May 27, 2026
ঢাকা: পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা এবং হত্যার উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ সংক্রান্ত রাজধানীর শাহবাগ থানার একটি মামলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিবের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার রিমান্ড শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের আদালত। শনিবার ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে হাবিবকে সিএমএম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই আজিম জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০ দলীয় জোটের হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে মিছিল বের করে ছাত্রদল। পুলিশ মিছিল করতে নিষেধ করলে তারা হত্যার উদ্দেশে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ করে। এ ব্যাপারে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় হাবিবকে গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হলে আদালত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শনিবার ভোরে হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাবিবকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। তার দেশের বাইরে যাওয়ার কথা ছিল। আটকের পর হাবিবকে প্রথমে বিমানবন্দর থানায় ও পরে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
ঢাকা: মাত্র একদিন আগেও হয়তো জলজ্যান্ত মানুষটি রিকশায় চড়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন রাজধানীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। অথচ একদিন পরই তিনি লাশ! আর যে রিকশায় নিজে লাফ-ঝাঁপ দিয়ে চড়েছেন সেই রিকশায়ই তাকে সাদা কাপড় পেঁচিয়ে বাঁধা হলো বাঁশে, তার যে আর রিকশায় বসে থাকার শক্তি নেই। সময় কতো নিষ্ঠুর পরিবর্তন দেখলো মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই! একদিন আগেও যে তিনি অন্য কারও আহত হওয়া নিয়ে ‘আহ’ উচ্চারণ করেছেন, সেই তাকেই রিকশায় এই অভিনব কায়দায় বসানো দেখে ‘আহ’ বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছেন পথচারীরা! রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন টিটিপাড়া রেললাইনে শনিবার ট্রেনে কাটা অজ্ঞাত পরিচয় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। দুর্ভাগ্য তার, মৃত্যুর পরও খানিক শান্তি মেলেনি, মেলেনি এতটুকুন সম্মানও। সুরতহাল বিশ্লেষণের পর বনে শিকার করা পশুর মতোই বাঁশ দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় তার লাশ। পার্থক্য কেবল এতটুকুই, মৃত পশু সওয়ার হয় শিকারিদের কাঁধে, আর এই ব্যক্তি রিকশায়।

মৃত এই ব্যক্তিকে বস্তায় ভরে সাদা কাপড়ে পেঁচিয়ে বাঁশ দিয়ে বেঁধে নিজেই রিকশা চালিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসেন কমলাপুর রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) থানার ডোম বিহারি। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢামেক মর্গের প্রবেশ পথে এমন দৃশ্যই চোখে ধরা পড়ে। টিটিপাড়া রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ওই ব্যক্তি। এরপর সুরতহাল বিশ্লেষণের জন্য সেদিন তার লাশ রাখা হয় থানায়ই। পরদিন রোববার ময়নাতদন্তের জন্য রিকশায় বেঁধে তার লাশ আনা হয় ঢামেকে। কমলাপুর জিআরপি থানার সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা অভিমুখী একটি ট্রেনে কাটা পড়ে ওই ব্যক্তি নিহত হন। তার পরিচয় জানা যায়নি। লাশ ভ্যানে বা গাড়িতে না নিয়ে রিকশায় বাঁশ দিয়ে বেঁধে নেওয়ার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, লাশ বহন করার জন্য কমলাপুর রেলওয়ে থানার ডোমকে তিনটি ভ্যান দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু সেগুলো চুরি হয়ে গেছে। এরপর থেকে আর কোনো ভ্যান নেই।
তবে রিকশায় করে লাশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। লাশ বহনকারী ডোম বিহারি বলেন, আমার একটি ভ্যান ছিলো। সেটা চুরি হয়ে গেছে। এজন্য লাশটি রিকশায় করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ কাছে দাবি করেন, লাশ বহন করার জন্য তাদের কোনো গাড়ি নেই। তবে রিকশায় করে লাশ নেওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই।
ঢাকা: প্রতি বছরই ঈদের পরে পশুর চামড়া পাচারের অভিযোগ পাওয়া যায়। পাচার বন্ধে এ বছর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পূজা ও ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি এ সব কথা বলেন। বেনজীর আহমেদ বলেন, এবারের ঈদের পরের তিনদিন চামড়াবাহী কোনো ট্রাককে ঢাকার বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। তবে ঢাকার বাইরে চামড়াবাহী ট্রাক ঢাকায় আসতে দেওয়া হবে।
ঢাকা: আবার ভাইরাসের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে কম্পিউটার জগতে। এপ্রিলে আবিষ্কৃত হার্টব্লিড বাগ-এ পাঁচ লাখ কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতে শেলশক নামের আরেকটি ভাইরাস হানা দিতে যাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে প্রায় ৫০ কোটি কম্পিউটার। লিনাক্স ও অ্যাপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের সফটওয়্যারের ‘ব্যাশ’ নামের এক যন্ত্রাংশে খুঁতের সুযোগ নিয়েই তাণ্ডব চালাতে তৈরি ‘শেলশক’৷ সারে ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার নিরাপত্তা গবেষক অ্যালান উডওয়ার্ডের মতে, ‘হার্টব্লিড’ কেবল সিস্টেমের কোথায় কী আছে জেনেই ক্ষান্ত থাকে। কিন্তু শেলশক সিস্টেমের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব না নিয়ে থামবে না। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন ‘চোখ রাখুন বিভিন্ন প্রস্তুতকারকের ওয়েবসাইটের আপডেটের উপর, বিশেষ করে ব্রডব্যান্ড রাউটারের উপর।’ বিশ্বের বহু সার্ভার চলে অ্যাপাশে সফটওয়্যারে যেখানে ‘ব্যাশ’ এক আবশ্যকীয় যন্ত্রাংশ, একে বলা হয় ‘কম্যান্ড প্রম্পট’। এর ফলেই বিশেষজ্ঞরা দেখছেন বিপদসঙ্কেত। আমেরিকার কম্পিউটার আপতৎকালীন দল বলেছে অবিলম্বে প্যাচ লাগানো দরকার। কিন্তু কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, প্যাচ লাগিয়েও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। তারা আরো বলেছেন যে ভয়াবহতার নিরিখে শেলশক দশে দশ পাবে।
বিনোদন ডেস্ক: মারুফ-প্রসূন জুটি অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ আজ মুক্তি পেল। এর আগেও সিনেমাটি মুক্তির বেশ কয়েকটি তারিখ ঘোষণা হলেও পরবর্তীতে প্রযোজক সমিতির সাথে বনিবনা না হওয়াতে ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ মুক্তির পিছিয়ে যায়। সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন কাজী মারুফ ও তাঁর বিপরীতে রয়েছেন লাক্সতারকা প্রসূন আজাদ। তবে প্রথম দিনে সিনেমাটি মাত্র একটি হলে মুক্তি পেল। ময়মনসিংহের ভালুকায় ‘শাপলা’ সিনেমা হলে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছে। এ প্রসঙ্গে কাজী মারুফ জানালেন, ‘সিনেমাটির মাধ্যমে আমরা দর্শকদের একটি মেসেজ দিতে চেয়েছি। আশা করছি আমার আগের সিনেমাগুলোর মতো এটিও দর্শকরা ভালো ভাবে গ্রহণ করবে। ‘সর্বনাশা ইয়াবা’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন তমা, মেহমুদ, জিয়া, হাবিব খান প্রমুখ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সমাজ সচেতন পরিচালক কাজী হায়াৎ। সংগীত পরিচালনা করেছেন আহমেদ সাগির এবং আহমেদ রাজীব। উল্লেখ্য, এর আগে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ও মারুফ অভিনীত ‘ইতিহাস’, ‘অন্ধকার’, ‘ইভ টিজিং’ সিনেমাগুলো দর্শক নন্দিত হয়।
বিনােদন ডেস্ক: ইমন-আচল জুটি অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘স্বপ্ন যে তুই’ বিনা কর্তনে সেন্সর ছাড়পত্র পেল। এটি পরিচালনা করেছেন মনিরুল ইসলাম সোহেল। এ সম্পর্কে পরিচালক মনিরুল ইসলাম সোহেল প্রিয়.কমকে বলেন, ‘স্বপ্ন যে তুই’ সিনেমাটি গতকাল ২৫ সেপ্টেম্বর বিনা কর্তনে ছাড়পত্র পেয়েছে। আমি চেষ্টা করেছি সুন্দর একটি গল্পের সিনেমা দর্শকদের উপহার দিতে। মূলত তরুণ/তরুণীদের গল্প নির্ভর সিনেমা এটি। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত ডিজিটাল এই সিনেমাটি দর্শকদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস। ‘স্বপ্ন যে তুই’ সিনেমায় মোট গান থাকছে ৬টি। কণ্ঠ দিয়েছেন ন্যান্সি, অভি আকাশ, পারভেজ সাজ্জাদ , রাজীব ও আকাশ (বোম্বে) তনুশ্রী (বোম্বে)। সংগীত পরিচালনা করেছেন শওকত আলী ইমন, আবিদ রনি, শিহাব রিপন ও আকাশ (বোম্বে)। ইমন-আচল ছাড়াও এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদনান, আফ্রি, প্রিয়া, এশা, সাদেক বাচ্চু, কাজী হায়াৎ, রেবেকা ও মিরাক্কেলে আক্কেল চ্যালেঞ্জারের রনি, জামিল, সজল প্রমুখ। আসছে ঈদ-উল-আজহার পরেই সিনেমাটির মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সিনেমাটির পরিচালক।
লাইফ ডেস্ক : ভাবছেন, ফেসবুক তো ফেসবুক! একটা হালকা বিনোদনের মাধ্যম। এখানেও বুঝে শুনে কথা বলতে হবে? সত্যটা হচ্ছে, এখানেই সবচাইতে বেশী বুঝে কথা বলতে হবে। কারণ এটা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আর সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে একটা কথা বলে আপনি হতে পারেন সবার হাসির পাত্র, নিজেকে ফেলে দিতে পারেন একটা বিপদে, এমনকি থানা-পুলিশের ঝামেলাতেও জড়িয়ে যেতে পারেন নিজের অজান্তেই! দেখে নিন কী ধরণের তথ্য কখনোই ফেসবুকে পোস্ট করা উচিত নয়!
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে আপনি নিশ্চয়ই এমন কিছু মানুষের দেখা পেয়েছেন যারা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না কী ধরণের তথ্য সবার সামনে উপস্থাপনা করা উচিত, আর কি উচিত না? এমনকি আপনার নিজেরও অনেক সময় এমনটা হতে পারে। ফেসবুকে একটি পোস্ট দেবার পর নিজের নির্বুদ্ধিতায় অবাক হয়ে যেতে পারেন নিজেই।
১) আপনার কোনো অপরাধের প্রমাণ
ফেসবুক এখন সব ধরণের মানুষের কাছে চলে গেছে। আর এমন ঘটনা হরহামেশাই শোনা যায় যেখানে কোনো এক চোর বড়াই করে তার চুরির ঘটনা এবং চুরি করা জিনিসের ছবি ফেসবুকে আপলোড দিয়ে ফেলেছে এবং ফলশ্রুতিতে ফেঁসে গেছে। আমরা বলছি না আপনিও তাদের দলেই পড়ছেন। তবে ছোটখাটো অপরাধ, যেমন পরীক্ষায় বন্ধুর খাতা টুকলিফাই করে লেখার ব্যাপারটা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিতে যাবেন না। কারণ এখন শিক্ষকদেরও হরহামেশাই ফেসবুকে দেখা যায়। একইভাবে আপনি অমুক নামজাদা “গ্যাং” এর সদস্য, তমুক সন্ত্রাসীর সাথে আপনার গলায়-গলায় ভাব, এসব নিয়ে পোস্ট দিতে গেলেও বিপদে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
২) আক্রমণাত্মক মন্তব্য
যে কোনো ব্যাপারে আপনার নেতিবাচক ধারনা এবং মতামত থাকতেইই পারে। তাই বলে ফেসবুকে তা নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা মোটেই ভালো নয়। বরং তাতে আপনার অপ্রাপ্তবয়স্ক মানসিকতার প্রকাশ পায়। আর এর ফলে একে একে আপনার বন্ধুরাও আপনার পোস্টের প্রতি মনোযোগ দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারেন।
৩) একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য
অনলাইনে কিছু তথ্য প্রকাশ করাতে কোনোই বাধা নেই। যেমন আপনার গ্র্যাজুয়েশন, এনগেজমেন্ট, বিয়ে, সন্তানের জন্ম, নতুন চাকরি পাওয়ার সুখবর ইত্যাদি। এসব নির্দোষ তথ্য জানতে পারলে খুশীই হবেন আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের মানুষেরা। কিন্তু এমনও কিছু ব্যাপার আছে যা সবাইকে জানিয়ে না বেড়ানোই ভালো। যেমন খুব হঠাৎ করে কারো মৃত্যুবরণের দুঃসংবাদ, বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা, পরিচিত কারো অসুস্থতা ইত্যাদি।
৪) অপ্রাসঙ্গিক “লাইক” পাওয়ার চেষ্টা
এমনটা হরহামেশাই দেখতে পাই আমরা, লাইক-লোভী কিছু পেইজ মানুষের অনুভূতির ফায়দা নিয়ে লাইক পাওয়ার চেষ্টা করে থাকে। একটি হৃদয়স্পর্শী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এরপর লেখা হয়, “গল্পটি পছন্দ হলে লাইক/শেয়ার করুন”। ব্যাপারটি সহনীয়তার মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তখনই যখন মৃত্যু অথবা দুর্ঘটনার মতো ব্যাপারগুলো নিয়ে এভাবে লাইকের ব্যবসা চলে। ভুলেও এমন কিছু করে অন্যদের চোখে নিজেকে ছোট করবেন না।
৫) অন্য কারো ব্যাপারে এমন তথ্য যা পোস্ট করলে সে বিরক্ত হতে পারে
আপনার নিজের ব্যক্তিগত তথ্য আপনি পোস্ট করতে পারেন কোনো তোয়াক্কা ছাড়াই, এতে ক্ষতিগ্রস্ত কেবল আপনিই হবেন। কিন্তু যখন ওই পোস্টে অন্য কারো ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে তখন ভুলেও তার সম্মতি ছাড়া তা প্রকাশ করতে যাবেন না। এতে ওই মানুষটি তো বিরক্ত হবেনই, উপরন্তু আপনার নির্বুদ্ধিতার কারণে তার বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এছাড়া বন্ধুদের মাঝে ঝগড়ার ব্যাপারটাও ফেসবুকে নিয়ে না আসাই ভালো।
৬) এমন তথ্য যা আপনার চাকরি চলে যাওয়ার কারণ হতে পারে
আপনার অফিসের অনেকেই থাকতে পারেন ফেসবুকে। আর তাই নিজের ব্যক্তিগত জীবনের স্পর্শকাতর ব্যাপারগুলো ফেসবুকে পোস্ট না করাই ভালো। এমনও হতে পারে যে আপনার কর্মকর্তা আপনার ব্যাপারে খারাপ কিছু দেখলেন এমন আপনাকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। এছাড়াও নতুন চাকরি পাওয়ার খেত্রেও নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে এমন সব পোস্ট। তাই থাকুন পোস্ট করার ব্যাপারে সতর্ক।
৭) এমন কিছু যা সমাজের চোখে গ্রহণযোগ্য নয়
ফেসবুকে আপনার যেসব বন্ধু আছে, তারাও কিন্তু আপনার সমাজেরই অংশ। এমন কিছু করবেন না যাতে তাদের মাঝে আপনার সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হয়। বিশেষ করে তাদের ধর্মানুভুতি বা নৈতিকতায় আঘাত করে এমন কিছু পোস্ট না করাই ভালো।
ঢাকা: কোরবানির ঈদ আর দুর্গাপূজার মতো বড় দুটো ধর্মীয় উৎসব সামনে রেখে মেরামতের ঘোষণা থাকলেও কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে করুণ হয়ে উঠেছে ঢাকা-চট্রগ্রাম ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ দেশের বিভিন্ন সড়কের অবস্থা। ফলে সরকারি আশ্বাসে ঘরমুখো যাত্রী আর চালকদের শঙ্কা কাটছে না । তারা বলছেন, সময়মতো মেরামত শেষ না হলে যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহন ব্যবসায়ীরাও বিপদে পড়বেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয়া দশমীর ছুটি ৪ অক্টোবর। তার এক দিন পর ৬ সেপ্টেম্বর মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ। এই হিসাবে ৪ অক্টোবর থেকে সরকারি ছুটি শুরু হচ্ছে। তবে আগের দিন শুক্রবার হওয়ায় দুয়েক দিন আগে থেকেই সড়কে ঘরমুখো মানুষের ভিড় শুরু হয়ে যাবে। সে অনুযায়ী ঈদের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু করেছে পরিবহন সংস্থাগুলো। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার এনায়েত উল্লাহ
বলেন, “ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। অন্যান্য মহাসড়কগুলো এখনো মেরামত চলছে।” অবশ্য সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলে আসছেন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও মহাসড়কগুলোর মেরামত কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। গত ঈদের মতো এবারও যাত্রীরা স্বস্তি নিয়েই যাতায়াত করতে পারবেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, টানা বৃষ্টি সড়কের কতোটা ক্ষতি করেছে তা দেখতে এবং সার্বিক বিষয় তদারকির জন্য শুক্রবার থেকে কয়েকটি দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যাবে।
তিনি বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর দ্রুত মেরামত করা হবে এবং গত ঈদের চেয়ে এবার সড়কপথে যাতায়াত আরো স্বস্তিদায়ক হবে বলেই আমার বিশ্বাস।” জোড়াতালি দিয়ে মহাসড়ক মেরামতের পর মোটামুটি ভালভাবেই পার হয় গত রোজার ঈদ। তবে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কের অবস্থা শুনে অস্বস্তি কাটছে না যাত্রীদের। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আকবার হোসেন কোরবানির ঈদ করতে পরিবার নিয়ে রংপুরে গ্রামের বাড়িতে যেতে চান। তবে রাস্তার অবস্থা নিয়ে তিনি খানিকটা শঙ্কিত। “বিশেষ করে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায় যানজটে পড়লে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লেগে যায়। এ আতঙ্কেই আছি।” ঢাকায় কর্মরত চট্টগ্রামের বাসিন্দা আবু হোসেন রতন বলেন,
“কুমিল্লা অংশের যানজট আর রাস্তা নিয়ে চিন্তায় আছি। অনেক সময় দেখা যায় পরিবার পরিজন নিয়ে বাসের মধ্যেই ১২ ঘণ্টা কাটাতে হয়।”
আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, বর্ষা মৌসুম বিদায়ের প্রাক্কালে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। “অক্টোবরের প্রথমার্ধে বিদায় নেবে বর্ষা। এর আগ পর্যন্ত মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি হতে পারে।” কুমিল্লা: আতঙ্কের নাম যানজট, সড়কও বেহাল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা জেলার ১০০ কিলোমিটার এলাকার অবস্থা গত কয়েক বছর ধরেই নাজুক। এ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার মাঝে পিচ উঠে গেছে, রাস্তা উঁচু-নিচু ঢেউয়ের আকার ধারণ করে যান চলাচল বিপদজনক হয়ে পড়েছে। এছাড়া মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে রাস্তা দেবে গেছে। ধীর গতিতে যানবাহন চলাচলের ফলে বাড়ছে যানজট, জনদুর্ভোগ। পাশাপাশি মাঝেমধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুমিল্লার দাউদকান্দি টোল প্লাজা থেকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শেষ সীমানা মোহাম্মদ আলী বাজার পর্যন্ত এলাকার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ।
এর মধ্যে দাউদকান্দি উপজেলার হাছানপুর, শহীদনগর, গোমতা ও হরিপুর এলাকায় মহাসড়ক জুড়ে রয়েছে অসংখ্য গর্ত। বিভিন্ন স্থানে সড়কে ফাটলও রয়েছে। গৌরীপুর বাজার, ইলিয়টগঞ্জ বাজার, চান্দিনা বাজার, মাধাইয়া বাজার, কুমিল্লা সদর উপজেলার ময়নামতি সেনানিবাস এলাকা থেকে আলেখারচর পর্যন্ত এলাকাতেও মহাসড়কের বেহাল দশা। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার দত্তসার থেকে লালবাগ পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশের বিভিন্ন স্থান অসমান হয়ে পড়েছে। চৌদ্দগ্রামের বাবুর্চি রাস্তার মাথার দক্ষিণে, চৌদ্দগ্রাম বাজারের পূর্ব অংশ, বিসিক শিল্পনগরীর সামনে, কালির বাজার, আমানগণ্ডা, মিয়াবাজার, নানকরা, আমজাদের বাজার, চিওড়া, লাটিমি, দত্তসার, জগন্নাথদিঘির পাড় ও ফাল্গুনকরাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় অসংখ্য উচু-নিচু ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী এশিয়া লাইনের স্বত্ত্বাধিকারী জলিল আব্দুর রব জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলতে গিয়ে তাদের বাসগুলো খানা- খন্দে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। মহাসড়কের প্রকল্প-২ এর ব্যবস্থাপক মাসুম সারোয়ার বলেন, “মহাসড়কের এ অংশে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু নতুন সামগ্রী দিয়ে কাজ হয়েছিল। এ কারণে হয়তো রাস্তা দেবে গেছে। তবে চার লেইনের কাজের পাশাপাশি সংস্কারের কাজও করা হচ্ছে।”
মহাসড়ক প্রকল্প-১ এর ব্যবস্থাপক দিদারুল আলম তরফদার বলেন, “অস্বাভাবিক বৃষ্টির কারণে দাউদকান্দির কিছু এলাকা, মাধাইয়া, চান্দিনা, ময়নামতি সেনানিবাস এলাকা, আলেখারচরে কিছু গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বিটুমিন দিয়ে গর্তের জায়গা ভরাট করে দিচ্ছি।” মহাসড়কের ত্রুটিপূর্ণ অংশ দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা না করলে এবারের ঈদ ও পূজার ছুটিতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কষ্টসাধ্য হবে বলে মনে করছেন পূর্বাঞ্চল মহাসড়ক পুলিশের সুপার (এসপি) মো. রেজাউল করিম।

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশ ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ২৫ কিলোমিটার অংশের সড়কে একাধিক স্থানে বৃষ্টির পানি জমে গর্ত তৈরি হয়েছে।রোজার ঈদের আগে জোড়াতালি দিয়ে গর্ত ভরাট করা হলেও গত কয়েক দিনের বর্ষণে রাস্তা আগের চেহারায় ফিরে গেছে। মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের পরিদর্শক সালেহ আহম্মদ পাঠান জানান, গর্তে পাথর ও বিটুমিন দিয়ে একদিকে সংস্কার করলে অন্যদিকে আবার গর্ত তৈরি হচ্ছে। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক চার লেইনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের (ফেনী অংশ) উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক জয় প্রকাশ চৌধুরী বলেন, “পুরাতন সড়ক মেরামতের কাজ চলছে। পানিতে বিটুমিন নষ্ট হয়ে যায়। তারপরও বিভিন্ন অংশের মেরামত কাজ শেষ হয়েছে।”ঢাকা-ময়মনসিংহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক চার লেইনে উন্নয়নের কাজ শেষ না হওয়ায় টানা বৃষ্টিতে ছোট বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে অসমাপ্ত অংশে। ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কের ত্রিশাল ও ভালুকা অংশের ৫৭ কিলোমিটার সড়কে মেরামত ও সংস্কার চললেও এখনও অনেক স্থানে গর্ত রয়ে গেছে। অবশ্য মহাসড়ক সচল রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতিই নেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন এ মহাসড়কের জয়দেবপুর ময়মনসিংহ চার লেইন প্রকল্পের উপ ব্যবস্থাপক মোকাদ্দেসুল হক। সালনা মহাসড়ক থানার ওসি এসএম শাহরিয়ার হাসান জানান, গাজীপুর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাড়কের কোনাবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকা ও মৌচাক এলাকায় খানা-খন্দ তৈরি হওয়ায় প্রায়ই যানজট ও দুর্ঘটনা ঘটছে। “এ ব্যাপারে গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগকে একাধিকবার জানিয়েও সুরাহা হয়নি।” গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিবুল হক জানান, তারা সংস্কার কাজ চালিয়ে গেলেও বৃষ্টির কারণে তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
সুত্র….. বিডিনিউজ
বিনােদন ডেস্ক: পূজা এলেই লাক্স তারকা উর্মিলাকে একটু বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। এ ব্যস্ততা শুধু অভিনয়ই নয়, পূজার বিশেষ ফটোসেশনের কারণেও। পাশাপাশি পূজার বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানেও তাকে অংশ নিতে হয়। তবে এ ব্যস্ততার মধ্যে অভিনয়ই প্রাধান্য পায়। প্রতিবারের মতো এবার দুর্গা পূজা উপলক্ষে নির্মিত একটি বিশেষ নাটকে অভিনয় করেছেন উর্মিলা। গৌতম কৈরীর রচনা ও পরিচালনায় নাটকের নাম কাশফুলের দিন। এ নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে উর্মিলা বলেন, গল্প খুবই ভালো লেগেছে। তাছাড়া নিজের ধর্মবিষয়ক গল্পের নাটকে কাজ করার আবেগটা একটু বেশিই থাকে। তিনি আরও বলেন, বছরের দুটি উৎসব আমার ভীষণ প্রিয়। একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর, অন্যটি হচ্ছে দুর্গাপূজা। ঈদুল ফিতরের সময়টা আমি চট্টগ্রামে কাটাই। আর পূজার সময়টুকু ঢাকাতে। আমার মুসলমান বন্ধু-বান্ধব সব থাকে চট্টগ্রামে। তাই তাদের সঙ্গে সময় কাটাতেই মূলত চট্টগ্রামে যাওয়া। অন্যদিকে আমার বাবা-মা যেহেতু ঢাকায় থাকেন তাই পূজার সময়টুকু এখানেই থাকতে হয়। পূজার সময় আমি অনেকবারই দুর্গামা সেজেছি। এবারও হতে হবে কিনা জানি না।
ঢাকা: পবিত্র হজ পালনে গিয়ে এ বছর মোট ২৪ বাংলাদেশি মারা গেছেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার পবিত্র মক্কা নগরীতে দুজন বাংলাদেশি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত ব্যক্তিদের একজন রংপুর জেলার মুন্সীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম (৬৫)। তার পাসপোর্ট নম্বর এজি ৩৪৫৩০২১। অপরজন চট্টগ্রাম জেলার বন্দর থানার মোসাম্মৎ শামছুন নাহার (৪৬), তার পাসপোর্ট নং বিএ ০৭১৮৮৯৯। এ নিয়ে এবারে হজে আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৪ জন মারা গেলেন। এর আগে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিরা হলেন- আব্দুল হাসিম মিয়া(৭৭), মোসাম্মৎ সাহানারা বেগম (৭৭), মো. জামাল উদ্দিন (৪৩), দিল আফরোজ (৬২), মো. নুরুল হোসাইন (৬১), নাসিমা আক্তার (৩৮), মোহাম্মদ ইয়াকুব (৫৭), মো. আকবর হোসাইন (৬২), সাহাজান আলি (৭৫), তোফাজ্জল হোসাইন (৫৯), সাহাব উদ্দিন (৬৯), আব্দুস সালাম (৭৭), মাসুদা খাতুন (৮২), মোহাম্মদ শাহাজান সিকদার (৭১), ফিরোজা খাতুন (৬৫), আমিন উল্লাহ (৭৯), মোহাম্মদ সাদিক (৭৪), মোহাম্মদ ইব্রাহিম (৯২), মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন (৭৪), মতিউর রহমান (৬৪), আবুল কাশেম (৬২)।