পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মামলা মুক্তচিন্তার সংকট: মির্জা ফখরুল

17-02-16-Mirza Fakhrul Islam Alamgir_Meeting-3নিজস্ব প্রতিবেদক: ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মামলাকে মুক্তচিন্তার সংকট বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন। গাজীপুরের মেয়র এম এ মান্নানের মুক্তির দাবিতে ‘এম এ মান্নান মুক্তি পরিষদ’ এই সভার আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পত্রপত্রিকায় লিখছে বিএনপির সংকট। এই সংকট বিএনপির শুধু নয়, প্রমাণিত হয়েছে আজ যখন মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা হয়, তখন বিএনপির সংকট নয়, এই সংকট মুক্তচিন্তার সংকট। এই সংকট সত্য বলার সংকট। আমি আমার কথা নির্ভয়ে বলব, তার সংকট।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অবশ্যই সরকারর সমালোচনা হবে। কিন্তু এখন সমালোচনা করতে গেলেই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। কথা বলা যায় না। পত্রিকায় লেখা যায় না। সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। খালেদা জিয়া কথা বললে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়।
এর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অমর একুশে উপলক্ষে দলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ওই দিন দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হবে। ২২ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা। এ ছাড়া সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচি পালন করা হবে।

Posted in জাতীয় | Comments Off on মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে মামলা মুক্তচিন্তার সংকট: মির্জা ফখরুল

হবিগঞ্জে নিখোঁজ ৪ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর ৪ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের পার্শ্ববর্তী একটি খাল থেকে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে।

নিহত শিশুরা হল- সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), আব্দুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০), আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) ও আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১০)।

এদের মধ্যে শুভ, তাজেল ও মনির মিয়া পরস্পরের চাচাতো ভাই এবং তারা সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আর মাদ্রাসার ছাত্র ইসমাইল তাদের প্রতিবেশী।

গত শুক্রবার বাড়ির পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা করতে গিয়ে তারা নিখোঁজ হয়। খোজাখুঁজির পর না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এরপর শনিবার জাকারিয়া আহমেদ শুভর বাবা মো. ওয়াহিদ মিয়া বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এ ঘটনায় সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভূইয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিখোঁজ ৪ স্কুলছাত্রের সন্ধানে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন। অবশেষে বুধবার তাদের লাশ উদ্ধার করা হল।

এ ঘটনায় বাহুবলের সুন্দ্রাটিকি গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।hobigonj+jugantor_4494

Posted in জাতীয় | Comments Off on হবিগঞ্জে নিখোঁজ ৪ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

একা থাকার ভয়টা উপভোগ করি: সালমান

বিনােদন ডেস্ক: বয়স পঞ্চাশ পেরিয়ে গিয়েও এখনো বিয়ে করতে পারেননি বলিউড সুপারস্টার সালমান খান আর এই জন্যই সারাজীবনই ‘একা’ থাকার ভয়টা তার মধ্যে কাজ করে। তবে কখনো কখনো সেটা নাকি বেশ উপভোগও করেন ‘বজরঙ্গি ভাইজান’।

সোনাম কাপুরের আসন্ন ‘নিরজা’ সিনেমার প্রচারণার জন্য সামাজিক গণমাধ্যমে ‘ভয় বনাম নিরজা’ সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পেইনে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে সালমান এই কথা প্রকাশ করেন। সালমান বলেন, আমি যে এখনো সিঙ্গেল সেই ভয়টা আমার মধ্যে কাজ করে। তবে আমি এই ভয়টা পছন্দ করি। এই ভয়টা আরো বেশ কিছুদিন থাকাটাই আমি পছন্দ করবো! প্রিয় তারকার বিয়ের খবরের আশায় থাকা ভক্তদের অপেক্ষা তাহলে আরো দীর্ঘায়িত হচ্ছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।SALMAN-DABANGG2012201220140830135438

Posted in বিনোদন | Comments Off on একা থাকার ভয়টা উপভোগ করি: সালমান

রেফারিকে গুলি করে হত্যা আর্জেন্টাইন ফুটবলারের

স্পাে র্টস ডেস্ক: থেমে গেল ফুটবল, মাঠে গুলিবিদ্ধ দুই খেলোয়াড়। ভিডিও থেকে নেওয়া ছবিগুনে গুনে তিনটা গুলি। রেফারির বুক এফোঁড়-ওফোঁড়। গুলি লাগল মাথায় আর ঘাড়েও। সবুজ মাঠে রক্তের প্লাবন। রেফারির অপরাধ? এক খেলোয়াড়কে দেখিয়েছিলেন লাল কার্ড। হন্তারক সেই খেলোয়াড়ই!

মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে আর্জেন্টিনার ফুটবলে, ডিয়েগো ম্যারাডোনা-লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনায়! শুধু রেফারি নয়, খ্যাপা সেই খেলোয়াড়ের এলোপাতাড়ি গুলিতে বুলেটবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে এক খেলোয়াড়কেও। অবশ্য সেই খেলোয়াড় এখন আশঙ্কামুক্ত। আর খুনি সেই খেলোয়াড় আপাতত পলাতক।
করদোবার ঘরোয়া ফুটবলে ঘটেছে এই ঘটনা। স্থানীয় দুটি দলের মধ্যে চলছিল ম্যাচ। নাম প্রকাশ না করা সেই খেলোয়াড়কে রেফারি সিজার ফ্লোরেস লাল কার্ড দেখার প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে মারাত্মক ট্যাকল করায়। লাল কার্ড দেখার তিন মিনিটের মাথায় ক্ষুব্ধ সেই খেলোয়াড় মাঠে ফের ঢুকে গুলি চালিয়ে দেন। সেই পিস্তল কোথা থেকে এল সেটাও পরিষ্কার নয়।
খ্যাপাটে ভঙ্গিতে গুলি চালানোর সময় ওয়াল্টার জারাতে নামের এক খেলোয়াড়ও গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশ এখন সেই খেলোয়াড়টিকে খুঁজছে। সূত্র: ফক্স স্পোর্টস।79214531e657d583a3b0d5af8d233e00-ref-killed

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on রেফারিকে গুলি করে হত্যা আর্জেন্টাইন ফুটবলারের

জেলে যেতে হবে খালেদা জিয়াকে?

নিউজ ডেস্ক: গ্যাটকো মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হয়েছে। এ রায় প্রাপ্তির দুই মাসের মধ্যে খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তিনি আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন আবেদন বিবেচনা করতে পারবে।

এদিকে সম্প্রতি প্রকাশিত বৃটিশ সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর নারী বেগম খালেদা জিয়া জেলে যেতে হতে পারে। এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তিনি নিজের মামলায় একজন বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন।

ইকোনমিস্টের ওই আশঙ্কার প্রকাশের পর সোমবার গ্যাটকো মামলায় খালেদার আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পুর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হয়েছে। ইকোনমিষ্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আদালতের রুলে এটি পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, খালেদা জিয়াকে বিচারের সম্মুখীন হতেই হবে। আর এ মামলায় জেলে যেতে পারেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর এ নারী।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সকল ক্ষমতা এখন শেখ হাসিনার হাতে। বিরোধীদল রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছে। সবই এখন সরকারের খপ্পরে। ইকোনমিস্ট আরো প্রকাশ করেছে, আদালতের এ আদেশ দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী নারীর (শেখ হাসিনা) আধিপত্যকে আরো শক্তিশালী করেছে।

সম্প্রতি ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বড়সড় সমস্যার মুখে পড়তে পারেন খালেদা জিয়া। দেশের মধ্যেও গুঞ্জন রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনকে জেলে যেতে হতে পারে। কারণ তার বিরুদ্ধে যে সব মামলা চলছে তার কার্যক্রম এখন চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

গত ৫ই আগস্ট বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আব্দুর রবের ডিভিশন বেঞ্চ বিএনপি চেয়ারপারসনের মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ করে দেন। ঘোষণার প্রায় সাড়ে ৬ মাস পর রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সোমবার প্রকাশ পেয়েছে বলে জানান দুদক কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। তিনি বলেন, কয়েক দিনের মধ্যে রায়ের অনুলিপি বিচারিক আদালতে পৌঁছে যাবে। ওই আদালত কপি প্রাপ্তির পরই খালেদা জিয়াকে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২রা সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতির মামলা দায়ের করে দুদক। পরে তদন্ত শেষে খালেদা জিয়া ও তার পুত্র আরাফাত রহমান কোকোসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।আসbnp-chairperson-begum-khaleda-zia-www.jatirkhantha.com_.bd_

Posted in জাতীয় | Comments Off on জেলে যেতে হবে খালেদা জিয়াকে?

ব-দ্বীপ প্রকাশক শামসুজ্জোহা মানিকসহ ৩ জন গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক: ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইয়ের সম্পাদনাকারী ও ব-দ্বীপ প্রকাশনীর মালিক শামসুজ্জোহা মানিকসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত অন্য দুইজন হলেন, প্রকাশনীর কর্মকর্তা ফকির তসলিম উদ্দিন কাজল ও লেখক শামসুল আলম চঞ্চল। এর আগে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে বইমেলার ব-দ্বীপ প্রকাশন এর স্টল (১৯১) বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এরপর ওই প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত ‘ইসলাম বির্তক’ বইয়ের সম্পাদনাকারী শামসুজ্জোহা মানিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ (২) ধারায় একটি মামলা (নম্বর-২৩) দায়ের করেছেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.জাফর আলী বিশ্বাস জানান, তারা বই লেখে ওয়েবসাইটে ছেড়ে দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি জানতে পেরে বইসহ তাদের গ্রেফতার করি।
তিনি আরো জানান, সোমবার ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টলে পুলিশি অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক থেকে পুলিশ জানতে পারে, ব-দ্বীপ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটিতে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো লেখা আছে। বাংলা একাডেমিকে বিষয়টি জানালে তারা স্টলটি বন্ধের নির্দেশ দেয়।
এ সময় স্টলে থাকা ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটির ৬ কপি পুলিশ জব্দ করে। বইটি সম্পাদনা করেছেন শামসুজ্জোহা মানিক।
এছাড়া, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মতো লেখা আছে কি-না, তা অনুসন্ধান করতে একই প্রকাশনী থেকে আরো পাঁচটি বই জব্দ করেছে পুলিশ। বইগুলো হলো- শামসুজ্জোহা মানিক ও শামসুল আলম চঞ্চল রচিত ‘আর্যজন ও সিন্ধু সভ্যতা’, এম এ খান অনূদিত ‘জিহাদ : জবরদস্তিমূলক ধর্মান্তরকরণ, সাম্রাজ্যবাদ ও দাসত্বের উত্তরাধিকার’, শামসুজ্জোহা মানিকের ‘ইসলামের ভূমিকা ও সমাজ উন্নয়নের সমস্যা’, একই লেখকের প্রবন্ধ সংকলন ‘ইসলামে নারীর অবস্থা’ এবং ‘নারী ও ধর্ম’। ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টলে প্রদর্শিত এ বইগুলোর সব কপি জব্দ করেছে পুলিশ।
স্টল বন্ধের পর শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুবকর সিদ্দিক সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক থেকে আমরা জানতে পারি, ব-দ্বীপ প্রকাশনীতে এমন কিছু বই প্রদর্শিত হচ্ছে যেগুলোর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। পরে অনুসন্ধানে বিতর্কিত লেখার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ‘ইসলাম বিতর্ক’ বইটিতে মহানবী (সা.) সম্পর্কে আপত্তিকর লেখা পাওয়া গেছে। এ কারণে বইটি জব্দ করা হয়েছে ও মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদের সঙ্গে কথা বলে স্টলটি বন্ধ করা হয়েছে।
অন্য পাঁচটি বই জব্দ প্রসঙ্গে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এ বইগুলোতেও বিতর্কিত লেখা আছে কি-না তা অনুসন্ধান করার জন্যই সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ বলেন, পুলিশ আমাদের বলেছে, ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্টলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো বই প্রদর্শিত হচ্ছে। স্টলটি নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। এ কারণে প্রকাশনীটির স্টল বন্ধ করা হয়েছে।
শীর্ষ নিউজ12728939_10205980789859540_1386532256236575731_n

Posted in জাতীয় | Comments Off on ব-দ্বীপ প্রকাশক শামসুজ্জোহা মানিকসহ ৩ জন গ্রেফতার

মীর কাসেম আলীর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর মামলা পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়ালেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মামলা পরিচালনা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
বিস্তারিত আসছে….J. Nazrul Islam Chy

Posted in জাতীয় | Comments Off on মীর কাসেম আলীর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম

‘মনের মতো প্রেমিক পাচ্ছি না’: রত্না

বিনোদন ডেস্ক: চিত্রনায়িকা রত্না। কাজী হায়াতের পরিচালনায় ‘ইতিহাস’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গনে বেশ জনপ্রিয়তা পান তিনি। ২০০৩ সালে এ ছবিতে অভিনয় করার সময় রত্না অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী ছিলেন। ছবিটি ব্যবসাসফল হবার পর বেশকিছু জনপ্রিয় ছবিতে টানা কাজ করেন তিনি। এ পর্যন্ত তার অভিনীত ৪৮টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। তবে বর্তমানে চলচ্চিত্র পর্দায় কম দেখা যাচ্ছে তাকে। এক সময়ের ব্যস্ত এই অভিনেত্রী আজকের ‘আলাপন’-এ তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারসহ এই অঙ্গনের নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।

কেমন আছেন? দেশের বাইরে গিয়েছিলেন কি ?
ভালো নেই। বাবা অনেক অসুস্থ। কিছুদিন আগেও হাসপাতালে ছিলেন তিনি। আর দেশের বাইরে বলতে পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিনের জন্য দুবাই গিয়েছিলাম। দুই দিন হলো ঢাকা এসেছি।

আপনার অভিনীত কোনো ছবি কি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ?
হ্যাঁ। আমার অভিনীত ‘পরান পাখি’, ‘নষ্ট মুন্না’, ‘অরুণ বরুণ কিরণ মালা’ ছবিগুলোর কাজ শেষ। খুব শিগগিরই এগুলো মুক্তি পাবে।

নতুন কোনো ছবিতে আপনাকে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে না কেন?
সবশেষ ড্যানি সিডাকের পরিচালনায় অনুদানের ছবি ‘কাসার থালায় রূপালী চাঁদ’-এ অভিনয় করেছি। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে রাজধানীর ক্যাপিটেল ল কলেজে এলএলবি কোর্র্সে পড়াশুনা করছি। পড়াশুনারও চাপ বেশি। তাই কাজ কম করা হচ্ছে। অনুদানের ছবির কাজ একটু বাকি আছে। এ মাসের ২৫ তারিখ থেকে পুবাইলে আবারও শুটিং শুরু হবে ।

আপনি তো চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন? সে ছবিতে কি লোকশান হয়েছে?
আমি ‘সেদিন বৃষ্টি ছিল’ নামে একটি ছবি প্রযোজনা করেছিলাম। বাংলাদেশে তো কোনো ছবিই চলছে না। বাণিজ্যিক ছবি আর চলছে না। ছবিটি প্রযোজনা করে আমার লোকশান হয়নি। তবে আসল পুজি ফেরত পেতে এক বছর পার হয়েছে। ব্যাংকে এই টাকা রাখলেও অনেক টাকা ঘরে আসত।

আপনার অভিনীত ব্যবসাসফল কয়েকটি ছবির নাম বলুন?
আমার অভিনীত ‘পড়ে না চোখের পলক’, ‘ইতিহাস’, ‘কেনো ভালোবাসলাম’, ‘প্রিয় সাথী’, ‘মন যেখানে হৃদয় সেখানে’ ছবিগুলো বেশ সুপারহিট।

চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরে পাবার উপায় কি বলে মনে করেন?
আমার মনে হয় প্রযোজক ও হল মালিকদের সরাসরি যোগাযোগ থাকা দরকার। কারণ মাঝে কিছু মধ্যস্বত্ত্ব¡ভোগী টাকাগুলোতে ভাগ বসাতে থাকে। প্রযোজকের পকেটে টাকাটা ঠিকমত আসে না। ছবি দেখতে দর্শক এখনও হলে যায় কিন্তু হল মালিক, ম্যানেজার, রিপ্রেজেন্টেটিভ, এজেন্ট, হলের ডিজিটাল প্রসেসিংসহ বিভিন্ন জায়গায় টাকা ভাগ হয়ে যায়। খাজনার চেয়ে এখন বাজনা বেশি । যা আগের সময় ছিল না। তাই প্রযোজক ক্ষতিগ্রস্থ বেশি হচ্ছে।

অভিনয়ের বাইরে আবারও প্রযোজনা করার ইচ্ছে আছে কি ?
না আপাতত ইচ্ছে নেই। তবে বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে ভেবে দেখতে পারি। আর আমি এখন আর বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করতেও চাই না। আর্ট ফিল্ম বা জীবননির্ভর ছবির প্রস্তাব পেলে কাজ করব।

বিয়ের খবর দিবেন বলেছিলেন-সেটা কবে জানাবেন?
আমার বিয়ে এবার খুব তাড়াতাড়িই হবে। আর প্রেম করেই বিয়ে করতে যাচ্ছি। তবে মনের মতো প্রেমিক পাচ্ছি না। সারাদেশে ভক্তদের এ বিষয়ে সহযোগিতা চাচ্ছি (হা হা হা ..)।
মানবজমিনtop-1422096143

Posted in বিনোদন | Comments Off on ‘মনের মতো প্রেমিক পাচ্ছি না’: রত্না

দেশে ফিরে একটি ফুলের ভালােবাসা জুটল না মাবিয়ার!

স্পাের্টস ডেস্ক: কত উচ্ছ্বাস, কত আহ্লাদ, কত আবেগ কোথায় গেল সবকিছু! টেলিভিশনে যে মেয়েটির কান্নার দৃশ্য গোটা দেশের হৃদয় নাড়িয়ে দিয়েছিল। মাবিয়া আকতার সীমান্তর যে আনন্দাশ্রুতে ‘আমার সোনার বাংলা…’ সুর গৌহাটির বাতাস মুখর করে তুলেছিল, এসএ গেমসের সেই স্বর্ণকন্যাকে কি একটি ফুল দিয়েও বরণ করা উচিত ছিল না? একটি শুকনো শুভেচ্ছাবার্তাও কি তার প্রাপ্য ছিল না? কৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে বাংলাদেশিদের যে গর্ব তবে কি তা হারিয়ে যেতে শুরু করেছে? প্রশ্ন জাগে নীরবে ঢাকায় ফেরা স্বর্ণকন্যার শুকনো মুখটি দেখে। শহরের ঘিঞ্জি মহল্লার টিনের ঘরে এখনও যে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে।

বুধবার তামাবিল সীমান্ত দিয়ে যখন দেশে ফেরেন মাবিয়া, ভেবেছিলেন ফুল নিয়ে কেউ না কেউ অপেক্ষা করবে তার জন্য! অথচ কেউ খোঁজও নেয়নি তার। এটা কি সম্ভব হতো, যদি ক্রিকেট দল দেশের বাইরে থেকে কোনো ট্রফি জিতে আসত? কিংবা ফুটবল দল জিতে আসত কোনো ম্যাচ? প্রশ্নটা অভিমানী মাবিয়ার, যার উত্তর জানা নেই কারও।1432ee70d94ef3fbee54f13f5d575837-simanto-win-gold

অভাবের সংসারে সংগ্রাম করে বড় হতে হতে এখন আর কারও ওপর আক্ষেপ বা অভিমান হয় না মাবিয়ার। শুধু কষ্ট হয়, ‘যদি আমার বাবা-মাকে একটু ভালো জায়গায় রাখতে পারতাম, একটু ভালো পরিবেশে থাকতে পারতাম…।’ বলতে বলতে থেমে যান মাবিয়া। খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগের এক ঘিঞ্জি এলাকার দুই কামরার একটি টিনের ঘর। অনটনের সংসারে বাবার ছোট্ট মুদি দোকানটাই ভরসা।

মেয়ে ভারোত্তোলক বলে কোচের পরামর্শ মেনেই অনেক প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হয়। মেনে চলতে হয় অনেক কিছু! কিন্তু মুদি দোকানি বাবার পক্ষে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠে না, অর্থের অভাবে পড়ালেখাও বন্ধ হয়ে যায় একসময়। কিন্তু যার ভাগ্যে আছে স্বর্ণমুকুট, সে কি দমে থাকতে পারে! তাই পেটে অল্প কিছু দিয়েই মাবিয়া চলে যান ভারোত্তোলন ফেডারেশনে, কিছু সুহৃদের চেষ্টায় এখনও এ গেমটি চালিয়ে যেতে পারছেন মাবিয়া।

আনসার থেকেও একটি চাকরি দেওয়া হয়েছে তাকে, যা পাওয়ার পর নিজেই আবার পড়ালেখা শুরু করেছেন। কিন্তু নিজের জেদ আর শক্তি দিয়ে এতটুকু পথ আসার পর মাবিয়া কি রাষ্ট্রের কাছে চাইতে পারে না কিছু। এই দেশকে নিয়ে এসএ গেমসে অন্য দেশের অ্যাথলেটরা যখন কানাঘুষা করতেন, যখন বাংলাদেশ পদক পাচ্ছে না গেমসে বাংলাদেশিদের কটাক্ষ করা হতো, তখনই এসেছিল মাবিয়ার স্বর্ণপদক।

আর গেমসে অন্যদের কাছ থেকে দেশের সম্মান বাঁচাতে পারার আনন্দেই সেদিন পুরস্কারমঞ্চে দাঁড়িয়ে অঝোরে কেঁদেছিলেন মাবিয়া, ‘সেদিন যখন প্রথমবারের মতো আমার হাত ধরে আমাদের ইভেন্টে বাজল সে সুরটা, সত্যি কথা_ নিজেকে সামলাতে পারিনি। সে সময় ওই মঞ্চে দাঁড়িয়েও আমার শুধু মনে হয়েছিল, আমাদের নিয়ে গেমসে আর কেউ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবে না।

আমাদের ভারোত্তোলনকে আর কেউ খাটো করে দেখবে না। বিশ্বাস করুন, ওই অতটুকু সময়ের মধ্যেও শুধু এগুলোই ভেতরে কাজ করছিল।’ গতকাল নিজের বাসায় বসে যখন কথাগুলো বলছিলেন, তখনও স্বর্ণকন্যার চোখ ছলছল করছিল। চাওয়া তো তার তেমন কিছু নয়, ‘সবাই মুখে মুখে বলছেন, আমি বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছি। কিন্তু কেউ তো আমার জন্য সেদিন বর্ডারে দাঁড়িয়ে ছিলেন না।

কিছু না দিক, অন্তত মৌখিকভাবে আমাকে অভিনন্দন জানালেও খুশি হতাম। অথচ ক্রিকেট হলে ব্যাপারটা অন্যরকম হয়ে যেত। ক্রিকেট বা ফুটবল খেলায় দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের মানুষরা আসেন। অথচ আমাদের খবর কেউ রাখেন না। আমাদের ভারোত্তোলনে অনেক প্রতিভাবান আছেন। একটু নজর দিলে তারা অলিম্পিক থেকেও পদক এনে দিতে পারেন।

‘ স্বপ্নটা তার অনেক বড়, কিন্তু সীমাবদ্ধটা তার চেয়েও বোধহয় বড়। যেখানে ভারোত্তোলনের মতো বিশেষ ইভেন্টগুলোতে অন্যান্য দেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা থাকে, স্পন্সররা সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদদের পৃষ্ঠপোষক হয়ে থাকে। সেখানে মাবিয়া আক্তার সীমান্তদের ‘বাড়তি খাওয়া’র জন্যই কথা শুনতে হয়। সারাক্ষণ চিন্তা করতে হয়, বাসে চড়ে কীভাবে সময়মতো অনুশীলনে যেতে পারব? বাসে সিট পাব তো? পরীক্ষার ফি বাবা জোগাড় করতে পারবে তো? মায়ের ওষুধ ফুরিয়ে যায়নি তো?
উৎসঃ সমকাল

Posted in খেলাধুলা | Comments Off on দেশে ফিরে একটি ফুলের ভালােবাসা জুটল না মাবিয়ার!

‘পুলিশ হতে ১০ ও স্কুল শিক্ষক হতে ৫ লাখ টাকা লাগে’

মুন্সীগঞ্জ থেকে: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেছেন, দেশে এখন পুলিশ হতে হলে ১০ লাখ ও স্কুল শিক্ষক হতে হলে ৫ লাখ টাকা ঘুষ লাগে। আমাদের সময় এমন ছিল না। দুর্নীতি ছিল না। যোগ্য ব্যক্তিদের চাকরি হয়েছে। আমরা টাকা দিয়ে বিচার করিনি।1316_earshad যোগ্যতা দিয়ে বিচার করেছি। আজ শনিবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গণ আজ কলুষিত, মেয়েরা অরক্ষিত। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আজ কোথায় চলে গেছে। যা দেখলে দু:খ হয়। তিনি আরও বলেন, এই দেশতো আমরা চাইনি, নতুন বাংলাদেশ আমরা চেয়েছিলাম। ৩০ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছে, এই দেশের জন্য নয়। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য জীবন দিয়েছে। প্রধান অতিথির ভাষণে এরশাদ আশা প্রকাশ করে বলেন, একদিন না একদিন সুসময় ফিরে আসবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখন নির্বাসিত। জাতীয় পার্টির আমলে আইনের শাসন ছিল। বিচার বিভাগের কোন হস্তক্ষেপ ছিল না। বর্তমানে বিচার বিভাগে কি হচ্ছে। আজ হাইকোর্টেও সংবাদ সম্মেলন হয়। বর্তমানে দেশের কি অবস্থা সকল জনগণ তা অবগত। জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক কুতুবউদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি.এম. কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. সিরাজুল ইসলাম, এরশাদের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক কলিমউল্লাহ, জাতীয় পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব আলমগীর সিকদার লোটন প্রমুখ। জি.এম কাদের প্রসঙ্গে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, তাকে দায়িত্ব দেয়ার পর পার্টিতে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এরশাদ বলেন আপনারা তাকে গ্রহণ করেন কিনা, স্বাগত জানান কিনা? তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি থাকবে, জাতীয় পার্টি আবার জেগে উঠবে। তিনি বলেন, কখনও মাথা নত করিনি, ভেঙ্গে পড়িনি। নয় বছর এইদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলাম। মানুষকে সাহায্য করেছি, বুকে টেনে নিয়েছি। কাউকে হত্যা করিনি, গুমও করিনি। দুর্নীতি করিনি, মানুষকে সমঅধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি। আমি অন্যায় করিনি, অপরাধ করিনি। আমার সময় সন্ত্রাস ছিল না, চাঁদাবাজি ছিল না। মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পেরেছে। আমার সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছিল না। আমার কোন পুলিশ লাগে না।

Posted in জাতীয় | Comments Off on ‘পুলিশ হতে ১০ ও স্কুল শিক্ষক হতে ৫ লাখ টাকা লাগে’

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud