পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

এলাচদানার গুণকথা

whole-green-cardamom-pods-x28-cardomom-cardamon-x29-200g-1256-pঢাকা: সাধারণত এলাচ একটি মসলা। এলাচকে বলা হয় মসলার রানী। এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় এলাচ। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা। আমাদের দেহের জন্য এলাচ বেশ উপকারী। চলুন জেনে নেই এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

১। আপনি কি মুখের দুর্গন্ধ, মাঢ়ি দিয়ে রক্তপাত অথবা দাঁত ক্ষয় হওয়ার মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে কালো এলাচ মুখে নিয়ে চিবুতে পারেন। কারণ এলাচের নির্যাস মুখের সমস্যা দূর করতে কার্যকর একটি ওষুধ।

২।এলাচ ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত এলাচ খাওয়া উচিত।

৩। যারা শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যা হুপিংকাশি, ফুসফুস সংক্রমণ ও অ্যাজমার মতো সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য এলাচ খুবই উপকারী।

৪। মাথাব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে এলাচ তেলের ব্যবহার করতে পারেন। এতে দ্রুত সুফল পাওয়া যায়।

৫। এটি অনুভূতি নষ্ট হয়ে যাওয়া সমস্যা দূর করে ও অস্থিরতাকে প্রশমিত করে।

৬। কালো এলাচ হার্ট সুস্থ রাখে, রক্তচাপ ও ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তসঞ্চালন বাড়ায়।

৭। কালো এলাচ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এ ছাড়া এলাচ সঠিক রক্তসঞ্চালনে সহায়ক।

৮। এতে থাকে ভিটামিন সি, যা রক্তসঞ্চালন ও ত্বক সমস্যা দূর করে।

৯। রূপচর্চায় এর জুড়ি নেই। রূপচর্চা ও চেহারার কালো দাগ দূর করতেও এলাচ বিশেষভাবে কার্যকরী।

তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on এলাচদানার গুণকথা

শীতের শুরুতে হাঁপানি প্রতিরোধে ১০ টি জরুরী কাজ

asthmaযাদের হাঁপানি বা অ্যাজমা রয়েছে তাদের পুরো বছরই বেশ সচেতন থাকতে হয়। ধুলোবালি এবং অন্যান্য জিনিস যা অ্যাজমার প্রকোপ বাড়ায় সেগুলো থেকে দূরে থাকলে হাঁপানি রোগীরা বেশ সুস্থই থাকেন। কিন্তু শীতের শুরুর দিকে বিশেষ সর্তকতার প্রয়োজন পড়ে। কারণ। এই সময়ে আবহাওয়া বেশ শুষ্ক হয়ে যায় এবং ধুলোবালি বেশি হয়। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক শীতের শুরুতে হাঁপানি প্রতিরোধে করতে যে কাজগুলো করা জরুরী।
১) ঘরোয়া জীবাণু মাইট কমানোর চেষ্টা করুন। নিয়মিত কাপড় চোপড় ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন। এখনই রোদে কাঁথা কম্বল, লেপ, তোষক দিয়ে নিন। এবং সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কাভারও রোদে দিন।
২) শোয়ার সময় বালিশ ঢেকে রাখুন পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে।
৩) ঘরের কার্পেট, ম্যাট সরিয়ে ফেলুন। নতুবা এগুলোতে ধুলো আটকে থাকবে।
৪) ঘন ঘন হালকা গরম পানি বা স্বাভাবিক পানি পান করুন। এতে শ্বাসনালীতে তৈরি হওয়া কফ পাতলা থাকবে। এতে করে কাশি কমবে, শ্বাসকষ্ট কমবে।
৫) সম্ভব হলে পুরো ঘর সপ্তাহে অন্তত ১ বার ভ্যাক্যুয়াম ক্লিন করুন।
৬) দরজা জানালার পর্দা, মশারি এগুলোও নিয়মিত ধোবেন এবং কড়া রোদে শুকিয়ে নেবেন।
৭) এলার্জি স্কিন টেস্টের মাধ্যমে জেনে নিন কোন কোন কারণে আপনার দেহে অ্যালার্জেন ঘটে এবং সেসকল জিনিস থেকে দূরে থাকুন।
৮) বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন।
৯) নিজে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। এবং বাড়িঘরের অ্যালার্জেন ও হাঁপানির প্রকোপ বাড়ায় এমন জিনিস দূর করুন। ঘর দোরের ধুলো-বালি ঝেড়ে মুছে পরিস্কার রাখুন।
১০) চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ খান।

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on শীতের শুরুতে হাঁপানি প্রতিরোধে ১০ টি জরুরী কাজ

বছরে ১৩ হাজার শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে

ঢাকা: বর্ষা, পাবনার প্রত্যন্ত এক গ্রামের দরিদ্র কৃষক পরিবারের মেয়ে। বয়স মাত্র ৯ বছর। বছর দুয়েক আগে ক্যান্সার ধরা পড়ে তার। সেই থেকে টানা চিকিৎসা চলছে। ডাক্তারের ভাষ্য, বর্ষা সুস্থ হবে এমন নিশ্চয়তা তারা দিতে পারেন না। তবে সাধ্যমতো চিকিৎসা চালাচ্ছেন। প্রতিদিন বর্ষার পথ্য ৪টি করে ইনজেকশন। সঙ্গে নানা ওষুধ। যাতে ব্যথার কিছুটা উপশম হয়। বর্ষার মতোই আরও এক শিশু তানহা। পরিবারের কারও ব্লাড ক্যান্সার না থাকলেও গত দেড় বছর আগে তানহার ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়েছে। তার বয়স এখন মাত্র ৭ বছর। বর্ষা ও তানহার মতো ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রায় অর্ধশত শিশু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের শিশু হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগে ভর্তি রয়েছে। যারা প্রতিনিয়ত মরণব্যাধি এ রোগ নিয়ে পড়ে আছে। বর্ষা বা তানহার মতো শিশুদের দেহে ক্যান্সারের মতো মরণ রোগের প্রবেশ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তথ্য মতে, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৩ হাজার শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। যার অধিকাংশই নথিভুক্ত হয় না। পেডিয়াট্রিক অনকোলজি ন্যাশনাল ডাটাবেইজ (পিওএনডি) সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর প্রায় সাড়ে ১২ হাজার আর সমগ্র দুনিয়ায় সংখ্যা ২ লাখের কাছাকাছি। ডাটাবেইজ অনুযায়ী, দেশে বছরে ১৩ হাজার শিশুর বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার ধরা পড়ে। তবে মৃত্যু হয় কত শিশুর স্পষ্ট কোনো হিসেব নেই। তবে তথ্য বলছে, বাংলাদেশে ক্যান্সারের তুলনায় অপুষ্টি আর অপুষ্টিসহ অন্য রোগে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশি।10407185_872820246076273_9120501104197499241_n

যেভাবে শিশুদের মধ্যে ক্যান্সারের উপস্থিত বাড়ছে তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক মনে করছেন শিশু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা তারা বলছেন, দেশে যে হারে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে, তার মাত্র ১০ শতাংশেরও কম রোগী চিকিৎসার আওতায় আসছে। বাকি ৯০ শতাংশ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু যথাযথ চিকিৎসার আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
সূত্র অনুযায়ী গত ২ বছরে ২৬ হাজার ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু রোগীর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে মাত্র ১৩৩৫ জনকে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান শিশু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. আফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, গত ৪ বছর আগেও বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুদের ৯০ শতাংশই মারা যেত। একই সময়ে উন্নত রাষ্ট্রে ক্যান্সারের আক্রান্ত ৯০ শতাংশ শিশুই চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, ২০১২ সালের আগে দেশে কি সংখ্যক ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু রয়েছে তার কোনো তথ্য ছিল না। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে আমেরিকা ও কানাডা ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতালের সহায়তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদাভাবে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিভাগ চালু হয়। সেই থেকে ওই দুই কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্স নানা সময়ে বাংলাদেশে এসে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার ও নার্সদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে।
প্রফেসর ডা. আফিকুল ইসলাম বলেন, শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবণতা ব্লাড ক্যান্সারের, এর পরে রয়েছে ব্রেন টিউমার, বোন টিউমার ইত্যাদি। ২০১২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ১৩৩৫ জন ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশ এখনও এ বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বলেন, চিকিৎসায় ৫৮ শতাংশ রোগী সুস্থ হলেও বাকি ৪২ শতাংশ রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব হয়নি। যদিও আশার বিষয় শিশু ক্যান্সারের ৭৫ শতাংশ নিরাময় করা সম্ভব।
পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের চিকিৎসক সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সমীক্ষায় যেটা দেখা যাচ্ছে সেটা বেশ আশ্চর্যজনক। ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের মাত্র ৫ শতাংশ বংশগত সূত্রে জিন মারফত ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। বাকি প্রায় ৯৫ শতাংশ কিন্তু জন্ম পরবর্তীকালে পারিপার্শ্বিক কারণে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবণতা ব্লাড ক্যান্সারের, যা শতকরা ৬০ শতাংশেরও উপরে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা (শিশু ক্যান্সার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া) ক্যান্সার ধরতেই পারছেন না। এর কারণ শিশু ক্যান্সারের আলাদা লক্ষণ, কখনও বা জ্বর, কখনও দেহে বিশেষ চিহ্ন বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ইত্যাদি আলাদা উপসর্গ থেকে ক্যান্সার দেখা দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে, জিনগত ক্যান্সার ছাড়া নগরায়নের পরোক্ষ প্রভাবেই শিশুদের মধ্যে ক্যান্সারের ঘটনা বাড়ছে। ভাইরাস, দূষণ আর বিকিরণের মাত্রা বৃদ্ধি ক্যান্সারের মূল কারণ। শিশু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিক মাত্রায় শিল্পায়ন, উন্নয়ন শিশুদের শরীরে ক্যান্সার জন্ম দিচ্ছে। আমেরিকা আর কানাডায় শিশু মৃত্যুর প্রধান কারণ ক্যান্সার। ইউরোপে বছরে প্রায় ৭ শতাংশ শিশু ক্যান্সারে মারা যায়। এসব তথ্য থেকেও এটা পরিষ্কার যে, নগরায়ন আর শিশু ক্যান্সারের বৃদ্ধির মধ্যে সমানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
তথ্য মতে, ফরমালিনযুক্ত নানা খাবার, ফলমূল এবং পানি ও বাতাসবাহিত ভাইরাস তথা কম অনাক্রমণ্যতা জন্ম দেয় জিন পরিবর্তনের, যা ক্যান্সারের পথ প্রশস্ত করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বছর তিনেক আগেও মাসে ১-২ জন শিশু ক্যান্সার পরীক্ষা করাতে আসতো। আর এখন প্রতিদিন অনেক শিশু আসে। তথ্য মতে, জিনগত ছাড়াও প্রতিদিন শিশুরা যে খাবার খাচ্ছে বা শ্বাস নিচ্ছে তার থেকেও শরীরে ক্যান্সারের অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে।
শিশু বিশেষজ্ঞ ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. এমআর খান বলেন, দেশের এক-তৃতীয়াংশ শিশুর ক্যান্সার সঠিক সময়ে নির্ণয় করতে পারলে নিরাময় সম্ভব। সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ ব্যাপারে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে এগিয়ে আসতে হবে।
মেয়েদের বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় লাইফ স্টাইল ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রিক প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আমিনুল হক যুগান্তরকে জানান, টাওয়ারের বিকিরণে শুধু শিশুই নয়, সব বয়সী মানুষেরই ক্ষতি হয়। তার মতে, বাড়ির কাছাকাছি টাওয়ার থাকলে তার বিকিরণে মানুষের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক যুগান্তরকে বলে, মোবাইল টাওয়ারের বিকিরণে জনস্বাস্থে প্রভাব পড়ছে এমন কোনো সঠিক তথ্য নেই। বিকিরণের ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হচ্ছে এমনটা হলে অবশ্যই তা যথাযথ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলবেন জানিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তির চেয়ে জনস্বাস্থ্য বেশি জরুরি।

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on বছরে ১৩ হাজার শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে

জন্মনিরোধক সার্জারি : ভারতে ৮ নারীর মৃত্যু

timthumb (3)নিউজ ডেস্ক : ভারত সরকারের বিনামূল্যে জন্মনিরোধক সার্জারি প্রকল্পের একটি শিবিরে সোমবার আট নারী মৃত্যুবরণ করেছেন। আরও ৩০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর বিবিসি ও এনডিটিভির। ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত শিবিরে গত শনিবার ‘পরিবার পরিকল্পনা’ প্রকল্পের আওতায় অনেক নারীকে বিনামূল্যে সার্জারি করা হয়। এরপর থেকেই তাদের গায়ে জ্বর আসে। চিকিৎসার জন্য ওই নারীদের আবারও হাসপাতালে আনা হলে সোমবার বিকেলের মধ্যে আটজন মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে শনিবার বিলাসপুরের পেন্দারি এলাকায় সরকারচালিত নেমিচাঁদ হাসপাতালে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে ৮৩ নারীর সার্জারি করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ সার্জারির সময় অবহেলা করায় এ ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বিলাসপুরের জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরকে ভাং জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। জেলা কমিশনার সন্মানী বড়া বলেন, ‘শ্বাস-প্রশ্বাস কমে যাওয়া, বমি ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেওয়ায় ওই নারীদের হাসপাতালে আনা হয়।’ আরও ৬৪ নারী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি। এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অমর আগারওয়াল। সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লাখ ও চিকিৎসারতদের পরিবারকে ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার জন্মনিরোধক সার্জারি প্রকল্প চালিয়ে থাকে। বিনামূল্যে সার্জারির পাশাপাশি প্রত্যেক নারীকে ১৪০০ রুপি করে প্রদান করা হয়। অনেক দরিদ্র নারী তাদের জোর করে সার্জারি করার অভিযোগ তুলেছেন।

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on জন্মনিরোধক সার্জারি : ভারতে ৮ নারীর মৃত্যু

সবুজ কাঁচা মরিচের ৮ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

green-chili-peppers2ঢাকা: প্রতিদিনের মাছ, মাংস, সবজি যেকোন ঝাল রান্নায় কাঁচা মরিচের তুলনা হয়না। তরকারি রান্নায় যদি কাঁচা মরিচ না থাকে সেই রান্নায় কোন স্বাদই পাওয়া যায়না। এই সবুজ কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারি। চলুন জেনে নেই কাঁচা মরিচের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।

১। কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন সি, যা আমদের শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২। কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৩। সবুজ কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার, ফলে এটি আমাদের খাদ্য হজমে সাহায্য করে।

৪। কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য খুব ভালো।

৫। সবুজ কাঁচা মরিচে যেই পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে তা আমাদের ত্বকের ব্রন সমস্যা সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

৬। গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে, সবুজ কাঁচা মরিচে ক্যাপসিসিন নামের কেমিক্যাল আছে যা ক্যানসার রোগ রোধে সহায়তা করে।

৭। এ ছাড়াও ক্যাপসিসিন মানুষের মস্তিষ্কে একধরণের হরমোন রিলিজ করে যার কারণে মানুষের মেজাজ ভালো থাকে।

৮। গবেষণায় জানা গিয়েছে যে সবুজ কাঁচা মরিচ ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে, তবে এখনো এর কোন শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on সবুজ কাঁচা মরিচের ৮ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত ব্যায়াম

8b81988cccb682be_woman-on-med-ball.xxxlarge_2xঢাকা: প্রতিটি নারীরই স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে মধ্য বয়সী মহিলাদের এই ঝুঁকি আরও অনেক বেশি। ইদানীং অনেক কম বয়সী মেয়েদেরকেও এই মারাত্মক রোগটিতে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। অনেকাংশেই নারীদের অনেক ভুলের কারণেও এই মারাত্মক ব্যাধি দেহে বাসা বেঁধে থাকে। এবং নারীদের জীবনযাপনে কিছুটা পরিবর্তনের মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দিনে মাত্র ৩০ মিনিটের শারীরিক ব্যায়াম নারীদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় অনেকাংশে। বিজ্ঞানীরা দেখতে পান বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী যেসকল নারীদের ওজন বেশি তাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সম্ভাবনা অন্যান্যদের তুলনায় প্রায় ৫০% বেশি। তারা আরও বলেন যেসকল নারীরা সপ্তাহে অন্তত ৩ ঘণ্টা শারীরিক ব্যায়াম করেন তাদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকি কমে যায় প্রায় ২১%। এর মূল কারণ হচ্ছে যখন শারীরিক ব্যায়াম করা হয় না তখন স্বভাবতই মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়ে যায়, দেহে জমা হয় ফ্যাট। দেহের এই ফ্যাট কোষ গুলোতে থাকে ইস্ট্রোজেন। যা দেহে টিউমারের কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম দেহে ফ্যাট জমতে বাঁধা প্রদান করে। ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এপিডেমোলজি ইউনিটের গবেষকগণ জানান, দেহে সামান্যতম মেদ থাকার অর্থ স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি। তাই যেকোনো বয়সী নারী এবং যেকোনো ওজনের নারী হোন না কেন নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে দেহে ফ্যাট জমতে দেয়া থেকে বিরত থাকুন নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে।

সুত্রঃ দ্য ইন্ডিয়া টাইমস

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় নিয়মিত ব্যায়াম

পিরিয়ডের সময় যে ৭টি খাবার নারীর জন্য জরুরী

পিরিয়ডের সময় বিশেষ খাবার? খাওয়া দূরে থাক, শিরোনাম পড়েই অস্বস্তিতে ভুগতে শুরু করেছেন অনেক নারী। আমাদের দেশে মেয়েরা অনেক বড় বড় অসুখও যেখানে লজ্জায় লুকিয়ে রাখেন, সেখানে পিরিয়ডের সময় খাওয়া দাওয়ার দিকে মনযোগ দেয়ার ব্যাপারটা তো কারো মাথাতেই আসবে না। তবে সত্যটা হচ্ছে, পিরিয়ডের এই ৩-৫ দিন অনেকটা রক্ত বের হয়ে যায় শরীর থেকে, আর তাই অবশ্যই শরীরের চাই বিশেষ খাবার। তা না হলে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন, দেখা দেবে নানান শারীরিক সমস্যা।pe

আসুন, জেনে নিই পিরিয়ডের সময় কোন খাবারগুলো নারীর জন্য খুব জরুরী।

১) পানি
একথা ভুলে গেলে চলবে না যে কেবল রক্তপাত নয়, সেই সাথে শরীর হারাচ্ছে অনেক খানি তরল। আর এই অভাব পূরণ করতে পান করতে হবে প্রচুর পানি। না, পানীয় নয়। সাধারণ পানি। চা, কফি, কোলা ইত্যাদির চাইতে অনেক বেশী স্বাস্থ্যকর সাধারণ পানি। হালকা কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন, এতে পেট ব্যথায় আরাম হবে।

২) মাছ
বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি। এবং এগুলো পিরিয়ড চলাকালীন শরীরের ক্ষয় পূরণ করে এবং ব্যথা কমাতেও ভূমিকা রাখে। পিরিয়ডের সময় মাছ খেতে ভুলবেন না যেন। সামুদ্রিক মাছ খেলে আরও ভালো।

৩)কলা
হ্যাঁ, কলা। পিরিয়ডের দিনগুলিতে কলা খেতে ভুলবেন না একেবারেই। কলা পটাশিয়ামের ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস, যা পিরিয়ডের সময় আপনার জন্য জরুরী। এই কলা পিরিয়ডকালীন বিষণ্ণতা কমাতেও সহায়ক। তাছাড়া পিরিয়ডের সময় অনেক নারীই ডায়রিয়াতে ভুগে থাকেন, যা দূর করতে সাহায্য করবে এই কলা।

৪) লাল মাংস
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয় পিরিয়ডের সময়ে, যা পূরণ করবে লাল মাংস। চর্বি ছাড়া লাল মাংস অবশ্যই রাখুন খাবারের তালিকায়, সাথে রাখুন প্রচুর সালাদ। শরীর থাকবে সুস্থ।

৫) বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার
বাদাম ভর্তি নানান রকম ভিটামিন ও মিনারেলে যা পিরিয়ডের সময় শরীরের জন্য ভালো। তবে খেয়াল রাখবেন, বাজারের বাড়তি লবণে ভাজা বা চিনিতে জড়ানো বাদাম খাবেন না। চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট ইত্যাদি তো খেতে পারেনই। সাথে বীজ কুমড়ার বীজ সহ নানা ধরণের বীজ রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়।

৬) ডার্ক চকলেট
পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন কয়েক টুকরো ডার্ক চকলেট হতে পারে আপনার জন্য দারুণ উপকারী। ডার্ক চকলেটে চিনি নেই, ফলে ওজন বাড়বে না। বরং আছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম। এই চকলেট পিরিয়ড চলাকালীন বিষণ্ণতাও দূর করবে।

৭) সবুজ শাক
সবুজ শাক ও সালাদের পাতা জাতীয় খাদ্য এই মুহূর্তে আপনার সবচাইতে বেশী প্রয়োজন। এতে আছে প্রচুর আয়রন, যা শরীরের ক্ষয় পূরণে সহায়তা করবে। অবশ্যই প্রতি বেলার খাবারে রাখুন সবুজ পাতা, যেমন- বিভিন্ন ধরণের শাক ও সালাদ লিফ।

সূত্র- healthdigezt হতে অনূদিত

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on পিরিয়ডের সময় যে ৭টি খাবার নারীর জন্য জরুরী

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখার সময় টেলিপ্যাথির সাহায্যে মানুষ যোগাযোগ করতে সক্ষম

ড্রিম টেলিপ্যাথি বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্ন দেখার সময় মানুষ আরেকজন মানুষের সাথে টেলিপ্যাথির সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম। এটি কোনো নতুন ধারণা নয়। বহু বছর আগেই মনঃসমীক্ষণের জনক যারা ছিলেন তাঁদের আগ্রহ ছিল ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে অন্যের মনের সাথে যোগাযোগ করার প্রতি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ফ্রয়েড টেলিপ্যাথি এবং এর প্রভাবকে মনোবিশ্লেষণের ভাবনারূপে বিবেচনা করতেন। তিনি এটাও বিবেচনা করতেন যে, স্বপ্নের টেলিপ্যাথি অথবা বিভিন্ন ঘটনায় স্বপ্নের উপর টেলিপ্যাথিক প্রভাবের চিন্তা সম্পর্কযুক্ত। কার্ল জং টেলিপ্যাথিক হাইপোথিসিসে প্রশ্নাতীতভাবেই বিশ্বাস করতেন, এমনকি তিনি এধরনের “অপ্রাকৃত” ঘটনাসমূহের ব্যাখ্যার জন্যে একটি তত্ত্বীয় পদ্ধতি নির্মাণ করেন।dream-680x400

সব মহৎমনা ব্যক্তিই নানাধরনের অবস্তুগত বাস্তবতার গবেষণার ব্যপারে উৎসাহ দিয়েছেন।

“যখন থেকে বিজ্ঞান অবস্তুগত বাস্তবতা নিয়ে গবেষণা শুরু করবে, তখন এক দশকেই বিজ্ঞানের তেমন উন্নতি ঘটবে, যেটা এর আগের এক শতাব্দীতেও ঘটেনি।” – নিকোলা টেলসা

“বিশ্লেষণবহির্ভূত ব্যক্তিগত ব্যপার এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত উভয় প্রকার ঘটনারই এক বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে, যেগুলো স্বপ্ন দেখার উপর টেলিপ্যাথির প্রভাবকে সমর্থন করে” (ক্রিপনার, ১৯৭৪)। যাই হোক, মনোদৈহিক গবেষণার প্রযুক্তি সহজলভ্য হবার আগপর্যন্ত এই বিষয়টি পরীক্ষা করার সুযোগ আসেনি। এটা আবিষ্কৃত হয়েছিল যে গবেষণায় অংশ নেয়া ঘুমন্ত ব্যক্তিরা “দ্রুত চক্ষু সঞ্চালন” (র্যা পিড আই মুভমেন্ট বা আর.ই.এম.) পর্যায়গুলো থেকে জাগ্রত হয়ে স্বপ্নের ঘটনা মনে করতে পারছিল। এর ফলস্বরূপ, একজন “টেলিপ্যাথিক গ্রহণকারী”কে দূরবর্তী কোনো “টেলিপ্যাথিক প্রদানকারী” হতে আগত চিহ্নিত কোনো উদ্দীপকের ব্যাপারে স্বপ্ন দেখার ব্যাপারে মনোনিবেশ করার অনুরোধ করা সম্ভব হয়েছিল।”

গবেষণা ও ফলাফল
১৯৬০-এর মাঝামাঝি সময়ে মন্টেগু উলম্যান, এমডি. নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত মায়মনাইড মেডিকেল সেন্টারে বেশ কিছু গবেষণা করেন যার মাধ্যমে এটা পরীক্ষা করা গিয়েছিল যে ঘুমন্ত মানুষ দৈবচয়নে নির্বাচিত কিছু ব্যপারে পূর্বনির্ধারিত স্বপ্ন দেখতে পারে। অন্যভাবে বলা যায়, তারা বেছে নিতে পারতো কী নিয়ে তারা স্বপ্ন দেখতে চায়, কিছু উদাহরণ হলো, চিত্রকর্ম, সিনেমা, ছবি ইত্যাদি নানাকিছু। এই গবেষণা শুরু করার অল্পকিছুদিনের মাঝেই তাঁর সাথে স্ট্যানলী ক্রীপনার যোগ দেন, যিনি একজন পিএইচডি এবং সায়ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিদ্যার একজন অধ্যাপক ছিলেন। স্বপ্ন, মনোবিদ্যা এবং অতিপ্রাকৃত-মনোবিদ্যার ব্যাপারে ক্রিপনারের অসামান্য সুনাম ছিলো।

তাঁরা এই গবেষণাগুলো প্রায় দশ বছরের অধিক সময় জুড়ে পরিচালনা করেছিলেন, এবং সেগুলো “পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য ফলাফল বয়ে এনেছিল”।

এই গবেষণাগুলোর সময় সাধারণত একজন “টেলিপ্যাথিক প্রেরক” এবং একজন “টেলিপ্যাথিক গ্রাহক” থাকত। তাদের মাঝে গবেষণাগারে খুবই স্বল্প সময়ের জন্যে দেখা হতো এবং তার পরপরই তাদেরকে পৃথক দুটি কক্ষে ঘুমাতে পাঠানো হতো। “টেলিপ্যাথিক” প্রেরকের জন্যে ঘুমানোর রুমে একটি খাম থাকতো, যেটার ভেতর কোনো ছবি অথবা আঁকাআঁকি করা থাকতো। তারপর “টেলিপ্যাথিক” গ্রাহককে আর.ই.এম. পর্যায়ের ঘুমের ঠিক পরেই ইচ্ছাকৃতভাবে ডেকে তোলা হতো এবং গবেষকগণ স্বপ্ন বৃত্তান্ত নিতেন।

একটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ অধিবেশন
একটি স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ অধিবেশন ছিল, যখন নির্বাচিত চিত্রছাপটি ছিল দেগা অঙ্কিত “নাচের স্কুল”, যেখানে বেশকিছু বাচ্চামেয়ের নাচের ক্লাস চিত্রিত ছিল। ক্রিপনারের ভাষ্যমতে “গ্রাহক”-এর স্বপ্নবৃত্তান্তে এমন ধরনের কথা ছিলো- “আমি এমন একটি ক্লাসে ছিলাম, যেখানে হয়ত আধা ডজনের মতো মানুষ ছিলো, যেটাকে একটা স্কুলের মতো মনে হচ্ছিল” এবং “সেখানে একটি বাচ্চা মেয়ে আমার সাথে নাচার চেষ্টা করছিল”। এই ফলাফলগুলো খুবই চমৎকার ছিল, একজনের ধারণা অন্যের স্বপ্নকে প্রভাবিত করতে পারে- এটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। যদিও আমরা এই স্থানান্তরের পেছনকার পদ্ধতি সম্পর্কে জানিনা, এবং আমরা মন থেকে মনে এই স্থানান্তর হওয়া দেখতে পাইনা, তবুও এই ঘটনা ভালোভাবেই লিপিবদ্ধ এবং বাস্তব ছিল, আবার, যেকোনো বৈজ্ঞানিক বোধগম্যতা কিংবা ব্যাখ্যার বাইরেও ছিল। অতিপ্রাকৃত-মনোবিদ্যার অস্তিত্ব নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এটা বেশ স্বাভাবিক ব্যপার। এটা বাস্তব, পর্যবেক্ষণকৃত, তবুও আমরা জানি না ঠিক “কীভাবে।”

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন ক্রিপনার এবং উলম্যান পরিচালনা করেন ১৯৭০ সালের ১৫ই মার্চ। এই অধিবেশনে “হলি মোডাল রাউন্ডার্স” রক কনসার্টে বড় একদল মানুষ নির্বাচন করা হয়েছিল “টেলিপ্যাথিক” প্রেরক হিসেবে। জ্যঁ মিলে নামের স্থানীয় একজন মিডিয়া শিল্পী “টেলিপ্যাথিক প্রেরক”দের “লক্ষ্য হিসেবে প্রস্তুতি” গ্রহণ করানোর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এ ব্যাপারে লিড লাইট কোম্পানি নামের একদল শিল্পীর সাহায্য গ্রহণ করেন, যারা এই কনসার্টের আলোক-উৎসবের দায়িত্বে ছিল। “টেলিপ্যাথিক” প্রেরকগণ যে পর্দা দেখছিল, সেটায় ছবি প্রদর্শিত হবার পূর্বে মিলে দর্শকদের সংক্ষিপ্ত কিছু মৌখিক নির্দেশনা দেন। ছয়টি স্লাইড প্রোজেক্টরের সাহায্যে একটি রঙিন ছবি প্রক্ষেপণ করা হয়েছিল, যেটার বিষয়বস্তু ছিল ঈগল এবং ঈগলের বাসস্থানের অভ্যাস এবং একইসাথে পৃথিবীর নানা ধরনের পাখিসহ পৌরাণিক ফিনিক্স পাখির ব্যপারেও তথ্য দেয়া হয়েছিল। এসবকিছুই তখন ঘটছিলো যখন “হলি মোডাল রাউন্ডার্স” তাদের “তুমি যদি পাখি হতে চাও” গানটি পরিবেশন করছিল।

এই পরীক্ষার জন্য পাঁচজন স্বেচ্ছাসেবক “টেলিপ্যাথিক গ্রাহক” ছিল, যারা এখানকার “টেলিপ্যাথিক প্রেরক”দের আশেপাশের একশো মাইল দূরত্বের মাঝে ছিল। সব গ্রাহকই কনসার্টের অবস্থান সম্পর্কে অবহিত ছিল এবং সবাইকে বলা হয়েছিল তাদের স্বপ্নের দৃশ্যগুলো মাঝরাতে সংরক্ষণ করে রাখতে, কারণ ঠিক তখনই ঐ উপাদানগুলো পাঠানো হচ্ছিল প্রেরকদের মাধ্যমে। একজন “টেলিপ্যাথিক গ্রাহক” হেলেন এন্ড্রুস-এর মনে হয়েছিল “কিছু পৌরাণিক, অনেকটা ফিনিক্স কিংবা গ্রিফিনের মত”। দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ জন “একট সাপ”, “আঙ্গুর”, এবং “আগুনে জ্বলন্ত ভ্রূণ” বর্ণনা করে। পঞ্চম অংশগ্রহণকারী ছিলেন নন্দিত আমেরিকান গায়ক রিচি হ্যাভেনস, যিনি বর্ণনা করেন মাঝরাতে চোখ বন্ধ করে তিনি দেখতে পান “কিছুসংখ্যক গাঙচিল পানির ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে।” মিঃ হ্যাভেনস এবং মিস এন্ড্রুস, উভয়েই লক্ষ্য বিষয়ের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন।

আরো উল্লেখযোগ্য ফলাফল দেখা যায় যখন “গ্রেটফুল ডেড” নামের রক দলও একটি স্বপ্ন টেলিপ্যাথিক অধিবেশনে স্বেচ্ছাসেবক হয় ছয় রাত্রিব্যাপী।

সাধারণত নিম্নোক্ত নির্দেশনাগুলো গবেষণায় অংশ নেয়া ব্যক্তিদেরকে দেয়া হতোঃ
১। আপনি একটি ইএসপি গবেষণায় অংশ নিতে যাচ্ছেন।
২। কয়েক সেকেন্ডের মাঝে আপনি একটি ছবি দেখবেন।
৩। আপনার ইএসপি ব্যবহার করে এই ছবি গ্রাহকের কাছে “পাঠাতে” চেষ্টা করুন।
৪। গ্রাহক এই ছবিকে স্বপ্নে দেখার চেষ্টা করবে। তাদের প্রতি এটা “পাঠাতে” চেষ্টা করুন।
৫। তারপর, গ্রাহককে প্রেরকের অবস্থান সম্পর্কে জানানো হবে।

সম্ভাব্য ব্যাখ্যা
এই মহাবিশ্বের সমস্তকিছুর মাঝে বিশাল আন্তঃযোগাযোগের উপর আলোকপাত করেছে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা। একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হচ্ছে কোয়ান্টাম আবদ্ধতা। উদাহরণস্বরূপ, একইসাথে উৎপন্ন দুটি ইলেকট্রনের মাঝে একটিকে যদি মহাবিশ্বের একপ্রান্তে পাঠানো হয়, তাহলে অপরটিও তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তাদের মাঝের দূরত্ব যতই হোক। এটা একটি ব্যাখ্যা যাতে বোঝা যায় সবকিছুই কীভাবে একে অন্যের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত। আইনস্টাইন একে বলতেন “দূর হতে ভৌতিক কাণ্ড”।

আসলে প্রকৃত বাস্তবতা এই যে এখানে কোনো ব্যখ্যা নেই এবং বিজ্ঞানীরা কোনো ব্যাখ্যা দিতে অপারগ। তাঁরা কেবল কী ঘটছে সেটা পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছেন, তাও আবার খুবই সাধারণ কিছু অপ্রাকৃত মনোদৈহিক ঘটনার ক্ষেত্রে। একইসাথে, এই পরীক্ষাগুলো স্বপ্নের মতো এমন একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও বিপরিতধর্মী “বাস্তবতা”র সাথে জড়িত, যেটা সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি না। এটা “জাগ্রত” অবস্থা হতে পৃথক একটি জগত। যদিও হতে পারে আমরা যে জগতে বসবাস করি, সেটাই একটা স্বপ্ন। আমরা এ ব্যাপারে প্রশ্নের পর প্রশ্ন এবং পর্যবেক্ষণ করে যেতে পারি আজীবন।

অপ্রাকৃত মনোবিদ্যাজনিত বাস্তবতা পুরো পৃথিবীজুড়েই প্রমাণিত ও নথিবদ্ধ হয়েছে
অনেক বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকদের মাধ্যমে অপ্রাকৃতমনোবিদ্যাজনিত (প্যারা সাইকোলজিক্যাল ইন্‌সিডেন্ট বা পিএসআই) বাস্তবতা এবং সচেতনতাবোধের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা এবং এর প্রভাব আমাদের বস্তুগত জগতে কেমন হয়, সেসব নিয়ে বিশ্বজুড়েই চর্চা, নথিভুক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ এবং (বারংবার) প্রমাণ করা হয়েছে বিভিন্ন গবেষণাগারে। মার্কিন যুক্ররাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের এ সংক্রান্ত বিষয়ে বিপুল আগ্রহ ছিল (এবং এতদসংক্রান্ত গবেষণাও হয়েছে) অনেক বছর যাবত, তবুও এসব বৈজ্ঞানিক গবেষণা জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়নি এব বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ও বিজ্ঞানের মূলধারা হতে সরিয়ে রাখা হয়েছে, যা কিনা মোটেই উচিত কিংবা সঠিক নয়।
তথ্যসূত্রঃ কালেক্টিভ এভোল্যুশন.কম

Posted in জতীয় সংসদ | Comments Off on ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখার সময় টেলিপ্যাথির সাহায্যে মানুষ যোগাযোগ করতে সক্ষম

গর্ভবতী থাকাকালে যৌনমিলন শরীরের জন্য উপকারী

বেশির ভাগ মহিলা এবং পুরুষদের জন্য যৌন মিলন আর গর্ভধারণ একসঙ্গে ঠিক যায় না৷ কিন্তু গর্ভবতী থাকার সময় যৌন মিলন মা এবং তার বাচ্চার কোনও রকম ক্ষতি করে না৷ বরং এই সময় শারীরিক মিলন ঘটলে শরীর অনেকরকম ভাবে উপক্রিত হয়৷

শরীরে রক্ত প্রবাহর উন্নতি ঘটায়:

গর্ভবতী থাকার সময় শরীরে মা এবং শিশুর উভয়েরই চাহিদা মেটাবার জন্য রক্ত প্রবাহ দ্বীগুন মাত্রায় বাড়ে যায়৷ এই পদ্ধতিতে যদি কোনও ব্যঘাত ঘটে তাহলে শরীরের অনেক ক্ষতি হতে পারে৷ কিন্তু এই রক্ত প্রবাহ সচল রাখতে যৌন মিলন খুব গুরুত্বপূর্ণ এখটি ভূমিকা রাখে৷ কারণ শারীরিক মিলন এই সময় শরীরে হরমোন এবং রক্তের প্রবাহ নমনীয় করে তার উন্নতি ঘটায়৷ ফলে বাচ্চাকে পর্যাপ্ত পরিমান অক্সিজেন ও পুষ্টি যোগিয়ে তাকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে৷1210601-612x252

যৌন মিলন কোমরের মাংস পেশিকে শক্তি যোগায়:

গর্ভবতী থাকার সময় যদি রোজ শারীরিক মিলন ঘটে তাহলে কোমরের মাংস পেশিকে শক্তি যোগায়৷ এই সময় ডাক্তাররা ব্যায়াম করার পরামর্শ দেন৷ যৌন মিলন এমন একটি ভাল ব্যায়াম যা হাড় এবং মাংস পেশিকে মজবুত করে৷

যৌন মিলন শরীরকে রোগব্যাধি আক্রমণ করার ক্ষমতা বাড়ায়:

গর্ভবতী থাকার সময় শরীর রোগব্যধি আক্রমণ করার ক্ষমতা খুবই কম থাকে৷ তাই পুষ্টিকর খাওয়া দাওয়া করার পাশাপাশি যৌন মিলন শরীরে রোগব্যধি আক্রমণ করার ক্ষমতা বাড়ায়৷ কারণ শারীরিক মিলন রক্তে এলজিএ অ্যান্টিবডিজ এর পরিমান বৃদ্ধি করে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে৷

Posted in জতীয় সংসদ | Leave a comment

প্রথমবারের মতো ‘মৃত হৃৎপিন্ডের সচল প্রতিস্থাপন’

Heart iStock pic (1)প্রতিবেদক: চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতিস্থাপিত হলো ‘মৃত হৃৎপিন্ড’। আর এরই মাধ্যমে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলেন চিকিৎসকরা। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালের একদল চিকিৎসক কাজ বন্ধ করে দেয়া একটি হৃৎপিন্ড কে প্রথমে পুনরুজ্জীবিত করেন এবং তারপর এক জীবিত ব্যক্তির শরীরে তা প্রতিস্থাপন করেন। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রতিস্থাপনের আগে প্রায় ২০ মিনিট অকেজো ছিল হৃৎপিন্ডটি! মানবদেহে হৃৎপিন্ড-ই একমাত্র প্রত্যঙ্গ, যার স্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে। অর্থাৎ কোনো হৃৎপিন্ড হৃৎস্পন্দন একবার বন্ধ হয়ে গেলে তা মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে নিয়ে অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রতিস্থাপন করার মতো উপযুক্ত থাকে না। তাই প্রতিস্থাপনের জন্য হৃৎপিন্ড মূলত এতদিন তাদের শরীর থেকে আসত, যাদের মস্তিষ্ক কাজ করে দেয়া বন্ধ করে দিলেও হৃৎপিন্ড সচল থাকত। মূলত ওইসব রোগীকে ‘মস্তিষ্কের মৃত্যু’র মাধ্যমে মৃত হিসেবে নিশ্চিত করার পর কৃত্রিম প্রচেষ্টায় তাদের শরীরের বাকি প্রত্যঙ্গগুলোকে জীবিত রেখে সেগুলো অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হতো। প্রথমবারের মতো ‘মৃত হৃৎপিন্ডর সচল প্রতিস্থাপন’ করা হয়েছে মিশেল গ্রিবিলাস নামের ৫৭ বছর বয়স্ক এক নারীর শরীরে ।

Posted in জতীয় সংসদ | Leave a comment

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud