পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

তরুণদের পর্নোগ্রাফি আসক্ত যৌনজীবন প্রভাবিত হয়

15তরুণদের পর্নোগ্রাফি আসক্ত যৌনজীবন প্রভাবিত হয় ইন্টারনেটের প্রভাবে বর্তমানে পর্নোগ্রাফি তরুণদের কাছে আগের তুলনায় অনেক সহজলভ্য হয়ে গেছে। আগের মতো তা বিরল বিষয় আর নেই। আর তা তরুণদের মানসিকতাকে প্রভাবিত করছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টেলিগ্রাফ। গবেষণায় দেখা গেছে, অনেকে ১১ বছর বয়স থেকেই পর্নোগ্রাফিতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ফলে পর্নোগ্রাফি সহজলভ্য হওয়ার আগে তরুণরা যেমন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করত এখন তার ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। অনেকেই অনলাইনে ছবি ও ভিডিও দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। এবং তাতেই আকর্ষণবোধ করে। ফলে বাস্তবে সত্যিকার নারীদের প্রতি আকর্ষণবোধ সেভাবে থাকে না।গবেষকরা জানিয়েছেন, কম্পিউটার বা বিভিন্ন ডিভাইসের এ ভিডিও কিংবা ছবির মাধ্যমে যৌনতায় অভ্যস্ত হওয়ায় তা তাদের মস্তিষ্কে প্রভাব বিস্তার করে। ফলে প্রভাবিত হয় তাদের বাস্তব জীবনে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও। সাইকোথেরাপিস্ট ও যৌন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ পউলা হল বলেন, তিনি বেশ কিছু তরুণের দেখা পেয়েছেন, যারা অনলাইন থেকেই খুঁজে নিয়েছে যৌনতা। ফলে তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০-এর মধ্যে থাকলেও কখনো বাস্তব জীবনে যৌনতার অভিজ্ঞতা পায়নি। এমনকি তারা এটি করার উপায়ও জানে না। পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত এমন তরুণদের আসক্তি জীবনের শুরুতে হলেও জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা যায়। এতে যৌনজীবনে স্খলনজনিত জটিলতাসহ সম্পর্ক স্থাপনেও জটিলতা দেখা যায় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on তরুণদের পর্নোগ্রাফি আসক্ত যৌনজীবন প্রভাবিত হয়

মানবদেহে প্রথম প্রয়োগ হয়েছিল ভেড়ার রক্ত

blood1434344248ফিচার ডেস্ক : মানবদেহে প্রথম রক্তদানের সফল প্রয়োগ ঘটানো হয়েছিল ভেড়ার রক্ত দিয়ে। আর তা করেছিলেন ফরাসি বিজ্ঞানী ডাঃ জ্যঁ ব্যাপ্তিস্তে ডেনিস। ১৬৬৭সালে তিনি এক আহত কিশোরের দেহে ১২ আউন্স ভেড়ার রক্ত দিয়ে রক্তদানের সফল সূচনা ঘটান।
সালেই ফ্রান্সে মানবদেহে প্রাণীর রক্ত প্রয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক কার্ল ল্যান্ডস্টেনার রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করার পর ১৯০২ সালে রক্তদান নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অবশ্য রক্ত নিয়ে বিজ্ঞানিদের চিন্তাভাবনা শুরু আরো অনেক আগে। ১৬১৬ সালে ইংরেজ চিকিৎসক ডা. উইলিয়াম হার্ভের গবেষণার মাধ্যমে মানুষ প্রথম জানতে পারে যে, মানবদেহের অভ্যন্তরে রক্ত প্রবাহিত হয়। ১৬৫৭ সালে উইলিয়াম হার্ভে আবিষ্কৃত যন্ত্র ব্যবহার করে জন্তুর দেহে ইনজেকশনের মাধ্যমে তরল পদার্থ প্রবেশ করান স্যার ক্রিস্টোফার রেন।
১৬৬৬ সালে ডা. রিচার্ড লোয়ার সফলভাবে প্রথমবারের মতো একটি কুকুরের দেহ থেকে আরেকটি কুকুরের দেহে রক্ত সঞ্চালনের পরীক্ষা চালান। অবশ্য এর পরে পশুর দেহ থেকে মানবদেহে রক্ত পরিসঞ্চালন করতে গিয়ে চিকিৎসকদের হাতে প্রাণ হারান অনেক মানুষ। ১৬৭৮ সালে রক্ত পরিসঞ্চালনের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেন পোপ।
১৮১৮ সালে ডা. জেমস ব্লান্ডেল নামে একজন ইংরেজ ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ রক্ত পরিসঞ্চালনের জন্যে একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা দিয়ে সফলভাবে একজন সুস্থ মানুষের দেহ থেকে আরেকজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের দেহে রক্ত পরিসঞ্চালন করে তাকে বাঁচিয়ে তোলা হয়। তিনিই প্রথম বলেন যে, একজন মানুষের শরীরে কেবল আরেকজন মানুষের রক্তই দেয়া যাবে।
১৯০১ সালে ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেনার দেখান, মানুষের রক্তের প্রধানত ৪ টি গ্রুপ রয়েছে, অ, ই, অই এবং ঙ. প্রথমবারের মতো মানুষ বুঝলো যে, এতো ধরে তাদের ভুলটা ঠিক কোথায় হচ্ছিলো। এরপর ১৯০২ সালে রক্তদান নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়
১৯১৪-১৯১৮ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এ সময়টায় যুদ্ধাহত হাজার হাজার মানুষকে বাঁচাতে অনেক রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো। আর তখনই মানুষ আবিষ্কার করলো দুটো বিষয়। এক. রক্তদাতার শরীর থেকে বের করে নেওয়ার পর ঐ রক্তকে জমাট বাঁধার হাত থেকে রক্ষা করা যায় যদি তাতে সোডিয়াম সাইট্রেট মেশানো হয়। দুই. অন্য আরও অনেক জিনিসের মতো রক্তকেও ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করা যায়।
১৯১৬ সালে প্রথমবারের মতো সফলভাবে সংরক্ষিত রক্তকে আরেকজনের দেহে প্রবেশ করানো হয়। এই ধারণা থেকেই ফ্রান্সে বিশ্বের প্রথম ব্লাড ব্যাংকের সূচনা করেন একজন আমেরিকান সেনা কর্মকর্তা ও মেডিকেল গবেষক অসওয়াল্ড হোপ রবার্টসন।
১৯২১ সালে লন্ডনের কিংস কলেজ হাসপাতালে বৃটিশ রেডক্রসের সদস্যরা সবাই একযোগে রক্ত দেন। সূচিত হয় বিশ্বের প্রথম স্বেচ্ছা রক্তদানের দৃষ্টান্ত। ১৯২৫ সালে রক্ত পরিসঞ্চালন নিয়ে গবেষণার জন্যে মস্কোতে ড. আলেক্সান্ডার বগদানভের নেতৃত্বে একটি ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৩৭ সালে আমেরিকার শিকাগোর কুক কাউন্টি হাসপাতালে বিশ্বের প্রথম ব্লাড ব্যাংক স্থাপিত হয়।
বাংলাদেশে স্বেচ্ছা রক্তদানের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৭২ সালে। দেশের প্রবীণ রক্তসঞ্চালনবিদ প্রফেসর ডা. মুজিবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ১৯৭২ সালের ১০ জুন জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম নিজ রক্তদানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের সূচনা করেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ রেডক্রস (পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি) শুরু করে তার ব্লাড ব্যাংক কার্যক্রম।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on মানবদেহে প্রথম প্রয়োগ হয়েছিল ভেড়ার রক্ত

আধ মিনিটে কমান সাইনাসের সমস্যা

image_129517_0ফিচার ডেস্ক : সাইনাসের সমস্যা যাদের রয়েছে তারা অবশ্যই জানবেন, যে একবার এর যন্ত্রণা শুরু হলে সেটা সহ্য করা এক কথায় অসম্ভব। বহু মানুষ সাইনাসে দিনের পর দিন কষ্ট পাচ্ছেন। বিশেষত, যাদের অ্যালার্জি রয়েছে। অনেক কিছুই চেষ্টা করেছেন। এক বার এই ৩০ সেকেন্ডের টোটকা ট্রাই করে দেখুন। উপকার পাবেন।
যা করতে হবে:
১. জিভের ডগা দিয়ে মুখের তালুতে চাপ দিন। এক কথায় উপরের দিকে ঠেলুন। তবে খুব বেশি জোরে ঠেলার চেষ্টা করবেন না।
২. হাতের বুড়ো আঙুল দুই ভ্রু-র মাঝে রাখুন।
৩. হাল্কা হাল্কা করে চাপ দিয়ে নাকের দিকে নামান। খুব জোরে চাপ দেবেন না। ৩০ সেকেন্ড ধরে এটা করে যান।
এটা করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে দেখবেন নাক খুলে গিয়েছে। নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে না। আসলে নাকের উপরের দিকে থাকা ভোমার হাড় এতে নড়াচড়া করে। তাতে সাইনাসে জমে থাকা শ্লেষ্মা নীচের দিকে নেমে আসে। এর সঙ্গে রোজকার খাবারের তালিকায় একটু রসুন এবং প্রচুন পানি খান। এতেও বেশ উপকার পাবেন।– ওয়েবসাইট।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on আধ মিনিটে কমান সাইনাসের সমস্যা

ঘামাচি দূর করার সহজ উপায়

ghamasiঅনলাইন ডেস্ক: চলছে গ্রীষ্মের মৌসুম। নিয়ম অনুযায়ী ঘরে-বাইরে খুবই গরম। এই গরমের দিনে যে বিষয়টি মানুষকে অস্বস্তিতে ফেলে তার একটি হলো ঘামাচি। দেহের ঘর্মগ্রন্থিগুলোর মুখ যখন ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ার আটকে যায়। ঘাম বের হতে না পেরে চামড়াতে আটকে গিয়ে ঘামাচি হয়। এরফলে চুলকানি, যা থেকে নানা রকম সংক্রমণ। চুলকাতে গিয়ে অনেক সময় চামড়ায় ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে চামড়ার ওপর কালো দাগও হতে পারে। অথচ এই যন্ত্রণা চিরতরে দূর করতে অবলম্বন করতে পারেন যেকোনো একটি উপায়।
নিম পাতা: ঘামাচি দূর করা এক ভালো উপায় হলো নিমপাতা বেটে শরীরে লাগানো। এরপর শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করতে হবে। নিমপাতার এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীর থেকে ঘামাচির জীবানু দূর করতে সহায়তা করে। এজন্য আপনি গরমের পুরো মৌসুম ঘামাচি মুক্ত থাকতে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার নিম পাতা ব্যবহার করতে পারেন।

এলোভেরা: এলোভেরার জেল বের করে ঘামাচি সংক্রমণ জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। এরপর শুকোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিন। ঘামাচি দূর হবে দ্রুত।
মুলতানি মাটি: ঘামাচি দূর করতে মুলতানি মাটিও খুব উপকারী। ৪ থেকে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ গোলাপজল ও পরিমান মতো পানি দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় পেস্টটি লাগিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন সব ঘামাচি দূর হয়ে গেছে।

লেবুর রস: যদি সহজভাবে ঘামাচি দূর করতে চান তাহলে প্রতিদিন একটু বেশি করে লেবু মিশিয়ে ২ থেকে ৩ গ্লাস শরবত পান করুন। কারণ ঘামাচি নিরাময়ে লেবুর শরবত খুবই কাজ করবে।

বরফ: ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় খুব ভালোভাবে বরফ ঘষে নিন। দিনে দু থেকে তিন বার বরফ ঘষলে ঘামাচি দূর হবে সহজেই।
বেকিং সোডা: এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিন। একটি পরিস্কার কাপড় এতে ভিজিয়ে নিংড়ে ঘামাচি আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে। উপকার পাবেন সহজেই।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ঘামাচি দূর করার সহজ উপায়

বৃষ্টির দিনে সঙ্গে রাখুন ৫টি প্রয়োজনীয় জিনিস

1433930263অনলাইন ডেস্ক: এখানো বর্ষাকাল শুরু হয়নি। তবে তার আগেই শুরু হয়ে গেছে ঘন ঘন ভারি বর্ষণ। এমন দিনে ঘরে বসে খেতে ও ঘুমাতে অনেকের ভীষণ পছন্দ। কিন্তু ইচ্ছে হলেও অফিস আর ক্লাসকে অবজ্ঞা করার উপায় নেই। বাইরে যেতেই হবে, আর সেজন্যেই নিতে হবে বাড়তি কিছু সতর্কতা। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে, অথচ আপনাকে যেতেই হবে বাইরে? ব্যাগে মনে করে নিয়ে নিন কয়েকটি জিনিস। তাহলে বর্ষার সমস্যার হাত থেকে কিছুটা হলেও আপনি রেহায় পাবে।
পলিথিনঃ আপনার ব্যাগ যদি ওয়াটার প্রুফ না হয়ে থাকে, তাহলে একটি ভালো মানের পলিথিন ব্যাগে নিয়ে নিন। এতে রাখুন মোবাইল, দরকারী কাগজ ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, যেগুলোতে পানি লাগলে সমস্যা হতে পারে। পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে রাখলে এতে পানি ঢুকবে না আর সেই সাথে আপনারর জিনিসপত্র থাকবে নিরাপদ।

1433930289অতিরিক্ত এক সেট কাপড়ঃ অফিস হোক বা ক্লাস, অথবা ইন্টারভিউ, বৃষ্টিতে আপনি যদি ভিজে যান গন্তব্যে পৌঁছে শুকনো পোষাকটি পরে ভেজা পোষাকটি ব্যাগে ঢুকিয়ে নিন। বাসায় ফিরে শুকিয়ে নিন। সারাদিন থাকুন সতেজ।

ছোট্ট তোয়ালেঃ বৃষ্টিতে যত সতর্কই থাকুন না কেন, একটু না একটু তো ভিজতেই হবে। তাই ব্যাগে রাখুন ছোট্ট একটি তোয়ালে। গন্তব্যে পৌঁছনোর পর সেই তোয়ালে দিয়ে মাথা ও শরীর ভালো করে মুখে নিন।

ছাতা বা রেইনকোটঃ এই বর্ষার দিন ব্যাগে সবসময় ছাতা কিংবা রেইনকোট রাখতে ভুলবেন না। তাহলে বৃষ্টি হলে আপনাকে আর ভিজতে হবেনা। তবে প্রতিদিন ঘরে ফিরে ছাতাটি মেলে দিন, শুকিয়ে নিন ভালোমতন।

ছোট্ট একটি রুমালঃ বৃষ্টিতে রাস্তায় চলার পথে আপনার সুন্দর পোশাকে কাদার দাগ লেগে যেতে পারে। যা নিয়ে আপনি বিভ্রান্তি পড়তে পারেন। তাই ব্যাগে ছোট্ট একটি রুমাল রাখুন। গন্তব্যে পৌঁছে রুমালটি খানিকটা পানিতে ভিজিয়ে চিপে নিয়ে কাদার দাগ মুছে ফেলুন।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on বৃষ্টির দিনে সঙ্গে রাখুন ৫টি প্রয়োজনীয় জিনিস

ছুটির দিনে প্রকৃতি সেজেছে অন্যরূপে

beautyঢাকা: গতকালের টানা বর্ষণ শেষে আজ প্রকৃতিতে অন্যরকম সাজ। মনে হচ্ছে প্রকৃতির গায়ে হিমেল হাওয়ার পরশ বইছে। নেই রৌদ্রের প্রখরতা, নেই বৃষ্টি। সকাল থেকেই প্রকৃতিও যেন ফিরে পেয়েছে তার সবুজ তারুণ্য। ছুটির এমন দিনে ঘরে বসে না থেকে যে কেউ মুক্ত প্রকৃতির সান্নিধ্যে এসে প্রশান্তি পেতে পারেন। ঢাকায় দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় (১০-১৫) কি. মি. গতিতে বাতাস বইছে। যার আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৩ শতাংশ।

তবে বাড়ি থেকে বের হবার আগে জেনে নিন আজ সারা দিনের আবহাওয়া সম্পর্কে।

আজকের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ এখন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশে মোটামুটি সক্রিয় এবং বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে রংপুর, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আর গতকাল সূর্যের দেখা না মিললেও আজ আকাশে হালকা মেজাজে হাসছে সূর্য যা অস্ত যাবে ০৬ টা ৪৬ মিনিটে। আগামীকাল ঢাকায় সূর্য দেখা দেবে ০৫ টা ১০ মিনিটে। তবে আগামী ৩ দিন অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ছুটির দিনে প্রকৃতি সেজেছে অন্যরূপে

ধরন অনুযায়ী নির্ভর করে দইয়ের উপকারিতা

fi_1_563334690ফিচার রিপোর্টার : দই অনেকেরই প্রিয় খাবার। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খেলে অন্ত্র ভালো থাকে। স্বাভাবিক থাকে রক্তচাপ। এছাড়াও সর্দি-জ্বর এড়াতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ওজন হ্রাস ও হজমের সহায়তায় দইয়ের বিকল্প নেই।
এছাড়াও দই হৃদরোগের ঝুঁকি দুর করে ও ধমনি প্রাচীরের পুরুত্ব হ্রাস করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেও দইয়ের নেই জুড়ি। প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ দই তৈরির প্রণালী ও উপকরণ এক নয়। কোন দইয়ে কী পরিমাণ ক্যালরি বা ফ্যাট রয়েছে এবং কোন ধরনের দই শরীরের পক্ষে কতটা উপকারি তা অনেকেরই অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
গরুর দুধের দই
বাজারের বেশিরভাগ দই গরুর দুধ দিয়ে তৈরি। সাধারণত এ ধরনের দইয়ে ফ্লেভার বা চিনি থাকে না। ব্রিটেনের ডায়েটেশিয়ান ডক্টর সারা সেনকার জানান, চিনিবিহীন প্রাকৃতিক দই খাওয়ার পরামর্শই আমি দেই। আপনি চাইলে আলাদা চিনি, মধু বা ফল মিশিয়ে খেতে পারেন।
ফ্যাট সমৃদ্ধ ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে প্রায় ৮২ কিলোক্যালরি, লো ফ্যাট দইয়ে রয়েছে ৫৬ কিলোক্যালরি ও ফ্যাটবিহীন দইয়ে fi_2_554032868রয়েছে ৫৪ কিলোক্যালরি। এই তিন ধরনের দইয়ের প্রতি ১০০ গ্রামে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন।
ফ্যাট সমৃদ্ধ দইয়ে রয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ ফ্যাট। এটি দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিবারণ করে ও ধীর গতিতে খাবার হজম করে।
গ্রিক ইয়োগার্ট
গ্রিক ইয়োগার্ট তৈরির সময় দুধ থেকে অতিরিক্ত চিনি, ল্যাক্টোজ, মাঠা ছেঁকে নেওয়া হয়। তাই এটি বেশি পুরু, ক্রিম ও প্রোটিন সমৃদ্ধ। একশ’ গ্রাম গ্রিক ইয়োগার্টে  রয়েছে ৯৬ থেকে ১৩০ কিলোক্যালরি।
প্রোটিন সমৃদ্ধ দই
এক নাগাড়ে কয়েকটি ছাঁকন প্রক্রিয়ায় এ দই তৈরি করা হয়। সাধারণ দইয়ের তুলনায় এ দই তৈরিতে চারগুণ বেশি দুধ fi_3_101968189ব্যবহার করা হয়। বলা যায়, ফ্যাটবিহীন দইয়ের মধ্যে এটি একটি। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে থাকে মাত্র ০.২ গ্রাম ফ্যাট।
এটি অন্যান্য দইয়ের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ভারী, ক্রিম ও উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ। ১০০ গ্রাম প্রোটিনে থাকে ৬৫ কিলোক্যালরি।  আর এ  দইয়ে রয়েছে প্রায় ১১ গ্রাম প্রোটিন। যার পুষ্টিগুণ একটি মুরগির অর্ধেক বুকের মাংসের সমান।
ছাগলের দুধের দই
গরুর দুধের চেয়ে ছাগলের দুধে রয়েছে বেশি পরিমাণ ক্যালসিয়াম। ১০০ গ্রাম গরুর দুধে তৈরি দইয়ে ক্যালসিয়াম থাকে ১৫০ মিলিগ্রাম। সেখানে ১০০ গ্রাম ছাগলের দুধে তৈরি দইয়ে রয়েছে ২৪০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। যা কি না হাড় ও দাঁতের জন্য অত্যন্ত জরুরি ‍উপাদান। ফ্যাট সমৃদ্ধ  ১০০ গ্রাম ছাগলের দুধে তৈরি দইয়ে রয়েছে ৭.৩ গ্রাম ফ্যাট আর ফ্যাটবিহীন দইয়ে রয়েছে ৪২ ক্যালরি।
নারকেলের দুধে তৈরি তৈরি
নারকেলের দুধ দিয়েও দই তৈরি হয়। এতে রয়েছে উচ্চমানের ফাইবার, ভিটামিন সি, ই, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, খনিজ উপাদানসহ লোহা, সেলেনিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে ১৯ গ্রাম fi_bg_436308903ফ্যাট। যার ১৭ গ্রামই স্যাচুরেটেড (পানিতে দ্রবণীয়) ফ্যাট। নারীদের দৈনিক এ ফ্যাট গ্রহণের মাত্রা ২০ গ্রাম। তবে নারকেলের দুধের এ ফ্যাট শরীরে জমা না হয়ে বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে সহজেই শক্তিতে পরিণত হয়।
সয়া দই
গবেষণায় দেখা গেছে, সয়া দই প্রিমিনস্ট্রুয়াল সিনড্রম, মেনোপোজের লক্ষণজনিত সমস্যা ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে। প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের উৎস এ দই কম ক্যালরি সমৃদ্ধ। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে রয়েছে ৪৬ ক্যালরি ও ফ্যাট ২.৬ মিলিগ্রাম।
প্রোবায়োটিক দই
আল্ট্রা হাই টেম্পারেচার (উচ্চ তাপমাত্রায় তৈরি) দই ছাড়া সব দইতেই শরীরবান্ধব ব্যাকটেরিয়া থাকে। তবে হজমের সময় পাকস্থলির এসিডের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়ার বেশিরভাগই নষ্ট হয়ে যায়। তবে কোনো কোনো দইয়ে স্থিতিস্থাপক বিফিডো ব্যাক্টেরিয়া ও ল্যাক্টোবাসিলাস এসিডোফিলাস ব্যাকটেরিয়া শরীরে থেকে যায়। যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, প্রদাহ কমায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অনেক সময় বিভিন্ন খাদ্য উপাদান ও এন্টিবায়োটিক সেবনের ফলে এসব ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে দই খাওয়া যেতে পারে। তবে ডক্টর সেনকার জানান, সুস্থ অবস্থায় প্রোবায়োটিক দই প্রতিদিন না খেলেও চলে।
অপাস্তুরিত দই খাওয়া কি নিরাপদ?
দই তৈরির সময় দুধ জ্বাল দিয়ে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলা হয়। তারপর শরীরবান্ধব ব্যাকটেরিয়ার সংমিশ্রণে তৈরি হয় দই। কখনও কখনও পাস্তুরিত (উত্তাপ ছাড়া) না করেই দই তৈরি হয়। এসব দই বেশিরভাগ মানুষের ওপরই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। তবে গর্ভবতী ও দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা চাইলে এড়িয়ে চলতে পারেন।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ধরন অনুযায়ী নির্ভর করে দইয়ের উপকারিতা

লিপস্টিক বা ক্রিমে নষ্ট হয়ে যেতে পারে সুন্দর মুখ!

16d7d027f8abcd9bb969aacf2a8d2201লাইফষ্টাইল ডেস্ক: ম্যাগি বিতর্কের মধ্যেই আশঙ্কার মেঘ এবার মহিলাদের সাজঘরেও! আশংকার তালিকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় মহিলাদের ব্যাবহারের লিপস্টিক কিংবা ক্রিম! ভাবছেন, সেটা আবার কী করে সম্ভব? সম্ভব! গবেষকরা এমন আশংকার কথা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সস্তার বহু প্রসাধনীতে লুকিয়ে থাকে ক্ষতিকারক সীসা। যা প্রসাধনী হয়ে প্রবেশ করে শরীরে।
দেশে প্রচলিত বেশ কয়েকটি ফর্সা হওয়ার ক্রিমকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাঁদের মতে, বিনা প্রেসক্রিপশনে স্টেরয়েড মেশানো এইসব ক্রিমগুলি মেখে, ত্বকের জটিল এবং দুরারোগ্য অসুখ ডেকে আনছেন বিভিন্ন বয়সের পুরুষ এবং মহিলারা। চিকিত্সকদের এই দাবিকে আরও জোরাল করেছে, গত বছর সুনীতা নারায়েন-এর সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট-এর দেওয়া তথ্য। যেখানে বলা হয়েছে,ভারতের ৪৪ শতাংশ ফেয়ারনেস ক্রিমে সীসার উপস্থিতি রয়েছে। ৫০ শতাংশ লিপিস্টিকে রয়েছে ক্রোমিয়াম যা ক্যান্সারে অন্যতম কারণ।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on লিপস্টিক বা ক্রিমে নষ্ট হয়ে যেতে পারে সুন্দর মুখ!

বিট লবণকে ‘না’ বলুন

11ফিচার রিপোর্টার : ফুচকা, পানিপুরি, সালাদ, জুস প্রায় সবারই প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি কি জানেন, এসব খাবারের সঙ্গে আপনার দেহে ঢুকছে ভয়াবহ টক্সিক উপাদান? হ্যাঁ, এসব খাবারে ব্যবহৃত বিট লবণই এই ক্ষতিকর উপাদানটি বহন করছে।
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার রন্ধনপ্রণালীতে বিট লবণ খুব পরিচিত নাম। এটি কালো লবণ বা সুলেমানি লবণ নামেও পরিচিত। চাটনি, সালাদ, ফল, জুস, বোরহানি, ফুচকা, রাইতাসহ প্রায় সব ধরনের ভারতীয় ও চাইনিজ খাবারে বিট লবণের ব্যবহার রয়েছে।
12খাবারকে চটজলদি সুস্বাদু করলেও বিট লবণের রয়েছে নানাবিধ ক্ষতিকর প্রভাব, যা অনেকেরই অজানা।
বিট লবণের প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম সালফেট, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ফেরিক অক্সাইড, ফেরাস সালফেট ও ফ্লুরাইড ইত্যাদি।
অনেকের ধারণা, সাধারণ লবণের চেয়ে বিট লবণে সোডিয়াম কম থাকে বলে তা হয়তো উচ্চরক্তচাপ কমায় ও শরীরের পক্ষে ততটা ক্ষতিকর নয়।
13ভারতের দিল্লির ফ্লুরোসিস গবেষণা ও পল্লী উন্নয়ন ফাইন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বিট লবণ খাওয়ায় ভারতে ফ্লুরাইড বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় ৬৬ মিলিয়নেরও বেশি।
এই গবেষণার পর প্রতিষ্ঠানটি বিট লবণ ও বিট লবণ দিয়ে তৈরি স্ন্যাকস বা আয়ুর্বেদিক ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়।
সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক ২.৩ গ্রামের কম ও পঞ্চাশোর্ধ্বদের ১.৫ গ্রাম লবণ খাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে লবণে যদি ফ্লুরাইড থাকে তাহলে তা হাড় ও জয়েন্টের ব্যথা সৃষ্টি করে, রক্তস্বল্পতা, রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি ও পাকস্থলির ঝিল্লির ক্ষতি করতে পারে।
ফ্লুরাইড ও বিট লবণ
15বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বিট লবণে প্রায়  প্রতি মিলিয়নে রয়েছে আড়াইশ শতাংশ পরিমাণ ফ্লুরাইড। এটি পটাশিয়াম বা সোডিয়াম যেকোনো ফ্লুরাইড হতে পারে। যা প্রচুর টক্সিন সমৃদ্ধ।
৪.৯ গ্রাম অর্থাৎ, প্রতি চা চামচ বিট লবণে রয়েছে ০.৫৬ গ্রাম ফ্ল‍ুরাইড। ফ্লুরাইড থাইরয়েড গ্রন্থি, হাড়, জয়েন্টের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। এটি এমন একটি উপাদান যা সীসা, পারদ ও রেডন গ্যাসের (radon gas) মতোই বিষাক্ত।
ফ্লুরাইড কি
দাঁত ও হাড়ের গঠনে ফ্লুরাইড প্রয়োজনীয় উপাদান। মানবদেহে ফ্লুরাইডের সহনীয় মাত্রা ২ থেকে ৩ মিলিগ্রাম। কিন্তু তা যদি ৪ 14মিলিগ্রামের ওপরে চলে যায় তাহলে তা বিষে পরিণত হয়। খাবার পানিতেও ফ্লুরাইড  রয়েছে। এক লিটার পানিতে ০.৫ থেকে ১.০ মিলিগ্রাম ফ্লুরাইড থাকে। এর বেশি মাত্রায় থাকলে তা দূষণ পর্যায়ে চলে যায়।
শরীরে ফ্লুরাইডের অতিরিক্ত মাত্রা ফ্লুরোসিস নামের রোগ তৈরি করে। ফলে  ওজন হ্রাস পায়, ত্বকে প্রদাহ দেখা দেয়, দাঁতের ক্ষতি হয় ও চুল পড়া থেকে শুরু করে নানা সমস্যা দেখা দেয়।
তাই অ‍াজ থেকে বিট লবণকে ‘না’ বলুন। সুস্থ থাকুন।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on বিট লবণকে ‘না’ বলুন

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ কাঁচের সেতু!

1ফিচার রিপোর্টার : আচ্ছা স্বর্গের সিঁড়ি দেখতে কেমন? ওই দূর আকাশের বুক বেয়ে নেমে আসা স্বচ্ছ সাদা এক সিঁড়ি। তাতে পা ফেলতেই অনুভ‍ূত হবে এক অদ্ভুত ভালোলাগা। ধবধবে সাদা মেঘের সিঁড়িতে জড়িয়ে থাকবে হিম কুয়াশা। সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে ছুঁয়ে দেখা যাবে পেজা তুলোর মতো মেঘ।
2বন্ধুরা, স্বর্গের সিঁড়িতে পা রাখতে হলে আপনাকে আর এমন স্বপ্নে হারাতে হবে না। স্বর্গে যাবার সিঁড়ি না হলেও চীনে শিগগিরই শেষ হতে চলেছে এমনই এক স্বচ্ছ সেতুর নির্মাণ কাজ, যে সেতুর উপর দাঁড়িয়ে মনে হবে যেন আকাশে ভাসছেন আপনি। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ও দীর্ঘ কাঁচের সেতু বলে দাবি করছে নির্মাতা পক্ষ। দেশটির জাংজিয়াজি ন্যাশনাল পার্ক গিরিখাতের প্রায় 3এক হাজার ফুট উপরে নির্মিত সেতুটি দৈর্ঘ্যে এক হাজার দু’শো ৫০ ফুট ও প্রস্থ্যে প্রায় ২০ ফুট। জাংজিয়াজি গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন গ্ল‍াস ব্রিজ নামে এ সেতুর নকশা করেছেন ইসরায়েলের স্থপতি হাইম ডটান।
স্বচ্ছ কাঁচের মেঝে বিশিষ্ট সেতুটি দূর থেকে মনে হয় যেন দুই পাহাড়ের মধ্যে টাঙানো সাদা চিকন সুতো।
ডটান জানান, জাংজিয়াজি গ্লাস ব্রিজটি যথাসম্ভব স্বচ্ছভাবে বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যেন সাদা মেঘের ভিতর ব্রিজটিকে অদৃশ্য মনে হয়।
4সেতুর দু’পাশে রয়েছে স্টিলের বিম, হাতল ও নিরাপত্তা বাঁধ। এর ধারণ ক্ষমতা আটশো জন। এতে আরও থাকবে জাম্পিং স্পট ও ফ্যাশন শো রানওয়ে। সেতুটির কাজ জুলাই মাসে শেষ হবে বলে নির্মাতারা আশা করছেন। তবে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে চলতি বছরের অক্টোবরে।
অতঃপর বিশ্ববাসী পা রাখবে স্বর্গের সিড়িতে। ওহ না, স্বপ্নের সেতুতে!
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ কাঁচের সেতু!

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud