পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

তিন ভিন্ন প্রাণীর বন্ধুত্ব

freindship_93531অনলাইন ডেস্ত : প্রাণিজগতে নানা রকম বন্ধুত্বের কথা শোনা যায়। বন্ধুত্ব সাধারণত সমজাতীয় প্রাণীর মধ্যে হলেও এবার তার ব্যতয় ঘটেছে। এবার তিনটি ভিন্ন প্রজাতির প্রাণী বাধা পড়েছে একই বন্ধুত্বের সুতোয়।
বন্ধুত্বের বন্ধনে জড়ানো ওই তিন প্রাণী প্রজাতি হলো বব নামের একটি সোনালি কুকুর, আটটি পাখি আর একটি হ্যামস্টার। খেলা, ঘুম, মোজ-মাস্তি সব একই সঙ্গেই করে তারা। তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামেও বেশ জনপ্রিয় তারা।

ফেসবুকে বব গোল্ডেন রিট্রাইভার নামে একটি পেজে নিয়মিত আপডেট হচ্ছে তাদের খবরাখবর ও ছবি। চমৎকার সব ছবি দেখে ইতোমধ্যে অনেকেই ভক্ত বনে গেছেন তাদের। ভক্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।

দক্ষিণ ব্রাজিলের সাও পাওলোবাসী এই সোনালির কুকুরটির মালিক লুইস হিগা জানান, এখন ববের বয়স এক বছর নয় মাস। চার মাস বয়স থেকেই বব আমার সঙ্গে রয়েছে। এরপর একটি কাকাতুয়া ও একটি টিয়া কিনি আমি। তার কিছুদিন পর তাদের বন্ধুদলে যুক্ত হয় আরও পাখি ও একটি হ্যামস্টার।

৩১ বছর বয়সী লুইস আরো জানান, তারা একসঙ্গে থাকার শুরু থেকেই তাদের পরস্পরের প্রতি পরস্পরের আচরণ ছিলো অসাধারণ। তাই আমার অবসর সময়ে আমি তাদের সবাইকে একসঙ্গে খেলতে দেই।

ছবিগুলো দেখেই আন্দাজ করা যায় তাদের বন্ধুত্ব কতটা মজবুত আর ‌একে অপরের সান্নিধ্য কতটা উপভোগ করে। হ্যামস্টার আর পাখিদের বায়না মেটাতেও কোনো দ্বিমত নেই ববের। কখনো পাখিদের মাথায় করে রাখছে আবার কখনোবা হ্যামস্টারের দুষ্টুমিকে সায় দিচ্ছে সে। ঘুমানোর ভঙ্গিও সবার একই রকম।

খেলার ছলে একে অপরকে অনুকরণ করতেও খুব পারদর্শী তারা। তিন প্রাণী প্রজাতির মধ্যে এমন বন্ধুত্ব যে কারো নজর কাড়বে।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on তিন ভিন্ন প্রাণীর বন্ধুত্ব

রূপ সচেতনরা ছুটছেন বিউটি পার্লারে

Parlar-3thereport24ঈদ। খুশি ও আনন্দের দিন। আগামী শনি অথবা রবিবার মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ইতোমধ্যে ঈদের পোশাক, জুতা ও জুয়েলারিসহ আনুষঙ্গিক সবই প্রায় কেনা শেষ। আর এখন সময় নিজেকে একটু পরিপাটি করে তোলার। তরুণ-তরুণী, মধ্যবয়সী সবাই চান উৎসবমুখর এ দিনটিতে নিজেকে একটু পরিপাটি রাখতে। তাই হাতে সময় রেখে সবাই এখন ছুটছেন পার্লারগুলোতে।
উৎসবে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে তারা ছুটছেন খ্যাতনামা বিউটি পার্লারে। পরামর্শ নিচ্ছেন রূপ বিশেষজ্ঞদের। উৎসবের দিন নিজেকে আরও স্মার্ট, আরও আকর্ষণীয় করে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আর তাই এখন রূপ সচেতন তরুণীদের পদচারণায় মুখর নগরীর বিখ্যাত বিউটি পার্লারগুলো। এমনকি অলিগলির, ঘরোয়া পরিবেশের বিউটি পার্লারগুলোতেও ধুম পড়েছে। রাজধানীর পারসোনা, গ্লামার টাচ, ওমেন্স কেয়ার, রূপকথা, গ্লোরি, শাহনাজ, আকাঙ্খাস গ্লামার ওয়ার্ল্ড, লোভাস স্পা, অপ্সরী, কেয়ার, তানিস, প্রিতুলা হারবাল, শী সাইন্স, টিউলিপ বিউটিপার্লারগুলো ঘুরে দেখা গেছে দীর্ঘ সিরিয়ালে সেবা গ্রহীতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে রয়েছেন। সেখানে কর্মীদের দম ফেলার সময় নেই। দেখা গেছে, নিজেকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করার জন্য তরুণী, মধ্যবয়সীদের মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত চলছে পরিচর্যা।
নানা বয়সী নারীর চেহারার সঙ্গে মানানসই নিত্যনতুন ডিজাইনে চুল কাটা, রঙ করা, ফেসিয়াল, রিবন্ডিং, হ্যান্ড এ্যান্ড ফুট কেয়ার, ব্লিচ, স্কিন পলিশ, মেহেদি রাঙানোতে ব্যস্ত পার্লারগুলো। গৃহিণী থেকে শুরু করে তরুণী, কিশোরীদের অনেককেই অপেক্ষা করতে দেখা গেছে পার্লারের অভ্যর্থনা কক্ষে।
বিউটি পার্লারের কর্মীরা জানান, ঈদের বেশ কিছুদিন আগে থেকেই তরুণীরা নিজেদের পরিপাটি করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। তাই রমজান মাসের শুরু থেকেই অনেকে ভিড় জমান পার্লারে। বিউটিশিয়ানরাও ব্যস্ত সময় কাটান তাদের মনের মতো করে সাজাতে।
Parlar-2thereport24রাজধানীর রামপুরা রোডে অবস্থিত আকাঙ্খাস বিউটি পার্লারের কর্ণধার জুলিয়া আজাদ বলেন, ‘সাজসজ্জা হচ্ছে নিজের রুচি ও ভাললাগার বহিঃপ্রকাশ। যে কোনো সাজ নিজের কাছে যেমন ভাল লাগতে হবে, অন্যের কাছেও তার গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে। এবারের ঈদ হচ্ছে বর্ষায়। বৃষ্টি শুরুর আগে ভ্যাপসা গরম আবার কখনো ঠাণ্ডা মিলিয়ে মিশ্র আবহাওয়া থাকে। কখনো রোদ, কখনো শীতল বাতাস। তাই মেকআপের প্রসাধনী অবশ্যই এসপিএফ ফিল্টার সমৃদ্ধ ও ওয়াটার প্রুফ দেখে ব্যবহার করা ভাল। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্যাশনে আসে ভিন্নতা। সে সঙ্গে পরিবর্তন আসে সাজেও। এবার ঈদের সাজে কিছুটা হলেও ভিন্নতা থাকছে।’
ফ্যাশন সচেতন নারীদের স্টাইল বাড়িয়ে দিতে লেয়ার গ্র্যাজুয়েশন নামের নতুন ধরনের লেটেস্ট হেয়ার কাট এনেছে পার্লারটি। সেই সঙ্গে চুলে নতুন মাত্রা যোগ করতে সিল্ক এ্যান্ড সাইনিং রিবন্ডিং, রোলার কার্লিং অথবা স্মুথনিং করা যাবে। এ সব করাতে আগে ৮ হাজার টাকা খরচ হলেও এখন নেওয়া হচ্ছে যথাক্রমে একজনের জন্য ৫ হাজার টাকা, দুইজনের ৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং তিনজন একত্রে ১৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া যে কোনো ধরনের চুলে মিল্ক রিবন্ডিং করা যাবে মাত্র ৪০০০ হাজার টাকায়।
উত্তরার পারসোনা বিউটি পার্লারে দেখা যায় দাঁড়ানোর জায়গাটুকু নেই। কয়েকজন জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। পারসোনার কর্মীদেরও দেখে মনে হল, তাদেরও দম ফেলার সুযোগ নেই। উত্তরখান থেকে আসা ফারজানা ইয়াসমিন জানান, তিনি ফেসিয়াল ও চুল কাটতে এসেছেন। সঙ্গে এসেছেন তার মা জোবাইদা রহমান।
ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার কণা আলম বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে রমজানে গ্রহীতাদের জন্য বিভিন্ন প্যাকেজের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে ফেসিয়ালসহ বিভিন্ন স্কিন থেরাপির প্যাকেজে গ্রাহকরা বেশি সাড়া দিচ্ছেন। বিশেষ করে ত্রিশোর্ধ্ব নারীদের জন্য ডিপ কোলাজেন ফেসিয়াল ও তরুণীদের জন্য হারবাল ব্রাইটেনিং বেশি চলছে। ডিপ কোলাজেনের দাম পড়বে ২ হাজার ৫০০ টাকা ও হারবাল ব্রাইটেনিংয়ের দাম পড়বে ১৬০০ টাকা। আর চুলের কাটের মধ্যে ভলিউম কাট ও লেয়ার কাট বেশি চলছে।’
পারসোনায় মেকআপের পাশাপাশি ফ্রুট ফেসিয়াল, অরেঞ্জ, এলোভেরা, ভেজ-পিল, হোয়াইটেনিং ফেসিয়াল তরুণীদের বেশি পছন্দ। চলছে লংস্লাইড, লেজার, লেয়ার, মাল্টিপল লেয়ার, বেঙ্কস হেয়ার কাট। এবার ঈদের তালিকায় নতুন যুক্ত হয়েছে- ইমো, ভলিউম লেয়ার কাট, স্পেশাল ফেসিয়াল উইথ নেকস, বডি মাসাজ।
ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর ক্লিওপেট্রা বিউটি স্যালুন ও হারমনি স্পা দিচ্ছে আকর্ষণীয় কয়েকটি প্যাকেজ। গ্রাহকদের জন্য এ সব প্যাকেজে থাকছে শতকরা ১৫ ভাগ ছাড়। সৌন্দর্য সেবায় এ ছাড় চলবে চাঁদ রাত পর্যন্ত।
এ সময়ের অন্যতম আধুনিক পার্লার ধানমন্ডির ওমেন্স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। রমজানজুড়ে যে কোনো কাজ করালেই থাকছে ফ্রি ঈদ মেহেদি। এ ছাড়া ব্রাইডাল মেকআপের সঙ্গে পার্টি মেকআপ, বডি শাইনিং ম্যাসাজের সঙ্গে হেয়ার স্পা অথবা নরমাল ম্যাসাজ এবং হেয়ার রিবন্ডিংয়ের সঙ্গে হেয়ার কাট গ্রাহকদের একদম ফ্রি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ওমেন্স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে ফেসিয়াল, হেয়ার ট্রিটমেন্ট স্পাসহ সব ধরনের সেবাতেই গ্রাহকরা ঈদ উপলক্ষে পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ছাড়।
মেয়েদের সৌন্দর্যেও পাশাপাশি এখন ছেলেরাও সৌন্দর্যচর্চার জন্য বিভিন্ন পার্লারে যাচ্ছে। আর তাই ঈদকে ঘিরে ছেলেদের পার্লারগুলোতেও এখParlar-1thereport24ন প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ করা যায়। ছেলেদের সৌন্দর্য চর্চায় ধানমন্ডির হেয়ার ক্রেজ দিচ্ছে বিশেষ অফার। হেয়ারকাট ও শেভের সঙ্গে ফ্রি পাবেন শ্যাম্পু ওয়াশ ও ফেস ওয়াশ, গোল্ড ও শাহনাজ ফেসিয়ালের সঙ্গে ফ্রি পাবেন হেয়ারকাট এবং এক বছরের জন্য হেয়ার স্ট্রেইট করালে ফ্রি পাবেন এক বছরের হেয়ার ট্রিটমেন্ট। এ ছাড়া পেডিকিউর, মেনিকিউর, বডি ম্যাসাজ ও পার্টি মেকআপসহ অন্যান্য সেবায় থাকছে ২০ ভাগ পর্যন্ত ছাড়।
এই সব জেন্টস পার্লারে রয়েছে পুরুষদের রূপসজ্জার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ সুবিধা। এর মধ্যে হেয়ার কাটিং ও বিয়ার্ড শেভিং সবচেয়ে পরিচিত। তাছাড়া রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শ্যাম্পুর সাহায্যে চুল ধোয়া, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে এন্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু, হারবাল শ্যাম্পু, সুগন্ধি শ্যাম্পু প্রভৃতি। অন্যদিকে আরামদায়ক বডি ম্যাসাজ, স্পা, স্টিম বাথ প্রভৃতিরও সুযোগ রয়েছে এ সব পার্লারে। তবে সর্বাধুনিক সংযোজন হল শরীরে ট্যাটু করানো ও শরীর ফোড়ানো। ঢাকার পরিচিত কিছু জেন্টস পার্লার : গুলশানের রতন’স জেন্টস পার্লার ও ক্রেজ জেন্টস পার্লার, উত্তরার নেক্সাস হেয়ার ডিজাইন, বনানীর রেজর্স এন সিজর্স ও জনসন বিউটি কেয়ার এবং ধানমন্ডিতে পারসোনা এডামস, ব্যু মঁদ সিসিলি বিউটি কেয়ার, হাবিব আলভিরাজ বিউটি কেয়ার ও হেয়ারোবিকস গ্রুমিং পার্লার।
ধানমন্ডির জেন্টস পার্লার মেনজ অপশন ঈদ উপলক্ষে চারটি প্যাকেজে দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। হেয়ারকাট, শেভ, ফেয়ারপলিশ, চন্দন হারবাল ফেসিয়াল, হেয়ার কালার, শাইনিং, হেয়ার ট্রিটমেন্ট থাকছে এসব প্যাকেজে। ঈদের আগের রাত পর্যন্ত ১ হাজার ৮৮০ টাকার ১ নাম্বার প্যাকেজটি বিশেষ ছাড়ে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১ হাজার ৬০০ টাকায়, ৩ হাজার ২৮০ টাকার প্যাকেজটি ২ হাজার ৮০০ টাকায়, ৩ হাজার ৯০০ টাকার প্যাকেজটি ৩ হাজার ৫০০ টাকায় এবং ৬ হাজার ৫০ টাকার প্যাকেজটি ৫ হাজার টাকায়।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on রূপ সচেতনরা ছুটছেন বিউটি পার্লারে

চলুন দেখে আসি কিভাবে টিপ পছন্দ করতে হয়!

MKl-13photo14367822821+coverww2011-02-07-16-18-03-020703200-fulafula3 1412316982 imagesলাইফস্টাইল ডেস্ক : অনেকেরই কাছেই টিপ ছাড়া সাজসজ্জা অসম্পূর্ণ। দুই ভুরুর মাঝে টিপ যেমন স্টাইলের পরিচয় বহন করে, তেমনি করে তোলো আরো মোহময়ী। তবে যেকোনো টিপ পরলেই হবে না। আপনার মুখের আদল অনুযায়ী বাছতে হবে টিপ। অন্যথায় সাজটাই হবে বৃথা।

ডিম্বাকৃতি মুখের জন্য টিপ: যাদের মুখ ডিম্বাকৃতি ধরনের, তাদের যেকোনো ধরনের টিপ মানায়। কারণ এই ধরনের মুখের ক্ষেত্রে দেখা যায় কপাল ও চিবুকের আকৃতি অনেকটাই একই হয়। ফলে যেকোনো ধরনের টিপ ডিম্বাকৃতি মুখের জন্য মানানসই। তবে বেশি বড় টিপ পড়বেন না। এতে মুখের আকার বেশি বড় মনে হবে।

গোলাকৃতি মুখের জন্য টিপ: গোলাকৃতি মুখ যাদের তারা লম্বা টিপ ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে বিভিন্ন ডিজ়াইনের লম্বা টিপ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে ড্রেসের সঙ্গে মানানসই টিপ পড়ুন। তবে বড় টিপ এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

পান আকৃতির মুখের জন্য টিপ: পান আকৃতির মুখ যাদের হয়, তাদের কপালের অংশ অনেকটা চওড়া হয়। তাই তারা বড় আকারের টিপ এড়িয়ে চলুন। লম্বা টিপও এ ধরনের মুখের ক্ষেত্রে একেবারেই মানানসই নয়। এরা ছোট টিপ ব্যবহার করুন।

তিনকোণা মুখের জন্য টিপ: এই ধরনের মুখাকৃতি যাদের হয়, তাদের কপাল অনেকটাই ছোটো হয়। ফলে এই ধরনের মুখের আদলের জন্য যেকোনো ধরনের, যেকোনো আকৃতির টিপ মানানসই।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on চলুন দেখে আসি কিভাবে টিপ পছন্দ করতে হয়!

ঈদ স্পেশাল রেসিপি

লাইফস্টাইল ডেস্ক: দেখতে দেখতে রমজান মাস শেষ হয়ে এলো। কেনাকাটা এরই মধ্যে আমরা গুছিয়ে এনেছি। এবার রান্নার প্রস্তুতি:

foodBg_298134370
ছানার পোলাও
যা যা লাগবে: ছানা ১ কাপ, কর্নফাওয়ার ১ টেবিল চামচ, ময়দা ১ টেবিল চামচ, বেসন ১ টেবিল চামচ, জাফরান রং আধা চা চামচ, সিরার জন্য চিনি ২ কাপ, পানি ৪ কাপ, ভাজার জন্য তেল।

প্রস্তুত প্রণালী:

১ কাপ ছানা কাটের পিঁড়িতে হাত দিয়ে খুব ভালভাবে মেখে নিন। এবার ছানার সঙ্গে বেসন কর্নফাওয়ার ও ময়দা মেশান। আবারও হাত দিয়ে খুব মিশিয়ে নেবেন।
জাফরান রং মিশিয়ে নিন। মাঝারি আকারের ছিদ্রযুক্ত ঝাঁঝরিতে করে মেশানো ছানা আবারও মাখান। এতে করে ছিদ্র দিয়ে নানা আকারের হয়ে ছানা প্লেটে পড়বে।

এবার সেগুলো গরম তেলে ভেজে তুলুন।

চিনির সিরায় ডুবিয়ে রাখুন আধাঘন্টা। চিনির সিরা থেকে তুলে প্লেটে পেস্তা বাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন।
বন্ধুরা, ঈদে মজাদার মিষ্টি আইটেমের মধ্যে থাকতে পারে এই জর্দাটাও।

যা যা লাগবে: আনারস কুচি ২ কাপ, পোলাওয়ের চাল ২ কাপ, চিনি ২ কাপ, গোলাপ জল ২ চা চামচ, কেওড়া ২ চা চামচ, মাওয়া ৪ টেবিল চামচ, জর্দার রং সামান্য, এলাচ ৪ টি।

সাজানোর জন্য পেস্তাবাদাম, মাওয়া এবং ছোট মিষ্টি।

প্রথমে চাল সেদ্ধ করে ভাত রান্না করে ঠাণ্ডা করে নিন। কুচানো আনারস ঘিয়ে ভাজুন।
এবার অন্য একটি পাত্রে ঘি দিয়ে ভাতগুলো ছাড়ুন। এরপর চিনি, ঘি, এলাচ, গোলাপ জল, কেওড়া ও জর্দার রং দিয়ে চুলায় বসান।

চিনি শুকিয়ে এলে পাত্রের নিচে তাওয়া দিয়ে আনারসগুলো দিয়ে দমে রাখুন। আধাঘণ্টা পর  ওপরে মাওয়া পেস্তাবাদাম কুচি এবং ছোট ছোট মিষ্টি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

নওয়াবি বিরিয়ানি

উপকরণ: বাসমতি চাল ৩২৫ গ্রাম, খাশির মাংস(ছোট টুকরো করে কাটা) আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি ৩টি, আদা রসুন বাটা আধা চা চামচ, গরম মশলা গুঁড়া ১ চা চামচ, শুকনা মরিচ ৩টি, দারচিনি ১ টুকরো, দই আধা কাপ (ফেটানো), এলাচ ৩টি, গোল মরিচ ৫টি, লবঙ্গ ৫টি, শাহীজিরা আধা চা চামচ,  হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, জাফরান সামান্য সঙ্গে আধা কাপ দুধ, ধনে বা পুদিনাপাতা কুঁচি ১ চা চামচ, আলুবোখারা, কিসমিস, বাদাম, শুকনো ফল, ঘি, লবণ স্বাদ মতো।

প্রণালী: পাত্রে ঘি গরম করে আলুবোখারা, কিসমিস, বাদাম, শুকনো ফল একটু লবণ দিয়ে ভেজে তুলুন।

এবার পেঁয়াজ বেরেস্তা করে নিন।

দই, আদা পেঁয়াজ-রসুন-পেস্ট, হলুদ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে মাংস মেরিনেট করে রাখুন। একটি পাত্রে ঘি গরম করে মাংস দিয়ে রান্না করুন।

এবার অন্য একটি পাত্রে ঘি গরম করে গোটা মশলাগুলো কিছুক্ষণ ভেজে চাল দিন। এখন লবণ দিয়ে পরিমাণ মতো গরম পানি দিয়ে পোলাও রান্না করুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন পোলাও কিছুটা কম সেদ্ধ হয়।

বড় একটি পাত্রে প্রথমে কিছু পোলাও তারপর মাংস দিয়ে একটু একটু গরম মসলার গুঁড়া দিন, এভাবে কয়েকটি লেয়ার করুন। জাফরান ভেজানো দুধ দিয়ে দিন। সবশেষে ভাজা আলুবোখারা, কিসমিস, বাদাম, শুকনো ফল দিন এবার ২০ মিনিটের জন্য চুলার আচঁ কমিয়ে পাত্রের মুখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন।

নওয়াবি বিরিয়ানি সার্ভিং ডিশে তুলে ওপরে ধনে বা পুদিনাপাতা কুঁচি ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

নওয়াবি বিরিয়ানির সঙ্গে একটি কাবাব হলে নওয়াবি ভোজটা জমবে। দেখে নিন বিফ কাবাবের রেসিপি।

বিফ কাবাব
উপকরণ: গরুর কিমা ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ৪ চা চামচ, পাউরুটি ৪ পিস, টমেটো কেচাপ ৪ টেবিল চামচ, আদা বাটা ২ চা চামচ, গরম মসলা বাটা ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, দুধ আধা কাপ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, তেল ১ কাপ কাঠি প্রয়োজন মতো।

প্রণালী: দুধে পাউরুটি ভিজিয়ে নরম হলে কিমার সাথে মিশিয়ে নিন। বাকি সব মসলা দিয়ে ভাল ভাবে মেখে একঘণ্টা রেখে দিন। মুঠি মুঠি করে মুঠো কাবাব তৈরি করে কাঠির সাথে গেঁথে নিন।

এবার পাত্রে তেল গরম করে কাবাব লাল করে ভাজুন। গরম গরম সস এবং সালাদ দিয়ে পরিবেশন করুন।

গরমের সময় ঈদ হচ্ছে এসব খাবারের সঙ্গে চাই একটি ঠাণ্ডা পানীয়। তৈরি করুন সবার পছন্দের বোরহানি।

বোরহানি

উপকরণ
মিষ্টি দই – ২ কাপ, টক দই – ২ কেজি, কাঁচা মরিচ কাটা – ২ চা চামচ, পুদিনা পাতা বাটা – ২ চা চামচ, সরিষা বাটা – ২ চা চামচ, বিট লবণ – ২ চা চামচ, পানি পরিমাণমতো (পাতলা বা ঘন যেমনটি করতে চাইবেন), চিনি – ২ টেবিল চামচ, লবণ – ২ চা চামচ, সাদা গোল মরিচের গুঁড়া – ২ চা চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী
কাঁচা মরিচ, পুদিনা পাতা, একসাথে বেটে নিন। বিট লবণ পাটায় গুঁড়া করে করে নিন। উপকরণগুলো একসাথে অল্প পানি দিয়ে গুলে দই-এর মধ্য দিন। এবার মিষ্টি দই, টক দইসহ সব উপকরণ ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।

বরফ কুচি ও পুদিনা পাতা দিয়ে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ঈদ স্পেশাল রেসিপি

ঘরোয়া উপায়েই দূর করুন গোপনীয় দুর্বলতা

Angry couple mad at each other in their living room

ফিচার ডেস্ক : কখনও ভেবে দেখেছেন কী আপনার নিত্যদিনের ব্যস্ত জীবনযাত্রা আপনার যৌন জীবনের কতটা ক্ষতি করছে। জাঙ্ক ফুড থেকে আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি ক্ষয় হচ্ছে। অন্দরে দুর্বল হয়ে পড়ছে পুরুষের শরীর।
এই ঘাটতি পূরণের জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ। যৌন শক্তি তো আমাদের শরীরেরই অংশ। যদি শরীর সঠিক পুষ্টি না পায় তবে যৌন শক্তির সঠিক বিকাশ সম্ভব হয় না। তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক, ঘরোয়া উপায়েই কীভাবে এ সমস্যার সমাধান করা যায়।
যৌন দুর্বলতার সমাধানে প্রতি সপ্তাহে অন্তত তিন-চার দিন এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।
প্রতিদিন সকালে না পারেন সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন একটি করে ডিম সিদ্ধ খান। দুধ একটি আদর্শ সুষম খাবার। প্রতিদিন দুধ পান করুন। প্রতিদিন নিয়ম মেনে হালকা ব্যায়াম করবেন।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। উপরোক্ত নিয়ম মেনে চললে যৌন দুর্বলতার সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা করা যায়। আর একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, পেট সব সময় পরিষ্কার রাখবেন।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on ঘরোয়া উপায়েই দূর করুন গোপনীয় দুর্বলতা

যে ৭ বিষয়ে বাঙালি মেয়েদের লজ্জা এড়িয়ে চলা উচিত

8de8a8ed64af898478191c8f3d166535নিউজ ডেস্ক : বাঙালি মেয়েরা সবচেয়ে বেশি লজ্জা বোধহয় নিজের শরীরকে ঘিরেই পায়। অথচ, নারী হিসেবে এই লজ্জাই তাদের সৌন্দর্য। কিন্তু হ্যাঁ, অমূলক লজ্জা কখনও আপনার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। আজও আমাদের দেশে বহু নারী লজ্জার কারণে স্তন বা জরায়ু ক্যান্সারের মত ভয়াবহ অসুখকে লুকিয়ে রাখেন। অসংখ্য নারী নিজের ওজন, ত্বকের রঙ বা সৌন্দর্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে নিজেকে বঞ্চিত করেন ও সমাজে নিগৃহীত হন। এই শরীরটি আপনার, একে সম্মান ও ভালোবাসা দিতে হবে আপনাকেই। চলুন, আজ জেনে নিই নিজের শরীরের সঙ্গে জড়িত কোন বিষয়গুলো নিয়ে মোটেও লজ্জা বোধ করবেন না।
এক.
জন্মের পর পরই আমাদের দেশের মেয়েদের শরীরে কালো আর ফর্সা হওয়ার তকমা এঁটে দেওয়া হয়। কালো বা শ্যামলা মেয়ের বিয়ে হবে না, বিয়েতে যৌতুক দিতে হবে অনেক বেশি-ইত্যাদি অমূলক ধারণা যুগে যুগে চলে আসছে এই সমাজে। আর তাই তো কালো ত্বকের মেয়েদের জীবন কেটে যায় হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে। গায়ের রঙ কখনো একজন নারীর পরিচয় হতে পারে না! মাথা উঁচু করে সদর্পে বাঁচুন। আপনার পরিচয় আপনার ত্বকের রঙে নয়।
দুই.
ত্বকের রঙের পরই আসে ওজনের কথা। এই সমাজ কালো মেয়ে তো তাও সহ্য করে নেয়, কিন্তু ওজন বেশি মেয়েকে কেউই মেনে নিতে চায় না। একজন নারীর একমাত্র সম্বল কি কেবল তাঁর দেহ? আর সেই দেহের কাজ কি কেবলই পুরুষকে তুষ্ট করা? উত্তর অতি অবশ্যই “না”। নারীর পরিচয় তাঁর দেহ নয়, সেই দেহ দিয়ে পুরুষের মন ভোলানো নারীর কাজ নয়। নিজের ওজন নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগবেন না কখনোই।
তিন.
নারীরা আরও যে জিনিসটি নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগেন, সেটি হচ্ছে তাঁর স্তন। স্তন দুটিকে আরও একটু বড়, আরও একটু সুন্দর করার চেষ্টা সারা পৃথিবীর নারীরা মগ্ন। কেন? কারণ পুরুষের চোখে বড় স্তন আকর্ষণীয়! নিজের স্তনের আকৃতি নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগা একেবারেই আত্মবিশ্বাস হীনতার পরিচয়। এটা পরিহার করুন।
চার.
অসুখ স্তনে হোক বা গোপন অঙ্গে, কখনও লজ্জা পেয়ে অসুখ চেপে রাখবেন না। আমাদের দেশে অসংখ্য নারী কেবলমাত্র গোপনাঙ্গে অসুখ হয়েছে বলে ডাক্তারের কাছে যান না। বছরের পর বছর অসুখ নিয়ে বেঁচে থেকে নিজেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেন। এই ভুলটি আপনি যেন করবেন না ভুলেও।
পাঁচ.
সারাজীবন লোকে আপনাকে “খাটো” বা “বেঁটে” বলেছে? এই সমস্যাটা পুরুষদের মাঝে অনেক বেশী হলেও নারীদের ক্ষেত্রেও কম নয়। মনে রাখবেন, সৃষ্টিকর্তা সকলকেই বিশেষ ভাবে বানিয়েছেন। আর তিনি যেভাবে তৈরি করেছেন সেটা নিয়েই সকলের খুশি থাকা উচিত।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on যে ৭ বিষয়ে বাঙালি মেয়েদের লজ্জা এড়িয়ে চলা উচিত

যৌন ক্ষমতা বাড়াতে কি খাবেন?

414_73566ডেস্ক রিপোর্ট : রসুন-বর্জিত বাঙালি হেঁসেল! খুঁজলে হয়তো হাতে গোনা মিলবে। বাঙালির সঙ্গে রসুনের সম্পর্ক বহু চর্চিত। রান্না থেকে শুরু করে ছোটখাটো ঘরোয়া টোটকা, রসুনের ব্যবহার বাঙালির ঘরে ঘরে। শরীর সুস্থ ও চনমনে রাখতে রসুনের যে জুড়ি মেলা ভার, তা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন বিশ্বের তাবড় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা।
চিকিৎসকদের মতে, রসুন এমন এক সবজি, যা খেলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে না কোনও রোগই। একই সঙ্গে যৌন ক্ষমতাও বাড়াতে সাহায্য করে। রসুনে বিভিন্ন ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে, অ্যামিনো অ্যাসিড, নানা এনজাইম, অ্যালিসিন অ্যাসিড। তাই কাঁচা রসুন প্রতিদিন খেতে পারলে হার্ট নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। ক্যান্সারকেও রুখে দেয়।
রান্নায় রসুন খাওয়ার চেয়ে কাঁচা রসুন খেতেই পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ, রান্না হয়ে গেলে রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিন অ্যাসিড নষ্ট হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যালিসিনের প্রাথমিক উপকারিতা হল ক্যান্সার রুখে দেওয়া। অ্যালিসিন অ্যাসিড শরীরে ক্যান্সারকে বাসা বাঁধতে দেয় না। তাই কাঁচা রসুন খেলেই একমাত্র অ্যালিসিন শরীরে ঢোকে। রান্না করলে নয়। কাঁচা রসুনের এক বা দুকোয়া খাওয়ার আগে খোলা হাওয়ায় ওই কোয়াগুলি কিছুক্ষণ রেখে তারপর খান। তাতে আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়।
রসুন কাঁচা খেতে অনেকেরই অসুবিধা হয়। তবে দুভাবে খেলে কোনও অসুবিধে হবে না। প্রথমত, যে কোনও ভারী খাবারের সঙ্গেই এক বা দুকোয়া চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারেন। বা কোনও সুস্বাদু গ্রিন জুসের সঙ্গে খেতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ভাত বা রুটির সঙ্গে কাঁচা রসুনের কোয়াগুলি ছোট করে কেটে তরকারির সঙ্গেও খেয়ে ফেলা যায়।
রসুনে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস, যা রক্তে জমা হওয়া ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ধ্বংস করে দেয়। ফ্রি র‌্যাডিক্যাল শরীরের পক্ষে মারাত্মক। ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ডিএনএ ও কোষের মেমব্রেন নষ্ট করে দেয়। আর দূষিত রক্ত ডেকে আনে একরাশ রোগ।
যৌন ক্ষমতা বাড়াতেও রসুনের চেয়ে কার্যকরী আর কিছু নেই। প্রতিদিন রসুন খেলে যৌন ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যায়। এমনকি যাঁরা যৌনতায় অক্ষম, তাঁদেরও ক্রমেই সুস্থ করে তোলে। রসুন কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কোলেস্টেরলের মাত্রা ৯ থেকে ১২ শতাংশ কমিয়ে দেয় রসুন।
রসুন ছত্রাকজনিত সংক্রমণ রুখে দেয়। কারণ রসুনে থাকা অ্যালিসিন ছত্রাকজনিত সংক্রমণের সম্ভাবনা একেবারেই কমিয়ে দেয়।
গাঁটে ব্যথা বা আর্থরাইটিস থেকে স্থায়ী মুক্তি মেলে রসুনে। কোনও অসুখ হলে চিকিৎসকরা নানা অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেন। এসব অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া মারার পাশাপাশি উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলিকেও মেরে ফেলে। সেখানে রসুন হচ্ছে অন্যতম প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। শুধুই ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া নিকেশ করে। উপকারীগুলির কোনও ক্ষতি করে না।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on যৌন ক্ষমতা বাড়াতে কি খাবেন?

বিপথগামী স্বামীকে সুপথে আনতে যা করবেন স্ত্রী!

stock-photo-love-triangle-791216ফিচার ডেস্ক : আপনার স্বামী যদি হন এমন একজন, যিনি নামাজ পড়েন না অথবা দাড়ি শেভ করেন, অথবা গান শোনায় অভ্যস্ত, অথবা সিনেমায় আসক্ত, অথবা নোংরা ভাষায় কথা বলেন, কিংবা যদি হয় সেন্টিমেন্টাল বা গোঁয়ার টাইপের, অথবা কৃপণ প্রকৃতির, অথবা এমন বহু রকমের দোষে দুষ্ট । আর আপনি তার এসব আচরণ বদলাতে চান। প্রাণপণে কামনা করেন, যেনো সে শুধরে যায়। যন্ত্রণায় আর পরিতাপে দগ্ধ হয়ে আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন কিভাবে আমি তার ওপর প্রভাব খাটাতে পারি? কী করে তাকে আমি শোধরাতে পারি? তাকে বদলাতে পারি? তাকে ভালো করে, সুস্থ করে সুপথে ফিরিয়ে আনতে পারি? তাহলে আপনার জন্যে এই টিপসগুলো অবলম্বন করা একান্ত জরুরি ।
১. নিজে ত্রুটিমুক্ত থাকুন : আপনি যেসব দোষ আপনার স্বামীর দেহ-মন কিংবা আচরণ থেকে বদলে ফেলতে চান, প্রথমত আপনাকে সে-সব আচরণ থেকে অবশ্যই দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোনোক্রমেই সে সব আচরণ তার সামনে যেনো প্রকাশ পেয়ে না যায়, সে জন্যে সাবধান থাকুন ।
২. তাকে বলুন, সে একজন ভালো মানুষ : এটা আপনাকে ও আপনার স্বামীকে সব রকমের মনমালিন্য থেকে দূরে রাখবে। তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। তার দোষগুলো তার সামনে উপস্থাপন না করে বরং কৌশলে বোঝানোর চেষ্টা করুন, তার এ কাজটি করা তেমন ভালো হয়নি।
৩. চ‚ড়ান্ত সময় বেঁধে দেবেন না : অনেকবার হয়তো ভেবেছেন চ‚ড়ান্ত কোনো সময় বেঁধে দেবেন। ভেবেছেন বলবেন, ‘যদি এটা বন্ধ না হয়, তাহলে কিন্তু চললাম, নিজের পথ বেছে নিলাম’। এভাবে সময় বেঁধে দিয়ে সম্পর্ক আদৌ ঠেকানো যায় না। মনোবিদদের মতে, আপনি যদি সত্যিই সম্পর্ক অথবা সংসার টিকিয়ে রাখতে চান, তাহলে এহেন ‘শেষ কথা তত্ত¡’ থেকে বেরিয়ে আসুন।
৪) ভালো বই পড়তে দিন : হ্যাঁ, ভালো বই তাকে পড়তে দেয়া একটি অসাধারণ কাজ হবে। তবে এটা তাকে সরাসরি দিলে, সে অন্যকিছু ভাবতে পারে। তাই ভালো কিছু বই তার চারপাশে রেখে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। তার শোবার ঘরে, গাড়ির সামনের বক্সে কিংবা ড্রয়িংরুমেও রাখতে পারেন। তবে তাকে পড়তে অনুরোধ করবেন না।
৫) ক্ষমতা দেখানোর চেষ্টা পরিহার করুন : ‘তোমার আচরণ অসহনীয়। আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো’ এ ধরনের হুঁশিয়ারি কিছুটা ক্ষমতায়নের কাজ করে। ভাবখানা এমন যেন পুরো ব্যাপারটির নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে চলে আসছে। কিন্তু একবারও কি ভেবেছেন শেষ পর্যন্ত এর পরিণতি কী। মনে রাখবেন, পরিবারে পুরুষ তার থেকে ক্ষমতাধর কাউকে সহ্য করে না।
৬) তার সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করুন : স্বামী অথবা সঙ্গীটি যদি আরেকটি সম্পর্ক বজায় রাখেন, আসক্ত হন, পরিবারের চেয়ে কর্মক্ষেত্র অথবা অন্যত্র বেশি আগ্রহী হন, তাহলে বুঝতে হবে সে নিজের ভেতরে সুখী হবার প্রেরণা পাচ্ছে না। সে জানে, তার কাজটি ভুল। তার যে অনুতাপ হয় না, তা নয়। সমস্যা হলো, তার মনের ভেতরে সুপথে আসার, শুদ্ধ হওয়ার তাগিদ নেই। সঙ্গীকে সুপথে আসতে প্রাণিত করতে তার সঙ্গে সম্পর্ক গাঢ় করতে হবে।
৭) প্রমাণ করুন, আপনি তার একান্ত অনুগত : নারীর ভালোবাসায় পুরুষ গলে যাবে ঠিকই, কিন্তু সেজন্য নারীকে হতে হবে এমন ন¤্র ও শান্ত এবং এতটা ধীমতি ও প্রণতিপরায়ণা যে, পুরুষ অনুভব করে যেনো আপনি তার ‘একান্ত অনুগত’ এবং ‘তার বাসনায় পরিচালিত’। আপনি তার হাতের থেকেও বেশি অনুগত হয়ে যান এবং তার দিবাস্বপ্নের চেয়ে অধিক সজাগ থাকুন ।
৮) তাকে বেশি বেশি সময় দিন : স্বামীর আচরণ ভালো লাগছে না বলে তার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবেন না। এতে সে আরো মন্দ লোকদের দলে ভিড়ে যাবার সুযোগ পাবে। তার কাছাকাছি থাকুন। তাকে আপনার কাজে সহায়তা করার সুযোগ দিন। বোঝান, সে ছাড়া আপনার একদম ভালো লাগে না। এ চেষ্টায় একবার নিয়ত হলেই পেয়ে যাবেন তাকে প্রভাবিত করার চাবিকাঠি।
৯) আপনিই আগে ক্ষমা চান : দাম্পত্যে ঝগড়া কার হয়না বলুন? কিন্তু ঝগড়া হলেই গাল ফুলিয়ে বসে থাকবেন না, কিংবা স্বামীর থেকে নিজেকে আলাদা করে নেবেন না। নিজের দোষ কম হোক অথবা বেশি, নিজেই উদ্যোগী হয়ে ক্ষমা প্রাথনা করুন। যদি অন্য স্বামীর দোষ হয়ে থাকে, তাহলেও তাকে দোষারোপ করবেন না। তাতে সে কখনও আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে পারবে না।
১০) রাগের কারণ বুঝতে চেষ্টা করুন : বিয়ের পর আবিষ্কার করলেন আপনার স্বামী মাঝেমধ্যে রেগে যান। প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে সচেতন হোন। রাগের কারণ বুঝতে চেষ্টা করুন। তারপর তাকে জানান যে, এখন আর সে একা নয়, আপনিও তার সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করতে পারেন ।
মনে রাখবেন, নারীকে সৃষ্টি করা হয়নি পুরুষের মাথার অংশ থেকে, যেনো সে মর্যাদায় পুরুষকে ছাড়িয়ে না যায়। পুরুষের পায়ের অঙ্গ থেকেও সৃষ্টি করা হয়নি তাকে, যেনো সে পুরুষের কাছে অবহেলার পাত্র না হয়। নারীকে বের করা হয়েছে পুরুষের পাঁজর থেকে, যেনো সে থাকে তার বাহুর নীচে, হৃদয়ের কাছে। যেনো পুরুষ তাকে ভালোবাসতে পারে এবং তার থেকে ভালোবাসা পেতেও পারে। নারীর ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এমন চমৎকার এক ঝরনার উৎসরণ ঘটাতে পারে, যার পরশ পেলে অনায়াসে গলে যাবে পুরুষের মস্তিষ্ক। যেমন- পানির গভীরতা পাথরকেও নরম করে ফেলে এবং গলিয়ে দেয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই জেগে উঠবে তার হৃদয়, তার বিবেক। ঘুম ভাঙবে তার চেতনার। সচেতন হবে সে তার সম্পদ ও ভবিষ্যতের ভাবনায়।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on বিপথগামী স্বামীকে সুপথে আনতে যা করবেন স্ত্রী!

বাড়ছে দাম্পত্য কলহ, বাড়ছে হত্যাকাণ্ড?

0,,17500726_303,00ডেস্ক রিপোর্ট : ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসের রাত। স্বামী প্রহলাদ চন্দ্র দে’র সাথে প্রতিদিনের মত একই রুমে ঘুমাতে যান সীমা মিত্র। রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ সীমার আর্ত চিৎকারে জেগে ওঠে পাশের বাড়ির কয়েকজন। দেয়াল টপকে প্রবেশ করে বাড়ির ভেতর।
সীমাকে তারা ঘরের মধ্যে আবিষ্কার করে আগুনে জ্বলন্ত অবস্থায়। স্বামী প্রহলাদ তখনো বাড়িতে আছেন তবে তার শরীরে আগুনের কোন আঁচ লাগেনি। সীমাকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরাই প্রথমে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে খবর পায় তার পরিবার। সীমার ভাইয়ের ছেলে শুভাশিস মিত্র সেদিন সীমার পাশে হাসপাতালে ছিলেন।
তিনি বলছিলেন “ আমার ফুফু রাতে ঘুমাতে যায়। রাত একটার দিকে তার চিৎকারে পাশের বাসার কয়েকজন আসেন। কিন্তু আমার ফুফুর স্বামী দরজা খোলেননি। পরে তারা প্রাচীর টপকে ঘরে ঢোকে। আশ্চর্যের বিষয় হল আমার ফুফা বাসায় ছিল, সে নির্বিকার এবং তার কোন ক্ষতি হয়নি। আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে যেয়ে দেখি আমার ফুফুর শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে”।
হাসপাতালে নেওয়ার তিনদিন পর মারা যান সীমা মিত্র। মারা যাওয়ার সময় সীমা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এধরনের আচমকা মৃত্যু আর তার কারণ জানা না থাকায় হতবিহবল হয়ে পরে সীমার পরিবার। পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে, তদন্তে বেরিয়ে আসে সীমার স্বামীর আরেকজন নারীর সাথে সম্পর্ক থাকার বিষয়টি।
গত বছরের মে মাসে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার গোপীপাড়ায় দেবর ও ননদের হাতে বেধড়ক মারপিটের শিকার হন তিন সন্তানের মা মিনু আরা বেগম। খবর পেয়ে তার ভাই কামরুল হাসান ঘটনাস্থলে যান। উদ্ধার করেন বোনকে।

10898288_777059222372094_4600698143602377551_n-633x336
তিনি বলছিলেন “সেদিন আমার বোন রান্না ঘরে কাজ করছিল, তার স্বামী যেয়ে তাকে মারা শুরু করে, পরে তার দেবর-ননদ এসে গ্রিলের সাথে বেঁধে মারে। আমি খবর পেয়ে বোনকে রক্তাক্ত অবস্থায় পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাই”।
মিনু আরা বেগম তিনদিনের মাথায় মারা যান হাসপাতালে। ভাই কামরুল হাসানের ভাষায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের কারণে ঘটে এই হত্যাকাণ্ড। এ ধরনের পারিবারিক বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডের খবর সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হচ্ছে হরহামেশা।
স্বামীর হাতে স্ত্রী, স্ত্রীর হাতে স্বামী, ভাইয়ের হাতে ভাই,বাবা-মার হাতে সন্তান, সন্তানের হাতে বাবা মাকে মারার ঘটনার খবর চাঞ্চল্য তৈরি করে। এর কোন কোন টি- খবরের পাতায় স্থান পায়, আর বেশির হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কোন খবর হয় না।
বাংলাদেশ পুলিশের এক পরিসংখ্যান বলছে পারিবারিক কলহের জের ধরে গত পাঁচ বছরে প্রায় ১০ হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু হত্যার মামলা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলছিলেন বছরে মোট হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪০ শতাংশ হচ্ছে পারিবারিক হত্যাকাণ্ড।
নিহত ব্যক্তির কোন শিশু সন্তান বেঁচে থাকলে মামলা গুলো সমঝোতার দিকে গড়াচ্ছে
তিনি বলছিলেন “ ২০১০ সালে পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ছিল ১৬৭৫টি, ২০১১ সালে ১৬৮৮টি এবং ২০১২ সালে ১৫৩৫। সুতরাং টোটাল যে হত্যাকাণ্ড হচ্ছে দেশে তার ৩৯-৪০ শতাংশ হচ্ছে এই পারিবারিক হত্যাকাণ্ড”।
গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ীর পূবালী এলাকার এক বাড়িতে গৃহবধূ সুরভী আক্তারকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন তাঁর স্বামী সাজ্জাতুল ইসলাম রাসেল। পরদিন থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।
কক্সবাজারে গত মে মাসে এক ব্যক্তি তার তিন মেয়েকে শিরশ্ছেদ করেন পারিবারিক অশান্তির জেরে, তিনিও পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত বছরের ১৩ অক্টোবর রাজধানীর মিরপুরে সালাহউদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার পর থানায় ফোন করে খবর দেন তাঁর স্ত্রী লাবনী আক্তার। পুলিশ লাবনীকে গ্রেপ্তার করে । এসব ঘটনা গণমাধ্যমে খবর হলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কোন কারণে মতের অমিল হলে বা বিরোধ হলে সেটা কেন হত্যার পর্যায়ে যাচ্ছে? বা মানুষের মধ্যে পরিবারের সদস্যদের খুন করার এই প্রবণতা কেন? এসব বিষয় নিয়ে আমি কথা বলেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জিয়াউর রহমানের সাথে।
অধ্যাপক রহমান বলছিলেন “ বাংলাদেশের যে ট্র্যাডিশনাল ভ্যালু নিয়ে দীর্ঘদিন চলতো সেখান থেকে হঠাৎ করে জাম্প করেছে, সাথে যোগ হয়েছে গ্লোবালাইজেশন”। “ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও আকাশ সংস্কৃতির কারণে এবং দ্রুত কম্পিউটার, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দ্রুত মডার্ন ভ্যালুস গুলো বাংলাদেশের সোসাইটির মধ্যে চলে আসছে” উল্লেখ করছিলেন তিনি। তিনি বলছিলেন “এসব কারণ আলটিমেটলি একটা সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি হচ্ছে। এটা একটা বড় কারণ এছাড়া, মানুষের হাতে এখন টাকা পয়সা চলে এসেছে। ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্কের নতুন রূপ দেখতে পাচ্ছি”।
গত কয়েক বছরের ঘটনা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দাম্পত্য কলহ, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক, যৌতুক, মাদকাসক্ত এসব বিষয় রয়েছে হত্যাকাণ্ড গুলোর মূল কারণ হিসেবে।

২০১০ সালে সম্পত্তি ও টাকা পয়সা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বাবা মোঃ. শহিদুল্লাহকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে খুন করেন ছেলে বদরুল। চলতি মাসের ২২ তারিখে খুলনার একটি আদালত বদরুলকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। কিন্তু এ ধরনের রায় আসতে সময় লাগে বেশ কয়েক বছর। পরিবারের এক সদস্যের হাতে যখন আরেক সদস্য নিহত হন তখন সেই মামলা চূড়ান্ত রায় বা মামলার নিষ্পত্তি কি পরিমাণ হচ্ছে?
পারিবারিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন আইনজীবী শাহিন মমতাজ বলছিলেন, এর কোন পরিসংখ্যান পাওয়া না গেলেও দীর্ঘ দিনের পর্যবেক্ষণে তিনি দেখেছেন বেশির ভাগ মামলা কয়েক বছর পর পরিবারের মধ্যেই আপোষ-রফা করে ফেলার হার সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলছিলেন “ প্রথমত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হত্যাকাণ্ড হলে যদি কোন শিশু জীবিত থাকে তাহলে সে মামলা অবধারিত ভাবে মিউচুয়ালের দিকে যেতে দেখেছি। এছাড়া বিচার ব্যবস্থায় দীর্ঘ সময় লাগার কারণে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তাৎক্ষনিক যে মানসিক অবস্থা থাকে সেটা কেটে যায়। ৫/৭ বছর পর তারা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে আদালতে মামলা তুলে নেয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। আর ১০/১৫ বছর ধরে মামলা চালিয়ে রায় পাওয়া পর্যন্ত খুব কম মামলা চলে বলে আমাদের কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি”।
বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় দ্রুত বিচারের বিধান রয়েছে। তবে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হত্যার শিকার হলে সেটা খুনের মামলা হিসেবেই পরিচালিত হয়। ফলে অন্যান্য খুনের মামলার মত পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের বিচার চলে।
পুলিশের অপরাধ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলছিলেন এটি একটি সামাজিক অপরাধ হলেও আলাদা করে বিচার পরিচালনা করার জন্য বিশেষ কোন ব্যবস্থা এখনো বাংলাদেশে নেই। তাছাড়া অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলার কাজ করতে যেয়ে আরও দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে পড়ে যায় এই মামলাগুলো।
শুরুতে সীমা মিত্রের কথা বলছিলাম- তার হত্যাকাণ্ডের রায় হয়েছিল ঘটনার ২০ বছর পর। আদালতে প্রমাণিত হয় স্বামী প্রহলাদ চন্দ্র দে’র বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জেনে যাওয়া এবং না মেনে নেওয়ার কারণেই স্বামীর হাতে খুন হন সীমা মিত্র। প্রহলাদ মিত্রের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।
আর মিনু আরা বেগমের স্বামীসহ আরো আটজনকে আসামী করে মামলা করা হয়। যাদের মধ্যে ৭ জন এখন জামিনে বাকি একজন পলাতক। এখন মামলা লড়ছেন তার ভাই কামরুল হাসান। তবে এই দুই ঘটনার যে বিচারিক প্রক্রিয়া- সেটা, হাতেগোনা ঘটনা গুলোর মতই। কারণ পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের পর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমঝোতা করে ফেলার ঘটনা যেন বেশি উদাহরণ সৃষ্টি করছে । -বিবিসি বাংলা

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on বাড়ছে দাম্পত্য কলহ, বাড়ছে হত্যাকাণ্ড?

সুখি দাম্পত্য জীবনের যাদুকরী ফর্মুলা!

February............. Fourteen 19ডেস্ক রিপোর্ট : আগে বলা হতো যেসব যুগল একসঙ্গে খেলাধুলা করেন তাদের বিয়ে বেশিদিন স্থায়ী হয়। কিন্তু গবেষকরা এখন বলছেন সুখি দাম্পত্য নিশ্চিত করার জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর পন্থা হল নগ্ন হয়ে শোয়া।
সম্প্রতি ব্রিটেনে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৭ শতাংশ যুগল- যারা নগ্ন হয়ে বিছানায় যান তারা যে ৪৮ শতাংশ যুগল পায়জামা পরে বিছানায় যায় তাদের চেয়ে অনেক বেশি সুখি। ওই জরিপে ১ হাজার ব্রিটিশ দম্পতি অংশগ্রহণ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নগ্ন হয়ে বিছানায় গেলে যুগলদের পরস্পরের শারীরিক স্পর্শ অনেক বেশি কোমল অনুভুত হয়। এর ফলে নিজেদের মধ্যে অনেক খোলামেলা বোঝাপোড়া হয় ও ঘনিষ্ঠতা গাঢ় হয়। যার পরিণতিতে দাম্পত্য জীবনে সুখ বাড়ে।
তবে সুখি দাম্পত্যের ক্ষেত্রে আলাদা বেডরুম, আলাদা বাথরুম, ঝগড়া-ঝাটি ও সহবাস প্রভৃতিরও ইতিবাচক ভূমিকা সম্পর্কিত আলাদা আলাদ তত্ত্ব রয়েছে।
জোড়া ডেট: বিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন কোনো যুগল যদি অন্য আরেকটি যুগলের সঙ্গে নিজেদের প্রেম-রোমান্সের কথা শেয়ার করতে পারেন তাহলে তারা সুখি হন। ফলে অন্য যুগলের সঙ্গে জোড়া ডেটিংয়ে গেলে সুখও দ্বিগুন হয়ে যাবে। ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ডের মনোবিজ্ঞানীরা গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন জোড়া ডেটিংয়ে যুগলরা নিজেদের মাঝে আরো বেশি ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সুযোগ পান এবং নিজেদের সম্পর্কে আরো বেশি জানতে পারেন।
ওই গবেষণার প্রধান অধ্যাপক জিওফ্রে গ্রিফ বলেন, ‘যেসব যুগলের যুগল বন্ধু আছে তারাই দাম্পত্য জীবনে বেশি সুখি হন ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন লাভ করেন।’ তবে জোড়া ডেটিংয়ের বিপদও আছে। তিনি বলেন, আমরা কিছু যুগলের সাক্ষাৎকার নিয়ে জানতে পেরেছি জোড়া ডেটিংয়ে গিয়ে কোনো যুগলের একজনের সঙ্গে অপর যুগলের কোনো সদস্যেরও সম্পর্ক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
আলাদা বাথরুম: ডায়নাস্টি তারকা জোয়ান কলিনস জীবনে পাঁচবার বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। ফলে দাম্পত্য বিষয়ে তার বিশেষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ৮১ বছর বয়সী ওই তারকা বলেন, আমি কোনো স্বামীর সাথে একই বাথরুমে প্রবেশ করিনি। এমনকি আমি মনে করি যুগলদের জন্য আলাদা আলাদা বাথরুম থাকা দরকার।
এছাড়া তিনি, যুগল সদস্যদের পরস্পরের জীবনে হস্তক্ষেপ না করারও পরামর্শ দেন। ভারতীয় ফ্যাশন কনসালট্যান্ট সাবিনা চোপড়াও মুম্বাই মিররকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোয়ান কলিনসের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘দু’জন মানুষের মাঝে একটু দূরত্ব বজায় রাখার মানেই কিন্তু এমন নয় যে তারা পরস্পরের সঙ্গ উপভোগ করছেন না। আর পুরুষরা বাথরুমে ঢুকলে একটু ভয়ানক আচরণই করে বটে।’
গায়ের গন্ধ: হলিউড অভিনেত্রী গোল্ডি হন (৬৮) তার স্বামী কুর্ট রাসেল (৬৩) এর সঙ্গে ঘর করছেন ৩০ বছর ধরে। তিনি বলেন, দাম্পত্য জীবন দীর্ঘ হওয়ার একটি বড় সূত্র হলো পরস্পরের গায়ের গন্ধ পছন্দ হওয়া। গায়ের গন্ধ পছন্দ হলে পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও বাড়ে।
আলাদা বিছানা: আলাদা বিছানায় ঘুমালে পরস্পরের বদঅভ্যাসগুলো থেকে মুক্ত থাকা যায়। ইউনিভার্সিটি অব সুরিতে একটি স্লিপ ল্যাবরেটরি চালান ড. নেইল স্ট্যানলি। তিনি বলেন, দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য একই বিছানায় ঘুমাতে হবেই এমন কোনো কথা নেই। এটা একটা আজগুবি কথা। আর যেসব দম্পতির সদস্যরা অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে বিছানায় যায় তাদের মধ্যে তালাকের হার বেশি। হলিউডের একটু ভিন্ন ধরনের যুগল টিম বার্টন ও হেলেনা বোনহাম কার্টার একসঙ্গে একই বিছানায় ঘুমান না। এমনকি প্রকৃতপক্ষে তারা পাশাপাশি দুটো আলাদা বাড়িতে বসবাস করেন। কারণ টিম বার্টন ঘুমানোর সময় নাক ডাকেন।
ঝগড়া করা: দীর্ঘদিন ধরে সংসার করছেন এমন কোনো যুগল যদি বলেন যে তারা ঝগড়া করেন না। তাহলে বিশ্বাস করবেন না। কারণ ঝগড়া করা স্বাস্থ্যকর।
সপ্তাহে তিন দিন সহবাস করা: একটি যথাযথ দাম্পত্য জীবন লাভের গুপ্ত কথা হলো- সপ্তাহে অন্তত তিনদিন মোট অন্তত সাতবার যৌন সহবাস করা। যুক্তরাষ্ট্রে চালানো এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। ১ হাজার বিবাহিত যুগলের উপর চালানো ওই গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব যুগল সপ্তাহে অন্তত ১০ বার পরস্পরকে চুম্বন করে, টিভি সেটের সামনে বসে পরস্পরকে সপ্তাহে অন্তত ছয়বার গাঢ় আলিঙ্গন করে এবং মাসে অন্তত ১০ বার অর্থপূর্ণ সংলাপ করে তারা দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখি।

Posted in লাইফস্টাইল | Comments Off on সুখি দাম্পত্য জীবনের যাদুকরী ফর্মুলা!

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud