May 27, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট দৈনিক বর্তমানের প্রকাশনা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পত্রিকাটির উপ-সম্পাদক নজমুল হক সরকার ও বার্তা সম্পাদক খালেদ ফারুকী।
তারা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ‘দৈনিক বর্তমান’ পত্রিকার সব সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে রাস্তায় নামিয়ে পত্রিকাটির কার্যালয় নিজেদের দখলে নেয়। এতে পত্রিকাটির প্রকাশনা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কিন্তু পত্রিকাটির কর্মরত সকল সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রচেষ্টায় একই ভবনের ১৮তলা থেকে অস্থায়ীভিত্তিতে পত্রিকা প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমানের স্ত্রী রাজিয়া রহমান অস্থায়ী কার্যালয় পরিদর্শনে আসেন এবং পত্রিকাটির প্রকাশনা অব্যাহত রাখার সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় সানমুন টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় ‘দৈনিক বর্তমান’ পত্রিকার অফিস ছিল। ডিএসসিসি এই ভবনের প্রথম পাঁচটি তলার মালিক বলে দাবি করে আসছিল। তবে পত্রিকাটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের অভিযোগ, আগে থেকে কোনো নোটিশ না দিয়েই পুলিশের সহায়তায় পত্রিকা অফিস দখল করতে আসে ডিএসসিসি। মালামাল ও কাগজপত্র নামিয়ে নেওয়ার জন্য ৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বর্তমানে সম্পাদকের রুমটি সিলগলা করে রাখা হয়েছে।
সংসদ প্রতিবেদক
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আইন প্রণেতাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধন বিলে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
এই বিলের বিরোধিতায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের হরতাল এবং পুনর্বিবেচনার জন্য সংসদে ফেরত পাঠানোর আহ্বানের মধ্যেই সোমবার রাষ্ট্রপতি এই বিলে সই করেন।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ায় এখন গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে। গেজেট প্রকাশিত হলেই শেষ হবে ‘সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) বিল-২০১৪’ এর আইনে পরিণত হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা।
এ আইনের ফলে ‘অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের’ অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিচারপতিদের অপসারণ করতে পারবে সংসদ, যে ক্ষমতা স্বাধীনতার পর চার বছর পর্যন্ত আইন প্রণেতাদের হাতেই ছিল।
এর ফলে বিচারপতি অপসারণে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের বিষয়টি আর থাকছে না।
ষোড়শ সংশোধনী অনুযায়ী বিচারপতি অপসারণের ক্ষেত্রে তাদের ‘অসামর্থ্য ও অসদাচরণের’ তদন্ত ও প্রমাণের বিষয়ে আলাদা একটি আইন হবে, যা আগামী তিন মাসেই করা হবে বলে আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।
সংসদের বাইরে থাকা বিএনপি এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের বিরোধিতার মধ্যে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংসদে সর্বসম্মত ভোটে বিলটি পাস হয়।
বিএনপি বলে আসছে, বিচার বিভাগের ওপর নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করেছে।
ক্ষমতায় ফিরলে আওয়ামী লীগ আমলে আনা সংশোধনীগুলো বাতিলের ঘোষণাও দিয়েছে দলটি।
অন্যদিকে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সন্দেহ, ভালোমতো যাচাই না করে এই মুহূর্তে প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও তড়িঘড়ি করে এ আইন পাসের ক্ষেত্রে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে।
তবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বারবার বলে আসছেন, বিএনপি ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা না বুঝেই সমালোচনা করছেন।
“আমরা শুধু বাহাত্তরের অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করছি। বিচারপতিদের অভিসংশন নয়, বরং অপসারণও করবে না সংসদ। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংসদ তা অনুমোদন করবে।”
সংসদের কাছে ক্ষমতা ফিরে আসা
১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ছিল।
১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর (বাকশাল গঠন) মাধ্যমে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়।
চতুর্থ সংশোধনী বাতিল হলে জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকারের আমলে এক সামরিক আদেশে বিচারপতিদের অভিশংসনের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।
২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময়ে বিচারপতিদের সরানোর ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে দেয়া নিয়ে আলোচনা ওঠে, যদিও তখন তা করা হয়নি।
পরে ২০১২ সালে তৎকালীন স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের একটি রুলিংকে কেন্দ্র করে কয়েকজন সংসদ সদস্য হাই কোর্টের একজন বিচারপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন।
মূলত সে সময়েই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়।
গত ৭ সেপ্টেম্বর ‘সংবিধান (ষোড়শ সংশোধন) বিল-২০১৪’ সংসদে উত্থাপনের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
দুটি বৈঠক করে সংসদীয় কমিটি বিলটি পরীক্ষা করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করেন।
সংসদীয় কমিটি বিলের ‘দীর্ঘ’ প্রস্তাবনা বাদ দেয় এবং উদ্দেশ্যে ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে কিছু পরিবর্তন আনে।
সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবে, কোনো বিচারপতির অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে ‘তদন্ত ও প্রমাণ’ আইন করে সংসদ নিয়ন্ত্রণ করার শর্ত রাখা হয়।
সংবিধান সংশোধন বিল পাসের আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।
এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর সংসদে বিভক্তি ভোটে সর্বসম্মতভাবে বিলটি পাস হয়।
বিনোদন ডেস্ক
দাবার আসরে বসেছেন অপূর্ব-ভাবনা। খেলাটি দু’জনেরই খুব পছন্দ। এক সময় ভাগাভাগি করে দাবার কোর্টটি কিনেছিলেন তারা। তবে আজকের পরিস্থিতি অন্যদিনের মতো উৎসবমুখর নয়। দাবা খেলায় হারজিতের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে। কি সেটা? জানা যাবে ‘রাজা রানীর খেলা’ টেলিছবিতে।
‘রাজা রানীর খেলা’য় অপূর্ব নেমেছেন রাজ চরিত্র নিয়ে, আর ভাবনা হচ্ছেন তিথি। দু’জন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে বনছে না তাদের। সিদ্ধান্ত নেয় আলাদা হয়ে যাওয়ার। শুরু হয় ঘরের আসবাবপত্র ভাগাভাগি।
টেলিছবিটির মাধ্যমে অপূর্ব-ভাবনা প্রথমবারের মতো একফ্রেমে এসেছেন। এর আগে অনেকবার একসঙ্গে অভিনয় করার কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে সেটা সম্ভব হয়নি।
‘রাজা রানীর খেলা’ লিখেছেন মঈন আহমেদ, পরিচালনা করেছেন কৌশিক শংকর দাস। ২১ সেপ্টেম্বর এর দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে। নির্মাতা জানিয়েছেন, টেলিছবিটি আসছে কোরবানির ঈদে চ্যানেল নাইনে প্রচার হবে।
বিনোদন ডেস্ক
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর মধ্যে টুইটারই বলিউড তারকাদের কাছে সবচেয়ে প্রিয়। টুইটারে কোন তারকার অনুসারী কতো বেশি তা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে।
কিছুদিন আগে জানা যায়, টুইটারে দেড় কোটি অনুসারী নিয়ে বলিউড তারকাদের মধ্যে সবার ওপরে আছেন অমিতাভ বচ্চন। তাকে ছুঁয়ে ফেলার পথে একধাপ এগোলেন শাহরুখ খান। ৪৮ বছর বয়সী এই সুপারস্টারের অনুসারী এখন ৯০ লাখ। তিনি টুইটারে যোগ দেন ২০১০ সালের জুলাইয়ে। তার সমসাময়িকদের মধ্যে সালমান খান ও আমির খানের অনুসারীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮০ লাখ।
এদিকে শাহরুখকে ছুঁয়ে ফেলার পথে এগিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তার অনুসারীর সংখ্যা ৭০ লাখ। তিনি টুইটারে যুক্ত হন ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে। টুইটারে সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকাদের মধ্যে তার অবস্থান চতুর্থ। ৩২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেছেন, ‘ধন্যবাদ সবাইকে। আমাদের পরিবার ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। আপনাদের ভালোবাসায় আরও সামনে এগিয়ে যাব আশা করছি।’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মানুষের মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু তার প্রেমের মৃত্যু হয় না। বেঁচে থাকে যুগের পর যুগ, শতাব্দীর পর শতাব্দী। এ চিরসত্যটিই যেন ফের স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করলেন যুক্তরাজ্যের একদল প্রত্নতাত্ত্বিক।
গল্পের প্রথমাংশ গণসমাধি খোঁড়াখুঁড়ির, আর শেষাংশ অমর প্রেমের! ইউনিভার্সিটি অব লিসেস্টার আর্কিওলজিস্টের প্রত্নতাত্ত্বিকরা লিচেস্টারশায়ারের হ্যালটনের একটি গ্রামে খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে ১১টি কঙ্কালের সঙ্গে দু’টি বিশেষ কঙ্কাল আবিষ্কার করেন। প্রত্নতাত্ত্বিকরা বিস্ময়ভরে লক্ষ্য করেন, কঙ্কাল দু’টির দুই হাত জোড়া লেগে আছে।
পরে কার্বন ডেটিং টেকনোলজির মাধ্যমে গবেষকরা বুঝতে পারেন, এই জোড়া কঙ্কাল চতুর্দশ শতকে সমাধিস্থ করা কোনো যুগলের। সমাধিস্থ করার সময় দু’জনের বয়স প্রায় সমান ছিল।
দুই হাত এক করে যুগলকে সমাধিস্থ করা হলেও কেন তাদের গ্রামের প্রধান গির্জায় সমাধিস্থ না করে ছোট অখ্যাত সমাধিস্থলে সমাহিত করা হয়েছে এ নিয়ে এখনও বিভ্রম কাটেনি গবেষকদের।
তবে তারা মনে করছেন, বিদেশি, অসুস্থ বা অপরাধী হওয়ার কারণে তাদের প্রধান গির্জার বাইরে সমাধিস্থ করা হয়েছে।
তবে, যতো রকমের বিভ্রমই থাকুক, সাতশ’ বছর আগের জোড়া হাত এতোকাল ধরে এক থাকাটা সবার জন্যই বিস্ময়ের।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কথায় বলে ‘সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে’। কিন্তু আধুনিক যুগে এই প্রাচীণ প্রবচনটি বোধহয় আর খাটছে না। তাই একে একটু বদলে মানে ‘রমনী’ স্থানে গোয়েন্দা পড়ুন। আপনার নতুন সংসারকে সবদিক দিয়ে পরিপূর্ণ করতে এসব ব্যাক্তিগত গোয়েন্দাদের জুড়ি নেই। নইলে অনেক বাছবিচার করে যে মেয়েটিকে আপনি ঘরে তুললেন বা যে সুদর্শনের গলায় আপনি মালা পড়ালেন তার সবই যাবে বিফলে।
ভারতে এখন অনেকেই বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহে এসব গোয়েন্দা বা ডিটেকটিভদের ভাড়া করছেন। এসব ডিটেকটিভের কাজ হল, পাত্রপাত্রীর অতীত সম্পর্ক, আয়ের উৎস এবং তদের পরিবারের ইতিহাস খুঁজে বের করে আনা। গত ২৭ বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে এই কাজটি করে আসছেন তারালিকা লাহিরি। কোনো রকম প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই এ কাজ শুরু করেছিলেন ৫৩ বছরের লাহিরি। কাজ করতে করতেই এ পেশায় দারুনভাবে দক্ষ হয়ে উঠেছেন তিনি।
১৯৯৪ সালে কাজের সুবিধার জন্য গড়ে তুলেছিলেন নিজের গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল ডিটেকটিভ এন্ড কর্পোরেট কনসালটেন্টস’(এনডিসিসি)। প্রাথমিক পর্যায়ে এখানে ৫ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন। ভারতে ১৯৮৭ সালে যে গুটিকয়েক নারী এই বিয়ে বিষয়ক গোয়েন্দা পেশায় নিযুক্ত হয়েছিলেন তাদের অন্যতম হচ্ছেন লাহিরি। এখন অবশ্য এই পেশাটি মেয়েদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং অনেকেই এত উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।
বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্রী পক্ষেরই তাদের ভাবী জামাতাটি বিষয়ে খোঁজখবর নেয়ার বেশি আগ্রহ থাকে। ফলে এই পেশায় নারী গোয়েন্দাদের চাহিদা বাড়ছে। পাত্রী পক্ষ সাধারণত: গুপ্তচরবৃত্তির জন্য নারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।
সংসার সুখের হয় গোয়েন্দার গুণে! 9dae06fnগোড়ার দিকে তারালিকার এনডিসিসি প্রতিষ্ঠানে একমাত্র নারী কর্মী ছিলেন তিনি নিজে। এখন সেখানে ১৫ জন কর্মী কাজ করছেন এবং তার এ ব্যাবসাও ফুলে ফেপে ওঠেছে। নিজের পেশা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন,‘এখন ভারতে ইন্টানেটে বিয়ে হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় বিবাহ পূর্ব তদন্তের ঘটনা বেড়ে গেছে। আগের দিনে মামী বা খালারাই বিবাহ উপযুক্ত ছেলে মেয়েদের খোঁজ আনতেন এবং পাত্রপাত্রীর প্রাথমিক তথ্যগুলো সংগ্রহ করতেন তারাই। কিন্তু এখন বিয়ের ক্ষেত্র অনেক বেড়েছে এবং দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দূরদেশে বসবাসকারীদের সঙ্গেও অনেকে সম্পর্ক করছেন। তাই চেনা জানা গণ্ডিতে আর আবদ্ধ নেই বিয়ের সম্পর্ক। এছাড়া ভারত বা বিদেশে বসবাসকারীরা সহজেই অনলাইনে ভূয়া জীবন বৃত্তান্ত দেয়ার সুযোগ পান। সেজন্যই এখন পাত্র পাত্রীদের সম্পর্কে ব্যাপক খোঁজ খবর নিতে হয়।
কেননা পাত্র বা পাত্রীর অভিভাবকেরা এটি নিশ্চিত হতে চান যে, তারা নিজেদের ছেলেমেয়ের জন্য যাকে পছন্দ করেছেন সে যেন পারফেক্ট হয় এবং বিয়ের পর যেন কোনো গলদ বের না হয়।
এ প্রসঙ্গে পুরনো একটি অভিজ্ঞতা বর্ণনা করলেন তারালিকা লাহিরি। একবার দিল্লির এক ধনী শিল্পপতি তার মেয়ের প্রেমিক সম্পর্কে খোঁজ নিতে তার কাছে আসেন। ওই শিল্পপতির ভাবি জামাতা সবসময় দামি পোশাক পরেন, চরেন মূল্যবান গাড়িতে। প্রেমিকার সঙ্গে ডেটিং করেন শহরের অভিজাত রেস্তোরাগুলোতে। তাই ওই মেয়ের বাবার সন্দেহ হয় এবং ওই ছেলের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার উৎস সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে লাহিরির শরণাপন্ন হন। কয়েক সপ্তাহ ধরে ওই ছেলের পিছু নিয়ে তিনি আবিষ্কার করেন, সে একজন সামান্য আর্টিস্ট। সে ওই মেয়ের পরিবারকে নিজের সম্পর্কে যা কথ্য দিয়ে তার সবটাই ভূয়া। সে যে গাড়ি করে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে আসে সেগুলো সবই অন্যের-ধার করা।
তারালিকা বলেন, একজন তরুণ বা তরুণীর কাছে এই সত্য বলাটা কখনোই অতটা সহজ নয় যে, তিনি তার ভাবী জীবনসঙ্গী সম্পর্কে যে ধারণা করছে তা সঠিক নয়।এজন্য দরকার উপযুক্ত প্রমাণ তা ছবি বা ফোনকল রেকর্ড হতে পারে। এগুলো ছাড়া তরুণ মক্কেলটিকে প্রভাবিত করা সহজ নয়।
সংসার সুখের হয় গোয়েন্দার গুণে! 7vrvmjz6শুধু বিয়ে গড়তে নয়- বিয়ে ভাঙ্গতেও ডাক পড়ে তারালিকার। বিবাহ বিচ্ছেদ মামলায় আদালতে দুই পক্ষকেই তাদের দায়েরকৃত অভিযোগের প্রমাণ পেশ করতে হয়। তখন আইনজীবীরা মামলায় উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তারালিকার মত গোয়েন্দাদের কাজে লাগিয়ে থাকেন। তিনি বলেন,‘এসব তথ্য পেশ করতে পারলে ভরণপোষণ খরচ কমানো বা শিশুর অভিভাবকত্ব আদায় করা সহজ হয়।’
এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনা স্মৃতিচারণ করেন তারালিকা একবার এক ভারতীয় স্ত্রী তার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী স্বামীর বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় নিজের ও সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য প্রচুর অর্থ দাবি করেন। তিনি অজুহাত হিসেবে বলেন, এক দুর্ঘটনায় তিনি পঙ্গু হয়ে গেছেন। ফলে তার পক্ষে কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। এজন্য তার এই অর্থ দরকার।
তার স্বামী স্ত্রীর ওপর গুপ্তচরবৃত্তির জন্য সুদূর আমেরিকা থেকেই ভাড়া করলেন তারালিকাকে। তিনি জানালেন, তার স্ত্রী দিল্লিতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছেন। খবর পেয়ে কাজে লেগে গেল তারিালিকার দল। তারা ওই নারীর পিছু নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেলেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে বরের লোকজনের সঙ্গে মিলে মনের সুখে নাচলেন ওই নারী। তার সমস্ত কর্মকাণ্ড গোপনে ভিডিও করল গোয়েন্দা দল। এসব ভিডিও মার্কিন আদালতে উপস্থাপন করে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় জিতে যান তার প্রবাসী স্বামী।
তারালিকা লাহিরির সংস্থা এ কাজের জন্য মামলা ভেদে বিভিন্ন রেটে অর্থ নিয়ে থাকে। তবে সাধারণত: বিবাহ পূর্ব তদন্তের জন্য ৫শ ডলার ফি নিয়ে থাকেন। তবে বিবাহ পরবর্তী গোয়েন্দা তৎপরতায় আরো বেশি পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। কেননা তখন অনেক বেশি তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে হয়।
সংসার সুখের হয় গোয়েন্দার গুণে!
তিনি যখন এই পেশায় এসেছিলেন তখন তার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু দিনে দিনে গোয়েন্দা পেশায় তিনি অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেছেন। এছাড়া এখন এ কাজে অনেক আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিতে পারছেন। । যেমন, রাতে ছবি তোলার লেন্সসহ হাই রেজুলেশন ক্যামেরা, গোপন টেপরেকর্ডার যা সহজেই চশমা বা পকেটে রাখা যায়। এছাড়া সঠিক প্রশিক্ষণের কারণে তার কর্মীরা অনেক দক্ষ হয়ে উঠেছেন। তারা এখন ইন্টারনেট থেকে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। তবে এ কাজে সফলতার জন্য যে জিনিসটিকে তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে থাকেন তা হল, কঠোর পরিশ্রম। এই গুণটির কারণেই তিনি আজ এতটা সফল।
বিদ্রোহ আর চুমুর দিব্বি আমি তোমাকেই চাই। ছেলেটা বলেছিল, “”আমার জীবনে তোমার থাকাটা দুর্বিসহ হয়ে উঠছে। `’ কলেজ ফিরতি ট্রামে বসে টেস্টটা টিং-টিং করে উঠতেই সব যেন চুরমার হয়ে গেল। অনেক ভেবেও মেয়েটা এর কোনও উত্তর খুঁজে পেল না। একটা সম্পকের্র ইতি।
বছর ঘুরল। এরপর দু`জনের জীবনে কত মানুষ এল গেল। কিন্তু সময়ের আলেখে দুজনেই কোথায় যেন অনুভব করল, জীবনের মস্ত ভুলটা ঘটিয়ে ফেলেছে। বিনিদ্র রাত, গাঁজা খাওয়া, সবই বাড়তে থাকল। ছেলেটা মোবাইল ঘেঁটে পুরনো নম্বরটা বের করলেও তিন দিন হয়ে গেল একটা হাইব্রিড ল্যাক্সগুয়েজও টাইপ করে উঠতে পারেনি। পাঁচ তলা অফিসের কাঁচের জনলাটা দিয়ে বৃষ্টি নেমে এলেও মেয়েটি এখনও অপেক্ষায়। “”ওতো পারত একবার ঝঙজজণ লিখতে! তাহলেই সব রাগ গলিয়ে দিতাল। “
অনেক পুরনো সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তুলতে হলে যেটা দরকার, সেটা হল খানিকটা সময়। মনোবিদরা বলছেন, ৫টা জিনিস করলে আর দু`পক্ষ নিজেদের গোঁ হাইড্রেনে ভাসিয়ে দিতে পারলেই কিন্তু ভেঙে যাওয়া কাঁচ জোড়া লাগানো সম্ভব।
যোগাযোগ: আরে বাবা, কী হবে না হবে এসব ভুলে একবার ফোনটা করেই দেখুন না। একে অপরের সঙ্গে যতটা বেশি কথা বলবেন, দেখবেন সব সহজ হয়ে যাচ্ছে। অতীতে যে যে কারণে ভাঙন ধরেছিল সেগুলো শুধরাতে কথা বলা সাহায্য করবে। তবে হ্যাঁ, যখন কথা বলবেন নিজের পুষে রাখা রাগগুলো সব ঝেড়ে কাষবেন একে অপরের সামনে। কিন্তু দোষ ধরা যাবে না। আসলে পরিস্থিইতি যাতে আরও ঘেঁটে না যায়, তার জন্যইতো সাহস করে কথা বলে উঠতে পারেননি। তাই নিজের ইগো গুলোকে গোবিন্দপুরে রেখে এসে কথা বলুন দেখা করুন।
সময় দিন: নতুন করে পুরনো সম্পর্ক ফিরে পেতে যেটা দরকার একটু বেশি মনোযোগী হওয়া। সম্পর্কটা নিয়ে। ট্যাগ লাইন হিতে পারে- “সম্পর্ক সারাতে সময়’। পেশাদারিত্ত আর উদাসীনতা দূরে সরিয়ে মন দিন আপনার সঙ্গীর প্রতি। কাজের ফাঁকে এক আধটা এস এম এস। কিংবা হঠাৎ অফিস থেকে ফিরে সিনেমায় চলে যাওয়া। এই সব। বিস্তারে বলার দরকার আছে কী? আপনার সঙ্গীকে ছাড়া যেতে হবে এমন সব সামাজিক অনুষ্ঠান কদিন বাদ দিনতো।
ডেটিং: হ্যাঁ। নতুন করে পকেট হালকা করতে হবে। ডেটিংয়ে যান। একবার যদি বুঝতে পারেন এর ওর পেছনে ছোটার থেকে দু`জনে একসঙ্গে থাকলেই নিরাপদ। তাহলেই দেখবেন ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কার্যকরি হতে পারে ডেটিংয়ে যাওয়া। আপনার শহরের অচেনা জায়গায় ঘুরে আসতে পারেন দু`জনে। না বাড়িতে বসে নেট ঝাপা সিনেমা নয়। যেতে হবে হলে কিংবা ডিনারে। সম্পকের্র একঘেয়েমি কাটাতে এগুলো সাহায্য করবে।
সেক্স: মনবিদরা বলছেন, মনের কথা একন্তা ঘনিষ্ট হওয়া এসব দু`জনের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কে ভাঙন ধরানোর জন্য মূল অভিযুক্ত। তা হলে আর কী, দিন তাঁকে শুলে চড়িয়ে। না না সঙ্গীকে শুলে চড়াতে বলিনি। মনোবিদদের মতে, যত বেশি যৌন সম্পর্ক স্থাপন হবে তত দু`জনের মধ্যে একাত্ততা বাড়বে। যদি সম্পর্ক ফিরে দাঁড় করাতে হয়, তাহলে সময় এবার নিজেদের যৌন জীবন নিয়ে একটু বেশি ভাবার। বৈচিত্র আনতে হবে যৌনতাতেও।
শোনার ধৈর্য্য তৈরি করুন: একতরফা বকবক নয়। এবার একটু শোনার মানসিকতা তৈরি করুন। আপনি যদি চান আপনাকে সে গুরুত্ব দিক, তাহলে প্রয়োজন আপনারও তাঁকে একটু বেশি গুরুত্ব দেওয়া। আপনার একতরফা বয়ান বার্তা শুরু করার আগে প্রয়োজন সে কী বলতে চায় সেটা শোনার। ও একটু বোঝার। তার কী মত সেটা না জেনেই একতরফা ফয়সালা শোনানোর গোঁ থাকলে ত্যাগ করতে হবে সেটাকেও। আপনার মনের যে সব কৌতুহল, সময় দিলে দেখবেন আপনার সঙ্গী ধীরে ধীরে তার উত্তর দিতে শুরু করেছে।
বিনোদন ডেস্ক : বিতর্কিত অভিনেত্রী প্রভাকে নিয়ে নাটকপাড়ায় প্রচলিত একটি প্রবাদ নিয়মিত উচ্চারণ হচ্ছে। প্রবাদটি হচ্ছে- ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না’। তাকে নিয়ে প্রবাদটি চর্চার কারণ, প্রভা আগের মতোই আছেন। ভুল থেকে তিনি কোনো শিক্ষা নেননি। নতুন নতুন প্রেমের সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তিনি। বর্তমানে অভিনেতা শ্যামল মাওলার সঙ্গে তিনি চুটিয়ে প্রেম করছেন বলে ফিসফাসফিস চলছে নাটকপাড়ায়। যদিও দুজনেই বিষয়টিকে হেসে উড়িয়ে দেন। কেউ জানতে চাইলে তারকাদের সেই পুরনো কৌশল ‘আমরা ভালো বন্ধু’ বলে চালিয়ে দেন। কিন্তু সূত্রের দাবি, প্রেমের গভীরতা অনেক। তবে সূত্র এটাও বলছে, প্রভা তো কখনো এক প্রেমে স্থির থাকে না। তাই পুরনো প্রেম ভেঙে নতুন প্রেম গড়তে পারে যে কোনো সময়ই। প্রভার নগ্ন ভিডিওর ঘটনা এখনো মানুষের মনে গেঁথে আছে। ঘটনাটি খুব একটা পুরনো হয়নি। নগ্ন ভিডিও প্রকাশের পর প্রভা স্বীকার করেছিলেন, এটা তার জীবনের বড় একটি ভুল। তিনি ভুল শুধরে সারাজীবন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চান। প্রভার অসহায়ত্ব দেখে তখন তার স্বজন-সহকর্মীরা এগিয়ে আসেন। সবাই তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সাহায্য করেন। প্রভাও চেষ্টা করেন সব ভুলে এগিয়ে যেতে। বিয়েও করেন। বিয়ের পরপরই প্রভা মনোযোগ দিয়ে সংসার করার ঘোষণা দেন। সুযোগ পেলে দু-একটা নাটকে অভিনয় করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের সেই নিকট অতীত প্রভা নিজেই ভুলে বসেছেন। সংসারকে দূরে ঠেলে তিনি আবার মরিয়া হয়ে উঠেছেন ব্যস্ত অভিনেত্রী হওয়ার জন্য। নাটক তো বটেই, চলচ্চিত্রেও নাম লেখানোর জন্য বিভিন্ন প্রযোজকের অফিসে ধরনা দিচ্ছেন। টার্গেট একটাই- যে কোনো কিছুর বিনিময়ে শীর্ষ নায়িকা হওয়া। আর তাই তার সংসার এখন ঢিলেঢালা। জানা গেছে, প্রভার সঙ্গে তার স্বামীর বনিবনা হচ্ছে না। স্বামীর সঙ্গে তৈরি হয়েছে দূরত্ব। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিনোদন ডেস্ক
আজব এক ঘটনা । মৃত মানুষের উপস্থিতি নাকি টের পান হলিউডি অভিনেত্রী কেট হাডসন। তিনি এবং তার মা মৃত ব্যক্তির উপস্থিতি টের পান বলে তিনি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে গিয়ে এমনটিই বললেন তিনি। শুধু তাই নয় একবার তিনি মাথাহীন মেয়ে ভূত দেখে নাকি ভয় পেয়েছিলেন।
টিভি অনুষ্ঠানে কেট বলেন, ‘আমি এবং আমার মা গোল্ডি মৃতদের দেখতে পাই। এটা অবশ্য দেখা নয়, অশীরীরীদের অনুভব করা। আমি এটা বিশ্বাস করি।’
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, ‘ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সরকার সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী করেছে। এর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত সরকার রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।’
রোববার সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের সামনে আইনজীবীদের বিক্ষোভ ও কালো পতাকা মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করার দাবিতে বার কাউন্সিল ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন এ বিক্ষোভ ও কালো পতাকা মিছিলের আয়োজন করে।
মাহবুব উদ্দিন খোকন আগামীকাল সোমবার সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল চেয়ে বিএনপির ডাকা হরতালে সমর্থন জানাতে দেশের সকল আইনজীবীকে আদালত বর্জনের আহ্বান জানান।
বার কাউন্সিলের আরেক সদস্য ও ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সানা উল্লাহ মিয়া বলেন, ‘সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদ সদস্যদের হাতে দিয়ে শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন, তিনি তার বাবার করা আইনও মানেন না ।
তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান বিচারপতিদের অভিসংশনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দিয়েছিলেন। আর শেখ হাসিনা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বাতিল করে সংসদের হাতে ক্ষমতা দিয়েছেন।’
সুপ্রিম কোর্ট বারের সহ-সভাপতি এম খালেদ আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট জাকির ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, অ্যাডভোকেট এম খালেদ আহমেদ, অ্যাডভোকেট রকিব রব চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান প্রমুখ।