May 8, 2026
আব্দুর রাজ্জাক : বর্তমানে একজন ব্যস্ত নারী সংগীত পরিচালক কাজী নওরীন। কাজ করছেন অডিও এবং প্লেব্যাকে। নিজের গানের পাশাপাশি সংগীতপরিচালনা করছেন অন্য কণ্ঠশিল্পীদের অ্যালবামেও। ছোটবেলা থেকেই গানের শুরু নওরীনের। বড় বোনের কাছে হয় গানের হাতেখড়ি। উচ্চাঙ্গ সংগীতে তালিম নিয়েছেন সাদি মোহাম্মদের কাছ থেকে। তার প্রথম গান প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে সংগীতপরিচালক দীপ্তর ‘গোলকধাঁধা’ অ্যালবামে একটি গানের মাধ্যমে। এরপর থেকে নিয়মিত গান করে যাচ্ছেন তিনি। ২০০৭ সালের শেষ দিকে এসে শুরু করেন সংগীতপরিচালনার কাজ। ২০০৯ সালে তার লেখা, সুর এবং সংগীতায়োজনে প্রকাশিত হয় তার একক অ্যালবাম ‘এই ছেলে’। এরপর প্রকাশিত হয় তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি’। ২০১৪ সালে প্রকাশ করেন একটি মিক্সড অ্যালবাম ‘মায়াবী বাঁধন’। এখন পর্যন্ত তার গাওয়া ‘দুই পৃথিবী’, ‘ভালোবাসি বলনা’, ‘মায়াবি বাঁধন’, ‘আমি পথে একলা হাঁটি’, ‘মনপাখি’ গানগুলো বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এই তরুণ শিল্পী ও সংগীত পরিচালক
কাজী নওরীন। বাংলাদেশে একই সাথে সংগীত লেখা, সুর ও পরিচালনায় খুবই কম সংখ্যক নারী নিয়মিত কাজ করেন। তাঁদেরই একজন শিল্পী কাজী নওরীন যিনি নিজে বাজিয়েই নিজের তৈরি গান করেন। এছাড়া অন্য শিল্পীদের জন্যও করেন সংগীত পরিচালনা। গিটার, কিবোর্ড, দোতারা, ড্রাম এমন নানা ধরণের বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকটায় অনেক প্রতিকূলতা পার করতে হয়েছে তাঁর। তবে এখন তাঁর ব্যস্ততা অনেক। সংগীতের জগতে শেখা থেকে শুরু করে নানান অভিজ্ঞতার গল্প প্রকাশ করেছেন কাজী নওরীন। তিনি বলেন বাংলাদেশে সাধারণত নারী সংগীত পরিচালক দেখাই যায় না। যে ক’জন কাজ করেন তাদের মধ্যে কেউই নিয়মিত কাজ করেন না। এর কারণ কি বলে মনে হয় জানতে চাইলে নওরিন বলেন, বাংলাদেশে মেয়েরা সাধারণত সংগীত পরিচালনার কথা চিন্তাতেও আনেন না। সংগীত পরিচালনা যেন শুধুমাত্র ছেলেদেরই কাজ। তবে আমি এই প্রথাটি ভাঙতে চাই। সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, বাপ্পা মজুমদারের গানের ভক্ত কাজী নওরীন। এছাড়া সমসাময়িক অনেকের কাজই তার কাছে ভাল লাগে। তিনি বলেন, সবার থেকেই কিছু না কিছু শেখার থাকে। আমি সবার কাজ থেকেই প্রতিনিয়ত
কিছু না কিছু শিখছি। বর্তমানে নওরীন কাজ করছেন বেশ কয়েকটি মিক্সড অ্যালবাম সহ কয়েকজন শিল্পীর একক অ্যালবামে। এছাড়া নিজের বেশকয়েকটি গানের মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করতে যাচ্ছেন এই সংগীত পরিচালক। আর এই প্রত্তাশা নিয়ে এগিয়ে জাবেন কাজী নওরীন। তিনি সকলের কাছে দোয়া চান যাতে তিনি আরো ভালভাবে সংগীত পরিচালনা করতে পারেন। আজকের খবর আপনাকে ধন্যবাদ। কাজী নওরীন আপনাদেরকেও ধন্যবাদ।
বিনোদন ডেস্ক : ‘শাকিলা জাফর’ নামটি সঙ্গীত জগতে আর শুধু একটি নাম নয়, বরং মিউজিক ইন্ডাষ্ট্রির জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ড। কিন্তু বরেণ্য এই কণ্ঠশিল্পী বিনোদন প্রতিদিনের কাছে সরাসরিই জানালেন তার নামের সাথে আর ‘জাফর’ শব্দটি রাখতে চান না তিনি। স্বামী’র নামের অংশ বিশেষ জুড়িয়েই খ্যাতির শিখরে তিনি। অগণিত শ্রোতা-দর্শকদের কাছে তার এই এক নামেই পরিচিতি। এমনকি দীর্ঘ একাকী জীবনে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নিজের মিউজিক এবং সন্তানকে লালন-পালনের কাজটিও যখন করেছেন তখনও বলেননি কোথাও যে তিনি শুধুই ‘শাকিলা’ নামেই থাকতে চান।
তবে হঠাৎ কি কারণে এমন সিদ্ধান্ত? ‘সেটি একেবারেই ব্যক্তিগত।’ কোনোভাবেই কারণটি জানালেন না তিনি। বললেন, যেকোনো খবর, এমনকি আমার ছবির কাপশনটিতেও যেন ‘শাকিলা’ লেখা হয়। এটাই আমার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী শাকিলা। হঠাৎ করেই নামের সাথে ‘জাফর’ না দেখতে পেলে ছবি দেখেও অনেকের খটকা লাগতে পারে। তবে পারিবারিক সিদ্ধান্তেই তিনি ‘জাফর’ পরিচয়টি বহন করতে চাচ্ছেন না। এ নিয়ে অফিসিয়ালীই সবাইকে জানাতে চান তিনি! অথচ স্বামীর সাথে এই মানুষটির বিচ্ছেদ হয়েছে অনেক আগেই। এ প্রসঙ্গে শাকিলা বলেন, ‘যে মানুষটির সাথে আমি নেই তার পরিচয় বহন করতে আর চাই না। প্রতিটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আমি এখন শুধু শাকিলা নামেই প্রচার করতে বলি। গণমাধ্যমের আরও সবাইকে জানাতে চাই যে, আমার নামের সাথে যেন জাফর ছাপা না হয়।’
এদিকে দেশের অগণিত প্রিন্ট মিডিয়াসহ ৩০টিরও ওপরে চ্যানেলকে তিনি মুখে মুখেই এভাবে বলবেন কি-না? বা এটা নিছক অভিমান থেকেই সিদ্ধান্ত কি-না? সে প্রশ্নও এড়িয়ে গেলেন। শুধু বললেন, ‘এটা একান্তই ব্যক্তিগত। আমি অনেক ভেবে-চিন্তেই এই সিদ্ধান্ত নেবার পরই মিডিয়াকে জানাচ্ছি এবং চুড়ান্ত সিদ্ধান্তটি ইত্তেফাকের মাধ্যমেই আমার শ্রোতা-ভক্তদের জানাতে চাই। আমি শুধু শাকিলা নামেই নিজের পরিচিতি রাখতে চাই।’ সাধারণত শিল্পীরা তাদের স্ট্রাগলের সময়ই নিজের নাম নিয়ে সংযোজন বা বিয়োজন করেন। কিন্তু প্রাপ্তির প্রায় সবটুকু পাবার পর শাকিলা জাফরই হয়তো প্রথম শিল্পী যিনি তার নামের সাথে সম্পর্ক চিহ্নটি মুছে ফেলতে চাইছেন!
উল্লেখ্য, এ প্রসঙ্গে শিল্পীর পাসপোর্টের নাম কি রয়েছে তা জানতে চাইলে শিল্পী বলেন, ‘সেটিও আমি সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়াও আমার পরবর্তী যেকোনো অফিসিয়াল কাজ-কর্মে আমার এই সংক্ষেপ নামটিই ব্যবহার করবো।
স্পটলাইট : ভারতের প্রথম সমকামী বিজ্ঞাপন- যেখানে দুই নারী নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে মা-বাবার মুখোমুখি হওয়ার জন্য তৈরি, সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। অনলাইন ভিডিওতে দেখা যায় ২টি মেয়ে যাঁরা লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছে, একে অপরের সঙ্গে ইয়ারকি করছে, ফ্লার্ট করছে এবং নিজেদের ভালবাসার জন্য সামনে কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছে তা নিয়ে আলোচনা করছে।
দ্য ভিসিট শীর্ষক এই বিজ্ঞাপনটি আসলে একটি বড় ফ্যাশন পোর্টাল ‘মিন্ত্রা’-র এথনিক পোশাকের কালেকশন নিয়ে। আর এই ভিডিওটি ১০ দিনে ২ লক্ষ লাইক পেয়েছে ইউটিউবে। এই বিজ্ঞাপনটির বিষয়বস্তু তৈরি করেছে হেকটিক কনটেন্ট এবং এই চিন্তাভাবনার বাস্তবায়ন করেছেন বেঙ্গালুরুর অ্যাড এজেন্সি সংস্থা ওঅ্যান্ডএম।
হেকটিক কনটেন্ট-এর অভিষেক ঘোষ জানিয়েছেন, আমরা ওই এখই ছকে কষা সমকামী সম্পর্ক দেখাতে চাইনি। আমরা চেয়েছিলাম বাস্তবের জুটি থেকে একটা মুহূর্ত তুলে ধরতে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যেখানে ভারতে লিভ ইন সম্পর্কই সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয় না সেখানে, সমকামিতার মতো স্পর্ষকাতর বিষয় নিয়ে আধুনিক মনষ্ক বিজ্ঞাপন করাটা সত্য়িই প্রশংসার যোগ্য। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই ক্রমশ সমাজের চিন্তাধারায় নবজাগরণ ঘটবে।
যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রে ও সিঙ্গাপুরে জুয়ার আসরে উড়ছে বাংলাদেশের টাকা। দেশের শীর্ষ জুয়াড়িরা বৈধ-অবৈধ পথে টাকা নিয়ে এসব আসরে বড় দানে খেলছেন। ৫ হাজার ডলার-পাউন্ড থেকে শুরু করে ১০ লাখ ডলার-পাউন্ডেও খেলছেন অনেকে।
নামি ক্যাসিনোয় বাংলাদেশি জুয়াড়িদের জাঁকালো উপস্থিতি উন্নত বিশ্বের অনেক জুয়াড়িকেই চমকে দিয়েছে। অবিশ্বাস্য মনে করছেন কেউ কেউ। বাংলাদেশের মতো নিম্ন আয়ের দেশ থেকে গিয়ে বিশ্বের নামিদামি জুয়ার আসরে টাকা ওড়ানোর ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। সরকার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সতর্ক হলে অবৈধ পন্থায় এসব টাকা পাচার হওয়া বন্ধ করা সম্ভব বলেও মনে করেন তারা।
এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘অনেকেই অবৈধ পন্থায় বিদেশে টাকা পাচার করে সেকেন্ড হোম বানাচ্ছেন, ক্যাসিনোয় জুয়া খেলছেন। বিদেশে নানাভাবে টাকা ওড়াচ্ছেন বাংলাদেশিরা। এদের ব্যাপারে সরকারকে শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে। দেশের ফিন্যানশিয়াল ইনস্টিটিউটগুলো সতর্ক থাকলে বিশেষ করে ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সজাগ দৃষ্টি থাকলে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা নিয়ন্ত্রণ করা অনেকাংশেই সম্ভব।
হুন্ডি বা অবৈধ অন্য কোনো পন্থায় বিদেশে পাচার হওয়া টাকা রাতারাতি বন্ধ করা সম্ভব নয়। আবার নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভবও নয়।’ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যারা অবৈধ পন্থায় দেশের টাকা বিদেশে পাচার করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অনেকে ক্যাসিনোতে বসেই কোটি কোটি টাকা ওড়াচ্ছেন। বিদেশে সেকেন্ড হোমও তৈরি করছেন। অধিকাংশ টাকাই অবৈধ এবং অবৈধ পন্থায় বাংলাদেশ থেকে পাচার করা।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের সদস্য বাংলাদেশ। যেসব দেশে এসব টাকা যাচ্ছে তারাও এ কনভেনশনের সদস্য। আমাদের দেশ থেকে যেসব টাকা পাচার হচ্ছে, তা তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে পাঠানো হলে তারা এ টাকা ফেরত পাঠাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এটা অসম্ভব নয়।’
জানা গেছে, বাংলাদেশি জুয়াড়িদের বড় একটি অংশই যান সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে স্যান্ড ক্যাসিনো ক্লাবে। প্রতিদিনই কাউকে না কাউকে দেখা যায় এ ক্লাবে। তারা গিয়ে ওঠেনও মেরিনা বে হোটেলে। দিনভর ঘুমিয়ে নিয়ে রাতভর বসে যান জুয়ার আসরে। সর্বোচ্চ ১০ লাখ ডলারেও খেলতে দেখা গেছে অনেক জুয়াড়িকে। নতুন গজিয়ে ওঠা ব্যবসায়ী ও রাজনীতিকের সংখ্যাই বেশি।
শুধু মেরিনা বে-তেই নয়, জুয়াড়িরা উঠছেন সিঙ্গাপুরের অন্যান্য হোটেলেও। সেখানে গিয়ে দুই হাতে টাকা ওড়ান তারা। অনেকে প্রতিযোগিতা করেন চীনা জুয়াড়িদের সঙ্গেও। জানা যায়, হোটেল মেরিনা বে-তে সর্বোচ্চ দামে খেলা জুয়াড়িদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা দুই শতাধিক। এর মধ্যে অন্তত ২৫ জন আছেন যারা বড় বড় দানে খেলেন। জুয়ার এসব টাকা কেউ নেন হুন্ডি করে আবার কেউ আমদানি-রপ্তানির ওভার ইনভয়েসিং (মিথ্যা ঘোষণা) করে।
জানা গেছে, শুধু সিঙ্গাপুরেই নয়, লন্ডনের ক্যাসিনোতেও দেখা যায় বাংলাদেশি জুয়াড়িদের। দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস ও আটলান্টিক সিটির বিশাল জুয়ার আসরে। সেখানেও উড়ছে বাংলাদেশি টাকা। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা টাকা আইনি প্রক্রিয়ায় সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত আনা হয়েছে। জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশ হওয়ায় সিঙ্গাপুরও সহযোগিতা করেছে। সরকারের আগ্রহ থাকলে সব দেশ থেকে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনা অসম্ভব নয়।
ডেস্ক রিপোর্ট : নেপালে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, বুধবার রাতে অবিরাম বর্ষণের কারণে দেশটির তাপলেজুং জেলায় ছয়টি পৃথক স্থানে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
ভূমিধসের কারণে আক্রান্ত এলাকাগুলোয় বেশ কয়েকটি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়।
প্রধান জেলা কর্মকর্তা সুরেন্দ্র ভাট্টরাই জানিয়েছেন, স্থানীয় নদী-নালায় পানি উপচে দ্রুত এর উচ্চতা বাড়ছে বলে উদ্ধার তৎপরতা ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা ব্যহত হচ্ছে।
আহতদের উদ্ধারে আক্রান্ত এলাকাগুলোয় হেলিকপ্টার পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।তাপলেজুং ডেপুটি পুলিশ সুপার শান্তি রাজ কৈরালা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের উদ্দেশে পুলিশের একটি দল
ডেস্ক : দাঁতকে ঝকঝকে সুন্দর করার জন্য কত কিছুই না করেন আপনি। দামী টুথপেস্ট থেকে শুরু করে ডেন্টিস্টের কাছে দামী ট্রিটমেন্ট, সবই কেবল হলদে দাঁতগুলোকে সাদা করার জন্য। না, আজ থেকে আর কিছুই করতে হবে না, সাধারণ তেজপাতা দিয়েই প্রাকৃতিক উপায়ে সুন্দর করে নিতে পারবেন আপনি আপনার দাঁতগুলো? কীভাবে? চলুন, জেনে নিন দাঁত সুন্দর করতে তেজপাতা ব্যবহারের প্রণালি।
দাঁত সাদা করতে তেজপাতা দারুণ উপকারী, তবে এই তেজপাতাকে মেশাতে হবে কোন টক ফলের সাথে। যেমন ধরুন কমলা বা লেবুর খোসা।
যা যা লাগবে
তেজপাতা ৪টি (কাঁচা বা শুকনো সব রকমেই হবে)
কমলা ও লেবুর খোসা (তেজপাতার সম পরিমাণ)
মুখে দুর্গন্ধের সমস্যা বা মাড়িতে ব্যথা থাকলে লবঙ্গ ২/৩ টি
প্রণালি
-তেজপাতা বেটে নিন বা মিহি গুঁড়ো করে নিন।
-কমলা বা লেবুর খোসা শুকিয়ে লবঙ্গের সাথে মিশিয়ে গুঁড়ো করে নিন।
-সব উপকরণ সামান্য লবণ সহযোগে একত্রে মিশিয়ে নিন।
-ফলের খোসা শুকিয়ে নেয়া জরুরী। কাঁচা অবস্থায় দাঁতের ক্ষতি করবে।
ব্যবহার বিধি
এই গুঁড়োটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ৩ দিন দাঁত মাজুন। রোজ মাজার প্রয়োজন নেই, এতে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। দাঁতের হলদে ভাবের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করাই যথেষ্ট।
স্পোর্টস ডেস্ক ।। বাংলাদেশ-ভারত একমাত্র টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টির কারণে দুই সেশন খেলা বন্ধ ছিল। দ্বিতীয় দিন আবার বৃষ্টির নামলে পরিত্যক্ত হয় দ্বিতীয় দিনের খেলা।দুই দিনে মাত্র ৫৬ ওভার খেলা হওয়ায় টেস্টের ফলাফল এগুচ্ছে ড্রয়ের দিকেই। আর ড্র হলেই র্যাংকিংয়ে সাতে নেমে আসবে ভারত। কমবে রেটিং পয়েন্টও।অন্যদিকে ড্র হলে বাংলাদেশের র্যাংকিংয়ে পরিবর্তন না আসলেও বাড়বে রেটিং পয়েন্ট।
বর্তমানে টেস্টে ৯৯ পয়েন্ট নিয়ে র্যাংকিংয়ের দিক থেকে ভারতের অবস্থান তৃতীয়। অন্যদিকে ৩৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। ড্র হলে টাইগারদের পয়েন্ট হবে ৪৩, ভারতের রেটিং পয়েন্ট ৯৯ থেকে কমে হবে ৯৬।
বিনোদন ডেস্ক।। আজকাল নিজেদের ছবির প্রচারের জন্য নানা রকম ব্যতিক্রমী কাজ করার রীতি চালু হয়েছে বলিউড পাড়ায়। সম্প্রতি ছবির প্রচারের জন্য মনোবিদের শরণাপন্ন হলেন বলিউদের গুণী অভিনেত্রি বিদ্যা বালান।
আগামী শুক্রবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার অভিনীত ‘হামারি আধুরি কাহানী’ ছবিটি। এর প্রচারের অংশ হিসেবে একটি টিভি ধারাবাহিকে বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। নাম ‘ইয়ে হে মোহাব্বাতে’। এতে দেখা যাবে বিদ্যা বালান একজনের উপকার করার জন্য মনোবিদের শরণাপন্ন হন। বিদ্যা সবাইকে এই পর্বটি দেখার আমন্ত্রণ জানান।
‘হামারি আধুরি কাহানী’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন ‘আশিকি ২’খ্যাত পরিচালক মোহিত সুরি। ছবিতে বিদ্যার সঙ্গে আরও আছেন ইমরান হাশমি ও রাজকুমার যাদব।
কনসার্টে গেছেন, কিন্তু ড্রামের বাড়িটা বুকে এসে বিঁধছে। অথবা আশপাশের হট্টগোলের জন্য প্রিয় গায়ক-গায়িকার গান শুনতে পাচ্ছেন না। বাসে ঘুমোতে ঘুমোতে যাবেন ঠিক করেছিলেন কিন্তু আচমকা কোনও শিশু চিৎকার করে উঠল। রেস্তোরাঁয় আশপাশের চেঁচামেচির কারণে প্রিয়জনের কথায় মন দিতে পারছেন না। পাশের ফ্ল্যাটের লোকটা যখন যাবতীয় ম্যানার ভুলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মোবাইলফোনে চেঁচিয়ে কথা বলতে থাকে, তখন নিশ্চয় অাপনার মনে হয়, ইশ! লোকটার মুখটা যদি মিউট করে দেওয়া যেত!
প্রযুক্তি এনে দিল এসবের সমাধান। এবার চারপাশের শব্দ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন আপনার মোবাইল ফোন দিয়েই! কার কথা কত জোরে শুনবেন, আশপাশের শব্দ আদৌও কানে ঢোকাবেন কি না, তা ঠিক করে দিতে পারবেন আপনি নিজেই। দরকার হবে শুধু একজোড়া ইয়ারপ্লাগের। যা তৈরি করেছে ডপলার ল্যাব।
এখনও বাজারে মিলবে না এ শব্দটি। তবে বানানোর পথে অনেকটা এগিয়েছে ডপলার ল্যাব। আপাতত চলছে কিস্টার্টার ক্যাম্পেইন। মানে যথাযথ সহায়তা পেলেই বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।
কীভাবে কাজ করবে? প্রথমত এতে আছে একজোড়া ব্লুটুথ ইয়ারফোন। কানের সঙ্গে আরামসে জুড়ে যাবে ওটা। ওই ইয়ারফোনের বাইরেই আছে সাউন্ড রিসিভার। আশপাশের শব্দ তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করবে ওটা। এরপর সংকেত চলে যাবে স্মার্টফোনে। স্মার্টফোনে প্রসেস হওয়ার পর তা আবার আসবে ইয়ারফোনে। প্রক্রিয়াটা ঘটবে দ্রুত। সময় নেবে মাত্র ৩০ মাইক্রোসেকেন্ড। চোখের পলক ফেলার ১০ হাজার ভাগের এক ভাগ সময়। তাই ব্যবহারকারীর মনে হবে তিনি যা শুনছেন লাইভই শুনছেন। তবে সেটা নিজের মতো করে!
ইয়ারফোনটা কানে পরলে শুরুতে যেসব সমস্যার কথা বলা হয়েছে, সমাধান মিলবে তার সবকটারই। সামনে কেউ উঁচু স্বরে কথা বলতে থাকলে, কানে ইয়ারফোন গুঁজে নিজের মোবাইলেই কমিয়ে দিতে পারবেন বক্তার কথার ভলিউম। আবার চাইলে কথাবার্তা বা শব্দের মধ্যে যোগ করতে পারবেন ইফেক্টও!
আপাতত যারা কিকস্টার্টার প্রজেক্টে ১৭৯ ডলার করে জমা দিচ্ছেন, তাদের ১০০০ জনই পাবেন পণ্যটির প্রথম শিপমেন্ট। আবার ১৯৯ ডলার করে দিলে সঙ্গে মিলবে একটা টি-শার্ট। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই পণ্যটি বাজারে আসবে। দাম পড়বে প্রায় আড়াইশ ডলার।
বিনোদন প্রতিবেদক : কণা, নির্ঝর, কোনাল ও সালমা। সংগীতের এই চার কন্যাকে নিয়ে বুধবার ব্যস্ত সময় পার করেছেন জয় শাহরিয়ার। নতুন কোনও গান রেকর্ডিং নয়। ঈদের বিশেষ একটি সংগীতানুষ্ঠান শ্যুটিং নিয়ে তাদের এই ব্যস্ততা।
জয়ের সঞ্চালনায় ‘বন্ধু ফুলের ভ্রমরা’ নামের এ অনুষ্ঠানে গাইবেন চার কণ্যা। এর মূল আকর্ষণ হচ্ছে শিল্পীরা সবাই বাউল শাহ আবদুল করিমের গান গেয়েছেন। অনুষ্ঠানের নাম সেটা ভেবে রাখা বলে জানালেন জয়।
তিনি বলেন, ‘উৎসবের সঙ্গে শাহ আবদুল করিমের গান বেশ যায়। তাই আমাদের আয়োজন এভাবে করা হয়েছে। এতে অতিথিরা দুটি করে গান গেয়েছেন। আর আমি সঞ্চালনার পাশাপাশি গেয়েছি একটি গান।’
জানা যায়, বাংলাভিশনে ঈদের বিশেষ আয়োজনে এটি দর্শকরা দেখতে পারবেন। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন তাহমিনা মুক্তা।