April 18, 2026
স্টাফ রিপোর্টার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। ২রা নভেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জামায়াতে ইসলামির হরতালের কারনে তা নেয়া সম্ভব হয়নি। সকাল ৯টায় জেএসসি’র বাংলা ১ম পত্র এবং জেডিসি’র কুরআন মজিদ ও তাজবিদ। হরতালের কারনে প্রথম দফায় ২ ও ৩রা নভেম্বরের পরীক্ষা দু’টো ৭ ও ১৪ই নভেম্বর তারিখে পরিবর্তন করা হয়। দ্বিতীয় দফায় ৫ ও ৬ই নভেম্বরে ঘোষিত পরীক্ষা দু’টি আগামী ১৯ ও ২০শে নভেম্বর পরিবর্তন করা হয়। ৩রা নভেম্বর নির্ধারিত জেএসসি’র বাংলা ২য় পত্র এবং জেএসসি’র বাংলা ২য় পত্র আগামী ১৪ই নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে। ৫ই নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জেএসসি’র ইংরেজি ১ম পত্র আগামী ১৯ই নভেম্বর বুধবার সকাল ১০টা থেকে এবং ৬ই নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইংরেজি ২য় পত্র আগামী ২০শে নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে। ৫ই নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জেডিসি’র আরবি ১ম পত্র আগামী ১৯শে নভেম্বর বুধবার সকাল ১০টা থেকে এবং ৬ই নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য আরবি ২য় পত্র আগামী ২০শে নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বাকী পরীক্ষা পরীক্ষার সূচি অপরিবর্ত থাকবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার প্রায় ২১ লক্ষ শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করছে। তাছাড়া আগামী ২৩শে নভেম্বর থেকে শুরু হবে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা। সেখানেও আছে প্রায় ৩০ লাখের মত শিক্ষার্থী। ডিসেম্বরে তাদের সাথে যুক্ত হবে লক্ষ লক্ষ বার্ষিক চূড়ান্ত পরীক্ষার্থীর দল।
ঢাকা: ৩৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ইকরাম আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই দিন ঢাকাসহ সাতটি বিভাগীয় শহরে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। ৩৫তম বিসিএসে পিএসসি’র ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী প্রাথমিক আবেদনপত্র জমা দিয়েছে। এবার এই প্রার্থীর সংখ্যা দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। পিএসসি চেয়ারম্যান জানান, ডিসেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী হওয়ায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক হল প্রাপ্তি, সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত ও নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় রেখে পরীক্ষা ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও নির্দেশাবলী পরবর্তীতে পিএসসির ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে বলেও জানান পিএসসি চেয়ারম্যান। গত ২৩ সেপ্টেম্বর নতুন নিয়মে ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়, যাতে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ২০০ নম্বর এবং এক ঘণ্টার এমসিকিউ দুই ঘণ্টা নেয়ার কথা। এবার বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮০৩ জন প্রার্থী নেওয়া হবে। আবেদনকারীর সংখ্যা অনুযায়ী, প্রতি পদের জন্য ১৩৫ জন প্রার্থী লড়বে। ৩৪তম বিসিএসে প্রার্থীর সংখ্যা ছিল দুই লাখ ২১ হাজার ৫৭৫ জন। ৩৫তম বিসিএসে আবেদন ফরম পুরণ ও ফি জমাদান শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় অনলাইনে আবেদনের সময় শেষ হয়। এরপর আরো ৭২ ঘণ্টা অনলাইনে ফি জমা দেয় প্রার্থীরা। এর আগে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ ই ম নেছার উদ্দিন জানান, এবার ঢাকায় এক লাখ ৫৫ হাজার ২৪৪ জন, রাজশাহীতে ২১ হাজার ৮৭৩ জন, চট্টগ্রামে ২০ হাজার ৪৬৯ জন, খুলনায় ১৪ হাজার ৭৮ জন, বরিশালে পাঁচ হাজার ৭২৯ জন, সিলেটে নয় হাজার ৮৫৮ জন এবং রংপুরে ১৬ হাজার ৮৫৬ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।

স্টাফ রিপোর্টার : জেএসসি জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু রোববারঢাকা: চলতি বছরের ২ নভেম্বর থেকে ৫ম বারের মতো জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ বছর উভয় পরীক্ষায় অংশ নেবে ২০ লাখ ৯০ হাজার ৬৯২ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জেএসসিতে ১৭ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯৫ জন এবং জেডিসিতে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯৭ জন।
বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মোলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ একথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর জেএসসি পরীক্ষায় ছাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার ২৫৬ জন। ছাত্রী ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৩৩৯ জন। আর জেডিসি পরীক্ষায় ছাত্র ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯২৭ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৭১ হাজার ১৭০ জন। উভয় পরীক্ষায় কেন্দ্র সংখ্যা ২ হাজার ৫২৫ এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৭ হাজার ৯২৫টি।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ বলেন, ‘এ বছর বিদেশে ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। সেখানে ৫৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে।
মন্ত্রী জানান ২০১৪ সালের জেএসসি- জেডিসি পরীক্ষায় আগের চেয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৪৬ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। কেন্দ্র বেড়েছে ১০৫টি এবং আর প্রতিষ্ঠান ১৭৭টি।
তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর গণিত বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হচ্ছে। বাংলা ২য় পত্র এবং ইংরেজি ১ম ও ২য় পত্র ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিতে হবে।’
পরীক্ষাটি আনন্দপূর্ণ ও নকল মুক্ত পরিবেশে হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী আশা করেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এ বছর প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা করলে কেউ রেহাই পাবে না।’
তিনি আরও জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে ডিসি এবং এসপিকে চিঠি দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কোচিং সেন্টারগুলোতে নজরদারি শুরু হয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।
প্রতিবেদক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পেছাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ ডিসেম্বর শিক্ষক নিবন্ধন (এনটিআরসিএ) পরীক্ষা থাকার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য অচিরেই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হবে। এদিকে বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স শেষপর্ব (নিয়মিত) ভর্তির মেধাভিত্তিক ফল প্রকাশ হবে। বিকাল ৪টা থেকে যে কোন মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে (এনইউ স্পেস এটি স্পেস রোল নম্বার) টাইপ করে ১৬২২২ নাম্বারে পাঠিয়ে জানা যাবে ফল। এছাড়া রাত ৯টা থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেও (www.nu.edu.bd/admissions) এই ফল প্রকাশ করা হবে। ৩ নভেম্বররের মধ্যে মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্তরা অনলাইনে চুড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে পারবেন।
ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার বিকল্প ভাবছে সরকার। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে যে সময়, খরচ নষ্ট হয় এবং শিক্ষার্থীদের ঝামেলা এড়ানো ছাড়াও পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ বৃদ্ধিতেই এমনটা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্তশাসিত হওয়ার কারণে এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের ভর্তির ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়েই আলাদাভাবে আবেদনপত্র দাখিলসহ পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান একই শহর বা এলাকায় না হওয়ার কারণে এবং অনেকসময় একই দিনে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছাত্রছাত্রীদের ভোগান্তির শিকার হতে হয়। অপরদিকে ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে দেশে প্রায় দুই দশক ধরেই জমজমাট কোচিং বাণিজ্য। এক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের আবাসন থেকে শুরু করে শিক্ষা- প্রায় সকল পর্যায়েই বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়। এছাড়া ভর্তি জালিয়াতির প্রশ্ন তো আছেই। সব দিক বিবেচনায় রেখেই বিকল্পের পথে হাঁটতে চাইছে সরকার।
ঢাবি প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দ্বিতীয় দফা ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেছে এ বছরের ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্যের সামনে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, এ বছর মাত্র দুই মাসের মতো সময় পেয়েছিল তারা, যে কারণে প্রস্তুতি ভালো না থাকায় অনেকেই সুযোগ পায়নি। তাদের বিশ্বাস তারা সামনের বার ভর্তি পরীক্ষায় অবশ্যই ভালো করবে। এই অবস্থায় দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার স্বপ্ন নষ্ট না করে দেয়ারও অনুরোধ করে তারা। এতদিন এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা টানা দুইবার ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পেত। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী শ্রভ্রত মণ্ডল বলেন, ‘একদিকে প্রস্তুতির সময় কম দেয়া হয়েছে, অপরদিকে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার সুযোগও বন্ধ করা হয়েছে। আমরা সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের স্বীকার হয়েছি।’ এসময় কর্তৃপক্ষকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দ্বিতায়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ করে দেয়ার আহ্বান জানায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি ঠেকাতে গত মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাওয়ায় একদিকে যেমন প্রথমবার পরীক্ষা দেয়া শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হয়, অপরদিকে পুরাতন শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারগুলোর সহযোগিতা নিয়ে ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে জালিয়াতি করার চেষ্টা করে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা নেয়ার সুযোগ বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া, দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরাই ঢাবিতে বেশি ভর্তি হতে পারে।
ঢাকা: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ছড়াছড়ি কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় গণহারে ফেল। ফলে সঙ্গত কারণেই শিক্ষার মান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাছাই প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ বলে সমালোচনা করেছেন। এই বিতর্কের শেষ না হতেই পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে পাস নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বর্তমানে একটি বিষয়ে একশতে পাস নম্বর ৩৩। তবে এই পাস নম্বর বাড়িয়ে কতো করা হবে সে বিষয়টি পরিষ্কার করেনি মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়েই পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর বাড়ানো হবে। শিক্ষা সচিব বলেন, ‘দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। এখন শতকরা ৯৮ জন স্কুলে ভর্তি হচ্ছে। পাসের হার বেড়েছে, ভালো ফলের হারও বাড়ছে। আমাদেরও স্ট্যান্ডার্ড বাড়ানো প্রয়োজন।’ পাস নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষা সচিব বলেন, ‘পাস নম্বর ৩৩ পৃথিবীর কোনো দেশে নেই। শিক্ষা পরিবারের সবাইকে নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করব। সেখানে সবার মতামত নিয়ে পর্যায়ক্রমে পাস নম্বর বাড়ানো হবে।’
ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন দুটি বিভাগ চালু করা হচ্ছে।নতুন বিভাগ দুটি হলো, বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে ‘ফলিত গণিত’ এবং সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে ‘কমিউনিকেশন ডিসঅর্ডার। রোববার ঢাবি জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নতুন এ বিভাগ দুটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগির এ দুটি বিভাগের কার্যক্রম শুরু করা হবে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই বিভাগ দুটি খোলার অনুমোদন দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য মতে, ১৯২১ সালের ১ জুলাই তিনটি অনুষদে ১২টি বিভাগ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়।এর পরে বিভিন্ন সময়ে অনুষদ ও বিভাগের সংখ্যা বাড়ায় কর্তৃপক্ষ। ঢাবিতে এখন নতুন চালু হওয়া দুটি বিভাগ নিয়ে ১৩ অনুষদের অধীনে মোট ৭৩টি বিভাগ হল।
ঢাকা; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। অন্যান্য ইউনিটের ধারাবাহিকতায় এবারও ৮৩.৪৫ ভাগ ভর্তিচ্ছুই ফেল করেছে। সমন্বিতভাবে পাশের হার ১৬.৫৫ ভাগ। মোট আবেদন জমা পড়ে ১ লাখ ৫,৫২৩ টি । পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮৭ হাজার ২০৩ জন। ফেল করেছে ৭২ হাজার ৭৬৭ জন। আলাদাভাবে বিজ্ঞান বিভাগে পাশ করেছে ৭,৫১০, মানবিকে ৩,২১৬ ও ব্যবসায় প্রশাসনে ৩,৭০৬ জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১,৪১৬টি আসনে ভর্তি করা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের অধীন ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ৯৬.৯০ শতাংশই ফেল করেছেন। মোট ৭ হাজার ২৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাশ করেছে মাত্র ২২৬ জন। এ অনুষদে আসন রয়েছে ১৩৫টি। রোববার সন্ধ্যায় প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার এ ফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।