May 27, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : বদলে গেলো শাকিবের দুই ছবির নাম ংযধশরন শযধহ ১ঢাকা: শাকিব খান মানেই ব্যবসা সফল ছবি, এধারণা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তাই ঈদের সময় তার ছবি নিয়ে রীতিমতো ইঁদুর বিড়াল দৌড়ে নামেন প্রযোজক-পরিচালক থেকে শুরু করে প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা পর্যন্ত। কিন্তু ছবির নাম নিয়ে কেউ মাথা ঘামান না। এবারই প্রথম শাকিব খান অভিনীত দুটি ছবির নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত ‘মনের ঠিকানা’ ছবির নাম পরিবর্তন করে ‘কঠিন প্রতিশোধ’ রাখা হয়েছে। কারণ হিসেবে পরিচালক বলেন,‘বেশ কিছুদিন ছবিটির শুটিং বন্ধ ছিল। কিন্তু যখনই মুক্তি দেয়ার জন্যে দ্রুত কাজ শেষ করলাম তখন নামটি পরিবর্তনের প্রযোজনীয়তা অনুভব করলাম।’ শাকিব-অপু জুটি অভিনীত এই ছবিটির শুটিং প্রায় দুই বছর ধরে আটকে ছিল। কিন্তু যখনই শোনা গেল ঈদে শাকিবের কোন ছবি আসছে না, ঠিক তখনই ছবিটির বাকি অংশের কাজ শেষ করার তোড়জোড় শুরু হলো। এমন কি মুক্তি দেওয়ার জন্য ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ১২ দিন থাইল্যান্ডে ছবিটির চিত্রধারণ করে কাজ শেষ করা হয়েছে। এদিকে গত মঙ্গলবার ছবিটি সেন্সর বোর্ডের কাছে জমা দেয়া হয়েছে বলে বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেছেন পরিচালক। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ঈদেই ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে। অন্যদিকে শাকিব অভিনীত ‘শোধ’ ছবির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘সেরা নায়ক’। ওয়াকিল আহমেদ পরিচালিত ছবিটির শুটিং শুরু হয় রোজার ঈদের কিছুদিন আগে। তারপর কিছুদিন শুটিং বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি ছবিটির শুটিং শেষ হয়েছে। ‘সেরা নায়ক’ ছবিটিও এবার ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ছবিতে শাকিবের বিপরীতে রয়েছেন অপু বিশ্বাস।
ঢাকা: জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি, ৬ অক্টোবর দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে। হিজরি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদ পালন করে থাকে। দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ৬১ জেলার ইসলামী ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা চাঁদ দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন।
কিছুক্ষণের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হবে।
ঢাকা: রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে রিমোট কন্ট্রোল বোমা তৈরির সার্কিটসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি ও হরকাতুল জিহাদের পাঁচ সদস্যকে আটক করার পর র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হয়ে এসেছে। গোয়েন্দারা দাবি করছেন তারা সিরিয়ার নুসরা ব্রিগ্রেডে প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাদেশে আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস) নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চেয়েছিল। এজন্য এরা তাবলীগ জামায়াতের মাধ্যমে তুরস্ক হয়ে সিরিয়া যেতে চেয়েছিল। এতদিন দেশে জঙ্গি মানেই জামায়াত শিবির বা বিএনপিকে রাজনৈতিক ভাবে দোষারোপ করার মধ্যে দিয়ে একটা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার মানসিকতার মধ্যেই দায়সারা গোছের রাজনৈতিক দায়িত্ব শেষ করতেন রাজনীতিবিদরা। সময় পাল্টেছে। জঙ্গিরা আরো তৎপর হয়ে উঠছে। বাংলাদেশকে ভূকৌশলগতভাবে কোনো বৃহৎশক্তি জঙ্গি ফাঁদে ফেলে ব্যবহার করার আগেই এদের বিরুদ্ধে আরো কঠিন অভিযান পরিচালনা দরকার হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন জেএমবি’র আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের মো. আসিফ আদনান (২৬) এবং ফজলে এলাহি তানজিল (২৪) দেশের দুই প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান। এরা দুইজনে নিষিদ্ধ সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য। তবে তিনি তাদের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেননি।
অপর একটি গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসিফ আদনানের পিতা সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি আব্দুস সালাম। তিনি বর্তমানে অবসরে রয়েছেন। আদনান দীর্ঘদিন ধরে হুজির হয়ে কাজ করছে। আলকায়েদা নেতা জাওহিরির সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিও দেখে তারা অনুপ্রানিত হয়েছিল। অপরদিকে অপর জেএমবি সদস্য ফজলে এলাহি তানজিলের মা ওএসডি যুগ্ম সচিব উম্মে ফাতেমা। তিনি সর্বশেষ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তানজিল একটি নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল শেষ করেছে।
এতদিন এমন ধারণা ছিল যে গরিব ও পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর এলাকার মানুষকে জঙ্গি তৎপরতায় সহজেই জড়িয়ে ফেলা যায়। জঙ্গিদের টার্গেট এমন হয়ে থাকে। কিন্তু সে ধারণা ভুল প্রমাণিত করে শিক্ষিত পরিবার ও উন্নতমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করতে পারছে জঙ্গিরা। গোয়েন্দাদের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেলেও আরো আগে এধরনের তৎপরতা প্রয়োজন ছিল যাতে তারা জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ না পায়। জঙ্গি তৎপরতা বিনাশ করা হয়েছে এমন রাজনৈতিক কৃতিত্ব জাহির করার আড়ালে এটা এখন স্পষ্ট যে জঙ্গিরা থেমে থাকেনি। তারা নতুন আঙ্গিকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এধরনের ঘটনাগুলো এমন এক সময় ঘটছে যখন সিরিয়ায় আইএস জঙ্গিদের ঘায়েল করতে যুক্তরাষ্ট্র ও আরব দেশগুলো এক সঙ্গে জঙ্গি বিমান থেকে বোমা বর্ষণ করছে। এজন্যে সিরিয়ার অনুমতির কোনো প্রয়োজন বোধ করেনি দেশুগুলো। যদিও মার্কিন মিডিয়া বলছে, এতদিন এসব দেশই আইএস জঙ্গিদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারকে ফেলে দিতে দেশটিতে পাঠিয়েছিল। নুসরা সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় যেখানে ইরাক সীমান্ত হয়ে সৌদি আরব থেকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর মাধ্যমে আইএস জঙ্গিদের হাতে অস্ত্র এসেছে।
আইএস জঙ্গিদের তালিকায় পশ্চিমা দেশগুলোর বেশ কয়েক হাজার পথভ্রষ্ট যুবক এমনকি যুবতিরাও নাম লিখিয়েছে। যেমন বাংলাদেশের তরুণরাও পথভ্রষ্ট হয়ে এধরনের জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়ে পড়ছে এবং র্যাব তাদের গ্রেফতার করতেও সক্ষম হচ্ছে। এখন সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা, পারিবারিক বন্ধন ও সাংস্কৃতিক চেতনা দিয়ে জঙ্গি তৎপরতার বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় এসেছে। নাহলে শিক্ষিত পরিবারের ছেলেমেয়েরা এধরনের তৎপরতায় আশঙ্কাজনক হারে জড়িয়ে পড়তে পারে। এখানে রাজনৈতিকভাবে দোষারোপ করে দায়িত্ব শেষ করার কোনো অবকাশ নেই। কারণ জঙ্গি তৎপরতা অব্যাহত থাকলে একদিন তা লক্ষ্য করে ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, পাকিস্তানের মত মার্কিন ও তাদের মিত্র দেশগুলোর জঙ্গি বিমানও যে বাংলাদেশে এসে বোমা বর্ষণ করবে না বা ড্রোন হামলা হবে না তার নিশ্চয়তা দেয়া যায় না।
ঢাকা: চেয়ারম্যানের পদত্যাগের এক দিনের মাথায় বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ সব ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। আগে থেকে জানতে না পারায় অনেকেই মালপত্র নিয়ে বিমানবন্দরে এসে বিপাকে পড়েছেন। এ ধরনের ক্ষেত্রে টিকেটের টাকা ফেরত দেয়ার নিয়ম থাকলেও তা না পেয়ে তাদের অনেকেরই যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইউনাইটেডের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহিনুর আলম যাত্রী ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে টিকেটের টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজারে ইউনাইটেডের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য্য ধরতে অনুরোধ করেছেন। ব্যবসা বন্ধ করার কোনো ইচ্ছা নেই বলেও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তিনি। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশনস) এস এম নাজমুল আনাম বলছেন, ইউনাইটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি গুছিয়ে নেয়ার জন্য তাদের কাছে সময় চেয়েছেন। সেই সুযোগ তারা দিতে চান। বুধবার সন্ধ্যায় ইউনাইটেডের সব ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়ে কর্মচারীদের পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশন্স) ক্যাপ্টেন এম ইলিয়াস বলেন, “ফ্লাইট পরিচালনা করতে যে খরচ হয় এই মুহূর্তে সেই খরচ নির্বাহের অর্থ ইউনাইটেডের নেই।
এই অবস্থায় ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব নয়।” খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ঘোষণার আগেই ইউনাইটেডের নির্ধারিত ফ্লাইটগুলো বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যের চারটি ফ্লাইটের যাত্রীরা বিমানবন্দরে এসে বিপাকে পড়েন। সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অসহায়ভাবে ছুটোছুটি করতে দেখা যায় মো. ফরিদ আকন্দ নামের এক যাত্রীকে। তিনি জানান, বুধবার রাত সোয়া ১০টায় ইউনাইটেডের ফ্লাইটে তার ওমানে যাওয়ার কথা ছিল। গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা থেকে রাত ৮টায় বিমানবন্দরে এসে তিনি জানতে পারেন ফ্লাইট যাবে না। “আমি এসে বিমানবন্দরে ইউনাইটেডের কোনো কর্মীকে পাইনি। আমার মতো বহু যাত্রী সার রাত অপেক্ষা করেছেন। আমাদের কোনো সুরাহা করা হয়নি।” বেসরকারি এ বিমান সংস্থাটির বেশিরভাগ ফ্লাইট পরিচালিত হতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে। আর মধ্যপ্রাচ্যেই বাংলাদেশর সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। ইউনাইটেডের টিকেট কাটা অনেকেই এসব দেশে শ্রমিকের কাজ করেন।
হযরত আলী নামে মাস্কটগামী এক যাত্রী বলেন, “আজই আমার ওমানে কাজে যোগ দেয়ার কথা ছিল। এতোগুলো টাকা টিকেটে আটকা পড়ল। এখন কি করব বুঝতে পারছি না।” একই অবস্থায় পড়েছেন মো. কাঞ্চন। বিমানবন্দরের বহির্গামন টার্মিনালের বাইরে ব্যাগ ও কাগজপত্র নিয়ে বসে ছিলেন তিনি। “ওখানে যাওয়ার জন্য মাত্র ১০দিনের ভিসা আছে। অন্য কোনো টিকেট কাটার মতো অবস্থাও নেই। কি করব বুঝতে পারছি না।” টাঙ্গাইলের আরশাদ মণ্ডল ওমানে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে আড়াই লাখ টাকা খরচ করেছেন জমি বিক্রি করে। ইউনাইটেডের কারণে তারও মাথায় হাত পড়েছে। “জমি বিক্রি করে এখন যদি যেতে না পারি, মরা ছাড়া আমার কোনো উপায় থাকবে না।”
বিনোদন ডেস্ক: এখন থেকে নতুন পরিচয়- তিনি উপস্থাপক। অনন্ত জলিলকে প্রথমে দেখা গেছে চিত্রনায়ক ও প্রযোজক হিসেবে। এরপর হয়েছেন কাহিনীকার ও পরিচালক। গানও লিখেছেন তিনি। তার নামের আগে বিশেষণ দিন দিন বাড়ছেই। অনন্ত জলিল একটি সেলিব্রেটি শো উপস্থাপনা করবেন। আসছে কোরবানির ঈদে প্রচার হবে দেশটিভিতে। অনুষ্ঠানের নাম এখনও জানা যায়নি। এতে তারকারা আসবেন, অনন্ত জলিলের সঙ্গে তারা আড্ডা দেবেন। গল্প হবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ শুরু হচ্ছে।
আবু সুফিয়ান: হাতিরঝিলের রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন নোবেল। তীব্র রোদ জাপটে ধরেছে তাকে। একটু একটু ঘামছেন- এমন দৃশ্য সম্ভবত কল্পনায়ও আনেনি নোবেল ভক্তরা। তাই ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে হাতিরঝিলের রাস্তা ধরে যে-ই যাচ্ছিলেন, গাড়ি চালানো যেন ভুলেই গিয়েছিলেন কিছু সময়ের জন্য। অতি আগ্রহীরা কেউ কেউ তাদের গাড়ি অথবা মোটরসাইকেলে চাপলেন কড়া ব্রেক। কারণ, সামনেই যে দাঁড়িয়ে রয়েছেন নোবেল! পাশেই শখ। এখানে আসার পর থেকে একদল বাচ্চা ঘিরে ধরেছে তাকে। যেখানেই যাচ্ছেন, পিছু ছাড়ছে না তারা। একজন রসিকতার সুরে শখকে প্রশ্ন করেই বসলেন, ‘এরা তোমার বডিগার্ড নাকি?’ বাচ্চাগুলোর এমন কর্মকান্ডে শখ কিন্তু মোটেই বিরক্ত হচ্ছেন না। উপভোগই করছেন বরং। কারণ, আজ তার মন অনেক ভালো! মন ভালোর কারনটিও বলে দেয়া যাক। ছোটবেলা থেকেই তিনি যে নোবেলের অসম্ভব ভক্ত, প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে অভিনয় করছেন। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে সংলাপ বলে যাচ্ছেন। আনন্দে যেন উড়ছেন শখ! যে নাটক নোবেল-শখকে এক করেছে, সেটির নাম ‘স্মার্তো’। লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন আরবি প্রিতম। প্রথম দৃশ্য। হাতিরঝিলের ফুটওভার ব্রিজের উপরে। ক্যামেরার সামনে তারা দু’জন দাঁড়াতেই আশপাশে লোক জমে গেলো। শখ রাগ করে চলে যাচ্ছেন। ছুটতে ছুটতে নোবেল তার পাশে এসে দাঁড়ালেন। নোবেলের হাতে প্লাষ্টিকের টিকটিকি। দেখে ভয়ে-ঘৃণায় মুখ বিকৃত করলেন শখ। বললেন, ‘তোমার হাতে ওটা কী? ফেলে দাও।’ শব্দ করে হেসে উঠলেন নোবেল। ‘আরে এটা তো প্লাষ্টিকের টিকটিকি। তুমি তো টিকটিকি প্রচন্ড ভয় পাও। এখন থেকে এটা হাতে নিয়ে ঘুরবে। তাহলে ভয় কমে যাবে।’
শখের তবু ঘৃণা লাগছে, ‘ফেলে দাও। এক্ষুণি ফেলে দাও বলছি।’ বাধ্য হয়ে কথা শুনতেই হলো নোবেলকে। হাঁটা ধরলেন শখ। নোবেল খানিকটা অবাক। ‘একা একা কোথায় যাচ্ছো? তুমি তো রাস্তা পার হতে পারো না। রাস্তাটা পার করে দিই?’ এবার শখ দমে গেলেন কিছুটা। আস্তে করে বললেন, ‘রাস্তা পার করে দেবে, কিন্তু হাত ধরতে পারবে না।’ দ্রুত ক্যামেরার অবস্থান সরিয়ে নিলেন আদিত্য মনির। সময় যত গড়াচ্ছে। লোকজনের ভীড় তত বাড়ছে। দ্রুত তাই কাজ শেষ করে চম্পট দিতে হবে। পরিচালক দু’জনকেই বলে দিলেন, ‘ড্রেস চেঞ্জ’। পরবর্তী দৃশ্যের জন্য প্রস্তুতি নেবেন তারা। এই ফাঁকে শখ নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন, ‘ছোটবেলা থেকে টিভি পর্দায় তাকে দেখে আসছি। সে সময় আমার কাছে তার বিজ্ঞাপন মানেই ছিলো আলাদা কিছু। আজ একসঙ্গে কাজ করছি, পাশাপাশি দাঁড়িয়ে সংলাপ দিচ্ছি- সব মিলিয়ে অন্যরকম অনুভূতি।’
ঢাকা: টমেটোর নানাবিধ ব্যবহার আমাদের কারো অজানা নয়। সবজি কিংবা সালাদ সব জায়গায় সমান দক্ষ টমেটো। লাল টমেটোই আছে এমনো কতো গুন যা ক্যান্সারের মতো রোগকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখে। শুধু তাই নয় তার গুনের তকমা ছড়িয়ে পড়েছে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব ঘোচাতেও। এমনটিই দাবি করেছেন ব্রিটেনের ইনফার্টাইল নেটওয়ার্কের গবেষকরা। টমেটোই রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক ‘লাইকোপিন’ নামক একধরনের শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। লাল বেশি হলে লাইকোপেনের উপস্থিতিও বেশি হয়। এ উপাদানটি শরীরের ফ্রি রেডিক্যালগুলোকে নষ্ট করে দিয়ে কোষগুলোকে সুরক্ষিত করে। প্রতিরোধ করে ঘাতক ক্যানসারকে। সম্প্রতি হিউম্যান রিপ্রোডাকশনের একটি জার্নালে এসেছে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব রোধে টমেটোর গুনের খবর। পুরুষের ফার্টিলিটি বাড়াতে সাহায্য করে এই লাইকোপিন। লাইকোপিন স্প্যাম কাউন্টকে ৭০ শতাংশ বাড়াতে সাহায্য করে। তাই যারা বাবা হতে পারেননি তারা উপকৃত হবেন এ আবিষ্কারে । ওহাইয়োর ক্লিবল্যান্ড ক্লিনিকে এই গবেষণায় দেখা গেছে, লাইকোপিন স্প্যাম কাউন্টের সঙ্গে স্প্যামের স্পিড বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও এটি খারাপ স্প্যামের পরিমাণ কমিয়ে দিতে সক্ষম। এর আগে একটি পরীক্ষা থেকে জানা গেছে লাইকোপিন প্রোস্টেট সম্পর্কিত অসুস্থতাও দূর করে। ব্রিটেনের ইনফার্টাইল নেটওয়ার্কের প্রবক্তা ক্যারেন ব্যানেস বলেন, তারা গবেষণা করে দেখছেন লাইকোপিন পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করতে কতটা উপকার। গবেষণার ফল বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণে ইতিবাচক হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন্ধ্যাত্বের জন্য মহিলাদের দায়ি করা হয় কারণ মহিলারাই বাচ্চার জন্ম দিয়ে থাকেন। অথচ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্পামের ফাংশন বা কোয়ালিটির কারণে মহিলারা প্রেগনেন্ট হতে পারেন না।
জেলা প্রতিনিধি: কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিক জিহাদসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সন্ধ্যায় প্রেমিক কর্তৃক ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা করে ওই ছাত্রীর পরিবার। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- লাকুরতলা গ্রামের খলিলুর রহমান ও ঘটবাড়িয়া গ্রামের দিপঙ্কর। মামলার অপর দুই আসামি লাকুরতলা গ্রামের সনদ রায় ও মনোতোষ পলাতক রয়েছেন। পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামের আলতাফ হোসেন মাস্টারের ছেলে জিহাদের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বুধবার সন্ধ্যায় মনসাতলী গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জিহাদ তাকে পাশবিক নির্যাতন করে। এ সময় অন্য আসামিরা জিহাদকে সহযোগিতা করে। অভিযুক্তরা ওই ছাত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন এবং কানের রিং জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হক জানান, আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল ব্যুরো: মামলা তুলে নেয়ার জন্য বরিশাল নগরীতে রিপা অাক্তার নামে এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাতভর নির্যাতন করেছে প্রেমিক ও তার পরিবার। প্রায় ১১ ঘণ্টা তাকে বিদ্যুতের খুঁটিতে কোমর এবং দুই গাছের সঙ্গে দুই হাত বেঁধে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে গত মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ও স্থানীয় কাউন্সিলর তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় একজনকে অাটক করেছে পুলিশ। রিপা আক্তার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কুরুলিয়া গ্রামের চুন্নু আকনের মেয়ে। সে নগরীর সোনারগাঁও টেক্সটাইলে কাজ করতো। কোতোয়ালী মডেল থানা ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, রিপা অাক্তার তার প্রেমিক মিঠুর বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় দুটি মামলা করেছিলো। মামলা তুলে নেয়ার জন্য তার ওপর নির্যাতন করলে খবর পেয়ে পুুলিশ মঙ্গলবার সকালে তাকে উদ্ধার করে। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নির্যাতনকারীরা পালিয়ে যায়। তিনি অারো জানান, রিপা মঙ্গলবার রাতে মামলা করার পর মিঠুর মা হোসনেঅারাকে অাটক করে বুধবার জেলে পাঠায়। বাকি নির্যাতনকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। লিশ ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জানায়, রিপা সোনারগাঁও টেক্সটাইলে কাজ করার সূত্রে ২৪নং ওয়ার্ডের ধান গবেষনা সড়কের একটি বাসায় ভাড়া থাকতো।
এসময় বাড়ির পাশের আলতাফ উদ্দিন শানু হাওলাদারের ছেলে শাহাদাত হোসেন মিঠুর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু পরবর্তীতে রিপা বিয়ের জন্য মিঠুকে চাপ দিলে সে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর মিঠু ঢাকার গাজীপুরে চাকরি নিয়ে চলে যায়। রিপাও গাজীপুরের একটি সোয়েটার কারখানায় গিয়ে কাজ নেয়। সেখানে কয়েক মাস থাকার পর রিপাকে প্রেমিক মিঠু তার বন্ধুদের হাতে নির্যাতনের জন্য তুলে দেয়। জয়দেবপুর থানা পুলিশ রিপাকে উদ্ধার করে এবং মিঠুকে আটক করে। এই ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রিপাকে সেইভ হোমে এবং মিঠুকে জেল হাজতে পাঠায়। হাজতে প্রায় ২৪দিন কাটানোর পর মিঠু জামিনে বের হয়ে আসে। অপরদিকে রিপাকে তার মা সেইভ হোম থেকে বরিশালে নিয়ে আসে। মিঠু জামিনে বের হয়ে বরিশালে এসে সোমবার রাতে মোবাইল ফোনে রিপাকে বাড়িতে ডেকে আনে। এরপর সে মামলা তুলে নেয়ার জন্য রিপাকে হুমকি দেয়। একপর্যায়ে সোমবার রাত ১০টার দিকে মিঠু ও তার পরিবারের সদস্যরা রিপাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন চালায়। ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফিরোজ আহমেদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মঙ্গলবার সকালে রিপাকে পুুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। রিপা আক্তারকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান ওসি। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী মিঠু পলাতক রয়েছে।
রাজশাহী: ঈদুল আজহার দিন দ্রুত এগিয়ে আসছে। কিন্তু হাট-বাজারে গরু দেখা যাচ্ছে না। এমন কি ভারত থেকে কোরবানির পশু আসছে না। যার প্রভাব পড়েতে শুরু করেছে নগরী ও জেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে। ক্রেতাসমাগম হলেও দাম চড়া হওয়ায় অনেকেই ফিরেও যাচ্ছেন। হাটের ইজারদাররা বলছেন, ইতিমধ্যেই কোরবানির পশুর হাটগুলোতে গরু-মহিষ আসতে শুরু করলেও সীমান্তে কড়াকড়ি থাকায় ভারতীয় গরুর আমদানি কম হচ্ছে। ফলে এবার গরু-মহিষের দামটা একটু চড়া। রাজশাহীর বড় পশুর হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে সিটিহাট, কাটাখালি, মহিশালবাড়ি, নওহাটা, কাকন, মচমইল, কেশরহাট, বানেশ্বরহাট। এসব হাট সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাটগুলোতে কোরবানির পশু ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছে। তবে ভারতীয় গরু-মহিষের আমদানি কম।
এখন পর্যন্ত হাটগুলোতে খামারের গরুর আধিক্যই বেশি বলে মনে হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর হাট নগরীর সিটিহাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটে প্রচুর খামারের গরুর আমদানি হয়েছে। কিন্তু হরতালের কারণে বাইরে থেকে তেমন গরু আমদানি হয়নি। এছাড়া বাইরের ক্রেতারা তেমন আসতে পারেনি। যার ফলে বেচাকেনাও হয়েছে কম। অনেককেই বাড়িতে গরু ফিরিয়ে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার হাটগুলোতে গতবারের চেয়ে গরু-ছাগল দাম একটু বেশি। গত বছর যে গরুর দাম ৫০ হাজার টাকা ছিল। এবার ওই মাপের গরু ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নগরীর সিটি হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান কালু বলেন, হরতালসহ ভারতীয় সীমান্তে কড়াকড়ির কারণে এখনও জমজমাট পশুর হাট শুরু হয়নি। তাছাড়া আবহাওয়াও খারাপ। সব মিলিয়ে পশুহাট কিছুটা জমতে শুরু করলেও দাম অন্যান্য বছরের চেয়ে একটু চড়া। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা না থাকলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দু’ একদিনের মধ্যেই রাজশাহীতে পশুর হাট জমজমাট শুরু হবে। পাইকারি গরু বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, ভারতীয় সীমান্তে দিয়ে গরু আসতে অন্যান্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি কড়াকড়ি চলছে। তাই আমাদের বেশি দামে গরু কিনে আনতে হয়। যার কারণে বিক্রিও করতে হয় চড়া দামে। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা এখনও গরু-মহিষ কেনায় তেমন একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। নগরীর সিটি হাটে গরু কিনতে আসা নগরীর মহিষবাথান এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, কোরবানির গরু কেনার জন্য হাটে গিয়েছিলাম। কিন্তু দাম অনেক চড়া। যেহেতু ঈদের আরও বেশ কয়েক দিন বাকি আছে, তাই বাজার দেখে একটু ভেবেচিন্তে দেরি করেই গরু কিনি। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারা বছরই সীমান্ত পথে কিছু গরু-মহিষ ভারত থেকে আসে। কোরবানি উপলক্ষে এই আমদানি বাড়ে। বিশেষ করে বড় গরুগুলো আসে বেশি। কিন্তু এবার গরু-মহিষ সীমান্তের কাছাকাছিই পৌঁছাতে পারছে না। পুলিশের পাশাপাশি বিএসএফ সীমান্তে টহল বাড়িয়েছে গরু মহিষের চালান ঠেকাতে। সীমান্তের ওপার থেকে গরু নিয়ে আসা এক ব্যবসায়ী জানান, সে দেশে সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে গবাদিপশুর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার হিসাব-নিকাশ চলছে। আগে যারা এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন তাদের সঙ্গে নতুন সরকারের লোকজনের ফায়সালা হয়নি। এ বিষয়টি ফায়সালা না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে গবাদিপশুর চালান পাঠাতে পারছেন না তারা। সূত্রমতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওয়াহিদপুর, খাঁকচাপাড়া ও জোহরপুর টেক সীমান্ত পথে এখন গড়ে ৩০ থেকে ৪০টি করে গরু ভারত থেকে আসছে। এবার গরু আমদানি নেই বললেই চলে। সীমান্তের ওপারের গরু ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার গরু কিনে পাঠানোর অপেক্ষায় থাকলেও সীমান্তে কড়াকড়ির কারণে তা আসতে পারছে না। রাজশাহী কাস্টমস অফিস সূত্র জানায়, এবার সীমান্ত পথে ভারত থেকে গবাদিপশু আসছে কম। কোরবানির মওসুমে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলার সীমান্ত পথে দৈনিক গড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার করে গরু আসতো। সেখানে পুরো আগস্ট মাসে সীমান্ত পথে এসেছে মাত্র ১৫-১৬ হাজার গবাদিপশু। রাজশাহী কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার ফখরুল আলম জানান, এখনও সেপ্টেম্বরের হিসাব হাতে আসেনি। গত আগস্টে ১০ হাজার ১৪৫টি ভারতীয় গরু ও ৫ হাজার ৩০টি মহিষ এবং জুলাইয়ে ১০ হাজার ৯৪০টি গরু ও ৩ হাজার ৭৬৪টি মহিষ সীমান্ত পথে বাংলাদেশে এসেছে। এছাড়া কিছু ছাগলও আমদানি হয়েছে। তবে তা গত কোরবানির মওসুমের তুলনায় অনেক কম।