May 27, 2026
শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য বা আগের চাইতে আরেকটু সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য বিভিন্ন রকমের ডায়েট অনুসরণ করে থাকি আমরা। বিশেষ করে শর্করা এবং চর্বি এড়িয়ে চলতে অনেকেই বেছে নেন লো-কার্ব অথবা লো-ফ্যাট ডায়েট। কিন্তু এগুলো কি আসলেই কার্যকরী? একটি গবেষণায় দেখা যায়, লো-ফ্যাট ডায়েটের চাইতে লো-কার্ব ডায়েট অনুসরণ করে ওজন কমানোটা বেশি সহজ। এই গবেষণায় অবশ্য অংশগ্রহণকারীরা কোনো রকম ব্যায়াম না করে শুধুমাত্র খাদ্যভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। তাই ব্যায়ামের ব্যাপারতা বিবেচনা করলে অবশ্য তুলনাটি অন্যরকম হতে পারে।আপনি যদি লো-কার্ব ডায়েট অনুসরণের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে আপনার জানা থাকা উচিত যে এতে প্রভাবিত হতে পারে আপনার ঘুমের অভ্যাস। খুব কম পরিমানে শর্করা খাওয়ার ফলে গভীর ঘুমের পরিমাণ কমে যায়।শুধু তাই নয়, ওজন কমা মানেই যে সুস্বাস্থ্য তা কিন্তু ভুল, এটা মনে রাখতে হবে। লো-কার্ব ডায়েট অনুসরণ করতে হলে মনে রাখুন এই তিনটি টিপস।
১) কী খাওয়া বাদ দিচ্ছেন তার ব্যাপারে সাবধান থাকুন
সুস্থ জীবনের জন্য আমাদের খাদ্য তালিকায় ছয় ধরণের খাদ্য উপাদান (শর্করা, আমিষ, তেল-চর্বি, ভিটামিন, খনিজ, পানি) থাকা জরুরি, এটা আমরা সবাই জানি। তাই একটি ডায়েট ফলো করার আগে দেখুন এতে সব ধরণের খাদ্য উপাদান রাখা আছে কিনা। যদি নিতান্তই ওজন কমানোর জন্য এর থেকে একটি খাদ্য উপাদান (যেমন শর্করা অথবা চর্বি) একেবারেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়, তবে তা অনুসরণ না করাই ভালো।
২) সব ধরণের শর্করা খারাপ নয়
কেউ যখন আপনাকে বলছে, শর্করা খেয়ে তারা মোটা হয়ে যাচ্ছেন, তার মানে এই নয় যে সব ধরণের শর্করা খেয়ে আপনি মোটা হয়ে যাবেন। ময়দা এবং চিনির মতো শর্করাগুলো ওজন অনিয়ন্ত্রিভাবে বাড়ানোর জন্য দায়ী। সবজিতেও কিন্তু আছে কিছুটা কার্বোহাইড্রেট যা শরীরের জন্য ভালো।
৩) আপনার উন্নতি হচ্ছে কিনা তার প্রতি মনযোগী থাকুন
ডায়েট অনুসরণ করার পর থেকে কি কি পরিবর্তন আসছে আপনার মাঝে? আপনার শরীর কি আগের চাইতে ভালো লাগছে? নিজেকে আরও কর্মোদ্যম মনে হচ্ছে? নাকি সারাক্ষণই আপনার ক্ষুধা লেগে আছে? মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে এবং ঘুম ঘুম পাচ্ছে? মনে রাখুন, একটি ডায়েট যদি আপনার উপকারে আসে তবে ওজন কমার পাশাপাশি এতে আপনার শরীর আগের চাইতে ভালো লাগার কথা। যদি শরীর উলটো খারাপ লাগতে শুরু করে তবে তার মানে এই ডায়েট আপনাকে স্যুট করছে না।
ঢাকা: ভালো মেয়ে হয়ে বলিউডে টিকে থাকা যাবে না সেটা ভালো করেই বুঝে নিয়েছেন এক সময়ের শিশুশিল্পী হানসিকা মোটওয়ানি। ‘কোই মিল গয়া’ ছবিতে অভিনয় করা সেই ছোট্ট হনসিকা আজ বেশ বড় হয়েছে। নিজের ভালোটাও বুঝতে শিখেছে সে। বড় হয়ে হানসিকা ‘আপ কা সুরুর’ ছবিতে নায়িকাও হন। কিন্তু ভালো থেকে আর বলিউডের বাজার ধরতে পারলেন না তিনি। আপকা সুরুর ছবির পর আর সেভাবে বলিউডের ছবিতে কাজের সুযোগও পাননি। আর তাই দক্ষিণের ছবিতে অভিনয় শুরু করেন হানসিকা। তবে যে বলিউড তাকে পরিচিতি দিয়েছে তাকে ছেড়ে ভালো নেই তিনি। তাই বলিউডে ভালোভাবেই জায়গা করে নিতে চান হানসিকা। জাগয়া করতে হলে ভালো মেয়ের ইমেজ নিয়ে আর থাকা যাবে না। সেই কারণেই সেক্সি ইমেজে পরিচালক-প্রযোজকের নজর কাড়তে ব্যস্ত হানসিকা। সম্প্রতি সানি লিওনেরই বেবিডল গানের তালে পা মিলিয়ে সবাইকে অবাক করেছেন এই সুন্দরী অভিনেত্রী।
ঢাকা: বার্সেলোনা ভক্তদের কাছে একটা লোককথা প্রচলিত। সেটা আবার কী? তা হলো- ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যা করেন, লিওনেল মেসি সেটা আরো ভালোভাবে করেন। সেজন্যই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মতো এখন ৪০০ গোলের অভিজাত ক্লাবের সদস্য মেসিও। তাও আবার সিআরসেভেনের থেকে কম ম্যাচে খেলেই।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪০০ গোলের ল্যান্ডমার্ক ছুঁয়েছিলেন রোনালদো। সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে সেই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের ৩-০ গোলের জয়ে দুইবার লক্ষ্যভেদ করেছিলেন পর্তুগিজ ইন্টারন্যাশনাল। ব্যতিক্রম নন মেসিও। নিজের ৪০০ ছোঁয়ার ম্যাচে আর্জেন্টাইন অধিনায়কও প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীর মতো জোড়া গোল করলেন। তবে শনিবার গ্রানাডার বিপক্ষে ম্যাচে তার দলের জয়ের ব্যবধানটা আরোও বড়। ৬-০ ব্যবধানে। যখন নিজের সামর্থ্যের কিয়ৎ পরিসীমা বোঝাতে দুই গোলের সাথে তিনটি অ্যাসিস্টও করেছেন ফুটবলের ক্ষুদে যাদুকর।
তবে মেসি-রোনালদো দুই জনই ৪০০ গোলের অভিজাত ক্লাবে নাম লেখালেও একটি ক্ষেত্রে বার্সা তারকার কাছে পরাস্ত রিয়াল মাদ্রিদ আইকন। সেটা হলো মেসি ৪০০ গোল করতে ৫২৫ ম্যাচ সময় নিয়েছেন। সেখানে রোনালদোর লেগেছিল ৬৫২ ম্যাচ। অর্থাৎ’ রোনালদোর থেকে ১২৭ ম্যাচ কম খেলেই ওই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান এমএলটেন। আর বয়সের হিসেবে টানা চারবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার ২৭ বছরে এই রেকর্ড স্পর্শ করলেন। কিন্তু রোনালদো সেই নজির স্থাপন করে ২৮ বছর বয়সে।
ঢাকা: ৩১ অক্টোবরের পর উইন্ডোজ পিসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে উইন্ডোজ-৭ অপারেটিং সিস্টেমের নির্দিষ্ট কিছু সংস্করণ সরবরাহ বন্ধ করার কথা ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। অথচ বর্তমান বাজারে এটিই সবচেয়ে জনপ্রিয়। যার ব্যবহারকারী ৫১ দশমিক ২। মাইক্রোসফটের পরবর্তী ভারসন উইন্ডোজ-৮ এবং উইন্ডোজ-৮.১ ব্যবহারকারী সব মিলিয়ে বর্তমান বাজারে মাত্র ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এক কথায় সুপার ফ্লপ। আর এ কারণেই বাজারে আসছে উইন্ডোজ-৯। যা আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে দেবে কয়েক গুণ, এমনটাই দাবি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের। বর্তমানে টাচ স্ক্রিন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের কথা মাথায় রেখেই নতুন সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে। এদিকে ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মাইক্রোসফট। সেখানেই আত্মপ্রকাশ করতে পারে উইন্ডোজ-৯। এর বাজার ধরতে আগামী জানুয়ারি থেকে উইন্ডোজ-৭ বন্ধ করে দেয়া হতে পারে।
ঢাকা: ট্যাবলেট খাইয়ে মোটাতাজা করা গরু চেনা খুব সহজ, যদি চেনার বিষয়গুলো আপনার জানা থাকে। আসুন জেনে নিই ক্ষতিকারক ওষুধ খাওয়ানো মোটাতাজা গরু চেনার উপায়। স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ইনজেকশন দেয়া গরু হবে খুব শান্ত। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারবে না। পশুর ঊরু অনেক মাংসাল মনে হবে। অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে। আঙুল দিয়ে গরুর শরীরে চাপ দিলে সেখানে দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকবে। এগুলোই কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চেনার সহজ উপায়। স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ালে গরুর প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, এর ফলে শরীরে পানি জমতে শুরু করে। ফলে গরু মোটাতাজা দেখায়। এ গরু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাই না করলে মারাও যেতে পারে, অথবা শরীরের মাংস কমে যেতে পারে। তবে যাই হোক না কেন, এমন গরুর মাংস খাওয়া খুবই বিদজ্জনক। কারণ ওই ওষুধ তীব্র তাপেও নষ্ট হয় না। ফলে মানবদেহে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। এ বিষয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশনের পশু চিকিৎসক ডা. আজমত আলী বলেন, ‘অতিমাত্রায় হরমোন ব্যবহার করলে গরুর শরীরে ব্যাপক পানি জমে। এতে গরু মোটাতাজা দেখায়। কিন্তু গরুর কিডনি, লিভার ও পাকস্থলি নষ্ট হয়ে যায়।’ তিনি আরো বলেন, কোরবানির ঈদের ২০ থেকে ২৫ দিন আগে অসাধু ব্যাপারীরা প্রতিটি গরুকে একত্রে ২০ থেকে ৩০টি পর্যন্ত ট্যাবলেট খাওয়ান। ইনজেকশনও দেয়া শুরু করেন। এতে গরু অতি দ্রুত মোটা হয়ে ওঠে। কিন্তু এসব পশু বেশি দিন বাঁচে না। অতিরিক্ত হরমোন খাওয়ানো গরুর মাংস আগুনেও হরমোনমুক্ত হয় না।
ঢাকা: আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড, হাছান মাহমুদকে শ্রেষ্ঠ বেয়াদব আখ্যা দিলেন দলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘ওর মতো বেয়াদব আমি আর দেখি নাই। সে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ বেয়াদব।’ একাত্তরে তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাজেদা। রোববার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে পাশাপাশি দুটি সমাবেশ হচ্ছিল। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পশ্চিম দিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। অপরদিকে পূর্বপাশে মোটরচালক লীগের সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ড. হাছান মাহমুদ। এসময় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ড. হাছান মাহমুদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে এসব কথা বলেন। হাসান মাহমুদের উদ্দেশে সাজেদা বলেন, ‘এখানে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য হবে না। এই জামায়াতি কায়দায় পাল্টাপাল্টি সমাবেশ আওয়ামী লীগ অতীতে করেনি। এখনো আশা করিনি।’ তিনি ড. হাছানকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘উনি কে? কি ছিলেন? মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় ছিলেন? আমি জানি। কীভাবে উনি নেতা হয়েছেন তাও জানি।’ সাজেদা বলেন, ‘এ ধরনের আস্ফালন আমি আমার রাজনৈতিক জীবনে দেখিনি। এখন নতুন নতুন নেতা জন্মে বেয়াদবি শুরু করেছে।’
বিনােদন ডেস্ক : এবার টেলিফিল্মে জুটিবদ্ধ হলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ছোটপর্দার প্রিয়মুখ নুশরাত ইমরোজ তিশা। টেলিফিল্মের নাম ‘৭২ কাকরাইল’।
লিটু সাখাওয়াতের রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন সকাল আহমেদ। ঈদুল আজহার দিন দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে টেলিফিল্মটি। টেলিফিল্মে দেখা যাবে, আমেরিকা প্রবাসী রিয়াজ ও তিশা বাংলাদেশে আসেন তাদের চারতলা বাড়িটা বিক্রি করে দেবে বলে। কিন্তু তিশা কিছুতেই বাড়িটা বিক্রি করতে চায় না। কারণ, এই বাড়ির সঙ্গে রিয়াজের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বাড়িটা বিক্রি করা দরকার রিয়াজের। বাড়িটা রক্ষার জন্য রিয়াজকে না জানিয়ে ভেতরে ভেতরে টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করতে থাকে তিশা। বাড়িটি বিক্রি হয়ে গেলে কেয়ারটেকার, মালিদেরও চাকরি হারাতে হবে। তাই তারা বুদ্ধি করতে থাকে কীভাবে বাড়িটি নিজেদের দখলে রাখা যায়। ওদিকে ক্রেতাদের বাড়িটি সম্পর্কে নানা কু-কথা বলে তাদের নিবৃত করার চেষ্টা করে তিশা। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয় না। একজন ক্রেতার সঙ্গে রিয়াজ বাড়ির দাম ঠিক করে ফেলে। যে মুহূর্তে দলিলে স্বাক্ষর হবে সেই মূহূর্তে কেয়ারটেকাররা আসে রিয়াজকে খুন করতে। তখনই তিশা এসে জানায় যে, সে টাকা জোগাড় করে ফেলেছে।
আশকোনা হজ ক্যাম্প থেকে : রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে প্রতারিত প্রায় এক হাজার হজযাত্রীর আহাজারি চলছে। হজযাত্রীদের পাসপোর্টে ভিসা লাগলেও টিকিট নেই। আবার অনেকেই এখন পর্যন্ত ভিসাও পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। শত শত হজযাত্রীকে এভাবে অসহায় রেখে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির মালিক ও গ্রুপ লিডাররা পালিয়ে সৌদি আরবে চলে গেছেন। আবার অনেকেই মোবাইল বন্ধ রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন। পালিয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার সময় রবিবার সকালে আল নাঈম ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার ইকবাল হোসেনকে বিক্ষুব্ধ হজযাত্রীরা হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকা থেকে আটক করে হজ ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। এ সময় ওই এজেন্সির হজযাত্রীরা ইকবালকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। বিমানবন্দর থানার ওসি শাহ আলম জানান, পালিয়ে যাওয়ার সময় ইকবালকে হজযাত্রীরা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাকে থানায় রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১০-১২টি হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানান ওসি শাহ আলম। কয়েক দিন আগে আল নাঈম ইন্টারন্যাশনালের আরও এক কর্মচারীকে প্রতারণার অভিযোগ আটক করে পুলিশ। আল নাঈম ইন্টারন্যাশনালের হজযাত্রী পাবনার দোগাছী এলাকার মো. ঈমান আলী সরদার বলেন, গত ৫ দিন ধরে আমরা এখানে খেয়ে না খেয়ে পড়ে আছি। কিন্তু এজেন্সির লোকজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার করে টাকা নিয়েছে মুয়াল্লিমরা। এখন পর্যন্ত বিমানের টিকিট তো দূরের কথা ভিসাও হয়নি। আল নাঈম ইন্টারন্যাশনালের ৫৯ জন হজযাত্রী অসহায়ভাবে হজ ক্যাম্পের ফ্লোরে আক্ষেপ করছেন আর দুই চোখের পানি ফেলছেন।
হজ ক্যাম্পের সহকারী হজ অফিসার আব্দুল মালেক জানান, ১২টি এজেন্সির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সব এজেন্সির অনেকেই সৌদিতে চলে গেছেন। আবার অনেকে মোবাইল বন্ধ রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন। এ সব এজেন্সির হজযাত্রীদের যাদের টিকিট কাটার সামর্থ্য নেই তাদের আমরা টিকিটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। তবে এখনও যারা ভিসা পাননি তারা কোনোভাবেই হজে যেতে পারছেন না। এ ব্যাপারে আমাদের কোনো করণীয় নেই। কারণ সৌদি দূতাবাস ইতোমধ্যে ভিসা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, ভুক্তভোগী এ সব হজযাত্রী বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রবিবার বিমান বাংলাদেশের সর্বশেষ হজ ফ্লাইট সকাল সাড়ে ৯টায় সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ কারণে প্রতারিত এ সব হজযাত্রীর হজে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তবে রবি, সোম ও মঙ্গলবার সৌদি এয়ারলাইন্সের হজ ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
বিনােদন ডেস্ক:‘দারুচিনি দ্বীপ’ ছবিতে কাজ করার ছয় বছর পর রূপালি পর্দায় ফিরছেন মম। নাচে-গানে মসলাদার ছবিতে এবারই প্রথম দেখা যাবে তাকে।
নাম ‘প্রেম করবো তোমার সাথে’। ঈদ উপলক্ষে ছবিটির গানের অ্যালবাম ১ অক্টোবর বাজারে আনছে লেজার ভিশন। রকিবুল আলম রকিব পরিচালিত ছবিটিতে মমর দুই সহশিল্পী আনিসুর রহমান মিলন ও জায়েদ খান। এতে গান রয়েছে মোট ৬টি। এগুলো গেয়েছেন কুমার বিশ্বজিৎ, মনির খান, রুপম, আরফিন রুমি, রাজীব, কিশোর, নাওমি, টিনা ও মুন। গান লিখেছেন কবির বকুল, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলসহ অনেকে। সুর ও সংগীত পরিচালনায় আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, শওকত আলী ইমন, আরফিন রুমি ও তানভীর তারেক।
ঢাকা: আগ্নেয়গিরির আকস্মিক অগ্ন্যুৎপাতে জাপানে ৩০ জন পর্বত পরিব্রাজক মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার রাজধানী টোকিওর পশ্চিমাঞ্চলীয় মাউন্ট ওনটেকে আকস্মিকভাবে এই অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। উদ্ধারকারীরা রোববার ওই ত্রিশজনকে অচেতন অবস্থায় খুঁজে পায়। এ সময় তাদের শ্বাস বন্ধ ছিলো এবং তাদের হৃদযন্ত্র সাড়া দিচ্ছিলো না বলে জানায় জাপানের সংবাদমাধ্যম। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়নি, কারণ জাপানে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরই সাধারণত মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়ে থাকে। এদিকে শনিবার দুপুরের এই আকস্মিক অগ্ন্যুৎপাতে মাউন্ট ওনটেকে আটকা পড়ে প্রায় ২৫০ জন মানুষ। তবে তাদের বেশিরভাগই পরবর্তীতে নিরাপদে নিচে নামতে সক্ষম হন। আগ্নেয়গিরিটি রাজধানী টোকিও’র ২৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। সাধারণভাবে ওই এলাকাটি শরৎকালীন সৌন্দর্য্য উপভোগের জন্য জনপ্রিয় একটি পর্যটন স্পট। বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ দেশ হলেও ১৯৯১ সালের পর জাপানে অগ্ন্যুৎপাতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ওই বছর দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় মাউন্ট উনজেনে সংঘটিত অগ্ন্যুৎপাতে মারা যায় ৪৩ জন মানুষ।