পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা: জাতীয় প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালত এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।36482725
এক রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি শরীফ উদ্দিন চাকলাদার এর একক বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।
এর আগে বুধবার সৈয়দ আবদাল এক রিভিশন আবেদন করেন হাইকোর্টে। সভাপতি, সেক্রেটারিসহ মোট ১১জনকে বিবাদি করা হয়েছিল আবেদনে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা

তাঁর জন্যই আমি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসতে পেরেছি: রেলমন্ত্রী

ঢাকা : সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী এবং দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পেছনে স্ত্রীর অসামান্য অবদানের কথাও বলেছেন তিনি। দুয়েক দিনের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদানের আশা প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী।

২৮ রমজানের দিন নিজের নির্বাচনী এলাকায় তারাবী নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন রেলমন্ত্রী। দ্রুত তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তির পর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরদিন তাকে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসাপাতালে রেফার করেন সিএমএইচ’র ডাক্তাররা। সিঙ্গাপুরে প্রায় ১৫দিনের চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় মন্ত্রণালয় এবং রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।

সামান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের কাছে তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।11231205_10207624388190449_7144382892131446038_n

‍মুজিবুল হক বলেন, সিঙ্গাপুরে বসেই আমি বিভিন্ন টেলিভিশনে আমার জন্য দোয়া করতে দেখেছি। দেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ।

এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের কথা বারবার স্মরণ করে বলেন, আমি অসুস্থ হলে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী আমার খোঁজ-খবর নেন। সেনাবাহিনী প্রধানকে আমার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার প্রাথমিক চিকিৎসার দেওয়ার জন্য সেনাবাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট ডাক্তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এক পর্যায়ে তিনি পাশে বসে থাকা স্ত্রী অ্যাডভোকেট হনুফা আক্তার রিক্তাকে দেখিয়ে বলেন, আমার এই দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পেছনে আমার স্ত্রীর অসামান্য অবদান রয়েছে। সে পাশে থেকে আমাকে যে সেবা দিয়েছে তার জন্য আমি তার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

নিজের সুস্থতার জন্য সাংবাদিকদের কাছেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় বিমাবন্দরের ভিআইপি গেটে অপেক্ষারত নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে তিনি সাধুবাদ জানান।

আগামী দুয়েক দিনের মধ্যে নিজ কর্মস্থল এবং নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার আশা প্রকাশ করেন রেলমন্ত্রী।

Posted in রাজনীতি | Comments Off on তাঁর জন্যই আমি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসতে পেরেছি: রেলমন্ত্রী

‘পরীমনি যেন তরুণী ববিতা!’

বিনােদন ডেস্ক: প্রযোজক-পরিচালক-অতিথি, সবাই পরীমনির মাঝে খুঁজে পেলেন ববিতাকে। প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু তো বলেই বসলেন, ‘গান বা ট্রেইলার যেই দেখেছে, সবাই বলেছে- এই মেয়েটিকে তো তরুণী ববিতার মতো লাগছে! সবার মুখে একই কথা। পরীমনি যেন তরুণী ববিতা! এমন মন্তব্য আমাকে আশা দিয়েছে। আমার পছন্দ ঠিক ছিল।’ এমনই কথা হয়েছে ‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’ ছবির অডিও অ্যালবাম প্রকাশনার অনুষ্ঠানে।

এ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলন ও মধ্যাহ্নভোজের। এতে ছবির নায়িকা পরীমনি, পরিচালক এস এ হক অলিক ও প্রযোজক খোরশেদ আলমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

নায়িকা পরীমনি বলেন, ‘এই ছবি আমার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এই ছবি দেখে দর্শক আমাকে ভালো না বেসে থাকতে পারবে না। আপনারা জানেন যে আমি এখন পর্যন্ত অনেক ছবিতে কাজ করেছি। এর মধ্যে এই ছবিটিকে আমি বলব, একদমই মৌলিক একটা গল্প নিয়ে কাজ করা। অনেক ছবিতেই দেখা যায় যে, গল্প তামিল ছবির গল্প চুরি করে বানানো হয়। কিন্তু এই গল্পটা আমাদের গল্প, এ কারণে আমি অভিনয় করে মজা পেয়েছি। এমন ছবি দেশের চলচ্চিত্রকে আবারও ভালো অবস্থায় নিয়ে আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ছবিটির গান লিখেছেন পরিচালক নিজেই। এ ছাড়া একটি গান লিখেছেন কবির বকুল। আবহ সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন ইমন সাহা। কণ্ঠ দিয়েছেন হাবিব ওয়াহিদ, পড়শি, এসআই টুটুল, কোনাল ও হৃদয় খান।

পরিচালক এস এ হক অলিক বলেন ‘এই ছবির মাধ্যমে পরীমনি দর্শক হৃদয় জয় করতে পারবে। তার কাজ দেখে কেউ বলতে পারবে না যে এই মেয়ে নতুন কেউ।’PORI copy
ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি কারণে ছবি মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়। ছবির মুক্তির তারিখটি নিশ্চিত করেছেন পরিচালকের সহকারী মোহানী মানিক। এই ছবির মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো শাকিব খান ও পরীমনিকে বড় পর্দায় দেখতে পাবেন দর্শক।

পরিচালক এস এ হক অলিক আরো বলেন, ‘অনেকদিন পর আমার ছবি মুক্তি পাচ্ছে। ইচ্ছে ছিল ঈদে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার। এটাও ভালো হলো, কারণ আগামী কোরবানির ঈদের আগে তেমন কোনো ছবি মুক্তি পাবে না। যে কারণে ভালো ছবি দেখার জন্য আর কোরবানির ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না। সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা ছবি দেখে অনেক প্রশংসা করেছিলেন, দর্শকরাও ছবি দেখে প্রশংসা করবেন।’

Posted in বিনোদন | Comments Off on ‘পরীমনি যেন তরুণী ববিতা!’

রাজধানীতে উপজাতি শিশু ধর্ষিত

প্রতিবেদক : রাজধানীর ভাটারার নয়ানগরে মঙ্গলবার এক উপজাতি স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নয়ানগরের একটি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়া ওই ছাত্রীকে (বয়স আনুমানিক ১০) দুপুরের দিকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলা সূত্রে জানা গেছে।images
ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল মুত্তাকিন জানান, শিশুটি সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর গড়িয়ে গেলেও স্কুল থেকে না ফেরায় তার মা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে সে বাড়িতে ফেরে।
বাসায় ফিরলে শিশুটির মা তার দেরি হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, আলামিন (২২) নামে এক পরিচিত যুবক তাকে ডেকে নয়ানগরের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সে (আলামিন) তাকে ধর্ষণ করে।
ওসি জানান, রাত ৮টার দিকে শিশুর মা তাকে নিয়ে থানায় এসে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৪)।
আসামি আলামিনকে খোঁজা হচ্ছে। এ ছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান মুত্তাকীন।

Posted in সারা দেশ | Comments Off on রাজধানীতে উপজাতি শিশু ধর্ষিত

এখনো মনের মানুষ পাননি পপি

এখনো মনের মানুষ খুঁজে পাননি চলচ্চিত্র তারকা ও জনপ্রিয় নায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। তিনি মনে করেন মনের মানুষ পাওয়ার বিষয়টি ভাগ্যের ব্যাপার। এবং আল্লাহ যার Bangla-model-popy-11-1140x1685_cভাগ্যে যাকে লিখে রেখেছেন, তারই ইচ্ছেয় তা হবে। তাই মনের মানুষের অপেক্ষায় রয়েছেন পপি।
বিবিসি বাংলা’র সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় একথা জানান পপি। দেড়যুগ ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন পপি। তার রয়েছে অসংখ্য দর্শক ও ভক্ত। এখনো তিনি বিয়ে করেননি। বিয়ে অবশ্যই করবেন এবং মনের মত মানুষ পেলেই করবেন। তিন বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন পপি।
পপি বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম সুমন পরিচালিত ‘সোনা বন্ধু’ চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে । এতে তার সহশিল্পী হিসাবে আছেন ডি এ তায়েব ।
পপি অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র প্রয়াত আব্দুলল্লাহ আল মামুন পরিচালিত ‘দুই বেয়াইয়ের কীর্তি’। এতে তার বিপরীতে ছিলেন ফেরদৌস। চলচ্চিত্রটি গত ২৯মে মুক্তি পায় ।
বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাতকারে পপি জানান,অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে তাকেও। এজন্যে তাকে অভিনয় থেকে দূরে রেখেছেন যারা অশ্লীল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তারা। কিন্তু তাও তিনি অশ্লীল ছবিতে অভিনয় করেননি বা তার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেননি।

Posted in বিনোদন | Comments Off on এখনো মনের মানুষ পাননি পপি

ভারতের মধ্য প্রদেশে ট্রেন লাইনচ্যুত : নিহত ২৪, আহত ৩০০

ভারতের মধ্যপ্রদেশের হারদায় কামায়ানি এক্সপ্রেস ও জনতা এক্সপ্রেস নামে দুটি যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। এঘটনায় ২৪জন নিহত হয়েছে এবং ৩শ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মধ্যপ্রদেশের কুদাওয়া রেলস্টেশনের কাছে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।

madhya_pradesh_trains_derail__303230পুলিশ জানায়, মুম্বাই থেকে বারানসিগামী কামায়ানি এক্সপ্রেসের ১০টি বগি এবং জাবালপুর থেকে মুম্বাইগামী জনতা এক্সপ্রেসের ৫টি বগি মাচক নদীতে পড়ে যায়।
সংবাদমাধ্যম জানায়, স্থানীয় বাসিন্দা এবং উদ্ধারকারী দলের তৎপরতায় এখন পর্যন্ত তিনশ’ যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ক’দিনের টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ব্রিজ ভেঙে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেচিকিৎসক ও উদ্ধারকর্মীদের নিয়ে তিনটি বিশেষ ট্রেন ঘটনাস্থলে উদ্দেশে গেছে।

Posted in আন্তর্জাতিক | Comments Off on ভারতের মধ্য প্রদেশে ট্রেন লাইনচ্যুত : নিহত ২৪, আহত ৩০০

৫০ লাখ প্রবাসীর হাতে পুরোনো পাসপোর্ট

নিউজ ডেস্ক: পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতায় যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) নিয়ে ভয়াবহ সংকটে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কারণ, এখনো অন্তত ৫০ লাখ প্রবাসীর হাতে এমআরপি পৌঁছাতে পারেনি সরকার। এদিকে আগামী ২৪ নভেম্বরের পর থেকে পৃথিবীর কোথাও হাতে লেখা পাসপোর্ট চলবে না।
বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, এমআরপি প্রকল্প চালুর পর পাঁচ বছরে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১ হাজার ১০০ প্রবাসীর হাতে এই পাসপোর্ট পৌঁছেছে। অর্থাৎ প্রকল্প চালুর পর ২০ লাখ প্রবাসী এমআরপি পেয়েছেন। এই সময়ে আরও ২০ লাখ প্রবাসী দেশেই এমআরপি পেয়েছেন। সরকারের হিসাবে প্রবাসীর সংখ্যা ৯০ লাখ। এই হিসাবে এখনো ৫০ লাখ প্রবাসী এমআরপি পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। কিন্তু এখন পাসপোর্ট দেওয়ার যে ধীরগতি, তা অব্যাহত থাকলে অবশিষ্ট সাড়ে তিন মাসে এত মানুষকে এমআরপি দেওয়া সম্ভব হবে না।
এমআরপি দেওয়ার কাজ পেয়েছে মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান আইরিস করপোরেশন। সাবেক প্রবাসীকল্যাণ-মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, পররাষ্ট্রসচিবসহ সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এই প্রতিষ্ঠানের কাজের ব্যাপারে বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
সরকার কেন ব্যবস্থা নেয়নি, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগে কী হয়েছে, সেটা বড় কথা না। সামনে যে সময়টা আছে, সেই সময়ের মধ্যে কাজটা শেষ করতে চাই এবং সেটা পারব।’
বিভিন্ন সরকারি নথি ও দূতাবাস থেকে পাঠানো কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অতীতে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও অনিয়মের নানা অভিযোগ ছিল।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমআরপি সমস্যা সমাধানে তাঁর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবকে প্রধান করে একটি টাস্কফোর্স এবং সাবেক প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে প্রধান করে উপদেষ্টা কমিটি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু দুই কমিটি বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও কাজে গতি আনেনি আইরিস।
সাবেক প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী এবং বর্তমান এলজিআরডি মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে আমি বারবার তাগাদা দিয়েছি, চাপ দিয়েছি। কিন্তু আমি তো এখন নেই। আমি তো আর অনধিকার চর্চা করতে পারি না। তবে যা শুনছি, তাতে এমআরপি নিয়ে ভয়াবহ সংকট তৈরি হবে।’
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে আইরিসকে সৌদি আরবে প্রতিদিন নয় হাজার এবং আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়ায় প্রতিদিন পাঁচ হাজার করে এমআরপি দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। কিন্তু তারা এখনো সৌদি আরবে প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৯০০, আরব আমিরাতে ১২৫ এবং মালয়েশিয়ায় মাত্র ৭০টি এমআরপি দিতে পারছে। সর্বশেষ গত ৯ এপ্রিল কাজে গতি আনতে তাদের এক মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু কাজে গতি আসেনি।
এমন পরিস্থিতিতে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রবাসী এমআরপি পাবেন না। এর ফলে বিদেশে হয়রানির শিকার হবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এমআরপি না থাকায় বৈধ আকামা বা কাজের অনুমতিও পাসপোর্টে লাগাতে পারবেন না তাঁরা। এতে তাঁদের অবৈধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এন এম জিয়াউল আলম বলেন, সবাই তো আর একসঙ্গে ভ্রমণ করবেন না যে তাঁদের একসঙ্গে এমআরপি লাগবে। তা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাসপোর্ট শ্রমিকদের হাতে থাকে না, এটা থাকে তাঁদের নিয়োগকারীদের কাছে। তিনি আশা করছেন, পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (আইসিএও) বাংলাদেশকে এমআরপি চালুর নির্দেশনা দিয়েছিল ১৬ বছর আগে। কিন্তু বাংলাদেশ যথাযথ উদ্যোগ নিতে না পারায় এখন সংকট তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এমআরপি প্রকল্প চালু হওয়ার পর প্রায় পাঁচ বছরে ৯২ লাখ ৯১ হাজার বাংলাদেশি এমআরপি পেয়েছেন।

Passport
৩০ জুলাই ৯০ লাখ প্রবাসীর মধ্যে মাত্র ১৯ লাখ ৭৩ হাজার এমআরপি পেয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশের বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালকের ভুল সিদ্ধান্ত এবং এমআরপি প্রকল্পের কর্মকর্তাদের ঢিলেমির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ কাজটি দ্রুত করার জন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ (আউটসোর্সিং) দিয়েছিল সরকার।
তাতে এগিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো জটিলতা তৈরি হয়। সবচেয়ে বেশি জটিলতা তৈরি হয় সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবনিযুক্ত প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম ‘এ সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য একটা বড় উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। এটা হলে আমার মনে হয় সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’ কী ধরনের বড় উদ্যোগ জানতে চাইলে, তা তিনি বলতে পারেননি।
আউটসোর্সিং ডুবিয়েছে: পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৫০ লাখের বেশি প্রবাসী রয়েছেন। এ কারণেই সেখানে এমআরপির তথ্যসংগ্রহ, ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ ও ডিজিটাল স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজটি আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে মালয়েশিয়ার জন্য ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দরপত্র ডাকা হয়। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজটি পায় ডেটাএজ-আইপিপল কনসোর্টিয়াম। কিন্তু তারা কাজটি শুরুর পর মাসে ১২ থেকে ১৩ হাজার এমআরপি তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু আইরিস সেই কাজটি নেওয়ার পর এখন মাসে দুই হাজার এমআরপিও দিতে পারছে না।

ডেটাএজ-এর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব অভিযোগ করেন, এমআরপি বই সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আইরিস চাপের মুখে তাঁদের কাজ নিয়ে নেয়। তবে আইরিস নিজের নামে না নিয়ে ‘বিতারা আবাদি’ নামে আরেকটি কোম্পানি খুলে মালয়েশিয়ায়। আবার বিতারা কাজটি দীপন ইনফো টেক নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দেয়। কিছুদিন আগে তারাও মালয়েশিয়ায় এমআরপির কাজ প্রায় বন্ধ করে দেয়।

এ বিষয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, ডাটাএজ ও আইরিসের দ্বন্দ্বে মালয়েশিয়ায় আউটসোর্সিং প্রায় বন্ধ। তাদের দ্বন্দ্ব না মেটায় এখন দূতাবাসের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার মতোই জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে আমিরাতে। সেখানে অবশ্য দরপত্রের মাধ্যমেই কাজ পেয়েছিল আইরিস করপোরেশন। কিন্তু নিজেরা কাজ না করে সেখানেও তারা দীপন ইনফো টেককে কাজ দেয়। ওই প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফির বদলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে এবং প্রবাসী শ্রমিকদের হয়রানি করছে বলে বারবার অভিযোগ ওঠে।

৯ এপ্রিলের এমআরপি-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির কার্যপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, হাইকমিশন যেখানে প্রতিদিন সাড়ে সাত শ এমআরপি দিচ্ছে, সেখানে আইরিস দিচ্ছে মাত্র ২৫ থেকে ৩০টি। সমস্যা সমাধানে আইরিসকে সেখানে ১০০ ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র (মোবাইল ইউনিট) খোলার কথা বলা হয়। কিন্তু তারা সেই কাজটিও করতে পারেনি।

একই ঘটনা ঘটছে সৌদি আরবে। সেখানে আইরিস এক বছরে মাত্র ৪৪ হাজার ৬০০ পাসপোর্ট বিতরণ করে, তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। সেখানে আইরিসের স্থানীয় অংশীদার কোয়াদ টেলিকম, যাদের কার্যক্রম নেই বললেই চলে। সমস্যা সমাধানে সেখানে ১২০টি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র ও দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল দিতে বলা হয় আইরিসকে। এ ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রগতি নেই।
এর আগে মালয়েশিয়া থেকে আইরিসের ভিন্ন নামে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান বিতারা আবাদি এবং দীপনের বিরুদ্ধে এমআরপি দেওয়ার নামে লোকজনের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহসহ নানা অভিযোগ ওঠে। মালয়েশিয়া থেকে এ ব্যাপারে চিঠিও দেওয়া হয় ঢাকায়। কিন্তু কখনোই আইরিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে আইরিসের স্থানীয় এজেন্ট আসিফ হাসান বলেন, ‘আমি আইরিশের কেউ নই। তবে তাদের আমি চিনি। আমার পক্ষে কিছু বলা সম্ভব নয়।’ এর আগে আসিফ হাসানকে আইরিসের পক্ষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দেখা গেছে। সরকারি নথিপত্রেও তাঁর নাম আছে। আইরিশের বক্তব্য জানতে তাদের মালয়েশিয়ার দপ্তরে ই-মেইল পাঠানো হলেও সাড়া মেলেনি।

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আবদুল মাবুদের বিরুদ্ধে আইরিসকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ আছে। কেন আইরিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, জানতে চাইলে এমআরপি প্রকল্পের বর্তমান পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান বলেন, তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং বারবার সতর্ক করা হয়েছে। সুত্র…. প্রথম আলো

Posted in জাতীয় | Comments Off on ৫০ লাখ প্রবাসীর হাতে পুরোনো পাসপোর্ট

রুবাবা দৌলার অন্য ভুবন

বিনােদন ডেস্ক: প্রতিটি মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। তবে কেউ কেউ ছাড়িয়ে যান নিজের স্বপ্নকেও। রুবাবা দৌলা তেমনি একজন। ছোটবেলায় ইচ্ছা ছিল আইনজীবী হওয়ার। প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগম তার ফুফু। যে কারণে সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্নও হয়তো কখনও কখনও উঁকি দিয়েছে মনে। যদিও আত্মার খোরাক হিসেবে গানকে ধরে রেখেছেন এখনও।31b72357aa21eb3616630795e603ed7d-11

নিয়মিত চর্চা করেন গানের। প্রযোজনা সংস্থা জি সিরিজের ব্যানারে এর আগে মুক্তি পেয়েছে তার মিক্সড অ্যালবাম ‘যাবে যদি চল’। অ্যালবামটিতে রুবাবা দৌলা মোট দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। তবে এসব পরিচয়ই তার গৌণ। রুবাবা দৌলার প্রধানতম পরিচয় তিনি বাংলাদেশের করপোরেট জগতের এক মহাতারকা। বর্তমানে তিনি টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারটেলের চিফ সার্ভিস অফিসার এবং এম কমার্স ও পাবলিক রিলেশন বিভাগের প্রধান। টেলিকম সেক্টরে ১৭ বছরের ক্যারিয়ার তাকে দিয়েছে খ্যাতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এমবিএ করেছেন। উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে। টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন লিমিটেডের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। সবশেষে ওই প্রতিষ্ঠানের চিফ কমিউনিকেশনস অফিসার পদেও কর্মরত ছিলেন। পেশাগত কাজের বাইরে তিনি সামাজিক নানা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত আছেন। ভীষণ স্টাইলিশ রুবাবা দৌলা গলফ খেলেন নিয়মিত। বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট। এছাড়া স্পেশাল অলিম্পিক, জাগো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সম্পৃৃক্ত। টাই চ্যাপ্টার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ ফাউন্ডেশনের অন্যতম পরিচালক।

রুবাবা দৌলা ভালবাসেন গান গাইতে, শুনতে, ঘুরতে। তিনি বলেন, শুক্রবার ও শনিবার গানের রেওয়াজ করি। গজল, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত ও পুরনো দিনের আধুনিক গান খুব ভাল লাগে। রুবাবা দৌলা বলেন, ঘর সাজাতে পছন্দ করি। বিদেশে গেলে মোমবাতি আর তৈজসপত্র কিনি। শিল্পী কামরুল হাসানের ভাগনি রুবাবা দৌলার বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে শিল্পীদের চিত্রকর্ম। ঢাকার গুলশানে রুবাবার বাড়িতে অ্যান্টিক আর আধুনিকতা যেন মিলেমিশে আছে। জানালেন, সাজ-পোশাকেও তিনি এই রকম। নিত্যনতুন ফ্যাশন এলেই সঙ্গে সঙ্গে সে স্রোতে গা ভাসান না। নিজেকে কিসে মানাবে সেটি বুঝে সাজ-পোশাক পরেন।
বন্ধুদের আড্ডায় প্যান্ট, টপ, স্কার্ট, কুর্তা পরলেও তার প্রিয় পোশাক শাড়ি। অফিস থেকে শুরু করে বিশেষ দাওয়াত সব জায়গাতেই শাড়ি পরেন। মাঝে মধ্যে সালোয়ার-কামিজ বেছে নেন। দেশীয় সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী রুবাবা বলেন, জামদানি, শিফন, জর্জেট, সিল্ক ও গাদোয়াল শাড়ি ভাল লাগে। তবে অফিসের জন্য সুতির শাড়ি বেছে নিই। আরামের জন্য কোন কিছুতে ছাড় দিই না। সাজেও কোন বাহুল্য থাকে না। চোখে ম্যাক ও শ্যানেলের পানিরোধক কাজল, ম্যাকের লিপস্টিক, ববি ব্রাউন ব্র্যান্ডের আইশ্যাডো, ল্যানকমের মাশকারা। এই হলো তার সাজ। ভারসাসে, বারবেরি ও গুচির সুগন্ধি তার প্রিয়। জুতার প্রতি খুব দুর্বল তিনি।
জুতা দেখলে কেনা চাই-ই চাই। উঁচু হিলের জুতা পছন্দ করেন। তবে ব্র্যান্ডের হতে হবে এমন কোন কথা নেই। আরামদায়ক হলেই কিনে ফেলেন। রাতে দেরি করে ঘুমাতে গেলেও ছেলে উসাইদের জন্য সাতটার মধ্যে ওঠেন। ওর স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি তদারকি করে তিনিও তৈরি হন অফিসের জন্য। গ্রিন টি দিয়ে শুরু হয় সকাল। সারা দিনে প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর গ্রিন টি খান। খাওয়া দাওয়া করেন বেশ মেপে। খাবারের তালিকা থেকে চিনি ও শর্করা বাদ দিয়েছেন। নিজেকে সুস্থ রাখতে রয়েছে সব ধরনের আয়োজন। নিজে কম খেলেও রান্না করতে ভালবাসেন। রান্নাটা শিখেছেন মা মমতাজ সুলতানার কাছ থেকে।
বাবা সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মসিহ উদ দৌলা। খেতে পছন্দ ভাত, মাছ ও মাংস। উসাইদ তো মায়ের হাতের গ্রিল করা খাবার ছাড়া খেতেই চায় না। রাতের খাবার ছেলের সঙ্গেই খান। অবসরে পরিবারকে সময় দেন। ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে যান। আর ভাইবোনদের সঙ্গে আড্ডা। মোবাইল শিল্পের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে রুবাবা বলেন, মোবাইল আগে ছিল পারসন টু পারসন। বর্তমানে বিজনেস টু বিজনেস। ইন্টারনেট, ডাটা, অ্যাপস যেন মানুষের জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ। ইন্টারনেটের ৯৫ ভাগ সেবা আসে মোবাইল সার্ভিস থেকে। যার নেতৃত্বে রয়েছে পুরো মোবাইল শিল্প।
ডেভেলপ হয়েছে আইসিটি শিল্পের। তবে এসব উন্নয়নের পথে মাঝে মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় অশান্ত রাজনীতি। তবুও শিল্পটি অনেক এগিয়েছে। জীবনে অনেক দিয়েছেন শিল্পকে। আবার পেয়েছেনও ঢের। তবে থেমে থাকার মানুষ নন তিনি। নিজের মতো করেই এগিয়ে যেতে চান রুবাবা দৌলা। সুত্র…মানবজমিন

Posted in বিনোদন | Comments Off on রুবাবা দৌলার অন্য ভুবন

‘পৃথিবীতে ছাত্রলীগের মতো ভালো ছাত্র সংগঠন নেই’

নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের ইতিহাস আমাদের মাতৃভূমির ইতিহাস। পৃথিবীর কোনো ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ছাত্রলীগের তুলনা হয় না। গোটা পৃথিবীতে ছাত্রলীগের মতো সংগঠন নেই।09-07-15-AL-JS-Saiyod-Asraf
শনিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের দুই দিনব্যাপী ২৮তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার বিশ্বাস ছাত্রলীগ আরো এগিয়ে যাবে। ছাত্রলীগ আরো সফল হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে ছাত্রলীগ আরো শক্তিশালী করবে।’
উৎসঃ সমকাল

Posted in জাতীয় | Comments Off on ‘পৃথিবীতে ছাত্রলীগের মতো ভালো ছাত্র সংগঠন নেই’

অব্যবস্থাপনায় বেহাল চিড়িয়াখানা, নেই নতুন প্রাণী

নিউজ ডেস্ক: : দেশের সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা ঢাকার মিরপুর চিড়িয়াখানা। প্রতিদিন হাজারো দর্শকের সমাগম হয় এখানে। কিন্তু ভেতরে প্রাণিশূন্য খাঁচার বহর দেখে মন ভরে না তাদের। শুধু তাই নয়, রক্ষণাবেক্ষণ, উপযুক্ত পরিচর্যা ও অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক প্রাণীই রোগাক্রান্ত, দুর্বল, অনেক প্রাণী শুয়ে থাকলে আর দাঁড়াতে পারেনা এমন পরিবেশের মধ্যে স্বেচ্ছাচারিতা আর হয়রানিতে ধ্বংসের পথে দাঁড়িয়েছে জাতীয় চিড়িয়াখানা। ১৮৬ একর জায়গা নিয়ে এ বিশাল চিড়িয়াখানায় খাঁচার পর খাঁচা ফাঁকা। দূর দূরান্ত থেকে এসে ২০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে চিড়িয়াখানায় ঢুকে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয় দর্শকদের। বর্ষার সময় বৃষ্টির পানিতে ভিজতে দেখা যায় অনেক পশুপাখিকে। খাঁচায় নেই কোন রক্ষার ব্যবস্থা।03_Dhaka+Zoo_190715_0004 03_Dhaka+Zoo_190715_0007
একের পর এক প্রাণী মারা যাচ্ছে, কিন্তু আনা হচ্ছে না নতুন একটিও। আবর্জনা আর দুর্গন্ধে দর্শনার্থীদের দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম। অন্যদিকে, চিড়িয়াখানার পশুখাদ্য ক্রয়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়া চিড়িয়াখানার ভেতরে দর্শকদের খাবারের উচ্চমূল্য সহ নানাভাবে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হয়রানি করছে সংঘবদ্ধ চক্র। খোদ চিড়িয়াখানার কিউরেটরই স্বীকার করছেন এমন অভিযোগ। দেশের এই ঐতিহ্যবাহী চিড়িয়াখানা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তারা।
চিড়িয়াখানার সামনের ও ভিতরের রাস্তার বেহালদশা। মিরপুর-১ সনি সিনেমা হল থেকে চিড়িয়াখানা পর্যন্ত রাস্তা খানাখন্দে ভরা আর চিড়িয়াখানার ভেতরের রাস্তা ভাঙ্গা আর দুর্গন্ধে পরিপূর্ণ। জানা গেছে সিটি কর্পোরেশন আর বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলছে দ্বন্দ্ব। ফলে সনি সিনেমা হল থেকে এ দুই প্রতিষ্ঠানের সামনের চত্বরের বড় জায়গা ব্যতীত সবটুকু রাস্তা কার্পেটিং হলেও এখানে হয় না।
সর্বশেষ ২০১২ সালে আফ্রিকা ও ব্রাজিল থেকে কিছু প্রাণী আনা হয়েছিলো। ১০ কোটি টাকা খরচ করে আরও ২০০টি প্রাণি আনার কথা থাকলেও তিন বছরে নতুন তেমন কোনো প্রাণি আনা হয়নি।
চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়, বাঁ-পাশের গেটের সামনে লোহার ব্যারিকেড দেওয়া বিশাল স্থানটি খাঁ-খাঁ করছে। অথচ বছর খানেক আগেও এখানে নানা প্রজাতির হরিণ ছুটে বেড়াত। পাশেই কচ্ছপের খাঁচায় মাত্র দুইটি কচ্ছপ।
বছর দুয়েক আগে একা হয়ে যাওয়া শিম্পাঞ্জি নি:সঙ্গ বসে আছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বড়ই বিষন্ন-বিমর্ষ সে। তার মধ্যে উচ্ছলতার ছিটেফোঁটাও নেই। একটু সামনে গিয়ে দেখা যায়, গন্ডারের দুটি খাঁচার মধ্যে একটি খালি।
পাশের এল-২৫ খাঁচাটিও খালি পড়ে আছে। তাতে আসলে কোনও প্রাণি রাখা হত কিনা সেটাও বোঝা গেলো না।
চিড়িয়াখানার ভেতরে ২৫ বছর ধরে দোকানদারি করেন লোকমান মিয়া। তিনি বলেন, ‘২৫ বছর আগে এ চিড়িয়াখানায় যা ছিল এখন তার কিছুই টিকে নেই। একটা প্রাণী মারা গেলে নতুন আর একটা আনা হয় না।’
সামনে মোড় নিয়ে হাঁটা শুরু করলে দেখা যায়, হায়েনার চারটি খাঁচার মধ্যে দুটি খালি। পাশের প্রাণি জাদুঘরের অবস্থা আরও শোচনীয়। দুপাশে দুটো কঙ্কালের বাক্স। একটিতে তিমি মাছের কঙ্কাল রয়েছে। আরেকটি ফাঁকা।
জাদুঘরের এ অবস্থা দেখে মনসুর নামের এক দর্শনার্থী পরিহাসচ্ছলে বললেন, ‘মনে হচ্ছে তিমির লেজে খরগোশের কঙ্কাল জুড়ে দিয়েছে।’
চিড়িয়াখানার ডান দিকের রাস্তা দিয়ে ঢুকলে হরিণের খাঁচার পরেই রয়েছে কয়েক প্রকারের বানরের খাঁচা। রেসাস বানরের ২টি খাঁচার মধ্যে ১টি খালি। হামাদ্রিয়াস বেবুনের দুটি খাঁচার একটি ফাঁকা দেখা গেল। অজগর সাপের আর-৪ খাঁচাতে রাখা হয়েছে কাঁচ, ঝুড়িসহ কিছু আসবাবপত্র। সোনালি সাপের খাঁচাটিও শূন্য।
দশকদের অনেকেই বললেন, মনে হয় সাপ গর্তে ঢুকে বসে আছে। কিন্তু পাশ থেকে এক আইসক্রিম বিক্রেতা বলে উঠলেন ‘ওইডাতে সাপ নাই’।
আমাজন বনের পাখি ম্যাকাও। এটির খাঁচাও ফাঁকা। একটু দূরে পাশাপাশি দুটি বাঘের খাঁচা। তাতে ‘স¤্রাট’ নামের বাঘকে দেখা গেলো সটান শুয়ে থাকতে। পাশের খাঁচায় বাঘিনী মরার মতো শুয়ে আছে। ভেতরের খাঁচাগুলোর একটিতে দেখতে পাওয়া গেল একটি সিংহ। কিন্তু সে-ও মনে হয় এক নীরব দর্শক। প্রাণচাঞ্চল্য বলতে কিছু আর নেই তার। বড় রোগা আর দুর্বল তার চেহারা।
পাশের ভল্লুকের ২টি খাঁচার একটিতে ভল্লুক দেখা গেলো। তবে ময়ূরের খাঁচায় গিয়ে অনেকগুলো ময়ূরকে ঘুরে ঘুরে খেতে দেখা গেলো। জানতে চাইলে পাশের দোকানি আরিফ জানান, ‘কয়েকদিন আগে কয়েকটি ময়ূর আনা হয়েছে।’
মাঝখানের অংশে জেব্রার খাঁচায় একটি ছোট বাচ্চা দেখা গেল। এবছরই বাচ্চার মা হয়েছে জেব্রাটি। গাপ্পি নামের মাছের অ্যাকুরিয়ামে নেই মাছ। একটু এগোলে কিসিং গোরামী মাছের অ্যাকুরিয়াম। সেটাতেও কোনো মাছ দেখা গেলো না।
চিড়িয়াখানা কিউরেটরের অফিস কক্ষে গিয়ে দেখা গেলো সেখানে প্রাণিদের বিশাল বড় তালিকা ঝুলছে। তাতে উল্লেখ রয়েছে- ১০ প্রজাতির মোট ৩৭টি মাংসভূক প্রাণী, ২২ প্রজাতির ২’শ ৩৫টি বৃহৎ প্রাণী (তৃণভোজী), ১৯ প্রজাতির ১’শ ৮৮টি ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১০ প্রজাতির ৭১টি সরীসৃপ, ৫৬ প্রজাতির এক হাজার সত্তরটি পাখি এবং জাদুঘরের অ্যাকুরিয়ামে রক্ষিত ২৩ প্রজাতির ৭’শ ৯৯ টি মাছ রয়েছে। কিন্তু উপরোক্ত তালিকা অনুযায়ী আদৌ সর্বমোট ২ হাজার ৪শ প্রাণী চিড়িয়াখানায় রয়েছে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
জানা গেছে এক বছরে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় মারা গেছে ২৬ প্রাণী। অথচ এই সময়ে নতুন করে আনা হয়েছে দু-একটি প্রাণী। ৩৩ প্রাণীর আয়ুষ্কাল অতিক্রান্ত হওয়ায় রয়েছে মৃত্যুঝুঁকিতে। চিড়িয়াখানা থেকে দুর্লভ প্রজাতির এগারোটি পাখি চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
চিড়িয়াখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর ৩০ থেকে ৩৫ লাখ দর্শনার্থী আসেন চিড়িয়াখানায়। কিন্তু তাদের জন্য নেই উপযুক্ত পরিবেশ। হাটতে হাটতে দর্শনার্থদের পা ব্যথা হয়ে যায়। নেই তেমন কোন বসার ব্যবস্থা।
চিড়িয়াখানার প্রাণী ও পাখির জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল। নেই বিদেশে কোন প্রশিক্ষণ। এ বিষয়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখানে এসে পশু ডাক্তাররা দেখে দেখে শেখেন। ওয়াজার সদস্য না হতে পারায় উন্নত প্রশিক্ষণ দেয়া যাচ্ছে না। বিশ্বের অন্যান্য দেশে যারা চিড়িয়াখানায় পশু চিকিৎসক বা অন্যান্য পদে চাকরি করেন তাদের বন্যপ্রাণীর ওপর বিশেষ কোর্স করতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এমনটি হচ্ছে না। পশু-পাখির রোগ নির্ধারণে নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। এছাড়া চিড়িয়াখানায় প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী এবং দৈনিক শ্রমিক সব মিলিয়ে ১৯৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। জাতীয় চিড়িয়াখানায় মঞ্জুরিকৃত ২৪৫ পদের মধ্যে ৪৬ পদই রয়েছে খালি ।
প্রাণীগুলোর এই অবস্থা কেন জানতে চাইলে কিউরেটর ডা. এনায়েত হোসেন বলেন, চিড়িয়াখানা আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এটা বড় প্রকল্প। এটা শেষ হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। আধুনিকায়নের কাজ কতদূর জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও পরিকল্পনা পর্যায়ে আছে। কতদিন লাগবে বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, নতুন কিছু প্রাণী আনা দরকার বলে আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু প্রাণী ক্রয়ের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা অনুমোদিত হয়নি তাই আপাতত নতুন প্রাণী আনা হচ্ছে না।’
সুত্র…আমাদের সময়.কম

Posted in সারা দেশ | Comments Off on অব্যবস্থাপনায় বেহাল চিড়িয়াখানা, নেই নতুন প্রাণী

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud