April 19, 2026
বাগেরহাট প্রতিনিধি : সুন্দরবনের ভোলা নদীতে ডুবোচরে আটকে আংশিক ডুবে যাওয়া সারবোঝাই জাহাজ ‘এমভি জাবালে নুর’ বুধবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জাহাজটির তলা ফেঁসে যাওয়ায় ইতোমধ্যে এমওপি (মিউরেট অব পটাশ) সার নদীর পানিতে মিশতে শুরু করেছে। এদিকে সুন্দরবনের পরিবেশগত ক্ষতির আশঙ্কায় সুন্দরবন পূর্ব বিভাগ বুধবার বাগেরহাটের শরণখোলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। এছাড়া বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবনে মাত্র ৫ মাসের মাথায় দ্বিতীয়বার জাহাজডুবির ঘটনায় প্রশাসন ও বনবিভাগ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও খুলনা বিভাগীয় বন সংরক্ষক (সিএফ) ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে এ দুটি কমিটি গঠন করেন।
খুলনার সিএফ ড. সুনিল কুমার কুণ্ডু জানান, সারবাহী কার্গো ডুবির কারণ অনুসন্ধানে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আমীর হোসাইন চৌধুরীকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিভাগীয় বন সংরক্ষকের কাছে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শহিদুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. জাহাংগীর আলম জানান।
কার্গো জাহাজটিতে থাকা পটাশ সার বালু উত্তোলনের ড্রেজারমেশিন দিয়ে বিকেল নাগাদ অপসারণের কাজ শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।
কার্গোটি উদ্ধারের চেষ্টার সময় ডুবে যাওয়ার পর থেকে কার্গোটির মালিক পক্ষের লোকেরা গা-ঢাকা দিয়েছেন।