াচ-২০১৫’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন গণসাক্ষরতা অভিযানের গবেষক সমীর রঞ্জন নাথ। প্রতিবেদনে ১৯৯৮ সাল থেকে করা গণসাক্ষরতা অভিযানের আগের প্রতিবেদনগুলোর সঙ্গে বর্তমান প্রতিবেদনের একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণও তুলে ধরা হয়।15468

গত ১৬ বছরে বিদ্যালয়ে গমন-উপযোগী শিশুদের ভর্তির হার যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তের হারও। বেড়েছে শিক্ষার্থীদের শেখার যোগ্যতা। কমেছে ঝরে পড়ার হার। লৈঙ্গিক সমতাও হয়েছে। প্রাথমিকে শিক্ষকদের যোগ্যতাও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, ২০১৪ সালে ৭৪.৫ শতাংশ শিক্ষার্থী সার্বিকভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত এক শ্রেণি থেকে আরেক শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার হার বেড়েছে। ১৯৯৮ সালে এই হার ছিল ৮৬.৫ শতাংশ। ২০১৪ সালে এসে তা হয়েছে ৯২ শতাংশ। বর্তমানে প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার প্রায় ২০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে বলে দেখানো হয়। নিট ভর্তির হার ১৯৯৮ সালে ছিল ৭৭ শতাংশ, ২০১৩ সালে এসে দাঁড়ায় ৯৪.৫ শতাংশ।

গবেষক সমীর রঞ্জন নাথ বলেন, এই প্রবণতা চলতে থাকলে ২০১৯ সালে গিয়ে শতভাগ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হবে।

শিক্ষকদের যোগ্যতা উন্নতির চিত্র তুলে ধরে বলা হয়। ১৯৯৮ সালে যেখানে ৪৮.৩ শতাংশ শিক্ষকের ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রি ছিল, ২০১৪ সালে তা ৫৭.২ শতাংশ হয়েছে। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই হার ৬৬.৯ শতাংশ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬৩.৪ শতাংশ নারী শিক্ষক রয়েছে। ১৬ বছর আগে এই হার ছিল ৩২ শতাংশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাসের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, কত ভাগ শিক্ষক কর্তব্যে অবহেলা করছেন, তার গবেষণা হওয়া উচিত।

গণসাক্ষরতা অভিযানের চেয়ারপারসন কাজী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ ও ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, ডিএফআইডির বাংলাদেশের প্রতিনিধি ক্যারোলাইন সানারস অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

Posted in শিক্ষা ও সংস্কৃতি | Comments Off on প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়া কমেছে

সরকার ও ইসি একই আচরণ করছে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেছেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) একই আচরণ করছে। তবে বিএনপি আশা করে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। নির্বাচন কমিশনকে সকল ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করবে দেশে নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব।lal-pp-120151219132553

শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আব্দুল হালিমের নির্বাচনীয় প্রচারণা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, এবার বিএনপি মাঠে থাকার প্রত্যয় নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। নির্বাচন বর্জন করার জন্য নয়। সরকার বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের জনসমর্থন দেখে ভীত হয়ে হামলা-হুমকি ও গণগ্রেফতারের নামে হয়রানি করছে।

বিএনপির সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আব্দুল হালিমের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে মিশন মোড় থেকে জনসংযোগ শুরু হয়। এ সময় মেয়র প্রার্থী আব্দুল হালিমের পক্ষে জনসংযোগে অংশ নেন বিএনপি রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক প্রমুখ।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on সরকার ও ইসি একই আচরণ করছে

হঠাৎ বেড়েছে শীতের তীব্রতা

নিউজ ডেস্ক: উত্তরের জনপদ রাজশাহী রংপুর ও ঢাকাসহ সারা দেশে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে কনকনে ঠা-া আর হিমেল হাওয়ায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচল কমে গেছে। আর দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কাও করছে আবহাওয়াবিদরা।Dhaka-Bangladesh-Children-008
আস্মিকভাবে শীত বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। এছাড়া ক্ষতি হচ্ছে ফসলেরও। ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বীজতলা। রংপুর, রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে শীত সবচেয়ে বেশি। এরই মধ্যে ঢাকাকাবাসীও টের পেতে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা।
গত ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাবভাসে বলা হয়েছে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীর বদরগাছিতে ৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস আর ঢাকাতে ১৪.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
রাজধানীতে হঠাৎ শীত পড়ায় খোলা আকাশের নিচে বসবাসরত মানষগুলো বিপাকে পড়েছে। বিশেষ করে রাজধানীর হাতিরঝিল ও কাওরানবাজারের খোলা আকাশের মানুষগুলো কাবু হয়ে আছে। তারা গরম কাপড় দিয়ে ঢেকে ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছে।
অন্যদিকে শীতের কুয়াশার কারণে গত কয়েক দিন যাবত আট থেকে দশ ঘন্টা পাটুরিয়া, মাওয়া, কাওড়াকান্দিসহ নৌ ঘাটে ফেরী চলাচল ব্যহত হচ্ছে। ফলে সঠিক সময়ে মালামালের গাড়ি ঢাকায় পৌঁছাতে না পেরে নষ্ট হচ্ছে কাচাঁমাল। ফলে কৃষক ও ব্যবসায়িরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
ইনডিপেনডেন্ট টিভি

Posted in সারা দেশ | Comments Off on হঠাৎ বেড়েছে শীতের তীব্রতা

বান্দরবানে গ্রামীণ ফোনের ট্রাক উল্টে নিহত ৭

1_25252লামা প্রতিনিধি: বান্দরবানের লামা উপজেলায় গ্রামীণ ফোনের মালামাল ভর্তি ট্রাক পাহাড়ি খাদে পড়ে সাত কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছে ৭ জন। বৃহস্পতিবার সকালে লামা-ফাঁসিয়াখালী সড়কের ইয়াংছা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- আফতাব হোসেন (৫৫), আমজাদ হোসেন (৪৭), মো. রবিন (৩৫), আলেক (৪২), রাকিব (২৫), হাসান (২৫) ও মো. আজিজ (৪০)। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রামীণ ফোন কোম্পানির নির্মাণাধীন একটি টাওয়ারের জন্য ঢাকা থেকে ট্রাক (গাড়ী নং ঢাকা মেট্টো ট-১৬৩৫৬৮) ভর্তি মালামাল নিয়ে লামা উপজেলার মিরিঞ্জা টপ এলাকায় যাওয়ার সময় গাড়িটি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সড়কের ইয়াংছা মোড়ে পৌঁছালে ঘনকুয়াশার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে গাড়িতে থাকা চারজন ঘটনাস্থলে নিহত ও ৩ জনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
আহতদেরকে কাছাকাছি চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর গাড়ী চালক বিল্লাল হোসেন পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রবিউল হোসেন ট্রাক খাদে পড়ে নিহত ও আহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on বান্দরবানে গ্রামীণ ফোনের ট্রাক উল্টে নিহত ৭

কাউকে কষ্ট দেবে না

বিনােদন ডেস্ক: তিন্নি সম্পর্কে তিনটা গোপন কথা।
খুব ধৈর্যশীল, নির্ভীক ও আশাবাদী একজন মানুষের নাম তিন্নি।
প্রথম পাওয়া অটোগ্রাফ।
১৯৯৮ সাল, তখন আমি ক্লাস নাইনে পড়ি। আমরা থাকতাম ইস্কাটনের অফিসার্স কোয়ার্টারে। একদিন সেখানে নাটকের শুটিং দেখি। সেই শুটিংয়ে ফারুক কাদেরী নামের একজন অভিনেতার অটোগ্রাফ নিয়েছিলাম।
জন্মদিনে পাওয়া সেরা উপহার।
২৫ নভেম্বর ছিল আমার জন্মদিন। এ বছর জন্মদিনে স্বামীর সঙ্গে বাইরে ঘুরতে বের হয়েছিলাম। শপিং মলে একটি জুয়েলারি সেট পছন্দ হয়। তখন আর কেনা হয়নি। পরে খোঁজ নেওয়ার জন্য সেই দোকানে গিয়ে দেখি, তা আর নেই। বাসায় ফিরে দেখি, আমার স্বামী ওই জুয়েলারি সেট আমার জন্য নিয়ে এসেছে। এটিই এখন পর্যন্ত জন্মদিনে পাওয়া সেরা উপহার।
রাস্তায় অপরিচিত কেউ যখন বলে, ‘এক্সকিউজ মি, আপনি তিন্নি?’
তখন না হেসে থাকতে পারি না। হ্যাঁ বলে বিদায় নিই।
গুগলি
‘স্বপ্নগুলো সত্যি হয়ে যেন মনেতে উঁকি দেয়’। কোন স্বপ্ন?
একটা সুন্দর জীবন। যে জীবনে তিন্নি কাউকে কষ্ট দেবে না, তিন্নিও কারও কাছ থেকে কোনো কষ্ট পাবে না।
যদি এমন জাদু জানতাম…
মনুষ্যত্বকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইতাম।
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি…
সারা দিন আমি যেন ঠিকঠাকভাবে চলি।
যে প্রশ্ন শুনতে শুনতে ক্লান্ত…
কেন যে নিয়মিত অভিনয় করেন না।

বাউন্সার
আমার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ‘চেনা’ অভিযোগ।
তিন্নি শিডিউল ফাঁসায়।
ভণিতা না করে যে কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, কিন্তু বলা হয় না।
আমি প্রথমে একজন মানুষ, এরপর একজন নারী এবং সবশেষে একজন অভিনয়শিল্পী।
আমাকে দিয়ে হবে না…
বাস্তব জীবনে নাটক করা।
নিজেকে নিয়ে যে গুজব শুনে ‘আকাশ থেকে পড়েছি’…
পাঁচ তারকা হোটেলের সামনে বেসামাল অবস্থায় তিন্নি। তিন্নির উচ্ছৃঙ্খল জীবন।

ফুল টসe7b9040687c06773f737faef76b17b8c-2
যে স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষায় আছি।
একজন ভালো মা হতে চাই। ভালো কিছু নাটকে অভিনয় করতে চাই।
দিনের যে সময়টা সবচেয়ে ভালো লাগে।
গাড়ি চালানোর সময় নীল আকাশ খুব ভালো লাগে। এমনিতে গোধূলিলগ্ন আমার সবচেয়ে প্রিয়।
যদি একটা টিভি চ্যানেলের মালিক হতে পারি…
ভালো অভিনয়শিল্পী, ভালো নির্দেশক, ভালো নাট্যকার আর ভালো টেকনিশিয়ানদের নিয়ে একটা প্যানেল করতাম। তারপর মানসম্পন্ন প্রোডাকশন দর্শকদের উপহার দিতাম।
নিজের অভিনীত যে নাটক সবচেয়ে বেশি দেখেছি…
ধারাবাহিক নাটক ৬৯।

পাওয়ার প্লে
জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
হ্যাঁ বলতে শেখা। না বলতে না শেখাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।
প্রতিদিন যাকে সবচেয়ে বেশি ফোন করা হয়…
এখন কথা বলা হয় না। বিয়ের আগে হবু বরের সঙ্গে স্কাইপে কথা বলতাম। অনেক কথা।
যে মানুষ পাশে থাকলে না হেসে থাকা কঠিন।
আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু রায়হান। তাকে সবাই রানা কাকা বলেই ডাকি। রানা পাশে থাকলে না হেসে থাকা সত্যিই কঠিন।
আমার চোখে আমার সেরা কাজ
‘বাংলালিংক দেশ ১’-এর বিজ্ঞাপন। প্রথম অালাে

Posted in বিনোদন | Comments Off on কাউকে কষ্ট দেবে না

জাতীয় স্মৃতিসৌধে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা

৪৪তম মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বুধবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান তিনি।savar-khaleda-srodda_24815

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় গুলশানের বাসা থেকে স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া প্রথমে দল ও জোটের খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধাসহ রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এবং পরে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপি চেয়ারপাসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, স্মৃতিসৌধে খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ওসমান ফারুক, আবদুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রমুখ।
শামসুদ্দিন দিদার আরো জানান, সকালেই খালেদা জিয়ার স্মৃতিসৌধে যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবনের সামনে আজ ভোর থেকেই পুলিশ অবস্থান নেয়। যে কারণে স্মৃতিসৌধে পৌঁছাতে দেরি হয়েছে।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on জাতীয় স্মৃতিসৌধে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

সাভার: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার ভোর ৬টা ৩৫ মিনিটে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যৌথভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তারা।savar_24802

শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনের পর এক মিনিট নিরবতা পালন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
রাষ্ট্রীয় সন্মান জানানোর পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহীদ বেদীতে আরো একবার শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপরে একে একে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য ও অন্যান্যরা শ্রদ্ধা জানান।
ভোর ৬টা ৪৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পর সর্বসাধারণের জন্য তা খুলে দেওয়া হয়। পরে স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে।
৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের ৪৪ বছর পূর্ণ হল আজ। মুক্তির আনন্দে বিভোর কৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি শ্রদ্ধাবনত চিত্তে আজ স্মরণ করছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সেই অকুতোভয় বীরদের। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এ বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ সারা দেশে স্মৃতির মিনারগুলো আজ ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। জাতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় গাইছে মুক্তির জয়গান। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাণী দিয়েছেন। পৃথক বাণীতে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারকারী মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বলে আখ্যায়িত করেন। ১৬ ডিসেম্বর প্রথম প্রহর থেকেই শুরু হয় দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জনকারী মুক্তিযোদ্ধা আর সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। রাতের শীত আর কুয়াশাকে তুচ্ছজ্ঞান করে লাখো মানুষ জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ দেশের শহীদ বেদিগুলোতে। ভোর থেকে মিছিলের শ্রোত গিয়ে মিলে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

পাওয়া না পাওয়া জয়ের নায়ক অলক!

কুমিল্লার প্রথম শিরোপা জয়ের নায়ক অলক কাপালি। অথচ ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ কোনও দলই তাকে দলে ভেড়ায়নি। তারপরও মাশরাফির অনুরোধে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে বিপিএল তৃতীয় আসরের ঠিকানা হয় অলক কাপালির। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লার হয়ে নামতে পারেননি অলক। পরের থেকে দলে নিয়মিতই ছিলেন। মাঝে অবশ্য একটি ম্যাচে সাইড বেঞ্চে বসেছিলেন।12348019_932380080181822_7173322691448777120_n

দশ ম্যাচে মাত্র ৯৫ রান করলেও ফাইনালে কুমিল্লার নায়ক তিনি। চাপের মুখে ৩৯ রানের নজরকাড়া ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন। শিরোপা জিতিয়েছেন কুমিল্লাকে। ম্যাচ জয়ের পর অলক কাপালি বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল শেষ ওভার পর্যন্ত খেলা। শেষ ওভারে ১৭ রান টার্গেট থাকলেও জেতা সম্ভব। আমার বিশ্বাস ছিল আমি পারবো।’

শেষ ২ বলে যখন ৩ রান তখন কি পরিকল্পান ছিল এমন প্রশ্নে অলক কাপালি বলেন, ‘আমি কুলাসাকারাকে বলেছি কোনও ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলবো না। এক রান করে নেব। আমার মনে হয় রিস্কি শট খেললে সুপার ওভার হওয়ার চান্স থাকতো। এই কারণে শুধু সিঙ্গেল নিয়েছি। ওটাই আমার পরিকল্পান ছিল।’

তবে নির্বাচকদের জন্য এটাকে কোনও বার্তা মনে করছেন না অলক কাপালি। তিনি জানান, আমি কাউকে কোনও বার্তা দিচ্ছি না। আমার পরিকল্পনা এখন যেখানেই খেলবো ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবো। বর্তমান বাংলাদেশ দল খুব ভালো খেলছে। আমারও খুব ভালো লাগে আমি এই দলে এক সময় খেলেছি। কিন্তু কোনওমতেই এটাকে ক্যামব্যাক বলবো না। ভালো খেললে সুযোগ আসতেই পারে।’

মাশরাফির সাপোর্টকে বড় করে দেখছেন অলক কাপালি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে সব সময় সাপোর্ট দিয়েছে মাশরাফি। ও যেগুলো বলেছে এটা আমার খুব কাজে দিয়েছে।’

২০০৮ সালে করাচিতে ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের একমাত্র ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছিলেন অলক। ওই ম্যাচ বাংলাদেশ হারলেও বেশ আনন্দ পেয়েছিলেন অলক। এটাকে ছাড়িয়ে গেলেন মঙ্গলবার নিজেই। নিজের মুখেই বললেন, ‘ওই আনন্দ অনেক ভালো লাগার ছিল। তবে এরপরও আজকে অনেক আনন্দ পেয়েছি।’

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on পাওয়া না পাওয়া জয়ের নায়ক অলক!

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud