April 19, 2026
ঢাকা: রুবেল হোসেনের চোটের কারণেই দলে সুযোগ পেয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন। সেই শাহাদাতই এখন মারাত্মক চোটাক্রান্ত। ঢাকা টেস্টেই আর খেলতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে ঘোর সংশয়। বিপত্তিটা বাধল ম্যাচের শুরুতেই। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই চোট পেলেন ডান হাঁটুতে। এরপর সাময়িক চিকিৎসার পর খানিকটা সুস্থ বোধ করলে ১৭ তম ওভারে আবার ফিরেছিলেন মাঠে। এরপর তাইজুল ইসলামের বলে সামি আসলামের ক্যাচটা লুফে নিয়ে আনন্দের উপলক্ষও তৈরি করলেন শাহাদাত। যেভাবে তিনি দৌড়ে গিয়ে ক্যাচটি ধরলেন, তাতে মনেই হয়েছিল হাঁটুর আঘাতটা হয়তো গুরুতর কিছু নয়।
সবই ঠিক ছিল। ফের বিপত্তি বাধল মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে। শাহাদাতকে নিয়ে প্র্যাকটিস উইকেটে অনুশীলন করছিলেন বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিক। তিনটা বল ঠিকঠাক করলেন। চতুর্থ বলে দুম করে পড়ে গেলেন পিচে! দূর থেকেই বোঝা গেল চোটটা তাঁর যথেষ্টই। দাঁড়াতে পারলেন না উঠে। অগত্যা স্ট্রেচারে করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হলো মাঠের বাইরে।
প্রথম দিনের বাকিটা সময় তো বটেই, পুরো টেস্টেই শাহাদাতকে পাওয়া যায় কি না সংশয়। এমনিতে প্রথম সেশনে তৃতীয় পেসারের ভীষণ প্রয়োজনীয়তা দেখা গেল। দারুণ বল করলেন পেসার মোহাম্মদ শহীদ। চার স্লিপ এক গালিতে আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং সাজিয়ে ভীতি ছড়ালেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। মধ্যাহ্ন বিরতির আগ পর্যন্ত ১০ ওভার বল করে ২ মেডেনসহ তুলে নিলেন মোহাম্মদ হাফিজের উইকেটটি। তবে এমন পেসার-বান্ধব মুহূর্তে স্ট্রাইক বোলারের ছিটকে পড়াটা দুশ্চিন্তার ছাপই ফেলেছে বাংলাদেশ দলে।
সিরিজ জিততে এই টেস্টে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। আর জিততে হলে প্রতিপক্ষের ২০টি উইকেট তো নিতেই হবে। শাহাদাত ছিটকে পড়ায় বাংলাদেশ দল মাত্র দুজন বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে কীভাবে পাকিস্তানের ২০ উইকেট নেবে, সেটি বিরাট প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে এ মুহূর্তে।