April 30, 2026
ওয়াল স্ট্রিটের এক বিখ্যাত সংস্থার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ এনেছেন এক প্রাক্তন সুইস মডেল। তবে তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক শুনলে মাথায় হাত দেবেন তাবড় তাবড় ব্যবসায়ীরাও। ৮৫০ মিলিয়ন ডলার।
মেল অনলাইনে খবরটিন সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে মাত্র ২৫ বছর বয়সী এই সুইডিশ মডেলকে নিয়োগ করেন নিউ ইয়র্ক গ্লোবাল গ্রুপের সিইও বেঞ্জামিন ওয়ে।
এরপরেই শুরু বিপত্তি। ২৫ বছরের এই মডেল হ্যানা বভেং-কে অফিসে উত্তেজক পোশাক পড়ে আসতে জোর করতেন বস বেঞ্জামিন। নিয়ে যেতেন নাইটক্লাবেও। কিন্তু এই নাইটক্লাবে যাওয়াই কাল হল হ্যানার। ক্লাবে নাচানাচি ও অত্যাধিক মদ্যপান প্রীতির কারণে চাকরি গেল তাঁর। আর এরপরেই নাটক।
বসের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণের মামলা ঠুকে দিলেন হ্যানা। ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ৮৫০ মিলিয়ন ডলার। পালটা বস বেঞ্জামিনের আইনজীবী দাবি করেছেন, হ্যানা তাঁর মক্কেলকে ব্ল্যাকমেল করে মোটা টাকা লাভ করতে চাইছেন। এখন এ নিয়ে চলছে মামলা, দেখা যাক কি হয় মামলা নিম্পত্তি শেষে।
আমাদের অনেকেরই পরিচিত টিয়াপাখির মানুষের কথা নকল করার রহস্য অবশেষে ফাঁস হতে চলেছে? অন্তত তেমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ডেনমার্ক এবং নেদারল্যান্ডের একদল গবেষক টিয়াপাখির মস্তিষ্কে নয়া প্রকোষ্ঠের( বিজ্ঞানীদের ভাষায় সেল) সন্ধান পেয়েছেন। গবেষকদের দলের মতে, এই সেল অনুযায়ী টিয়াপাখির বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে কথা শব্দ নকলের তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। পাশাপাশি, হামিংবার্ড বা অন্যান্য গান গাওয়া পাখির তুলনায় বেশি ভালো নকল করতে পারে।
টিয়াপাখির মস্তিষ্কের জিনগত গঠন নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালান গবেষক দলটি। সেখানেই দেখা যায় টিয়াপাখির মস্তিষ্কের গঠন গান গাওয়া পাখি বা হামিংবার্ডদের থেকে আলাদা। গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, কোর নামক বিভিন্ন প্রকোষ্ঠের পাশাপাশি টিয়াপাখিদের মস্তিষ্কে বিশেষ সেল রয়েছে, যার দ্বারা দ্রুত এবং অন্তত্য সুচারুভাবে কথা নকল শিখে নেয় তারা। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রজাতি অনুযায়ী এই সেলগুলি ছোট বড় হয়। দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত প্রজাতির টিয়ার মাথায় এই সেলের আকার বড়, তাদের নকল করার ক্ষমতা অনেক বেশি। এই তথ্য টিয়াপাখির কথা বলা সম্পর্কিত গবেষণায় নয়া দিশা দেখাবে বলে মনে করছে গবেষকরা।
এক সংবাদমাধ্যমকে ডিউট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ু-জীববিদ্যার অধ্যাপক তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুক্তা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, কেমন করে টিয়াপাখির কথা শব্দ নকল করে এবং কোন জৈব পদ্ধতিতে মানুষের কথা বুঝতে পারে, সে সম্পর্কে গবেষণায় এই তথ্য নতুন দিশা দেখাবে বলেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
একেবারে আঁটোসাঁটো জিন্স পরার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়ে চিকিৎসকরা বলেছেন, এরকম পোশাক শরীরের পেশী এবং নার্ভের ক্ষতি করতে পারে।
সম্প্রতি ৩৫ বছরের এক মহিলার পায়ের গোড়ালি ফুলে ঢোল হয়ে যাওয়ার পর তার পরনের আঁটোসাঁটো জিন্সের ট্রাউজার্স ডাক্তারদের কাঁচি দিয়ে কেটে খুলে নিতে হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার এই মহিলা বাড়ী বদলের জন্য তার ঘরের জিনিসপত্র গোছানোর সময় দীর্ঘ সময় মাটিতে পা মুড়ে বসে কাজ করছিলেন। সন্ধ্যে নাগাদ তার পা পুরোপুরি অবশ হয়ে যায় এবং তিনি আর হাঁটতে পারছিলেন না।
জার্নাল অব নিউরোসার্জারি এন্ড সাইক্রিয়াট্রিতে চিকিৎসকরা এই মহিলার ঘটনা উল্লেখ করে ‘স্কিনি জিন্স’ বা আঁটোসাঁটো জিন্সের পোশাক পরার বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন।
চিকিৎসকদের ধারণা এই মহিলা ‘কম্পার্টমেন্টে সিনড্রোমে’ আক্রান্ত হয়েছিলেন। শরীরের একগুচ্ছ পেশী রক্তপাত এবং ফুলে যাওয়ার কারণে যে অবস্থার তৈরি হয় তাকেই চিকিৎসকরা ‘কম্পার্টমেন্টাল সিনড্রোম’ বলেন। এটি বেশ গুরুতর রূপ নিতে পারে।
স্কিনি জিন্স গত এক দশক ধরে ফ্যাশন সচেতন মেয়েদের কাছে খুবই জনপ্রিয় পোশাক। তবে এরকম পোশাকের বিরুদ্ধে এই প্রথম চিকিৎসকদের কাছ থেকে সতর্কবাণী শোনা গেল।
লিথুয়ানিয়ার এক গ্রামের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা। বাহারি সাজে হাজির সুন্দরীরাও। তবে এই সুন্দরীরা সবাই চারপেয়ে, তাদের সিংও আছে! অবাক হবেন না এটা ছাগলদের বিউটি কনটেস্ট।
ছাগল বলে কি সুন্দরী নয়! কারও কেমন সাদা রং। কারও মাথায় বাহারি টুপি। কেউ বা গায়ে দিয়েছে রীতিমতো ডিজাইনার পোশাক। ব্যান্ড বাজনা নিয়ে হাজির উত্সাহী দর্শকরাও। মনের মতো করে পোষ্যকে সাজিয়ে হাজির মালিকও।
এমন অভিনব সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হয় লিথুয়ানিয়ার র্যামেগালা গ্রামে। সেই মধ্যযুগ থেকেই এই অঞ্চলে ছাগলের বড় কদর। গ্রামের ছশ পয়তাল্লিশ বছরের জন্মদিনে তাই এই ছাগলের বিউটি কনটেস্ট। সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন, মার্সে। তবে সেরার মুকুট পরতে তাঁর বড় আপত্তি। শেষ পর্যন্ত ক্রাউন নিলেন মার্সের মালকিন। সূত্র : কলকাতা ২৪
ডেস্ক রিপোর্ট : আম পছন্দ করেন না— এমন মানুষ খুব একটা পাওয়া যাবে না। সবাই জানেন, মজাদার ফলটি শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করতে অতুলনীয়। তাই সারাদিন রোজা রাখার পর পান করতে পারেন মজাদার আমের লাচ্ছি।
আমের লাচ্ছিতে হল আমের মিষ্টত্ব আর দইয়ের শীতলতার দারুণ মিশেল। স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে এতে যোগ করতে পারেন লো ফ্যাট ক্রিম ও গোলাপ জল। স্বাদের সঙ্গে রঙে বৈচিত্র্যতার ছোঁয়া রাখতে পারেন। তাই আলাদা রঙের আম ব্যবহার করতে পারেন। এবার ধাপে ধাপে দেখে নিন লাচ্ছি বানানোর প্রক্রিয়া
বেশি আঁশ আছে— এমন আম বাছাই না করাই ভাল। নরম ৩-৪টি আম বেছে নিন। এবার খোসা ছাড়িয়ে চটকে নিন বা টুকরো টুকরো করে কাটুন। এবার ব্লেন্ডারে আমের সঙ্গে ৪-৫ টেবিল চামচ চিনি বা মধু মিশিয়ে নিন। আপনার চাহিদা মোতাবেক এর বেশি-কম হতে পারে।
আধা টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে দিন। এতে স্বাদ-গন্ধে কিছুটা পরিবর্তন আসবে। এবার ভালভাবে ব্লেন্ড করুন।
এবার দইয়ের পালা। দুই কাপ ঠাণ্ডা দই মিশ্রণে দিন। ইচ্ছে হলে লো ফ্যাট ক্রিম যোগ করতে পারেন। আইস কিউব দিয়ে ভালভাবে ব্লেন্ড করুন। লাচ্ছিকে পাতলা করতে চাইলে ব্লেন্ডে করার আগে সামান্য দুধ যোগ করুন।
হয়ে গেল মজাদার আমের লাচ্ছি। সুন্দর করে পরিবেশন করুন। আর অবশ্যই লাচ্ছি বানানোর পর বেশিক্ষণ ফেলে রাখবেন না। তাতে তরতাজা স্বাদ থেকে বঞ্চিত হবেন।
লাইফস্টাইল ডেস্ক : শুরু হয়ে গেলো সিয়াম সাধনার মাস। রোজার মাসে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সবকিছুতেই আসে বড় পরিবর্তন। এ সময় সুস্থতার জন্য তাই সঠিক খাদ্যাভাস খুবই জরুরী। জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ আসফিয়া আজিম পরামর্শ দিলেন কিভাবে রমজানে সুস্থ থাকবেন তা নিয়ে।
দিন বড় হওয়ায় এবার দীর্ঘক্ষণ রাখতে হচ্ছে রোজা। শরীরের অতিরিক্ত পানির চাহিদা পূরণ করতে ইফতারির পর থেকে রাতের খাবার পর্যন্ত পানি, স্যুপ, জুস, ফল, দই, লাচ্ছি, সালাদ এগুলো বার বার খান।
দিনভর রোজা রাখার পর ইফতারি শুরু করা যেতে পারে ঘরে তৈরি মৌসুমি ফলের শরবত দিয়ে। খেজুর দু-তিনটির বেশি খাওয়া ঠিক নয়, কারণ এতে সুক্রোজের পরিমাণ অনেক। অঙ্কুর ওঠা কাঁচা ছোলা ভিটামিন সির খুব ভালো উৎস। প্রতিদিনের ইফতার মেনুতে কাঁচা ছোলাটা তাই নিশ্চিত করুন।
সারা দিনের অনাহারের পর ভাজাপোড়া, তেল মসলা শরীরের জন্য একদমই ভালো না, তা খেতে যতই মুখোরোচক হোক না কেন। ইফতারিতে সহজপাচ্য খাবার শরীরকে ঠান্ডা রাখবে। দই-চিঁড়া, দুধ-কলা-ভাত বা দই-চিঁড়া-ফলের কাস্টার্ড রাখতে পারেন ইফতারিতে। একটু পেঁয়াজু, বেগুনি বা ছোলা না খেলে যদি ইফতারি অসম্পূর্ণ মনে হয়, তবে দই-চিড়া বা ফলাহারের পর সামান্য ভাজাপোড়া খাওয়া যেতে পারে।
রোজার কটা দিন রাতের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিন। ইফতারিতে বেশি খেয়ে ফেললে স্বাভাবিকভাবেই রাতের খাবার খেতে বেশ রাত হয়ে যায়। আর রাত যত বাড়তে থাকে আমাদের পরিপাকক্রিয়ার ক্ষমতা ততই কমে আসতে থাকে। এ কারণে রোজার সময়ে রাতের খাবার মেন্যু খুব সাধারণ হওয়া চাই। মাছ, ভাত বা রুটি, সবজি, ডাল এগুলো রাখা যেতে পারে রাতের খাবারে।
তবে সেহরি যেহেতু সারা দিনের রসদ জোগাবে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ও নিজের রুচিমতো খাবার খান এ সময়। সম্ভব হলে সেহরিতে এক গ্লাস দুধ পান করুন। এতে সারা দিনের প্রোটিনের একটা বড় অংশ পূরণ হবে।
নিত্যদিনের বিভিন্ন খাবারে ধনেপাতা ব্যবহার করে থাকেন খাবারের গন্ধ এবং স্বাদে একটা পরিবর্তন আনার জন্য। ধনেপাতার বৈজ্ঞানিক নাম হল কোরিয়ানড্রাম স্যাটিভাম। কিন্তু কখনও কি কল্পনা করেছেন যে এই সুস্বাদু খাবারটির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে?
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি কথা হল, এই সুপরিচিত সবুজ সবজিটির অনেক ঔষধি গুণাগুণের পাশাপাশি অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বিদ্যমান। যা নিয়মিত খেলে আমাদের শরীর দিনদিন অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।
লিভারের ক্ষতিসাধন
অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে এটি লিভারের কার্যক্ষমতাকে খারাপভাবে প্রভাবিত করে থাকে। এতে থাকা এক ধরনের উদ্ভিজ তেল শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আক্রান্ত করে ফেলে। এছাড়া এটাতে এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যেটা সাধারণত লিভারের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে কিন্তু দেহের মাঝে এর অতিরিক্ত মাত্রার উপস্থিতি লিভারের ক্ষতিসাধন করে।
নিম্ন রক্তচাপ
অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়ার ফলে দেহের হৃৎপিন্ডের স্বাস্থ্য নষ্ট করে ফেলে, যার ফলে নিম্ন রক্তচাপ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এই ধনেপাতা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে নিম্ন রক্তচাপের উদ্ভব ঘটতে পারে। এছাড়া এটি হালকা মাথাব্যথারও উদ্রেক করতে পারে।
পেট খারাপ
স্বাভাবিকভাবে ধনেপাতা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল বিষয়ক সমস্যা দূর করে থাকে কিন্তু বেশি পরিমাণে ধনেপাতা সেবন পাকস্থলীতে হজমক্রিয়ায় সমস্যা তৈরি করে থাকে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে এক সপ্তাহে ২০০ এমএল ধনেপাতা আহারে গ্যাসের ব্যথা ওঠা, পেটে ব্যথা, পেট ফুলে ওঠা, বমি হওয়া হওয়ারও সম্ভাবনা দেখা যায়।
ডায়রিয়া
ধনেপাতা অল্প খেলে পেটের সমস্যা দূর হয় কিন্তু এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। এছাড়া এর ফলে ডিহাইড্রেশন হতে থাকে। ফলে ডায়রিয়ার সমস্যাটি হতেই থাকে। তাই এই ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রতিদিনের খাবারে ধনেপাতা কম পরিমাণে ব্যবহার করুন।
নিঃশ্বাসের সমস্যা
আপনি যদি শ্বাসকষ্টের রোগী হয়ে থাকেন তাহলে এই ধনেপাতা আহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা এটি আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা করে থাকে যার ফলে ফুসফুসে অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে। এই ধনেপাতা খেলে মাঝে মাঝে ছোট ছোট নিশ্বাস নিতেও সমস্যা তৈরি হয়।
বুকে ব্যথা
অতিরিক্ত ধনেপাতা আহারে বুকে ব্যথার মত জটিল সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এটা শুধুমাত্র অস্বস্তিকর ব্যথাই সৃষ্টি করে না তা দীর্ঘস্থায়ীও হয়ে থাকে। এজন্য এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে দৈনন্দিন আহারে কম করে এই ধনেপাতা খেতে পারেন।
ত্বকের সংবেদনশীলতা
সবুজ ধনেপাতাতে মোটামুটিভাবে কিছু ঔষধি অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যেটি ত্বককে সূর্যরশ্মি থেকে বাঁচিয়ে সংবেদনশীল করে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত সেবনে সূর্যের রশ্মি একেবারেই ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে না ফলে ত্বক ভিটামিন কে থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়া ধনেপাতা ত্বকের ক্যান্সার প্রবণতাও তৈরি করে থাকে।
অ্যালার্জীর সমস্যা
ধনেপাতার প্রোটিন উপাদানটি শরীরে আইজিই নামক অ্যান্টিবডি তৈরি করে যা শরীরের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে সমানভাবে বহন করে থাকে। কিন্তু এর অতিরিক্ত মাত্রা উপাদানগুলোর ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে অ্যালার্জীর তৈরি হয়। এই অ্যালার্জীর ফলে দেহে চুলকানি, ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া করা, র্যা শ ওঠা এই ধরনের নানা সমস্যা হয়ে থাকে।
প্রদাহ
অতিরিক্ত ধনেপাতা সেবনের আরেকটি বিশেষ পার্শ্ব প্রতক্রিয়া হল মুখে প্রদাহ হওয়া। এই ঔষধিটির বিভিন্ন এসিডিক উপাদান যেটি আমাদের ত্বককে সংবেদনশীল করে থাকে পাশাপাশি এটি মুখে প্রদাহেরও সৃষ্টি করে। বিশেষ করে এর ফলে ঠোঁট, মাড়ি এবং গলা ব্যথা হয়ে থাকে। এর ফলে সারা মুখ লাল হয়েও যায়।
ভ্রূণের ক্ষতি
গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত ধনেপাতা খাওয়া ভ্রূণের বা বাচ্চার শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। ধনেপাতাতে থাকা কিছু উপাদান মহিলাদের প্রজনন গ্রন্থির কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে মহিলাদের বাচ্চা ধারণ ক্ষমতা লোপ পায় এবং বাচ্চা ধারণ করলেও গর্ভকালীন ভ্রূণের মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে।
ডিনিউজ ডেস্ক : স্যাটেলাইট চ্যানেল ও ইন্টারনেটসহ আকাশ সংস্কৃতির মাধ্যমে পর্নোগ্রাফির অবাধ বিস্তার ধর্ষণ বৃদ্ধির নেপথ্যে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজবিজ্ঞানী, অপরাধ বিশ্লেষক, শিক্ষক, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে স্মার্ট ফোনের বদৌলতে কিছুই আর হাতের নাগালের বাইরে থাকছে না। আগে তবুও ভিসিআরের শরণাপন্ন হতে হতো। তাই পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতাকেই এর পেছনে দায়ী করার সময় এসেছে। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া, সামাজিক অবক্ষয়, মানবিক গুণাবলিসমৃদ্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার অভাবের কারণেই মূলত এসব অপরাধ বাড়ছে।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে দিন দিন বাড়ছে ধর্ষণের ঘটনা। চলন্ত গাড়ি, ভাসমান নৌকা, কর্মস্থল, বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে এসব ঘটনা। ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন শিশু থেকে পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন বলছে, আগের মাসগুলোর তুলনায় চলতি মাসে ধর্ষণের মতো গর্হিত অপরাধ আশংকাজনক হারে বেড়েছে। এ ব্যাপারে জরুরি ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে এটি ভয়াবহ এক সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিতে পারে বলে আশংকা বিশেষজ্ঞদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণের ঘটনা প্রতিরোধে আইনশৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। অপরিচিত অথবা স্বল্প সময়ের পরিচিত, ফোন বা ফেসবুকে পরিচিত লোকজনের সঙ্গে কোথাও না যাওয়ার জন্য নারীদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এ ছাড়া কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, শপিং মল ও যানবাহনে দু-তিনজন নারী একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করতে হবে। আর নিকটস্থ থানা-পুলিশের ফোন নম্বর মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ ছাড়া ধর্ষণ প্রতিরোধে সরকারের প্রতি বেশকিছু সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বিদ্যমান আইনের সংস্কার, আইনের যথাযথ প্রয়োগ, পুলিশের আলাদা তদন্ত ইউনিট গঠন, ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাউনন্সিলিংয়ের জন্য একজন মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ দেয়া।
মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫৮টি ধর্ষণের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩৩, ফেব্রুয়ারিতে ৪৪, মার্চে ৪০ ও এপ্রিলে ৪১টি। এ ছাড়া চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৬৮টি ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে শিশু ধর্ষিত হয়েছে ৭, কিশোরী ২০, স্কুল ও কলেজের ছাত্রী ২৫, গৃহবধূ ১০, গৃহপরিচারিকা ১ এবং গার্মেন্ট শ্রমিক, শ্রমিক ও শপিং মলের বিক্রয়কমী ৬ জন।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৪ সালে ৭০৭ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৮ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন ১৩ জন নারী।
বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুহিত কামাল এ প্রসঙ্গে বলেছেন, নারী নির্যাতন যুগে যুগে ছিল এখনও আছে। কিন্তু এখন সেটা বেড়েছে। ধর্ষণের অন্যতম কারণ প্রবৃত্তিগত তাড়না। এর মোটিভ হচ্ছে প্রবৃত্তির ওপর অনিয়ন্ত্রণ। আমরা সব সময় ধর্মীয় অনুশাসন, সামাজিক সচেতনতা, পারিবারিক মূল্যবোধের কথা বলি কিন্তু বর্তমানে ধর্ষণের যেসব ঘটনা ঘটছে তার নেপথ্যে বৈশ্বিক (গ্লোবাল) সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এখন ইন্টারনেটে সর্বাধিক হান্টিং হয় পর্নো ওয়েবসাইটগুলো। সেখানে পেশাদার মেয়েদের কার্যকলাপ, তাদের বেপরোয়া যৌনক্রিয়ার চিত্র আমাদের তরুণদের মনে গেঁথে যাচ্ছে। তরুণ যুবকরা পর্নোছবিতে যেসব দৃশ্য দেখছে; তার আবেগের মধ্যে সেই উপলব্ধি উপস্থিত হচ্ছে। যারা তার বোন, যারা তার মা হতে পারে তাদের ওই সব তরুণ সেভাবে শ্রদ্ধার চোখে দেখতে পারছে না। ফলে তারা হিংস্র হয়ে উঠছে এবং ধর্ষণের মতো গর্হিত অপরাধ ঘটাচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ড. সাদেকা হালিম বলেন, নারী নির্যাতন বা ধর্ষণ নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু বর্তমানে যে ধারা চালু হয়েছে চলন্ত গাড়িতে ধর্ষণ, ট্রাকে ধর্ষণ সেটা ভারত এবং উন্নত বিশ্বে আগে দেখা গেছে। এখন এটা আমাদের সমাজেও শুরু হয়েছে। গণমাধ্যমের বদৌলতে আমরা সেসব খবর জানতে পারছি। এক জরিপে দেখা গেছে, উন্নত বিশ্বেই ৫৪ শতাংশ নারী রিপোর্ট করেন না। বাংলাদেশেরও অনেক রিপোর্ট গণমাধ্যমে আসছে না। অনেকে পুলিশের কাছেও যাচ্ছেন না।
সাদেকা হালিম বলেন নারীদের প্রতি পরামর্শ হিসেবে বলেন, কাউকে না কাউকে তো বিশ্বাস করতেই হবে। বিশ্বাসের পাশাপাশি নারীদের উচিত সচেতনভাবে চলাফেরা করা। অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বের হলে ২-৩ জন এক সঙ্গে চলতে হবে। কাছের থানা, থানার ওসি, র্যাবের দফতরের ফোন নম্বর রাখতে হবে। যাতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে অবগত করা যায়। নারীদের কারাতেসহ মৌলিক কিছু প্রশিক্ষণও নিয়ে রাখা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
পছন্দের নারীটি কাছে আসবে, একটু প্রেমময় পরিবেশ সৃষ্টি হবে এমনটাই চেয়ে থাকেন পুরুষরা। কিন্তু কোনোভাবেই ধরা দিতে চান না নারীরা। আলো আধারে খেলা করতেই পছন্দ করেন নারীরা। এক্ষেত্রে কিছুটা কৌশল অবলম্বন করতে হয় পুরুষদের। তবে তা হওয়া চাই যথাযথ। হিতে বিপরীত হলেই সারাজীবনের জন্য প্রিয় নারীটি আপনাকে ভুল বুঝতে পারেন। তাই জেনে নিন পছন্দের নারীটিকে কাছে টানতে কী কী করবেন। যা যা করবেন :
– পছন্দের নারীটিকে খুব বেশি পছন্দ করছেন এমনটা বোঝানোর দরকার নেই। তবে তাকে ভালোলাগে এটুকু জানান।
– ফোন বা মেসেজের জবাব বুঝে শুনে দিন। এতে খুব বেশি আগ্রহ প্রকাশের কোনো প্রয়োজন নেই।
– দুঃসময়ে ঘনঘন উপদেশ না দিয়ে নীরবে পাশে থাকুন। এতেই কাজ হবে।
– দৈহিকভাবে নিজেকে সবসময় আকর্ষণীয় রাখার চেষ্টা করুন।
– কাছে আসার একমাত্র মোক্ষম হাতিয়ার হতে পারে আপনার পারফিউমটি। তাই অবশ্যই বাছবিচার করে এটি কেনা উচিত।
– কথার মাঝে জড়তা কাটিয়ে স্মার্ট হওয়ার চেষ্টা করুন।
– চেহারায় আলাদা একটি গাম্ভীর্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করুন।
– হাসি ও খাওয়াদাওয়ায় মার্জিত ভঙ্গি রপ্ত করুন।
– চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখুন।
ফিচার ডেস্ক : আমরা বাঙালি মেয়েরা সবচাইতে বেশী লজ্জা নিজের শরীরকে ঘিরেই পাই। নারী হিসাবে এই লজ্জাই আমাদের সৌন্দর্য। কিন্তু হ্যাঁ, অমূলক লজ্জা কখনো আপনার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। আজও আমাদের দেশে বহু নারী লজ্জার কারণে স্তন বা জরায়ু ক্যান্সারের মত ভয়াবহ অসুখকে লুকিয়ে রাখেন। অসংখ্য নারী নিজের ওজন, ত্বকের রঙ বা সৌন্দর্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে নিজেকে বঞ্চিত করেন ও সমাজ দ্বারা নিগৃহীত হন। এই শরীরটি আপনার, একে সম্মান ও ভালোবাসা দিতে হবে আপনাকেই। চলুন, আজ জেনে নিই নিজের শরীরের সাথে জড়িত কোন বিষয়গুলো নিয়ে মোটেও লজ্জিত বোধ করবেন না।
১) জন্মের পর পরই আমাদের দেশের মেয়েদের শরীরে কালো আর ফর্সা হবার তকমা এঁটে দেয়া হয়। কালো বা শ্যামলা মেয়ের বিয়ে হবে না, বিয়েতে যৌতুক দিতে হবে অনেক বেশী ইত্যাদি অমূলক ধারণা যুগে যুগে চলে আসছে এই সমাজে। আর তাই তো কালো ত্বকের মেয়েদের জীবন কেটে যায় হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে। গায়ের রঙ কখনো একজন নারীর পরিচয় হতে পারে না! মাথা উঁচু করে সদর্পে বাঁচুন। আপনার পরিচয় আপনার ত্বকের রঙে নয়।
২) ত্বকের রঙের পরই আসে ওজনের কথা। এই সমাজ কালো মেয়ে তো তাও সহ্য করে নেয়, কিন্তু ওজন বেশী মেয়েকে কেউই মেনে নিতে চায় না। একজন নারীর একমাত্র সম্বল কি কেবল তাঁর দেহ? আর সেই দেহের কাজ কি কেবলই পুরুষকে তুষ্ট করা? উত্তর অতি অবশ্যই “না”। নারীর পরিচয় তাঁর দেহ নয়, সেই দেহ দিয়ে পুরুষের মন ভোলানো নারীর কাজ নয়। নিজের ওজন নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগবেন না কখনোই।
৩) নারীরা আরও যে জিনিসটি নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন, সেটি হচ্ছে তাঁর স্তন। স্তন দুটিকে আরও একটু বড়, আরও একটু সুন্দর করার চেষ্টা সারা পৃথিবীর নারীরা মগ্ন। কেন? কারণ পুরুষের চোখে বড় স্তন আকর্ষণীয়! নিজের স্তনের আকৃতি নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগা একেবারেই আত্মবিশ্বাস হীনতার পরিচয়। এটা পরিহার করুন।
৪) অসুখ স্তনে হোক বা গোপন অঙ্গে, কখনো লজ্জা পেয়ে অসুখ চেপে রাখবেন না। আমাদের দেশে অসংখ্য নারী কেবলমাত্র লজ্জাস্থানে অসুখ হয়েছে বলে ডাক্তারের কাছে যান না। বছরের পর বছর অসুখ নিয়ে বেঁচে থেকে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেন। এই ভুলটি আপনি যেন করবেন না ভুলেও।
৫) সারাজীবন লোকে আপনাকে “খাটো” বা “বেঁটে” বলেছে? এই সমস্যাটা পুরুষদের মাঝে অনেক বেশী হলেও নারীদের ক্ষেত্রেও কম নয়। মনে রাখবেন, সৃষ্টিকর্তা সকলকেই বিশেষ ভাবে বানিয়েছেন। আর তিনি যেভাবে তৈরি করেছেন সেটা নিয়েই সকলের খুশি থাকা উচিত।
৬) পুরুষেরা টেকো বা ভুঁড়ি ওয়ালা হলে তাঁদেরকে তো কেউ কিছু বলে না। তাহলে একজন নারীর পেট মোটা বা মাথায় চুল কম থাকলে কেন তাঁকে হীনমন্যতায় ভুগতে হবে? পৃথিবীর সকলেরই নানান রকম শারীরিক ত্রুটি আছে, আমরা কেউইই নিখুঁত নই। তাই নিজের শরীরকে নিজে মনের কষ্ট বাদ দিন।
৭) পিরিয়ড! এই ব্যাপারটি নারী দেহের খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার এবং প্রকৃতির এই নিয়মকে এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। পিরিয়ডের কথা ফলাও করে প্রচার করার কিছু নেই, কিন্তু তাই বলে পিরিয়ড জনিত কোন স্বাস্থ্য সমস্যা লুকিয়ে রাখারও কোন মানে নেই। লুকিয়ে রাখা মানেই নিজের সর্বনাশ ডেকে আনা।