May 6, 2026
ঢাকা: আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) কাছ থেকে ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুরস্কারটি বাংলাদেশের তরুণদের উৎসর্গ করেছেন তিনি।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানায়, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার হাতে ওই পুরস্কার তুলে দেন আইটিইউর মহাসচিব হোউলিন ঝাও। পুরস্কার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে কাজ করছি, তার তাৎপর্যপূর্ণ স্বীকৃতি এই পুরস্কার।’
গুরুত্বপূর্ণ এই স্বীকৃতির জন্য আইটিইউকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এই পুরস্কার গ্রহণ করে তিনি খুবই সম্মানিত বোধ করছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য দেশের সব নাগরিকের তথ্য-প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে তাঁর সরকার কাজ করছে।
জ্ঞানভিত্তিক একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করতে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।
নিউজ ডেস্ক: মিনায় প“লিত হয়ে মারা যাওয়া ৭৬৯ জন হাজির মধ্যে ৬৫০ জনের ছবি প্রকাশ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে তিনজন বাংলাদেশি রয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এ কথা বলা হয়েছে। জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।
নিহত বাংলাদেশি তিনজনের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর হলেন খুলনার মো. শহীদুল ইসলাম আর ঢাকার সাভারের আমিনুর রহমান। অন্য আরেকজন পুরুষ হাজিকে বাংলাদেশি বলে শনাক্ত করা হলেও তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে আরেক হাজি ফিরোজা খানমের পরিবারের পক্ষ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ আজ বা আগামীকাল সোমবার নিহত অন্য হাজিদের ছবি প্রকাশ করতে পারে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মিনায় প“লনের শিকার হয়ে থাকতে পারেন এমন বাংলাদেশি হাজিদের ছবি মক্কায় বাংলাদেশ হজ মিশনে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে হজ এজেন্ট, আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনেরা তাঁদের শনাক্ত করতে পারেন। মেডিকেল দলগুলো মক্কার বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করছে ও নিখোঁজ হাজিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল হজ মিশনের সঙ্গে মিলে কাজ করে যাচ্ছে। নিখোঁজ হাজিদের বিষয়ে রিপোর্ট করতে অন্য হাজি, তাঁদের সঙ্গী, আত্মীয়স্বজন, হজ গাইড ও এজেন্টদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
হজের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে গত ২৪ সেপ্টেম্বর মিনায় শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে যাওয়ার পথে প“লিত হয়ে মারা যান ৭৬৯ জন আর ৯৩৪ জন হাজি আহত হয়েছেন। গত ২৫ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহতম দূর্ঘটনা।
বিনােদন ডেস্ক: সবার জীবনে উল্লেযোগ্য প্রথম অনেক ঘটনা থাকে। আজ আমরা জানব, এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার প্রথম কিছু ঘটনা।
প্রথম স্কুল
রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
প্রথম শিক্ষক
আমার আম্মু রেহেনা হাবিব।
প্রথম পড়া বই
ছোটবেলায় রূপকথার গল্পের বই অনেক পড়েছি। তুষারকন্যা ও সিনড্রেলা এই চরিত্র দুটি আমার ভীষণ প্রিয়।
প্রথম অভিনীত নাটক
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ফার্স্ট ডেট’ নাটকে আমি প্রথম অভিনয় করি। নাটকটা ভালোবাসা দিবসে প্রচারিত হয়েছিল। প্রচারের তারিখটা এখন আমার মনে নেই। তখন আমি স্কুলে পড়ার পাশাপাশি মডেলিং করতাম। নাটকটি প্রচারের পর অনেক সাড়া পেয়েছি। এরপর আমি নাটকে লম্বা বিরতি নিয়েছিলাম। কলেজে পড়ার সময় অল্প কিছু নাটকে কাজ করেছি। কলেজ পাস করার পর আবার নাটকে নিয়মিত হই। তবে ‘ফার্স্ট ডেট’ নাটকের কথা এখনো অনেকে মনে রেখেছে। বাইরে বের হলে অনেকে বলে, ‘ভাবনা আপু, তোমার ‘ফার্স্ট ডেট’ নাটকটা অনেক ভালো লেগেছে।’
প্রথম পারিশ্রমিক
শিল্পকলায় একটা নাচের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে ১০০০ টাকা পেয়েছিলাম। আমার একক নৃত্য ছিল। তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম। টাকাটা পেয়ে আম্মুকে দিয়েছিলাম।
প্রথম শাড়ি পরা
অনেক ছোটবেলায় পরেছি। আমার বয়স তখন চার। বাফায় আমি নাচ শিখতাম। নাচের একটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে আমি প্রথম শাড়ি পরি। আমাকে শাড়ি পরিয়ে দিয়েছিলেন নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী রিয়া আপু।
প্রথম দেখা চলচ্চিত্র
রোমান হলি ডে।
প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র
অনিমেষ আইচ পরিচালিত ‘ভয়ংকর সুন্দর’।
প্রথম দেওয়া সাক্ষাৎকার
আনন্দ ভুবন ম্যাগাজিনে আমার প্রথম সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল। ‘ফার্স্ট ডেট’ নাটকটি প্রচারের পর পর সাক্ষাৎকারটি আমি দিয়েছিলাম। আর টেলিভিশনে আমি প্রথম সাক্ষাৎকার দিয়েছিলাম এনটিভিতে। অনুষ্ঠানের নাম ছিল, ‘জানার আছে, বলার আছে’।
প্রথম প্রেম
আমার ক্লাসমেটের সঙ্গে সম্ভবত আমার প্রথম প্রেম হয়েছিল। এখন আসলে তেমন কিছু মনে নেই।
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে মেডিকেলে ভর্তিচ্ছু ৪ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। পুলিশের দাবি, তারা উচ্চ আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মানববন্ধন করতে চেয়েছিলেন। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাদের আটক করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ ।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে এবং সেই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে অভিযোগ করে ফলাফল বাতিলের দাবিতে সকালে আটকরা প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনের চেষ্টা করছিল। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়েছে তাই বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কেউ রাস্তায় নামাতে পারেন না। আগে রিটটি নিষ্পত্তি হতে হবে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
ওসি আরও জানান, তাদের নিষেধ করা পরও মানববন্ধনের চেষ্টা করলে তাদের আটক করে থানায় আনা হয়। আটকদের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানান ওসি।
এদিকে, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে এমন অভিযোগ এনে পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রবিবার হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে। সঙ্গে রুল ও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জে এন দেব চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে সোমবার রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী আইনজীবী।
রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমশন (দুদক), ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার ও শেরেবাংলা নগর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের মধ্যেই ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সারাদেশে একযোগে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পাশের হার ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ।
ইসলাম ডেস্ক: সামনে পবিত্র ঈদুল আযহা। এদিন মুসলমানেরা পবিত্র ঈদের নামাজ শেষ করে কোরবানি করে থাকেন। তাই মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি জায়েজ কিনা কিংবা কাদের নামে কোরবানি করা জায়েজ-এ বিষয়ে জ্ঞান থাকা খুবই জুরুরী। তাই নিচের বর্ণনাটি একটু মনোযোগ দিয়ে পড়েন। মৃতের পক্ষ থেকে কোরবানি করা জায়েয। তবে মৃত ব্যক্তি যদি ওসিয়ত না করে থাকে তাহলে সেটি নফল কোরবানি হিসেবে গণ্য হবে। কোরবানির স্বাভাবিক গোশতের মতো তা নিজেরাও খেতে পারবে এবং আত্মীয়-স্বজনকেও দিতে পারবে। আর যদি মৃত ব্যক্তি কোরবানির ওসিয়ত করে গিয়ে থাকে তবে এর গোশত নিজেরা খেতে পারবে না। গরীব-মিসকীনদের মাঝে সদকা করে দিতে হবে। [মুসনাদে আহমদ ১/১০৭, হাদীস ৮৪৫, ইলাউস সুনান ১৭/২৬৮, রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৬, কাযীখান ৩/৩৫২]
প্রশ্ন : আমার পিতা গত বছর ইন্তেকাল করেছেন। আমি তার নামে কোরবানি করার নিয়ত ক
রেছি। প্রশ্ন হল, মৃত ব্যক্তির নামে দেওয়া কোরবানির গোশত কী করতে হবে? তার অংশের পুরো গোশতই কি সদকা করতে হবে, নাকি নিজেরাও তা খেতে পারব? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর: মৃত ব্যক্তি যদি কোরবানির জন্য ওসিয়ত না করে থাকে তবে তার পক্ষ থেকে দেওয়া কোরবানির গোশতের হুকুম সাধারণ কোরবানির মতো; নিজেরাও খেতে পারবে অন্যদেরকেও দিতে পারবে। পুরোটা সদকা করা জরুরি নয়। তবে মৃত ব্যক্তি যদি অসিয়ত করে যায় এবং তার সম্পদ দ্বারাই কোরবানি করা হয়ে থাকে তাহলে এ কোরবানির পুরো গোশত সদকা করা জরুরি। এ থেকে নিজেদের খাওয়া জায়েয হবে না।
[ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৬/২৯৫; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৭৩; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৩৫২; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৩৩৫]
প্রশ্ন: প্রতি বছর আমরা ছয় ভাই একটি গরু কোরবানি করি। একটি গরুতে যেহেতু সাতজন শরিক হতে পারে তাই এবার আমরা পশুর ৭ম ভাগটি ইছালে ছওয়াবের উদ্দেশে মৃত পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি দিতে চাচ্ছি। এভাবে মৃত পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি করলে তা সহীহ হবে কি এবং ঐ অংশের গোশত কি আমরা খেতে পারব?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত অবস্থায় ৬ জন মিলে ৭ম অংশ পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি করলে তা সহীহ হবে এবং আপনারা ঐ অংশের গোশত খেতে পারবেন। তবে এটি উত্তম পদ্ধতি নয়। এক্ষেত্রে উত্তম হল, সবাই মিলে এক অংশের টাকা এক ভাইকে মালিক বানিয়ে দিবে। আর ঐ ভাই পিতার পক্ষ থেকে কোরবানি করবে। এতে কাজটি নিয়মসম্মত হবে এবং সকলে সওয়াবও পেয়ে যাবে। আর এ অবস্থায়ও মৃত পিতার পক্ষ থেকে দেওয়া অংশের গোশত কোরবানিদাতার হবে। সে তা নিজেও খেতে পারবে, সদকাও করবে পারবে এবং অন্য শরিককে হাদিয়াও দিতে পারবে। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ১৮৫; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৯; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৩২৬; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৭৮]
ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর লালবাগের হাজী দেলোয়ার হোসেন খেলার মাঠে পুরান ঢাকার অন্যতম বৃহৎ কোরবানির হাট। এ বছর এখনো তেমন জমে না উঠলেও হাটে আলোচনায় আছে দুই জোড়া গরু। ক্রেতাশূন্য হাটে দর্শনার্থীদের ভিড় এ চারটি আকর্ষণীয় গরুর কারণে। বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন গরু দুটির দাম হাঁকছেন ১৮ লাখ টাকা। একটি ১০ লাখ, অন্যটির দাম ৮ লাখ। কয়েকজন ক্রেতা ৭-৮ লাখ টাকা দাম বলেই কেটে পড়ছেন।

কুষ্টিয়ার পোড়াদহ এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, তিনি আটটি গরু নিয়ে ঢাকা এসেছেন। এর মধ্যে বড় দুটি গরু নিজেই ৩ বছর ধরে দেখভাল করেছেন। অন্য ছয়টি গরু ঢাকা আসার সময় তিনি কিনে নিয়ে এসেছেন।
তিনি বলেন, সকালে এসেছি কুষ্টিয়া থেকে। বাজারে ক্রেতা নেই। তারপরও বড় গরুটি ৮ লাখ টাকা দাম উঠছে। এখন তো আর কিনবে না, দেখতে আসে। ঈদের দু-একদিন আগে ঠিকই কামড়িয়ে (দর কষাকষি) ধরবে। ১০ লাখ টাকাই বিক্রি করার আশা করছি।
গরু মোটাতাজাকরণের জন্য ওষুধর ব্যাবহার করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ সব করি না। অনেক টাকা খরচ করেই গরু পালি। ভাল জাত হলে, আবার খাবার ও যতœ থাকলে গরু এমনি বড় হয়।
কুষ্টিয়া সদর থেকে আসা আসাদ মিয়া বলেন, তিনটি গরু নিয়ে ঢাকা এসেছি। একটি মাঝারি মানের হলেও বড় দুটি ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চাচ্ছি। ৩০ মিনিট হল আসছি। অনেকেই ভিড় করছে। এখনো কেউ দাম বলেনি, দেখে চলে যাচ্ছে।’
আন্তজতিক ডেস্ক: গ্রিসের সাধারণ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো দেশটির প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন আলেক্সিস সিপ্রাস। প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সিপ্রাসের সিরিজা পার্টি ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছে। খবর এএফপির।
রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর ১০ আসন পাওয়া ইন্ডিপেন্ডেন্ট গ্রিক দলের প্রধান প্যানস কামেনোস এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, যদি জোট সরকার গঠিত হয়, তাহলে তার দল সিরিজা পার্টির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।
এদিকে সিরিজা পার্টির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিউ ডেমোক্রেসি পার্টি পেয়েছে ২৮ দশমিক ২৭ শতাংশ ভোট।প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে গতকাল সিপ্রাসের সিরিজা পার্টি ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছে। খবর এএফপির।
এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক খবরে জানায়, নির্বাচনের ফল আসার আগেই নিউ ডেমোক্রেসি পার্টির রক্ষণশীল নেতা ভ্যাঞ্জেলিস মেইমারাকিস পরাজয় মেনে নিয়েছেন।
ইউরোপিয়ান নেতাদের সঙ্গে সমালোচিত কৃচ্ছ্রসাধন চুক্তি করা সত্ত্বেও সিপ্রাসের এমন বড় জয় গ্রিসে তাঁর ব্যাপক জনসমর্থনেরই প্রমাণ করে—এমন মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
প্রাথমিক ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পরপরই টুইটারে অ্যালেক্সিস সিপরাস বলেছেন, আমাদের সামনে সংগ্রাম ও কঠোর পরিশ্রমের পথ। এই পথ পাড়ি দিতে হবে।
সিপ্রাস বলেন, এই জয় চলমান অবস্থার ‘চাকা ঘুরিয়ে দেবে’ এবং ইউরোপে ‘আনবে সমতার পরিবর্তন’।
গ্রিসের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের হার ছিল ৫৬ শতাংশ, যা গত জানুয়ারির নির্বাচনের চেয়ে কিছুটা কম।
আলেক্সিস সিপ্রাস এ বছর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়া সাধারণ নির্বাচনে ১৫০ বছরের মধ্যে কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে।
আগস্ট মাসে সিরিজা পার্টি পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালে এই আগাম নির্বাচনের আহ্বান করা হয়।
গতকালের নির্বাচন নিয়ে চলতি বছরেই তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো গ্রিসে। আর গত ছয় বছরের মধ্যে দেশটিতে এটি ছিল পঞ্চম আগাম নির্বাচন।
চলতি বছর জানুয়ারিতে নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে সিরিজা পার্টি। এরপর অর্থনীতির গতি ফেরাতে বিরোধীদের সমালোচনা উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের সঙ্গে কঠিন শর্তে বেইলআউট চুক্তি স্বাক্ষর করে গ্রিক সরকার।অর্থনীতির গতি ফেরাতে বিরোধীদের সমালোচনা উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক ঋণদাতাদের সঙ্গে কঠিন শর্তে বেইলআউট চুক্তি স্বাক্ষর করে গ্রিক সরকার।
চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই সংসদে নিজ দলেরই কট্টরপন্থিদের বিরোধিতার মুখে পড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সিপরাস। শেষ পর্যন্ত তিনি পদত্যাগ করে আগাম র্নিবাচনের ঘোষণা দেন।
গাজীপুর ও মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আজ সোমবারও যানজটে আটকা ঘরমুখো মানুষ। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে তাঁদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। আজ ভোর থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার কুর্ণি থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ২২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। সকাল নয়টার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে থেমে থেমে গাড়ি চলছে।
পুলিশ জানায়, ভোর চারটার দিকে টাঙ্গাইলের করোটিয়ায় একটি বাস বিকল হয়ে যায়। এক ঘণ্টা পর বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় থেকেই যানজট শুরু হয়। পশুবাহী ট্রাক ও ঘরমুখো মানুষের চাপে যানজট বাড়ছে। এ ছাড়া বৃষ্টির কারণে গাড়ির গতি ধীর। নাবিল পরিবহন নামে একটি বাসের চালক মোর্তজা বলেন, নীলফামারীর দেবীগঞ্জ থেকে গতকাল রাত পৌনে ১১টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। ভোরে ঢাকা পৌঁছানোর কথা। কিন্তু সকাল নয়টার সময়ও মির্জাপুরে যানজটে আটকে আছেন। ট্রাফিক পরিদর্শক সাজেদুল ইসলামের জানান, পুলিশ যানজট নিরসনে চেষ্টা চালাচ্ছে। গত শনিবার থেকেই মহাসড়কের এই অংশে যানজট শুরু হয়েছে। গতকালও যানজটে দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রীদের। আজও ভোগান্তির শেষ নেই।
ইসলাম ডেস্ক: কোন কোন পশু দিয়ে কোরবানি করা যাবে। এদের ধরণ ও বয়স কেমন হবে। আর কি ধরণের পশু দিয়ে কোরবানি বৈধ নয়। কোরবানির পশু ক্রয়ের আগে এ সকল বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। ইসলামি নির্দেশ অনুযায়ী ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, গরু, মহিষ ও উট এই ছয় ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েয। এ ছাড়া অন্য কোনো পশু দ্বারা কোরবানি করা বৈধ নয়।
কোরবানির পশুর বয়স
ছাগল, ভেড়া, দুম্বা কমপক্ষে পূর্ণ এক বছর বয়সের হতে হবে। এর চেয়ে কম বয়সের ছাগল, ভেড়া, দুম্বা যদি এমন মোটাতাজা হয় যে, এক বছর বয়সীদের মধ্যে ছেড়ে দিলে তাদের চেয়ে ছোট মনে হয় না, তাহলে এর দ্বারা কোরবানি জায়েজ আছে। তবে অন্তত ছয় মাস বয়স হতেই হবে।
গরু ও মহিষের বয়স কমপক্ষে দুই বছর হতে হবে।
উটের বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর হতে হবে।
কোরবানির পশু হƒষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম।
যে পশু লেংড়া অর্থাৎ যা তিন পায়ে চলতে পারে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা রাখতে পারলেও ভর করতে পারে না এধরনের পশু দ্বারা কোরবানি হবে না।
যে পশুর একটিও দাঁত নেই, এর কোরবানি হবে না।
যে পশুর কান জš§ থেকেই নেই, এর দ্বারা কোরবানি হবে না।
যে পশুর শিং মূল থেকে ভেঙে যায়, এর দ্বারা কোরবানি হবে না।
যে পশু দুই চোখের কোনো চোখেই দেখে না বা একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি এক-তৃতীয়াংশ বা তার বেশি নষ্ট তা দ্বারা কোরবানি জায়েজ নয়।
যে পশুর একটি কান বা লেজের এক-তৃতীয়াংশ কিংবা এর চেয়ে বেশি কেটে গেছে এমন পশু কোরবানি হবে না।
যে পশু জবেহ করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না এমন কৃশকায় ও দুর্বল পশু কোরবানি হবে না।
পছন্দসই ভাল পশু কেনার পর এমন দোষত্রুটি দেখা দিয়েছে যার কারণে কোরবানি বিশুদ্ধ হয় না, এমনটি হলে সেটি দিয়েই কোরবানি চলবে।
গর্ভবতী পশু কোরবানি করা জায়েজ। যদি পেটের বাচ্চা জীবিত পাওয়া যায় তাহলে সে বাচ্চাও জবেহ করে দিতে হবে। তবে প্রসবের নিকটবর্তী পশু কোরবানি দেয়া মাকরুহ।
বন্ধ্যা পশু কোরবানি করা জায়েজ আছে।
নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ ও বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে দেশটিতে পবিত্র হজব্রত পালনে যাওয়া হজযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় ১ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার হজ শুরু হবে। সৌদি আরব সমস্ত প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল-আরাবিয়া। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল মানসুর আল-তুর্কি বলেছেন, হজের সময় বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লির নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত সেনাদের মধ্যে রয়েছেন সন্ত্রাসবাদবিরোধী এলিট ইউনিটের সদস্য, ট্রাফিক পুলিশ ও জরুরি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। সেনাবাহিনী ও ন্যাশনাল গার্ডের অতিরিক্ত সেনারা তাদের সহায়তা করছেন।
বিশ্বের শীর্ষ কট্টরপন্থি সংগঠন ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড সিরিয়ার (আইএসআইএস) কয়েকটি হামলায় এ বছর সৌদি আরবে বেশ কয়েক ডজন মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। হজের সময় জঙ্গি নাশকতার আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। গতকাল বার্তা সংস্থা এপি’কে দেয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে আল-তুর্কি তার সঙ্কল্পের কথা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের কোন স্থানে এক সেন্টিমিটার পরিমাণ জায়গাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না জঙ্গিরা। মক্কায় এ বছর হজ পালনে সারা বিশ্ব থেকে ৩০ লাখ হজযাত্রী সমবেত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।