April 22, 2026
টেকনাফ (কক্সবাজার): নয় মাস আমদানি বন্ধ থাকার পর কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। অবশেষে প্রথম চালানে আমদানিকারক প্রতিষ্টান মেসার্স মাহী এন্ড ব্রার্দাস, মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ, মের্সাস সৌরভ এন্টারপ্রাইজ ও মের্সাস জাফর এন্টারপ্রাইজের নামে ছয়টি জাহাজে করে ৪৮৫ মেট্রিকটন (১১হাজার ৮০০বস্তা) পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দর জেটি ঘাটে এসে পৌঁছেন। এগুলো বৃহস্পতিবার বিকালে মের্সাস আর,কে এন্টারপ্রাইজ ও মাহী এন্ড ব্রাদাসের নামে আরও তিনটি জাহাজে ১৫০মেট্রিক টন পেঁয়াজ জেটিতে এসে নোঙ্গরের কথা রয়েছে। পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্টান মেসার্স মাহী এন্ড ব্রাদার্সের তত্ত্বাবধায়ক আবুল হাশেম জানান, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ কেজিপ্রতি দাম পড়ছে ২৩ টাকা। শ্রমিক, বন্দর ও জাহাজ ভাড়া বাবদ খরচ হচ্ছে আড়াই টাকা। তাই এক-দেড় টাকা লাভ করে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ২৭টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। এবার দাম কিছুটা কম হওয়ায় তিনিসহ আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছেন। তিনি আরও জানান, আকিয়াব বন্দর থেকে চলতি সপ্তাহের মধ্যে আরও ১০-১৫টি জাহাজে প্রায় এক হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আশার কথা রয়েছে। মের্সাস সৌরভ এন্টারপ্রাইজের তত্ত্বাবধায়ক যদু দাশ জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবর্তে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হলে তা তুলনামূলক কম দামে ভোক্তাপর্যায়ে বিক্রি করা যাচ্ছে। কারণ, টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মিয়ানমার খুব কাছে হওয়ায় পরিবহন খরচ কম পড়ছে। তাই ব্যবসায়ীরা সেই দিকে ঝুঁকবেন বলে আশা করছেন।
সরেজমিনে শুক্রবার সকালে বাস ষ্টেশন ও বড় বাজারের দোকানগুলোতে ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে।