March 10, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : বন্যা কবলিত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত ১২ হাজার মেট্রিকটন চাল, তিন কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সরবরাহ করা হয়েছে ৫০ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার।
এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি নির্মাণে তিন হাজার বান্ডিল ঢেউটিন ও ৯০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এ তথ্য জানান।
এ সময় তিনি বন্যার্তদের ঋণের কিস্তি আদায় না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন। মায়া বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিগ্রস্তদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসে মন্ত্রী জানান, উত্তরে পানি কমতে শুরু করেছে, তবে এই পানি এসে দেশের মধ্যাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে বন্যা ও নদী ভাঙন সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য সরকারের যাবতীয় প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ভান্ডার খালি নেই, যখন যা চাইবেন তার চেয়ে বেশি পাবেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ডিমলা উপজেলার ডালিয়া আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সচিব শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রিয়াজ আহমেদ, নীলফামারী- ১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-৩ (জলঢাকা-কিশোরীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, ডিমলা উপজেলা চেয়ারম্যান তবিবুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম প্রমুখ।
এসময় মন্ত্রী বলেন, এখন বন্যার পানি নেমে গেছে, বন্যাকবলিত ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ মানুষ ঘরে ফিরেছে, তাদের গৃহ নির্মাণ ও খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আগামী আরও এক থেকে দেড় মাস তাদের খাওয়ার ব্যবস্থা আমরা করবো।
মন্ত্রী আরো বলেন, বন্যা মোকাবেলায় আমাদের বাঁধ রক্ষা করতে হবে, বাধ রক্ষা করা গেলে আমরা রক্ষা পাব, এ কারণে বাধ সুরক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
এসময় মন্ত্রী টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্থ তিস্তা নদীর ওপর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধটি সংস্কারে জন্য ১০০ মেট্রিক টন চাল, একটি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ এবং বন্যা উপদ্রুতদের জরুরী প্রয়োজনে ইঞ্জিন চালিত নৌকার জন্য পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দের ঘোষনা দেন। সেখানে মন্ত্রী ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ দুই হাজার ৭শ ২৫টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
উপস্থিত জনগণের উদ্যেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ১২ হাজার মেগাওয়াড বিদ্যুৎ শেখ হাসিনার জন্য পেয়েছেন আপনারা, না হলে মোমবাতিও পেতেন না, আওয়ামী লীগের কারণে দেশ আজ এখানে এসেছে, তাই নৌকায় ভোট দিলে পেট শান্তিতে থাকবে, দেশের উন্নতি হবে।
জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান বলেন, মন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে পাঁচ কেজি করে চাল, এক কেজি করে ডাল, চিনি, লবন, চিড়া, আধা কেজি মুড়ি, এক লিটার সোয়াবিন তেল, এক ডজন করে মোমবাতি ও দিয়াশলাই বিতরণ করেছেন।এদিকে বিকাল ৪টায় নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নীলফামারী জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বুধবার বিকেলে রাজশাহী মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
আনিসুল হক বলেন, তারেক রহমান ফেরারি আসামি। তাই ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বহুল বিতর্কিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধারায় যেসব অপরাধকে সংযুক্ত করা হয়েছে, সেসব অপরাধই। তবে সে ধারায় কোনো নাগরিক যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ৫৭ ধারা এখন যে রূপে আছে, নতুন ডিজিটাল সুরক্ষা আইনে সেভাবে থাকবে না।’
আনিসুল হক বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ নিয়ে বিচার বিভাগের সঙ্গে সংসদ ও নির্বাহী বিভাগের দ্বিমতের ফলে দূরত্ব সৃষ্টি হয়নি। এই দ্বিমতের ফলে যে আলোচনা চলছে তা গণতন্ত্রকে আরো সুদৃঢ় করবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, আয়েন উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, আবদুল ওয়াদুদ দারা ও বেগম আক্তার জাহান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে রাজশাহীর বিভিন্ন আদালতের বিচারক, আইনজীবী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ মুহম্মদ মাহবুব-উল-হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আল-আসাদ মো. আসিফুজ্জামান। নতুন ভবনের ফলক উন্মোচন করে আইনমন্ত্রী বেলুন উড়িয়ে ভবনটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী রাজশাহীর আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আটতলার নতুন আদালত ভবনে ১০টি এজলাস বসানো হয়েছে বলে জানান রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আমান উল্লাহ। তিনি বলেন, ২০১২ সালে রাজশাহী মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে ২০১৪ সালের শেষে আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের কাছে ভবনটি হস্তান্তরের কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় ভবনটির কাজ শেষ হতে সময় লেগেছে পাঁচ বছর। বর্তমানে ভবনটিতে বিচার কার্যক্রম শুরু করার উপযোগী সব সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আমান উল্লাহ আরো বলেন, ভবনটির ভিত্তি কাঠামো ১২ তলার। প্রথম পর্যায়ে আটতলার নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ভবনের মোট আয়তন ৯৮ হাজার ৯৮৩ বর্গফুট। নিচতলায় চার হাজার বর্গফুটের পার্কিং সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া থাকছে অত্যাধুনিক লিফট ব্যবস্থা। মালখানার আয়তন দুই হাজার ২৪০ বর্গফুট। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে পুরুষ ও নারী হাজতখানা। একই তলায় রয়েছে নেজারত শাখা। তৃতীয় তলায় মুখ্য বিচারিক হাকিমের এজলাস ও অফিস। এই তলাতে রয়েছে দুই হাজার ৫০ বর্গফুটের রেকর্ডরুম। চতুর্থ থেকে অষ্টম তলা পর্যন্ত বিভিন্ন আদালতের এজলাসসহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। চতুর্থ তলায় করা হয়েছে এক হাজার বর্গফুটের সম্মেলন কক্ষ। বিদ্যুৎ সুবিধার জন্য ৫০০ কেভিএ ক্ষমতার একটি সাব-স্টেশনও বসানো হয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধার জন্য ১০০ কেভিএ ক্ষমতার একটি জেনারেটরও বসানো হয়েছে।
রাজশাহীর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ইব্রাহিম হোসেন জানান, এজলাস সংকটের কারণে এতদিন রাজশাহী মুখ্য বিচারিক হাকিমের আওতাধীন এজলাসগুলো শিফট আকারে পরিচালিত হয়ে আসছিল। নতুন আদালত ভবন হওয়ায় এই সংকট নিরসন হলো। ফলে সার্বিক বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় অনেক সুবিধা পাবেন আদালতে আগতরা। এতে মামলার বিচারকাজেও গতি আসবে বলে জানান তিনি।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, দেশের ৬৪ জেলায় মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবন নির্মাণে ২০০৯ সালে একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১৩টি জেলায় আদালত ভবন নির্মাণ শেষ হয়ে বিচারকাজ চলছে। একই প্রকল্পের আওতায় ১০টি জেলায় নির্মিত আদালত ভবন হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে। এ ছাড়া আট জেলায় নির্মাণকাজ অব্যাহত রয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে ৬৪ জেলায় এসব আদালত ভবন নির্মাণ শেষ হবে বলে জানান তিনি।
ডেস্ক রিপোর্ট : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক বলেছেন, আগামী অর্থবছরে ব্যাপক পরিসরে ৪২ লাখ মেট্রিক টনের ওপরে মাছ উৎপাদন করে দেশ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৭ শুরু উপলক্ষে মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৮ দশমিক ৭৮ লাখ টন মাছ উৎপাদন করেছে। আমরা আশা করছি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ দশমিক ৫০ লাখ টনে উন্নীত হবে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। সপ্তাহটি পালন উপলক্ষে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে ও সারাদেশব্যপী মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন,বাংলাদেশ অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন এবং গণভবনের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আগামী ২৪ জুলাই বঙ্গভবনের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।
ডেস্ক রিপোর্ট : ব্রিটেনে মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীর তালিকায় বঙ্গবন্ধুর খুনি চৌধুরী মুঈনুদ্দিনের নাম প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংগঠন (ইন্টারপোল)। মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনি। এই তালিকায় চৌধুরী মুঈনুদ্দিন ছাড়াও আরও ২৪ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। গ
তকাল মঙ্গলবার ইন্টারপোলের বরাত দিয়ে ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম মিরর অনলাইন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ১৯৭১ সালে চৌধুরী মুঈনুদ্দিনের সংঘটিত অপরাধের বর্ণনাও দেওয়া হয়েছে ইন্টারপোলের তালিকায়।
এতে বলা হয়, ৬৭ বছর বয়সী চৌধুরী মুঈনুদ্দিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সাংবাদিক, শিক্ষক এবং চিকিৎসক হত্যার অভিযোগে দণ্ডিত একজন অপরাধী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যুদ্ধপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃতু্দণ্ড দেয়। লন্ডনে বসবাসরত চৌধুরী মঈন উদ্দিন বিচার চলাকালে আদালতে হাজিরা দেননি এবং সব সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন।
বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া ও ভারত নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য খুঁজছে এমন ব্যক্তিও রয়েছেন এই ২৫ ব্রিটিশ অপরাধীর মধ্যে। ছবিসহ প্রকাশিত এই অপরাধী তালিকায় প্রত্যেকের অপরাধের কথাও বর্ণনা করা হয়েছে। এই তালিকায় তিনজন নারীও রয়েছেন। এদিকে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত চৌধুরী মুঈনুদ্দিনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকরের দাবি জানিয়ে আসছেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।
সূত্র জনকন্ঠ।
মঙ্গলবার রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার পুকুড়িয়া বাজারে অগ্মিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন জেলা ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার সাইফুল ইসলাম।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই ২৪টি দোকান পুড়ে যায়।
“প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।”
তবে কোন দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় সে বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা কিছু বলতে পারেননি।
ডেস্ক রিপোর্ট : পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহামুদ বলেছেন, ‘নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে স্থায়ী ঠিকানা দেওয়া হবে। এখন আর কোনও মানুষকে গৃহহারা হতে হবে না। ভোলায় নদী ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভাঙন রোধে ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’
মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ভেলা সদরের ইলিশা-রাজাপুর রক্ষা প্রকল্প কাজ পরিদর্শনের সময় আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী মেঘনা, এ নদীর ভাঙন প্রবণতা বেশি। আমরা এ নদী শাসনের জন্য কাজ করছি। কারণ বর্তমান সরকারের সামর্থ্য রয়েছে। এদেশ এখন আর গরিব দেশ হিসেবে পরিচিত নয়।
ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সরোয়ার মাস্টারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম বীরবিক্রম।
সভা শেষে মন্ত্রী নৌযান যোগে ইলিশা হয়ে রাজাপুর পর্যন্ত নদী ভাঙন রোধের কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে ম
ন্ত্রী ভোলার দৌলতখান উপজেলার মেঘনার ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় যোগদানের কথা রয়েছে মন্ত্রীর।
ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী ২৪ জুলাই এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিমান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হজ যাত্রী পরিবহন বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিমান মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম ফারুক, ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বিএইচ হারুন, ধর্মমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং হজ এজেন্সি অব বাংলাদেশ (হাব)-এর নেতারা।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এ বছর মোট এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন যাত্রী হজ করতে যাবেন। তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ সৌদি এয়ারলাইন্সে এবং বাকি যাত্রী বাংলাদেশ বিমানে যাবেন। আগামী ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হজ ক্যাম্পের উদ্বোধন করবেন। ২৪ জুলাই সকালে প্রথম হজ ফ্লাইট জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবে এবং ২৬ জুলাই সর্বশেষ হজ ফ্লাইট ঢাকা ছাড়বে। এবছর মোট ১৭৭টি ফ্লাইট হজ যাত্রীদের বহন করবে। এর মধ্যে ডেডিকেটেড ফ্লাইট ১৪৪টি এবং শিডিউল ফ্লাইট ৩৩টি। হজ পালন শেষে জেদ্দা থেকে প্রথম ফ্লাইট ৬ সেপ্টেম্বর এবং সর্বশেষ হজ ফ্লাইট ৫ অক্টোবর বাংলাদেশে আসবে। হজ যাত্রীদের নিয়ে ১৬৯টি ফ্লাইট ঢাকায় আসবে। এর মধ্যে ডেডিকেটেড ফ্লাইট ১৩৯টি এবং শিডিউল ফ্লাইট ৩৩টি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবারের বাজেটে এক্সিট ডিউটি ও আইও ট্রাক্স বাড়ানোয় ভাড়া গত বছরের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। তবে যমযম কূপের পানি পরিবহনের জন্য বিমান কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে। টোকেনের মাধ্যমে হাজিরা এ পানি সংগ্রহ করতে পারবেন। আর সিট চেকিং বাবদ এজেন্সিগুলো যে ফি নিয়েছে, তা ফেরত দেওয়া হবে। কারণ এবছর সিট চেকিং হবে না।’
বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমান যেন খালি না যায়, সেজন্য এ বছর ৫০ শতাংশ ভাড়া অগ্রিম নেওয়া হচ্ছে। এবার বিমানও বোডিং পাস দেবে। আর চারটি বিশেষ ফ্লাইট মদিনার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে ‘
তিনি আরও বলেন, ‘টিকিট নিয়ে হাব এবং অ্যাটাব যদি কোনও সিন্ডিকেট করে এবং তা যদি প্রমাণিত হয়, তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ট্রলি ব্যাগ ক্রয় বাবদ কোনও প্রকার দরপত্র আহ্বান ছাড়া হাব নেতাদের কাছে ১০ কোটি টাকা হস্তান্তর করেছে ধর্মমন্ত্রণালয়। এটি কোনও বিধানে করা হয়েছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এটি আমার বিষয় না, এটি ধর্মমন্ত্রণালয়ের বিষয়।’
তবে ধর্মমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বিএইচ হারুন বলেন, ‘বুধবার ধর্মমন্ত্রণালয়ে এ সম্পর্কিত একটি সভা আছে। সেখানে এর জবাব দেওয়া হবে।’
ডেস্ক রিপোর্ট : মাওয়া প্রান্তে পাইলিংয়ের জটিলতা কাটাতে পদ্মা সেতুর নকশায় আনা হচ্ছে পরিবর্তন। পাইলের দৈর্ঘ্য কমিয়ে সংখ্যা বাড়ানোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এখন।
এতে প্রকল্পের মেয়াদ ছয় মাস বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন পদ্মাসেতু বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান জামিলুর রেজা চৌধুরী। সংশোধিত কর্মপরিকল্পনার কথা স্বীকার করছে সেতু কর্তৃপক্ষও।
আমাজনের পর বিশ্বের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী পদ্মা। প্রতি বর্ষায় পলি জমে বদলাচ্ছে এর গতি-প্রকৃতি। নদীর তলদেশে দেখা দিচ্ছে পরিবর্তন। মাটির ধরন ও স্রোত বিবেচনায় শুরুতে পাইলের গভীরতা ১২২ মিটার ঠিক করা হয়েছিল।
কিন্তু মাওয়া পাড়ে মাটির স্তরে পরিবর্তনে বালুর জায়গায় মিলছে কাঁদামাটি। তাই মাওয়ায় পাইলের গভীরতা কমিয়ে সংখ্যা বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।
দেড় বছরে সোয়া ৬ কিলোমিটার দ্বিতল সেতু তৈরিতে পদ্মার দু’পাড়ে এখন বিশাল কর্মযজ্ঞ। ১০ হাজার বিদেশিসহ অসংখ্য শ্রমিক কাজ করছেন দিনরাত। তবে এরপরেও নির্ধারিত পরিকল্পনা থেকে ১০ ভাগ পিছিয়ে প্রকল্পের কাজ।
পদ্মার এ গতি-প্রকৃতি চীনা ঠিকাদারের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা। তাই আনা হয়েছে জার্মান বিশেষজ্ঞ। তবে এরপরেও প্রকল্পের মেয়াদ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান। তবে এখনো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক।
অবশ্য তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ১শ বছর দীর্ঘস্থায়ী সেতুর গুণগত মানে কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।-তথ্যসূত্র : ইনডিপেনডেন্ট টিভি
ডেস্ক রিপোর্ট : কেন্দ্র থেকে এখন আর কোনও প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে না। স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে প্রকল্প প্রণয়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে স্থানীয় সরকারের চাহিদাকে। প্রকল্প তৈরির পর পাঠাতে হবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে। একনেকে অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এবং চট্টগ্রামের এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্দেশনায় বলেন, ‘স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে প্রকল্প তৈরি করে পাঠাতে হবে।’
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা তাদের নির্বাচনি এলাকায় অনেক প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে জমা দিচ্ছেন। এসব প্রকল্প একনেকেও অনুমোদন করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এসব প্রকল্পের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এসব প্রকল্পের কোনও সুফল জনগণ পাচ্ছে না। শুধু তাই নয়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে দেখা গেছে—যেকোনও এক রাস্তার মাঝখানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে, অথচ এর সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি জনসাধারণের কোনও কাজে আসছে না। বছরের পর বছর ওই সেতুটি সংযোগ সড়কবিহীন অবস্থায় ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে। এক সময় অবহেলা ও অব্যবস্থাপনায় তা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি বরাদ্দের অর্থ অপচয় ছাড়া আর কিছুই হয় না।
পরিকল্পনা বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানান, অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সেতুর প্রয়োজনই নেই যে এলাকায়, সেই এলাকার স্থানীয় এমপি বা মন্ত্রীরা ব্যক্তিগত আগ্রহে এ ধরনের প্রকল্পে অনুমোদন নিচ্ছেন। এসব প্রকল্প সম্পর্কে ওই এমপি বা মন্ত্রীর নির্বাচনি এলাকার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ বা জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষও কিছু জানেন না।
এছাড়া কোনও এলাকায় একটি নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু রাস্তার মাঝখানে একটি খালের ওপর সেতু নির্মাণের কোনও প্রকল্প নেই। এতে নির্মিত রাস্তাটি ব্যবহার হচ্ছে না। কোনও এলাকায় সেতু থাকলেও তার ১০০ গজ দূরেই হয়তো আরেকটি সেতু নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বড় কোনও নেতার আগ্রহে এসব প্রকল্প তৈরি করা হয়। কখনও এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হয়তো এমপি বা স্থানীয় অন্য কোনও নেতার।
পরিকল্পনা বিভাগের এসব কর্মকর্তা মনে করেন, আর্থিক সুবিধা পেতেই স্থানীয় সংসদ সদস্য বা নেতারা নিজেদের ইচ্ছেমতো এ ধরনের প্রকল্প তৈরি করছেন। আশ্চর্যের বিষয়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ বা জেলা পরিষদ কর্মকর্তারাও এসব প্রকল্পের বিষয়ে জানেন না।
এ ধরনের জটিলতা এড়াতেই এ ধরনের প্রকল্প তৈরির সময় স্থানীয় চাহিদার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা সম্বলিত প্রকল্প না হলে সেসব প্রকল্প একনেকে উত্থাপন না করারও সিদ্ধান্তও নিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক একনেক সভায় বলেছেন, ‘স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে তৈরি না হলে কোনও প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না। কমিশন দেওয়া নেওয়ার উদ্দেশ্যে কোনও প্রকল্প নয়। একইসঙ্গে প্রকল্প অনুমোদন হবে সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না বা জনগণের কল্যাণে আসবে না। এমন ঘটনা সহ্য করা হবে না।’ জনসাধারণের প্রয়োজনে আসবে এমন প্রকল্প কেউ পাঠালে তা একনেকে অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব আমার বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ কাকে দেবো, কাকে দেবো না; কে কাজ পেলো আর কে কাজ পেলো না; কাজের বিপরীতে কমিশন কে কতো পেলো, আর কে পেলো না…এ সমস্ত অনিয়ম দুর্নীতি আমার সময়ে চলবে না।’
প্রধানমন্ত্রী ওই সময় আরও বলেন, ‘অনেক কাজ আছে যা স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশনের করার কথা। কিন্তু প্রকল্প তৈরি হচ্ছে না। সে কারণে ২০১৫ সালে আমি বলে যাওয়ার পরেও ২০১৭ সালে ওই প্রকল্প তৈরি হয়নি।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘জটিলতা এড়াতেই স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প তৈরি, অনুমোদন এবং প্রকল্পের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ভিত্তিতে প্রকল্প তৈরি না হলে, অনেক প্রকল্প অপ্রয়োজনীয় হওয়া সত্বেও তা অনুমোদন হচ্ছে। পরে তা জনসাধারণের কাজে আসেনি।
সূত্র : বাংরাট্রিবিউন।