পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

মানবপাচার হাব নেতাসহ অভিযুক্ত ওমরা এজেন্টদের শো’কজ

HajZatri_728712433ঢাকা: নানা বিতর্কের পর অবশেষে মানবপাচরে অভিযুক্ত হাব নেতাসহ ওমরা এজেন্টেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এবং চৌধুরী মো. বাবুল হাসান রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন।
বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অভিযুক্তদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার (১২ জুন) অভিযুক্তদের কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হবে।
এ প্রসঙ্গে ধর্ম সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান বলেন, সৌদি আরব থেকে আমরা এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো তালিকা পাইনি। সৌদি দূতাবাস ও হজ কাউন্সিলরের কাছ থেকে একাধিক তালিকা পেয়েছি। তা সমন্বয়ের কাজ চলছে। সমন্বয় করে অভিযুক্তদের শনিবারের মধ্যে শো’কজ লেটার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি মো. ইব্রাহিম বাহার ও নির্বাহী কমিটির অন্যান্য নেতাসহ অভিযুক্ত ওমরা এজেন্টদের শো’কজ নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। ওমরা পালনের নামে কিছু এজেন্সির মানবপাচারের কারণে ওমরা ভিসা বন্ধ করেছে সৌদি সরকার।
আরও জানা যায়, অভিযুক্তদের মানবপাচার সংক্রান্ত বিষয়ে জবাব দিতে বলা হচ্ছে। পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হবে। মানবপাচারের অভিযোগে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, জরিমানা করা ও ফৌজদারি আইনে মামলা করা হবে কি না জানতে চাওয়া হবে কারণ দর্শানো নোটিশে। স্বল্প সময়ের মধ্যে পাচার হওয়া ওমরাযাত্রীদের ফেরত আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না তাও জানতে চাওয়া হবে। এর আগে গত ৮ জুন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ধর্ম সচিব চৌধুরী মো. বাবুল হাসান মানবপাচারে মামলা করার সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দেন। এই অবস্থার মধ্যদিয়ে মানবপাচার রোধে ব্যবস্থা নিতে সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৬৫টি এজেন্সির মাধ্যমে ওমরার জন্য পাঠানো লোকের মধ্যে মোট ১০ হাজার ১শ ৩০ জন ফেরত আসেনি। হজ কাউন্সিলরের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় ৩ হাজার ৯শ ২৭ জন, দ্বিতীয় দফায় ১ হাজার ৭শ ২৭ জন এবং তৃতীয় দফায় ৪ হাজার ৪শ ৭৬ জন। যেসব এজেন্সির মাধ্যমে এসব লোক সৌদি আরবে পাচার হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে হাব সভাপতি মো. ইব্রাহিম বাহারের মালিকাধীন এজেন্সি মেগাটপ ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) লিমিটেড, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হেলালের মুনা ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, সহ-সভাপতি ফরিদ আহমদ মজুমদারের গোল্ডেন বেঙ্গল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস এবং যুগ্ম-মহাসচিব মোজাম্মেল হোসেন কামালের হাসিম এয়ার ইন্টারন্যাশনাল।
মানবপাচারকারী হিসেবে অভিযুক্ত তালিকায় রয়েছেন হাবের নির্বাহী সদস্য এন এম এইচ খাদেম দুলালের খাদেম এয়ার সার্ভিস, আবু বকর সিদ্দিকীর আল নূর ইন্টারন্যাশনাল, আবুল মালেকের সবুজ বাংলা ইন্টারন্যাশনাল, হাব চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি মো. ইলিয়াসের গোল্ডেন বেঙ্গল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস এবং হাব সভাপতির জামাতা হাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব মান্নানের টাইমস অ্যাভিয়েশন।
গত ২৫ মে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের হজ কাউন্সিলর মো. আসাদুজ্জমান মানবপাচারে জড়িত ওমরা এজেন্সির তালিকা পাঠান ধর্ম সচিবের কাছে। এরপরেও দুই দফা তালিকাসহ চিঠি দেন হজ কাউন্সিলর। চিঠিতে এজেন্সিগুলোর উপর চাপ সৃষ্টি করে পাচার হওয়াদের ফেরত আনাসহ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে ওমরা ভিসা চালু করার অনুরোধ জানানো হয়।

Posted in জাতীয় | Comments Off on মানবপাচার হাব নেতাসহ অভিযুক্ত ওমরা এজেন্টদের শো’কজ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে স্বস্তি

Bazar_04_688139717ঢাকা: কাঁচাবাজারে স্বস্তি নেমে এসেছে। প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই হাতের নাগালে থাকায় বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই ক্রেতারা ব্যাগ ভর্তি বাজার করে বাড়ি ফিরছেন। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে ছোলা ও ডালের দাম বাড়লেও এখনো তা কমেনি। চলতি সপ্তাহের গত চারদিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বাজার দর বিশ্লেষণ করে এ তথ্য ওঠে এসেছে। বনানী থেকে কাঁচা বাজার করে বাড়ি ফিরছিলেন আবদুর রহিম। তিনি জানান, গত দুই তিন ধরে পণ্যের দাম কিছুটা কম। রোজার আগে বাজার এরকম কম থাকলে খুবই ভালো। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার দরের চিত্র পাঠকের কাছে তুলে ধরা হলো। রাজধানীর মহাখালী, বনানী, নিউমার্কেট, মিরপুর এক নম্বর কাঁচাবাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কেজিপ্রতি সরু চাল (নাজিরশাইল) ৪৬ থেকে ৫২ টাকা, (মিনিকেট) ৪২ থেকে ৪৬ টাকা, মাঝারি চাল (পারিজা, হাসকি, বিআর-২৮) ৩৪ থেকে ৩৮ টাকা, মোটা চাল (গুটি, স্বর্ণা) ৩০ থেকে ৩২ টাকা, সুগন্ধি চাল (কালিজিরা, চিনিগুড়া) ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কেজিপ্রতি আটা (খোলা সাদা) ২৮ থেকে ৩০ টাকা, ময়দা (খোলা ও সাদা) ৩২ থেকে ৩৪ টাকা, আটা (পলিপ্যাক) ৩৩ থেকে ৩৫ টাকা, ময়দা (পলিপ্যাক) ৪০ থেকে ৪৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
ডাল ও ছোলার বাজার: কেজিপ্রতি মসুরের ডাল (দেশি/বিদেশি উন্নত) ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, দেশি (সাধারণ) ১১০ থেকে ১১২ টাকা, বিদেশি (সাধারণ) ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, মুগের ডাল (সরু) ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, মোটা ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, ছোলা (বিদেশী আস্ত) ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, খেসারী ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, মাশ ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এসব পণ্যের গত দুই সপ্তাহ ধরে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত।
মসলার বাজার: কেজিপ্রতি দেশি পিঁয়াজ ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, আমদানিকৃত ৩২ থেকে ৩৫ টাকা, রসুন (দেশি) ৬০ থেকে ৭৫ টাকা, আমদানিকৃত ৯০ থেকে ১০০ টাকা, শুকনামরিচ (দেশি) ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকা, আদা (চায়না) ১৩০ থেকে ১৪৫ টাকা, ভারত ১১০ থেকে ১২০ টাকা, হলুদ (দেশি লম্বা) ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সবজি: কেজিপ্রতি আলু (সাদা) ১৮ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ২০ থেকে ২৫ টাকা, শশা ২০ থেকে ৩০ টাকা, ঝিংগা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বরবটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কচুরলতি ২০ থেকে ৩০ টাকা, চিচিংগা ২২ থেকে ২৮ টাকা, পটল ২০ থেকে ৩০ টাকা, ঢেড়স ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, করল্লা ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
কেজিপ্রতি চিনি (খোলা) ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, গুড় (আখের) ৬০ থেকে ৭০ টাকা, খেজুর ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাংস: কেজিপ্রতি গরু ৩৭০ থেকে ৩৯০ টাকা, খাসী ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মোরগ/মুরগি ৩৭০ থেকে ৩৯০ টাকা, কক ও সোনালী ২৫৫ থেকে ২৬৫ টাকা, ফার্ম ব্রয়লার ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা।
তেলের বাজার: প্রতি লিটার সয়াবিন (খোলা) ৮০ টাকা, পাম তেল ৬০ থেকে ৬২ টাকা, সরিষার তেল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, সয়াবিন ক্যান (৫ লিটার) ৪৬০ থেকে ৪৮০ টাকা, এক লিটার ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Posted in ব্যবসা-অর্থনীতি | Comments Off on নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে স্বস্তি

‘রোজা-ঈদ’ উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা

pollice_sm_803424275ঢাকা: আসন্ন পবিত্র রোজার মাস এবং ঈদ-উল-ফিতরকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলারক্ষা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দেশজুড়ে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বৃহস্পতিবার(১১ জুন’২০১৫) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ.কে.এম কামরুল আহছান। তিনি জানান, আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর নিরাপদ ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক এর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ’পবিত্র রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত এক সভায় বিশেষ ব্যবস্থার বিষয়টি উঠে আসে। সভার শুরুতে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি(অপারেশন) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন পবিত্র রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে প্রস্তুতি নেওয়া সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সভায় পবিত্র রমজান মাসে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, ট্রেন, বাস ও লঞ্চের নিরাপদ চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা, ঈদ জামায়াতের নিরাপত্তা এবং জাল টাকার অপব্যবহার রোধসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সভায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়। পুলিশের এই সভায় দেশবাসীকে আশ্বাস দেওয়া হয়, দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে পকেটমার ও অজ্ঞানপার্টির তৎপরতা প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের উল্লেখযোগ্য বিপণী বিতান ও শপিংমল যথাসম্ভব সিসিটিভির আওতায় এনে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। জনসংযোগ কর্মকর্তা সভার আলোচনার বিষয়ে আরো জানান, জনসাধারণের কেনা-কাটার সুবিধার্থে এবং তারাবির নামাজের সময় অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে গভীর রাত পর্যাপ্ত নৈশ টহলের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যাংক ও অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশ জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। তিনি আরো জানান, মহাসড়কে সুষ্ঠুভাবে যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া পুলিশ কোনো যানবাহন তল্লাশি করবে না। মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধ এবং যানজট নিরসনে হাইওয়ে এবং জেলা পুলিশ বিশেষ তৎপর থেকে দায়িত্ব পালন করবে। প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপনের জন্য ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য রেলওয়ে স্টেশন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালে টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে পুলিশ, মালিক এবং শ্রমিক নেতারাসহ কমিউনিটি পুলিশের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ঈদ জামাতস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পবিত্র রমজানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সার্বিক সমন্বয়ের লক্ষ্যে ৮ জুলাই থেকে ঈদ-উল-ফিতরের পরবর্তী ৩ দিন পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তর এবং প্রতিটি জেলা-ইউনিটে কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে।
পবিত্র রমজান ও ঈদ উদযাপন নির্বিঘ্ন করার জন্য আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
এ সময় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ প্রদর্শন করে উদ্ধার অভিযান জোরদার করতে হবে। ফরমালিন ও রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত ফল ও খাদ্যদ্রব্য বিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। সভায় পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপ্যাল নাঈম আহমেদ, অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান, সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন, অতিরিক্ত আইজিপি মইনুর রহমান চৌধুরী, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর ফাতেমা বেগম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ অন্যান্য পুলিশ কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। এছড়াও রেঞ্জ, হাইওয়ে, রেলওয়ে ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশসহ অন্যান্য ইউনিটের ডিআইজি এবং পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ‘রোজা-ঈদ’ উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা

কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেনের জয়

460692386স্পোর্টস ডেস্ক : ইউরো ২০১৬’র বাছাইপর্বের আগে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে জয় পেয়েছে স্পেন। ভিসেন্তে দেল বক্সের শিষ্যরা ২-১ গোলে হারিয়েছে কোস্টারিকাকে। স্প্যানিশদের হয়ে গোল করেন ফ্যাব্রেগাস এবং প্যাকো আলকাসের। আর কোস্টারিকানদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জোহান ভেনেগাস। ফ্রান্স, জার্মানি আর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচ হেরে ঘরের মাঠ লিওনে খেলতে নেমেছিল স্পেন। ইউরো ২০১৬ বাছাইয়ের নিজেদের গ্রুপে দুই নম্বরে থাকা স্প্যানিশরা ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে। কোস্টারিকার হয়ে লিড নেন ভেনেগাস। জোয়েল ক্যাম্পবেলের অ্যাসিস্টে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা ২৬ বছর বয়সী স্ট্রাইকার ভেনেগাস গোলটি করেন। ১-০ তে পিছিয়ে পড়া স্বাগতিক স্পেন সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয় নি। দুই মিনিট পরেই তারা সমতায় ফেরে। খেলার অষ্টম মিনিটে আলকাসের দলের সমতাসূচক গোলটি করেন। চেলসি তারকা ফ্যাব্রেগাসের অ্যাসিস্টে ভ্যালেন্সিয়ার এ উঠতি তারকার গোলে ম্যাচ ১-১ এ গিয়ে দাঁড়ায়।
এরপরই কোস্টারিকানদের আরও চেপে ধরে স্প্যানিশরা। নোলিতো, ভিদাল, বার্নাটের আক্রমণ কোস্টারিকার ডিফেন্স ব্যস্ত রাখে। ম্যাচের ২৫ মিনিটের মাথায় পাল্টা-আক্রমন থেকে গোলের সম্বাবনা জেগেছিল অতিথিদের শিবিরে। তবে, স্পেনের গোলরক্ষক ডি গিয়ার দারুণ ফর্ম কোস্টারিকাকে কোনো সুযোগ নিতে দেয় নি। প্রথমার্ধের ৩৩ মিনিটে লিড নেয় স্পেন। নোলিতোর দারুণ এক ভলিতে বল পান চেলসির তারকা ফ্যাব্রেগাস। স্বাগতিকদের এগিয়ে নিতে ভুল করেন নি বার্সেলোনায় জন্ম নেওয়া ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয়ী ফ্যাব্রেগাস।
959015252প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমনের ধার বাড়ালেও অতিথিদের ডিফেন্সিভ স্টাইলের বিপক্ষে আর কোনো গোল আদায় করে নিতে পারে নি স্পেন। ফলে, ২-১ গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দেল বক্স শিষ্যদের।
স্পেনের হয়ে এ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন ডি গিয়া, কারভাজাল, বারত্রা, সার্জিও রামোস, ফ্যাব্রেগাস, কোকে, ভিদাল, আলকাসের, নোলিতো, জেরার্ড পিকে, ডেভিড সিলভা, কাজোরলা, বাসকুয়েটস আর ইসকোদের মতো তারকারা। নিজেদের পরের ম্যাচে স্পেন লড়বে বেলারুশের বিপক্ষে আর কোস্টারিকানদের লড়তে হবে মেক্সিকোর বিপক্ষে।

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেনের জয়

প্রেমের ফাঁদ: ৩ যুবতীসহ আটক ৫

BOGRA-kidnape-pic-1বগুড়া প্রতিনিধি : সিঙ্গাপুর প্রবাসী এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে আটকে রেখে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ৩ যুবতীসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে শহরের খান্দার এলাকায় একটি গ্যারেজ থেকে তাদের আটক করে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। উদ্ধার করা হয়েছে সিঙ্গাপুর প্রবাসী যুবক আনোয়ার হোসেনকে (২৯)। আটকরা হলেন- বগুড়া শহরের মালগ্রামের আশরাফুল আলম (২৯), খান্দারের সাখাওয়াত হোসেন পলাশ (৪১), গাবতলীর নদী খাতুন (২৫), সারিয়াকান্দির শিউলী বেগম (২৮) এবং একই এলাকার রত্না খাতুন (১৯)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সারিয়াকান্দি উপজেলার ভেলাবাড়ি জোরগাছা গ্রামের সারোয়ার হোসেনের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছেলে আনোয়ার BOGRA-kidnape-pic-3হোসেন সম্প্রতি দেশে আসেন। পরে নদী নামের এক যুবতীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তারা। সেই সুবাদে নদীর সঙ্গে দেখা করার জন্য আনোয়ার হোসেন বুধবার সকালে বগুড়া শহরে আসে। এরপর একটি পার্কে তাদের দেখা হওয়ার পর প্রেমিকা নদী অন্যদর সহযোগিতায় আনোয়ার হোসেনকে আটকে রেখে এক লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করেন।
পরে আনোয়ারের পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানালে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মাঠে নামে। বিকেল ৪ টার দিকে শহরের খান্দার এলাকায় পলাশের গ্যারেজে আটকে রাখা অবস্থায় আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় ওই গ্যারেজ থেকে অপর ৫ জনকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আমিরুল ইসলাম জানান প্রেমের অভিনয় করে আনোয়ার হোসেনকে বগুড়া শহরে ডেকে এনে আটকে রেখে মুক্তিপন দাবি করা হয়েছিল। চক্রটি বিভিন্ন সময় প্রেমের অভিনয় করে মানুষকে আটকে রেখে মুক্তিপন আদায় করে থাকে।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on প্রেমের ফাঁদ: ৩ যুবতীসহ আটক ৫

উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক চিলির জয়

sp_2_767282000স্পোর্টস ডেস্ক : স্বাগতিক দেশ চিলি আর ইকুয়েডরের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হলো বিশ্বকাপের পর সবথেকে জমজমাট আসর কোপা আমেরিকার। ৪৪তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারালো আয়োজক দেশ চিলি। দলের হয়ে গোল করেছেন ভিদাল আর ভারগাস।
বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে পাঁচটায় মাঠে নামে চিলি-ইকুয়েডর। শুরুর একাদশে ৩-৪-২-১ ফরমেশনে খেলা আয়োজক দেশ চিলির হয়ে মাঠে নামেন ক্লদিয়ো ব্রাভো, মেডেল, জারা, মেনা, ইসলা, আরানগুইজ, ডিয়াজ, বেউসেজোর, ভিদাল, ভালদিভিয়া আর অ্যালেক্সিজ সানচেজ। ইকুয়েডর তারকাদের মধ্যে ছিলেন ডোমিনগুয়েজ, এরাজো, মার্টিনেজের মতো ফুটবলাররা। শুরু থেকে আক্রমণ, পাল্টা-আক্রমণে খেলতে থাকা চিলির সুযোগ আসে ১৩ মিনিটের মাথায়। প্রায় মধ্যমাঠ থেকে ভালদিভিয়া বল বাড়িয়ে দেন সানচেজকে। তবে, আর্সেনাল এ তারকা স্ট্রাইকারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায় ইকুয়েডরের শক্ত ডিফেন্সের কাছে। দুই মিনিট পর কাউন্টার অ্যাটাকে খেলে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে ইকুয়েডর। তবে, তার আগেই দলকে লিড পাইয়ে দিতে চেষ্টা করেন চিলির অন্যতম তারকা ফুটবলার সানচেজ।
sp_bg_405526535লা রোজাদের লিড নিতে সানচেজ ৩০ গজ দূর থেকে আচমকা শট করেন ইকুয়েডরের গোলবার লক্ষ্য করে। তবে, প্রস্তুত ছিলেন ডোমিনগুয়েজ। এরাজোর প্রচেষ্টায় আর ডোমিনগুয়েজের বুদ্ধিমত্তায় এ যাত্রায় সানচেজকে হতাশ হতে হয়। ৩৯ মিনিটের মাথায় সানচেজ আর ইসলার ওয়ান-টু-ওয়ান পাস থেকে গোলের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলেন ইসলা। তবে, ইসলার বাম পায়ের জোরালো শটটি গোলবারের উপর দিয়ে চলে গেলে কোনো গোল না নিয়েই বিরতিতে যায় দু’দল।
প্রথমার্ধে ইসলা, ভিদাল, সানচেজদের দারুণ কম্বিনেশন দেখা গেলেও ইকুয়েডরের ডিফেন্স চিড়ে গোল আদায় করতে পারেন নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে আবারো জোরালো আক্রমণ চালায় স্বাগতিকরা।
অবশেষে ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে গোলের দেখা পায় আয়োজক দেশটি। দলের হয়ে লিড নেওয়া গোলটি করেন ভিদাল। পেনাল্টি থেকে পাওয়া এ গোলের সুবাদে ১-০ তে এগিয়ে যায় চিলি। ৮২ মিনিটের মাথায় চিলির ডি-বক্সের বাইরে অল্প বাইরে থেকে ফ্রি-কিক পায় ইকুয়েডর। স্বাগতিকদের ডিফেন্স থেকে ফ্রি-কিকের শটটি প্রতিহত হলেও ফিরতি বল থেকে ভ্যালেন্সিয়া হেড করেন। বার্সার গোলরক্ষক চিলিয়ান ব্রাভো এক্ষেত্রে ভাগ্যবান যে, ইকুয়েডরের তারকার হেডটি গোলবারের উপর দিয়ে চলে যায়। ৮৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করে চিলি। আর্সেনাল তারকা সানচেজের অ্যাসিস্টে দারুণ একটি গোল করেন ইদু ভারগাস। ফলে, ২-০ তে এগিয়ে যায় চিলি। ৬৮ মিনিটে ভালদিভিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামা মাতি ফার্নান্দেজকে খেলা শেষের এক মিনিট আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়।
ম্যাচের বাকি সময় আর কোনো গোল না হলে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করল স্বাগতিক দেশটি।

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক চিলির জয়

গালভরা সোলার প্যানেল, তবু সড়কবাতি জ্বলে না!

solar_bg_150123804ঢাকা: কথা ছিল সূর্যের রশ্মি ও তাপ শুষে নিয়ে শক্তি সঞ্চয় করবে সোলার প্যানেল। আর সূর্য অস্ত যাওয়ামাত্র জ্বলে উঠবে সড়কবাতি। এজন্য কয়েক কোটি টাকাও ঢালা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ সড়কবাতি আর জ্বলে না, কিছু বাতি জ্বললেও তা জ্বলে কেবল মিটমিট করে। খোদ রাজধানীর ভিআইপি সড়কের এই অবস্থা। সিটি হাট সেন্টারের সামনের পানবিক্রেতা বিল্লাল হোসেন জানান, আগেই তো ভালো ছিল। সোডিয়াম লাইটে রাস্তা ঝলমল করতো। এখন তো কিছুই দেখা যায় না। রাস্তা অন্ধকার হয়ে থাকে। পলওয়েল মার্কেট (পল্টন থানা সংলগ্ন)সামনে চাবিক্রেতা আরমান হোসেন হাত দেখিয়ে বলেন, ওই যে দেখছেন খাম্বাটিতে লাইট (বাতি) শোভা পাচ্ছে। কিন্তু লাইটগুলো জ্বলে না। আগে সামান্য আলো জ্বললেও এখন সেটাও আর নেই। মার্কেট খোলা থাকলে দোকানের আলোতে কিছুটা রক্ষা। কিন্তু রাতে মার্কেট বন্ধ হয়ে গেলে এই সড়কটি ‘ভূতের গলি’তে রূপ নেয়। চলাচল করতে গা ছম ছম করে। নির্মাণকালে প্রতিটি বাতির ওয়ারেন্টি ধরা হয় ২০ বছর। এ সময়ে বাল্ব নষ্ট হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পুনর্স্থাপন করে দেবার কথা। আর সোলার প্যানেলের ক্ষেত্রে ৫ বছর ও ব্যাটারির ৩ বছরের গ্যারান্টি থাকলেও সবই ‘‘কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই’’ অবস্থা। কিন্তু নষ্ট বাল্ব কে যে বদলে দেবে সেরকম কাউকে খুঁজে পাচ্ছেন না এলাকার মানুষ। না ডিসিসি না, ঠিকাদার—কেউ আর সড়কবাতির খোঁজ নেয় না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) বাংলানিউজকে জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে এই রাস্তায় সোলার প্যানেল বসানো হয়। প্রথমবার করার কারণে কিছুটা ভুলত্রুটি থাকতেই পারে। রাস্তা অন্ধকার থাকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোডিয়াম বাল্বগুলো ছিলো ৯৫ ওয়াটের। আর সোলার প্যানেলের বাল্ব লাগানো হয়েছে ৭৫ ওয়াটের। সে কারণে আলোর স্বল্পতা রয়েছে। ভবিষ্যতে রাস্তায় সোলার প্যানেল বসানোর সময় এসব ত্রুটি শুধরে নেওয়া হবে।
‘‘সোলার প্যানেল স্থাপন কিছুটা সফল কিছুটা ব্যর্থ’’ বলেও দাবি করেন এই কর্মকর্তা। কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে থেকে ফকিরাপুল হয়ে মতিঝিল নটরডেম কলেজ পর্যন্ত মোট ১২২ খুঁটিসহ বাতি স্থাপন করা হয়। প্রতি খুঁটিতে ২টি বাতি। ২০১১ সালের প্রথম থেকে ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পব্যয় হয় প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ টাকা। খুঁটির উপর দক্ষিণমুখি করে বসানো হয় সোলার প্যানেল। আর চার্জ ধরে রাখার জন্য চার্জ কন্ট্রোলার ও ব্যাটারি সংযুক্ত করা হয়। বাতিগুলোর পরিচালনার জন্য ইনভার্টার ও সুইচিং সিস্টেমের কন্ট্রোলার বসানো হয়। পরীক্ষামূলকভাবে স্থাপিত  বাতিটির খুঁটি, ব্যাটারি, কন্ট্রোলার, ইনভার্টার ও প্রতিটি বাতি স্থাপন বাবদ সর্বমোট ব্যয় হযেছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অন্যদিকে সোডিয়াম লাইটের ক্ষেত্রে খুঁটিসহ স্থাপনে ব্যয় হয় প্রায় ১ লাখ টাকা।  প্রতিটি খাম্বায় ৮০ হাজার টাকা বেশি ব্যয় হয়েছে। তবু সেই সোলার প্যানেলেও আর স্বস্তি মিলছে না। সেবার মান এতোই শোচনীয় যে, আলোর বদলে সড়কজুড়ে আধো আলো আর আধো অন্ধকার বিরাজ করে রাতে। শুষ্ক মৌসুমে সোলার প্যানেল কিছুটা আলো ছড়ালেও বর্ষাকালে তা আর কোনো কাজেই লাগে না। আলোর বদলে তখন অন্ধকারেরই রাজত্ব। প্রতিটি সোলার প্যানেলে সূর্য থেকে কমপক্ষে ৩ দিন চলার মতো শক্তি সংরক্ষণ করে রাখার কথা। কিন্তু বর্ষায় কয়েক দিন একাধারে বৃষ্টি থাকলে বাতিগুলো একেবারেই জ্বলে না। ঢাকা সিটি করপোরেশন এই একটি মাত্র সড়কে সৌরবাতি স্থাপন করেছে। এর বাইরে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইটে বিদ্যু‍ৎ সরবরাহের জন্য ৬২টি সংযোগ সড়কে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ২৩ কোটি টাকা। আরও ৩২টি সড়ক সংযোগে সোলার প্যানেল বসানো পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পিডি মো: সেহাব উল্লাহ জানান, মুলত বিদ্যুৎ না থাকলে এই সৌর বিদ্যু‍ৎ দিয়ে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর জন্য এই সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ থাকলেও সাশ্রয় করার জন্য কখনও কখনও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই কর্মকর্তা জানান, রাজধানীতে প্রায় আড়াই শতাধিক সংযোগ সড়ক রয়েছে। যেগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) নতুন করে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশনে ২০ কিলোমিটার সড়কে সোলার প্যানেল বসানোর প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বিপিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মো: সারোয়ার হোসাইন জানিয়েছেন, সোলার স্ট্রিট লাইট প্রজেক্ট নামে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ২০০ কিলোমিটার সড়কে এলইডি লাইট ও ২০ কিলোমিটার সড়কে সোলার প্যানেল বসানো হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৬ কোটি টাকা। এডিবি ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি ‍বাস্তবায়ন করা হবে। এজন্য ৮টি প্যাকেজে টেন্ডার করা হয়েছে। ১৩ মে দরপত্র জমা গ্রহণ করা হয়েছে। চলছে দরপত্র মূল্যায়নের কাজ। কোন সিটি করপোরেশনে কত কিলোমিটারে বা কোন কোন রাস্তায় সোলার প্যানেল বসানো হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেন নি সারোয়ার হোসাইন।

Posted in জাতীয় | Comments Off on গালভরা সোলার প্যানেল, তবু সড়কবাতি জ্বলে না!

আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা

AL_Logo_banglanews24_638781693ঢাকা : আগামী জাতীয় সম্মেলনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে(কেন্দ্রীয় কমিটি) কিছু পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনে সভাপতিমণ্ডলীতে পুরনো সদস্যদের কাউকে কাউকে ফিরে আনাসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে কেউ কেউ বাদও পড়তে পারেন। ডিসেম্বরে দলের এই জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। এই সম্মেলনের বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই কেন্দ্রীয় কমিটিতে পরিবর্তন আসার বিষয়টি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আলোচিত হচ্ছে। কারা কারা কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসতে পারেন। কারা কারা কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়তে পারেন নিয়ে কর্মীদের মধ্যে চলছে নানা গুঞ্জন ও আলোচনা। চলতি বছর ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হবে। দলের গঠনতন্ত্রে প্রতি তিন বছর পর পর সম্মেলনের নির্দেশনা রয়েছে। গত ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর সম্মেলনের পর বর্তমান কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিসেম্বরেই আগামী জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলকে আরও গতিশীল ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে যথাসময়ে সম্মেললন করার কথা চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের নেতারা জানান। এদিকে আওয়ামী লীগের একাধিক সুত্র জানায়, আগামী সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বেশ কিছু পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিবর্তনে নতুন করে অন্তর্ভূক্তি এবং বাদ দেয়া এ দুই বিষয়ই রয়েছে। এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ জায়গা থেকে বাদ পড়া দলের প্রবীণ নেতাদের কয়েকজনকে আবারও ফিরিয়ে আনা হতে পারে। আবার বর্তমান কমিটির বিভিন্ন পদে থাকা কাউকে কাউকে নতুন কমিটিতে বাদ দেয়া হতে পারে। ওই সূত্রগুলো জানায়, দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে এই সম্মেলনের মাধ্যমে পুনরায় সভাপতিমণ্ডলীতে নিয়ে আসা হবে। এর আগে ২০০৯ সালের ২৪ জুন অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এই তিন নেতাসহ প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক ও প্রয়াত আব্দুল জলিল(তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক)কে সভাপতিমণ্ডলী থেকে সরিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলের এই প্রবীণ ও অভিজ্ঞ তিন নেতাকে আবারও সভাপতিমণ্ডলীতে আনার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে। এদিকে আগামী সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদে রয়েছেন এরকম কয়েকজন বাদ পড়তে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতাসহ নানা অভিযোগের কারণে এদের সরিয়ে দেয়া হতে পারে। আবার বাদ না পড়লেও কারো কারো পদ-পদবী কমতে পারে। বিশেষ করে সম্পাদকমণ্ডলীর কোনো কোনো পদ থেকে কাউকে কাউকে বাদ দিয়ে এবং ওই সব পদে নতুন করে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে একটা পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রয়েছে।
ওই সূত্রগুলো জানায়, এই বাদ পড়ার তালিকায় বিগত মন্ত্রিসভায় ছিলেন এমন নেতাদের কারো কারো কথাও শোনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীসহ বিভিন্ন পদে আছেন  এমন বেশ কয়েকজন নেতা বিগত মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন। বিভিন্ন কারণ ও অভিযোগে তারা বর্তমান মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
আগামী সম্মেলনে এদের কেউ কেউ কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়তে পারেন বা পদ-পদবী কমে যেতে পারে। এ নিয়ে কেউ কেউ আশংকায়ও রয়েছেন।
জাতীয় সম্মেলনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ বলেন, আমরা জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরইমধ্যে এ বিষয় নিয়ে আমরা দলে আলোচনাও করেছি। সেই লক্ষ্যেই জেলা সম্মেলনের কাজ দ্রুত শেষ করা হচ্ছে। আশা করছি ডিসেম্বরেই জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন বাংলানিউজকে বলেন, আমরা দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যথা সময়ে সম্মেলন করার চিন্তা করছি। এরইমধ্যে অধিকাংশ জেলা সম্মেলন শেষ হয়েছে। বাকীগুলোও দ্রুত শেষ হবে। সম্মেলনের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on আ’লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা

১০০ কোটি ঘরে কেটির ঘোড়া!

katy_perry_dark_horse_bg_756497502বিনোদন ডেস্ক : কেটি পেরির বিখ্যাত গান ‘ডার্ক হর্স’-এর ভিডিও ভেভো ওয়েবসাইটে দেখা হযেছে ১০০ কোটি বার। এর আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছে কেবল কানাডিয়ান গায়ক জাস্টিন বিবারের ‘বেবি’।
নিজের গানের অভাবনীয় সাফল্যে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত কেটি। টুইটারে ৩০ বছর বয়সী এই মার্কিন পপতারকা বলেন, ‘বন্ধুরা, ডার্ক হর্স ১০০ কোটি বার দেখা হয়ে গেছে। দারুণ ব্যাপার।’
‘ডার্ক হর্স’ হলো কেটি পেরির চতুর্থ স্টুডিও অ্যালবাম ‘প্রিজম’-এর গান। এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন র‌্যাপার জুসি জে। গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি এর মিউজিক ভিডিও বের হয়। নির্দেশনা দিয়েছেন ম্যাথু কুলেন। এতে মিসরের রানী ক্লিওপেট্রার ভূমিকায় দেখা যায় কেটিকে।

Posted in বিনোদন | Comments Off on ১০০ কোটি ঘরে কেটির ঘোড়া!

ধরন অনুযায়ী নির্ভর করে দইয়ের উপকারিতা

fi_1_563334690ফিচার রিপোর্টার : দই অনেকেরই প্রিয় খাবার। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। স্বাভাবিক থাকে রক্তচাপ। এছাড়াও সর্দি-জ্বর এড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ওজন হ্রাস ও হজমের সহায়তায় দইয়ের বিকল্প নেই।
এছাড়াও দই হৃদরোগের ঝুঁকি দুর করে ও ধমনি প্রাচীরের পুরুত্ব হ্রাস করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেও দইয়ের নেই জুড়ি। প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ দই তৈরির প্রণালী ও উপকরণ এক নয়। কোন দইয়ে কী পরিমাণ ক্যালরি বা ফ্যাট রয়েছে এবং কোন ধরনের দই শরীরের পক্ষে কতটা উপকারি তা অনেকেরই অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
গরুর দুধের দই
বাজারের বেশিরভাগ দই গরুর দুধ দিয়ে তৈরি। সাধারণত এ ধরনের দইয়ে ফ্লেভার বা চিনি থাকে না। ব্রিটেনের ডায়েটেশিয়ান ডক্টর সারা সেনকার জানান, চিনিবিহীন প্রাকৃতিক দই খাওয়ার পরামর্শই আমি দেই। আপনি চাইলে আলাদা চিনি, মধু বা ফল মিশিয়ে খেতে পারেন।
ফ্যাট সমৃদ্ধ ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে প্রায় ৮২ কিলোক্যালরি, লো ফ্যাট দইয়ে রয়েছে ৫৬ কিলোক্যালরি ও ফ্যাটবিহীন দইয়ে fi_2_554032868রয়েছে ৫৪ কিলোক্যালরি। এই তিন ধরনের দইয়ের প্রতি ১০০ গ্রামে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন।
ফ্যাট সমৃদ্ধ দইয়ে রয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ ফ্যাট। এটি দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিবারণ করে ও ধীর গতিতে খাবার হজম করে।
গ্রিক ইয়োগার্ট
গ্রিক ইয়োগার্ট তৈরির সময় দুধ থেকে অতিরিক্ত চিনি, ল্যাক্টোজ, মাঠা ছেঁকে নেওয়া হয়। তাই এটি বেশি পুরু, ক্রিম ও প্রোটিন সমৃদ্ধ। একশ’ গ্রাম গ্রিক ইয়োগার্টে  রয়েছে ৯৬ থেকে ১৩০ কিলোক্যালরি।
প্রোটিন সমৃদ্ধ দই
এক নাগাড়ে কয়েকটি ছাঁকন প্রক্রিয়ায় এ দই তৈরি করা হয়। সাধারণ দইয়ের তুলনায় এ দই তৈরিতে চারগুণ বেশি দুধ fi_3_101968189ব্যবহার করা হয়। বলা যায়, ফ্যাটবিহীন দইয়ের মধ্যে এটি একটি। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে থাকে মাত্র ০.২ গ্রাম ফ্যাট।
এটি অন্যান্য দইয়ের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ভারী, ক্রিম ও উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ। ১০০ গ্রাম প্রোটিনে থাকে ৬৫ কিলোক্যালরি।  আর এ  দইয়ে রয়েছে প্রায় ১১ গ্রাম প্রোটিন। যার পুষ্টিগুণ একটি মুরগির অর্ধেক বুকের মাংসের সমান।
ছাগলের দুধের দই
গরুর দুধের চেয়ে ছাগলের দুধে রয়েছে বেশি পরিমাণ ক্যালসিয়াম। ১০০ গ্রাম গরুর দুধে তৈরি দইয়ে ক্যালসিয়াম থাকে ১৫০ মিলিগ্রাম। সেখানে ১০০ গ্রাম ছাগলের দুধে তৈরি দইয়ে রয়েছে ২৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। যা কি না হাড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত জরুরি ‍উপাদান। ফ্যাট সমৃদ্ধ  ১০০ গ্রাম ছাগলের দুধে তৈরি দইয়ে রয়েছে ৭.৩ গ্রাম ফ্যাট আর ফ্যাটবিহীন দইয়ে রয়েছে ৪২ ক্যালরি।
নারকেলের দুধে তৈরি তৈরি
নারকেলের দুধ দিয়েও দই তৈরি হয়। এতে রয়েছে উচ্চমানের ফাইবার, ভিটামিন সি, ই, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, খনিজ উপাদানসহ লোহা, সেলেনিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে ১৯ গ্রাম fi_bg_436308903ফ্যাট। যার ১৭ গ্রামই স্যাচুরেটেড (পানিতে দ্রবণীয়) ফ্যাট। নারীদের দৈনিক এ ফ্যাট গ্রহণের মাত্রা ২০ গ্রাম। তবে নারকেলের দুধের এ ফ্যাট শরীরে জমা না হয়ে বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে সহজেই শক্তিতে পরিণত হয়।
সয়া দই
গবেষণায় দেখা গেছে, সয়া দই প্রিমিনস্ট্রুয়াল সিনড্রম, মেনোপোজের লক্ষণজনিত সমস্যা ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে। প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উৎস এ দই কম ক্যালরি সমৃদ্ধ। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে ৪৬ ক্যালরি ও ফ্যাট ২.৬ মিলিগ্রাম।
প্রোবায়োটিক দই
আল্ট্রা হাই টেম্পারেচার (উচ্চ তাপমাত্রায় তৈরি) দই ছাড়া সব দইতেই শরীরবান্ধব ব্যাকটেরিয়া থাকে। তবে হজমের সময় পাকস্থলির এসিডের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়ার বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে যায়। তবে কোনো কোনো দইয়ে স্থিতিস্থাপক বিফিডো ব্যাক্টেরিয়া ও ল্যাক্টোবাসিলাস এসিডোফিলাস ব্যাকটেরিয়া শরীরে থেকে যায়। যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, প্রদাহ কমায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অনেক সময় বিভিন্ন খাদ্য উপাদান ও এন্টিবায়োটিক সেবনের ফলে এসব ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ডক্টর সেনকার জানান, সুস্থ অবস্থায় প্রোবায়োটিক দই প্রতিদিন না খেলেও চলে।
অপাস্তুরিত দই খাওয়া কি নিরাপদ?
দই তৈরির সময় দুধ জ্বাল দিয়ে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলা হয়। তারপর শরীরবান্ধব ব্যাকটেরিয়ার সংমিশ্রণে তৈরি হয় দই। কখনও কখনও পাস্তুরিত (উত্তাপ ছাড়া) না করেই দই তৈরি হয়। এসব দই বেশিরভাগ মানুষের ওপরই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। তবে গর্ভবতী ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা চাইলে এড়িয়ে চলতে পারেন।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ধরন অনুযায়ী নির্ভর করে দইয়ের উপকারিতা

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud