April 23, 2026
ঢাকা : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘পঁচাত্তর সালে আওয়ামী লীগ একবার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। এবার ৫ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে তারা আবার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এ সরকার সম্পূর্ণভাবে জনসমর্থনহীন সরকার। তাদের দীর্ঘদিন ক্ষমতার রাখা যাবে না।’তথাকথিত সংসদ ও অবৈধ সরকার দিয়ে আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতের মতো একদলীয় বাকশাল কায়েম করার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ । বিএনপির কারামুক্ত নেতাদের নিয়ে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল আরো বলেন ‘দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে এই জনবিচ্ছিন্ন সরকারের পতন ঘটানো হবে। জনসম্পৃক্ত আন্দোলনের মাধ্যমেই নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করা হবে।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ৫ জানুয়ারির ভোটিারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। তাই এই সরকার অবৈধ, অসাংবিধানিক এবং বেআইনিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। এর জবাব তাদেরকে একদিন দিতে হবে।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেণ, জনগণের দুর্বার এবং উত্তাল আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন হবে। স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকার ৫ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদেরকে আটক করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিএনপি নেতাদেরকে আটক করে ভোটবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করা।
দল গোছানো সম্পর্কে এই নেতা বলেন, ‘দল তার নিজস্ব গতিতে চলছে। গোছানোর প্রক্রিয়া চলছে। এর চেয়ে বেশি জানতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে। ’
বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এড. খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, গণতন্ত্র রক্ষায় আমরা লড়ে যাবো। এই সরকার সংবিধান পরিপন্থী সরকার। কোনো অবস্থাতেই এদেরকে দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ বন্দুকের নলের ওপর ভর করে ক্ষমতায় টিকে আছে।
সদ্য কারামুক্ত নেতা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস জিয়াউর রহমানের সমাধিতে এ সময় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর প্রমুখ।